16/01/2026
সমঝোতার সাংবাদিক সম্মেলনে না যাওয়া পীর সাহেব চরমোনাই ভুল সিদ্ধান্ত নয় তো! মনে আছে কি ছৈয়দ ফজলুল করীম রাহিমাহুল্লাহ কে নিয়ে মরহুম শায়খুল হাদীস রাহিমাহুল্লাহ ঐক্য বাক্য গুলো? লেখাটা পড়ুন, ধারণা পাল্টে যাবে ইনশাআল্লাহ।
আসুন ইতিহাস কি বলে দেখি! আমাদের ছৈয়দ ফজলুল করীম রাহিমাহুল্লাহ এর জীবনেও এমন একটি মূহুর্ত এসেছিলো।
সালটি ২০০১,ঘনিয়ে এসেছিলো নির্বাচন, চারদিকে মাইকের আওয়াজ, এক-এক করে ইসলামীক, আন-ইসলামীক, হাইব্রিড সব ধরনের দল জোট বদ্ধ হতে শুরু করে।
মাত্র ক্ষমতা ছেড়েছে বিএনপি, সবখানে বিএনপির জয়জয়কার, সাথে আছে মুনাফিক খ্যাত জামায়াত, অপরদিকে পরাজিত শক্তি আওয়ামী লীগ, তারাও মোটামুটি কম যায় না। মাঝখানে ছিলো ৯ বছরের ক্ষমতাসীন দল এরশাদের জাতীয় পার্টি।
এই তিন দলকে নিয়েই মূল খেলা! এই তিন দল নির্বাচন কে সামনে রেখে ছোট ছোট দল গুলোকে কাছে ভেড়াচ্ছে।
তবে সকলের আগ্রহের জায়গা ছিলো দেওবন্দী রাজনৈতিক দল গুলো। সকলের নজর ছিলো তাদের দিকে।
তখন কার কওমীয়ানদের রাজনৈতিক দল, ছৈয়দ ফজলুল করীমের (ইশা আন্দোলন), মুফতি আমিনীর (ঐক্যজোট), শায়েখ আজিজুল হকের (মজলিস) সহ আরো অনেক দল।
বিএনপি থেকে অফার এসেছে, আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অফার দিয়ে যাচ্ছে তাদের, কাছে আনার জন্য, অবশেষে বিভিন্ন দাবী এবং শর্তে অনেক হাংগামার পর কাওমীয়ানরা বিএনপির জোটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো।
মুফতি আমীনি, শায়খুল হাদীস, মুফতি ওক্কাস, সহ সবাই একযোগে বিএনপি কে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে মরহুম পীর সাহেব চরমোনাই এর কাছে আসেন, এখানে আরো বিস্তারিত ঘটনা আছে।
ছৈয়দ ফয়জুল করীম রাহিমাহুল্লাহ কে বলা হলো- হুজুর আপনার উস্তাদ (শায়খুল হাদিস আজিজুল হক) তিনি বিএনপির সাথে যাচ্ছেন, আমরাও যাচ্ছি আপনাকেও যেতে হবে।
ছৈয়দ ফজলুল করীম বললেন, আমি যাবো অবশ্য, আমার কিছু কথা বলার আছে এবং কিছু শর্ত আছে। এরপর অনেক হাংগামা হলো ( সংক্ষিপ্ত করলাম) , অবশেষে ছৈয়দ ফজলুল করীম রাহিমাহুল্লাহ বিএনপি জোটের কাছে ৬ টি দাবী ছুঁড়ে দেন। দাবী গুলো হলো-
১/ রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলামী মূল্যবোধ সংরক্ষণ ও বাস্তবায়ন
২/ কুরআন–সুন্নাহবিরোধী আইন প্রণয়ন না করা।
৩/ নাস্তিকতা, ইসলামবিরোধী অপপ্রচার ও অপসংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা।
৪/ মাদ্রাসা শিক্ষার স্বীকৃতি ও উন্নয়ন
৫/ইসলামের মৌলিক আকিদা ও বিশ্বাস (বিশেষ করে খতমে নবুওয়াত) রক্ষায় রাষ্ট্রীয় অবস্থান নিশ্চিত করা
৬/ ইসলামী দলগুলোর ওপ