BhiteBari

BhiteBari It's your home. 2016 to Present: Story Teller.
2018 to Present: Interior Decoration.
2023 to Present: Agro, Real Estate, Transport.
(626)

টিউশনিতে নাস্তা খাইতে দিছে 😑
18/08/2026

টিউশনিতে নাস্তা খাইতে দিছে 😑

17/08/2026
Bhai ki Shadi ❤️
01/08/2026

Bhai ki Shadi ❤️

১৯৭৮ সালে চীনের মাথাপিছু আয় ছিল ১৫৭ ডলার, বাংলাদেশের ছিল ১৫৮ ডলার 🔥তারপর…..১৯৭৮ সালের ডিসেম্বর মাসে চীন সরকার জনগণের কমি...
31/07/2026

১৯৭৮ সালে চীনের মাথাপিছু আয় ছিল ১৫৭ ডলার, বাংলাদেশের ছিল ১৫৮ ডলার 🔥

তারপর…..

১৯৭৮ সালের ডিসেম্বর মাসে চীন সরকার জনগণের কমিউন ব্যবস্থা ধীরে ধীরে বাতিল করার সিদ্ধান্ত হয়।

কমিউন ব্যবস্থা ছিল মাও সেতুং-এর সময় চালু করা একটি সমষ্টিগত কৃষি ও সামাজিক ব্যবস্থা, যেখানে সব কৃষক মিলে একই জমিতে কাজ করত।

সব জমি ছিল সরকার বা কমিউনের, কারো ব্যক্তিগত জমি ছিল না।

কে কোন জমিতে কাজ করবে, কী ফসল হবে—এসব সিদ্ধান্ত কমিউনের নেতারা নিতেন।

উৎপাদিত ফসল কমিউনের গুদামে জমা হতো, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কৃষকদের মাঝে খাদ্য ও আয় বণ্টন করা হতো।

এ পদ্ধতি চালুর কারণ ছিল, মাও সেতুং বিশ্বাস করতেন—ব্যক্তিগত লাভের চিন্তা না করে সবাই দেশের জন্য কাজ করবে। একসাথে উৎপাদন করলে মোট উৎপাদন বাড়াবে।

কিন্তু, বাস্তবে দেখা গেল—

❌ কৃষকদের বেশি উৎপাদনের ব্যক্তিগত উৎসাহ ছিল না।

❌ সবাই একই রকম সুবিধা পাওয়ায় কৃষকদের মাঝে পরিশ্রমের আগ্রহ কমে যায়।

❌ অনেক স্থানীয় কর্মকর্তা উৎপাদনের তথ্য অতিরঞ্জিত করে সরকারের কাছে পাঠাতেন।

❌ সরকার সেই ভুল তথ্যের ভিত্তিতে অতিরিক্ত খাদ্য সংগ্রহ করত।

ফলে গ্রামে গ্রামে খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দেয়।

১৯৫৯–১৯৬১ সালে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। সেই দুর্ভিক্ষে ১.৫–৪.৫ কোটি মানুষ মারা যায়।

এ ঘটনার পর ১৯৭৮ সালে দেং শিয়াওপিং উপলব্ধি করেন, যে কৃষক নিজের পরিশ্রমের ফল ভোগ করতে পারে না, তার উৎপাদন বাড়ানোর আগ্রহও কম থাকে।

তাই তিনি Household Responsibility System চালু করেন।

এর ফলে—জমির মালিক রাষ্ট্রই থাকে, কিন্তু কৃষক পরিবারকে দীর্ঘমেয়াদে জমি চাষের অধিকার দেওয়া হয়।

সরকারকে নির্ধারিত অংশ দেওয়ার পর অতিরিক্ত উৎপাদিত ফসল কৃষক নিজে বাজারে বিক্রি করতে পারে।

অর্থাৎ, যত বেশি উৎপাদন, তত বেশি আয়—এই চিন্তা কৃষকদের মাথায় ঢুকে ।

ফলে, মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই কৃষি উৎপাদন প্রায় ৫০% বৃদ্ধি পায়, যা চীনের অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রথম বড় সাফল্য হিসেবে ধরা হয়।

এভাবে কমিউন ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়….

🔥 এরপর ১৯৮০ সালে দেশটিতে শেনজেনসহ ৪টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হয়।

এখানে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কর ছাড়, সহজ ব্যবসার পরিবেশ এবং উন্নত অবকাঠামো দেওয়া হয়।

ফলে হাজার হাজার বিদেশি প্রতিষ্ঠান চীনে কারখানা স্থাপন করে।

খেলনা, পোশাক, ইলেকট্রনিক্স থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে উচ্চপ্রযুক্তি পণ্য উৎপাদন শুরু হয়।

এভাবেই চীন হয়ে উঠে বিশ্বের কারখানা 🔥

১৯৯০ এর দশকে দেশটিতে হাজার হাজার কিমি মহাসড়ক নির্মাণ, গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরি, বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাপক বিনিয়োগ, শিল্পাঞ্চল ও নতুন শহর গড়ে তোলা হয়।

ফলে Apple, Samsung, Dell, HP, Sony-সহ বিশ্বের বড় বড় কোম্পানি চীনে উৎপাদন শুরু করে।

রপ্তানি দ্রুত বাড়তে থাকে এবং কোটি কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। দেশের অর্থনীতির লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে।

চীন বুঝেছিল, শিল্পায়নের জন্য শুধু কারখানা নয়—রাস্তা, রেল, বন্দর ও বিদ্যুৎ সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে দেশটিতে ৪৮,০০০ কিমির বেশি উচ্চগতির রেলপথ রয়েছে। রয়েছে ১,৮০,০০০ কিমির বেশি এক্সপ্রেসওয়ে। আর বিশ্বের ব্যস্ততম ১০টি কনটেইনার বন্দরের মধ্যে ৭টি রয়েছে চীনে।

২০১২ সালে শি জিনপিং ক্ষমতায় এসে ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু করেন 🔥

তিনি Tiger and Flies নীতি গ্রহণ করেন।

এ নীতি অনুযায়ী শুধু ছোট কর্মকর্তা নয়; দূর্নীতি করলে মন্ত্রী, জেনারেল, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এক দশকে লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মকর্তা শাস্তি, বরখাস্ত বা তদন্তের আওতায় এসেছে; এর মধ্যে হাজার হাজার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও ছিলেন।

সরকারি ক্রয়, কর আদায়, কাস্টমস ও প্রশাসনের অনেক সেবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা হয়, ফলে ঘুষ ও অনিয়মের সুযোগ কমে।

বড় ধরনের দুর্নীতির মামলায় অনেক কর্মকর্তাকে আজীবন কারাদণ্ড, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে, যা অন্য কর্মকর্তাদের জন্য শক্ত বার্তা হিসেবে কাজ করেছে।

ফলে, ব্যবসায়ীদের আস্থা বৃদ্ধি পায়। বড় সরকারি প্রকল্পে অর্থ অপচয় ও অনিয়ম কমে আসে। বিদেশি বিনিয়োগ আরও বাড়ে।

🔥 আজকের চীন…

✅ বিশ্বের ২য় বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। GDP প্রায় ২০ ট্রিলিয়ন ডলার। মাথাপিছু আয় প্রায় ১৩,৫০০ ডলার। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি।

✅ অর্থনৈতিক ও সামরিক দিক দিয়ে আমেরিকা যদি কাউকে পরোয়া করে সেটা হলো চীন।

✅ দেশটিতে প্রতিবছর শত শত কিলোমিটার নতুন রেলপথ ও মহাসড়ক যুক্ত হচ্ছে।

✅ ১৯৭৮ সালে যেখানে শহরে বাস করত মাত্র ১৮% মানুষ, বর্তমানে ৬৭% এরও বেশি মানুষ শহরে বাস করছে।

✅ ১৯৮১ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ৮০ কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছে।

✅ সাক্ষরতার হার এখন ৯৭% এর বেশি।

✅ গবেষণা ও উন্নয়নে (R&D) বার্ষিক ব্যয় প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলার যা বাংলাদেশের জিডিপির সমান।

✅ বৈদ্যুতিক গাড়ি (EV) উৎপাদনে বিশ্বের ১ নম্বর দেশ।

মাত্র ৪০–৪৫ বছর লেগেছে….

আজকে চীন কোথায় আর বাংলাদেশ কোথায়! বাংলাদেশের গল্প না-ই-বা বল্লাম, আপনারা সবই জানেন 🤷‍♂️🇧🇩

30/07/2026

একটা সময় আমি ভাবতাম...

আমার জীবনে সময়ের খুব অভাব।

ইচ্ছা ছিল অনেক কিছু করার।

নতুন কিছু শিখবো।
পরিবারকে সময় দিবো।
বেশি ইবাদত করবো।
বই পড়বো।
নিজের স্বপ্নের জন্য কাজ করবো।

কিন্তু দিন শেষে মনে হতো...

"আজও কিছুই করা হলো না।"

মজার ব্যাপার হলো, আমি কখনো অলস ছিলাম না।

সারাদিনই ব্যস্ত থাকতাম।

কিন্তু ব্যস্ত আর প্রোডাক্টিভ, এই দুইটা যে এক জিনিস না, সেটা বুঝতে আমার অনেক সময় লেগেছে।

একদিন আমি বসে হিসাব করলাম।

সত্যি করে বলুন তো...

আমরা কি আসলেই এত ব্যস্ত?

নাকি আমাদের মনটাই সারাদিন ছুটে বেড়ায়?

একটু কাজ।

তারপর ফোন।

আবার কাজ।

আবার একটা নোটিফিকেশন।

তারপর ভাবলাম, যেহেতু ফোন হাতে নিয়েছি, একটু Facebook দেখি।

Facebook থেকে YouTube।

YouTube থেকে আরেকটা ভিডিও।

তারপর হঠাৎ মনে হলো, আমি তো একটা কাজ করছিলাম...

কিন্তু তখন আর সেই মনটা থাকে না।

আবার নতুন করে শুরু করতে হয়।

এই নতুন করে শুরু করাটাই আমাদের সবচেয়ে বড় ক্লান্তি।

একটা গাড়িকে যদি প্রতি এক মিনিট পরপর বন্ধ করে আবার স্টার্ট দেন, সে কি কখনো গতি পাবে?

আমাদের মস্তিষ্কও ঠিক তেমন।

হঠাৎ একদিন একটা কথা শুনেছিলাম।

"সময় বাড়ানো যায় না, কিন্তু সময়ের প্রস্থ বাড়ানো যায়।"

প্রথমে কিছুই বুঝিনি।

পরে বুঝলাম...

এক ঘণ্টা সবার কাছেই এক ঘণ্টা।

কিন্তু এক ঘণ্টা সবার কাছে সমান মূল্যবান না।

কারও এক ঘণ্টায় একটা কাজও হয় না।

আবার কেউ সেই এক ঘণ্টায় এমন কাজ করে, যেটা দেখে মনে হয় ওর দিনটা ২৪ ঘণ্টার না।

পার্থক্যটা সময়ের না।

পার্থক্যটা মনোযোগের।

আরেকটা জিনিস যেদিন বুঝলাম, সেদিন একটু ভয়ও পেয়েছিলাম।

আমরা প্রায়ই বলি,

"আমি একটু Facebook ব্যবহার করি।"

আসলে কি তাই?

ভেবে দেখেছেন...

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বড় কোম্পানি আপনাকে কোটি কোটি টাকার সফটওয়্যার একদম ফ্রি ব্যবহার করতে দিচ্ছে কেন?

কারণ তারা আপনাকে কিছু বিক্রি করছে না।

তারা আপনার সময় কিনছে।

আপনার মনোযোগ কিনছে।

আপনার জীবনের ছোট ছোট মুহূর্তগুলো কিনছে।

আমরা ভাবি,

"মাত্র পাঁচ মিনিট।"

কিন্তু এই পাঁচ মিনিটই দিনে কয়েক ঘণ্টা হয়ে যায়।

তারপর কয়েক বছর।

একসময় বুঝতে পারি...

স্বপ্নগুলো মরেনি।

সময়টাই নষ্ট হয়ে গেছে।

আর সবচেয়ে কষ্টের কথা কী জানেন?

আমরা বিদ্যুৎ অপচয় হলে খারাপ লাগে।

পানি অপচয় হলে খারাপ লাগে।

কিন্তু নিজের জীবন অপচয় হলে, সেটাকে স্বাভাবিক মনে হয়।

যে সময়টা চলে গেল, সেটা পৃথিবীর কোনো মানুষ আর ফিরিয়ে দিতে পারবে না।

টাকা হারালে আবার আয় করা যায়।

স্বাস্থ্য হারালে অনেক সময় ফিরে পাওয়া যায়।

কিন্তু সময়...

এটা একবার চলে গেলে, চিরদিনের জন্য চলে যায়।

আরেকটা জিনিস আমি খুব দেরিতে শিখেছি।

আমার পরিবার আমার কাছ থেকে বেশি সময় চায় না।

তারা চায়, আমি যখন তাদের সামনে থাকি, তখন যেন সত্যিই তাদের সাথেই থাকি।

ফোনের সাথে না।

নোটিফিকেশনের সাথে না।

অন্য কারও সাথে না।

শুধু তাদের সাথে।

হয়তো ২০ মিনিট।

কিন্তু পুরো মনোযোগ দিয়ে।

জীবন বদলানোর জন্য অনেক বড় কোনো গোপন রহস্য লাগে না।

ছোট ছোট কিছু সিদ্ধান্তই যথেষ্ট।

ফোনটা একটু দূরে রাখা।

এক সময়ে একটা কাজ করা।

অকারণে স্ক্রল না করা।

নিজের মনকে মাঝে মাঝে "না" বলতে শেখানো।

হয়তো এটাই আত্মনিয়ন্ত্রণ।

আর আত্মনিয়ন্ত্রণ ছাড়া প্রোডাক্টিভ হওয়া সম্ভব না।

আজ রাতে ঘুমানোর আগে শুধু একটা প্রশ্ন নিজেকে করবেন।

আমি কি সত্যিই সময়ের অভাবে পিছিয়ে আছি?

নাকি আমি আমার মনোযোগ হারিয়ে ফেলেছি?

কারণ সফল মানুষদের কাছে ২৫ ঘণ্টার দিন থাকে না।

তাদের কাছেও ২৪ ঘণ্টাই থাকে।

তারা শুধু জানে...

কোন জিনিসে নিজের জীবন দিতে হবে,
আর কোন জিনিস থেকে নিজের জীবন বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

আল্লাহ আমাদের এমন জীবন দান করুন, যেখানে প্রতিটি দিন শুধু ব্যস্ততায় নয়, বরং অর্থপূর্ণ কাজে কাটে।

আমীন।

কথাগুলো সোহাগ ভাইয়ের রিসেন্ট ভিডিও থেকে নেওয়া।

🇪🇸 সাইনজ: "আমরা আর্জেন্টিনাকে হারাব, কারণ সত্যিকারের ফুটবল তো আমরাই খেলি।"🇪🇸 আলোনসো: "ইংল্যান্ডকে নিয়েই আমার বেশি ভয় ছ...
19/07/2026

🇪🇸 সাইনজ: "আমরা আর্জেন্টিনাকে হারাব, কারণ সত্যিকারের ফুটবল তো আমরাই খেলি।"

🇪🇸 আলোনসো: "ইংল্যান্ডকে নিয়েই আমার বেশি ভয় ছিল। আমাদের কাছে আর্জেন্টিনা তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ।"

🇪🇸 ইকার কাসিয়াস: "আর্জেন্টিনার চতুর্থ তারকা আর আসছে না! এবার আমরা আমাদের দ্বিতীয় তারকা জিতব।"

🇪🇸 এদু আগিরে: "স্পেন আর্জেন্টিনার চেয়ে দুই ধাপ এগিয়ে। আমি মন থেকে এটাই বিশ্বাস করি।"

🇪🇸 হোয়ান লাপোর্তা: "বিশ্বকাপের ফাইনাল জিতবে স্পেন। কারণ আমাদের দলই বেশি শক্তিশালী।"

19/07/2026

ফাইনালে গেলে অনেক টেনশন হয়, এইটা আপনারা বুঝবেন না।

কারণ, বুদ্ধি হওয়ার পর তো আপনারা ফাইনালে যান নাই 😂😂

Address

Uttara
Dhaka
1230

Telephone

+8801520080608

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BhiteBari posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BhiteBari:

Shortcuts

Share