Nahid khan 002

Nahid khan 002 (মায়া)

17/06/2025

Good night
everyone

16/05/2025

Good night my all friends 🌙🌙

• Today's the best Photo 🌿🥰Please follow me🙏🤲🙏•🔴 Beautiful
25/04/2024

• Today's the best Photo 🌿🥰
Please follow me🙏🤲🙏
•🔴 Beautiful

25/01/2024

অনেক দিন পর পাহাড় এলাকায় ঘুরাঘুরি নতুন করে অনেক প্রানির সাথে দেখা 🥰🥰

Send a message to learn more

রাতে শা/রী/রি/ক সম্পর্ক করার পরে আমার পাশে শুয়ে আমার স্ত্রী মিতু বললো,– “ একটা কথা বলি মনসুর।রাগবা না তো আবার? ”আমি মৃদ...
29/11/2023

রাতে শা/রী/রি/ক সম্পর্ক করার পরে আমার পাশে শুয়ে আমার স্ত্রী মিতু বললো,
– “ একটা কথা বলি মনসুর।রাগবা না তো আবার? ”

আমি মৃদু হেসে বললাম,
– “ তোমার কোন কথায় কখনো আমি রাগ করেছি মিতু? ”

মিতু বললো,
– “ তা করোনি কিন্তু এই কথা শোনার পর রাগতে পারো! ”

– “ না আমি রাগবো না।বলো। ”

মিতু এবার আমার হাতটা তার মুঠোয় নিয়ে ধরলো। তারপর আমার কোলে তার মাথা এনে বললো,

– “ মা তো আমাদের এখানে অনেক দিন ধরেই আছেন। এখন তিনি তোমার অন্য ভাইদের ঘরেও থাকুক না ক'দিন! ”

আমি মিতুর কথার কোন জবাব দিলাম না।
মিতু এবার বললো,
– “ না বলছি,মার প্রতি তোমার যেমন কর্তব্য আছে ওদেরও তো আছে তাই না?তো ওদের কর্তব্য পালন করতে দিচ্ছো না কেন তুমি? ”

– “ মা ওদের ওখানে থাকতে পছন্দ করেন না।আর ওরাও মাকে এভোয়েড করে। ”

– “ এটা কোন ধরনের কথা!মা কী ছোট মানুষ?আর তুমিও কী কোটিপতি?যা উপার্জন করছো সব মার অষুধ পত্তরেই শেষ করে দিচ্ছো। আমাদের কী ফিউচার নাই নাকি? ”

মিতুর কথা শুনে আমার প্রচন্ড রাগ পায়। তবুও চুপ করে থাকি।মিতু এবার আমার হাত ধরে শক্ত করে নাড়া দেই।বলে,
– “ আর কতোদিন এভাবে মেনিমুখো হয়ে থাকবে? মায়ের অষুধের খরচা মিটাতে গিয়ে পরে বাজার সদাই করতে হয় বাকীতে।বৌকে ভালো একটা শাড়িও কিনে দিতে পারো না! আবার সন্তান নেয়ারও নাম নেই। সন্তান নিলে খরচা বাড়বে।মার চিকিৎসার সমস্যা হবে।অতই যখন মা মা করবে তখন বিয়ে করেছিলে কেন আমায়? শুধু আমি বলেই আজ পর্যন্ত তোমার ঘরে আছি।অন্য কোন মেয়ে হলে মা ছেলের মুখে থুথু মেরে কবেই চলে যেতো! ”

কথাগুলো বলে রাগে কাঁপতে লাগলো মিতু।
আমি জানি ওর কথাগুলো অনেকটা রাগ আর অনেকটা অভিমান থেকেই। আমার দোষ তাকে সন্তান দিচ্ছি না। ভালো শাড়ি দিচ্ছি না। কিন্তু এটাও তো সত্য আমার মায়ের চিকিৎসার চালিয়ে যাওয়া। যেভাবেই হোক মায়ের চিকিৎসা করিয়ে যেতে হবে। আমার অন্য ভাইগুলো মার পেছনে খরচ করতে হবে বলে বউদের কথায় কেটে পড়েছে সেই শুরুতেই। কিন্তু আমি কেটে পড়তে পারিনি।কারণ আমার স্পষ্ট মনে আছে আমাদের তিন ভাইকে নিয়ে মায়ের সংগ্রামটা।

বাবা আমাদের তিন ভাইকে ছোট ছোট রেখে মারা যান।আর মা তখন অন্যের বাড়িতে কাজ করে করে আমাদের বড়ো করে তুলেছেন। পড়াশোনা করিয়েছেন। তার কারণেই আমরা আজ সম্মানের সাথে বেঁচে আছি। পৃথিবীর আলো দেখছি। সেই মাকে ছেড়ে আমি চলে যাই কীভাবে?

আমি মিতুকে বললাম,
– “ মিতু, তুমি আমায় ছেড়ে চলে গেলেও মাকে আমি ছাড়তে পারবো না।সরি! ”

মিতু বললো,
– “ তোমার যেহেতু মার প্রতি অত ভক্তি তাহলে মা নিয়েই তুমি থাকো।আমি যাচ্ছি। ”

বলে মিতু আমায় ধাক্কা দিয়ে সড়িয়ে আমার কোল থেকে তার মাথা তুলে নেয়। তারপর তার যতো কাপড় চোপড় আছে সব প্যাক করে নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে চলে যায়।আমি কিছু বলি না।চুপ হয়ে শুধু দেখি।

রাতে মা আমায় ডাকেন। তিনি তো অসুস্থ। চোখে দেখেন না।কানে কম শুনেন।শরীরে নানা রোগ।টিবিও আছে।টানা কাশেন।মা আমায় ডেকে কাছে নিয়ে আমার মুখে তার তুলতুলে হাত বুলিয়ে দেন আর বলেন, – “ বাজান,বউমা চইলা গেলো কেনো রে? ”

আমি বলি, – “ মা ওর এখানে ভালো লাগে না।তাই চলে গেছে।ও না থাকলেই ভালো। ”

– “ নারে মনসুর না।বউমার মনে অনেক দুঃখ। আমার পিছনে আর পয়সা খরচ করিস না বাজান। আমার তো এমনিতেই মরার সময় ঘনাইয়া আসতাছে। চিকিৎসা করাইলেও মরবো না করাইলেও মরবো। এরচেয়ে বউমার দিকে নজর দে।তার কথা শোন।সে যা বলে তা মাইনা নে! ”

মার কথা শুনে আমার চোখ ভিজে উঠে জলে। মাকে জড়িয়ে ধরে আমি হাউমাউ করে কেঁদে উঠি আর বলি,
– “ ওমা, মাগো,সারাটা জীবন তুমি শুধু দুঃখই করে গেলে। আমাদের সুখে রাখার জন্য এখনও সব কিছু সয়ে যেতে পারো তুমি। ”

মাও কাঁদেন। কিন্তু তার শারীরিক দূর্বলতার জন্য সেই কান্না শব্দ হয়ে আকাশ বাতাস কাঁপাতে পারে না। কিন্তু তার চোখের জল। সেই জলের দিকে তাকালেই বুকটা ধুক করে উঠে! এই জলের ভার যে অহুদ পাহাড়ের চেয়েও বেশি!
'
রাতে মিতুর মা ফোন দেন আমায়। বলেন,
– “ বাবা, সবকিছু আবেগ দিয়ে হয় না।মা তো আর তোমার একার না।আরো দুই ভাই আছে তোমার।তারা না দেখলে তুমি একা দেখবা কেন তোমার মারে! ”

আমি তার কথা শুনেও চুপ হয়ে থাকি। উত্তর করি না।
মিতুর মা আমায় চুপ করে থাকতে দেখে বলেন,
– “ মিতুরে কীভাবে তুমি পাঠিয়ে দিতে পারলা? তুমি কী ভাবছো মিতুর তুমি ছাড়া অন্য কোন গতি নাই?না বাবা,এইটা ভাইবো না। মিতুর চেহারা সুরত কম না। পড়াশোনা আছে। বাপের অর্থ বিত্ত আছে।তারে ইচ্ছে করলে আজকেই আমি আরেক বিয়ে দিতে পারি। কিন্তু দিতেছি না। এইসব ঝামেলায় না যাওয়া ভালো। মনসুর তুমি রাতে চিন্তা করো। ভেবে দেখো কী করবা? ”

আমি চুপচাপ এ পাশ থেকে ফোন কেটে দেই। তারপর একটা দীর্ঘ দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে দিয়ে ভাবতে থাকি,পৃথিবীতে আদৌ কোন ভাল মানুষ আছে তো?

চলবে?

#মানুষ_দেখতে_যেমন___
সূচনা পর্ব ০১

নেক্সট পার্ট গুলো সবার আগে আইডি তে দেয়া হবে নীল লেখায় চাপ দিয়ে আইডি ফলো করুন 👉 Nahid khan

তালাক কেন হচ্ছে জানার জন্য গত ৯ মাস ধরে আমি ২৪৫ জন তালাক প্রাপ্ত পুরুষ ও মহিলার  সাথে কথা বলেছি, কেন তালাক হলো।এর  ৭২% ত...
31/08/2023

তালাক কেন হচ্ছে জানার জন্য গত ৯ মাস ধরে আমি ২৪৫ জন তালাক প্রাপ্ত পুরুষ ও মহিলার সাথে কথা বলেছি, কেন তালাক হলো।
এর ৭২% তালাক হয়েছে ভুলবুঝা বুঝি একে অপরকে অসন্মান।
আর ১৮℅ তালাকের কারণ পরকীয়া। ১০% তালাক স্ত্রীর উচ্চ বিলাশিতার কারনে। ৭৮℅ তালাক হয়েছে মেয়ের কারণে। ২২℅ পুরুষের দোষে।
মজার বিষয় হলো ৯২℅ তালাক প্রাপ্ত মহিলা পুরুষ তালাকের পরে অনুতপ্ত তারা বলছে সিদ্ধান্তটি ভুলছিলো।
তালাক প্রাপ্ত ৮৯℅ মেয়েদের আর বিয়ে হচ্ছে না।
০৪℅ মেয়ে বিয়ের প্রতি অনিহা। ০৭℅ মেয়ে পথভ্রষ্টা। ছেলেদের মধ্যে ৮৫ ℅ বিয়ে করে সংসার করছে।
১৩℅ ছেলে বিয়ের প্রতি অনিহা। ০২ ℅ ছেলে পথভ্রষ্ট।
আরো মাজার বিষয় হলো ৬৭℅ ছেলেই কুমারি মেয়ে বিয়ে করেছে। আর মেয়েরা কুমার ছেলে পেয়েছে ০০১℅।
আমি তালাকের বিরুদ্ধে তাই এই জরিপ করেছি।
যারা দাম্পত্য জিবন নিয়ে হতাশ তাদের পরামর্শকের কাজ করতে চাই। চাইলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
প্লিজ তালাক দেওয়ার এগে ভাবুন আবার ভাবুন দেখুন সমযতা করা যায় কিনা।
সততার পথেই সঠিক পথ যা আল্লাহ পছন্দ করেন। দ্বিতীয় বিয়ের পরে ১২℅ মেয়ের আবারও তালাক হয়েছে।
৮৯% মেয়ে দ্বিতীয় সংসারে অসুখি।
অপর দিকে মাত্র ০২℅ ছেলের আবারও তালাক হয়েছে আর অসুখি ০৩℅ পুরুষ। অবাক করা বিষয় হলো দ্বিতীয় তালাক দেওয়া ছেলেদের স্ত্রী হয়েছিল কোন তালাক প্রাপ্ত মহিলা।
আর বিধ্বা মহিলাকে বিয়ে করে চরম সুখি ৯৩℅ পুরুষ। আশা করি বুঝতে পারছেন।
সংগ্রহীত ❣️

Nahid khan🌷🌷

গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে যৌ*''*ন উত্তেজনায় জোর করে স্ত্রীর অ'ন্তবাস খুললেই স্বামী হওয়া যায় না। আমরা স্বামীর দাবি নিয়ে অ'ন্তব...
30/08/2023

গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে যৌ*''*ন উত্তেজনায় জোর করে স্ত্রীর অ'ন্তবাস খুললেই স্বামী হওয়া যায় না। আমরা স্বামীর দাবি নিয়ে অ'ন্তবাস খুলতে শিখেছি!!

কিন্তু কখনো কি স্ত্রীকে বলেছি, আজ তোমার শ''রী''রটা কেমন?

সারা দিন প্রচুর খাটাখাটনি হয়েছে তাই না? আজ তোমার শ'রী'রটা একটু টি' পে দে'ই? শরীরের ব্য''থা কমে যাবে!!

অফিসে কাজের নামে অন্যের স্ত্রীর সাথে কর্পোরেট ঘষাঘষি করি।

কখনো কি মনে পড়ে কেউ একজন দিন শেষে বেলকুনির গ্রিল ধরে পথ চেয়ে আছে আমার অপেক্ষায়। 😒

অফিস থেকে ফিরে ক্লান্ত শরীরে,মেজাজ গরমে স্ত্রীকে বলি দুধ চিনি ভাল করে দিয়ে, তাড়াতাড়ি এক কাপ চা দাও!!!😡

তখন একবারের জন্য কি মনে হয় না, এই মানুষটাও তো সারাদিন আমার মতো কামলা দিয়েছে, 😥

তার আর আপনার মধ্যে পার্থক্য, সে ঘরে দিয়েছে আর আপনি বাহিরে দিয়েছেন!!🤕

রাতে ঘুমের ভান ধরে কম্বলের নিচে মেসেঞ্জারে ডিজিটাল পরকীয়া করার সময়, ঘুমন্ত স্ত্রীর কথা একবারও মনে পড়েনা, আপনি তার বিশ্বাস ও আস্থার জায়গাটা নষ্ট করে তাকে ঠকাচ্ছেন?

বাকি রইলো বিয়ে!........💞💞💞

দেনমোহর আর কবুল বলেই স্বামী হওয়া যায় না। স্বামী একটি অন্ধ বিশ্বাস, ভরসাময় আস্থা♥

শুধু যৌনতায়ই স্ত্রী সুখ না, ভালবাসায়ই স্ত্রীর অফুরন্ত সুখ, শান্তি🌺

স্ত্রী মানেই রোবট না, স্ত্রীও আপনার মতো রক্তে মাংসে গড়া একজন মানুষ। তাকে বুঝুন, বোঝার চেষ্ঠা করুন, বোঝা উচিৎ। স্ত্রী আপনার, দায়িত্ব ও কর্তব্যের পাশাপাশি তাকে ভালবাসাটাও আপনার মহা দায়িত্ব🏖

কখনও কি তাকে জিজ্ঞাসা করেছি,,

মাসের প্রথমে অথবা শেষে তার শরীর থেকে যেই বিষাক্ত রক্তপাত হয়, তা কতটা কষ্টের ও যন্ত্রনাদায়ক? যৌনতায় ভালবাসা থাকেনা, ভালবাসা থাকে গভীর রাতে যৌন মিলন না করে স্ত্রীকে বুকে জড়িয়ে নিজের হৃদপিন্ডে ঢুকিয়ে তার কষ্টের কথা গুলো শুনার মাঝে, তাকে শান্তনার মাঝে♥♥

দশমাস নয়, মাত্র দশদিন, দশ কেজি ওজনের একটি পাথর আপনার পেটে বেধে দেওয়া হবে। তা নিয়ে এই দশদিন আপনি সমস্ত কাজ করতে পারলেই আপনার সন্তান সেটা স্বীকৃতি পাবেন!!🙏🙏

স্ত্রী কে ভোগ করতে না, ভালোবাসতে শিখুন♥
বুঝতে শিখুন,যে সে কি চায়!!
লেখাটা পড়ার পর অনেকের খারাপ লাগবে কিন্তু
এটাই বাস্তব তাই একটু প্লিজ নিজেকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করুন♥♥♥

সবার_আগে_নতুন_গল্প_পেতে_আইডিতে_ফলো_করুন
👇👇👇
Nahid khan

বিয়ের সাতদিন পর আমার বউকে গনধর্ষণ করা হয়েছিল। এই জঘন্য কাজটা আমার সামনেই করা হয়েছিলো কিন্তু আমি কিছু করতে পারিনি। আমাকে ...
29/08/2023

বিয়ের সাতদিন পর আমার বউকে গনধর্ষণ করা হয়েছিল। এই জঘন্য কাজটা আমার সামনেই করা হয়েছিলো কিন্তু আমি কিছু করতে পারিনি। আমাকে বেঁধে রেখে আমার সামনেই নরপিশাচরা আমার বউকে ধর্ষণ করেছিল। আমি অনেক আকুতি মিনতি করেছিলাম কিন্তু তাদের কানে আমার আকুতি পৌছায়নি। ওরা ছিলো চার জন। বিয়ের পর আমি নিজেই আমার বউ এর কাছে যাইনি। কারণ সে অসুস্থ ছিলো। কিন্তু ওরা অসুস্থ্যতা দেখেনি। ওরা চলে যাওয়ার পরেও পাঁচ ঘন্টা আমার স্ত্রী আমার সামনে নগ্ন, রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলো। তাঁর কান্না আমার ভিতর পর্যন্ত পৌছে গিয়েছিল। তারপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। সে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালের বেডে দিন গুনতে থাকে। আর আমি ধর্ষকদের শাস্তির জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে থাকি। একসময় তাদের গ্রেফতার করা হয়। তবে কেস চালাতে হয়েছে আমাকে। আমার সবকিছু আমি বিক্রি করে দিয়েছিলাম শুধু ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য কিন্তু আমি পাইনি।

তিনমাস পর তারা জামিনে বের হয়ে আসে। আর সেদিনই আমার স্ত্রী গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করা। চিঠিতে লিখে গিয়েছিল।
এই দেশে ধর্ষকের শাস্তি হয় না কিন্তু ধর্ষিতার মানসিক শাস্তি ঠিকই হয়।

আমার সামনে দিয়ে যখন আমার বউকে ধর্ষণ করা মানুষগুলো হেঁটে যেতো তখন মরে যেতে ইচ্ছে করতো। ওরা ছিল প্রভাবশালী তাই ওদের কে কিছু করা যাবে না সেটা জানি আমি।

একটা মেয়ের সাহায্য নিয়ে ওদের চারজনকে আমি কিডন্যাপ করি। কারণ ওরা ছিলো সেক্স পাগল। সেক্সের জন্য কোনো মেয়ে বললে যেখানেই হোক না চলে যেতো। চারজন মানুষকে একা কিডন্যাপ করা কখনো সম্ভম না। কিন্তু আমি করেছিলাম। তার জন্য ব্যবহার করেছিলাম একজাতীয় স্প্রে যেটা নাকে ধরলে চব্বিশ ঘন্টা অজ্ঞান থাকবে।
ওরা যখন চোখ খুলে তখন একটা অন্ধকার রুমের ভিতর হাত পা বাঁধা অবস্থায় পড়েছিল।

ওদের জ্ঞান ফেরার পরেই আমি ছুটে যাই ওদেরকে চিরতরে শেষ করে দেওয়ার জন্য। কিন্তু তখন আমার মনে হয় আমার বউ এর মৃত্যু যন্ত্রণা। কতোটা কষ্ট দিয়েছিলো তাকে। হাসপাতালের বেডে কতোটা যন্ত্রণা সহ্য করেছিল।

তখন আমার মনে হলো এদেরকে শুধু দুইমিনিটের মৃত্যু দিলে আমার বউ এর আত্মা শান্তি পাবে না। এদের আমি পৃৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর আর কষ্টকর মৃত্যু উপহার দিবো।

সাতদিন ওদেরকে আমি বাঁচিয়ে রেখেছিলাম। সাতদিন ওদের সাথে আমি নরপিশাচের মতো ব্যবহার করেছিলাম।

ওদের শরীরের প্রতি ইঞ্চি পরপর শুই ঢুকিয়েছিলাম। শুই দিয়ে মুখের সমস্ত জায়গায় ছিদ্র করেছিলাম। তারপর সমস্ত গায়ে লবণ মরিচ মাখিয়ে দিয়েছিলাম নিজ হাতে।

দ্বিতীয় দিন তাদেরকে টানা দুই ঘন্টা ধর্ষণ করিয়েছিলাম। তারা কান্না করে চিৎকার করেছিল। সহ্য করতে পারছে না। তখন আমি এক পৈশাচিক আনন্দ ভোগ করেছিলাম।

তৃতীয় দিন আমি তাদের মাথার চুলগুলো টেনে টেনে তুলি। এটা করতে আমার অনেক কষ্ট হয়েছিলো। চতুর্থ দিন আমি তাদের কান দুইটা প্লাস দিয়ে টেনে টেনে ছিঁড়েছিলাম। তারা সেদিন আমার কাছে মৃত্যু ভিক্ষা চেয়েছিল। খুব করে আকুতি করেছিলো তারা আর সহ্য করতে পারছে না। মৃত্যু চায় তারা। কিন্তু আমি তাদের মৃত্যু দেয়নি। পঞ্চম দিন আমি তাদের চোখদুটো তুলে ফেলি। তুলে ফেলার আগে চোখে মরিচের গুড়া দিয়েছিলাম। তারা পঞ্চম দিনে অজ্ঞান হয়ে যায়। আমি ভেবেছিলাম ওরা মারা গিয়েছে। তাই নিজের প্রতি অনেক রাগ হয়েছিলো সেদিন। কিন্তু সাতদিনের দিন তাদের জ্ঞান ফিরে। আমি বুঝতে পেরেছিলাম তারা বেশি সময় বাঁচবে না। তাই তাদের চিরতরে শেষ করার সিদ্বান্ত নেই।

তাদের লিঙ্গের অর্ধেক কেটে ফেলেছিলাম। তারপর তাদের বাকি লিঙ্গতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলাম। সেখান থেকে আস্তে আস্তে পুরো শরীরে আগুন ছড়িয়ে যায়। তবে অনেক সময় লেগেছিলো তাদের শরীরে আগুন ছড়াতে। তারা প্রায় বিশ মিনিটের মতো আগুনে পুড়েছে আর মৃত্যু যন্ত্রণায় চিৎকার করেছে।
পুরো সাতদিনে আমি একটা ভিডিও বানাই। সাতান্ন মিনিটের একটা ভিডিও। যেটাতে সাতদিনের ভয়ংকর শাস্তিগুলো রেকর্ড করা ছিলো। আমি জানতাম ভিডিওটা ফেসবুকে ছাড়লে ভাইরাল হবে। তাই ফেসবুকে ছেড়ে দেই।

ভিডিওটা দেখার পর বারো জন ধর্ষক আত্মহত্যা করে। কিছু মানুষ দেখে স্ট্রোক করে। কিছু মানুষ ভিডিওটা দেখার সাহস পায়নি।

ভিডিওটা দেখার পর ধর্ষণ অনেকটা কমে এসেছে।

তবে আদালত আমার ফাসির রায় দিয়েছে। আমি এমন একটা দেশে বাস করি যেখানে ধর্ষণ করার জন্য জেল,ফাসি কিছু হয় না। কিন্তু ধর্ষকদের শাস্তি দেওয়ার অপরাধে ঠিকই আদালত আইন প্রয়োগ করে।

#শাস্তি


Nahid khan

-- তুমি কি ভা-র্জিন? আমি তোমার ভা-র্জিনিটি পরিক্ষা করতে চাই বিয়ের আগেই।হবু স্বামীর এর মুখে এমন প্রশ্ন শুনে ভেবাচেকা খেয়ে...
25/08/2023

-- তুমি কি ভা-র্জিন? আমি তোমার ভা-র্জিনিটি পরিক্ষা করতে চাই বিয়ের আগেই।

হবু স্বামীর এর মুখে এমন প্রশ্ন শুনে ভেবাচেকা খেয়ে বসে আইরিন। মেয়েটার মুখের হাসি নিমিষেই বিলীন হয়ে যায়। কালো মেঘে ঢেকে যায় মেয়েটির পুরো মুখ। সে এমন একটা প্রশ্নের সামনে পড়বে ভাবতেই পারছেনা। চুপ হয়ে মাথা নিছু করে দাঁড়িয়ে থাকে লজ্জায়।

-- কি হলো কথা বলছ না কেন? তুমি কি ভার্জিন? নাকি অন্য পুরুষের সাথেও শারিরীক সম্পর্ক হয়েছে বিয়ের আগেই? আজকালকার মেয়েদের প্রতি বিশ্বাস নেই।

নিরবের মুখে এমন কথা শুনে আইরিন যেনো স্তব্ধ হয়ে যাচ্ছে। এবার আইরিন মুখ খুলে বলল -- আপনি কীসব যা-তা প্রশ্ন করছেন আমাকে?

-- যা-তা প্রশ্ন কখন করলাম? আমার হবু বউ আমার তো জানার দরকার আছে তাইনা? আমি তো আর দেখেশুনে কাঁদায় পা দিতে যাবনা।

-- আশাকরি আপনি আমার ব্যপারে সবধরনের খোঁজ নিয়েই আমাকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছেন! আর আজ আমাদের প্রথম মিট ছিলো। আপনার এই প্রশ্নটা আমার কাছে ভালো লাগেনি। আর আপনি কি ভাবে আমার ভার্জিনিটি পরিক্ষা করবেন? এইটা ঠিক আমি বুঝলাম না।

-- দূর থেকে তো আর বুঝা সম্ভব না।

-- তাহলে?

-- আমি চাই বিয়ের আগে তুমি আমার সাথে এক রাত থাকবে। তুমি যদি ভার্জিন হও তাহলে আমি তোমাকে বিয়ে করব।

-- বাহ! অসাধারণ। আপনার তুলো না হয়না। সরি আমি।

এই কথা বলে আইরিন হাটা শুরু করে।

-- আরে কোথায় যাচ্ছ তুমি? আমার তো এখনও কোনো কিছু জানা হয়নি।

-- আপনি আর কি জানতে চান? আমার সময় নেই তাড়াতাড়ি বলুন।

-- আমিতো এখনও আমার সেই প্রশ্নের উত্তর পেলাম না।

-- হ্যাঁ আমি ভার্জিন। আজ অব্দি আমি কোনো পুরুষের সামনে তো দূরের কথা কথাও বলিনি।

-- বাহ! এই যুগে এমন মেয়ে এখনও আছে? ভাবতেই পারছিনা।

নিরবের গা জালানো কথা আইরিনের কাছে মোটেও ভালো লাগছেনা। আইরিন এবার রাগী কণ্ঠে বলল -- আপনি কেমন মানুষ সেটাও আমার জানা হয়ে গিয়েছে। নিজে যেমন অন্যদের তেমন ভাবেন। আগে নিজের চরিত্র ঠিক করুন তারপর অন্যের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন।

এই কথা বলে আইরিন নিজের বাসার দিকে চলে গেলো। নিরব এখনও দাঁড়িয়ে আছে। আইরিনের এসব কথা শুনে নিরব রাগে জ্বলতে থাকে। নিরব রেগেমেগে নিজের বাসায় চলে গেলো।

আইরিন পায়ে হেটেই বাসায় যাচ্ছে। ছোট করে আইরিন এর পরিচয় দিয়ে দেই। আইরিনের পুরো নাম, আইরিন রহমান। আইরিন মাত্র ইন্টার পরিক্ষা দিয়েছে। আইরিন তার সৎ মায়ের কাছে বড় হয়েছে। আইরিন আরো পড়াশোনা করতে চায় কিন্তু তার সৎ মা আর তার পিছনে কোনো টাকা খরচ করতে ইচ্চুক না। কারণ তার আরেকটা মেয়ে আছে। তার নাম নুসরাত। আইরিনের বাবা থেকেও না থাকার মতোই। কারণ বাবা তার বউয়ের কথা শুনে বেশি। আইরিনের বাবা রহিম সাহেব আইরিন কে খুব বেশি ভালোবাসে কিন্তু বউয়ের ভয়ে মেয়ের সাথে কথা অব্দি বলতে পারেনা।

এবার মূল গল্পে ফিরে যাই। আইরিন ইতিমধ্যে বাসার সামনে পৌছে গেছে। বাসার দরজায় কলিং বেল বাজাতেই আইরিনের সৎ মা নীলিমা বেগম এসে দরজা খুলে দেয়।

-- কিরে দেখা হয়েছে?

-- হুম হয়েছে। আমি এই বিয়ে করবোনা মা।

আইরিনের কথা শুনে নীলিমা বেগম রেগে গিয়ে বলল -- তুই বিয়ে করবিনা মানে কি? কতো কষ্ট করে একটা ছেলে পেয়েছি। এমন ছেলে লাখে একটা পাওয়া যায়। আর তুই বলছিস বিয়ে করবিনা মগেরমুল্লুক পাইছিস নাকি? জন্মের সময় তো নিজের মাকে খেলি এখন কি আমাদের না খেয়ে তোর শান্তি হচ্ছেনা?

-- মা, ছেলেটা ভালো না।

-- কেন ছেলে কি করছে তোর সাথে?

মা-মেয়ের চিৎকার চেচামেচি শুনে আইরিনের বাবা রহিম সাহেব চলে আসে।

-- কি হয়েছে তোমাদের? এতো চিৎকার চেচামেচি কিসের?

-- তোমার আদরের মেয়ে, ঐ ছেলেকে বিয়ে করবেনা। সব কিছু ঠিকঠাক হয়েছে মহারানী এখন বলে বিয়ে করবেনা।

রহিম সাহেব এবার আইরিনের কাছে গিয়ে বলল -- কিরে কি হয়েছে? তুই বিয়ে করবিনা কেন?

-- বাবা ছেলেটা ভালো না। আমাকে বাজে কথা বলছে।

নীলিমা বেগম বলল -- কি বাজে কথা বলছে শুনি! তুই বল কি বলছে তোকে?

-- মা আমি তোমাদের কি ভাবে বলব? এসব কথা আমি মুখেও আনতে পারছিনা।

আইরিনের কথা শুনে তার সৎ মা রেগে যায় আর আইরিনের চুলের মুঠি টেনে ধরে।

-- তোকে বলতে বলছি, না বলে এতো নাটক কেন করিস?

-- আহহ মা লাগছে ছেড়ে দাও প্লিজ। আমি বলছি।

-- বল তাড়াতাড়ি।

এবার আইরিন মাথা নিচু করে সব বলে দিল। মেয়ের মুখে এমন কথা শুনে রহিম সাহেব বলল -- ছেলেটার সাথে আমার মেয়ের বিয়ে আমি দেবোনা। কিছুতেই না।

রহিম সাহেবের কথা শুনে তার স্ত্রী রহিম সাহেবকে একটা ধমক দিয়ে বলল -- তোমার মেয়ে যদি এতোটা ধোয়া তুলসীপাতা হয় তাহলে ওর সাথে রাত কাটালে সমস্যা কিসের? ঐ ছেলের সাথে তো তার বিয়ে হবেই।

আইরিন নিজের চোখের পানি মুছে বলল -- ছিহ মা, তোমাকে আমার কিছু বলার নেই। আজ আমার যায়গায় যদি তোমার নিজের মেয়ে থাকতো তাহলে তুমি এই কথা বলতে পারতে? পারতেনা। আজ আমি তোমার নিজের মেয়ে না বলে এই ভাবে বলতে পারছো। আমি তো তোমাকে নিজের মায়ের মতোই দেখি। আমার ভাবতেও খারাপ লাগছে।

এই কথা বলে আইরিন চলে গেলো নিজের রুমে। আর সে রুমে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে। এই দিকে নীলিমা বেগম রেগে যায়।

-- দেখেছ? তোমার মেয়ে আমাকে কি বলে চলে গেলো?

-- আমি আর কি বলব? এই পরিবারে আমার কোনো কথার কি মূল্য আছে? এটা তোমাদের ব্যাপার তোমরা বুঝবে। আমার কী মনে হয় জানো? তুমি বাড়াবাড়িটা একটু বেশিই করছ।

-- এখন তুমিও শুরু করলে? তোমার জন্যই এই মেয়ে আমার মুখের উপরে এতো বড় কথা বলার সাহস পেয়েছে।

-- নিজের দোষেই শুনেছ কথা।

এই কথা বলে রহিম সাহেব ও চলে গেলো। নীলিমা বেগম রেগে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে। আর মনে মনে বলতে থাকে এদের কিছু একটা করতে হবে। দুজনেই খুব বেড়ে গেছে। এসব ভাবতে ভাবতে নীলিমা বেগমের ফোন বেজে ওঠে। ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখে নিরবের নাম্বার। নীলিমা বেগম তাড়াতাড়ি করে ফোন রিসিভ করে।

-- কেমন আছো তুমি বাবা?

-- আমার কথা বাদ দেন। আপনি জানেন আপনার মেয়ে আমার সাথে কি করছে? আমাকে যা-তা বলে অপমান করছে।

-- বাবা ওর হয়ে আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাইছি। ছোট মানুষ ও,কিছুই বুঝে-না।

-- যে ভাবেই হোক আইরিনকে বিয়ের জন্য রাজি করিয়ে নিন। আগামী শুক্রবার আমি আইরিনকে বিয়ে করতে চাই। আর হ্যাঁ আইরিনের সাথে আমার বিয়ে হলে আপনারই লাভ হবে। আপনার ছোট মেয়ের সব খরচ আমার হবে। আর আমি আপনার একাউন্টে এখনই পঞ্চাশ হাজার টাকা পাঠাচ্ছি। পরে আরো পাবেন। যেকোনো কিছুর বিনিময়ে আমি আইরিনকে বিয়ে করতে চাই ব্যাস। আমি আবার রাতে কল দেব। আমি যেনো সুখবর শুনতে পাই। আর না হলে বুঝতেই তো পারছেন? বায়।

নিরবের কথা শুনে নীলিমা বেগম খুব বেশি খুশি হয়ে যায়। নিরব কল কেটে দিয়ে নীলিমার একাউন্টে পঞ্চাশ হাজার টাকা পাঠিয়ে দেয়। এতো টাকা দেখে নীলিমা যেনো আকাশ থেকে পড়লো। নীলিমা বুঝতে পারে আইরিন এখন তার কাছে টাকার মেশিন।

ঐ দিকে নিরব সব খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারে নীলিমার কথা। আইরিন নীলিমার সৎ মেয়ে সেটাও নিরব জানতে পারে। আর নীলিমা যে টাকার জন্য সব করতে পারে সেই খোঁজ ও নিরব নিয়ে নেয়। তাই নিরব বুদ্ধি খাটিয়ে নীলিমা বেগমকে হাত করে নেয়। নীলিমা বেগমের উপরে তার স্বামী ও কথা বলতে পারেনা। নিরব টাকা পাঠিয়ে একটা রহস্যময় হাসি দেয়।

এই দিকে টাকার লোভে পড়ে নীলিমা বেগম তার হাসবেন্ডকে রাজি করে ফেলে। এবার স্বামী-স্ত্রী দু'জন মিলে আইরিনের রুমে চলে গেলো।

নীলিমা বেগম আইরিনের মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বলল -- মা, তোর সাথে তখন আমার এমন আচরণ করা ঠিক হয়নি। তুই আমাকে ক্ষমা করে দিস। আসলে আমি বুঝতে পারিনি। কারণ আমাদের অভাবের সংসার। তুই তো জানিস আমরা কতোটা কষ্টে দিন কাটাই। আমি চাইনা তুইও আমাদের সাথে থেকে কষ্ট পাস।

আইরিন কোনো কথাই বলল না। তখন নীলিমা বেগম আবার বলল -- আইরিন নিরব তোকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছে। আর ও সামনের শুক্রবার তোকে বিয়ে করে তার বাসায় নিয়ে যেতে চায়। আমরা কথা দিয়ে দিছি। তোর বাবাও রাজি। এখন আমাদের সম্মান তোর হাতে।

আইরিন তার বাবার দিকে তাকিয়ে দেখে রহিম সাহেবের চোখে পানি টলমল করছে। রহিম সাহেব মুখে কোনো কথাও বলতে পারছেনা। আইরিন বুঝতে পারে তার আর কিছুই করার নেই। তাই সে বিয়েতে রাজি হয়ে যায়। দেখতে দেখতে নিরবের সাথে আইরিনের বিয়ে হয়ে যায়। সবার থেকে বিদায় নিয়ে আইরিন নতুন শ্বশুর বাড়ি চলে গেলো।

আজ তাদের বাসর রাত। ঘড়িতে ১২ টা বাজে কিন্তু নিরবের কোনো খোঁজ নেই। আইরিন একা একা রুমে নিরবের অপেক্ষায় বসে আছে। হঠাৎ দরজার শব্দ শুনে আইরিন দরজার দিকে তাকায়। দরজার দিকে তাকাতেই আইরিন হতবাক হয়ে গেলো। তার মাথায় যেনো আকাশ ভেঙে পড়লো।

চলবে??

তিক্ততায়_তৃপ্তি
সূচনা পর্ব

আসসালামু আলাইকুম। নতুন গল্প নিয়ে ফিরে আসলাম। ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
সবার_আগে_নতুন_গল্প_পেতে_আইডিতে_ফলো_করুন
👇👇
মায়া-Nahid khan シ︎

এত_কষ্ট_করে_গল্প_লিখি_একটা_লাইক_কমেন্ট_আশায়

N

▪️যেখানে Kiss ছাড়া কেও ঘুমাতে যায় না,সেইখানে রিলেশন কিভাবে পবিত্র।🙂💔▪️যেখানে অশ্লীল কথা ছাড়া কথাগুলো বিরক্তকর লাগে, ...
24/08/2023

▪️যেখানে Kiss ছাড়া কেও ঘুমাতে যায় না,সেইখানে রিলেশন কিভাবে পবিত্র।🙂💔

▪️যেখানে অশ্লীল কথা ছাড়া কথাগুলো বিরক্তকর লাগে, সেইখানে রিলেশন কিভাবে পবিত্র।🙂💔

▪️যেখানে লুচ্চামি ছাড়া মেয়েরা পটে না, সেইখানে রিলেশন কিভাবে পবিত্র।🙂💔

▪️যেখানে হাত ধরাধরি ছাড়া রাস্তায় চলা যায় না,সেইখানে রিলেশন কিভাবে পবিত্র।🙂💔

▪️যেখানে Park এ যাওয়া ছাড়া থাকা যায় না,সেইখানে রিলেশন কিভাবে পবিত্র।🙂💔

▪️যেখানে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের পিক না দেখলে ব্রেকাপ দেওয়া হয়,সেইখানে রিলেশন কিভাবে পবিত্র। 🙂💔

▪️যেখানে বিয়ের আগেই Room Date করা হয়,সেইখানে রিলেশন কিভাবে পবিত্র..!🤬

❌একটাই কথা বলতে চাই ভালোবাসা পবিত্র রিলেশন না..!🌺

▪️সব শেষে একটাই কথা বলতে চাই ভালোবাসা হালাল কিন্তু রিলেশন না..!🌺🌼🌸

▪️মনে ভয় রাখুন হিসাব দেওয়া লাগবে,কিভাবে দিবেন এইসব হিসাব মৃত্যুর পর।🙂

▪️এটা দুনিয়া আখিরাত না, দুনিয়াটা হলো এক বিন্দু পানির মতো।😇

▪️আর আখিরাত হলো একটা সাগরের মতো শুরু আছে কিন্তু শেষ নাই।☺️

▪️সবাই পাপ করছে বলে আপনি করবেন ,জান্নাতে যেমন সবাই যাবে না, তেমনি জাহান্নামেও সবাই যাবে না।😊

▪️আপনার হিসাব কিভাবে দিবেন সেইটা আপনি চিন্তা করেন।🖤

▪️কাউকে আঘাত করার জন্য কথাগুলো না কাউকে ভালো পথে আনার জন্য কথা গুলো..!💞
👉কথায় ভুল থাকলে ক্ষমার চোখে দেখবেন..!

Nahid khan

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nahid khan 002 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category