Jurain Tower - জুরাইন টাওয়ার

Jurain Tower - জুরাইন টাওয়ার This is an shopping mall come apartment.

15/03/2023

একটি গৃহপালিত বিড়াল পাওয়া গেছে। জুরাইন টাওয়ার বা এর আশেপাশে কারো যদি বিড়াল হারানো গিয়ে থাকে তাহলে অতি দ্রুত যোগাযোগ করুন। উপযুক্ত প্রমান দিয়ে বিড়াল টি সংগ্রহ করুন।
যোগাযোগ : রোমান : ০১৮৬৯৭৪৪২২২

13/06/2020
জুরাইন টাওয়ার মালিকবৃন্দের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর ও তার পরিবারের নিহিতদের বিদেহী আত্বার মাগফেরাত কামনা করছি ও তাদের হত্যার...
14/08/2017

জুরাইন টাওয়ার মালিকবৃন্দের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর ও তার পরিবারের নিহিতদের বিদেহী আত্বার মাগফেরাত কামনা করছি ও তাদের হত্যার বিচার দাবি করছি।
প্রচারে ঃ মোঃ গিয়াস উদ্দিন সর্দার
চেয়ারম্যান, জুরাইন টাওয়ার।

18/07/2017
25/06/2017
সবাইকে পবিত্র মাহে রমজানের সব গুলা রোজা রাখার তৌফিক দান করুক আল্লাহ তাআলা।
27/05/2017

সবাইকে পবিত্র মাহে রমজানের সব গুলা রোজা রাখার তৌফিক দান করুক আল্লাহ তাআলা।

জুরাইন টাওয়ার এর মালিক বৃন্দের পক্ষ থেকে জুরাইন বাসি সহ সকল মুসলিম উম্মাহ কে পবিত্র মাহে রমজান এর শুভেচ্ছা। আল্লাহ তাআলা...
24/05/2017

জুরাইন টাওয়ার এর মালিক বৃন্দের পক্ষ থেকে জুরাইন বাসি সহ সকল মুসলিম উম্মাহ কে পবিত্র মাহে রমজান এর শুভেচ্ছা। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে মাহে রমজান এর পবিত্রতা রক্ষা করার সূযোগ দান করূক।সবার উপর অশেষ রহমত দান করূক।যাতে সবাই মাহে রমজান এ অশেষ নেকী হাসিল করতে পারে তাদের আমল দ্বারা।আল্লাহ সবাইকে সেই তৌফিক দান করুক।

ঈদ-উল-আযহা বা কোরবানীর ঈদ এর কিছু গুরুত্বপূর্ন মাসালাঃ১/ যিনি কোরবানী দেবেন, কেবল তিনিই যিলহজ মাসের চাঁদ উঠার পর হতে কোর...
08/09/2016

ঈদ-উল-আযহা বা কোরবানীর ঈদ এর কিছু গুরুত্বপূর্ন মাসালাঃ১/ যিনি কোরবানী দেবেন, কেবল তিনিই যিলহজ মাসের চাঁদ উঠার পর হতে কোরবানীর পশু জবাই করা পর্যন্ত নিজের চুল, গোঁফ, নখ কিছুই কাটবেন না।-----------------------------------------------মিশকাতঃ ১৪৫৯।যদি ভুলে কেটে ফেলেন তাহলে এর জন্য তোওবা এবং ইস্তেগফার করতে হবে, কোন কাফফারা দিতে হবেনা।পরিবারের অন্য সবাই কাটতে পারবে। পরিবারের সবাইকে চুল, নখ কাটা হতে বিরত থাকতে হবে-- এমন ধারণা ভুল।২/ ছাগল তথা খাসী কোরবানী করা উত্তম।---------------মিশকাতঃ ১৪৬১; সুবুলুস সালামঃ ৪/ ১৮৫।৩/ চার ধরণের পশু কোরবানী করা নাজায়েজ।ক. স্পষ্ট খোঁড়া।খ. স্পষ্ট কানা।গ. স্পষ্ট রোগী,জীর্ণ শরীর।ঘ. অর্ধেক কান কাটা কিংবা ছিদ্র এবং অর্ধেক শিং ভাংগা।------------------------------------------------------মিশকাতঃ ১৪৬৫।৪/ কেনার পরে খুঁত পাওয়া গেলে উক্ত পশু কোরবানী করা বৈধ।------উৎসঃ ইমাম উবাইদুল্লাহ মুবারকপুরী, মিরআতুল মাফাতিহঃ ২/৩৬৩।৫/ গরু এবং উটে ৭ জনে ভাগে কোরবানী দেওয়া জায়েজ আছে। তবে ভাগে ২/৪/৫ জন বা ৭ জনে ভাগে গরু কোরবানী দেওয়ার চাইতে, একা একটা ছাগল বাদুম্বা কোরবানী দেওয়া ভালো এবং বেশি সওয়াব।যদিওবা সেটার দাম কম হোক,,,যদিওবা সেটার গোশত কম হোক,,,একটা ছাগল বা একটা দুম্বা পুরো একটা পরিবারের জন্যে সবার পক্ষ থেকে কোরবানী হিসেবে যথেষ্ঠ,,,যদিও সেই পরিবারে ১০-১৫ জন বা আরো অধিক ৫০ জনলোক থাকুক না কেনো।আর কোরবানীর পশু হিসেবে মহিষ অথবা আকীকার পশু হিসেবে গরু দেওয়ার কোন দলিল নেই।সুতরাং কোরবানী হিসেবে মহিষ এবং আকীকার পশুহিসেবে গরু দিবেন না।আমাদের উচিৎ, যা কিছু আমল করা সেটা কোরআন ও সহীহ হাদীসে যেইভাবে এসেছে ঠিক সেইভাবে করাএবং নিজেদের মনমতো পরিবর্তন না করা।৬/ ধূসর রঙের পশু কোরবানী করা উত্তম।কোরবানী বিষয়ক কিছু প্রশ্ন এবং তার উত্তরঃপ্রশ্ন------- কোরবানী কাদের উপর ফরয.....?=>উত্তর----- কোরবানী দেওয়া ফরয নয়, সুন্নতে মুয়াক্কাদা। যার সামর্থ্য আছে পশু কেনার, তিনি কোরবানী দেওয়ার চেষ্টা করবেন, এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও ফযীলতপূর্ণ একটা সুন্নত।প্রশ্ন------ ছয় পরিবারের সদস্যদের মাঝে যদি ৬ জনই আয় করে, এবং কোরবানী করার সামর্থ্য রাখে তাহলে কি তাদের সবাইকেই কোরবানী দিতে হবে.....? নাকি একজন দিলে একজনের পক্ষ থেকেই সবার জন্য কবুল হবে.....?=>উত্তর----- ছয়জন আলাদা হলে আলাদা কোরবানী দিতে হবে, আর সবাই একসাথে হলে পরিবারের গার্জিয়ান একা কোরবানী দিলেই হবে।প্রশ্ন---- ঋণ থাকলে কি কোরবানী হয়.......?=>উত্তর -----হ্যা হয়, ঋণদাতা যদি সময় দেয় তাহলে সে কোরবানী দিতে কোন সমস্যা নাই।প্রশ্ন------ বড়-বড় ব্যাবসায়িরা বড়-বড় ঋণ নেয়। যার সময় থাকে ৫ বছর থেকে ১০ বছর কিংবা আরও বেশী। তারা বড় বড় কোরবানী দেয়,,, কোরবানীকি এভাবে হয়.......?=>উত্তর------- হবে,,, যদি হালাল টাকায় কেনা হয় আর ইখলাস ঠিক থাকে। লোক দেখানো হলে বা হারামউপার্জনের টাকায় কেনা হলে কোরবানী বাতিল।প্রশ্ন------ কেও যদি ঋণী থাকে, ঋণ দাতা যদি বলে ঋণ আস্তে-ধীরে দেয়ার জন্য, সে যদি ঋণ না দিয়ে কোরবানী দেয় তার কোরবানী কি কবুল হবে......?=>উত্তর----- যদি ঋণ দাতার মনে কষ্ট না থাকে। ইন-শা-আল্লাহ হবে, তবে তার কোরবানী করা থেকে ঋণ পরিশোধ করা জরুরী। অবশ্য যদি এমন হয় অনেকটাকা, আর আস্তে-আস্তে পরিশোধ করছে, আর সে নিশ্চিত ঋণ পরিশোধ করতে পারবে সময়ের মাঝে, তাহলে কোরবানী দিতে পারবে।প্রশ্ন------ একটা গরুর ভাগে ৭ জন যদি দেয়, এর মাঝে একজনও যদি কোরবানীর গোশত লোভ করে, সবারকোরবানী কি বাতিল হবে.....?=>উত্তর----- হ্যা হবে,,, এইজন্যে ভালো দ্বীনদার ছাড়া অন্য কাউকে নেওয়া যাবেনা, এবং পশু ক্রয় করার পূর্বে যাচাই করে নিতে হবে বা শরীকদেরকে ইখলাসের ব্যপারে সতর্ক করে নিতে হবে।প্রশ্ন------ সাত ভাগের এক গরুর কোনও ভাগ যদি কম বেশী হয় কারো অসততার কারনে, কোরবানী কি সবারটাই বাতিল হবে....?=>উত্তর---- বাতিল হবেনা, তবে ইচ্ছাকৃত গাফিলতি থাকলে অন্যের হক নষ্ট করার জন্যে দায়ী থাকবে।প্রশ্ন------ কেও একজন ছাগল দিতে চাইল, তার কিছু টাকা কম পরল, অন্য কেও কোরবানীর জন্য টাকা দিতে চাইলে সে কি নিতে পারবে....? যে দিতে চাইবে তার টাকা হালাল না হয়,,, কোরবানী কি হবে.......?=>উত্তর জেনে শুনে হারাম টাকা নিয়ে কোরবানীদিলে হবেনা। আল্লাহ পবিত্র আর তিনি পবিত্র ছাড়া কোন কিছু কবুল করবেন না। হালাল টাকা ব্যবস্থা করে কোরবানী দিতে হবে।প্রশ্ন------ এক পরিবারের পক্ষ থেকে যে কারো নামে একটা ছাগল দিতে চাইলে সওয়াব কি সবার হবে যদিও ইনকাম একজনই করে এবং বাকিরা অসামর্থ্য থাকে......?=>উত্তর--- যিনি কোরবানী দিবেন তিনি নিয়ত করবেন এই পশু তার এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে, তাহলে সকলেই সওয়াব পেয়ে যাবেন উল্লেখ্য এতে কোরবানীদাতার সওয়াব কমবেনা।প্রশ্ন------ কোরবানীর পশু যারা জবেহ করবে তাদের কি কোরবানীর গোশত দিয়ে পারিশ্রমীক দেওয়া যাবে, না আলাদা করে টাকা দিতে হবে....? (উল্লেখ্য আমাদের দেশে বেশির ভাগ জায়গায় কোরবানীর গোশত দিয়ে পারিশ্রমীক দেয়া হয়।)=>উত্তর---- কুরবানির গোশত দিয়ে পারিশ্রমিক দেওয়া যাবেনা, আলাদা করে মূল্য নির্ধারণ করে দিতে হবে।প্রশ্ন----- কোরবানীর গোশত কি ৭ দিনের মাঝেই খেতে হবে......?=>উত্তর----- এমন কোন নিয়ম নেই, নিজের অংশ অতিরিক্ত থেকে গেলে ৭ দিন পরে খেতে কোন সমস্যা নেই।প্রশ্ন------ ছোটবেলায় শুনতাম যে,, কোরবানীর পশু যত বেশী তরতাজা হবে, যত বেশী খিপ্র হবে, তত দ্রুত পুলসিরাত পার হওয়া যাবে, কতটা কি সত্য.......? পুলসিরাতের সাথে কি কোরবানীর কোনও সম্পর্ক আছে.......?=>উত্তর----- এ সম্পর্কে একটা কথা আছে, কিন্তু সেটা জয়ীফ হাদীস। জয়ীফ হাদীসের কথা গ্রহণযোগ্য নয়।প্রশ্ন----- ধরা যাক কেও একজন একটা গরু কোরবানী দেয়ার পর তার পুরো একটা রান গরীবদের দিয়ে বাকিটা কি তার নিজের পরিবারেরজন্য খরচ করতে পারবে......?=>উত্তর----- হ্যাঁ, পারবে।প্রশ্ন------ কোরবানীর ঈদে ও কি নতুন জামা পড়াসুন্নত.......?=>উত্তর---- ঈদের দিন উত্তম পোশাক পড়া সুন্নত, নতুন জামা পড়া কোন সুন্নত নয়। উত্তমপোশাক নতুন বা পুরোনোও হতে পারে।(বাঙ্গালী নামধারী মুসলমানেরা ঈদের আগে যেইভাবে নতুন কাপড় কিনতে শপিং করছে এটা সুন্নত নয়, জাহালাত। শতকরা ৮০% মহিলাই বেপর্দায় যাচ্ছে, তাদের পুরুষেরা তাদেরকে কন্ট্রোলে রাখেনা। মুসলমানদের অজ্ঞতা মূর্খতাই তাদের ইহকাল ও পরকাল ধ্বংস করছে।)প্রশ্ন----- কোরবানীর পশুর চামড়ার টাকা কয়দিনের মাঝে দিতে হবে.....? কাজের বুয়াকে দিলে হবে.....?=>উত্তর----- যত দ্রুত দেওয়া যায়, কাজের বুয়া অস্বচ্ছল হলে দেওয়া যাবে।প্রশ্ন----- কোরবানী আর আকিকা একি ছাগল দিয়ে কি হবে......?=>উত্তর------ না, হবেনা।

★★★ পোস্টটা দয়া করে একটু মন দিয়ে পড়বেন ★★★ঈদ মানে অানন্দ। সেটা যদি হয় কুরবানীর ঈদ তাহলে তো কথাই নেই। ইরানী মশলায় রাঁধা ক...
30/08/2016

★★★ পোস্টটা দয়া করে একটু মন দিয়ে পড়বেন ★★★ঈদ মানে অানন্দ। সেটা যদি হয় কুরবানীর ঈদ তাহলে তো কথাই নেই। ইরানী মশলায় রাঁধা কুরবানির গোশত. খাসি ভোনা, গরুর চাপ, আরো কত কত খাবারের গন্ধে মানুষের বাড়ি ঘর,বাড়ি ঘর সংলগ্ন অলিগলি ভরে থাকে!।এই ঈদ, এই আনন্দ, এই মৌ মৌ গন্ধের মাঝেও একটা ফাঁকি থেকে যায়। সবার অলক্ষ্যে। সব চোখ সেই ফাঁকি ধরতে পারেনা। অথবা ধরার চেষ্টাও করেনা।ঈদ মানে আনন্দ। সকল মুসলিমের জন্য এই আনন্দ। অথচ মৌ মৌ গন্ধে ভেসে যাওয়া আলিগলির কোন এক ফাঁকে, কোন এক ঘরে এই ঈদ কেবলই দুঃখ নিয়ে আসে।সামর্থ্য নেই, তাই কুরবানী দেয়া যায়নি। আত্মমর্যাদায় বাধে, তাই ধনীর অট্টালিকার সামনে ফালি ফালি করে কেটে রাখা মাংসের সামনেও লাইন ধরা হয়নি। খাসি ভোনা আর গরুর চাপের গন্ধ এই পরিবারে শুধুই নিঃশব্দ হাহাকার তোলে। পরিবারের বাচ্চা শিশুটি বারবার মায়ের মুখের দিকে ফিরে ফিরে তাকায়। তার চোখের ভাষা একটাই প্রশ্ন করে, মা! আমাদের ঘরে কি গোশত রান্না হবে না?।এই রকম দরীদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবার আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। চোখ মেলে তাকালেই দেখতে পাবো। কিন্তু আমরা কবে চোখ মেলে তাকাবো?।আসুন, এই ঈদে আমরা দরীদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াই। সাধ্যানুযায়ী তাদেরমাঝে কুরবানীর গোশত বিতরণ করি, যেন কেয়ামতের দিন বলতে পারি, আল্লাহ! ঈদের দিনটাও যাদের কাছে ছিলো দুঃখের দিন তাদের মুখে হাসি ফোটাবার, তাদের ঘরে ঈদ আনার চেষ্টায় আমিও শরীক ছিলাম।আল্লাহ আমাদেরকে মানবসেবার তাওফীক দান করুন। আমীন।

আজ জাতীয়  শোক দিবস।  নিহিত সবার রুহের মাগফিরাত কামনা করতাছি।প্রচারে : জুরাইন টাওয়ার এর মালিকবৃন্দ।
14/08/2016

আজ জাতীয় শোক দিবস। নিহিত সবার রুহের মাগফিরাত কামনা করতাছি।
প্রচারে : জুরাইন টাওয়ার এর মালিকবৃন্দ।

Address

308 Jurain Railgate Mazar Area Shaympur
Dhaka
1204

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jurain Tower - জুরাইন টাওয়ার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jurain Tower - জুরাইন টাওয়ার:

Share