Pirerbag Kazi Office

Pirerbag Kazi Office এখানে বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রী করা হয়। এবং বিবাহ ও তালাক সংক্রান্ত পরামর্শ প্রদান করা হয়।

12/05/2024

বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য যদি মা-বাবার কাছে যেতে হয়, তাহলে আপনি বিয়ে করছেনই বা কেনো?

আপনার বিয়ে করার বয়স হয়েছে মানে সিদ্ধান্ত নেবার বয়স হয়েছে। কিন্তু, বিয়ের পর প্রতিটি সিদ্ধান্ত যদি মা-বাবাকে জিজ্ঞেস করে নিতে হয়, তাহলে আপনি স্বামী হিসেবে স্ত্রীর কাছে মর্যাদা হারাবেন।

স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি যাবেন কিনা, স্ত্রী কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চাইলে বারবার তাকে বলা- ‘মাকে জিজ্ঞেস কইরো’, স্ত্রীকে নিয়ে বাইরে যাবার আগে বাবার অনুমতি নেয়া লাগলে এটার ফল আসলেই নেতিবাচক। সাময়িক মনে হতে পারে কোনো অসুবিধা তো হচ্ছে না। কিন্তু, আপনার স্ত্রীর মনে ক্ষোভ জন্ম নেয়, আপনার প্রতি তার সম্মানবোধ উঠে যায়।

মাঝেমধ্যে তার কিছু ইচ্ছে করলে আপনি বলেন- “দেখি মা কী বলে।” তখন হয়তো সে কিছু বলে না। কিন্তু, মা যদি ‘না’ করেন, মায়ের ওপর না, বরং আপনার ওপরই তার রাগ হয়।

আপনি পারিবারিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে অবশ্যই মা-বাবার পরামর্শ নিবেন, তাদেরকে শ্রদ্ধা করবেন। কিন্তু, স্বামী হিসেবে আপনার যে কর্তৃত্ব আছে, সেই কর্তৃত্বের চর্চা আপনিই করুন; আপনার মা-বাবাকে করতে দিবেন না। স্ত্রীর কোনো আবদার নাকচ করতে চাইলে তাকে বুঝিয়ে আপনিই নাকচ করুন। নিজের মা-বাবাকে ইনভলভ করে যখন দাম্পত্য জীবনের সিদ্ধান্ত নিবেন, কোনো এক সিদ্ধান্ত ভুল হলে স্ত্রী আপনার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলবে।

ঠিক তেমনি, স্ত্রীর বেলায়ও।

স্ত্রীরা বেশিরভাগ কথা মায়ের সাথে শেয়ার করে। স্বামী কী করলো, কী বললো, স্বামীকে এটা কীভাবে বলবে, স্বামীর কাছে কীভাবে চাইবে এগুলো নিয়ে সে মায়ের সাথে কথা বলে। মা-ও খুব আগ্রহ নিয়ে মেয়েকে বুদ্ধি দেন।

বিয়ের পর গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছাড়া দৈনন্দিন এসব ব্যাপারে মেয়ের মা যতো ইনভলভ হবে, পারিবারিক অশান্তি ততো বাড়বে।

মা যদি জিজ্ঞেস করে, “এটা বলার পর জামাই কী বললো?” স্ত্রীর তখন স্পষ্টভাবে বলা উচিত- “সরি মা, ও আমাকে কী বলেছে সেটা তোমাকে বলতে পারবো না।”

একজনের স্ত্রী হিসেবে স্বামীর প্রতি আপনার এই আত্মসম্মান থাকা উচিত।

আপনার দাম্পত্য জীবন নিয়ে নিজের মা-বাবার অতিউৎসাহ দেখলে তাদেরকে সম্মানের সাথে নিরুৎসাহিত করুন।

12/05/2024

আমার স্ত্রীকে আমি ভালোবেসেই বিয়ে করেছিলাম।
কিন্তু যখন পরিপাটি প্রেমিকাটা অগোছালো স্ত্রী হয়ে গেলো।
তখন কেন জানি আমার আর ওকে ভালো লাগত না।
মেয়েটা অল্পতেই খুশি হয়ে যেত।
আমার মনে আছে যখন ওর সাথে আমার বিয়ে হয়।
তখন আমার মাস শেষে বেতন ছিলো পনেরো হাজার।
এই টাকায় ও কতটা হ্যাপি ছিলো তা আমি কাউকেই বোঝাতে পারবো না।
আমি থেকে শুরু করে আমার পরিবারের প্রতিটা মানুষের খেয়াল ও রাখতো।
আর দিন শেষে চাইতো একটু ভালোবাসা।
যেটা আমি সময়ের সাথে সাথে দেওয়া কমিয়ে দিলাম।
আস্তে আস্তে আমার পজিশন ভালো হতে রইলো।
আমার চিন্তাধারা হলো উন্নত।
কিন্তু সংসারের চাপে পরে ও ঠিক আগের মতোই রয়ে গেলো।আমার পনেরো হাজার বেতন ত্রিশ হাজারে গিয়ে ঠেকলো।
ঘর পরিবর্তন হলো আমি পরিবর্তন হলাম।
শুধু পরিবর্তন হলো না কবিতা।
হ্যা আমার স্ত্রী নিজেকে পরিবর্তন করলো না।
টাকার নেশা আমাকে গ্রাস করে দিলো আস্তে আস্তে।
ভুলে গেলাম আমি আমার প্রিয় অতীতকে।সুখ পেয়ে ভুলে গেলাম দুঃখের দিনে পাশে থাকা মানুষ গুলোকে।
সারাদিন খাটাখাটনি করে খাবার টেবিলে যখন কবিতা অপেক্ষা করতো।
আমি বলতাম যতো সব আদিখ্যেতা।
বৃষ্টি হলেই আমার হাত দু'টো ধরে যখন বলতো।
চলোনা একটু দু'জনে বৃষ্টি বিলাস করি।আমি তখন বলতাম বয়স তো কম হলো না এখন এসব পাগলামি ছাড়ো।
মাঝ রাতে যখন পিরিয়ডের ব্যথায় কুঁকড়ে উঠতো।
আমি নাক সিটকে পাশের রুমে ঘুমাতে চলে যেতাম।
দিনের পর দিন তাঁর ভালোবাসা বেড়ে ছিলো আমার প্রতি।
আর আমার অবহেলা।
একটা সময় পর আমার পরিবারও ওকে অবহেলা করতে শুরু করলো।
যাঁর হাতের রান্না সবাই তৃপ্তি নিয়ে খেত।
এখন নাকি তাঁর রান্না ভালো হয় না।
যে ঔষধ না দিলে আমার বাবা-র ঔষধ খাওয়ার কথা মনে থাকত না।
আজকাল নাকি সে ভুল ঔষধ দিয়ে আমার বাবাকে মেরে ফেলার প্ল্যান করেছে।
একটা সময় আমাদের বাড়িতে থাকার মতো কোন সম্ভল খুঁজে পেলো না কবিতা।
তাই সরাসরি বলেই দিলাম আমি তোমায় ডির্ভোস দিতে চাই।
সে সেদিন খুব অবাক নয়নে চেয়েছিলো।
কোন প্রতিবাদ করেনি।
হয়তো সে বুঝতে পেরেছিলো তাঁর এই বাড়ির প্রয়োজন ফুরিয়েছে।
তারপর সেই অনাকাঙ্ক্ষিত সময় এলো যখন কবিতা আর আমার ডির্ভোস হবে।
সেদিনও সবটা কি সুন্দর করে মেনে নিয়েছিলো।
কোন প্রতিবাদ করেনি।
এমন কি খোরপোষের টাকা টাও দাবি করলো না।
উকিল যখন বললো সে কেন টাকাটা নিবে না।
তখন ও বললো।
যে মানুষটাই আমার হয়নি তাঁর টাকা দিয়ে আমি কি করবো।
ওর বাবা সেদিন আমায় একটা কথা বলেছিলো।
ভগবান দিয়ে ধন দেখে মন,কাইরা নিতে কতক্ষণ।
কথাটার মানে সেদিন না বুঝলেও আজ ঠিক বুঝতে পারি।
তিন মাসের মাথায় মিথ্যা অপবাদে আমার চাকরি চলে যায়।
বড় বোন টাকে মাঝে মাঝেই তাঁর শ্বশুর বাড়ির লোকেরা মেরে ধরে আমাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।
বাবা ভুল ঔষধের রিয়াকশনে আজ বিছানার সাথে মিশে আছে।
মা প্রায় আজকাল তরকারিতে নুন,হলুদ দিতে ভুলে যায়।
আর আমি উন্নতমানের চাকরি থেকে ফুটপাতে ছোট্ট একটা ফুলের দোকান নিয়ে বসে আছি।
আজ ওই কথাটার মানে বুঝলাম।
দিয়ে ধন দেখে মন, কাইরা নিতে কতক্ষণ।
লুকিয়ে খোঁজ নিয়েছিলাম কবিতার।
শুনেছি অন্য জায়গায় তাঁর বাবা বিয়ে দিয়েছে।
স্বামী একজন ডাক্তার।
খুব সুখে আছে।
খুব ভালো ভাগ্য সেই মানুষটার, যাঁর সাথে কবিতার বিয়ে হয়েছে।
গেছে মাসে নাকি তাঁদের একটা মেয়েও হয়েছে।
সে সুখের আশা করেনি তাই তাঁর এতো সুখ।
আর আমি সুখের আশা করে মানুষকে অমানুষ ভেবেছি।
তাই আজ আমার এই পরিস্থিতি।
তাইতো বলে,শেষ হাসিটা তাঁরাই হাসে।
যাঁরা নিজেকে নয় অন্যকে ভালোবাসে।

ভালোবাসা ||
© সমদ্রিত সুমি
বিঃদ্র--সবাই টাকায় সুখ খোঁজে না,
প্রিয় মানুষটার মাঝেও কেউ সুখ খোজে

06/06/2023

কাজী অফিসে বিয়ে করতে কি কি লাগে?

১. বরের বয়স ২১ বছর হতে হবে ।
২. কনের বয়স ১৮ বছর হতে হবে।
৩. বয়স এবং ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য জাতীয় পরিচয় পত্র (NID)/ পাসপোর্ট/ জন্ম নিবন্ধন/এস এস সি পরিক্ষার রেজিঃ কার্ড এর যে কোন একটির ফটোকপি। (জন্মনিবন্ধন ও রেজিঃ এর ক্ষেত্রে ছবি লাগবে)।
৪.3’জন সাক্ষী (মুসলমান হতে হবে)। প্রয়োজনে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন।

31/05/2023

বাস্তবতা কি জিনিস!!!

একটি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত এমডি অবসরের ৫ বছর পর তার শহরের একটি শাখায় এসেছিলেন টাকা তুলতে।কেউ তাকে সালাম দিলো না, এগিয়ে এলো না, কারণ কেউ তাকে চিনতে পারেনি। ব্যাংকটিতে যারা কাজ করছেন সবাই নতুন।

তিনি নিজেকে ঐ ব্যাংকের সাবেক এমডি হিসেবে পরিচয় দেন।পরিচয় পাওয়ার পর একজন অফিসার তাকে চা অফার করেন এবং কৌতূহলবশত জিজ্ঞেস করেন, "অবসরের পর আপনার দিনকাল কেমন যাচ্ছে?”

সাবেক এমডি বলেন,"প্রথম ২/১ বছর খুব খারাপ লেগেছে।নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে কষ্ট হয়েছে।এখন আমি বুঝতে পেরেছি, দাবা খেলা শেষ হওয়ার পরে রাজা এবং সৈনিকদের একই বাক্সে রাখা হয়। পদ, পদবী, উপাধি, শান-শাওকাত সবই অস্থায়ী। মানুষের ভালোবাসাটা স্থায়ী, বিনয় ও সদাচরণ দিয়ে যা অর্জন করতে হয়।”

সময় যার যার জীবনের হিসেব বুঝিয়ে দেয়! এই সত্যটা সময় থাকতে আমরা বুঝতে চাই না!

©️সংগৃহীত

20/02/2023
18/02/2023

We all know the anguish caused by the disappearance of a family member. But the joy of getting him/her back is indescribable. Apan Thikana has been successfu...

Address

২৭১, মধ্য পীরেরবাগ, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬।
Dhaka
1216

Telephone

+8801745131828

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pirerbag Kazi Office posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category