MD shahidul Shikder official

MD shahidul Shikder official Hi, This is Md Shahidul Shikder, Im a blogger l Ive page follow me to get my picture every time.

09/09/2022
সেরা চা দেখতে সেরা 😁
09/09/2022

সেরা চা দেখতে সেরা 😁

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবায়।গুনে মানে সেরা চা পাতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছিসিলেট থেকে । আপনার অর্ডার নিশ্চিত করতে কল করু...
21/08/2022

আসসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন সবায়।
গুনে মানে সেরা চা পাতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি
সিলেট থেকে ।
আপনার অর্ডার নিশ্চিত করতে কল করুন।
সারা দেশে কুরিয়ার এর মাধ্যমে চা পাতা দিয়ে থাকি।
01789848680

একটা একটা পাতা তুলে ২৩ কেজি পাতা তোলা চাট্টিখানি কথা নয়। রোজ ১২/১৩ ঘন্টা লেগে যায়। যাদের আসলে কোনো কর্মঘন্টা নাই। হিসা...
19/08/2022

একটা একটা পাতা তুলে ২৩ কেজি পাতা তোলা চাট্টিখানি কথা নয়। রোজ ১২/১৩ ঘন্টা লেগে যায়। যাদের আসলে কোনো কর্মঘন্টা নাই। হিসাব একটাই। ২৩ কেজি দিলেই পাবেন দিনে মাত্র ১২০টাকা। কম দিলে পাবেন তার চেয়ে কম টাকা।
বলছিলাম বাংলাদেশের চা বাগানের শ্রমিকদের কথা। দেশের সবচেয়ে নিপীড়িত ও বঞ্চিত শ্রেণীর একটা চা শ্রমিকরা। দেশে এখন একটা ডাবের দাম ১২০-১৪০ টাকা। তাদের দিনের টাকার চেয়ে এক ডজন ডিমের দাম বেশি। চা বাগান কর্মীদের দাবির সাথে সংহতি জানায়। কমপক্ষে দিনে ৩০০ টাকা মজুরির দাবি জানাচ্ছি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সন্তোষ রবিদাস তার চা শ্রমিক 'মা' কে নিয়ে আবেগঘন এই লেখাটি লিখেছেন ... পড়তে পড়তে নিজের ...
17/08/2022

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সন্তোষ রবিদাস তার চা শ্রমিক 'মা' কে নিয়ে আবেগঘন এই লেখাটি লিখেছেন ... পড়তে পড়তে নিজের অজান্তেই চোখে জল চলে এলো!
--------------------------------------------------

মৌলভীবাজার জেলার শমসেরনগরে ফাঁড়ি কানিহাটি চা-বাগানের এক চা শ্রমিক পরিবারের ছেলে আমি। জন্মের ছয় মাসের মাথায় বাবাকে হারিয়েছি। মা চা-বাগানের শ্রমিক। তখন মজুরি পেতেন দৈনিক ১৮ টাকা।

সেই সময় আমাকে পটের দুধ খাইয়ে, অন্যের বাসায় রেখে মা যেতেন বাগানে কাজ করতে।

২০০৭ সালে আমি ক্লাস ফাইভে পড়ি। মায়ের মজুরি তখন ৮৮ টাকা। এক দিন বললেন, ‘বাজারে গিয়ে পাঁচ কেজি চাল নিয়ে আয়।’ সেই চাল দিয়ে এক মাস চলেছে আমাদের। পরদিন সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে দেখি মা চাল ভাজলেন। পলিথিনে সেই ভাজা চাল, আটার রুটি আর লাল চা একটা বোতলে ভরে গামছায় প্যাঁচালেন। আর আমাকে আটার রুটি ও লাল চা দিলেন। দুপুরে খেতে গিয়ে দেখি শুধু পেঁয়াজ, শুকনা ভাত, তেল আর লবণ আছে। তা দিয়ে মেখে খেলাম। রাতেও কোনো তরকারি ছিল না। তখন পাশের বাসার কাকু আমাকে ডেকে কুমড়া আর আলু দিয়েছিলেন, যা দিয়ে আমরা দুইটা দিন পার করেছিলাম। তখন কুপি বাতির আলোয় পড়তাম। মা আগেই রেডি করে দিতেন বাতি। তেল শেষ হয়ে গেলে আর পড়া হতো না। দোকানদার বাকিতে তেল দিতেন না।

পঞ্চম শ্রেণির পর ভর্তি পরীক্ষায় পাস করে ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন স্কুলে পাঁচ বছরের জন্য ফ্রি পড়ালেখার সুযোগ পাই। মা অনেক খুশি হয়েছিলেন। তখন তাঁর সামান্য আয়ের একটা অংশ থেকে আমাকে টিফিন খাওয়ার জন্য প্রতি সপ্তাহে ৭০-৮০ টাকা দিতেন।

২০১৩ সালে বিএএফ শাহীন কলেজে ভর্তি হই। তখন মা ১০২ টাকা করে পেতেন। এই সময়ে তিনি গ্রামীণ ব্যাংক থেকে কিস্তি তুলে আমার ভর্তির টাকা, ইউনিফর্ম আর বই-খাতা কিনে দিয়েছিলেন।

২০১৪ ডিসেম্বর। মায়ের হাতে টাকা নেই। তখন এইচএসসির রেজিস্ট্রেশন চলছিল। মা ৫০ টাকার একটা নোট দিয়ে চোখের জল ফেলতে ফেলতে বলেছিলেন, ‘কেউ ধার দেয়নি রে বাপ।’ কলেজের এক শিক্ষকের কাছ থেকে ধার নিয়ে সেবার রেজিস্ট্রেশন ফি দিয়েছিলাম।

এইচএসসির পর ভর্তি পরীক্ষার কোচিং। মা তখন আবার লোন নিলেন গ্রামীণ ব্যাংক থেকে। লোনের কিস্তির জন্য এই সময় মা বাড়ি থেকে অনেক দূরে গিয়ে বালু শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। বিনিময়ে পেতেন ৩০০ টাকা। আমি জানতাম ঘরে চাল নেই। শুধু আলু খেয়েই অনেক বেলা কাটিয়েছিলেন মা।

এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেলাম। মা তখন কী যে খুশি হয়েছিলেন! কিন্তু ভর্তির সময় যত ঘনিয়ে আসছিল, মায়ের মুখটা তত মলিন দেখাচ্ছিল। কারণ চা-বাগানে কাজ করে যা পান তা দিয়ে তো সংসারই চলে না। ভর্তির টাকা দেবেন কোথা থেকে। পরে এলাকার লোকজন চাঁদা তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে সহায়তা করল। বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশনি করেই চলতাম। হলের ক্যান্টিনে ২০ টাকার সবজি-ভাত খেয়েই দিন পার করেছি। অনেক দিন সকালে টাকার অভাবে নাশতাও করতে পারিনি। দুর্গাপূজায় কখনো একটা নতুন জামা কিনতে পারিনি।

২০১৮ সালে শ্রেষ্ঠ মা হিসেবে উপজেলায় মাকে সম্মাননা দেওয়া হবে বলে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জানানো হয়। পরে মায়ের নামটা কেটে দেওয়া হয়েছিল। খোঁজ নিয়ে জেনেছি, মা আমার চা শ্রমিক। স্টেজে উঠে নাকি কিছু বলতে পারবেন না। তাই নাম কেটে দিয়েছে! মা এখনো প্রতিদিন সকালে একটা বোতলে লবণ, চা-পাতা ভর্তা, আটার রুটি, সামান্য ভাত পলিথিনে ভরে নিজের পাতি তোলার গামছায় মুড়িয়ে নিয়ে দৌড়ান চা-বাগানে। আট ঘণ্টা পরিশ্রম করে মাত্র ১২০ টাকা মজুরি পান! এই মজুরিতে কিভাবে চলে একজন শ্রমিকের সংসার? আজকাল মায়ের শরীর আর আগের মতো সায় দেয় না। বলেন, ‘তোর চাকরি হইলে বাগানের কাজ ছেড়ে দেব।’

আমি এখন সেই দিনের প্রতীক্ষায় আছি....!

- সন্তোষ রবিদাস অঞ্জন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

গভীর শ্রদ্ধা শিকদার টি পরিবার পক্ষে থাকে 🖤
11/08/2022

গভীর শ্রদ্ধা
শিকদার টি পরিবার পক্ষে থাকে 🖤

সততা নিয়ে ব্যবসায় হবে ইনশাআল্লাহ,
04/08/2022

সততা নিয়ে ব্যবসায় হবে ইনশাআল্লাহ,

সিলেট এর চা পাতা।সাড়া দেশে কুরিয়ার এর মাধ্যমে চা পাতা দিয়ে থাকি।01789848680
01/08/2022

সিলেট এর চা পাতা।
সাড়া দেশে কুরিয়ার এর মাধ্যমে চা পাতা দিয়ে থাকি।
01789848680

সেরা বাগানের সেরা চা পাতায় বিক্রি করি  ❤️
01/08/2022

সেরা বাগানের সেরা চা পাতায় বিক্রি করি ❤️

Address

GOPALGONJ
Dhaka
1200

Telephone

+8801616132725

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MD shahidul Shikder official posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to MD shahidul Shikder official:

Share

Category