Bengal Tower, Shantinagar, Dhaka

Bengal Tower, Shantinagar, Dhaka A residential tower where a community was created by the flat owners for there welfare & named " Bengal Tower Flat Owner's Co-operative Society".

05/12/2024
As-salamu alaykumDuring this Coronavirus pandemic there are many poor families who are suffering due to lack of food sup...
02/04/2020

As-salamu alaykum
During this Coronavirus pandemic there are many poor families who are suffering due to lack of food support in our area therefore I believe it is our duty to help these people out during this Coronavirus pandemic Alhamdulillah with our small amount of donation we have finally organised some food support for them,
Thanks to our bengal tower boys (BT boys) and some friends apart from bengol tower for taking such an good initiative during this Humanitarian crisis. In sha Allah this food items will be distributed by tonight. Please keep us on your prayers.
Thank you.

Bengol Tower security staff doing excellent job, please everyone wash your hands before entering the tower and help us t...
23/03/2020

Bengol Tower security staff doing excellent job, please everyone wash your hands before entering the tower and help us to protect our community and country.
May Allah bless us.

Stay home everyone.
23/03/2020

Stay home everyone.

আগামী মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে সারা দেশে সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে। তারা জেলা

28/11/2019

⭐️আমাদের_কেমন_করে_কথা_বলা_উচিত,কথা_বলার_
------------------আদব_শি‌খি_কুরআন_থেকে ।
১. কথা বলার পূর্বে সালাম দেয়া।
সূরা নূরঃ ২৪/৬১
২. সতর্কতার সাথে কথা বলা (কেননা প্রতিটি কথা রেকর্ড হয়) ক্বফঃ৫০/ ১৮
৩. সুন্দরভাবে ও উত্তমরূপে কথা বলা।
সূরা বাক্বারাহঃ ২/৮৩
৪. অনর্থক ও বাজে কথা পরিহার করা।
সূরা নূরঃ ২৪/৩
৫. কন্ঠস্বর নিচু করে কথা বলা।
সূরা লুকমানঃ ৩১/১৯ হুজুরাতঃ ৪৯/২ - ৩
৬. বুদ্ধি খাটিয়ে কথা বলা।
সূরা নামলঃ ৩৭/১২৫
৭. সঠিক কথা বলা ও পাপ মোচনের দোয়া উন্মুক্ত করা। সূরা আহযাবঃ ৩৩/৭১ - ৭২
৮. গাধার মত কর্কশ স্বরে কথা না বলা।
সূরা লুকমানঃ ৩১/১৯
৯. উত্তম কথা বলে শত্রুকেও বন্ধুতে পরিণত করা।
সূরা হা- মীম সাজদাহঃ৩২/৩৪
১০. উত্তম কথায় দাওয়াত দেয়া।
সূরা হা- মীম সাজদাহঃ৩২/৩৪
১১. ঈমানদারদের কথা ও কাজ এক হওয়া।
সূরা ছফঃ ৬১/২
১২. পরিবারের সদস্যদের প্রতি ক্ষমারনীতি অবলম্বন করা । সূরা আ'রাফঃ ৭/১৯৯
১৩. মেয়েরা পর পুরুষের সাথে আকর্ষণীয়ও কোমল ভাষায় কথা না বলা।
সূরা আহযাবঃ ৩৩/৩২
১৪.মূর্খ ও অজ্ঞদের সাধ্যমত এড়িয়ে চলা।
সূরা ফুরকানঃ ২৫/৬৩

⭐️সম্পূর্ন্য নামাজ অর্থ সহ:-------------------------------নিয়্যত: আপনার মন ❤️এবং মস্তিস্ক 🧠সম্পূর্ন ভাবে প্রস্তুত নির্দি...
27/11/2019

⭐️সম্পূর্ন্য নামাজ অর্থ সহ:
-------------------------------

নিয়্যত:
আপনার মন ❤️এবং মস্তিস্ক 🧠সম্পূর্ন ভাবে প্রস্তুত নির্দিষ্ট ওয়াক্তের ফরজ অথবা সুন্নাত সালাত আদায়ের জন্য এটাই হচ্ছে নিয়্যত।

তাকবীরে তাহরিমা:
আল্লাহু আকবার الله أكبر ( আল্লাহ তা’য়ালা সর্বশ্রেষ্ট )

সানা:
‎سُبْحَانَكَ اللّٰهُمِّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالٰى جَدُّكَ وَلَا إِلٰهِ غَيْرُكَ
সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাস্’মুকা ওয়া তায়া’লা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা।.
অর্থ : হে আল্লাহ ! তুমি পাক্ , তোমারই জন্য সমস্ত্ প্রশংসা, তোমার নাম পবিত্র এবং বরকতময়, তোমার গৌরব অতি উচ্চ্ , তুমি ছাড়া অন্য কেহ উপাস্য নাই ।

তাআউয:
‎أَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشِّيْطَانِ الرَّجِيْمِ
আউযু বিল্লাহি মিনাশ্ শাইত্বোনির রাজীম।
অর্থ: বিতারিত শয়তান হইতে,আল্লাহ তা’য়ালার আশ্রয় প্রার্থনা করিতেছি ।

তাসমিয়াহ্:
‎بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
বিসমিল্লাহির রহ্’মানির রহিম
অর্থ: শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুনাময়,অসীম দয়ালু।

সুরা ফাতিহা :
‎الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
যাবতীয় প্রশংশা আল্লাহ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা

‎الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ
যিনি নিতান্ত্ মেহেরবান ও দয়ালু

‎مَـالِكِ يَوْمِ الدِّينِ
যিনি বিচার দিনের মালিক

‎إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
আমরা শুধুমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি

‎اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ
আমাদের সরল পথ দেখাও

‎صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ
তাদের পথ যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয় যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে
+
অন্য আরেকটি সুরা

আল্লাহু আকবার الله أكبر ( আল্লাহ তা’য়ালা সর্বশ্রেষ্ট )

রুকুর তাসবীহ্:
‎سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيْم
সুবহানা রব্বিয়াল আযীম
(আমার মহান প্রভু পবিত্র)।

রুকু হইতে উঠিবার তাসবিহ্:
‎سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَه
সামিআল্লাহু লিমান হামিদা
(যে আল্লাহর প্রশংশা করে,আল্লাহ তা শোনেন)

রুকু হইতে উঠে সোজা হয়ে দাড়িয়ে পড়ার তাসবিহ্:
‎رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ
রব্বানা লাকাল হাম্’দ্
(হে আমাদের রব ! তোমার জন্যই সকল প্রশংসা)।

এর সাথেঃ حمْدًا كَثِيْرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيْهِ
হামদান্ কাছী-রান্ তাইয়্যেবাম্ মুবা-রাকান ফি-হ। (তোমার প্রশংসা অসংখ্য,উত্তম ও বরকতময়)

আল্লাহু আকবার الله أكبر ( আল্লাহ তা’য়ালা সর্বশ্রেষ্ট )

সিজদার তাসবিহ্:
‎سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلٰى
সুবহানা রব্বিয়াল আ’লা
(আমার সর্বোচ্চ প্রতিপালকের [আল্লাহর] প্রশংসা করছি।)।

আল্লাহু আকবার الله أكبر ( আল্লাহ তা’য়ালা সর্বশ্রেষ্ট )

সিজদা থেকে উঠে বসে তাসবিহ্ বা দুই সিজদার মাঝের দু’আ:
‎رَبِّغْفِرْلِيْ ، رَبِّغْفِرْلِيْ، رَبِّغْفِرْلِيْ
রব্বিগফিরলী-, রব্বিগফিরলী -, রব্বিগফিরলী ।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন।

তাছাড়া মহানবী ( সা:) এই দু’আ টিও পড়তেন-
‎اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِيٌ، وَارْحَمْنِيْ، وَاهْدِنِيْ، وَاجْبُرْنِيْ، وَعَافِنِيْ، وَارْزُقْنِيْ،
আল্লাহুম্মাগফিরলী-, ওয়ারহামনী-, ওয়াহদিনী-, ওয়াজবুরনী-, ওআ’ফিনী, ওয়ারযুকনী-, ওয়ার ফা’-নী ।
অর্থ: হে আল্লাহ্! আমাকে ক্ষমা কর, আমাকে রহম কর, আমাকে হেদায়াত দান কর, আমাকে সুস্থ্যতা দান কর, আমাকে রিযিক দান কর এবং আমার ক্ষয়ক্ষতি পূরণ কর।

তাশাহুদ( আত্তাহিয়্যাতু):
আরবী ও বাংলা উচ্চারণ এবং অর্থ:

‎التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ
আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াচ্ছালাওয়াতু ওয়াতত্বয়্যিবাতু,
অর্থ: সমস্ত তা’যীম, সমস্ত ভক্তি, নামায, সমস্ত পবিত্র ইবাদত বন্দেগী আল্লাহর জন্য ,আল্লাহর উদ্দেশ্য

‎ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ
আস্’সালামু আ’লাইকা আইয়্যুহান্নাবিয়্যু ওয়া রহ্’মাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ,
অর্থ: হে নবী! আপনাকে সালাম এবং আপনার উপর আল্লাহর অসীম রহমত ও বরকত,

‎السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ ،
আস্’সালামু আ’লাইনা ওয়া আলা ই’বা-দিল্লাহিছ্ ছ্বালিহীন,
অর্থ: আমাদের জন্য এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে শান্তি অবতীর্ন হোক,

‎ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ
আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু।
অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে এক আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নাই এবং মোহাম্মদ (স) আল্লাহর বান্দাহ ও রাসূল।

দরুদ শরীফ:
‎اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ
আল্লাহুম্মা ছাল্লি আ’লা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি মুহাম্মাদিন
অর্থ: হে আল্লাহ্! হযরত মোহাম্মদ (দঃ) এবং মোহাম্মদ (দঃ)-এর আওলাদগনের উপর তোমার খাস রহমত নাযিল কর,
‎كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ
কামা সাল্লাইতা আ’লা ইব্রাহীমা ওয়া আ’লা আলি ইব্রাহীমা
অর্থ: যেমন ইবরাহীম (আঃ) এবং ইবরাহীম (আঃ)-এর আওলাদগনের তোমার উপর খাস্ রহমত নাযিল করেছ,

‎إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ
উচ্চারণ: ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ।
অর্থ: নিশ্চয়ই তুমি প্রসংশার যোগ্য এবং সর্বোচ্চ্ সম্মানের অধিকারী।
‎اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা বারিক আ’লা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি মুহাম্মাদিন
অর্থ : হে আল্লাহ্! হযরত মোহাম্মদ (দঃ) এবং মোহাম্মদ (দঃ)-এর আওলাদগনের উপর তোমার খাস বরকত নাযিল কর,
‎كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ
কামা বারাক্’তা আ’লা ইব্রাহীমা ওয়া আ’লা আলি ইব্রাহীমা
অর্থ: যেমন ইবরাহীম (আঃ) এবং ইবরাহীম (আঃ)-এর আওলাদগনের তোমাূর উপর খাস্ বরকত নাযিল করেছ,
‎ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ
ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ
অর্থ: নিশ্চয়ই তুমি প্রসংশার যোগ্য এবং সর্বোচ্চ সম্মানের অধিকারী

দোয়া মাছুরাঃ
‎اَللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْماً كَثِيراً ،
আল্লাহুম্মা ইন্নি যালামতু নাফসি যুলমান কাছ্বীরাও
অর্থঃ হে আল্লাহ, আমি আমার নিজের উপর অনেক বেশী যুলুম করেছি,
‎ وَلاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ.
উচ্চারণ: ওয়ালা ইয়াগফিরুদ্বুনুবা ইল্লা আনতা
অর্থ: আর তুমি ছাড়া আমার গুনাসমুহ আর কেহই মাফ করতে পারে না;
‎فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِي،
উচ্চারণ: ফাগফিরলী মাগফিরাতাম্ মিন ইনদিকা ওয়ারহামনী,
অর্থ: সুতরাং তুমি তোমার নিজ গুনে আমাকে মার্জনা করে দাও এবং আমার প্রতি রহম কর।
‎ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ
ইন্নাকা আন্তাল গাফুরুর রাহীম
তুমিতো মার্জনাকারী ও দয়ালু

তারপর সালাম ফিরিয়ে সমাপ্ত।

27/11/2019

⭐️রেফারেন্স সহ দোয়া কবুলের ২৮ টি স্থান বা ক্ষেত্র বা পাত্র, বিভিন্ন হাদিস দ্বারা জানা যায় সেইগুলি হলোঃ--
=====================
১) অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্য দুয়া (কোন মুসলিমের পিছনে বা অগোচরে অন্য মুসলিমের দুয়া)।(মুসলিম ৬৮২২)
২) জালিমের বিরুদ্ধে মাজলুম ব্যক্তির দুয়া।(জামে আত তিরমীযি ৩৪৪৮)
৩) বাবা তার সন্তানের জন্য দুয়া (নেক দুয়া বা বদ দুয়া)
((তিরমীযি ৩৪৪৮))
৪) নেককার সন্তানের দুয়া (তার বাবা মায়ের জন্য তাদের মৃত্যুর পর)( আবু দাউদ ২৮৮০)
৬) আরাফাতের ময়দানে দুয়া।(তিরমীযি ৩৫৮৫)
৬) বিপদগ্রস্ত অসহায় ব্যক্তির দুআ (সূরা নামাল ৬২,৫৭ ও সূরা ইসরার ৬৭ নাম্বারর আয়াত)
৭) সেজদায় দুয়া।(নাসায়ী ১০৪৫)
৮) হজ্জের স্থানসমূহে দুয়া (যেমন: আরাফা, মুজদালিফা, মিনা...)(ইবনে মাজাহ২৮৯২)
০৯) হাজ্জীর দুয়া (হজ্জ করা অবস্থায়)।(ইবনে মাজাহ২৮৯৩)
১০) উমরাহকারীর দুয়া (উমরাহ করার সময়)।(নাসায়ী ২৬২৫
১১) আযানের পর দুয়া।(তিরমীযি ২১০)
১২) যুদ্ধ চলাকালীন সময় দুয়া।(আবু দাউদ২৫৪০)
১৩) বৃষ্টি বর্ষণকালে দুয়া।(আবু দাউদ ২৫৪০)
১৪) শেষ রাতের দুয়া,তাহাজ্জুদ(বুখারী ১১৪৫)
১৫) জুম্মার দিনে দুয়া,,আছরের শেষ দিকে তালাশ করার জন্য নির্দেশ আছে।(নাসায়ী১৩৮৯)
১৬) লাইলাতুল কদর এর দুয়া।(বুখারী ও মুসলিম)
১৭) আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময় দুয়া।(আহমাদ ১৪৬৮৯)মুসলিম ৬৬৮
১৮)ফরয স্বলাতের শেষ অংশে দুয়া( সালাম ফিরানোর আগে)।(রিয়াদুস স্বালেহিন ১৫০৮,তিরমিযি ৩৪৯৯)
১৯) মুসাফির ব্যক্তির দুয়া (সফর অবস্থায়)।(তিরমী
যি ৩৪৪৮)
২০) রোজাদার ব্যক্তির দুয়া (রোজা অবস্থায়)।(ইবনে মাজাহ ১৭৫২)
২১) ন্যায়পরায়ণ শাসকের দুয়া।(তিরমীযি ২৫২৬)
২৩) দুয়া ইউনুস পাঠ করে দুয়া করলে কবুল হয়।(তিরমিযি৩৫০৫)
২৪) ইসমে আযম পড়ে দুয়া করলে কবুল হয়।(ইবনে মাজাহ ৩৮৫৬)
২৫) বিপদে পতিত হলে যে দুয়া পড়া হয়(ইন্না লিল্লহাই......রাজিউন)
এবং
(আল্লা-হুম্মা আজিরনি ফি মুসিবাতি ওয়া ওয়াখলিফলী খয়রাম মিনহা...) তখন দুয়া কবুল হয়।(মিশকাতুল মাসীবাহ ১৬১৮,মুসলিম ৯১৮)
২৬) জমজমের পানি পান করার পর দুয়া।(ইবনে মাজাহ ৩০৬২,আহমদ ৩/৩৫৭)
২৭, নির্যাতিতের দুয়া (তিরমিযি৩৪৪৮)
২৮,দু হাত তুলে দোয়া করা,আল্লাহ বান্দার খালি হাত ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন(আবু দাউদ ১৪৮৮)
_________
(বিস্তারিত জানতে উপরের রেফারেন্স এর হাদিস গুলো পাঠ করূন)

⭐️গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)অধ্যায়ঃ ৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب)হাদিস নম্বরঃ ৪৮৪৮ ২৬. দৃষ্টিকটুকভাবে বসা ৪৮৪৮। আমর...
06/11/2019

⭐️গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب)
হাদিস নম্বরঃ ৪৮৪৮


২৬. দৃষ্টিকটুকভাবে বসা

৪৮৪৮। আমর ইবনুস শারীদ (রহঃ) থেকে তার পিতা শারীদ ইবনু সুওয়াইদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন আমি আমার বাম হাত পিঠে নিয়ে তার পাতার উপর বসেছিলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি কি তাদের মতো বসছো, যারা অভিশপ্ত।[1]

সহীহ।

'Amr b. al-Sharid quoted his father al-Sharid b. Suwaid as saying: The Messenger of Allah (ﷺ) came upon me when I was sitting thus: having my left hand behind my back and leaning on the fleshy part of it, and said: Are you sitting in the manner of those with whom Allah is angry? بَابٌ فِي الْجِلْسَةِ الْمَكْرُوهَةِ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ بَحْرٍ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الشَّرِيدِ، عَنْ أَبِيهِ الشَّرِيدِ بْنِ سُوَيْدٍ، قَالَ: مَرَّ بِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا جَالِسٌ هَكَذَا، وَقَدْ وَضَعْتُ يَدِيَ الْيُسْرَى خَلْفَ ظَهْرِي وَاتَّكَأْتُ عَلَى أَلْيَةِ يَدِي، فَقَالَ: أَتَقْعُدُ قِعْدَةَ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ؟ صحيح [1]. আহমাদ, বায়হাক্বী। Link: http://www.hadithbd.com/share.php?hid=62216

Address

72 Shantinagar
Dhaka
1217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bengal Tower, Shantinagar, Dhaka posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share