ArFin Sum Aiya

ArFin Sum Aiya ����

04/12/2025

Bro lost his pants trying to climb in 💀

04/12/2025

Respect ❤️
গর্বিত মায়ের,গর্বিত ছেলে তারা!!!☺️

04/12/2025
04/12/2025

"সময়" সৃষ্টির ছায়া
স্রষ্টা যার অদ্বিতীয় আলো—
তিনি সৃষ্টিরও আগে, সময়ের ঊর্ধ্বে।
অনাদিকাল ধরে আছেন, অনন্তকাল থাকবেন।

সৃষ্টি যেখানে,
সময় সেখানে।
ঘটনার শুরুতেই সময়ের জন্ম।
যেখানে কিছু ঘটে না—
সেখানে সময়ও থাকে স্থির, নীরব।

এই ‘সময়’ নামের খাঁচার ভেতরেই আবদ্ধ
পুরো সৃষ্টি জগত, মহাবিশ্বের প্রতিটি কণিকা।
ঘটনা ঘটছে বিরামহীন ,
চলছে ক্ষয় আর সঞ্চয়ের অনবরত খেলা।

একদিন মরণ এসে খুলে দেবে সময়ের খাঁচা,
নিয়ে যাবে আমাদের অনন্তের পথে।
সেই দিন আমরা সময়ের সীমানা পেরিয়ে
মরণের স্বাদ নিয়ে ঢুকে পড়বো চিরকালীন অস্তিত্বে।

আজকের প্রতিটি কাজ, প্রতিটি পদক্ষেপ
গড়ে তুলছে পরকালের গন্তব্য।
শ্রেষ্ঠত্বের সার্থকতা তখনই,
যখন মানুষ সত্যকে চিনে নেয়—
মন থেকে, কাজে, আত্মায়।

06/05/2025

🤣🤣

04/05/2025
26/04/2025

পুরুষ মানুষ 18 বছরে যা চায়,
90 বছরেও তাই চায়, কোনো পরিবর্তন নেই
কিন্তু নারী চরিত্র বেজায় জটিল, বয়স পরিবর্তনের সাথে সাথে তাদের মনের পরিবর্তন ঘটে ।
তবে সব নারীর নয়, কিছু কিছু নারী 💗

18 বছর বয়সী মহিলা পছন্দ করেন " সুদর্শন পুরুষ "
25 বছর বয়সী মহিলা পছন্দ করেন " পরিণত পুরুষ "
30 বছর বয়সী মহিলা পছন্দ করেন " সফল পুরুষ "
40 বছর বয়সী মহিলা পছন্দ করেন " প্রতিষ্ঠিত পুরুষ "
50 বছর বয়সী মহিলা পছন্দ করেন " ভালোবাসার দেওয়ার পুরুষ "
60 বছর বয়সী মহিলা পছন্দ করেন " সাপোর্টিং পুরুষ "
80 বছর বয়সী মহিলা পছন্দ করেন " ধর্ম কথা শোনাবে এমন পুরুষ "
90 বছর বয়সী মহিলা পছন্দ করেন " আল্লাহর সেবায় বিশ্বাসী পুরুষ "
আর কিছু কিছু পুরুষ 🙂
এদিকে পুরুষের ক্ষেত্রে দেখুন --
18 বছর বয়সী পুরুষ " সুন্দরী মহিলা পছন্দ করে "
25 বছর বয়সেও পুরুষ " সুন্দরী মহিলা পছন্দ করে "
30 বছর বয়সেও পুরুষ " সুন্দরী মহিলা পছন্দ করে "
40 বছর বয়সেও পুরুষ " সুন্দরী মহিলা পছন্দ করে "
50 বছর বয়সেও পুরুষ " সুন্দরী মহিলা পছন্দ করে "
60 বছর বয়সেও পুরুষ " সুন্দরী মহিলা পছন্দ করে "
80 বছর, কোমর ঝুঁকে গেছে, হাতে পায়ে বল নাই " সুন্দরী মহিলা পছন্দ "
90 বছর, বিছানা থেকে উঠার ক্ষমতা নেই " সুন্দরী মহিলা পছন্দ "
100 বছর পর, মৃত্যু হয়েছে, বি*দে*হী আ*ত্মা হয়ে " সুন্দরী মহিলা হুর পছন্দ করে 🤣🤣🤣🤣

20/04/2025

😭😭

19/04/2025
মাথার খুলি মধ্যে মস্তিষ্কের ভর, আসলে ওজন প্রায় 1.5 কেজি, যা সারা জীবন বহন করার জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ওজন। কিন্তু কেন আম...
19/04/2025

মাথার খুলি মধ্যে মস্তিষ্কের ভর, আসলে ওজন প্রায় 1.5 কেজি, যা সারা জীবন বহন করার জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ওজন। কিন্তু কেন আমরা মাথার মধ্যে মস্তিষ্কের ওজন অনুভব করি না?

কারণ মস্তিষ্ক সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইডে ভেসে বেড়ায়, এবং পদার্থবিদ্যা আইন ("আর্কিমিডিস নীতি") বলে যে তরল পানিতে ডুবে যাওয়া একটি দেহ বাস্তুচ্যুত তরল মাত্রার সমান ওজন হ্রাস করে। অতএব, আমরা মস্তিষ্কের ওজন অনুভব করি না, বরং প্রায় ৫০ গ্রাম ওজন হ্রাস পায়।

নামাজের সময় সিজদা ও রুকুতে মাথা নাড়লে সেরিব্রোস্পাইনাল তরল নড়াচড়া করে, মস্তিষ্কের একটি মৃদু ম্যাসাজ প্রবাহ প্রদান করে, যা প্রশান্তি এবং শিথিলতার অনুভূতি সৃষ্টি করে।

কোরআনে বর্নীতঃ
"নিশ্চয় আমরা সবকিছু সঠিক পরিমাপের মাধ্যমে সৃষ্টি করেছি [৫৪:৪৯] ❤️

17/04/2025

জেরুজালেম ও হিন্দুস্হান বিজয়-

ফিলিস্হিন,গাজওয়ায়ে হিন্দ বা হিন্দুস্হানের যুদ্ধের ব্যাপারে আলেমদের বহু অভিমত পাওয়া যায়।

কারো মতে তা ঘটে গেছে বিশেষ করে মুহাম্মদ বিন কাসিমের সময় আবার কারো মতে খলিফা মাহাদী (হাফিঃ)-এর নেতৃত্বে হবে আবার কারো অভিমত এটা গুরুত্বপূর্ণ হলে এর সম্পর্কে সহীহ হাদীস নেই কেন।
আসুন হাদীসগুলো দেখি আগে-

● হজরত আবু হুরাইরা রাদিআল্লাহু আনহুর দ্বিতীয় হাদিস

হজরত আবু হুরাইরা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আলোচনা করলেন এবং বললেন, “অবশ্যই তোমাদের একটি দল হিন্দুস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। আল্লাহ তা’আলা ঐ মুজাহিদদেরকে বিজয় দান করবেন। এমনকি ঐ মুজাহিদরা হিন্দু শাসকদেরকে ডাণ্ডাবেড়ি পড়িয়ে বন্দি করে নিয়ে আসবে। এই মহান জিহাদের বরকতে ঐ মুজাহিদদেরকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে। অতঃপর যখন সেই বিজয়ী মুসলিমরা ফিরে আসবে তখন ঈসা ইবনে মারইয়াম আলাইহিস সালামকে সিরিয়াতে পারে। হজরত আবু হুরাইরা রাদিআল্লাহু আনহু বলেন আমি যদি সেই গাজওয়া পেয়ে যাই, তাহলে আমি আমার নতুন ও পুরাতন সকল সম্পদ বিক্রি করে দেবো এবং তাতে অংশগ্রহণ করবো।

যখন আল্লাহ তা’আলা আমাকে বিজয় দান করবেন এবং আমি ফিরে আসবো, তখন আমি এক মুক্ত আবু হুরাইরা হয়ে ফিরে আসবো। যে সিরিয়াতে এমন মর্যাদা নিয়ে ফিরে আসবে, সে সেখানে ঈসা ইবনে মারইয়াম আলাইহিস সালামকে পাবে।

হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঐ সময় আমার একান্ত ইচ্ছে হলো, যে আমি তাঁর নিকট পৌঁছে তাঁকে বলবো, যে আমি আপনার সাহাবী। (বর্ণনাকারী বলেন) নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবু হুরাইরা রাদিআল্লাহু আনহুর একথা শুনে মুচকি হাসলেন এবং হাসি দিয়ে বললেন, অনেক কঠিন।” এই হাদিসটি নাঈম ইবনে হাম্মাদ রহ. তার কিতাবুল ফিতানে বর্ণনা করেছেন।

● ইসহাক ইবনে রাহুবিয়া রহ. ও তার মুসনাদে উল্লেখ করেছেন। তার বর্ণনায় কিছুটা সংযোজন রয়েছে। তাই তার বর্ণনাটিও আমরা নিম্নে হুবহু উল্লেখ করে দিচ্ছি।

“হজরত আবু হুরাইরা রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিন্দুস্তানের আলোচনা করতে গিয়ে বললেন, নিশ্চয়ই তোমাদের একটি দল হিন্দুস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে এবং আল্লাহ তা’আলা ঐ মুজাহিদদেরকে বিজয় দান করবেন। এমনকি ঐ মুজাহিদরা হিন্দুদের শাসকদেরকে ডাণ্ডাবেড়ি পড়িয়ে বন্দি করে নিয়ে আসবে। আল্লাহ তা’আলা ঐ সকল মুজাহিদকে ক্ষমা করে দেবেন। অতঃপর যখন তারা ফিরে আসবে, তখন ঈসা ইবনে মারইয়াম আলাইহিস সালামকে সিরিয়াতে পাবেন।

● হজরত আবু হুরাইরা রাদিআল্লাহু আনহুর প্রথম হাদিস

সর্বপ্রথম হাদিস আবু হুরাইরা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, “আমার প্রাণপ্রিয় বন্ধু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বলেছেন, এই উম্মতের মাঝে সিন্দ এবং হিন্দের দিকে বাহিনী রওয়ানা হবে। আমার যদি এমন কোন বাহিনীতে অংশগ্রহণের সুযোগ হয় এবং আমি তাতে অংশগ্রহণ করে শহীদ হয়ে যাই তাহলে ঠিক আছে। আর যদি ফেরত আসি তাহলে আমি একজন মুক্ত আবু হুরাইরা হবো। যাকে আল্লাহ তা’আলা জাহান্নাম থেকে মুক্ত করে দিয়েছেন।”

এই বাক্যের সাথে এই হাদিসটি শুধুমাত্র ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহ. তার মুসনাদে বর্ণনা করেছেন এবং ইবনে কাসীর রহ. তাঁর উদ্ধৃতিতেই “আল-বেদায়া ওয়ান-নেহায়া”তে বর্ণনা করেছেন।

কাজী আহমাদ শাকের মুসনাদে আহমাদের ব্যাখ্যাগ্রন্থে এই হাদিসকে হাসান আখ্যা দিয়েছেন।

● ইমাম নাসাঈ রহ. তার কিতাব “আস-সুনানুল মুজতবা” ও “আস-সুনানুল কুবরা” উভয়টিতে নিম্নের বাক্যের সাথে বর্ণনা করেছেন।

“নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের সাথে গাজওয়াতুল হিন্দের ওয়াদা করেছেন। হজরত আবু হুরাইরা রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, আমি যদি তাতে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে যাই, তাহলে আমি আমার জীবন ও সম্পদ তাতে খরচ করবো। আর যদি নিহত হয়ে যাই তাহলে আমি সর্বোত্তম শহীদদের অন্তর্ভুক্ত হবো। আর যদি ফেরত আসি তাহলে এক মুক্ত আবু হুরাইরা হবো।”

মন্তব্য – এই হাদীসগুলো যদি সত্যি হিসেবে ধরা হয় –
তাহলে এখানে শুধু হিন্দুস্হান নয় বরং তার পূর্বে জেরুজালেম বিজয়ের কথা বলা হয়েছে আর জেরুজালেম বিজয় হবে হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। এরপর জেরুজালেমের খলিফা হিন্দ ও সিন্ধে বাহিনী পাঠাবেন।

● “পূর্বদিক (খোরাসান) থেকে কিছু লোক বের হয়ে আসবে, যারা ইমাম মাহদির খিলাফত প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করবে এবং খিলাফত প্রতিষ্ঠা সহজ করে দিবে”। (সহিহ সুনানে ইবনে মাজা, খণ্ড ৩, হাদিস নং ৪০৮৮)

● “ঐ দিক থেকে একটি দল আসবে (হাত দিয়ে তিনি পূর্ব দিকে ইশারা করলেন)। তারা কালো পতাকাবাহী হবে। তারা সত্যের (পূর্ণ ইসলামী শাসনের) দাবী জানাবে, কিন্তু তাদেরকে দেওয়া হবে না। দুইবার বা তিনবার এভাবে দাবী জানাবে, কিন্তু তখনকার শাসকগণ তা গ্রহণ করবে না। শেষ পর্যন্ত তারা (ইসলামী শাসন ব্যবস্থার দায়িত্ব) আমার পরিবারস্থ একজন লোকের (ইমাম মাহদির) হাতে সোপর্দ করে দিবে। সে জমিনকে ন্যায় এবং নিষ্ঠার মাধ্যমে ভরে দিবে, ঠিক যেমন ইতিপূর্বে অন্যায় অত্যাচারের মাধ্যমে ভরে দেওয়া হয়েছিল। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যদি কেউ ঐ সময় জীবিত থাকো, তবে অবশ্যই তাদের দলে এসে শরীক হয়ে যেও – যদিও বরফের উপর কনুইয়ে ভর দিয়ে আসতে হয়”। (আবু আ’মর আদ দাইনিঃ ৫৪৭, মুহাক্কিক আবু আবদুল্লাহ সাফেঈ হাদিসটিকে সহীহ বলেছেন)

● হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন কালো পতাকাগুলো পূর্ব দিক (খোরাসান) থেকে বের হবে, তখন কোন বস্তু তাদেরকে প্রতিহত করতে সক্ষম হবে না। এমনকি এই পতাকাকে ইলিয়ায় (বাইতুল মুকাদ্দাসে) উত্তোলন করা হবে (খেলাফত প্রতিষ্ঠা করবে)”। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস মুসনাদে আহমাদ, )

● হযরত ইবনুল হানাফিয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, খোরাসান থেকে কালো ঝান্ডাবাহী দল এবং শুয়াইব ইবনে সালেহ ও মাহদীর আত্নপ্রকাশ এবং মাহদীর হাতে ক্ষমতা আসার বাহাত্তর মাসের (৬ বছরের) মধ্যেই সংঘটিত হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ – ৮০৪ ]

তার মানে বুঝা যায়, এই যুদ্ধ শেষ জমানার সাথে সম্পর্কিত। আর মুহাম্মদ বিন কাসিম মুলতানসহ সিন্দ বিজয় করেছেন পুরো হিন্দ নয়।

রসুল (সাঃ)-এর যুগে হিন্দ বলতে (ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, মায়ানমার, নেপাল, ভুটান) বুাঝাত আর সিন্ধ ছিল (পাক) আর তিব্বত বলতে লাদাখসহ চীনকে বুঝাত। ইংরেজরা এসে পাকিস্তানকেও প্রথম হিন্দ বলে অভিহত করে।
মুহাম্মদ বিন কাসিমকে পাঠানো হয় বসরা হতে জেরুজালেম হতে নয় আর হাজ্জাজ বিন ইউসুফ তাকে পাঠিয়েছিলেন। নিঃসন্দেহে হাজ্জাজ জালেম ছিল অথচ বহু হাদিসে গাজওয়ায়ে হিন্দ বিজয়ী দলের নেতার প্রশংসা করা হয়েছে।

এবার আসি যেহেতু যুদ্ধে বিজয়ী দল ও বিজয় জেরুজালেম বিজয়ের পরে হবে তাই অনেক আলেমের অভিমত খলিফা মাহাদী (হাফিঃ)-এর সময় শুরু হবে।

আসলে হাদীসে বিজয় ও বিজয়ের কথা বলা হয়েছে শুরু হবার কথা আসেনি। যেমন – মক্কাবিজয় বা বিজয়ী দল অল্প সময় হলেও তার পটভূমি ছিল বহু পূর্বে বদর, উহুদের যুদ্ধ হয়েছিল। তেমনি গাজাওয়া হিন্দের সূচনা হয়তো বহু পূর্বে হবে।

এখন আশ্চর্য ব্যাপার হলো- জেরুজালেম বিজয়ের পর একটা বাহিনী এসে হিন্দুস্হান বিজয়ই ভূমিকা রাখবে।
কিন্তু অনেক আলেমরা জনপ্রিয় হওয়ার জন্য আজ ফিলিস্তিন যুদ্ধ করার আবেগ ছড়াচ্ছে, অথচ হিন্দুস্হানে আমাদের যুদ্ধ জড়াতে হবে কোন প্রস্তুতি নেই।
কোন মুজাহিদ দল কি সবাইকে জানিয়ে প্রস্তুতি নেয়,নাকি গোপনে নিজেরা সংঘবদ্ধ হয়ে দীর্ঘমেয়াদী লড়াইয়ের প্রস্তুতি নেয় ।
আবার আমাদের ভাই (সে- না বাহিনী) শান্তি মিশনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলিম হত্যায় সাহায্য করছে কেন নিরব আলেম সমাজ!!

কেন সামান্য অর্থের বিনিময়ে ওদের এসব দেশে পাঠানো হয়!! আমরা কি কেন প্রতিবাদ/ প্রতিরোধ করছি।
আরবদেশগুলো নিরব!! তুর-স্ক প্রায় ৬ লাখ সেনা যাদের অনেকে ন্যাটোর হয়ে কাজ করে।

জাতিকে সত্য কেন জানান না।

মায়ানমারের রোহিঙ্গা সব মরে গেল, আমাদের আলেমরা গাজাওয়া হিন্দ বলবে না আবার বাংলাদেশের দুজন সেনা সদস্য মরলে তারা গাজওয়া হিন্দের সূচনা বলে প্রচার করবে। তাদের বিদ্রোহী নেতাকে গ্রেফতার করলো আমাদের প্রশাসন সব চুপ।

ঠিক তেমনি কাশ্মীর, উইঘুরের সব মুসলিম মারা গেলেও পাকিস্তান গাজওয়া হিন্দ বলবে না কিন্তু পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধে যদি কিছু সেনা মারা যায় গাজওয়া হিন্দের সূচনা বলে প্রচার করবে। মায়ানমার, কাশ্মীরের মুক্তিকামীরা প্রচার করছে -তারা গাজওয়া হিন্দ লড়ছে।

অপরদিকে খোরাসান বাহিনী, কোরাই-শি খলিফা, আবদাল, আসাইবদের কালেমার পতাকাতলে জেরুজালেম ও হিন্দুস্হান বিজয় হবে।
অথচ কালেমার পতাকাকে অনেকে উগ্রবাদী পতাকা বলে প্রচার করেন,আর জাতীয়তাবাদের (বাংলাদেশ,ফিলিস্হিন)
পতাকাতলে কিসের সম্মেলন করেন!! জাতীকে ইসলামের পতাকা চিনানো যখন বড় প্রয়োজন।

আবার একটু খেয়াল করুন

এবার আসি, গাজওয়া হিন্দ যদি এতই গুরুত্বপূর্ণ হয় তাহলে তেমন সহীহ হাদীস নেই কেন!?

কারণ কুরআনে ৪০০ এর উপরে জেহাদের আয়াত রয়েছে। সাহাবী, তাবেয়ীরা, বড় আলেমগণ গাজওয়া হিন্দের আশায় বসেছিলেন না, বরং কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী জেহাদ ও দাওয়াত চালিয়েছেন। আর জালেম শাসকের বিরুদ্ধে সত্যি বলা উত্তম জেহাদ আর এজন্য শহীদ হলে সর্বোত্তম শহীদ যা নবীরা হতেন। তাই গাজওয়া হিন্দ হোক বা নাই হোক কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী জেহাদ ফরজ হয় কিনা সেটাই জানা ফরজ।

পথভ্রষ্ট আলেমদের ফেতনা মুমিনদের জন্য দাজ্জালের চেয়ে ভয়াবহ।

যারা পূর্ব হতে পথভ্রষ্ট আলেমদের অনুসরণ করবে দাজ্জাল আসলে তার ফেতনায় তারাই ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

আসুন – পথভ্রষ্ট আলেম কিরূপ হতে পারে হাদীসের আলোকে জানি।

রাসূল (ﷺ) আরও বলেছেনঃ ‘তোমরা জেনে রাখ সব খারাপের মাঝে সবচেয়ে বড় খারাপ হচ্ছে আলেমদের মাঝে যারা খারাপ তারা আর সব ভালোর মাঝে সবচেয়ে ভাল হলো আলেমদের মাঝে যারা ভালো তারা।” (দারেমী হা/৩৭০; মিশকাত হা/২৪৯)।

অর্থাৎ উম্মতের শ্রেষ্ঠতম মুমিন হল হক্বপন্হী আলেমগণ আর নিকৃষ্ট হল পথভ্রষ্ট আলেমগন।

এছাড়াও রয়েছে –

যে রাজা-বাদশার নিকট আসা-যাওয়া করে সে ফিতনায় নিপতিত হয়।’ (সুনানে আবু দাউদ ২৮৫৯, মান: সহিহ)

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেন,

আমার উম্মাতের কতক লোক ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করবে, তারা কুরআন পড়বে এবং বলবে, আমরা শাসকদের নিকট যাবো তাদের নিকট থেকে পার্থিব স্বার্থ প্রাপ্ত হবো এবং আমাদের দ্বীন থেকে তাদের সরিয়ে রাখবো। এরূপ কখনো হতে পারে না। যেমন কাঁটাদার গাছ থেকে ফল আহরণের সময় হাতে কাঁটা ফুটবেই, তদ্রূপ তারা তাদের কাছে গিয়ে গুনাহ থেকে বাঁচতে পারে না। মুহাম্মাদ ইবনুস সাব্বাহ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ গুনাহ ব্যতীত তারা কিছুই লাভ করতে পারে না। (সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫৫, মিশকাত ২৬২, মিশকাত হা/)

হে আল্লাহ!! আমাদের উদ্দেশ্য যদি ফেতনা ছড়ানো নাকি সত্য জানানো আপনি অবহিত। সকল প্রকার ফেতনাবাজ হেদায়েত অথবা লানাত দিন।

আর সত্য জানালে প্রতিদান দিবেন।

আর পথভ্রষ্ট আলেমদের ফেতনা হতে জাতিকে রক্ষা করুন।

13 years old me.without any reason! 😹🖤
14/04/2025

13 years old me.without any reason! 😹🖤

Address

Dhaka
560066

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ArFin Sum Aiya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category