বহুকাঙ্খিত পদ্মাসেতু এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা। বৃহত্তম দক্ষিণাঞ্চলের সামগ্রিক অর্থনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে পদ্মাসেতু। এই গুরুত্বপূর্ণ এলাকাটি দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান সংযোগস্থল হিসেবে দেখা হয়। সরকারের উন্নয়নের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পদ্মার দুপাড় গড়ে উঠছে হংকং এবং সিঙ্গাপুরের মতো পরিকল্পিত নগরী। গড়ে উঠবে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া কমপ্লেক্স ও অলিম্পিক ভিলেজ, পদ্মা ভিউ স্টেডিয়াম, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতি
ক বিমানবন্দর, রেলওয়ে জংশন, বঙ্গবন্ধু কনভেনশন সেন্টার - ২, গার্মেন্টস পল্লী, বিনোদন কেন্দ্র, পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়াও এখানে নির্মিত হচ্ছে সরকারী বিভিন্ন সংস্থার অফিস, সরকারী - বেসরকারী আবাসিক প্রকল্প এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও কমার্শিয়াল জোন।
সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ, বাড়ছে নগরায়ন। রাজধানীর বুকে একখণ্ড জমি সকলের লালিত স্বপ্ন। আর এই স্বপ্নপূরণে মাতৃভূমি ডেভেলপার এন্ড প্রপাটিজ লিঃ গড়ে তুলছে পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প মাতৃভূমি সিটি। রাজধানী ঢাকার ব্যস্ততম ও দেশের অর্থনীতির প্রানকেন্দ্র মতিঝিল থেকে মাত্র ২০ মিনিট দূরত্বে ঢাকা - মাওয়া ৩০০ ফিট মহাসড়কের নিমতলার সন্নিকটে গড়ে উঠছে আগামীর সবচেয়ে পরিকল্পিত শহর মাতৃভূমি সিটি।
ডি.ও.এইচ.এস, সেন্ট্রাল জেল এবং রাজউক এর ঝিলমিল প্রকল্প সংলগ্ন এই বৃহৎ আবাসিক প্রকল্পটিতে থাকছে নিজস্ব ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, বর্জ্যব্যবস্থাপনা প্রকল্প, ৫০ ফুট প্রশস্থ রাস্তা, নয়নাভিরাম লেক, খেলারমাঠ, শপিং মল, মসজিদ, মন্দির, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল ও কমিউনিটি সেন্টারসহ বসবাসের জন্য সব ধরনের নাগরিক সুবিধা। পদ্মাসেতুর কাজ শুরু হওয়ার কারণে বিগত কয়েক বছরে প্রকল্প সংলগ্ন জমির চাহিদা ও মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে বহুগুণ। ফকিরাপুল-আরামবাগ-ঝিলমিল ফ্লাইওভার চালু হলে ঢাকার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুক্ত হবে নতুন মাত্রা। আগামী প্রজন্মের জন্য নিশ্চিত ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সবুজের মাঝে নিরাপদ এই আবাসন প্রকল্পটি হোক আপনার পরিবার, পরিজন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিশ্চিত ঠিকানা। একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক ও স্বপ্নময় আয়োজনে আপনারা আমন্ত্রিত।