Sebamedicine.mirpur

Sebamedicine.mirpur For your good health.

09/01/2025
01/11/2024

আসুন সবাই একসাথে ডেংগু মোকাবিলা করি...

সূর্যের রশ্মিতে থাকা অতি বেগুনি রশ্মি চুলের জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে চুল অনেক বেশি রুক্ষ্ম হয়ে যায় এবং চুল পড়ার সমস্যা তৈরি ...
25/07/2016

সূর্যের রশ্মিতে থাকা অতি বেগুনি রশ্মি চুলের জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে চুল অনেক বেশি রুক্ষ্ম হয়ে যায় এবং চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়।

যে বাজে অভ্যাসগুলোর কারণে প্রতিদিন চুল পড়ছে আপনার এবং ঠেকাতে পারছেন না:

প্রতিদিন আমরা নিজের অজান্তেই এমন কিছু বাজে অভ্যাসের সাথে জড়িয়ে যাই যেগুলো চুলের স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ক্ষতিকর। একজন চুল বিশেষজ্ঞ অ্যালেন বাউম্যান বলেন, ‘প্রতিদিন আমাদের খাদ্যদ্রব্য থেকে শুরু করে জীবন স্টাইলের অন্তর্ভুক্ত এমন কিছু বিষয় রয়েছে যার ফলে আমাদের চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়।’

আসুন জেনে নিই এমন কিছু বাজে অভ্যাস সম্পর্কে-
গরম পানি দিয়ে গোসল :

আমরা অনেকেই গরম পানি দিয়ে গোসল করে থাকি। এর ফলে ত্বকের শুষ্কতা বেড়ে যায়, ত্বক রুক্ষ্ম হয়ে যায়।

এছাড়া গরম পানি চুলেরও বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি করে থাকে যেমন চুল রুক্ষ্ম হয়ে যাওয়া, চুলের আগা ফাটা, চুল ভেঙ্গে পড়ে যাওয়া এমনকি চুল পড়া। তাই গরম পানি দিয়ে গোসলের অভ্যাসটি চুলের জন্য ক্ষতিকর।
হিট স্ট্রেইটনার ব্যবহার :

স্ট্রেইটনার মূলত চুলকে হিট দিয়ে সোজা করতে বা কোঁকড়ানো করতে সহায়তা করে। কিন্তু চুল হিট করার যেকোনো উপকরণই চুলের জন্য ক্ষতিকর। এতে মাথার ত্বকের প্রোটিনের হেরফের হয়, যার ফলে চুলের গোড়া নরম হয়ে চুল পড়ে যায়।
মচমচে খাবার :

যেকোনো খাবার মূলত শরীরে এনার্জী উৎপাদন করে যা হার্ট এবং ব্রেনের কাজে সহায়তা করে। কিন্তু মচমচে বা কুড়মুড়ে খাবার চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

কেননা কুড়মুড়ে খাবার খেতে গেলে তা হার্টে এবং ব্রেনে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে যার ফলে প্রচুর চুল পড়তে পারে। তাছাড়া এই খাবারগুলো স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর।
ভেজা চুল বেঁধে ফেলা :

চুল ভিজিয়ে গোসল করার পরে নিয়ম হল চুল খোলা রেখে ভালো করে শুকিয়ে নেয়া। কিন্তু অনেকেরই একটি বাজে অভ্যাস রয়েছে যে ভেজা চুল বেঁধে রাখা যা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এতে চুলের গোড়া নরম হয়ে যায় যার ফলে চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়।
শক্ত করে চুল বাঁধা :

চুলের গোঁড়ায় কোনো ধরনের প্রেসার না দিয়ে চুল আঁচড়ানো উচিৎ এবং চুল বাঁধা উচিৎ। কিন্তু অনেকেই চুলগুলোকে টেনে অনেক শক্ত করে বাঁধেন যা চুলের জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে চুলের গোঁড়ায় টান পড়ে এবং গোঁড়া নরম হয়ে যায়। ফলে চুল পড়ে যায়।
চুলে ব্যবহার্য বিভিন্ন প্রসাধন সামগ্রী :

চুলকে ঝলমলে আর প্রাণবন্ত করতে আমরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের প্রসাধন সামগ্রী যা আসলে চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কেননা এগুলো সম্পূর্ণভাবে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যা চুলের গোঁড়া নরম করতে সহায়তা করে। আর এর ফলে চুল পড়া সমস্যা তৈরি হয়।
জন্ম নিয়ন্ত্রণ পিল খাওয়া :

জন্ম নিয়ন্ত্রণ পিল খেলে অনেকের হরমোনের পরিবর্তনের কারণে চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়। অ্যালেন বাউম্যান বলেন, ‘ জন্ম নিয়ন্ত্রণ পিলে অ্যান্ড্রোজেন নামক এক ধরনের পদার্থ থাকে যা চুলের গোড়া নরম করতে সহায়তা করে। ফলে প্রচুর চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়।
চুলের ময়লা পরিস্কার না করার অভ্যাস :

চুল পড়ার জন্য এটি খুব বড় একটি কারণ। আমরা অনেক সময় বাইরে ধুলাবালি থেকে এসে চুল পরিস্কার করি না। যার ফলে চুলে জমা হওয়া বিভিন্ন ময়লা চুলের গোঁড়াকে নরম করে তোলে। এর ফলেও চুল পড়ে।
রোদে চুল শুকানো :

সূর্যের রশ্মিতে থাকা অতি বেগুনি রশ্মি চুলের জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে চুল অনেক বেশি রুক্ষ্ম হয়ে যায় এবং চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়।
ঔষধ সেবনের অভ্যাস :

কিছু কিছু ওষুধ খাওয়ার ফলে চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়। যেমন স্টায়াটিন, অ্যান্টি-ডিপ্রেজেন্টস, অ্যান্টি-অ্যানাক্সাইটি এজেন্টস, অ্যান্টি-হাইপারটেনসিভ জাতীয় ঔষধ সেবনে হরমোনের ভারসাম্যের পরিবর্তন হয়ে থাকে। যার ফলে চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়ে থাকে।

যে বাজে অভ্যাসগুলোর কারণে প্রতিদিন চুল পড়ছে আপনার এবং ঠেকাতে পারছেন না:প্রতিদিন আমরা নিজের অজান্তেই এমন কিছু বাজে অভ্যাস...
25/07/2016

যে বাজে অভ্যাসগুলোর কারণে প্রতিদিন চুল পড়ছে আপনার এবং ঠেকাতে পারছেন না:

প্রতিদিন আমরা নিজের অজান্তেই এমন কিছু বাজে অভ্যাসের সাথে জড়িয়ে যাই যেগুলো চুলের স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ক্ষতিকর। একজন চুল বিশেষজ্ঞ অ্যালেন বাউম্যান বলেন, ‘প্রতিদিন আমাদের খাদ্যদ্রব্য থেকে শুরু করে জীবন স্টাইলের অন্তর্ভুক্ত এমন কিছু বিষয় রয়েছে যার ফলে আমাদের চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়।’

আসুন জেনে নিই এমন কিছু বাজে অভ্যাস সম্পর্কে-
গরম পানি দিয়ে গোসল :

আমরা অনেকেই গরম পানি দিয়ে গোসল করে থাকি। এর ফলে ত্বকের শুষ্কতা বেড়ে যায়, ত্বক রুক্ষ্ম হয়ে যায়।

এছাড়া গরম পানি চুলেরও বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি করে থাকে যেমন চুল রুক্ষ্ম হয়ে যাওয়া, চুলের আগা ফাটা, চুল ভেঙ্গে পড়ে যাওয়া এমনকি চুল পড়া। তাই গরম পানি দিয়ে গোসলের অভ্যাসটি চুলের জন্য ক্ষতিকর।
হিট স্ট্রেইটনার ব্যবহার :

স্ট্রেইটনার মূলত চুলকে হিট দিয়ে সোজা করতে বা কোঁকড়ানো করতে সহায়তা করে। কিন্তু চুল হিট করার যেকোনো উপকরণই চুলের জন্য ক্ষতিকর। এতে মাথার ত্বকের প্রোটিনের হেরফের হয়, যার ফলে চুলের গোড়া নরম হয়ে চুল পড়ে যায়।
মচমচে খাবার :

যেকোনো খাবার মূলত শরীরে এনার্জী উৎপাদন করে যা হার্ট এবং ব্রেনের কাজে সহায়তা করে। কিন্তু মচমচে বা কুড়মুড়ে খাবার চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

কেননা কুড়মুড়ে খাবার খেতে গেলে তা হার্টে এবং ব্রেনে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে যার ফলে প্রচুর চুল পড়তে পারে। তাছাড়া এই খাবারগুলো স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর।
ভেজা চুল বেঁধে ফেলা :

চুল ভিজিয়ে গোসল করার পরে নিয়ম হল চুল খোলা রেখে ভালো করে শুকিয়ে নেয়া। কিন্তু অনেকেরই একটি বাজে অভ্যাস রয়েছে যে ভেজা চুল বেঁধে রাখা যা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এতে চুলের গোড়া নরম হয়ে যায় যার ফলে চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়।
শক্ত করে চুল বাঁধা :

চুলের গোঁড়ায় কোনো ধরনের প্রেসার না দিয়ে চুল আঁচড়ানো উচিৎ এবং চুল বাঁধা উচিৎ। কিন্তু অনেকেই চুলগুলোকে টেনে অনেক শক্ত করে বাঁধেন যা চুলের জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে চুলের গোঁড়ায় টান পড়ে এবং গোঁড়া নরম হয়ে যায়। ফলে চুল পড়ে যায়।
চুলে ব্যবহার্য বিভিন্ন প্রসাধন সামগ্রী :

চুলকে ঝলমলে আর প্রাণবন্ত করতে আমরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের প্রসাধন সামগ্রী যা আসলে চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কেননা এগুলো সম্পূর্ণভাবে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যা চুলের গোঁড়া নরম করতে সহায়তা করে। আর এর ফলে চুল পড়া সমস্যা তৈরি হয়।
জন্ম নিয়ন্ত্রণ পিল খাওয়া :

জন্ম নিয়ন্ত্রণ পিল খেলে অনেকের হরমোনের পরিবর্তনের কারণে চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়। অ্যালেন বাউম্যান বলেন, ‘ জন্ম নিয়ন্ত্রণ পিলে অ্যান্ড্রোজেন নামক এক ধরনের পদার্থ থাকে যা চুলের গোড়া নরম করতে সহায়তা করে। ফলে প্রচুর চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়।
চুলের ময়লা পরিস্কার না করার অভ্যাস :

চুল পড়ার জন্য এটি খুব বড় একটি কারণ। আমরা অনেক সময় বাইরে ধুলাবালি থেকে এসে চুল পরিস্কার করি না। যার ফলে চুলে জমা হওয়া বিভিন্ন ময়লা চুলের গোঁড়াকে নরম করে তোলে। এর ফলেও চুল পড়ে।
রোদে চুল শুকানো :

সূর্যের রশ্মিতে থাকা অতি বেগুনি রশ্মি চুলের জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে চুল অনেক বেশি রুক্ষ্ম হয়ে যায় এবং চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়।
ঔষধ সেবনের অভ্যাস :

কিছু কিছু ওষুধ খাওয়ার ফলে চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়। যেমন স্টায়াটিন, অ্যান্টি-ডিপ্রেজেন্টস, অ্যান্টি-অ্যানাক্সাইটি এজেন্টস, অ্যান্টি-হাইপারটেনসিভ জাতীয় ঔষধ সেবনে হরমোনের ভারসাম্যের পরিবর্তন হয়ে থাকে। যার ফলে চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়ে থাকে।

20/07/2016

ব্রণের দাগ দূর করার ৭ উপায়-

ধুলাবালিসহ বিভিন্ন কারণে ত্বকে ব্রণ দেখা দিতে পারে। টিনএইজেও অনেকসময় ব্রণ হয় ত্বকে। তবে বেশিরভাগ সময় ব্রণ দূর হলেও ব্রণের কালচে দাগ রয়ে যায় ত্বকে। যা অত্যন্ত বিব্রতকর। ব্রণের কালচে দাগ দূর করতে পারেন কয়েকটি ঘরোয়া উপায়ে।

জেনে নিন কী কী উপায়ে দূর করতে পারবেন ব্রণের কালচে দাগ-

1.লেবুর রস:
লেবুর রস প্রাকৃতিকভাবে ত্বক ব্লিচ করে। ব্রণের দাগের উপর লেবুর রস লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। লেবুতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিডের কারণে ত্বক সামান্য জ্বলতে পারে। প্রতিদিন লেবুর রস লাগালে কমে যাবে কালচে দাগ।

2.অ্যালোভেরা জেল:
রাতে ঘুমানোর আগে অ্যালভেরা জেল ত্বকের কালচে দাগের উপর লাগিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন ত্বক। নিয়মিত করলে দূর হবে দাগ।

3.কমলা ও হলুদ:
কমলার রস ও হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মিশ্রণটি ব্রণের দাগের উপর লাগিয়ে রাখুন। তিন দিনে একবার এটি ব্যবহার করুন। তবে এটি পুরো ত্বকে ব্যবহার করবেন না।

4.ভিটামিন-ই তেল:
রাতে ঘুমানোর আগে ত্বকের দাগের উপর ভিটামিন-ই তেল লাগিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন ত্বক। এছাড়া আমন্ড অয়েল, পানি ও গ্লিসারিন মিশিয়েও লাগাতে পারেন ত্বকে। চাইলে পুরো মুখেও লাগাতে পারেন এ তেল। দাগ দূর হওয়ার পাশাপাশি ত্বক হবে কোমল।

5.টমেটো:
টমেটো ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করুন। ঠাণ্ডা টমেটো স্লাইস করে কেটে ত্বকে ঘষুন। নিয়মিত করলে ধীরে ধীরে কমে যাবে ব্রণের দাগ।

6.চন্দন:
চন্দনের সঙ্গে গ্লিসারিন মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। পেস্টটি ব্রণের দাগের উপর লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার এটি ব্যবহার করলে দাগ দূর হবে।

7.আপেল সিডার ভিনেগার:
তুলার বল আপেল সিডার ভিনেগারে ডুবিয়ে দাগের উপর চেপে নিন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন ত্বক। প্রতিদিন করলে কমে যাবে কালচে দাগ।

হঠাৎ ক্ষুধা আপনার সম্পর্কে যে তথ্য দেয়শরীরের স্পর্শকাতরতা এবং পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে দেহ ও মন একে অপরের ওপর প্রভা...
18/07/2016

হঠাৎ ক্ষুধা আপনার সম্পর্কে যে তথ্য দেয়

শরীরের স্পর্শকাতরতা এবং পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে দেহ ও মন একে অপরের ওপর প্রভাববিস্তার করে। আবহাওয়ার সঙ্গেও দৈহিক বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঘটে। অনেক সময় দেখা যায়, বিশেষ কোনো খাবার খেতে মন চাইছে। এটা নেশার মতো কাজ করে। হয়তো সকাল উঠে মিষ্টি কিছু খাওয়ার জন্য মনটা আনচান করতে থাকলো। কিংবা ডিনারের পর আইসক্রিম খেতে অস্থিরতা চলে আসলো।

এ ধরনের বৈশিষ্ট্য বেশিরভাগ সময়ই অস্বাস্থ্যকার অভ্যাস হয়ে ওঠে। কিন্তু যখন আপনি দেহ ও মনের সুস্থতায় সচেতন, তখন এ অভ্যাস দারুণ কার্যকর হয়ে উঠতে পারে। এর জন্য কৌশলী হতে হবে। অনেক সময়ই জাঙ্ক ফুড খেতে মন চায়। কিন্তু তা একঘেয়েমি, স্ট্রেস এবং শক্তির অভাববোধের কারণ হতে পারে। নিজের মধ্যে যে অভ্যাস চাঙ্গা হয়ে উঠতে চাইছে তা বোঝার চেষ্টা করুন। দিনের বিভিন্ন সময় মন একেকে জিনিস খাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে উঠতে পারে। সে অনুযায়ী সঠিক জিনিস বাইছয়ের জন্য নিন পরামর্শ।

১. সকাল : নাস্তার পর পরই বা অফিসে হঠাৎ কেক খেতে মন চাইলো। কিংবা হঠাৎ করোই আবার ক্ষুধার্ত হয়ে পড়লেন আপনি। এর অর্থ হলো, আপনার দেহে প্রোটিনের অভাব রয়েছে। এই উপাদানটি আপনার ক্ষুধা নিবারণ করে বহু সময় ধরে। প্রোটিন দেহে নিরেট শক্তি দেয়। সকালে যে প্রোটিন দেহে যায় তা গোটা দিন অ্যামাইনো এসিড সরবরাহ করে। এ ধরনের ক্ষুধায় কার্বোহাইড্রেটপূর্ণ স্ন্যাক্সে আসক্ত না হয়ে প্রোটিনপূর্ণ খাবার বেছে নিন। নাস্তার সঙ্গে একটা সেদ্ধ ডিম খেয়ে নিন। দিনের প্রথম খাবারে তাই যথেষ্ট প্রোটিন থাকা দরকার।

২. দুপুর : লাঞ্চের পর মনে হয়, দেহের চাঙ্গা ভাব কমে আসছে। তখন মনে হয়, এক কাপ কফি খাওয়ার সঠিক সময় এটি। কিন্তু সাবধান!‍ কারণ দুপুরের যে কফি খাবের তা বিপরীত আচরণ করবে। কিছু সময় পর ঘুম জড়িয়ে আসবে দু'চোখে। এর সঙ্গে দুধ মেশালে কিছু ক্যালোরি আসবে ঠিকই। কিন্তু এক কাপ গ্রিন টি সবচেয়ে ভালো পছন্দ হতে পারে। এতে ক্যাফেইনের পরিমাণ কম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রচুর। এই উপাদান মনোযোগী করে তোলে আপনাকে। এক কাপ গ্রিন উপভোগ করে বাইরে মিনিট পাঁচের ঘুরে আসতে পারেন। এতে মানসিক চাপ দূর হয় এবং শক্তি ফিরে আসে। সিঁড়ি বেয়ে কিছুক্ষণ ওঠা-নামা করাতেও ভালো ফল মিলবে।

৩. বিকাল : অফিস বা দিনের ব্যস্ততা শেষে বাড়ি ফিরলেই ক্লান্তি ভর করে দেহে। অথচ বাইরে তেমনটা মনে হচ্ছিল না। এর অর্থ, আপনার দেহে চিনির অভাব ঘটেছে। এ সময়টা মিষ্টি কুকি বা এক পিস চকোলেট খেতে মন চায়। এতে ডোপামাইনের ক্ষরণ ঘটে। সুখকর অনুভূতি আসে। বিষয়টি মাথায় রেখে গোটা দিনে চিনি খাওয়ার পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে। কিন্তু চিনি কখনোই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। তাই বাড়িতে ফিরে নিজের প্রতি মনোযোগ দিন। কয়েক মিনিটের মেডিটেশন আপনাকে ফিরিয়ে আনতে পারে। এতে কেন্দ্রিয় স্নায়বিকব্যবস্থা অবসাদ থেকে বেরিয়ে আসবে। বিকালকে সামনে রেখে এমন প্রস্তুতি রাখুন।

৪. রাত : ডিনারের পর দাঁতগুলো শান্তি পায় না। শুধু মিষ্টি কোনো খাবার চিবাতে মন চায়। এমনটা হলে বুঝে নিন গোটা দিনের খাদ্য তালিকা থেকে আপনি সঠিক উপাদান পাননি। অনেকেই এ সময়টা মাথায় রেখা বাড়ি আইসক্রিম বা মিষ্টি খাবার রাখেন। চিনিপূর্ণ খাবারগুলো এড়িয়ে চলা ভালো। অন্য কোনো পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। হালকা উষ্ণ এক গ্লাস দুধ খেতে পারেন। সেই সঙ্গে রাতে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে ভুল করবেন না। এতে আপনার ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

13/07/2016

প্লাস্টিক বোতলে বারবার পানি পানে লিভার-কিডনি বিকল-

দোকানে মিনারেল ওয়াটার, কোকা-কোলা, সেভেনআপ, স্প্রাইট, আরসি কোলা ইত্যাদি পানীয় এবং বিভিন্ন ফলের জুস পাওয়া যায় প্লাস্টিকের বোতলে। এ বোতলগুলো পলিইথিলিন টেরেপথেলেট নামের প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি। যা একবার ব্যবহার্য। কিন্তু এ বোতলগুলো হরহামেশাই একাধিকবার ব্যবহার হচ্ছে। আমরা প্রায় সবাই এগুলো সপ্তাহ বা মাস ধরে বারবার ব্যবহার করি। বস্তুত যতোদিন নষ্ট না হচ্ছে, ততোদিনই ব্যবহার করি।

বাইরে বের হলে সঙ্গে পানি বহন বা ফ্রিজে রাখার জন্য এই প্লাস্টিকের বোতলই ভরসা। কারণ আলাদা করে পরিষ্কার করার প্রয়োজন পড়ে না। আমরা ভেবে থাকি, বোতলে পানিই তো ছিল, ময়লা হওয়ার সুযোগ কোথায়। কিন্তু আসলেই কি তাই? তাহলে সাবধান। প্লাস্টিক বোতলের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে মহাবিপদ। একই প্লাস্টিক বোতল বারবার ব্যবহারের ফলে শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে নানা রোগ। ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই তথ্য।

পানিবাহিত রোগ থেকে বাঁচতে বাইরে থেকে পানি কিনে খান অনেকে। আবার সেই পানির বোতলেই পানি ভরে ব্যবহার করেন। বারবার এই প্লাস্টিক বোতল ব্যবহারের ফলে জন্ডিসসহ বিভিন্ন পেটের সমস্যাজনিত রোগ দানা বাঁধছে শরীরে।

যাদবপুরের কেমিক্যাল ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক সিদ্ধার্থ দত্ত বলেন, ‘বাজারে যেসব প্লাস্টিকের বোতল বিক্রি হয়, সেগুলো নষ্ট হয় না। বহুদিন থেকে যায়। আর এই প্লাস্টিকের বোতল বারবার ব্যবহার করলে তার মধ্যে প্যাথজেনিক ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়। যা স্বাস্থ্যের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকর।’

সিদ্ধার্থ দত্ত বলেন, ‘আমরা পানি পান করি। তারপর সেই বোতলের মুখ ভালো করে বন্ধ করি না। বোতলে আবার পানি ভরলে, চিনি বা গ্লুকোজ জাতীয় তরল ভরলে তা থেকে ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয়। এর থেকে জন্ডিস, লিভার ও কিডনির সমস্যা হতে পারে।’

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এই গবেষণার এক সদস্য উত্তরীয় রায় বলেন, ‘প্লাস্টিকের বোতল ভালো করে না ধুয়ে আবার পানি পান করলে ব্যাকটেরিয়া শরীরে যেতে পারে। তবে যে ব্যাকটেরিয়া সবচেয়ে বেশি শরীরে ঢোকে তা হল কে টেরিজেনা।’

তিনি আরো বলেন, ‘শিশুদের যেভাবে প্লাস্টিকের ফিডিং বোতলে দুধ খাওয়ানো হয়, তাতে শিশুদের শরীরেও ব্যাকটেরিয়া যায়। যার ফলে শিশুদের ফুসফুসের সমস্যা হতে পারে। এই বিপদ থেকে বাঁচতে প্লাস্টিকের বোতল ভালো করে ধুয়ে পানি পান করতে হবে।’ পারলে প্লাস্টিকের বোতল বারবার ব্যবহার না করার পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকরা।

16/06/2016

জেনে নেই কিডনি নষ্টের গুরুত্বপূর্ণ সেই কারণসমূহ :

১। প্রস্রাব আটকে রাখা।
২। পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
৩। অতিরিক্ত লবন খাওয়া।
৪। যেকোনো সংক্রমণের দ্রুত চিকিৎসা না করা।
৫। মাংস বেশি খাওয়া।
৬। প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া।
৭। অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন।
৮। ওষুধ সেবনে অনিয়ম।
৯। অতিরিক্ত মদ খাওয়া।
১০। পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেয়া।

মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের মত কিডনিও আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিডনিকে মানব দেহের ফিল্টার বলা হয়। কারণ কিডনি প্রাণী শরীরের পানি ফিল্টার করে আমাদের সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কিডনির যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে বেঁচে থাকাও আর সম্ভব নয়। তাই নিয়ম করে শরীরের যত্ন নিন।

কিডনি ও কিডনি রোগ সম্পর্কে জানুন এবং সচেতন হোন।

# আপনি জানেন কি, আপনার দুটো কিডনি প্রতিদিন প্রায় ১৭০ লিটার রক্ত পরিশোধিত করে আপনার শরীরকে সুস্থ রাখে?

# দুটো কিডনিতে প্রায় ২০-২৫ লাখ ছাঁকনি রয়েছে, যা অনবরত আপনার রক্তকে পরিশোধিত করে যাচ্ছে।

# কিডনি আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে এবং আপনার অস্থিগুলো শক্তিশালী করে থাকে।

# কিডনির প্রধান রোগ নেফ্রাইটিস বা নেফ্রোটিক সিনড্রোম, যা কিডনির ছাঁকনি বা ফিল্টার মেমব্রেনকে ক্ষতবিক্ষত করে। এর কারণে শরীর থেকে অত্যাবশ্যক প্রোটিন বেরিয়ে যায়।

# প্রস্রাব প্রদাহ কিডনির একটি সাধারণ রোগ হলেও শিশুদের ক্ষেত্রে মারাত্মক হতে পারে।

# ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ কিডনি রোগ নয়, তবু কিডনিকে আক্রান্ত করে কিডনির কার্যকারিতা কমিয়ে মারাত্মক জটিলতার সৃষ্টি করে।

# যেসব রোগ কিডনিকে আক্রান্ত করে কিডনির কার্যকারিতা বিনষ্ট করে বা কিডনি ফেইলার হয়: ১. নেফ্রাইটিস ২. ডায়াবেটিস ও ৩. উচ্চ রক্তচাপ। সুতরাং

# ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ডায়াবেটিস রোগী কিডনি রোগে ভোগে থাকে।

# আপনার বয়স যদি ৪০ বছরের ওপরে হয়, আপনি যদি ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগে থাকেন অথবা বংশে যদি কিডনি রোগ থাকে, তবে অবশ্যই আপনার রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা করে জেনে নিন, আপনার কিডনি রোগ আছে কি না।

# মেয়েদের গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ পরবর্তী পর্যায়ে কিডনি রোগের কারণ হতে পারে।

# শুধু রক্তচাপ, প্রস্রাব পরীক্ষা এবং রক্তের ক্রিয়েটিনিন ও সুগার পরীক্ষা করেই জানা যায় কিডনি রোগ আছে কি না।

বাংলাদেশে বর্তমানে দুই কোটি লোক কোনো না কোনো কিডনি রোগে আক্রান্ত। প্রাথমিক পর্যায় থেকে এসব রোগের চিকিৎসায় যত্নবান হোন এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

Address

ECB Chattar, Dhaka Cantonment, Dhaka
Dhaka
1216.

Opening Hours

Monday 09:30 - 19:30
Tuesday 09:30 - 19:30
Wednesday 09:30 - 19:30
Thursday 09:30 - 19:30
Saturday 09:30 - 19:30
Sunday 09:30 - 19:30

Telephone

01743344744

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sebamedicine.mirpur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sebamedicine.mirpur:

Share