Ensure Homes

Ensure Homes "ENSURE HOMES is a Real Estate Developer company based in Dhaka, Bangladesh, which was founded in 20

বাড়ি নির্মাণ করছেন বা করবেন? এই পোষ্ট অবশ্যয় টাইমলানে রেখে দিন  নির্মাণ কাজে সহযোগী হবে আপনার বাড়িটা যেন শুধু মাত্র মাথ...
26/06/2024

বাড়ি নির্মাণ করছেন বা করবেন?
এই পোষ্ট অবশ্যয় টাইমলানে রেখে দিন নির্মাণ কাজে সহযোগী হবে
আপনার বাড়িটা যেন শুধু মাত্র মাথা গোজার স্থান না হয়। আপনার বাড়ি করতে হবে ভেবে চিন্তে প্রকৌশলীর পরামর্শে। বাড়ি করার পূর্বে মূল শর্ত হলো প্ল্যানিং। প্ল্যান করে বাড়ি করা হলে আপনি আপনার জমির সঠিক মূল্যায়ন করতে পারবেন ।

বাড়ি করার ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে।

* বিভিন্ন রুমের আদর্শ এবং সর্বনিম্ন মাপ
* রুমের অবস্থান
* সৌন্দর্য
* পর্যাপ্ত আলো বাতাস এর সুব্যাবস্থা
* নিরাপত্তা
* ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
* আপনার এলাকার নিয়ম অনুযায়ী কতটুকু জমি ছেড়ে বাড়ি করতে হবে , তার পরিমাণ ।
★★ রুমে মাপ এবং অবস্থানঃ

#বেড_রুম :
বেড রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত ১০ ফিট বাই ১২ ফিট।
~অবস্থান : যেদিকে সর্বোচ্চ ন্যাচারাল গিফট পাওয়া যাবে অর্থাৎ পর্যাপ্ত আলো বাতাস যেদিকে পাওয়া যায়। যেনো ব্যালকনি তে বসলেই ভেসে আসে দখিনা বাতাস । তবে সাধারণত একটা বিল্ডিং এর কর্ণার সাইডে বেড রুম দেওয়া হয় । এক বেড রুম থেকে আরেক বেড রুমের দূরত্ব বা অবস্থান এমন হবে যেন সম্পূর্ণ প্রাইভেসি বজায় থাকে। অর্থাৎ এক রুমের থেকে অন্য রুমের ভ্যান্তরীন দৃশ্য সহজেই দৃষ্টি-গোচর হবে না ।
#গেষ্ট_রুম :
গেস্ট রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই নয় ফিট
~অবস্থান : সিঁড়ির কাছাকাছি ।
#ডায়নিং :
ডায়নিং রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই দশ ফিট
~অবস্থান :রান্না ঘরের পাশে হলে ভাল হয় ।
#বাথরুম_টয়লেট :
বাথ রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত
ছয় ফিট বাই চার ফিট ।
~অবস্থান :
কমন বাথরুম হলে সবাই যাতে সহজেই ব্যাবহার করতে পারে এমন স্থানে ।
টয়লেটে অবশ্যই এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করবেন । এটা এয়ার ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে টয়লেটের দূর্গন্ধ দূর করার পাশাপাশি আপনার টয়লেট এর ফ্লোর শুকনা রাখবে ।
#কিচেন :
কিচেন রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই সাত ফিট
~অবস্থান :
কিচেনে রান্নার সময় রান্নার গ্যাস বা ধোয়া যেন অন্য রুমে প্রবেশ না করতে পারে ।
রান্না ঘরের পরিবেশ ফ্রেস রাখার জন্য, কিচেনেও এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করা উচিত ।
#ব্যালকনি :
চওড়া তিন ফিটের কম নয় ।
#সিড়ি :
আট ফিট চওড়া হলে ভাল হয় অবস্থান : মেইন রাস্তার পাশে অথবা রাস্তা থেকে সর্বনিম্ন দূরত্বে।

ঢাকায় ২৩ বছরে ফ্ল্যাটের দাম কত গুণ বেড়েছে জানেন?=================================২০০০ সালে মিরপুরে প্রতি বর্গফুট ফ্ল্যাট...
27/03/2024

ঢাকায় ২৩ বছরে ফ্ল্যাটের দাম কত গুণ বেড়েছে জানেন?
=================================

২০০০ সালে মিরপুরে প্রতি বর্গফুট ফ্ল্যাটের গড় দাম ছিল ১ হাজার ৫০০ টাকা। গত ২৩ বছরে এই এলাকার ফ্ল্যাটের দাম কমপক্ষে ৪ দশমিক ৬ গুণ বেড়েছে। এখন মিরপুরে প্রতি বর্গফুট ৭ হাজার টাকার নিচে ফ্ল্যাট পাওয়া কঠিন। এই এলাকায় প্রতি বর্গফুট ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে ফ্ল্যাট বিক্রি করছে বেশ কিছু আবাসন প্রতিষ্ঠান।

মিরপুরের মতো রাজধানীর সব এলাকার ফ্ল্যাটের দামই গত ২৩ বছরে কয়েক গুণ পর্যন্ত বেড়েছে। অবশ্য মিরপুরের চেয়ে ফ্ল্যাটের দাম বেশি বেড়েছে বারিধারা, গুলশান, ধানমন্ডি, বনানী ও লালমাটিয়া এলাকার।

ফ্ল্যাটের উচ্চ মূল্যের জন্য মানুষের চাহিদার তুলনায় জোগান কম থাকা, নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি এবং জমির আকাশছোঁয়া দামকে সামনে আনেন আবাসন খাতের ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলেন, যেসব এলাকায় নাগরিক সুযোগ–সুবিধা ভালো, সেসব এলাকায় ফ্ল্যাটের চাহিদা বেশি। যেমন মেট্রোরেল চালু হওয়ার পর মিরপুরে ফ্ল্যাটের চাহিদা বেড়েছে। তাতে ফ্ল্যাটের দামও বাড়ছে।

ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফ্ল্যাট নির্মিত হয়েছে ধানমন্ডি, গুলশান, বনানী, বারিধারা, লালমাটিয়া, মিরপুর, উত্তরা, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, কলাবাগান, শান্তিনগর, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগ, মণিপুরিপাড়া, গ্রিন রোড, এলিফ্যান্ট রোড ও সেগুনবাগিচায়।

আবাসন প্রতিষ্ঠান শেল্‌টেকের গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৯০ সালে ঢাকায় ফ্ল্যাটের প্রতি বর্গফুটের গড় দাম ছিল ১ হাজার ৬৯২। ১০ বছর পর গড় দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৯ টাকা। ২০১০ সালে গড় দাম দাঁড়ায় সাড়ে ১০ হাজার টাকা। তারপর চাহিদার তুলনায় ফ্ল্যাটের জোগান বেশি হওয়ায় দাম কমে যায়। ফলে ২০১৫ সালে ঢাকায় ফ্ল্যাটের গড় দাম ছিল ৯ হাজার ৯১ টাকা।

২০০০ সালে গুলশানের ফ্ল্যাটের গড় দাম ছিল সবচেয়ে বেশি, ২ হাজার ৪৫০ টাকা। বর্তমানে অভিজাত এই এলাকার প্রতি বর্গফুট ফ্ল্যাট বিক্রি হচ্ছে ১৮ হাজার থেকে ৩৬ হাজার টাকায়। তার মানে গত ২৩ বছরে গুলশানে ফ্ল্যাটের দাম কমপক্ষে ৭ দশমিক ৩৪ গুণ বেড়েছে। সড়ক ও আবাসন প্রতিষ্ঠানভেদে ফ্ল্যাটের দাম কমবেশি হয়ে থাকে। দক্ষিণ গুলশানের তুলনায় উত্তর গুলশানের ফ্ল্যাটের দাম বেশি বলে জানালেন আবাসন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

গুলশানের পর ধানমন্ডি ও লালমাটিয়ার ফ্ল্যাটের গড় দাম ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ, ২ হাজার ৪০০ টাকা। বর্তমানে ধানমন্ডি এলাকায় প্রতি বর্গফুট ফ্ল্যাট বিক্রি হচ্ছে ১৮ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকায়। আর লালমাটিয়ায় দাম ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা। তার মানে গত ২৩ বছরে ধানমন্ডিতে সাড়ে ৭ গুণ এবং লালমাটিয়ায় সোয়া ৬
গুণ বেড়েছে।

বারিধারায় বর্তমানে প্রতি বর্গফুট ২২ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকায় ফ্ল্যাট বিক্রি হচ্ছে। ২০০০ সালেও অভিজাত এই এলাকাটিতে এই দাম ছিল ২ হাজার ১৫০ টাকা। তার মানে বারিধারায় গত ২৩ বছরে ফ্ল্যাটের দাম বেড়েছে কমপক্ষে ১০ গুণ।

আরেক অভিজাত এলাকা বনানীতে ২০০০ সালে ফ্ল্যাটের দাম প্রতি বর্গফুট ছিল গড়ে ২ হাজার ২০০ টাকা। এখন এই এলাকায় ফ্ল্যাট কিনতে প্রতি বর্গফুটে ১৫ হাজার থেকে ১৯ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হবে। অন্যদিকে ২০০০ সালে কলাবাগানে প্রতি বর্গফুট ফ্ল্যাটের দাম ছিল ২ হাজার ২৫০ টাকা। এখন দাম বেড়ে হয়েছে ১০ হাজার থেকে ১৪ হাজার টাকা।

ভবনের সামনে প্রশস্ত সড়ক আর খোলামেলা পরিবেশ আকর্ষণ করে ক্রেতাদের ভবনের সামনে প্রশস্ত সড়ক আর খোলামেলা পরিবেশ আকর্ষণ করে ক্রেতাদেরছবি: কবির হোসেন
এ ছাড়া শান্তিনগরে ফ্ল্যাটের দাম প্রতি বর্গফুট ১০ হাজার থেকে ১৩ হাজার ৫০০ টাকা। মোহাম্মদপুরে ৮ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকায়, শ্যামলীতে ৭ হাজার থেকে ১৪ হাজার টাকায় এবং উত্তরায় ৭ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২৩ বছর আগে এসব এলাকায় ফ্ল্যাটের দাম প্রতি বর্গফুট ছিল ২ হাজার টাকা বা
এর কম।

বৈশ্বিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান রিসার্চ ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের এক গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বাংলাদেশের আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাব জানায়, ২০১০ থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৩ বছরে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০ ফ্ল্যাট তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৭ শতাংশ বা ২২ হাজার ৮৭৬টি অ্যাপার্টমেন্ট নির্মিত হয়েছে গুলশানে।

সবচেয়ে বেশি ফ্ল্যাট নির্মাণের দিক থেকে গুলশানের পরের অবস্থানে রয়েছে ধানমন্ডি, সেখানে তৈরি হয়েছে ১৭ হাজার ৪৯৪টি ফ্ল্যাট। এরপর যথাক্রমে মোহাম্মদপুরে ১৪ হাজার ৮০২টি, মিরপুরে ১২ হাজার ১১১টি, বনানীতে ৮ হাজার ৭৪টি এবং উত্তরায় ৬ হাজার ৭২৮টি অ্যাপার্টমেন্ট নির্মিত হয়েছে।

লেখাটি বর্ণিল বসত (জানুয়ারি ২০২৪) ম্যাগাজিনে প্রকাশিত..

🌙 Eid Mubarak 🌙
22/04/2023

🌙 Eid Mubarak 🌙

Let’s learn the basic essence of sacrifice and celebrate this Eid by sacrificing our egos! This Eid, may Allah bless you...
20/07/2021

Let’s learn the basic essence of sacrifice and celebrate this Eid by sacrificing our egos! This Eid, may Allah bless you with good health and happiness.

Eid Ul Adha Mubarak.

🌈বাড়ী বা বিল্ডিং তৈরীর যাবতীয় বিষয় ও সূত্র জানুন🌈               ♦নির্মাণ কাজের পর্যায়ক্রমিক ধাপ♦বাড়ি তৈরীর নির্মানক্রম ...
07/07/2021

🌈বাড়ী বা বিল্ডিং তৈরীর যাবতীয় বিষয় ও সূত্র জানুন🌈


♦নির্মাণ কাজের পর্যায়ক্রমিক ধাপ♦

বাড়ি তৈরীর নির্মানক্রম কে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। (ক) কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ
(খ) সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ
এই দুই অংশ কে কয়েকটি ধাপে বা পর্যায়ে ভাগ করা যেতে পারে

♦(ক) কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ:

পর্যায় ১- সরঞ্জাম সন্নিবেশ বা সাইট মোবিলাইজেশন

পর্যায় ২- ভূমি জরিপ ও ভূগর্ভস্থ মাটি পরীক্ষা

পর্যায় ৩-আর্কিটেকচারাল, স্ট্রাকচারাল, প্লাম্বিং এবং ইলেকট্রিক্যাল নকশা চুড়ান্ত করা।

পর্যায় ৪- ভবনের লে-আউট ও লেভেল দেয়া

পর্যায় ৫- পাইলিং করা (যদি প্রয়োজন হয়) ও মাটি কাটা

পর্যায় ৬- ফাউন্ডেশনের নিচে ব্লাইন্ড বা লীন কংক্রীট ঢালাই ও ইটের সোলিং করা

পর্যায় ৭-ফাউন্ডেশন ঢালাই

পর্যায় ৮-কলাম ঢালাই

পর্যায় ৯-বীম ও ছাদ ঢালাই

পর্যায় ১০-মেঝেতে ইটের লে-আউট দেয়া

পর্যায় ১১-ইটের গাঁথুনী করা

♦(খ) সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ:

পর্যায় ১- দরজার চৌকাঠ লাগানো
পর্যায় ২- জানালার গ্রীল লাগানো
পর্যায় ৩-বাথরূম ও কিচেন সহ ছাদের বাগানের স্যানিটারী ও প্লাম্বিং এর সব ধরণের পাইপ ফিটিং করা

পর্যায় ৪-বৈদ্যুতিক সুইচবোর্ডের দেওয়ালের ভিতরের অংশ লাগানো

পর্যায় ৫- ভিতরের প্লাষ্টার করা
পর্যায় ৬- বাইরের দিকের প্লাষ্টার করা
পর্যায় ৭-কিচেন ও বাথরূমের বেসিন বা সিঙ্কের স্ল্যাব ঢালাই ও কনসিল অংশ লাগানো

পর্যায় ৮-থাই-এলুমিনিয়াম জানালা বা দরজা লাগানো ( গ্লাস সহ)
পর্যায় ৯- বাথরূম ও কিচেনের দেওয়ালের টাইলস লাগানো
পর্যায় ১০- সিলিং রং এর ১ম কোট দেয়া (সিলার বা পুটি সহ)
পর্যায় ১১- ঘরের ভিতরে বা বাইরে মেঝেতে ও সিড়িতে বা লিফটের দেওয়ালে টাইলস বা মার্বেল লাগানো

পর্যায় ১২- বৈদ্যুতিক তার টানা
পর্যায় ১৩- বাইরের ও ভিতরের দেওয়ালের রং এর ১ম কোট দেয়া
পর্যায় ১৪- দরজার পাল্লা ফিটিং করা
পর্যায় ১৫- বাথরূম ও কিচেনের ফিটিংস লাগানো
পর্যায় ১৬- বৈদ্যুতিক সুইচ বা সকেট লাগানো
পর্যায় ১৭-টাইলসের পয়েন্টিং করা
পর্যায় ১৮-ছাদের উপরের বাগান মাটি ভরা ও সুইমিং পুলের টাইলস লাগনো

পর্যায় ১৯-বেজমেন্ট বা ছাদের উপর পেটেন স্টোন করা
পর্যায় ২০-কাঠের বার্নিশ ও দেওয়ালের চুড়ান্ত রং করা

♦প্রাথমিক হিসাব♦

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রাথমিক হিসাব নিকাস জানুনঃ

1. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন= ৪১০ টি।

2. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন=১১.৭৬=১২ টি

3. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ৫০০ টি।

4. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ১৪.২৮ টি।

5. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের ফ্লাট সোলিং এর জন্য ইটের প্রয়োজন=৩১ টি।

6. এক বর্গমিটার সোলিং এ চিকন বালির প্রয়োজন=০.০১৫ ঘনমিটার

7. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের হেরিং বোন বন্ডের জন্য ইটের প্রয়োজন=৫২ টি।

8. এক বর্গমিটার হেরিং বোন বন্ডের জন্য চিকন বালির প্রয়োজন=০.০৩ ঘনমিটার

9. ইটের গাঁথুনীর কাজে শুকনা মসল্লা এর পরিমাণ=৩৫%

10. এক ঘনমিটার সিমেন্ট= ৩০ ব্যাগ….

11. এক বর্গমিটার নীট সিমেন্ট ফিনিশিং এর জন্য(NCF) সিমেন্টের প্রয়োজন=২.৭-৩ কেজি

12. ডিপিসি এ পাডলোর পরিমাণ সিমেন্টের ওজনের ৫% অর্থাৎ প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের জন্য ২.৫ কেজি।

13. এক ঘনমিটার এম.এস রডের ওজন =৭৮৫০ কেজি বা ৭৮.৫০ কুইন্টাল

14. এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন=৫০ কেজি এবং আয়তন=০.০৩৪৭ ঘনমিটার

15. এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন=৪০ কেজি

16. আবাসিক দালানের জন্য বাসযোগ্য ক্ষেত্রফল প্লিন্থ ক্ষেত্রফলের ৫০%-৫৬% হওয়া উচিত।

17. ১ রানিং মিটার দৈর্ঘে এন্ড এজিং এ ইটের পরিমাণ=১/.১২৭=৮ টি।

18. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি মিটার এম.এস রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র =d2/১৬২.২ কেজি।

19. এক ঘনমিটার ছোট সাইজের খোয়ার জন্য ইটের প্রয়োজন ৩২০ টি এবং বড় সাইজের খোয়ার জন্য ৩০০ টি।

20. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি কেজি এম.এস রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের সুত্র =১৬২.২/d2 মিটার

21. নির্মাণ সামগ্রী বহনের জন্য চালনা দুরুত্ব ৩০ মিটার এবং উত্তোলন দুরুত্ব ১.৫ মিটার।

22. কম্প্রেশন বারে হুক ছাড়া ল্যাপিং ২৪D এবং হুকসহ ৪৪D আবার, টেনশনে হুক ছাড়া ল্যাপিং ৩০D এবং হুকসহ ৬০D.

23. জলছাদের কাজে
খোয়া,চুন,সুরকির অনুপাত=৭:২:২

24. সেপটিক ট্যাংক এর নুন্যতম প্রস্থ ৬০সেমি এবং তরলের নুন্যতম গভীরতা ১ মিটার।

25. সোক ওয়েলের নুন্যতম ব্যাস ৯০ সেমি এবং গভীরতা ইনভার্ট সমতল হতে ১.৫ মিটার।

26. কালভার্ট এর স্প্যান ৬ মিটারের কম এবং ব্রিজের স্প্যান ৬ মিটারের বেশি

27. ব্রিজ এর স্ল্যাবকে ডেকস স্ল্যাব বলে।

28. ঢেউটিনের প্রমাণ দৈর্ঘ্য: (১.৮০,২.২০,২.৫০,২.৮০,৩.২০)মিটার এবং প্রস্থ ০.৮০মিটার এবং ঢেউয়ের গভীরতা ১৮ মি.মি

29. এক মিটার এম.এস অ্যাঙ্গেলের ওজন=০.০০৭৮৫A কেজি

30. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ২০ ব্যাগ

♦FAR কিভাবে বের করবেন ? ♦
ধরুন, আপনার ৫ কাঠা জমি রয়েছে।
ভেবে রেখেছেন ৮-১০ তলা উঁচু বাড়ি তৈরী করবেন।
টাকা-পয়সা নিয়েও ঝামেলা নেই ।

কিন্তু আপনি জানেন কি ?
আপনি চাইলেও রাজউকের নিয়ম অনুযায়ী
৫ কাঠা জমিতে ১০তলা তৈরী করতে পারবেন না!!! । কারন একটা ভবন তৈরীর সময় বিল্ডিং এর চারপাশে কিছু জায়গা ছেড়ে দিয়ে তারপর ডিজাইন করতে হয় । সেটাকে সেটব্যাক বলে । আমরা শুধুমাত্র ফার নিয়ে আলোচনা করবো আজকে।

FAR জানার সুবিধাঃ

১. ফার জানলে যেকোনো ভালো অফিসে চাকরির গ্যারান্টি অনেকখানি বেড়ে যায় ।
২. বাড়ি কত তলা করতে পারবেন সেটা নিজেই হিসাব করতে পারবেন অংক করে ।
FAR এর হিসাব করবেন যেভাবেঃ

মনে করি,
ভূমি- ৫ কাঠা,
রোড- ২০ ফুট,
ফার- ৩.৫ ( ইঞ্জিনিয়ারিং বইগুলোতে শুধুমাত্র ফার লিখে কত কাঠার জন্য কত ফার সেটা উল্লেখ থাকে কিন্তু হিসাব থাকে না ।

তাই আপনি যদি ফারের হিসাব শিখে রাখেন তাহলে নিজেই সহজে হিসেব করতেই পারবেন ।
কারন ফারের হিসাব জানা অনেকটা আর্থিক বিষয়ে জড়িত ।

For 5 Katha> FAR=3.5

Maximum Build Area (M.B.A)= Land x FAR
= 5 x 3.5
=(5x720)x3.5 [1katha=720square ft]
= 3600x3.5
=12600 Sq. ft

Maximum Ground Coverage(M.G.C)= 62.5%

M.G.C = 5 katha x 62.5%
= (5x 720) x 62.5%
= 2250 sqft.

Number of Floor (N.O.F)= MBA / MGC
= 12600 / 2250
= 5.6 Floor
Total Floor = Ground floor + 5.6 floor
= 1+ 5.6 floor
= 6.6 floor
অর্থাৎ ৬ তলা বাড়ি এবং চিলেকোঠা

মনে রাখবেনঃ
*** কেউ যদি এখানে পাঁচ কাঠার পরিবর্তে অন্য কাঠা ব্যবহার করে সেক্ষেত্রে হিসাব ভিন্ন হবে।

*** কখনো কাঠার পরিমান কম বেশি হলে এই হিসাবে দশমিক দিয়ে কোন সংখ্যা নাও আসতে পারে সেক্ষেত্রে যা এসেছে তাই ব্যবহার করুন । এবং নিজে সুস্থভাবে বেঁচে থাকুন ।

এই হিসাবে প্রায় সাত তলা কিন্তু সাত তলা না করাই ভালো যদি ভুমিকম্প থেকে বাঁচাতে চান এবং সারা এলাকাতে আপনার বাড়িটি যদি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে সেটা চান !!!

♦রডের মাপ ফিট মেপে kg বের করার নিয়ম♦

যেকোনো ডায়া রডের এক ফিটের ওজন =(রডের ডায়াx2)/53136
>এখনে অবশ্যই রডের ডায়া মিলি মিটারে উল্লেখ করতে হবে।

উপরে যে কনভার্ট সিস্টেম দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ। আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখুন . . . .

রডের ব্যাস (Dia) ♥১ ইঞ্চি= ৮সূথ বা সুথা♥

এক ফুট রডের ওজন =
রডের ব্যাস(Dia)@৮মিলি মিটার= ৩সুথা= ০.১২ কেজি
রডের ব্যাস (Dia)@১০মি: মি: = ০.১৮৮ কেজি
রডের ব্যাস (Dia)@১২মিমি = ০.২৭০৬ কেজি
রডের ব্যাস (Dia)@১৬মিমি= ৬সুথা= ০.৪৮১২ কেজি
রডের ব্যাস (Dia)@২০মিমি = ০.৭৫১৮ কেজি
রডের ব্যাস (Dia)@২২মিমি = ০.৯০৯৭ কেজি
রডের ব্যাস (Dia)@২৫মিমি= ৮সুথা= ১.১৭৪৭ কেজি

১কেজি রডের দৈর্ঘ্য=
রডের ব্যাস(Dia)@৮মিলি মিটার= ৩সুথা = ৮.০ফুট
রডের ব্যাস (Dia)@১০মি: মি: = ৫.৩ফুট
রডের ব্যাস (Dia)@১২মিমি = ৩.৭ফুট
রডের ব্যাস (Dia)@১৬মিমি= ৬সুথা = ২.০ফুট
রডের ব্যাস (Dia)@২০মিমি = ১.৩ফুট
রডের ব্যাস (Dia)@২২মিমি = ১.১ফুট
রডের ব্যাস (Dia)@২৫মিমি= ৮সুথা = ০.৮৬ফুট

♦বালির হিসাব♦
* ১০৯ ফিট = ১২.২৫cft,
* ১০০ sft ৫” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।

* ১০০ sft ১০” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ৪ ব্যাগ। বালু লাগে ২৪ cft।

♦ইট বা পাথরের খোয়ার হিসাব♦
* ১ টি ইটে = ০.১১ cft খোয়া হয়।
* ১০০ টি ইটে = ১১ cft খোয়া হয়।
* ১০০০ টি ইটে = ১১১.১১ cft খোয়া হয়।

♦গাথুনী এর ইটের হিসাব♦

১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে।

৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ৫টি ইট লাগে।

♦গাথুনী এর প্লাস্টারের হিসাব♦

১ বস্তা সিমেন্টে ৪ বস্তা বালি। তবে ৫ বস্তাও দেওয়া যায়।

ইট গাথুনীর প্লাস্টারে সিমেন্ট : বালি= ১ : ৪
= ১ : ৫

♦নিচের ছলিং♦

নিচের ছলিং এ প্রতি ১’ (স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।

পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়।

০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়। সিএফটি অর্থাৎ ঘনফুট।

এসএফটি অর্থাৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে। কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়।

ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।

* ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ওজন ১৯২০ কেজি।

* ১ ব্যাগ সিমেন্টে পানি লাগে ২১ লিটার।

* ১০০ এসএফটি(Square Feet) প্লাষ্টারে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।

* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়। সিলিং প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়।

* প্রতি এসএফটি(Square Feet) নিট ফিনিশিং করতে = ০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।

* মসলা ছাড়া ১ টি ইটের মাপ = (৯ ১/২”*৪ ১/২”*২ ৩/৪”)

মসলাসহ = (১০”*৫”৩”)10 mm =1 cm

100 cm = 1 m (মিটার)

1″ = 25.4 mm=8 Sooth(সুথা)
[৮সুথা রড=১ইঞ্চি ডায়া]
1″ = 2.54 cm

39.37″ = 1 m

12″ = 1′ Fit
36″= 3′ = 1 Yard (গজ)

72 Fit = 1 bandil.

♦ঢালাই এর হিসাব♦

* ১০০ cft ঢালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে
সিমেন্ট ১৭ ব্যাগ, বালু ৪৩ cft, খোয়া ৮৬ cft লাগে।

* ১ cft ঢালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে
সিমেন্ট ০.১৭, বালু ০.৪৩ cft, খোয়া ০.৮৬ cft লাগে।

♦আসুন ছাদে রডের পরিমাণ নির্ণয় করি♦

মনেকরি, ছাদের ক্ষেত্রফল 1000 বর্গফুট পুরত্ব ধরি 5" এবং ছাদে মোট কংক্রিটের 1% or 1.5% or 2% ধরা হয়.. !! আমরা 1.5% ধরি.

সূত্র হচ্ছে, ক্ষেত্রফল ×পুরত্ব÷১২( ১২"=১')×(১.৫%)×একক ওজন = উত্তর (কেজি).

সুতরাং, আমরা পাই, 1000×(5÷12)×(1.5÷100)×222 =1387.50 কেজি. এখানে পুরত্ব 5" তাই 12" দিয়ে ভাগ করে ফুট করা হয়েছে...

1.5% = (1.5÷100) আর, লোহার একক ওজন 222 kg/cft

সুতরাং 1000 sft ছাদ ঢালাইয়ে লোহা প্রয়োজন 1387.50 কেজি.

♦পাইলিং কি এবং কেন করা হয়♦

‘পাইলিং’ হচ্ছে বিল্ডিং বা স্থাপনার এক ধরনের ফাউন্ডেশন যা স্থাপনার নিচে মাটির গভীরে লোড স্থানান্তর করে স্থাপনাকে দৃঢ় ভিত্তি প্রদান করে।
এটা সাধারণত করা হয়ে থাকে যেসব জমিতে মাটির ভারবহন ক্ষমতা কম কিন্তু স্থাপনাটি বহুতলভিত্তিক। এটাকে স্থাপনার কলামের সাথে তুলনা করা যায় যা মাটির গভীরে স্থাপিত হয়।

পাইলিং কয়েক ধরনের হতে পারে। যেমনঃ

কাস্ট-ইন-সিটু পাইল
স্যান্ড পাইল
প্রি-কাস্ট পাইল
শোর পাইল
টিম্বার পাইল
এগুলোর মধ্যে কাস্ট-ইন-সিটু পাইল সবচেয়ে বেশী প্রচলিত। এটা সাধারনত সিলিন্ডারাকৃতির হয়ে থাকে যার ব্যাস বা ডায়া ১৮ ইঞ্চি থেকে ৩০ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়।

তবে ক্ষেত্রবিশেষে এটা আরো বেশি হতে পারে। আর দৈর্ঘ্য নির্ভর করে মাটির লেয়ারের উপর যা সয়েল টেস্ট রিপোর্টে পাওয়া যায়। বাংলাদেশে বেশিরভাগ বহুতল স্থাপনার ভিত্তিতে এই পাইলিং ব্যবহৃত হয়েছে।

স্যন্ড পাইলের ধারণাটি অপেক্ষাকৃত নতুন হলেও ক্ষেত্রবিশেষে এটি বেশ কার্যকর। সাধারনত কম তলা বিশিষ্ট স্থাপনা যেখানে মাটির ভারবহন ক্ষমতা কম সেখানে স্যন্ড পাইল করে সেটা বৃদ্ধি করা যায়।
তবে অনেক তলাবিশিষ্ট ভবনের ক্ষেত্রে এটি ব্যাবহার করা যায় না।

প্রি-কাস্ট পাইলের ক্ষেত্রে সম্পুর্ন পাইল আগে কাস্টিং বা ঢালাই করা হয় সুবিধামত স্থানে (মাটির অভ্যন্তরে নয়) ।
তারপর এট মেশিনের সাহায্যে বা হ্যমারিং করে সাইটের ভুমিতে যথাস্থানে ঢোকানো হয়।

শোর পাইল করা হয় মাটির পার্শ্বচাপ প্রতিরোধ করার জন্য। যেই সমস্ত স্থাপনায় বেসমেন্ট থাকে, কিংবা অন্য কোন কারনে মাটি কাটতে হয়, সেখানে পাশের মাটি যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তাই এই ব্যবস্থা করা হয়। এটার সাথে শেয়ার ওয়ালের তুলনা করা যায়।
এটা প্রি কাস্ট বা কাস্ট ইন সিটু বা টিম্বার পাইল হতে পারে।

টিম্বার পাইল হলো গাছকে (সাধারণত শাল গাছের কান্ড) পাইল হিসেবে ব্যবহার করা।
এটা ব্যবহার করা হয় কমতলা বিশিষ্ট ভবনে।

♦কিউরিং করার সময় ও নিয়ম♦

ম্যাস কংক্রিট ফাউন্ডেশন কাজে :
২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
ইটের গাঁথুনীর কাজে : ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
ড্যাম্প প্রুফ কোর্স : ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
লিন্টেল,সানশেড : ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
ছাদ ঢালাইয়ের কাজ: ২০ ঘন্টা পর ২১ থেকে সর্বোচ্চ ২৮ দিন পর্যন্ত
ফ্লোর ঢালাইয়ের কাজ : ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
প্যাটেন্ট স্টোন সিমেন্ট কংক্রিট : ১৫ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
সকল প্লাস্টারের কাজ: ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
মোজাইক ফ্লোরের কাজ: ১২ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
জলছাদের কাজ : ২৪ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
নীট সিমেন্ট স্কার্টিং কাজ : ১২ ঘন্টা পর ১৬ দিন পর্যন্ত

ধন্যবাদ।
সবাই ভালো থাকবেন ।

04/07/2021
05/06/2021
YOUTUBE, GOGGLE অথবা লোকাল রাজমিস্ত্রি দিয়ে বাড়ী বানালে যা হয়...!!
18/08/2020

YOUTUBE, GOGGLE অথবা লোকাল রাজমিস্ত্রি দিয়ে বাড়ী বানালে যা হয়...!!

এই বাড়িটি করতে কত টাকা খরচ হতে পারে? (পোস্টটি সেভ করে রেখে দিন ,বাড়ি নির্মানের সময় কাজে লাগতে পারে)এই প্রশ্নটির সম্মুখীন...
09/07/2020

এই বাড়িটি করতে কত টাকা খরচ হতে পারে?

(পোস্টটি সেভ করে রেখে দিন ,বাড়ি নির্মানের সময় কাজে লাগতে পারে)

এই প্রশ্নটির সম্মুখীন হতে হয় আমাদের প্রতি নিয়ত। এই প্রশ্নটির উত্তরের জন্য বেশ কিছু তথ্য জানার প্রয়োজন হয়। কিন্তু কোন প্রশ্নকারীই সেই তথ্যগুলো ভালো করে দিতে পারে না। অথচ তারা আমাদের কছে খুবই এক্সাক্টলি একটা উত্তর আশা করে। অনেকেই এমনটাও বলে যে আপনি কেমন ইঞ্জিনিয়ার হয়েছেন যে খরচটা বলতে পারেন না?

তাই আসুন জেনে নেই এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য যে তথ্যেগুলোর প্রয়োজন হয়...

১) বাড়ীর আয়তন :- আপনার বাড়ির আয়তনের সাথে খরচ জড়িত। এটা খুবই সিম্পল একটা সুত্র। আপনি বাড়ি যত বড় করবেন খরচ তত বেশি হবে। যত ছোট করবেন বাড়ির খরচও কমবে। জমির পরিমানের উপরে নির্ভর করে বাড়ির আয়তন নির্ধারন করা উচিত। ঢাকা বা বিভাগিয় শহরগুলোতে কর্তৃপক্ষের কিছু নিয়মকানুন থাকে। সেগুলো মেনে জমির পরিমান নির্ধারন করা হয়। মানে জমির একটা নির্দিষ্ট পরিমান অংশ ছেড়ে তার পরেই বাড়ি করতে হবে।

২) উচ্চতা :- বাড়িটি কত তলা হচ্ছে সেটাও একটা গুরুত্বপুর্ন বিষয়। আপনার ফ্লোর স্পেস কত স্কয়ারফিট হচ্ছে সেটা নির্ভর করে কত তলা হচ্ছে সেটার উপরে। প্রতিটি ফ্লোরে আলাদা আলাদা করে ফিনিশিং এর মালামাল এর আলাদা আলাদা হিসেব হবে। এটার উপরে অনেক সময় ফাউন্ডেশন নির্ভর করে। তিন থেকে চার তলা পর্যন্ত দেখা যা্য় ফুটিং ফাউন্ডেশনে হয়ে যায় কিন্তু ৬ থেকে ৭ তলার উপরে গেলে পাইলিং বিবেচনা করা হয় (মাটির কন্ডিশনের উপর)। এই দুই ফাউন্ডেশনের মধ্যে খরচের বিস্তর ব্যাবধান থাকে।

৩) ফাউন্ডেশন:- মাটির গুনাগুন বিবেচনা না করে ফাউন্ডেশনের সিদ্ধান্ত নেয়া ঠিক না। অনেকেই বলে ভাই আমার পাইলিং লাগবে। কিভাবে বুঝলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন আমাকে মিস্ত্রি এবং এলাকাবাসি বলেছে। মিস্ত্রি আর এলাকাবাসি মাটির গুনাগুন পরিক্ষা করেনি। তারা এটা আন্দাজে বলছে। অথচ এই কথাটা বলবে সয়েল ইঞ্জিনিয়ার এবং স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার। আর এখানেই খরচের অনেকটা নির্ভর করে।

৪) ফিনিশিং:- সর্বশেষ বিষয় হচ্ছে আপনার বাড়ির ফিনিশিং কেমন হচ্ছে সেটা আপনাকে বুঝতে হবে। এর আগে বুঝতে হবে বাড়িটি কি কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। যেমন ডুপ্লেক্স বাড়ির ফিনিশিং খরচ একটু বেশি হয় কিন্তু ফ্লাট বাড়ির খরচ সেই তুলনায় কম করলেই হয়। ঢাকাতে যেই বাড়ি গুলো নির্মিত হচ্ছে সেগুলো বেশিরভাগই হয় ভাড়া বা বিক্রি করার উদ্দেশ্যে। এগুলো প্রায় একই রকম খরচ হয়। কিন্তু নিজে যখন নিজের জন্য বাড়ি করতে যাবেন অবশ্যই সেখানে একই রকমের টাইলস, ফিটিংস, ফিক্সার, রং ব্যাবহার করবেন না?
ফিনিশিং এর খরচ অনেক সময় সিভিল কাজের চেয়ে বেশি হয়ে যায়। তাই একটা বাড়ির খরচের বিষয়টা দুটি ভাগে বিভক্ত করুন।
১) সিভিল কাজ
-ফাউন্ডেশন
-গ্রেড বীম
-ছাদ ঢালাই
-ওয়ালের গাথুনির কাজ
- প্লাস্টারের কাজ

২) ফিনিশিং কাজ।
- টাইলস
- স্যানিটারি (ফিটিংস এবং ফিক্সার)
- ইলেকট্রিক এর কাজ
- রং এর কাজ
- থাই গ্লাস (জানালা)
- দরজা
- গ্রিল এর কাজ(রেলিং সহ)
- কিচেন ফিটিংস
- ফার্নিচার

এবার আপনার বাড়ির নির্মান এর খরচ বের করুন। দেখুন আপনি কোন কোন স্থানে কিকি মালামাল ব্যাবহার করছেন এবং সেগুলো কি দামের ব্যাবহার করছেন। যেমন উদাহরনসরুপ টাইলস ধরুন। বাজারে ৬০ টাকা থেকে শুরু করে ৬০০ টাকা পর্যন্ত টাইলস আছে। এখন আপনার বাজেটের উপর ভিত্তি করে আপনাকে টাইলস এর দাম নির্ধারন করে কিনতে হবে। আর এখানে আপনার বাড়ির মুল খরচ নির্ভর করে। সেই তুলনায় সিভিল কাজে আসলে তেমন খরচ হয় না। তাই নেক্সট টাইম যখনই কাউকে জিজ্ঞেস করবেন আপনার বাড়ি বানাতে কত খরচ হতে পারে অনুগ্রহ করে আগে নিজে উপরের বিষয়গুলোর সিদ্ধান্ত নিয়ে নিন।
মনে করুন নিচের বাড়িটির নাম চাদ মহল। এই বাড়িটির আয়তন ১৬০০ স্কয়ার ফিট। বাড়িটি ২ তলা উচু। এটি একটি ডুপ্লেক্স টাইপ বাড়ি। ফাউন্ডেশন মাত্র ৩ তলার। এখন এই বাড়িটির খরচ কেমন হতে পারে। তাহলে প্রথমেই বাড়িটির খরচ দুই ভাবে বিভক্ত করি। প্রথমত সিভিল কাজের খরচ হিসেব করলে দেখা যাবে খুব বেশি হলে ২০ থেকে ২৩ লক্ষ টাকার মতন খরচ পরবে। এবার আসুন ফিনিশিং কাজে। এখানেই নির্ভর করবে খরচের হিসেব। এই ফিনিশিং কাজে বাড়ির মালিক চাইলে আরো ২০ লক্ষ টাকার মধ্যেই শেষ করতে পারেন অথবা আরো ৫০ লক্ষও খরচ করতে পারেন। পুরোটা নির্ভর করবে তার বাজেট এবং রুচির উপরে।

Address

60 Satmosjid Road, " Keari Crescent " (2nd Floor), Road-2/A, Zigatola Bus Stand , Dhanmondi
Dhaka
1209.

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801670817633

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ensure Homes posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ensure Homes:

Share

Category