Rajuk Purbachal Foreign Plot Owners Association - Expatriate

Rajuk Purbachal Foreign Plot Owners Association - Expatriate Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rajuk Purbachal Foreign Plot Owners Association - Expatriate, Real Estate, Rajuk Purbachal New Town, Dhaka.

নকশা দেখে জমি নিজেই মাপবেন কীভাবে? — সম্পূর্ণ পদ্ধতি✅ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম১. গুনিয়া স্কেল – নকশার দৈর্ঘ্য-প্রস্থ নিরুপণে...
06/07/2025

নকশা দেখে জমি নিজেই মাপবেন কীভাবে?
— সম্পূর্ণ পদ্ধতি

✅ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম
১. গুনিয়া স্কেল – নকশার দৈর্ঘ্য-প্রস্থ নিরুপণের জন্য
২. ফুট স্কেল – বাস্তব পরিমাপ জানতে
৩. তিপাতার ডিভাইডার বা কাঁটা কম্পাস – সঠিক বড় দূরত্ব তোলার জন্য
৪. ক্যালকুলেটর – ক্ষেত্রফল, শতকরা হিসাব ক্যালকুলেশনের জন্য
৫. স্বচ্ছ ট্রেসিং পেপার – বাঁকানো বা অস্বাভাবিক আকৃতির জমি সহজে আঁকার জন্য

- পরিমাপের ধাপগুলো (ধাপে ধাপে) শিখুন।

১। নকশার স্কেল বুঝুন:
নকশার একটি কোণে লিখে থাকে: “১৬ ইঞ্চি = ১ মাইল (৫২৮০ ফুট)”
অর্থাৎ: নকশায় ১৬ ইঞ্চি → বাস্তবে ৫২৮০ ফুট
আপনার পরিমাপ হবে স্কেল অনুযায়ী অনুপাত ভিত্তিতে।

2️⃣ জমি চিহ্নিত করুন:

আপনার দাগ বা প্লট নম্বর খুঁজুন
আশপাশে যেমন রাস্তা, খাল, গাছ বা পুকুর আছে কি না দেখে নিশ্চিত হন

ট্রেসিং কাগজ ব্যবহার করে জমির আউটলাইন কপি করে রাখুন

3️⃣ বাহুর দৈর্ঘ্য মেপুন:

ফুট স্কেল + ডিভাইডার ব্যবহার করে:
১. প্রথমে ক্ষুদ্র অংশ মাপুন
২. ডিভাইডার কে কাটিয়ে স্কেলের সাথে তুলুন
৩. পুরো বাহুর দৈর্ঘ্য রেকর্ড করুন

প্রতিটি বাহুর (সীমানার) দৈর্ঘ্য আলাদাভাবে নোট করুন

4️⃣ ক্ষেত্রফল নিরূপণ:

জমির আকৃতি অনুসারে:
আয়তাকার / চতুর্ভুজ আকৃতি:
> ক্ষেত্রফল (বর্গফুট) = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ

ত্রিভুজ আকৃতি:
> (a, b, c তিন বাহু) → Heron’s formula লেগে ব্যবহার করুন

আঁকাবাঁকা জমি:
> ট্রেসিং পেপারে বাহু লিখে ছোট ছোট চতুর্ভুজ বা চারপাশ তৈরি করুন → প্রতিটির ক্ষেত্রফল আয়তকার / ত্রিভুজ সূত্র অনুযায়ী বের করুন → সবগুলো যোগ করুন

5️⃣ রূপান্তর এককে:
নিচের রূপান্তর ব্যবহার করুন:

একক বর্গফুট
১ শতাংশ ৪৩৫.৬
১ কাঠা ৭২০
১ বিঘা ১৪,৪০০ = ২০ কাঠা

উদাহরণ: যদি ক্ষেত্রফল হয় ২১৭৮ বর্গফুট →
২১৭৮ ÷ ৪৩৫.৬ ≈ ৫ শতাংশ

🧠 টিপস ও সতর্কতা:

🟢 চিহ্নাবলি বুঝুন:
∎ (পাকা বাড়ি), ☐ (কাঁচা বাড়ি), 〰️ (পুকুর), ▬ (রাস্তা)
🟢 নোটই রাখুন: সব বাহুর মাপ লিখে রাখুন
🟢 নিখুঁত হন: মাপ নিতে সময় দিন — তাড়াহুড়োয় ভুল হতে পারে।
🟢 জটিল হলে দুইজন সাহায্য নিন — তবে নিজেও চেষ্টা করতে পারেন।

🛡️ শেষ কথা:

নিজে নিজে জমি মাপতে পারলেই আপনি আপনার স্বত্ব বুঝতে পারবেন, চূড়ান্ত দলিলে ভুল হলে সময়মতো সংশোধন করতে পারবেন।

✍️ Thanks to Jahangir Hossain LL.B
📘 ভূমি আইন • নিজেই বুঝুন • নিজেই নিরাপদ থাকুন

🥰 সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে🥰জমির দলিল বৈধ কি না কিভাবে বুঝবেন?জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। এর সাথে জড়িত...
16/04/2025

🥰 সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে🥰

জমির দলিল বৈধ কি না কিভাবে বুঝবেন?
জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। এর সাথে জড়িত আইনি প্রক্রিয়াগুলি সঠিকভাবে বোঝা ও অনুসরণ করা জরুরি। জমির দলিল হলো এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি যা মালিকানার অধিকার প্রমাণ করে। তাই জমি কেনার আগে দলিলটি বৈধ এবং নির্ভরযোগ্য কিনা তা যাচাই করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

দলিল যাচাই করার গুরুত্বপূর্ণ ধাপসমূহ:
১. দলিলের মূল কপি পরীক্ষা করুন:
দলিলটি সাব-রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর ও সিলসহ থাকতে হবে।
দলিলের সাথে সংযুক্ত ছবি এবং মালিকের বর্তমান ছবি মিলিয়ে দেখুন।
প্রতিটি পাতায় সরকার নির্ধারিত স্ট্যাম্প সঠিকভাবে লাগানো আছে কিনা নিশ্চিত করুন।

২. দলিলের তথ্য যাচাই করুন:
দলিলে মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ইত্যাদি তথ্য সরকারি রেকর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।
সাক্ষীদের নাম, ঠিকানা ও স্বাক্ষর স্পষ্ট এবং যথাযথ কিনা যাচাই করুন।
৩. আইনি পরামর্শ গ্রহণ করুন:
একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী দলিল পরীক্ষা করে বৈধতা নিশ্চিত করতে পারেন।
আইনি জটিলতা থাকলে তিনি সঠিক পরামর্শ দিতে পারবেন।
৪. অনলাইন যাচাই ব্যবস্থা ব্যবহার করুন:
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (e-porcha.gov.bd বা land.gov.bd) থেকে দলিল ও খতিয়ান যাচাই করতে পারেন।
কিছু বেসরকারি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানও এই সুবিধা দেয়।

৫. সতর্কতা অবলম্বন করুন:
দলিলে সন্দেহজনক কিছু থাকলে লেনদেন থেকে বিরত থাকুন।
প্রতারণা থেকে বাঁচতে সব তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করুন।

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর:
১) দলিলে কি সব তথ্য আছে?
মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, মৌজা, উপজেলা, জেলা ঠিকমতো আছে কিনা যাচাই করুন।

২) দলিলের স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন:
সরকার নির্ধারিত স্ট্যাম্প ব্যবহার হয়েছে কিনা এবং রেজিস্ট্রার কর্তৃক রেজিস্ট্রি হয়েছে কিনা নিশ্চিত করুন।

৩) মালিকানার ধরণ:

দলিলে মালিকানা অর্জনের মাধ্যম (উত্তরাধিকার, ক্রয়, দান ইত্যাদি) উল্লেখ আছে কিনা দেখুন।

৪) জমির বাস্তব অবস্থা:

জমি বাস্তবে আছে কিনা, দখলে আছে কিনা, ঋণ বা মামলা জর্জরিত কিনা খতিয়ে দেখুন।

৫) দলিলের বয়স:

১৯৭৬ সালের পূর্বের দলিল ‘পুরাতন’ হিসেবে ধরা হয়। অতিরিক্ত যাচাই দরকার হতে পারে।

৬) দলিলের ধরন:

সাধারণত ৪ ধরনের খতিয়ান রয়েছে: সিএস, এসএ, আরএস এবং বিএস।

৭) একাধিক মালিক:

দলিলে একাধিক মালিক থাকলে, সবার সম্মতি ও স্বাক্ষর ছাড়া বিক্রয় করা যাবে না।

৮) মিউটেশন (নামজারি):

নতুন মালিক হিসেবে খতিয়ানে নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মিউটেশন আবশ্যক।

৯) জাল দলিলের লক্ষণ:

ভুল বানান, অস্পষ্ট তথ্য, ভুয়া স্বাক্ষর, ও অস্বাভাবিক অসঙ্গতি থাকলে সতর্ক হোন।

১০) কোথায় যাচাই করবেন?

সাব-রেজিস্ট্রার অফিস: মূল দলিল যাচাইয়ের জন্য।

ভূমি অফিস/অনলাইন পোর্টাল: খতিয়ান ও অন্যান্য রেকর্ড যাচাইয়ের জন্য।

আইনজীবীর সহায়তা: সার্বিক আইনি যাচাইয়ের জন্য সর্বোত্তম।

নোট: উপরোক্ত তথ্যগুলো শুধুমাত্র প্রাথমিক ধারণা দেওয়ার জন্য। জমির দলিল যাচাই করার সময় অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া সবসময়ই উত্তম।

21/01/2023

পূর্বাচলে বাড়ি না বানালে বরাদ্দ বাতিল!
(নিলয় মামুন: প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২৩)

♦️পূর্বাচলে বাড়ি না বানালে বরাদ্দ বাতিল!♦️
রাজধানী ঢাকার কাছেই রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর। রূপগঞ্জ থানা ও কালীগঞ্জ থানা এলাকার ৬ হাজার ১৫০ একর জায়গা জুড়ে করা হয়েছে এ আবাসন প্রকল্প। যেখানে রয়েছে ৩০টি সেক্টরের অধীনে ২৬ হাজার আবাসিক প্লট। অথচ বরাদ্দপ্রাপ্তির ২৮ বছরেও সেখানে গড়ে উঠেনি বসতি। বেশির ভাগ প্লট খালি পড়ে রয়েছে। ২৬ হাজার ভবন ওঠার কথা থাকলেও সেখানে এখন পর্যন্ত মাত্র ৩০০টির মতো নকশা অনুমোদন নিয়েছেন বরাদ্দপ্রাপ্তরা। রাজউক বলছে, বেশ কয়েকটি সেক্টরে বিদ্যুৎ, পানিসহ ভবন করার মতো সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর পরেও মানুষ প্লট ফেলে রাখছে। সুবিধা পাওয়ার পরও যারা ভবন করবেন না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাদের বরাদ্দ বাতিল হতে পারে।

দৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

রাজধানীতে জনসংখ্যার চাপ কমাতে এবং নাগরিক আবাসন সমস্যা দূর করতে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। নতুন এ শহরে প্রায় ১৫ লাখ মানুষের বাসস্থানের সংস্থান হবে। রাজউক নব্বইয়ের দশকে এ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু করে। বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয় ১৯৯৫ সালে। শেষ করার কথা ছিল ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে। পরে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

রাজউক সূত্রে জানা গেছে, ২৬ হাজার ২১৩টি আবাসিক প্লটের মধ্যে হস্তান্তর করা হয়েছে ২২ হাজার। এর মধ্যে বাড়ি তৈরির জন্য অনুমোদন নেওয়া হয়েছে মাত্র ৩০০ প্লটে। এছাড়া ৪৭২টি প্রাতিষ্ঠানিক ও ১ হাজার ৩৩টি বাণিজ্যিক প্লট রয়েছে। প্রকল্প এলাকার ভেতরে ৩১৯ দশমিক ২৮ কিলোমিটার রাস্তা, ৬৪০ কিলোমিটার সারফেস ড্রেন, ৬১টি ব্রিজ, ৪৩ কিলোমিটার লেক উন্নয়ন ও প্রোটেকশন, ৫ দশমিক ২ কিলোমিটার নদীর তীর সংরক্ষণ ও পাঁচটি স্কুল ভবন নির্মাণ হচ্ছে। প্রকল্পের ১৯ নম্বর সেক্টরে থাকবে ১৪০ তলার আইকনিক টাওয়ার। আর ১ নম্বর সেক্টরে শেখ হাসিনা ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণের প্রস্তাবনা রয়েছে।

তাছাড়া ১৫ নম্বর সেক্টরে বঙ্গবন্ধু স্কয়ার নির্মাণের জন্য জায়গা বরাদ্দ রাখা আছে। তাছাড়া প্রকল্পের বিভিন্ন সেক্টরে ১৪টি ব্লকে হাইরাইজ অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে ৬২ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বেশির ভাগ প্লট মালিক প্লটের মধ্যে বাউন্ডারি দিয়ে রেখেছেন। কিছু কিছু প্লটে সবজি চাষ করা হচ্ছে। আবার কিছু প্লট এমনি পড়ে আছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বরাদ্দপ্রাপ্তদের থেকে কিনে অনেকে জমির দাম বাড়ানোর জন্য এভাবে ফেলে রেখেছেন। এলাকাটি সিটি করপোরেশনের বাইরে হওয়ায় রাজউক তাদের জনবল বাড়িয়ে সিটি করপোরেশনের আদলে এ এলাকায় সেবা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এ নিয়ে একটি কমিটিও ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। প্রসঙ্গত, টাউন ইমপ্রুভমেন্ট অ্যাক্ট-১৯৫২ এর ধারা ৬৫ অনুযায়ী রাজউক নির্মিত যে কোনো অবকাঠামো সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তরের বিধান রয়েছে।

রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী উজ্জ্বল মল্লিক বলেন, পূর্বাচলে পরিষেবা দেওয়ার জন্য তেমন কোনো কার্যকরী লোকাল অথরিটি নেই, আছে ইউনিয়ন পরিষদ, তাদের তো আসলে তেমন কোনো ক্যাপাসিটি নেই এই নতুন শহরকে ডেভেলপ করার। যতক্ষণ পর্যন্ত এটি কোনো সিটি করপোরেশনের অধীনে বা এখানে নতুন কোনো সিটি করপোরেশন না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত রাজউক তাদের নিজস্ব মেইনটেইনেন্সে চালাবে। এখানে পরিষেবা দেওয়ার জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে। তারা কাজ করছে। তবে আমরা বসবাস উপযোগী করার জন্য ইতিমধ্যে বিদ্যুৎ, পানি ও সড়কের কাজ করছি। আমরা ২০১৮ সাল থেকে পিপিপি পদ্ধতিতে পানি দিচ্ছি। এখন প্রথম পর্যায়ের প্রায় কাজ শেষ ১,২,৩ নম্বর সেক্টরে। পরবর্তী সময়ে আরও ১০টি সেক্টরে পানি যাবে। এভাবে আমরা ২০২৪ সাল নাগাদ পুরো প্রকল্প এলাকায় পানির ব্যবস্থা করতে পারব।

তিনি আরও বলেন, আসলে এখানে বসতি গড়ে না ওঠার মূল কারণ হলো, যাদের প্লট দেওয়া হয়েছে এদের বেশির ভাগই বিভিন্ন কারণে বাড়ি করছে না। এর মধ্যে সরকারি কর্মকর্তাদের ১০ হাজার প্লট দেওয়া হয়েছে। তারা হয়তো আগামী ১০ বছরেও বাড়ি বানাবে কী না বলা যাচ্ছে না। তাদের বেশির ভাগেরই আর্থিক সংকট, আবার কিছু লোক বর্তমানে সরকারি আবাসনে থাকে। অথবা নিজের হয়তো কোথাও ফ্ল্যাট আছে। ৭ হাজার লোক আছে তারা হয়তো ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে অথবা নিজে ছোট ঘর নিয়ে আছে। এখানেই প্রায় ১৭ হাজার বাদ। এছাড়া ৪ হাজার আছে বিদেশি। তারাও বেশির ভাগ বিক্রি করে দিয়েছে। আর যাদের কাছে বিক্রি করেছে তার তো সম্পদ আছে আগে থেকেই, ফলে সে-ও বাড়ি বানাচ্ছে না। আর বাকি ২-৩ হাজার প্লট রয়েছে। এর মধ্যেই বাড়ি নির্মাণ হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৩০০ বাড়ির প্ল্যান অনুমোদন হয়েছে। আমরা তাদের এখন বাধ্য করব বাড়ি করার জন্য। আমরা যেহেতু পানি দিচ্ছি, বিদ্যুৎ দিচ্ছি, রাস্তাও করে দিয়েছি, এখন বাড়ি বানাতে হবে। নয়তো প্লট বাতিল করার মতো হার্ডলাইনে যাব আমরা।

ইত্তেফাক/এমএএম
বিষয়: রাজউক
সুত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক

06/10/2022

পুর্বাচল প্লটে কোন ঝামেলা নেই যদি আপনি নিজে রাজউক অফিসে গিয়ে নিজেই বরাদ্দকৃত মালিকের ফাইল চেক করে নেন। রাজউক প্লট নির্ভেজাল হয়, তবে নিজে দেখে নিতে হবে। আশাকরি আমরা সতর্ক থাকবো পুর্বাচল এলাকায় চায়ের দোকানে বসে থাকা যত্রতত্র দালাল শ্রেণী থেকে।
♦♦♦প্রথম আলো নিউজ - ৬ই অক্টোবর ২০২২♦♦
(Page3,Clm 2), আহমদুল হাসান, ঢাকা

News Headline : প্লট কিনে দেখেন সবই ভুয়া

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ইছাপুরে একটি ১০ তলা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে, এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিস্ময় আর ঘোর যেন কাটছেই না। কারণ, এর আগে ইছাপুরে ১০ তলা ভবন কেউ নির্মাণ করেননি। ১৭ শতাংশ জমির ওপর নির্মাণাধীন ভবনটির মালিক স্থানীয় বাসিন্দা মোবারক হোসেনের স্ত্রী মুক্তা আক্তার। ছয় বছর আগেও বালুর ব্যবসার আয়ে সংসার চলত মোবারকের। মুক্তার কোনো আয় ছিল না। এত অল্প সময়ের মধ্যে দুই কোটি টাকায় জমি কিনে ভবন নির্মাণ, দুই কোটি টাকা দামের দুটি গাড়ি এবং দুটি বালুবাহী নৌযানের (বাল্কহেড) মালিক হয়েছেন এই দম্পতি। বড় অঙ্কের টাকা খরচ করে পূর্বাচলের একটি প্লটে তাঁরা শুরু করেন রেস্তোরাঁ ব্যবসা। মোবারক–মুক্তা দম্পতির এই উত্থানের হিসাব মেলাতে পারছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের কর্মকর্তারা বলছেন, প্লট জালিয়াতি–সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে জানা গেছে, মোবারক ও মুক্তা দম্পতির আরও সম্পদ রয়েছে। তাঁরা এগুলোর মালিক হয়েছেন মাত্র ছয় বছরে। ভুয়া মালিক সাজিয়ে প্লট বিক্রির নামে প্রতারণা করতেন তাঁরা। এভাবে তাঁরা পূর্বাচলে ৯টি প্লট বিক্রির নামে তাঁরা ৮৪ কোটি টাকা নিয়েছেন। এসব কাজে তাঁদের সহযোগিতা করেছেন মো. ওবায়দুল্লাহ নামে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) এক অফিস সহকারী। জমিসংক্রান্ত সব নথি তাঁর কাছ থেকে সংগ্রহ করতেন মোবারক। বিশ্বস্ততা অর্জনের জন্য রাজউকের কর্মকর্তা পরিচয়ে তাঁকে বিভিন্ন সময় ক্রেতাদের কাছে নিয়ে যেতেন তিনি।

কর্মকর্তারা জানান, মোবারক ও মুক্তা দুবাইয়ে স্থায়ী আবাস গড়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। এ জন্য তারা ঘন ঘন দুবাইয়ে যেতেন এবং কয়েক মাস পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করতেন। তবে দুবাইয়ে স্থায়ী বসবাসের ব্যবস্থা করার আগেই তাঁদের জালিয়াতি ধরা পড়ে। ইতিমধ্যে মোবারকের স্ত্রী মুক্তা আক্তার এবং তাঁদের গাড়িচালক তুষারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

যেভাবে প্রতারণা

মোবারক–মুক্তা দম্পতি প্লট বিক্রির নামে যাঁদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন, তাঁদের মধ্যে ইয়ুথ গ্রুপ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক ও তাঁর স্বজনেরা রয়েছেন। এই গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আকবর হায়দার ভূঁইয়া তাঁদের মালিকানার প্লট বিক্রি করে ৮৪ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় গত ২৭ জুলাই ঢাকার কাফরুল থানায় মামলা করেন। তাতে মোবারক, তাঁর স্ত্রী মুক্তা আক্তার, শ্বশুর নজরুল ইসলাম ও গাড়িচালক তুষারকে আসামি করা হয়। এই মামলায় গত ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকার ভাটারা থেকে মুক্তা ও তুষারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সিটিটিসি কর্মকর্তারা জানান, ইয়ুথ গ্রুপ ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নামে জমি কেনায় মধ্যস্থতা করেছিলেন মোবারক। ধীরে ধীরে পরিবারটির সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এবং তিনি তাঁদের বিশ্বস্ত হয়ে ওঠেন। ২০১৬ সালে পূর্বাচলে আরও কয়েকটি প্লট বিক্রি হবে জানালে সেগুলো কেনার আগ্রহ দেখান আকবর হায়দার। কয়েকজনকে বিভিন্ন প্লটের মালিক সাজিয়ে কাফরুলে ইয়ুথ গ্রুপের অফিসে নিয়ে যান মোবারক। আকবর হায়দার বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকায় প্লট দেখা এবং রাজউক থেকে নথি সংগ্রহ করে মালিকানা যাচাইয়ের দায়িত্ব দেন মোবারককে। তিনি সব ঠিক আছে জানালে দাম ঠিক করে সেগুলো কেনার ব্যবস্থা করা হয়।

মোবারকের ওপর আস্থা রেখে ইয়ুথ গ্রুপের অফিসেই জমি রেজিস্ট্রির ব্যবস্থা করা হয়। কমিশন দিয়ে রূপগঞ্জের সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে কর্মকর্তাদের নিয়ে এসেছেন বলে জানান মোবারক। তাঁরা জমিদাতাদের জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবি সংগ্রহ, টিপ সই ও স্বাক্ষর নিয়ে নিবন্ধনের সব কাজ শেষ করেন। পরে সেই জমির নামজারির দায়িত্বও নেন মোবারক। জমির নিবন্ধন ও নামজারির সব নথিপত্রও সরবরাহ করেন তিনি।

ছয় বছর পরে ওই জমিতে গিয়ে জানা যায়, আকবর হায়দাররা যেসব জমি কিনেছেন, সেগুলোর প্রকৃত মালিক জমি বিক্রি করেননি। রাজউক ও ভূমি অফিসেও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তাঁদের কেনা জমির নামজারি হয়নি। তাঁরা যাঁদের কাছ থেকে জমি কিনেছেন, তাঁরা সবাই ছিলেন সাজানো মালিক। তাঁদের এনআইডি ও ছবি সবই ছিল ভুয়া। জমি কেনার যেসব নথি মোবারক সরবরাহ করেছিলেন, সেগুলো তিনি নিজেই তৈরি করেছিলেন।

সিটিটিসির অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) তৌহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, পূর্বাচলের বিভিন্ন প্লটের বরাদ্দপত্র, অফিস আদেশ, মালিকানা সনদ, বিক্রির অনুমতিপত্রসহ সব নথি নিজেই তৈরি করতেন মোবারক ও তাঁর সহযোগীরা। নথিগুলো দেখে কেউ বুঝতেই পারবেন না, সেগুলো নকল। মোবারকের ফাঁদে পা দিয়ে জমির ক্রেতারা রাজউকের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে খোঁজ না নিয়ে বিপুল অর্থ খুইয়েছেন।

রাজউক কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা

সম্প্রতি সরেজমিনে ইছাপুর এলাকায় জমি কেনাবেচায় মধ্যস্থতাকারী তিন ব্যক্তির সঙ্গে কথা হয়। তাঁরা জানান, ওবায়দুল্লাহ রাজউকের অফিস সহকারী। ইছাপুর এলাকায় যাঁরা জমি কেনাবেচায় মধ্যস্থতা করেন, তাঁদের সবার সঙ্গেই ওবায়দুল্লাহর সখ্য আছে। তাঁরা তাঁকে ‘ওবায়দুল কাকা’ সম্বোধন করেন। পূর্বাচলের কোনো প্লটের নথির প্রয়োজন হলে প্রায় সবাই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্লট কেনাবেচায় মধ্যস্থতার পাশাপাশি নিজেও এই ব্যবসা করেন ওবায়দুল্লাহ।
♦♦♦প্রথম আলো নিউজ - ৬ই অক্টোবর ২০২২♦♦
#পুর্বাচলনিউটাউন

03/10/2022

রাজউক পুর্বাচল উপশহর
(৩০০ফিট রোড-কুড়িল)
আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সাজানো গুছানো আইকনিক সিটি হতে যাচ্ছে, যা এখনি দৃশ্যমান।
ধন্যবাদ (UpLift) এমন সুন্দর একটি ভিডিও উপহার দেয়ার জন্য। #পুর্বাচল

Address

Rajuk Purbachal New Town
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rajuk Purbachal Foreign Plot Owners Association - Expatriate posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rajuk Purbachal Foreign Plot Owners Association - Expatriate:

Share

Category