21/12/2023
‼️৬ মাস থেকে ২ বছরের বাচ্চার খাবার কেমন হবে এবং কি পরিমাণ খাবার প্রয়োজন জেনে নিন‼️
✅ ৬ মাস থেকে ১২ মাস বয়স পর্যন্তঃ
➡️ বাচ্চার জন্মের পর থেকে ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধই যথেষ্ট। এই সময় এক ফোঁটাও বাড়তি পানির ও প্রয়োজন নেই। বাচ্চা চাহিদা অনুযায়ী মায়ের দুধ খাবে। যে সব বাচ্চারা পর্যাপ্ত বুকের দুধ পায় না তাদের ফরমূলা দুধ দিতে হবে।
➡️ প্রথম সলিড ফুড হিসেবে আদর্শ কিছু খাবার হচ্ছে-
✔️চটকানো পাকা কলা
✔️মিষ্টি আলুর পিউরি
✔️ডালের পানি দিয়ে চটকানো নরম ভাত
✔️ফলের রস (টক জাতীয় ফল বাদে)
✔️জাউ ভাত, সবজি সেদ্ধ
✔️আস্তে আস্তে চাল, ডাল ও ২ ধরনের সবজি দিয়ে রান্না করা খিচুড়ি।
➡️ বাচ্চা সলিড খাবারে অভ্যস্ত হবার পর পরিপূরক খাবার হিসাবে বাড়িতে রান্না করা খাবার যেমন ভাত, ডাল, খিচুড়ি, সবুজ শাকসবজি, ডিম, মাছ, মুরগির মাংস দিতে হবে।
➡️ প্রতিবার আধা পোয়া বা ১২৫ মিলি করে দিনে অন্তত ২ বার। এর বাইরে ১ থেকে ২ বার ফল দিতে পারেন যেমন আপেল সিদ্ধ, পাকা পেপে, আম, কলা।
✅ ১ বছর থেকে ২ বছর বয়স পর্যন্তঃ
➡️ মায়ের দুধ বাচ্চার চাহিদা অনুযায়ী খেতে দিবেন।
➡️ পরিপূরক খাবার বাড়িতে রান্না করা খাবার যেমন ভাত, ডাল, খিচুড়ি, সবুজ শাকসবজি, ডিম, মাছ, মুরগির মাংস।
➡️ পরিমাণ প্রতিবার ১পোয়া বা ২৫০ মিলি করে দিনে অন্তত ৩ বার। এর বাইরে ১থেক ২ বার ফল হালকা নাস্তা দিতে পারেন যেমন পাকা আম, কলা, পেঁপে, টকদই, নুডলস।
➡️ সকালের নাস্তায় বা রাত এ ওটস দিতে পারেন। ওটস এর সাথে খেজুর, কলা মিশিয়ে দিতে পারেন।
📢 ১বছর শেষ হলে বাচ্চাকে গরুর দুধের তৈরি খাবার দিতে পারেন। ২ বছরের পরে সরাসরি গরুর দুধ দিতে পারেন। ১ বছরের পরে বাচ্চার খাবারে লবন, মধু দিতে পারবেন।
আপনার শিশুকে একবারে নতুন খাবারের সাথে পরিচয় করানোর পর অন্য একটি নতুন খাবার দেয়ার আগে তিন দিন অপেক্ষা করুন। এটি আপনাকে আপনার শিশুর সম্ভাব্য অ্যালার্জি সনাক্ত করতে সাহায্য করবে।
( কপি পোস্ট)