31/08/2022
"ফ্ল্যাট শেয়ার বুকিং চলছে"
আসসালামু আলাইকুম।
আপনি কি প্রশস্থ রাস্তা ( মেইন রোডে) , সকল নাগরিক সুবিধা সম্বলিত স্থানে একটি ফ্ল্যাট এর কথা ভাবছেন?
ঢাকা শহরে নিজের একটি ফ্ল্যাটের কথা ভাবছি,কিন্তু নিজে জমি ক্রয় করে একক ভাবে বিল্ডিং করা সম্ভাব নয় তাই এ যৌথ প্রকল্প বা শেয়ারিং এ ফ্ল্যাট করার বিকল্প ব্যবস্থা।
বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের সার্বিক তত্বাবধানে শতভাগ নিজস্ব, নিষ্কন্টক জমিতে - যৌথ বিনিয়োগে অল্প খরচে ফ্ল্যাটের মালিক হবার সুবর্ণ সুযোগ।
* অবস্থানঃ
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ইসিবি চত্তর টু মিরপুর ডিওএইচএস মেইন রোড (১৬০ ফিট), এর সাথে,কালসি ষ্টীল ব্রীজের পাশে এবং জাতীয় গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়ের আবাসন প্রকল্পের অপজিটে।
* জমিটি বিমান বাহিনীর (অবসরপ্রাপ্ত) সদস্যের নামে বায়না করা।
* জমির পরিমান- ১৭.৬৬ কাঠা
* একটি বহুতল বিশিষ্ট আধুনিক ভবন প্রকল্প :
বিল্ডিং হবে : বি১+বি২+জি+১৪
১৪ তলা। বিল্ডিং হবে এক বেজমেন্টে ২ টি, প্রতিটি বিল্ডিং এ থাকবে ৪ টি করে ফ্ল্যাট ।
বি: দ্র: জি+১ম+২য় ফ্লোর এ বিক্রিত শেয়ারগুলিতে লটারী হবে না (নিদিষ্ট করে বিক্রিত) রেসিডেন্সিয়াল ফ্ল্যাট শুরু ৪র্থ তলা হইতে।
* প্রতিটি ফ্ল্যাটের জন্য অংশীদারী ভিত্তিতে জমির পরিমাণ শেয়ার হোল্ডারদের নামে রেজিষ্ট্রেশন করা হবে।
* প্রতিটির ফ্ল্যাটের আনুমানিক আয়তন ১২৫০ বর্গফুট কম/বেশী (কমন স্পেস ব্যতীত) ফ্ল্যাটে থাকবে ৩ টি বেড রুম, ৩টি বাথরুম, ড্রইং, ডাইনিং, কিচেন, বারান্দা-৩টি।
* জমির শেয়ারের মূল্য ২০ লক্ষ টাকা (বিশ লক্ষ) টাকা (রেজিস্ট্রি খরচ সহ)। প্রাথমিক ভাবে ৫ লক্ষ টাকা বুকিং দিয়ে অংশীদার হওয়া যাবে। বাকি মূল্য জমি নিজ নামে রেজিস্ট্রেশন এর ১ সপ্তাহ আগে যৌথ এ্যাকাউন্ট পে করতে হবে।
জমি রেজিষ্ট্রেশন : ১৫ অক্টোবর ২০২২
* শেয়ার ক্রয়ের পর , তিনি তার ফ্ল্যাটের নির্মানের যাবতীয় খরচ বহন পূর্বক ফ্ল্যাটের মালিক হইবেন।
* জমিটি মেইন রোডে হওয়ায় নাগরিক সকল সুবিধা হাতের নাগালে পাওয়া যাবে।
সুবিধাঃ
* প্রকল্পটি সামরিক বাহিনীর (অবসরপ্রাপ্ত) সদস্যদের দ্বারা পরিচালিত এবং জমি নিজের নামে রেজিষ্ট্রেশন করার কারণে এখানে প্রতারিত হবার সম্ভাবনা ০%।
* ফ্ল্যাট তৈরীর পর ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করার প্রয়োজন নেই। কারন জমির মালিক মানেই আপনি ফ্ল্যাটের মালিক।
* যেহেতু নিজের জমি প্রচলিত ফ্ল্যাট এর মূল্যের অর্ধেক দামে নিজের ফ্ল্যাট নিজে তৈরি করতে পারছেন ।
* নির্দিষ্ট সময়ের ভিতর ফ্ল্যাট বুঝে পাবার সম্ভাবনা যেহেতু নিজেরাই করব। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার লক্ষে অর্থের প্রবাহ ঠিক রাখার জন্য যাদের ঋণ প্রয়োজন হবে তারা ভবনের ২য় ছাঁদ হবার পর দেশের যে কোন ব্যাংক হতে অনধীক ২০ লক্ষ টাকা ঋন গ্রহণ করতে পারবেন। উক্ত ঋন ১৫/১৮/২০ বছর মেয়াদে পরিশোধ করা যাবে।
* প্রকল্প নির্মানে শেয়ার হোল্ডারের সবাই সম-পরিমান অর্থ প্রদান করবে। কাউকে বেশি অর্থ দিতে হবে না। জমির মূল্য ব্যতীত ফ্ল্যাট নির্মান করতে শেয়ার প্রতি সম্ভাব্য ২৫-২৭ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে।
* যৌথ বিনিয়োগে অল্প খরচে নিজেরাই জমি কিনে ফ্ল্যাট তৈরী করে বহু সামরিক/বেসামরিক লোকজন নিজেদের ফ্ল্যাটে বসবাস করছেন।
* নির্মান কাজ চলাকালিন সময়ে প্রকল্পের নির্মান কাজের গুনগত মান নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই, তাই ইমারত নির্মাণের মান নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকবে না।
১১২ টি শেয়ারের ভিতর আর মাত্র ২৭ টি শেয়ার বাকী আছে।
বায়না করা ১৯ জুন ২০২২
গ্রুপ এ নিতে চাইলে অগ্রাধীকার দেওয়া হবে।
পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের জানিয়ে দেবার জন্য আহবান জানাচ্ছি।
প্রয়োজনেঃ ☎ 01766-861989 (জিহাদ)
ইমো,হটসএ্যাপ,মেসেন্জার
বি দ্র : প্রকল্পটি নিজে যে কোন সময় ভিজিট করতে পারেন ( যেহেতু মেইন রোডে) এবং প্রয়োজনে যে কোন তথ্যর জন্য ইনবক্স করুন: ধন্যবাদ পোষ্টটি পড়ার জন্য।