ঢাকার বাড়ী

ঢাকার বাড়ী Provide property solution all over Dhaka. Feel free for contact property consultancy .

16/06/2026
ঢাকা মাওয়া রোডের  একমাত্র আধুনিক হাউজিং। রেডি প্লট বিক্রয় চলছে - 01721-157027
11/06/2026

ঢাকা মাওয়া রোডের একমাত্র আধুনিক হাউজিং।
রেডি প্লট বিক্রয় চলছে - 01721-157027

সাউথ টাউন কেরানীগঞ্জ। রেডি প্লট বিক্রয় চলমান।কল- 01721-157027
05/06/2026

সাউথ টাউন কেরানীগঞ্জ।
রেডি প্লট বিক্রয় চলমান।
কল- 01721-157027

04/06/2026

বিল্ডিং এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজের ধাপ সমূহ:-

১। সীমানা নির্ধারন
২। লে-আউট, রাজউক সেট ব্যাক চেক
৩। পাইলিং ক) পাইল পয়েন্ট সেন্টার করা
খ) বোরিং করা
গ) খাচা বাধা
ঘ) ব্লক দেওয়া
ঙ) ওয়েল্ডিং করা
চ) খাচা ঢুকানো
ছ) ঢালায়
৪। মাটি কাটা
৫। ড্রেসি, লেভেলিং, কম্পেকশন
৬। সোলিং, সিসি ঢালায়
৭। সাটারিং রড বাধায় সহ পাইল ক্যাপ বা ফুটিং ঢালায়
৮। সাটারিং রড বাধায় সহ সট কলাম, ম্যাট ঢালায়
৯। সাটারিং রড বাধায় সহ আন্ডার গ্রাউন্ড পানির ট্যাংক ঢালায়
১০। মাটি, বালি ভরাট ও কম্পেকশন
১১। লেভেলিং, সোলিং, সাটারিং রড বাধায় সহ গ্রেডবীম ঢালায়, কিউরিং
১২। বালি ভরাট ও কম্পেকশন
১৩। গ্রাউন ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
১৪। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং
১৫। গ্রাউন ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড ঙ) আউট লাইন চেক
চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক
ছ) ঢালায়
জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
১৬। ফাস্ট টু টপ ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
১৭। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং
১৮। ফাস্ট টু টপ ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড ঙ) আউট লাইন চেক
চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক
ছ) ঢালায় (ছাদের ঢালাইয়ের সময় ইলেকট্রিক পাইপ লাইন গুলো চেক) জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া ১৯। চিলাকুটার কলাম
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
২০। লিফ্ট মেশিন রুম অভার হেড পানি ট্যাংক
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড ঙ) আউট লাইন চেক
ঙ) ঢালায় চ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া ২১। জলছাদ
ক) ছাদ চিপিং
খ) পানি দিয়ে ধোয়া
গ) চুন ফোটানো
ঘ) চুন চালা
ঙ) খোয়া, সুরকি, চুন দিয়ে
শুকনা অবস্থায় কাটা
চ) রসুন, তেতুল, চিটাগুড়
মেশানো পানি দিয়ে
ভেজানো
ছ) কম পক্ষে সাতটা কাটা
দেওয়া
জ) ভাল ভাবে পচানো
ঝ) রেইন ওয়াটার পাইপের
দিকে ঢাল দিয়ে বিছানো
ঞ) ভাল ভাবে পিটানো
ট) হালোট দেওয়া
ঠ) সিমেন্ট ও চুন দিয়ে
তালের ব্রাস দিয়ে
ফিনিশিং দেওয়া
ড) খড়, কচুরী পানা চট দিয়ে
পানি দিয়ে ছাদ ঠান্ডা
রাখা
ঢ) প্যরাপেট গাথুনী ও প্লাষ্টার
২২। গাথুনী করা
ক) গাথুনীর লে- আউট দেওয়া
খ) ক্লাইন্ট লেন্ডওনার দিয়ে চেক
গ) ইট ভেজানো
ঘ) সঠিক অনুপাতে মসলা
মিশানো
ঙ) কিউরিং করা
২৩। লিন্টেল
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) ঢালায়
ঙ) কিউরিং
২৪। ফলস স্ল্যাব ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) ঢালায়
ঙ) কিউরিং
২৫। লিন্টেল, ফলস স্ল্যাবের উপর গাথুনী
২৬। চৌকাঠ, গ্রীল, রেলিং ফিটিং
ক) সল চেক
২৭। ইলেকট্রিক ওয়াল পাইল ও ইস্টীল বক্স ফিটিং
ক) গুরুপ কাটা
খ) পাইপ জ্যাম
গ) ইস্টীল বক্স ফিটিং
২৮। প্লাষ্টার
ক) গাথুনী পরিষ্কার ও ভেজানো
খ) বালি চালা ও ধৌয়া
গ) সঠিক অনুপাতে মসলা
মিশানো
ঘ) সিলিং, বীম, কলাম চিপিং
ঙ) প্লাষ্টার
চ) কিউরিং
২৯। টাইলস চয়েজ ক্লাইন্ট, ল্যান্ডওনার
৩০। ওয়াল টাইলস
ক) স্যানিটারী ইন্টারনাল ওয়ারিং
খ) পেসার চেক
গ) ভাটিক্যাল পাইপ
ঘ) টাইলস ফিটিং
ঙ) কিউরিং
চ) পয়েন্টিং
৩১। ফ্লোর টাইলস
ক) চিপিং
খ) পানি দিয়ে ধোয়া
গ) ডিস টেলিফোন ক্যাবল দেওয়া
ঘ) বাথ রুমের ফ্লোরে স্লোপ দেওয়া
ঙ) কিউরিং
চ) পয়েন্টিং
৩২। বেসিন সিংক ফিটিং
৩৩। মার্বেল গ্রানাট ফিটিং
৩৪। রং
ক) পাথর ও ৩২০ পেপার দিয়ে ঘোষা
খ) পরিষ্কার
গ) সিলার
ঘ) পুটি
ঙ) ঘোষা
চ) ফাস্ট কোট
ছ) সেকেন্ড কোট
জ) ফাইনাল কোট
৩৫। পলিশিং
ক) ভাল ভাবে ঘোষা
খ) আস্তর দেওয়া
গ) পুটি কাটা
ঘ) পলিশ করা
৩৬। থাই ফিটিং
ক) আউটার লাগানো
খ) গ্লাস পাল্লা ফিটিং
গ) সিলিকন গাম দেওয়া
৩৭। দরজার পাল্লা ফিটিং
৩৮। ইলেকট্রিক ক্যাবল টানা
৩৯। সুইচ সকেট, ব্রকার লাগানো
৪০। গ্রাউন্ট ফ্লোরে ৬"~৮" লাইন টানা
৪১। পিট করা, মিটার পিট, মাষ্টার পিট করা
৪২। বাউন্ডারী ওয়াল করা
৪৩। মেন গেইট লাগানো
৪৪। কোম্পানীর নাম সহ লোগো লাগানো
৪৫। বাগান করা
৪৬। স্যানিটারী ফিটিং ফিকসার লাগানো
৪৭। লিফ্ট, সাব ইস্টেশন, জেনারেটর ফিটিং
৪৮। ওয়াসা কানেকশন
৪৯। ইলেকট্রিক কানেকশন
৫০। ধোয়া পুছা পরিষ্কার করে আনুষ্ঠানিক ভাবে হেন্ড ওভার দেওয়া

১০০% রেডি প্লট বিক্রয় হবে। ঢাকা-মাওয়া রোড, কেরানীগঞ্জ।কল- 01721-157027
02/06/2026

১০০% রেডি প্লট বিক্রয় হবে।
ঢাকা-মাওয়া রোড, কেরানীগঞ্জ।
কল- 01721-157027

ঢাকা - মাওয়া রোড, কেরানীগন্জ।রেডি প্লট কেনার ইচ্ছা থাকলে  সাউথ টাউন ভিজিট করুন।কল- 01721157027
31/05/2026

ঢাকা - মাওয়া রোড, কেরানীগন্জ।
রেডি প্লট কেনার ইচ্ছা থাকলে সাউথ টাউন ভিজিট করুন।
কল- 01721157027

23/05/2026

অবকাঠামো উন্নয়নে নয়, জবাবদিহি ও তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্তেই বাঁচবে ঢাকা

‘ঢাকা কি মৃত নগরী হতে যাচ্ছে? সমাধানে করণীয়’ শীর্ষক এক নগর সংলাপে বক্তারা।

বায়ু ও শব্দদূষণ, জলাবদ্ধতা, নিরাপদ পানির সংকট এবং যানজট—সব মিলিয়ে রাজধানী ঢাকা এখন ‘অচল মেগাসিটি’। নদীদূষণ ও দখল, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং দুর্বল নাগরিক সেবায় নগরবাসীর জীবন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। এমন পরিস্থিতিতে কেবল অবকাঠামো উন্নয়ন দিয়ে নয়, বরং নেতৃত্বের সক্ষমতা, জবাবদিহি এবং তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই ঢাকাকে বাঁচানো সম্ভব।

‘ঢাকা কি মৃত নগরী হতে যাচ্ছে? সমাধানে করণীয়’ শীর্ষক এক নগর সংলাপের মূল প্রবন্ধে এ কথাগুলো তুলে ধরা হয়। আজ শনিবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত ওই সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গুলশান সোসাইটির সভাপতি ও নগর অধিকার কর্মী ওমর সাদাত।

ওমর সাদাত বলেন, ঢাকাকে পুনরুজ্জীবিত করতে হলে এখনই রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও পেশাদারির সমন্বয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় এই মেগাসিটি অদূর ভবিষ্যতে পুরোপুরি অচল হয়ে পড়বে।

ঢাকা এক ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখি উল্লেখ করে প্রবন্ধে বলা হয়, বুড়িগঙ্গাসহ চারপাশের নদীগুলো দখল ও দূষণে কার্যত এখন মৃত। তাই নগরবাসীর পানির চাহিদা পূরণে দূরের মেঘনা নদীর ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, যা দীর্ঘ মেয়াদে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। পাশাপাশি বায়ুদূষণ সহনীয় মাত্রার চেয়ে ১০ থেকে ১৫ গুণ বেশি।

সমস্যা থেকে উত্তরণের সময় এখনো শেষ হয়ে যায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, কঠোর আইন প্রয়োগ, সমন্বিত নগর শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, পরিবেশ পুনরুদ্ধার, আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা চালু এবং নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা—এসব পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়ন করা গেলে পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব। পরিকল্পিত সবুজায়ন, বর্জ্যের আধুনিক ব্যবস্থাপনা এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করার মতো উদ্যোগও জরুরি।

সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, মিরপুরের প্যারিস খাল গত দুই মাসে সাতবার পরিষ্কার করা হয়েছে। এরপরও খালটি আবার নোংরা হয়ে গেছে। খালপাড়ে যারা বর্জ্য ফেলে, তাদের জরিমানার আওতায় আনার আলোচনা চলছে।

প্রশাসক বলেন, ফুটপাতে একসময় যেখানে ২০০ হকার ছিল, এখন তা বেড়ে দুই হাজার হয়েছে। ২ শতাংশ মানুষের কারণে ৯৮ শতাংশ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। কিছু হকারের জন্য পুরো ঢাকাবাসীর ভোগান্তি কাম্য নয়।

নির্দিষ্ট জায়গায় অস্থায়ী ও ভ্রাম্যমাণভাবে হকারদের বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে জানিয়ে প্রশাসক বলেন, হকারদের পুনর্বাসনে প্রাথমিকভাবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ছয়টি খোলা জায়গায় অস্থায়ী মার্কেট গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেখানে নিবন্ধনের মাধ্যমে তাঁদের ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়া হবে। নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি আদায়ের মাধ্যমে ওই জায়গার রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। দোকানগুলো ট্রলির মতো ভ্রাম্যমাণ হবে, যাতে নির্দিষ্ট সময় পর সরিয়ে নেওয়া যায়।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম বলেন, নগর সেবাগুলোকে এক ছাতার নিচে আনা গেলে সমন্বয়হীনতা কমবে এবং সেবার মান বাড়বে। তথ্যের ঘাটতির কারণে অনেক ক্ষেত্রে সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ব্যাহত হচ্ছে। যানজট নিরসনে পার্কিং স্পেস উদ্ধারে কাজ চলছে এবং যাঁরা পার্কিংয়ের নির্ধারিত জায়গা অবকাঠামো করে রেখেছেন, তাঁদের শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ঢাকা ওয়াসার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদ বলেন, নগরীর বিভিন্ন স্থানে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণাধীন থাকলেও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কাজ ব্যাহত হচ্ছে। কোনো প্রকল্প ৫ বছরে শেষ করার কথা থাকলেও লাগছে ১২ বছর। কোনো কাজ সময়মতো করা যাচ্ছে না।

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের ডেপুটি ট্রান্সপোর্ট প্ল্যানার ধ্রুব আলম বলেন, ঢাকার গণপরিবহনের জন্য ২০ বছরের একটি পরিকল্পনার কাজ চলছে। বিভিন্ন বাসমালিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকার ৪২টি রুট থেকে কমিয়ে ৩২টিতে আনার চেষ্টা হচ্ছে। একটি রুটে এক কোম্পানিরই বাস চলবে। এভাবে বাস চলাচল হলে ঢাকার গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আসবে। এ বছরের মধ্যেই এই পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস রুটে নামানো হবে।

22/05/2026

সাউথ টাউন, আব্দুল্লাহপুর।
মাওয়া রোড সংলগ্ন হাউজিং।
কল- 01721-157027

সাউথ টাউন আব্দুল্লাহপুর, কেরানীগঞ্জ।কর্নার রেডি প্লট বিক্রয় বিক্রয় করা হবে।কল-  01721-157027
22/05/2026

সাউথ টাউন আব্দুল্লাহপুর, কেরানীগঞ্জ।
কর্নার রেডি প্লট বিক্রয় বিক্রয় করা হবে।
কল- 01721-157027

21/05/2026

ড্যাপের কিছু বিষয়ে আপত্তি

ক্ষতিগ্রস্ত দুই লাখ ভূমি মালিক ও আবাসন ব্যবসায়ী
কায়েস আহমেদ সেলিম কায়েস আহমেদ সেলিম
প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ঘোষিত ২০২২-২০৩৫ মেয়াদের বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনার (ড্যাপ) কারণে ঢাকার দুই লক্ষাধিক ভূমি মালিক ও আবাসন ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। জানা গেছে, ড্যাপের এই ‘বৈষম্যমূলক নীতি’ আবাসন ব্যবসা স্থবির করে তুলেছে। নির্মাণযোগ্য ফ্লোর স্পেস বা উচ্চতা কমে যাওয়ায় ভূমি মালিকরা যৌথ উদ্যোগে বাড়ি নির্মাণ করতে পারছেন না। ফলে তাদের ২৫-৪০ শতাংশ পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য জায়গা কমছে। এছাড়া এই পরিকল্পনার কারণে ফ্ল্যাটের মূল্য ও বাড়ি ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ড্যাপে সংরক্ষিত জলাধার বা কৃষিজমির মালিকদের জন্য টিডিআরের (ট্রান্সফার অব ডেভেলপমেন্ট রাইটস) কথা বলা হলেও এটি অনেকের কাছেই জটিল ও বৈষম্যমূলক বলে মনে হয়েছে। ড্যাপের কারণে ভূমি মালিকরা ন্যায্য অধিকার হারাচ্ছেন। ফলে তারা বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছেন। এদিকে চলতি বছরের শুরুর দিকে বিগত সরকারের ত্রুটিপূর্ণ ড্যাপ ২০২২-২০৩৫ পরিকল্পনা ও বৈষম্যমূলক ফারের (এফএআর) কারণে ঢাকা শহরের আবাসন খাতের উন্নয়ন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। এর ফলে রাজধানীর দুই লক্ষাধিক ভূমি মালিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে ঢাকার ভূমি মালিক সমিতি।

সংগঠনটির সদস্যরা বলেন, বৈষম্যমূলক ড্যাপের কারণে দ্রুত বাড়ছে ফ্ল্যাটের দাম। একই সঙ্গে বাড়ছে বাড়ি ভাড়া। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য ঢাকা মহানগর ইমারত বিধিমালা-২০০৮ অনুসারে ভবন নির্মাণের অনুমতি দিতে হবে। কয়েক মাস আগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব অভিযোগ ও দাবির কথা তুলে ধরেন তারা।

ক্ষতিগ্রস্ত ঢাকার ভূমি মালিক সমিতির সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. দেওয়ান এম এ সাজ্জাদের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে শতাধিক ভূমি মালিক অংশ নেন। মানববন্ধনে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকরা অভিযোগ করে বলেন, রাজধানীকে বাসযোগ্য নগরী হিসাবে গড়ে তোলার কথা বলে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির লক্ষ্যে মহল বিশেষের ছত্রছায়ায় ২০২২ সালের ২৩ আগস্ট ড্যাপ ২০২২-২০৩৫ প্রণয়ন করা হয়। ঢাকা শহরের বহুবিধ সমস্যাকে পাশ কাটিয়ে একমাত্র ভবন নির্মাণের বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে এটা করা হয়, যা নাগরিকদের মধ্যে বিশাল বৈষম্য সৃষ্টি করে। ড্যাপ ২০২২-২০৩৫-এ ঢাকা শহরের মাত্র ২০ শতাংশ পরিকল্পিত এলাকায় সুউচ্চ ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অবশিষ্ট ৮০ শতাংশ এলাকায় ‘অপরিকল্পিত এরিয়া’ ট্যাগ দিয়ে ভবনের উচ্চতা ও আয়তন কমিয়ে দেওয়া হয়।

ভূমি মালিকরা আরও বলেন, এই শহরের প্রকৃত ভূমি মালিকরা ভবন নির্মাণ করতে পারছেন না। নতুন করে কোনো ভবন নির্মাণ করতে গেলে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। একই পরিমাণ জমিতে আগে যেখানে ১০ তলা ভবন হতো, ফার ইস্যুতে এখন সেখানে ৫ তলা ভবনের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এতে ব্যাপক ক্ষতি ও বৈষম্যের শিকার হচ্ছি আমরা। অন্যদিকে সংশোধিত ড্যাপে সাতারকুল ও বাড্ডা মৌজায় নতুন করে জলাশয় ও খালের প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ভূমি মালিকদের মাঝে অসন্তোষ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, ড্যাপের এই প্রস্তাব পূর্ববর্তী পরিকল্পনা, মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতা এবং বিদ্যমান উন্নয়ন কাঠামোর সঙ্গে সম্পূর্ণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ। যুগান্তরকে তারা জানিয়েছেন, এই দুটি মৌজা ২০১০-২০১৫ মেয়াদের ড্যাপে স্পষ্টভাবে ‘আরবান রেসিডেন্সিয়াল জোন’ হিসাবে চিহ্নিত ছিল। সেই শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী ২০০৪ সাল থেকে জমি ক্রয়, রেজিস্ট্রেশন, উন্নয়ন কার্যক্রম, অবকাঠামো নির্মাণ ও প্লট হস্তান্তরসহ যাবতীয় প্রক্রিয়া রাজউকের অনুমোদনক্রমে সম্পন্ন হয়েছে। আর এভাবেই দীর্ঘ দুই দশকে হাজারো মানুষ এখানে তাদের স্বপ্নের ঠিকানা গড়ে তুলেছেন। অথচ নতুন ড্যাপে (২০২২-২০৩৫) হঠাৎই সাতারকুল ও বাড্ডা মৌজার বড় একটি অংশে অযৌক্তিকভাবে জলাশয় ও খাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০১০-২০১৫ মেয়াদের ড্যাপে রাজধানীর মাদানী অ্যাভিনিউ এবং ৩০০ ফিট (পূর্বাচল সংযোগ সড়ক) এলাকার কাছে বড় কাঠালদিয়া এবং নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত নাওরা মৌজার আবাসিক ও বর্ধিত অংশ; নাওরা, বাঘব এবং ডুমনি মৌজায় হাউজিংসহ বিভিন্ন প্রকল্প এলাকায় যেখানে জলাশয় ছিল-সেগুলোকে ২০২২-২০৩৫ মেয়াদের ড্যাপে পরবর্তীতে আবাসিক এলাকা হিসাবে রূপান্তর করা হয়েছে। অর্থাৎ যেখানে জলাশয় সংরক্ষণের যৌক্তিকতা ছিল, সেখানে আবাসিক ব্যবহার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যেখানে দীর্ঘদিন ধরে আবাসিক উন্নয়ন বিদ্যমান, সেখানে অযৌক্তিকভাবে জলাশয় ও খালের প্রস্তাব করা হয়েছে। ড্যাপের এই নতুন প্রস্তাবনার ফলে হাজারো মানুষের স্বপ্ন ভেঙে যেতে বসেছে।

সার্বিক বিষয়ে রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ‘আমরা পড়ে গেছি ফ্যাসাদে। প্ল্যানাররা বলছেন, ভবনের উচ্চতা বাড়ানো হয়েছে, ডেভেলপাররা বলছেন কমানো হয়েছে। অথচ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে দফায় দফায় আলাপ-আলোচনা করেই ড্যাপ চূড়ান্ত করা হয়েছে। কিন্তু সবাইকে তো খুশি করা যাবে না। আমাদের এগোতে হবে। ২০০৮ সালের নিয়মে এখন আর ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়।’ তিনি বলেন, এমনিতেই কৃষিজমি কমে যাচ্ছে, জলাশয় বেহাত হয়ে যাচ্ছে। শুধু বিল্ডিং বানালেই হবে না, বাঁচতেও হবে, অক্সিজেনও লাগবে। তাই আমাদের জলাশয় রক্ষা করতেই হবে।

সাতারকুল-বাড্ডা মৌজায় নতুন করে জলাশয় ও খালের প্রস্তাব করা প্রসঙ্গে রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে ব্যক্তিগতভাবে আমি অবগত আছি। এখানকার ভূমি মালিকরা আবেদন করলে আমরা বিবেচনা করব এবং ড্যাপ রিভিউ কমিটির কাছে পাঠিয়ে দেব। তিনি বলেন, এই দুই মৌজা ‘আরবান রেসিডেন্সিয়াল জোন’ ছিল না, জলাশয়ই ছিল। তবুও আবেদন পেলে আমরা ভেবে দেখব, যতদূর বিবেচনা করা যায় করব। ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল বলেন, ড্যাপে কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি থেকে থাকলে অবশ্যই রিভাইস করার সুযোগ আছে। এজন্য রিভিউ কমিটি আছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।

২০২৬ যুগান্তর কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Address

Dhaka

Telephone

+8801721157027

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ঢাকার বাড়ী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ঢাকার বাড়ী:

Share

Category