Dhaka Designer

Dhaka Designer আর্কিটেকচার, কন্সট্রাকশন, ইন্টেরিয়র এবং প্রোপার্টি ম্যানেজমেন্ট নিয়ে আমাদের সবটুকু চেষ্টা। At Dhaka Designer, we believe in people.

Utilizing people from all over the globe can have a tremendous impact in saving Costs and creating something extra-ordinary within the Same budget and Time-frame. Dhaka Represents Bangladesh and as a country full of potential talents, we want to provide services globally using hybrid teams from project Initiation to Operations. Every client we serve, and every team member who worked and worked her

e is a part of this mission. If you are reading this article; congratulations! you are part of it from Today. CORE VALUES:

👉 Knowledge
We believe Informal Education through experience and Formal Education learned via academia; both are equally important

👉 Creativity
Creativity is necessary everywhere and its not something Optional or we can look down upon. Only a creative Structural Engineer can work with a creative design and vice versa

👉 Sustainability
Sustainability has different Dimensions. We make our projects not only sustainable for the environment but also they are sustainable economically & socially

17/04/2026

প্রিয় আপা,

কাল ট্রাক আসবে।

আপনি কিছু বলেননি, তবু আমি জানি। তিন দিন ধরে বাক্স গোছানো হচ্ছে। আপনার মেয়ে কাগজে লিখে রাখছে কোন বাক্সে কী আছে। রান্নাঘরের বাক্সটা সবচেয়ে বড়। ওটার গায়ে লেখা, "মায়ের জিনিস, সাবধানে।"

আমি আপনার রান্নাঘর। বারো বছর হলো আমরা একসাথে। কাল থেকে আর না।

আপনি রোজ সকালে আসতেন। ছয়টা পঁয়তাল্লিশে। কেটলি বসাতেন। জানালা খুলতেন। তারপর কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন, বাইরে তাকিয়ে। কী দেখতেন কোনোদিন জিজ্ঞেস করা হয়নি। ওই সময়টায় আপনার মুখটা অন্যরকম থাকত। সারাদিন যে মুখ দেখতাম সেটা না। বাড়ির কেউ ওই মুখটা দেখেনি কোনোদিন। কারণ ওই সময় বাড়িতে কেউ জাগত না। শুধু আমি দেখতাম।

নতুন রান্নাঘরেও জানালা থাকবে তো?

চুলায় দুইটা বার্নার। একটায় ভাত হতো, চা হতো, ডিম সেদ্ধ হতো। অন্যটায় তরকারি, ঝোল, ভাজি। বারো বছরে কোনদিন উলটো হয়নি। কে ঠিক করেছিল কোনটায় কী হবে কেউ বলতে পারবে না। এমনিতেই হয়ে গিয়েছিল। সংসারের অনেক নিয়ম এমনিতেই হয়ে যায়। কেউ বানায় না, কেউ ভাঙে না।

আপনি রান্নার সময় ফোনে ইউটিউবে রান্নার ভিডিও চালাতেন। মেয়েটা বলত এক চামচ হলুদ দিন। আপনি দিতেন দেড়। বলত পাঁচ মিনিট রাখুন। আপনি রাখতেন সাত। ভিডিওটা চলতেই থাকত। আপনি শুনতেনও না ঠিকমতো। তবু বন্ধ করতেন না।

অনেকদিন পর বুঝলাম, ভিডিওটা রান্না শেখার জন্য না। এই রান্নাঘরে সারাদিন কেউ কথা বলে না। ওই মেয়েটা অন্তত কিছু একটা বলত। হলুদের কথা হোক, পেঁয়াজের কথা হোক। কেউ একজন কিছু বলছে, এইটুকুই যথেষ্ট ছিল।

আপনার মেয়ে একবার একটা মাইক্রোওয়েভ এনেছিল। বলেছিল এবার এটাতে খাবার গরম করব। সাত দিন পর দেখি ওটার উপরে দুইটা ব্যাগ, একটা তোয়ালে, আর একটা পুরনো ঢাকনা। ঢাকনাটা কোন হাঁড়ির কেউ মনে করতে পারে না। হাঁড়িটা হয়তো কোনো এক ঈদে হারিয়ে গেছে, ঢাকনাটা রয়ে গেছে।

কাল ওটাও বাক্সে যাবে। ব্যাগগুলো হয়তো ফেলে দেবেন। তোয়ালেটাও। ঢাকনাটা যাবে।

সিঙ্কের নিচে প্লাস্টিক ব্যাগ জমত। কত ছিল কেউ জানত না। কেউ ফেলত না। কেউ গুনতও না। আজ সকালে দেখলাম আপনি সব ব্যাগ বের করে একটা বড় বস্তায় ভরছেন। নতুন বাসায় নিয়ে যাবেন। পৃথিবীতে মানুষ অনেক কিছু ফেলে আসে। পুরোনো বাসা ফেলে আসে, পুরোনো পাড়া ফেলে আসে। কিন্তু সিঙ্কের নিচের প্লাস্টিক ব্যাগ কেউ ফেলতে পারে না।

ক্যাবিনেটের সবচেয়ে উপরের তাকে একটা স্টিলের ডাব্বা ছিল। ভেতরে কিছু নেই। কতদিন ধরে নেই কেউ জানে না। একবার কেউ নামিয়ে খুলে দেখেছিল। খালি। তবু ফেলা হয়নি। আপনি বলেছিলেন রাখো। রাখা হলো।
আজ ওই ডাব্বাটাও বাক্সে গেছে। কাগজে মুড়িয়ে রাখা। নতুন ক্যাবিনেটের উপরের তাকে যাবে। ভেতরে আবারও কিছু থাকবে না। মানুষ খালি ডাব্বা ফেলতে পারে না। ফেললে তাকটা খালি হয়ে যায়। খালি তাক দেখলে মনে হয় কিছু একটা নেই।

কাউন্টারের এক পাশে হলুদের একটা দাগ আছে। গত ঈদের। আমি জানি কোন দুপুরে হয়েছিল। কী রান্না হচ্ছিল। কাল নতুন কেউ আসবে এই বাসায়। তারা হয়তো ঘষে তুলবে। হয়তো পুরো কাউন্টারটাই বদলে ফেলবে। তারা জানবে না এই দাগটা কোন ঈদের।

আচ্ছা, একটা কথা বলি। এটাই আসলে বলার জন্য এত কিছু লেখা।

রাতে সবাই খেতে বসত।কেউ কিছু বলত না। কেউ ফোন দেখতে দেখতে খেত, খেয়ে উঠে যেত। থালা সিঙ্কে রেখে যেত।

আপনি আসতেন। একা। থালা ধুতেন। কাউন্টার মুছতেন। চুলার চারপাশটা পরিষ্কার করতেন। তারপর একবার পুরো রান্নাঘরটা দেখতেন, সব ঠিক আছে কিনা। তারপর লাইট নেভাতেন।

বারো বছর, প্রতি রাতে, লাইট নেভানোর পর আমি অন্ধকারে একা থাকতাম। চুলার কাছটায় তখনো একটু গরম থাকত। মশলার গন্ধ থাকত।

সেই অন্ধকারে প্রতি রাতে আমার একটা কথা বলতে ইচ্ছা করত।

ভালো হয়েছিল আপা। আজকের রান্নাটা ভালো হয়েছিল।

আজ রাতে লিখে রাখলাম। কাল সকালে ট্রাক আসবে। তারপর আর বলার সুযোগ থাকবে না।
নতুন রান্নাঘরটা সুন্দর হবে। মডুলার। চকচকে। আমি জানি কিছুদিন পর ওখানেও মাইক্রোওয়েভের উপর তোয়ালে উঠবে। সিঙ্কের নিচে ব্যাগ জমবে। উপরের তাকে কোনো একটা খালি ডাব্বা যাবে। আপনি ওই রান্নাঘরটাকেও নিজের করে নেবেন। আস্তে আস্তে।

ইতি,
আপনার পুরোনো রান্নাঘর

পুনশ্চ: কাল ভোরে কি শেষবারের মতো একটু আসবেন? কেটলি না বসালেও চলবে। জানালাটা একটু খুলে দাঁড়িয়ে থাকলেই হবে।

16/04/2026

বিক্রয়ের জন্য ২৬০০ স্কয়ার ফিটের রেডি ফ্ল্যাট | বসুন্ধরা আই এক্সটেনশন

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই এক্সটেনশনে বিক্রির জন্য একটি অসাধারণ ২৬০০ স্কয়ার ফিটের ফ্ল্যাট। জি প্লাস নাইন বিল্ডিং এর টপ ফ্লোরে এই ইউনিটটি হ্যান্ডওভার রেডি, আজই মুভ ইন করা যাবে।

📐 সাইজ: ২৬০০ স্কয়ার ফিট
🛏️ বেডরুম: ৪টি
🚿 ওয়াশরুম: ৪টি
🌤️ ব্যালকনি: ৫টি
✨ বিশেষ সুবিধাসমূহ:
🛗 দুইটি লিফট (একটি স্ট্রেচার ফিট)
🔇 সাউন্ডপ্রুফ উইন্ডো সিস্টেম
☀️ রুফ ইনসুলেশন
🌬️ সাউথ ফেসিং, প্রচুর আলো বাতাস
🛋️ ফ্লেক্সিবল ফ্যামিলি লিভিং এবং ডাইনিং স্পেস

এই ধরনের ইউনিট খুব দ্রুত বিক্রি হয়ে যায়। বিস্তারিত জানতে বা সরাসরি ভিজিট করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

আমাদের ফোন নম্বর +8801886685854
মেইল করতে পারেন [email protected]
অফিস এড্রেস: House 2/A, Road 2/1, Banani, Dhaka 1213

16/04/2026

বিক্রি হবে | ঢাকার ৭টি রেডি এপার্টমেন্ট | বসুন্ধরা, উত্তরা, বনানী, মিরপুর | 📞 01886685854

https://youtu.be/ft5FRLpFJtE?si=mQ-oi7V74vqcgZnM

https://youtu.be/vxxAIRBsjGo?si=Jv8Xg8R6ctR0Wbok

https://youtu.be/WMSClAtgfu0?si=9T6FvO4AsJIOXErB

https://youtu.be/r7MvakfNyso?si=4Xi0lMIRACiTnj04

https://youtu.be/z1uBvwYQCG0?si=k9K5SzXfTR0JAPKl

আমাদের ফোন নম্বর +8801886685854
মেইল করতে পারেন [email protected]
অফিস এড্রেস: House 2/A, Road 2/1, Banani, Dhaka 1213

আমাদের ড্রয়িংরুমে একটা সোফা সেট আছে। একটা সেন্টার টেবিল। দুই পাশে দুইটা কর্নার টেবিল। দেয়ালে একটা বড় ঘড়ি। তার নিচে শ...
15/04/2026

আমাদের ড্রয়িংরুমে একটা সোফা সেট আছে। একটা সেন্টার টেবিল। দুই পাশে দুইটা কর্নার টেবিল। দেয়ালে একটা বড় ঘড়ি। তার নিচে শোপিস। শোপিসের পাশে ফুলদানি। ফুলদানিতে প্লাস্টিকের ফুল। প্লাস্টিকের ফুলের পাশে একটা ফটো ফ্রেম। ফটো ফ্রেমের পাশে আরেকটা ফটো ফ্রেম।

এতটুকু পড়েই আপনি হয়তো ক্লান্ত। আমাদের ড্রয়িংরুমও ক্লান্ত।

বাংলাদেশে সোফা কেনা একটা পারিবারিক সিদ্ধান্ত। বাবা বলেন কাঠের হতে হবে। মা বলেন কুশন নরম হতে হবে। স্ত্রী বলেন রং ধূসর হতে হবে। শেষমেশ এমন একটা সোফা আসে যেটা কেউ চায়নি। কিন্তু সবাই মেনে নিয়েছে। গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।

সোফার উপর থাকে কুশন। কুশনের উপর কাভার। কাভারের উপর প্লাস্টিকের কাভার। মানে সোফার আসল রং কেউ কোনদিন দেখেনি।

প্রতিটা বাংলাদেশি ড্রয়িংরুমে একটা শোকেস থাকে। এটা মূলত একটা ব্যক্তিগত জাদুঘর। ভেতরে থাকে কক্সবাজার থেকে আনা শামুক। সিঙ্গাপুর থেকে আনা মার্লায়ন। দুবাই থেকে আনা বুর্জ খলিফার মডেল। পাশের ফ্ল্যাটের ভাবি দিয়ে গেছেন একটা সিরামিকের হাতি।

কোনটা ফেলা যায় না। কারণ প্রতিটার পেছনে একটা সম্পর্ক আছে। শামুক ফেললে মামা কষ্ট পাবে। হাতি ফেললে ভাবি কষ্ট পাবে। তাই সব থাকে।

পর্দা নিয়ে আলাদা একটা উপন্যাস লেখা যায়। আমাদের দেশে পর্দা শুধু জানালা ঢাকার জন্য না। পর্দা হলো স্ট্যাটাস সিম্বল। পর্দা হতে হবে মোটা। পর্দা হতে হবে ভারী। পর্দা হতে হবে এমন রঙের যেটা ঘরের আর কিছুর সাথে মেলে না।

পর্দার সাথে আবার ভেতরে একটা পাতলা পর্দা। মানে পর্দার পর্দা। বাইরে থেকে কেউ দেখতে পারবে না আমরা ভেতরে কী করছি। আমরা ভেতরে বসে টিভি দেখি। এটা খুবই গোপনীয় তথ্য।

সেন্টার টেবিলের নিচে একটা কার্পেট আছে। কার্পেটের উপর টেবিল। টেবিলের উপর একটা টেবিল ক্লথ। ক্লথের উপর একটা ট্রে। ট্রের উপর একটা ফুলদানি। ফুলদানিতে আবারও প্লাস্টিকের ফুল। মাঝে মাঝে মনে হয় আমরা একটা লেয়ার কেক বানাচ্ছি।

আসল সমস্যা হলো আমরা ড্রয়িংরুমকে ভালোবাসি না। আমরা ড্রয়িংরুমকে ভয় পাই। ভয় পাই মেহমান এসে কী ভাববে। ভয় পাই পাশের বাসার চেয়ে কম হয়ে যায় কিনা। ভয় পাই খালি জায়গা দেখলে লোকে গরিব ভাববে।

তাই আমরা ভরি। সোফা দিয়ে ভরি। শোপিস দিয়ে ভরি। কুশন দিয়ে ভরি। ফটো ফ্রেম দিয়ে ভরি। যতক্ষণ না ড্রয়িংরুম বলে ওঠে, "আর পারছি না।"

গতকাল আমার ছোট মেয়ে ড্রয়িংরুমে বসে আঁকছিল। আমি বললাম, "এখানে না, ভেতরের রুমে যাও।"
মেয়ে জিজ্ঞেস করল, "কেন?"

আমি একটু চুপ করে রইলাম। কারণ উত্তরটা আমার জানা নেই।

হয়তো আমাদের ড্রয়িংরুমগুলো বাঁচানোর জন্য একটু সাহস দরকার। খালি জায়গা রাখার সাহস। শোপিস না কেনার সাহস। প্লাস্টিকের ফুল ফেলে দেওয়ার সাহস।

কিন্তু সেটা আরেকদিন। আপাতত, আমার মেহমান আসছে। সোফার কাভারটা একটু ঠিক করে নিই।

বাংলাদেশের তিন টপ টাইলস ব্র্যান্ড Akij, RAK আর DBL এর দাম, কোয়ালিটি আর ডিজাইন হেড-টু-হেড তুলনা
31/03/2026

বাংলাদেশের তিন টপ টাইলস ব্র্যান্ড Akij, RAK আর DBL এর দাম, কোয়ালিটি আর ডিজাইন হেড-টু-হেড তুলনা

Akij, RAK আর DBL টাইলসের দাম, স্ক্র্যাচ রেজিস্ট্যান্স, ওয়াটার অ্যাবসর্পশন তুলনা। কিচেন, বাথরুম, লিভিং রুমে কোনটা কিনবেন ....

প্রথমবার ফ্ল্যাট কিনেছেন?  ফ্ল্যাটের চাবি হাতে পেলে একটা অদ্ভুত অনুভূতি হয়। মনে হয় দুনিয়াটা জয় করে ফেলেছেন। পরিবারের...
31/03/2026

প্রথমবার ফ্ল্যাট কিনেছেন? ফ্ল্যাটের চাবি হাতে পেলে একটা অদ্ভুত অনুভূতি হয়। মনে হয় দুনিয়াটা জয় করে ফেলেছেন। পরিবারের সবাই খুশি। বাবা-মা গর্বিত। স্ত্রী Pinterest খুলে বসে আছেন।

কিন্তু এই খুশির মধ্যেই একটা ভয় কাজ করে। ভয়টা হলো, এখন কী করবো?

ইন্টেরিয়র ডিজাইনার খুঁজবো? নাকি আগে কিছু করার আছে? টাইলস আগে, নাকি ইলেকট্রিক আগে? বাজেট কত রাখবো?

এই প্রশ্নগুলো সবার মাথায় আসে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ উত্তর না জেনেই কাজ শুরু করে দেন। তারপর ছয় মাস পর বুঝতে পারেন, কিছু ভুল হয়ে গেছে। সেই ভুল ঠিক করতে আবার লাখ টাকা খরচ।

আজকে সেই ১০টা কাজের কথা বলবো যেগুলো ইন্টেরিয়র শুরু করার আগে করা দরকার। এগুলো কেউ বলে না। কিন্তু না করলে পরে আফসোস হয়।

১. ডেভেলপারের কাছ থেকে structural drawing নিন

এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। অথচ ৯০% মানুষ করেন না।

Structural drawing হলো আপনার ফ্ল্যাটের হাড়-গোড়ের ছবি। এটা দেখলে বোঝা যায় কোন দেয়ালটা load-bearing, আর কোনটা partition wall। Load-bearing wall ভাঙা যায় না। ভাঙলে বিল্ডিংয়ের ক্ষতি হয়। Partition wall সরানো যায়, এমনকি ভেঙে দেওয়া যায়।

ধরুন আপনি দুটো ছোট ঘর মিলিয়ে একটা বড় ঘর করতে চান। মাঝখানের দেয়ালটা কি ভাঙা যাবে? Structural drawing ছাড়া কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারবে না।

ডেভেলপারের অফিসে গিয়ে বলুন, "আমার ফ্ল্যাটের structural drawing দিন।" তারা দিতে বাধ্য।

২. প্রতিটা দেয়াল চেক করুন, স্যাঁতসেঁতে কি না

ঢাকায় একটা কথা আছে, "নোনা ধরেছে।" এই নোনা মানে দেয়ালে স্যাঁতসেঁতে ভাব। বাইরের দিকের দেয়ালে এটা বেশি হয়। উপরের তলায় ছাদ থেকে পানি চুঁইয়ে আসে। নিচের তলায় মাটি থেকে আর্দ্রতা উঠে আসে।

নতুন ফ্ল্যাটেও এই সমস্যা থাকতে পারে। ডেভেলপার waterproofing ঠিকমতো না করলে প্রথম বর্ষাতেই ধরা পড়বে।

কীভাবে চেক করবেন? সহজ। দেয়ালে হাত রাখুন। ঠান্ডা লাগলে সমস্যা আছে। কোণায় কালো দাগ দেখলে সমস্যা আছে। পেইন্ট ফুলে উঠলে সমস্যা আছে।

এই সমস্যা ইন্টেরিয়রের আগে ঠিক করতে হবে। না করলে লাখ টাকার পেইন্ট ছয় মাসে নষ্ট হবে। Damp-proof treatment এটা ইন্টেরিয়রের আগে করার কাজ, পরে না।

৩. সব electrical point আর plumbing line টেস্ট করুন

সুইচ টিপে দেখুন লাইট জ্বলে কি না। প্লাগে ফোনের চার্জার লাগিয়ে দেখুন কাজ করে কি না। বাথরুমে পানি ছেড়ে দেখুন চাপ কেমন। কোনো পয়েন্টে পানি লিক করছে কি না।

এগুলো বোরিং কাজ। কিন্তু এখন ধরা না পড়লে ইন্টেরিয়রের পর ধরা পড়বে। তখন টাইলস ভাঙতে হবে, ফলস সিলিং খুলতে হবে। খরচ তিনগুণ।

একটা সিম্পল চেকলিস্ট বানিয়ে নিন। প্রতিটা ঘরের প্রতিটা সুইচ, প্লাগ, পানির কল, সব টেস্ট করুন।
সমস্যা পেলে ডেভেলপারকে জানান। হ্যান্ডওভারের পরেও বেশিরভাগ ডেভেলপার এই ধরনের ছোট সমস্যা ঠিক করে দেন।

৪. এখনই সব electrical point প্ল্যান করুন। পরে করলে ৩-৫ গুণ খরচ

এটা সবচেয়ে বড় ভুল যেটা প্রথমবার ফ্ল্যাট কেনা মানুষেরা করেন।

ডেভেলপার যে electrical point দেয়, সেটা basic। প্রতি ঘরে দুটো-তিনটা প্লাগ। একটা লাইট। একটা ফ্যান। ব্যস।

কিন্তু আপনার আসল দরকার অনেক বেশি। ভাবুন, AC-র জন্য আলাদা ১৬ অ্যাম্পিয়ার সকেট লাগবে। কিচেনে ওভেনের জন্য আলাদা লাইন লাগবে। ওয়াশিং মেশিনের জন্য আলাদা সকেট। প্রতিটা বেডের দুই পাশে USB charging point। TV-র পেছনে ৩-৪টা সকেট। স্টাডি টেবিলে কম্পিউটার, মনিটর, রাউটারের জন্য আলাদা সকেট।

এগুলো ইন্টেরিয়র শুরু করার আগে ঠিক করতে হবে। কারণ ইলেকট্রিক লাইন দেয়ালের ভেতর দিয়ে যায়। পেইন্ট করার পরে, ফলস সিলিং লাগানোর পরে নতুন লাইন দিতে গেলে সব ভাঙতে হবে।

একটা কাগজে ফ্ল্যাটের ম্যাপ আঁকুন। প্রতিটা ঘরে কোথায় কী আসবে, সেটা বসিয়ে দিন। তারপর ইলেকট্রিশিয়ানকে দেখান। এই কাজটা এখন করলে খরচ ১০-১৫ হাজার টাকা। পরে করলে ৫০-৭০ হাজার।

৫. ফ্লোরিং সবার আগে ঠিক করুন

অনেকে মনে করেন ফ্লোরিং পরে ঠিক করলেও হবে। এটা ভুল।

কারণ tile adhesive-এর একটা নির্দিষ্ট পুরুত্ব আছে। এই পুরুত্বের ওপর নির্ভর করে আপনার ঘরের floor level কোথায় দাঁড়াবে। Floor level ঠিক না থাকলে দরজা আটকে যায়। বাথরুমের পানি বাইরে চলে আসে। একটা ঘর থেকে আরেকটা ঘরে যেতে একটু উঁচু-নিচু লাগে।

আরেকটা ব্যাপার আছে। ধরুন আপনি লিভিং রুমে wood-look টাইলস দেবেন, বেডরুমে সাধারণ টাইলস, আর বাথরুমে anti-skid টাইলস। তিন ধরনের টাইলসের পুরুত্ব তিন রকম। এগুলো একই level-এ আনতে হলে adhesive-এর পুরুত্ব adjust করতে হয়। এটা শুরুতেই প্ল্যান না করলে পরে গণ্ডগোল হয়।

তাই ইন্টেরিয়রের প্রথম সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত, কোন ঘরে কী ধরনের মেঝে হবে।

৬. বিল্ডিং কমিটির অনুমতি নিন

এটা অনেকে জানেন না। কিন্তু না জানলে বিপদে পড়বেন।

ঢাকার বেশিরভাগ অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিংয়ে একটা কমিটি থাকে। ইন্টেরিয়র কাজ শুরু করতে হলে তাদের কাছ থেকে অনুমতি লাগে।

অনুমতি ছাড়া মিস্ত্রি ভেতরে ঢুকতে পারবে না। ম্যাটেরিয়াল আনতে পারবে না। লিফট ব্যবহার করতে পারবে না। কাজের সময়সীমা থাকে। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। শুক্রবার কাজ বন্ধ।
তাই আগে বিল্ডিং কমিটির সাথে কথা বলুন।

৭. খালি ফ্ল্যাটের ছবি তুলে রাখুন

এটা সবচেয়ে সহজ কাজ। অথচ কেউ করে না।

ফোন দিয়ে প্রতিটা ঘরের ছবি তুলুন। দেয়ালের কোণা, সিলিংয়ের জয়েন্ট, বাথরুমের পাইপিং, কিচেনের গ্যাস লাইন, সব। ভিডিও করলে আরো ভালো।

কেন? কারণ ইন্টেরিয়রের কাজ শুরু হলে দেয়াল ঢেকে যাবে। ফলস সিলিং লাগলে ছাদ দেখা যাবে না। ওয়ার্ডরোব বসলে পেছনের দেয়াল আর দেখতে পাবেন না।

কিন্তু পরে যদি কোনো সমস্যা হয়, পানি লিক, ইলেকট্রিক ফল্ট, ড্যাম্প, তখন এই ছবিগুলো কাজে আসবে। কোথায় পাইপ আছে, কোথায় ওয়্যারিং গেছে, সব বোঝা যাবে। ডেভেলপারের সাথে কোনো বিবাদ হলেও এই ছবি প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে।

৫ মিনিটের কাজ। কিন্তু পরে হাজার টাকার সমস্যা বাঁচাতে পারে।

৮. বাস্তবসম্মত বাজেট ঠিক করুন। আর ১৫% contingency রাখুন

ইন্টেরিয়রের বাজেট ঠিক করা কঠিন। কারণ বেশিরভাগ মানুষ জানেন না কোন জিনিসে কত খরচ হয়।
একটা সাধারণ হিসাব দিই। ঢাকায় ১,২০০ স্কয়ার ফিটের একটা ফ্ল্যাটে ইন্টেরিয়র করতে মোটামুটি তিনটা range আছে:

বাজেট: ১০-১৫ লাখ টাকা। সিম্পল ডিজাইন, লোকাল ম্যাটেরিয়াল, বেসিক ফিটিংস।

মিড-রেঞ্জ: ২০-৩৫ লাখ টাকা। ভালো মানের marine plywood, Hettich hardware, quartz countertop।

প্রিমিয়াম: ৪০-৬০ লাখ+ টাকা। ইম্পোর্টেড ম্যাটেরিয়াল, Hafele fittings, কাস্টম ডিজাইন।

কিন্তু যত বাজেটই ঠিক করুন, ১৫% বাড়তি রাখুন। এটাকে বলে contingency fund। ইন্টেরিয়রের কাজে অপ্রত্যাশিত খরচ আসবেই। ইলেকট্রিক rewiring দরকার হতে পারে। দেয়ালে ড্যাম্প ট্রিটমেন্ট লাগতে পারে। টাইলসের দাম বাড়তে পারে। কিচেনে একটা extra cabinet দরকার হতে পারে।

১৫% রাখলে মাথা ঠান্ডা থাকে। না রাখলে কাজের মাঝখানে টাকা শেষ হয়ে যায়। অর্ধেক করা ইন্টেরিয়রে থাকা, এর চেয়ে খারাপ অভিজ্ঞতা আর নেই।

৯. টাইমলাইন বুঝে নিন। তাড়াহুড়ো করবেন না

ইন্টেরিয়রের কাজে সময় লাগে। এটা মেনে নিতে হবে।

সাধারণত ঢাকায় একটা ২ বেডরুমের ফ্ল্যাটে ইন্টেরিয়র করতে ৬-৮ সপ্তাহ লাগে। ৩ বেডরুমে ৮-১২ সপ্তাহ। কিন্তু এটা হলো ideal timeline। বাস্তবে ম্যাটেরিয়াল দেরিতে আসে। মিস্ত্রি অন্য সাইটে ব্যস্ত থাকে। বৃষ্টির সময় কাজ ধীর হয়।

তাই ৪৫ দিনের প্রজেক্ট ৭৫-৯০ দিনে শেষ হলে অবাক হবেন না।

কী করবেন? শুরুতেই একটা পরিষ্কার timeline ঠিক করুন। কোন কাজ কোন সপ্তাহে হবে, লিখে রাখুন। মাইলস্টোন ঠিক করুন। আর যদি সম্ভব হয়, চুক্তিতে delay penalty রাখুন।

তবে সবচেয়ে জরুরি কথা, তাড়াহুড়ো করবেন না। তাড়াহুড়ো করলে কাজের মান খারাপ হয়। একটু দেরি হোক, কিন্তু ভালো হোক।

১০. ঠিকাদার বা ডিজাইনার যাচাই করুন। লিখিত quote নিন

ঢাকায় ইন্টেরিয়র ফার্মের অভাব নেই। Facebook-এ সার্চ করলে শত শত পেজ আসবে। কিন্তু সবাই ভালো না। কিছু ফার্ম সুন্দর 3D render দেখিয়ে কাজ নেয়, তারপর সস্তা ম্যাটেরিয়াল দিয়ে তৈরি করে।
কীভাবে যাচাই করবেন?

তাদের আগের কাজ দেখুন। 3D render না, আসল ছবি। সাইটে গিয়ে দেখতে পারলে সবচেয়ে ভালো।
আর সবচেয়ে জরুরি, বিস্তারিত লিখিত quote নিন। শুধু "কিচেন ৩ লাখ" না। কোন ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার হবে, কোন ব্র্যান্ডের hardware, কত স্কয়ার ফিটে কত টাকা, সব লেখা থাকতে হবে। Marine plywood বলে particle board দিলে ধরতে পারবেন।

ভালো ইন্টেরিয়র ফার্ম itemized quote দিতে কখনো আপত্তি করে না। যারা আপত্তি করে, তাদের থেকে দূরে থাকুন।

নতুন ফ্ল্যাটে ঢোকার উত্তেজনায় অনেক কিছু মাথায় থাকে না। এটা স্বাভাবিক। কিন্তু এই ১০টা কাজ যদি আগে করে নেন, তাহলে বাকি সব কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়।

ইন্টেরিয়র শুধু সুন্দর করার ব্যাপার না। এটা আপনার পরিবারের পরবর্তী ১০-১৫ বছরের আরামের ব্যাপার। একটু সময় নিন। একটু ভাবুন। তারপর শুরু করুন।

20/03/2026

ঢাকা ডিজাইনার পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা। 🌙

17/03/2026

বসুন্ধরা জি ব্লকে 1650 স্কয়ার ফিটের সাউথ ফেসিং ফ্ল্যাট বিক্রি হচ্ছে।

বসুন্ধরা জি ব্লক। বসুন্ধরার সবচেয়ে পুরাতন এবং সেটেল্ড এলাকাগুলোর একটি।
এখানে 1650 স্কয়ার ফিটের একটি তিন বেডরুম অ্যাপার্টমেন্ট এখন বিক্রি হচ্ছে।

🏠 যা যা পাচ্ছেন:
— ৩ বেডরুম, ৩ বাথরুম
— ২টি বড় বারান্দা
— বিশাল কিচেন + স্টোরেজ
— ১টি পার্কিং
— সাউথ ফেসিং, প্রচুর আলো-বাতাস

📍 লোকেশনের সুবিধা:
— ওয়াকিং ডিস্টেন্সে সানিডেইল স্কুল
— ওয়াকিং ডিস্টেন্সে মসজিদ
— ফুললি ডেভেলপড কমিউনিটি

বিল্ডিং হ্যান্ডওভার হয়েছে ২০২১ সালে। প্রতিটি ফ্ল্যাটের মালিক নিজেই এখানে থাকেন। সামনে ওপেন স্পেস আর সুন্দর বাগান আছে।
প্রাইস ও অন্যান্য তথ্যের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

📍 Dhaka Designer
Level 1, House 2/A, Road 2/1, Block L, Banani, Dhaka 1213, Bangladesh
📞 +8801783014360
🌐 ddaml.com

02/03/2026

বসুন্ধরা এন ব্লক VIP জোনে ৩০ কাঠার ল্যান্ড শেয়ার প্রজেক্ট | ৩০০০ sqft লাক্সারি অ্যাপার্টমেন্ট

🏗️ প্রতিটি অ্যাপার্টমেন্ট ৩০০০ sqft, ৪ বেডরুম, ড্রইং, ডাইনিং, ফ্যামিলি লিভিং, কিচেন, সার্ভিস রুম
🚗 প্রতি অ্যাপার্টমেন্টে ২টি ডেডিকেটেড পার্কিং
🌿 ৬০% ওপেন স্পেস, জগিং ট্র্যাক এবং বাচ্চাদের খেলার জায়গা
📐 ২৪০ ফিট চওড়া দক্ষিণমুখী প্লট, সামনে আনলিমিটেড ভিউ ও আলো বাতাস
🏥 বসুন্ধরা হাসপাতাল, মসজিদ, অ্যামিউজমেন্ট পার্ক এবং বসুন্ধরা বাজার প্রতিদিনের কাছে
🔑 ফেয়ারফেস ফিনিশ, সর্বোচ্চ লাক্সারি স্ট্যান্ডার্ড

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন।
📍 Dhaka Designer
Level 1, House 2/A, Road 2/1, Block L, Banani, Dhaka 1213, Bangladesh
🌐 ddaml.com
📞 +880 1705 847 906
✉️ [email protected]

ফেনিতে করা ছোট্ট একটা বাংলো বাড়ি প্রজেক্ট। একতলা বাড়ি ইদানীং দেখাই যায়না । তবে আপনার যদি বড় জমি থাকে, দোতলা বাড়িতে না থে...
20/02/2026

ফেনিতে করা ছোট্ট একটা বাংলো বাড়ি প্রজেক্ট।
একতলা বাড়ি ইদানীং দেখাই যায়না । তবে আপনার যদি বড় জমি থাকে, দোতলা বাড়িতে না থেকে একতলাতেই থাকা কিন্তু ভালো। হাঁটাহাঁটিতে সুবিধা আর আগের দিনের সেই পুরাতন স্মৃতিগুলোও ফিরে ফিরে আসে।

আফতাবনগরে মাত্র আড়াই কাঠার উপরে ডিজাইন করা G+5 একটি Apartment building.  বিল্ডিং এর উপরে ডুপ্লেক্স আছে ।
20/02/2026

আফতাবনগরে মাত্র আড়াই কাঠার উপরে ডিজাইন করা G+5 একটি Apartment building. বিল্ডিং এর উপরে ডুপ্লেক্স আছে ।

Address

Level 1, House: 2/A, Road : 2/1, Block: L, Banani
Dhaka
1213

Opening Hours

Monday 09:00 - 19:30
Tuesday 09:00 - 19:30
Wednesday 09:00 - 19:30
Thursday 09:00 - 19:30
Saturday 08:00 - 19:30
Sunday 08:00 - 19:30

Telephone

+8801718271898

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhaka Designer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dhaka Designer:

Share

Category