Estate Solve

Estate Solve Real Estate and Property Consultant

দলিল নেই, রেকর্ড নেই, দখলও নেই! নতুন আইনে শুধু ১টি প্রমাণ থাকলেই জমি আপনারজমির মালিকানা নির্ধারণে এতদিন তিনটি বিষয়কেই গ...
06/08/2025

দলিল নেই, রেকর্ড নেই, দখলও নেই! নতুন আইনে শুধু ১টি প্রমাণ থাকলেই জমি আপনার

জমির মালিকানা নির্ধারণে এতদিন তিনটি বিষয়কেই গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা হতো—দলিল, রেকর্ড (খতিয়ান) ও ভোগদখল। কিন্তু ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন কার্যকর হওয়ার পর মালিকানা নির্ধারণে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন হয়েছে। এখন এমন একটি মাত্র দলিল বা প্রমাণ থাকলেও কেউ বৈধভাবে জমির মালিকানা দাবি করতে পারবেন, যদিও তার দখল নেই, রেকর্ডে নাম নেই, এমনকি তার নামে দলিলও নেই।

ধরে নেয়া যাক, একজন ব্যক্তি যার কাছে দলিল নেই, রেকর্ড খতিয়ানে নামও নেই, এবং জমিটির দখল থেকেও তিনি দীর্ঘদিন বঞ্চিত। তারপরও যদি তার কাছে জমির খাজনা পরিশোধের বৈধ দাখিলা থাকে এবং তা যদি সিএস বা এসএ রেকর্ডের মালিকদের উত্তরাধিকার সূত্রে হয়ে থাকে—তাহলে কোর্টে মামলার মাধ্যমে তিনি জমিটির প্রকৃত মালিকানা ফিরে পেতে পারেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে "দলিল যার, জমি তার" এই সূত্রটি শুধুমাত্র দলিলের উপস্থিতির উপর নির্ভর করছে না। দলিল ছাড়াও এমন প্রমাণপত্র যা জমির মালিকানার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে, যেমন খাজনা দাখিলা, তা-ও আইনি দলিল হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

বিচারিক আদালত এখন শুধু রেকর্ড বা দখল দেখেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না। বরং বিচার করছে জমির মালিকানার উৎস কোথা থেকে এসেছে এবং সেই উৎসের সঙ্গে বর্তমান দাবিদার ব্যক্তির যুক্তিসংগত সংযোগ (Chain of Ownership) রয়েছে কি না। যদি দেখা যায়, সিএস ও এসএ রেকর্ডে দাবিদারের পূর্বসূরিদের নাম ছিল এবং খাজনা দাখিলা তার আছে—তাহলে আদালত তাকে প্রকৃত মালিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারে।

অপরদিকে, যার নামে বর্তমানে দলিল ও রেকর্ড রয়েছে, কিন্তু তিনি যদি রেকর্ডে নিজের নাম অবৈধভাবে বা প্রভাব খাটিয়ে অন্তর্ভুক্ত করে থাকেন, তাহলে সেটি বাতিল হতে পারে। এবং প্রকৃত মালিকের পক্ষে আদালত রায় দিয়ে জমি পুনরুদ্ধার ও রেকর্ড সংশোধনের নির্দেশনা দিতে পারে।

এই আইনি পরিবর্তনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে জমি হারানো প্রকৃত মালিকরা আবার নিজেদের জমির উপর অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে, এটি একই সঙ্গে অন্য পক্ষের জন্য সতর্কতা হিসেবে কাজ করছে—সঠিক উৎস ছাড়া জমি ক্রয় বা দখল করা ভবিষ্যতে আইনি জটিলতায় ফেলতে পারে।

সারকথা
নতুন আইন অনুযায়ী, দলিল না থাকলেও খাজনা দাখিলা এবং মালিকানার ধারাবাহিকতা প্রমাণ করতে পারলে একজন ব্যক্তি জমির প্রকৃত মালিক হিসেবে আদালতে স্বীকৃতি পেতে পারেন। তাই, জমি কেনার আগে শুধু দলিল নয়, রেকর্ড ও খাজনার ইতিহাসও ভালোভাবে যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।

আইনজীবীরা বলছেন: এই আইন একদিকে যেমন জমি দখলদারদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা, অন্যদিকে প্রকৃত মালিকদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পথ।

02/03/2025

বাড়ি নির্মাণ করছেন বা করবেন?
এই পোষ্ট অবশ্যই টাইমলাইনে রেখে দিন নির্মাণ কাজে সহযোগী হবে
আপনার বাড়িটা যেন শুধু মাত্র মাথা গোজার স্থান না হয়। আপনার বাড়ি করতে হবে ভেবে চিন্তে প্রকৌশলীর পরামর্শে। বাড়ি করার পূর্বে মূল শর্ত হলো প্ল্যানিং। প্ল্যান করে বাড়ি করা হলে আপনি আপনার জমির সঠিক মূল্যায়ন করতে পারবেন ।

বাড়ি করার ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে।

* বিভিন্ন রুমের আদর্শ এবং সর্বনিম্ন মাপ
* রুমের অবস্থান
* সৌন্দর্য
* পর্যাপ্ত আলো বাতাস এর সু ব্যাবস্থা
* নিরাপত্তা
* ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
* আপনার এলাকার নিয়ম অনুযায়ী কতটুকু জমি ছেড়ে বাড়ি করতে হবে , তার পরিমাণ ।
★★ রুমে মাপ এবং অবস্থানঃ

#বেড_রুম :
বেড রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত ১০ ফিট বাই ১২ ফিট।
~অবস্থান : যেদিকে সর্বোচ্চ ন্যাচারাল গিফট পাওয়া যাবে অর্থাৎ পর্যাপ্ত আলো বাতাস যেদিকে পাওয়া যায়। যেনো ব্যালকনি তে বসলেই ভেসে আসে দখিনা বাতাস । তবে সাধারণত একটা বিল্ডিং এর কর্ণার সাইডে বেড রুম দেওয়া হয় । এক বেড রুম থেকে আরেক বেড রুমের দূরত্ব বা অবস্থান এমন হবে যেন সম্পূর্ণ প্রাইভেসি বজায় থাকে। অর্থাৎ এক রুমের থেকে অন্য রুমের ভ্যান্তরীন দৃশ্য সহজেই দৃষ্টি-গোচর হবে না ।
#গেষ্ট_রুম :
গেস্ট রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই নয় ফিট
~অবস্থান : সিঁড়ির কাছাকাছি ।
#ডায়নিং :
ডায়নিং রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই দশ ফিট
~অবস্থান :রান্না ঘরের পাশে হলে ভাল হয় ।
#বাথরুম_টয়লেট :
বাথ রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত
ছয় ফিট বাই চার ফিট ।
~অবস্থান :
কমন বাথরুম হলে সবাই যাতে সহজেই ব্যাবহার করতে পারে এমন স্থানে ।
টয়লেটে অবশ্যই এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করবেন । এটা এয়ার ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে টয়লেটের দূর্গন্ধ দূর করার পাশাপাশি আপনার টয়লেট এর ফ্লোর শুকনা রাখবে ।
#কিচেন :
কিচেন রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই সাত ফিট
~অবস্থান :
কিচেনে রান্নার সময় রান্নার গ্যাস বা ধোয়া যেন অন্য রুমে প্রবেশ না করতে পারে ।
রান্না ঘরের পরিবেশ ফ্রেস রাখার জন্য, কিচেনেও এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করা উচিত ।
#ব্যালকনি :
চওড়া তিন ফিটের কম নয় ।
#সিড়ি :
আট ফিট চওড়া হলে ভাল হয় অবস্থান : মেইন রাস্তার পাশে অথবা রাস্তা থেকে সর্বনিম্ন দূরত্বে।

৯ (নয়) ধরণের জমি কিনতে যাবেন নাবর্তমানে জমির দাম অনেক বেশি এবং দিন দিন তা হু হু করে বাড়ছে। অনেকেই স্বপ্ন লালন করেন নিজ...
30/12/2024

৯ (নয়) ধরণের জমি কিনতে যাবেন না

বর্তমানে জমির দাম অনেক বেশি এবং দিন দিন তা হু হু করে বাড়ছে। অনেকেই স্বপ্ন লালন করেন নিজের একটি জমি হবে। কিন্তু আবাসযোগ্য ভালো জমির পরিমাণ অনেক কম এবং পাওয়াও কঠিন।
এজন্য বিভিন্ন প্রতারক চক্র ” ভালো জমি” বিক্রির লোভ দেখান। সহজ সরল মানুষ একটি ভালো জমির মালিক হবার জন্য দ্রুত টাকা পরিশোধ করে রেজিস্ট্রি করে নেন। কিন্তু দখল করতে গিয়ে দেখেন জমিটি ঝামেলাপূর্ণ। এজন্য জমি কেনার আগে জানা উচিত কোন জমিগুলো একদমই কেনা উচিত নয়।
একটা ভালো জমি যেমন আপনার সারা জীবনের একটা সম্বল হতে পারে। ঠিক তেমনি, ভুল জমি ক্রয় আপনার সারা জীবনের কান্নার কারণ হতে পারে।
আসুন জেনে নেই, কোন্ জমিগুলো ভুলেও কেনা উচিত নয়-

১. খাস জমিঃ
জমি কেনার সময় খোজ নিয়ে দেখবে যেন সেটি খাস জমি না হয়। যে জমিগুলো সরাসরি সরকারের মালিকানাধীন থাকে সেগুলোকে খাস জমি বলা হয়। অনেক সময় অনেক প্রতারক জাল দলিল তৈরি করে “খাস জমি” বিক্রি করা হয়।
আইনে বলা আছে, কোনো জমি যদি সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে ও সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকে সেইগুলোই খাস জমি। সরকার এ জমিগুলো বন্দোবস্ত দিতে পারেন। সাধারণত ভূমিহীন ব্যক্তিরা সরকারীভাবে খাস জমি পায়। এজন্য জমি কিনার পূর্বে ভুমি অফিসে খোঁজ নিয়ে দেখুন যে জমিটি খাস জমি কিনা?

২. অর্পিত সম্পত্তিঃ
অনেক হিন্দু নাগরিক তাদের জমি-জমা পরিত্যাগ করে ভারতে চলে গেছেন এবং সেখানে নাগরিকত্ব লাভ করে বসবাস করেছেন। তাদের অনেকের ভূমি অর্পিত ও অনাবাসী সম্পত্তি (Vested and Non-Resident Property) হিসেবে সরকারের তালিকাভুক্ত হয়েছে এবং এগুলো সরকারের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।
এসকল জমি সরকার ছাড়া অন্য কেও ক্রয় বিক্রয় করতে পারে না। এজন্য, যেকোন জমি ক্রয়ের আগে খোঁজ নিন এগুলো সরকারের তালিকাভুক্ত অর্পিত জমি কিনা?

৩. অধিগ্রহণকৃত জমি বা এরূপ সম্ভাবনার জমিঃ
রাষ্ট্র বা সরকার দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড যেমন শিল্প কারখানা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রেলপথ, সড়ক বা সেতুর প্রবেশ পথ বা এ জাতীয় অন্য কিছুর জন্য জনগণের কোন ভূমি যদি দখল করে নেয় তাকে বলে “অধিগ্রহণ”। সরকার দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে যে কারো জমি অধিগ্রহণ করতে পারে।
অনেকেই সরকারের অধিগ্রহণকৃত জমি প্রতারণা করে বিক্রি করে। এজন্য, জমি ক্রয়ের পূর্বে ভূমি অফিসে খোঁজ নিয়ে জেনে নিন জমিটি সরকারের অধিগ্রহণকৃত জমি কিনা বা ভবিষ্যতে অধিগ্রহণ করার সম্ভবনা আছে কিনা?

৪. যাতায়াতের রাস্তা নেই এরূপ জমিঃ
যে জমিটি ক্রয় করবেন সেটির মৌজা ম্যাপ যাচাই করে বা সশরীরে উপস্থিত হয়ে খোঁজ নিন যে জমিটিতে যাতায়াতের রাস্তা আছে কিনা। যে জমিতে যাতায়াতের ব্যবস্থা নেই এমন জমি ভুলেও কিনবেন না?

৪. ইতোমধ্যে অন্যত্র বিক্রয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ কিনাঃ
অনেক বিক্রেতা একই জমি কয়েকজনের কাছে বিক্রি করেন। ফলে, আসল বিক্রেতার কাছ থেকে ক্রয় করার পরও জমির প্রকৃত মালিক হওয়া যায় না।
এজন্য জমি ক্রয় এর পূর্বে খোঁজ নিন বিক্রেতা পূর্বে অন্য কারো কাছে জমিটি বিক্রি করেছে কিনা বা বিক্রির জন্য বায়না চুক্তি করেছে কিনা।
সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে খোঁজ নিন এর পূর্বে জমি হস্তান্তর জনিত কোন দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে কিনা?

৫. বন্ধকীকৃত জমিঃ
অনেক সময় জমি বিভিন্ন ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানে বন্ধক বা মর্টগেজ থাকে। এমন জমি কখনই ক্রয় করবেন না। কারণ বন্ধককৃত জমি ক্রয় – বিক্রয় সম্পূর্ণ বে-আইনী।

৬. কোন আদালতে মামলায় আবদ্ধ জমিঃ
অনেক সময় একই জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা চলে। মামলা চলছে বা মামলা এখন নিষ্পত্তি হয়নি, এমন জমি কেনা উচিত নয়।

৭. বিরোধপূর্ণ জমিঃ
অনেক সময় ওয়ারিশসূত্রে জমির মালিক হলে ঠিকমত ওয়ারিশ সনদ বা বন্টননামা করা হয় না। এসব জমি নিয়ে ওয়ারিশদের মধ্যে বিরোধ চলে।
এসকল বিরোধপূর্ণ জমি কেনা কোনভাবেই উচিৎ নয়।
কৃষি জমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে রেকর্ডীয় মালিকানায় অংশীদারগণ অগ্রক্রয়াধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। সুতরাং অংশীদারদের সম্মতি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে।

৮. দখলহীন জমিঃ
যেকোন জমির মালিকানার জন্য প্রয়োজন দলিল ও দখল। একটি ছাড়া অন্যটি অসম্পূর্ণ। এজন্য যিনি জমি বিক্রি করছেন জমিটি তার দখলে আছে কিনা জেনে নিন।
যদি দখলে না থাকে তবে এমন জমি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন। দখলহীন মালিকদের জমি ক্রয় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এতে জমি দখলের জন্য ঝগড়া, দাঙ্গা ফ্যাসাদ এবং মামলা মোকদ্দমায় জড়িত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৯. নাবালকের নামে জমিঃ
জমি যদি নাবালকের নামে থাকে, তবে সে জমি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অভিভাবক ছাড়া বিক্রি করা যায় না। সাধারনত ১৮ বছরের নিচে ব্যক্তিকে নাবালক বলা হয়।
এজন্য, অনেকেই এমন জমি কিনে যা ওয়ারিশসূত্রে কোন নাবালকের অংশ আছে। কিন্তু, নাবালক বড় হয়ে মামলা করলে জমিটি হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। এজন্য, এ ধরনের জমি কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক হোন।

যেকোনো ধরনের আবাসিক বাড়ী, অফিস, মার্কেট ও শোরুম, হসপিটাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর আধুনিক ও যুগোপযোগী রুচিসম্পন্ন ইন্টেরিয়র ডিজাইন সহ বিল্ডিং এর সকল ডিজাইন ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে....
Copied

03/01/2024
BDS রেকর্ড এর জন্য আপনার যা যা প্রয়োজন হবে-১। দলিল ও রেকর্ডীয় খতিয়ান সংগ্রহে রাখুন।২। নামজারী না থাকলে অতিদ্রুত জমির নাম...
03/11/2023

BDS রেকর্ড এর জন্য আপনার যা যা প্রয়োজন হবে-
১। দলিল ও রেকর্ডীয় খতিয়ান সংগ্রহে রাখুন।
২। নামজারী না থাকলে অতিদ্রুত জমির নামজারী সম্পূর্ণ করুন।
৩। খাজনা হালনাগাদ রাখুন।
৪। পর্চা ও নকশা অনুযায়ী জমি মেপে রাখুন।
৫। জমির সীমানা আইল নিধারন করে রাখুন।
৬। জমি দখলে রাখুন।
৭। ইজমালি ও পৈত্রিক সম্পত্তি হলে ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করে রাখুন, প্রয়োজনে বন্টন নামা দলিল করুন, প্রয়োজনে এওয়াজ বদল করুন এবং নামজারী করে রাখুন।
৮। আগত জরিপে উক্ত জমির খাজনা দেওয়া না থাকলে জমি খাস হয়ে যাবে।
৯। যাদের জমির দলিল/কাগজ পত্র ও খাজনার দাখিলা নেই তারা জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য মন-মানসিকতা প্রস্তুত করুন।
#জমিবিরোধ #ভূমি #নামজারি #খতিয়ান #জমিজমা #দলিল #জমি #জরিপ

Offering an assortment of amenities, along with over three hundred distinguished residences, Singha Condominiums is a ca...
02/11/2023

Offering an assortment of amenities, along with over three hundred distinguished residences, Singha Condominiums is a captivating addition to both the Singha Estate complex and Bangkok’s burgeoning residential market.













02/11/2023

How to Valuation of a Real Estate Property





Valuing a real estate property involves determining its market worth or fair market value. Several methods can be used for property valuation, depending on the property type and available data. Here are some common approaches to property valuation:

💢Market Comparison Approach:
This approach involves comparing the property to similar properties (comparables) that have recently been sold in the same area.
Look for properties with similar size, location, condition, and features.
Adjust the sale prices of comparables to account for any differences, and then estimate the property's value

💢Cost Approach:
The cost approach calculates the property's value by considering the cost of replacing it with a similar one.
It includes the cost of land, construction, and any improvements, minus depreciation.
This approach is commonly used for new or unique properties where there are limited comparable sales.

💢Income Approach:
This approach is often used for income-generating properties such as rental units or commercial real estate.
Estimate the property's value based on its potential income, taking into account factors like rent, expenses, and capitalization rate (cap rate).

💢Reproduction Cost Approach:
Similar to the cost approach, this method estimates the cost to reproduce the property exactly as it is.
It accounts for all materials and labor at current market prices.

💢Depreciated Cost Approach:
This approach estimates the property's value by considering the cost to reproduce it minus depreciation.
Depreciation can be due to physical wear and tear, functional obsolescence, or external factors.

💢Residual Land Value:
This method is used for land development projects.
It calculates the value of land by subtracting the costs of development, such as construction and infrastructure, from the estimated selling price of the developed property.

💢Capitalization Rate:
This approach is commonly used for income-producing properties and estimates the property's value based on its potential rental income.
The capitalization rate (cap rate) is used to convert expected income into a property value.

💢Appraisal by a Professional Appraiser:
One of the most accurate ways to determine a property's value is to hire a professional appraiser.
Appraisers have the training and expertise to evaluate a property using various methods and provide an unbiased valuation report.

It's important to note that property valuation can be influenced by various factors, including local real estate market conditions, property condition, location, and demand. The chosen valuation method should be appropriate for the specific property and its purpose, whether it's for buying, selling, financing, insurance, or taxation. Additionally, consulting with a qualified appraiser or real estate professional can provide valuable insights into the property's value.

ফিলিস্তিনের জাতীয় কবি মাহমুদ দারবিশ, প্রেমে পড়েন ইজরায়েলের এক ইহুদি রমণীর।  নিজ প্রেমিকার রূপক নাম দিয়েছিলেন রিটা। দারবি...
17/10/2023

ফিলিস্তিনের জাতীয় কবি মাহমুদ দারবিশ, প্রেমে পড়েন ইজরায়েলের এক ইহুদি রমণীর। নিজ প্রেমিকার রূপক নাম দিয়েছিলেন রিটা। দারবিশ তার লেখা তিনটি কবিতায় চিত্রিত করেছেন প্রেমিকা রিটাকে।

তিনি লিখেছিলেন —
'আমি আমার জাতির সাথে বেইমানি করে, আমার শহর এবং তার পরাধীনতার শিকলগুলির বেদনা ভুলে গিয়ে হলেও তোমারে ভালোবাসি।

এরপর যখন কবি আবিষ্কার করলেন, তার প্রিয়তমা প্রেমিকা ইজরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে কাজ করেন, তিনি লিখলেন "Between Rita and my eyes,There is a rifle"

তখন গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দেয় তার লেখা ‘রিটা অ্যান্ড দ্য রাইফেল’ কবিতাটি।

দারবিশ আবার লিখেন —
'তোমার কাছে কিছুই ছিলো না যেই প্রেমটা, আমার কাছে সেইটা আমার অস্তিত্ব ছিলো'

ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকার নামকরণের ইতিহাসঃ★ ভুতের গলিঃএখানে বৃটিশ একজন লোক থাকতেন নাম ছিল Mr. boot, তার নাম থেকে বুটের গ...
16/10/2023

ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকার নামকরণের ইতিহাসঃ

★ ভুতের গলিঃ
এখানে বৃটিশ একজন লোক থাকতেন নাম ছিল Mr. boot, তার নাম থেকে বুটের গলি, পরবর্তীকালে ভুতের গলি নাম হয়েছে।

★ এলিফ্যানট রোডঃ
পিলখানা হতে হাতিগুলোকে নিয়ে যাওয়া হতো "হাতির ঝিল" এ গোসল করাতে, তারপর "রমনা পার্ক"এ রোঁদ পোহাতো।
সন্ধ্যের আগেই হাতির দল পিলখানায় চলে আসতো। যাতায়াতের রাস্তাটির নামকরণ সেই কারণে এলিফ্যান্ট রোড। পথের মাঝে ছোট্ট একটি কাঠের পুল ছিলো, যার নামকরণ হোলো "হাতির পুল"

★ ধানমন্ডিঃ
এখানে এককালে বড় একটি হাট বোসতো। হাটটি ধান ও অন্যান্য শস্য বিক্রির জন্য বিখ্যাত ছিল।

★ গেন্ডারিয়া
ইংরেজি শব্দ Grand Area থেকে এসেছে, এখানে আগের দিনের অভিজাত ধনী ব্যাক্তিগন থাকত।

★ মহাখালিঃ
মহা কালী নামের এক মন্দীরের নাম থেকে হয়েছে বর্তমানের মহাখালী।

★ ইন্দিরা রোডঃ
এককালে এ এলাকায় "দ্বিজদাস বাবু" নামে এক বিত্তশালী ব্যক্তির বাসাস্থান, অট্টলিকার পাশের সড়কটি নিজেই নির্মাণ করে বড় কন্যা "ইন্দিরা" নামেই নামকরণ।

★ পিলখানাঃ
ইংরেজ শাসনামলে প্রচুর হাতি ব্যবহার করা হোতো। বন্য হাতিকে পোষ মানানো হোতো যেসব জায়গায়, তাকে বলা হোতো পিলখানা। বর্তমান "পিলখানা" ছিলো সর্ববৃহৎ।

★ কাকরাইলঃ
ঊনিশ শতকের শেষ দশকে ঢাকার কমিশনার ছিলেন মিঃ ককরেল। নতুন শহর তৈরী করে নামকরণ হোলো "কাকরাইল"।

★ রমনা পার্কঃ
অত্র এলাকায় বিশাল ধনী রম নাথ বাবু মন্দির তৈরী করেছিলো "রমনা কালী মন্দির"। মন্দির সংলগ্ন ছিলো ফুলের বাগান আর খেলাধুলার পার্ক।
পরবর্তীতে সৃষ্টি হয় "রমনা পার্ক"।

★ গোপীবাগঃ
গোপীনাগ নামক এক ধনী ব্যবসায়ী ছিলেন। নিজ খরচে "গোপীনাথ জিউর মন্দির" তৈরী করেন। পাশেই ছিলো হাজারো ফুলের বাগান "গোপীবাগ"।

★ টিকাটুলিঃ
হুক্কার প্রচলন ছিলো। হুক্কার টিকার কারখানা ছিলো যেথায় সেটাই "টিকাটুলি"।

★ তোপখানাঃ
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর গোলন্দাজ বাহিনীর অবস্থান ছিল এখানে।

★ পুরানা পল্টন, নয়া পল্টনঃ
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর ঢাকাস্থ সেনানিবাসে এক প্ল্যাটুন সেনাবাহিনী ছিল, প্ল্যাটুন থেকে নামকরন হয় পল্টন। পরবর্তীতে আগাখানিরা এই পল্টনকে দুইভাগে ভাগ করেন, নয়া পল্টন ছিল আবাসিক এলাকা আর পুরানো পল্টন ছিল বানিজ্যিক এলাকা।

★ বায়তুল মোকারম নামঃ
১৯৫০-৬০ দিকে প্রেসিডেন্ট আয়ুবের সরকারের পরিকল্পনা পুরানো ঢাকা-
নতুন ঢাকার যোগাযোগ রাস্তার। তাতে আগাখানীদের অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, আবাসিক বাড়িঘর চলে যায়।
আগাখানীদের নেতা আব্দুল লতিফ বাওয়ানী (বাওয়ানী জুট মিলের মালিক) সরকারকে প্রস্তাব দিলো, তারা নিজ খরচে এশিয়ার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ মসজিদ তৈরী করবে।
এটা একটা বিরাট পুকুর ছিল "পল্টন পুকুর",
এই পুকুরে একসময় ব্রিটিশ সৈন্যরা গোসল কোরতো। ১৯৬৮ সনে মসজিদ ও মার্কেট প্রতিষ্ঠিত হয়।

★ পরীবাগঃ
পরীবানু নামে নবাব আহসানউল্লাহর এক মেয়ে ছিল। সম্ভবত পরীবানুর নামে এখানে একটি বড় বাগান করেছিলেন আহসানউল্লাহ।

★ পাগলাপুলঃ ১৭ শতকে এখানে একটি নদী ছিল,
নাম-পাগলা।
মীর জুমলা নদীর উপর সুন্দর একটি পুল তৈরি করেছিলেন।
অনেকেই সেই দৃষ্টিনন্দন পুল দেখতে আসত। সেখান থেকেই জায়গার নাম "পাগলাপুল"।

★ ফার্মগেটঃ
কৃষি উন্নয়ন, কৃষি ও পশুপালন গবেষণার জন্য বৃটিশ সরকার এখানে একটি ফার্ম বা খামার তৈরি করেছিল। সেই ফার্মের প্রধান ফটক বা গেট থেকে এলাকার নাম হোলো ফার্মগেট।

★ শ্যামলীঃ
১৯৫৭ সালে সমাজকর্মী আব্দুল গণি হায়দারসহ বেশ কিছু ব্যক্তি এ এলাকায় বাড়ি করেন। এখানে যেহেতু প্রচুর গাছপালা ছিল তাই সবাই মিলে আলোচনা করে এলাকার নাম রাখেন শ্যামলী।

★ সূত্রাপুরঃ
কাঠের কাজ যারা করতেন তাদের বলা হত সূত্রধর। এ এলাকায় এককালে অনেক শূত্রধর পরিবারের বসবাস ছিলো । সেই থেকেই জায়গার নাম হোলো সূত্রাপুর।
(সংগৃহীত)

আমাদের স্কুল কলেজের ইতিহাস বইয়ে হরম্পা মহেঞ্জদারো শহরের ইতিহাস থাকলেও ঢাকা শহরের ইতিহাস নেই অথছ হরম্পার থেকে ঢাকার ইতিহাস জানা বেশি জরুরি ছিলো আমাদের জন্য।

সমস্ত তথ্য সংগ্রহকৃত.....

বাদ যাওয়া এলাকা গুলো নিয়ে কাজ চলছে যথা সময়ে জানানো হবে।

কলাম, বীম ও ছাদে রড দেয়ার নিয়মঃ কলাম কিংবা বিমে ল্যাপিং কিভাবে দিতে হবে ,কতটুক দিতে হবে এসব বিষয় খুবই ইম্পরট্যান্ট এছাড়া...
10/10/2023

কলাম, বীম ও ছাদে রড দেয়ার নিয়মঃ

কলাম কিংবা বিমে ল্যাপিং কিভাবে দিতে হবে ,কতটুক দিতে হবে এসব বিষয় খুবই ইম্পরট্যান্ট এছাড়াও বিম কলামে এক্সট্রা টপ দেয়ার, রিং বাধা এবং রিং দেয়ার ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে। এছাড়া স্ল্যাবের ক্ষেত্রে ক্র্যাংক বার,এক্সট্রা টপ ইত্যাদি বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে .
প্র্যাকটিকাল কাজের বিভিন্ন ড্রয়িং এর আইডিয়া থেকে কলাম, বীম ও ছাদে রড দেয়ার কিছু নিয়ম শেয়ার কর হলো, তবে ড্রয়িং টু ড্রয়িং কিছু জিনিস ভিন্ন হতে পারে। যে জিনিস গুলো মোটামুটি একই থাকে সেগুলো তুলে ধরা হলো

♦কলামে রিং বাধার নিয়মঃ

▶কলামের দুই পাশে রিং বা টাই বার দেওয়া হয় এবং তা ফ্লোর এবং ছাদ সংলগ্ন অংশ থেকে L/4 দূরত্বের ভিতরে বেশী ঘন হবে , ড্রয়িং অনুসারে তা খেয়াল করে মেন্টেইন করতে হবে।
স্পেসিং হতে পারে ৩/৪/৫ ইঞ্চি
▶কলামের মাঝের অংশে রিং বা টাই বার দেওয়া হয় এবং তা ফ্লোর এবং ছাদ সংলগ্ন অংশ থেকে L/4 দূরত্বের বাইরে কম ঘন ভাবে দিতে হবে , ড্রয়িং অনুসারে তা খেয়াল করে মেন্টেইন করতে হবে।
স্পেসিং হতে পারে ৬/৭/৮ ইঞ্চি

♦বিমে রিং বাধার নিয়মঃ

▶বিমের দুই পাশে রিং বা টাই বার দেওয়া হয় এবং তা কলাম সংলগ্ন অংশ থেকে L/4 দূরত্বের ভিতরে বেশী ঘন হবে , ড্রয়িং অনুসারে তা খেয়াল করে মেন্টেইন করতে হবে।
স্পেসিং হতে পারে ৩/৪/৫ ইঞ্চি
▶বিমের মাঝের অংশে রিং বা টাই বার দেওয়া হয় এবং তা কলাম সংলগ্ন অংশ থেকে L/4 দূরত্বের বাইরে কম ঘন ভাবে দিতে হবে , ড্রয়িং অনুসারে তা খেয়াল করে মেন্টেইন করতে হবে।
স্পেসিং হতে পারে ৬/৭/৮ ইঞ্চি

♦বিমের ক্ষেত্রে এক্সট্রা টপঃ

▶বিমের প্রান্তে এক্সট্রা টপের পরিমান দেওয়া হয় L/4
▶বিমের মাঝের সাপোর্টের পাশে এক্সট্রা টপ এর পরিমান দেওয়া হয় L/3
▶বিমে এক্সট্রা বটম দেওয়া হয় কলাম থেকে L/7 বা L/8 দূরে

ছাদে রড দেওয়ার নিয়মঃ

♦মেইন রড ও বাইন্ডার রডঃ
ছাদে মেইন রড দেওয়া হয় শর্ট ডিরেকশন বরাবর
ছাদে বাইন্ডার রড দেওয়া হয় লং ডিরেকশন বরাবর
মেইন রড খাচার বাইরে অর্থাৎ উপরে ও নিচে থাকে
বাইন্ডার রড খাচার ভিতরে থাকে
♦স্ল্যাবে এক্সট্রা টপঃ
স্ল্যাবের প্রান্তে এক্সট্রা টপ এর পরিমান দেওয়া হয় L/4 পর্যন্ত
স্ল্যাবের মাঝের সাপোর্টে এক্সট্রা টপ দেওয়া হয় L/3 পর্যন্ত
♦স্লাবে ক্র্যাংক বারঃ
স্লাবের প্রান্তে ক্র্যাংক এর পরিমান L/5
স্ল্যাবের মাঝের সাপোর্টে ক্র্যাংক এর পরিমান দেওয়া হয় L/4

বিদ্রঃ এই ব্যাপার গুলো ডিজাইন অনুসারে হয়ে থাকে, তাই আপনাকে কাজ করতে হবে এস পার ড্রয়িং । তবে মোটামুটি উপরের নিয়মানুসারেই বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে ব্যাবহার করা যাবে।

#সচেতনমূলক_পোস্ট 🏨🕍🏦

Retrofitting
08/10/2023

Retrofitting














ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকার নামকরণের ইতিহাসঃ★ গেন্ডারিয়া  ইংরেজি শব্দ Grand Area  থেকে এসেছে, এখানে আগের দিনের অভিজাত ধনী ...
06/10/2023

ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকার নামকরণের ইতিহাসঃ

★ গেন্ডারিয়া
ইংরেজি শব্দ Grand Area থেকে এসেছে, এখানে আগের দিনের অভিজাত ধনী ব্যাক্তিগন থাকত।

★ ভুতের গলিঃ
এখানে বৃটিশ একজন লোক থাকতেন নাম ছিল Mr. boot, তার নাম থেকে বুটের গলি, পরবর্তীকালে ভুতের গলি নাম হয়েছে।

★ মহাখালিঃ
মহা কালী নামের এক মন্দীরের নাম থেকে হয়েছে বর্তমানের মহাখালী।

★ ইন্দিরা রোডঃ
এককালে এ এলাকায় "দ্বিজদাস বাবু" নামে এক বিত্তশালী ব্যক্তির বাসাস্থান, অট্টলিকার পাশের সড়কটি নিজেই নির্মাণ করে বড় কন্যা "ইন্দিরা" নামেই নামকরণ।

★ পিলখানাঃ
ইংরেজ শাসনামলে প্রচুর হাতি ব্যবহার করা হোতো। বন্য হাতিকে পোষ মানানো হোতো যেসব জায়গায়, তাকে বলা হোতো পিলখানা। বর্তমান "পিলখানা" ছিলো সর্ববৃহৎ।

★ এলিফ্যানট রোডঃ
পিলখানা হতে হাতিগুলোকে নিয়ে যাওয়া হতো "হাতির ঝিল" এ গোসল করাতে, তারপর "রমনা পার্ক"এ রোঁদ পোহাতো।
সন্ধ্যের আগেই হাতির দল পিলখানায় চলে আসতো। যাতায়াতের রাস্তাটির নামকরণ সেই কারণে এলিফ্যান্ট রোড। পথের মাঝে ছোট্ট একটি কাঠের পুল ছিলো, যার নামকরণ হোলো "হাতির পুল"।

★ কাকরাইলঃ
ঊনিশ শতকের শেষ দশকে ঢাকার কমিশনার ছিলেন মিঃ ককরেল। নতুন শহর তৈরী করে নামকরণ হোলো "কাকরাইল"।

★ রমনা পার্কঃ
অত্র এলাকায় বিশাল ধনী রম নাথ বাবু মন্দির তৈরী করেছিলো "রমনা কালী মন্দির"। মন্দির সংলগ্ন ছিলো ফুলের বাগান আর খেলাধুলার পার্ক।
পরবর্তীতে সৃষ্টি হয় "রমনা পার্ক"।

★ গোপীবাগঃ
গোপীনাগ নামক এক ধনী ব্যবসায়ী ছিলেন। নিজ খরচে "গোপীনাথ জিউর মন্দির" তৈরী করেন। পাশেই ছিলো হাজারো ফুলের বাগান "গোপীবাগ"।

★ টিকাটুলিঃ
হুক্কার প্রচলন ছিলো। হুক্কার টিকার কারখানা ছিলো যেথায় সেটাই "টিকাটুলি"।

★ তোপখানাঃ
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর গোলন্দাজ বাহিনীর অবস্থান ছিল এখানে।

★ পুরানা পল্টন, নয়া পল্টনঃ
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর ঢাকাস্থ সেনানিবাসে এক প্ল্যাটুন সেনাবাহিনী ছিল, প্ল্যাটুন থেকে নামকরন হয় পল্টন। পরবর্তীতে আগাখানিরা এই পল্টনকে দুইভাগে ভাগ করেন, নয়া পল্টন ছিল আবাসিক এলাকা আর পুরানো পল্টন ছিল বানিজ্যিক এলাকা।

★ বায়তুল মোকারম নামঃ
১৯৫০-৬০ দিকে প্রেসিডেন্ট আয়ুবের সরকারের পরিকল্পনা পুরানো ঢাকা-
নতুন ঢাকার যোগাযোগ রাস্তার। তাতে আগাখানীদের অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, আবাসিক বাড়িঘর চলে যায়।
আগাখানীদের নেতা আব্দুল লতিফ বাওয়ানী (বাওয়ানী জুট মিলের মালিক) সরকারকে প্রস্তাব দিলো, তারা নিজ খরচে এশিয়ার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ মসজিদ তৈরী করবে।
এটা একটা বিরাট পুকুর ছিল "পল্টন পুকুর",
এই পুকুরে একসময় ব্রিটিশ সৈন্যরা গোসল কোরতো। ১৯৬৮ সনে মসজিদ ও মার্কেট প্রতিষ্ঠিত হয়।

★ ধানমন্ডিঃ
এখানে এককালে বড় একটি হাট বোসতো। হাটটি ধান ও অন্যান্য শস্য বিক্রির জন্য বিখ্যাত ছিল।

★ পরীবাগঃ
পরীবানু নামে নবাব আহসানউল্লাহর এক মেয়ে ছিল। সম্ভবত পরীবানুর নামে এখানে একটি বড় বাগান করেছিলেন আহসানউল্লাহ।

★ পাগলাপুলঃ ১৭ শতকে এখানে একটি নদী ছিল,
নাম-পাগলা।
মীর জুমলা নদীর উপর সুন্দর একটি পুল তৈরি করেছিলেন।
অনেকেই সেই দৃষ্টিনন্দন পুল দেখতে আসত। সেখান থেকেই জায়গার নাম "পাগলাপুল"।

★ ফার্মগেটঃ
কৃষি উন্নয়ন, কৃষি ও পশুপালন গবেষণার জন্য বৃটিশ সরকার এখানে একটি ফার্ম বা খামার তৈরি করেছিল। সেই ফার্মের প্রধান ফটক বা গেট থেকে এলাকার নাম হোলো ফার্মগেট।

★ শ্যামলীঃ
১৯৫৭ সালে সমাজকর্মী আব্দুল গণি হায়দারসহ বেশ কিছু ব্যক্তি এ এলাকায় বাড়ি করেন। এখানে যেহেতু প্রচুর গাছপালা ছিল তাই সবাই মিলে আলোচনা করে এলাকার নাম রাখেন শ্যামলী।

★ সূত্রাপুরঃ
কাঠের কাজ যারা করতেন তাদের বলা হত সূত্রধর। এ এলাকায় এককালে অনেক শূত্রধর পরিবারের বসবাস ছিলো । সেই থেকেই জায়গার নাম হোলো সূত্রাপুর।
(সংগৃহীত)

আমাদের স্কুল কলেজের ইতিহাস বইয়ে হরম্পা মহেঞ্জদারো শহরের ইতিহাস থাকলেও ঢাকা শহরের ইতিহাস নেই অথছ হরম্পার থেকে ঢাকার ইতিহাস জানা বেশি জরুরি ছিলো আমাদের জন্য।

সমস্ত তথ্য সংগ্রহকৃত.....

বাদ যাওয়া এলাকা গুলো নিয়ে কাজ চলছে যথা সময়ে জানানো হবে।
Collected














Address

Dhanmondi
Dhaka
12

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:30

Telephone

+8801913440011

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Estate Solve posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Estate Solve:

Share

Category