গঁল্পঁ লেঁখঁকঁ আঁবিঁরঁ

গঁল্পঁ লেঁখঁকঁ আঁবিঁরঁ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from গঁল্পঁ লেঁখঁকঁ আঁবিঁরঁ, Real Estate, Barishal, Dhaka.

25/03/2024

❝বউ এর সাথে মারামারি ❞ →Romantic Love Story

Story No→3

লেখকঃআবির🙂

আবিরঃ তোর চুল ছিইড়া দিমু তুই মানুষ চিনিষ হ্যা।

মারিয়াঃআয় ছিড়তে তোরে আমি কিছু বলি না এটা ভাবসিন না আমি বোবা।বুঝলি আমি চাইলে তোর পাও ভাংতে পারি।

আবিরঃএয়য় আইছে পা ভাংবে তা হলে তুই আসতো থাকবি।

মারিয়াঃকী করবি হ্যা কী করবি পারলে গায় তুলে দেখ।

আবিরঃতুই দেখ হাত তুলে।

মারিয়াঃআমি ওর চুল টেনে দড়লাম। কী করবি হ্যা কী করবি।

আবিরঃমারিয়া চুল ছাড় ভালো হবে কিন্তু বলে দিলাম।

মারিয়াঃছাড়মু না তোর চুল আজ সব ছিড়ে ফেলমু।

আবিরঃআমি ওর গাল কামরে দড়লাম।🤢

মারিরাঃউহহহ 😫তুই আমার গাল কামরে দড়লি তোর এতো সাহস। ছাড় বলছি কিন্তু 😡😡

আবিরঃআমার চুল ছাড় ছেড়ে দিমু।

মারিয়াঃ😰😰😰 ও আম্মু আমারে মারতেছে😰 গলা চেপে দড়ে না কী মরে ফেলবে বাঁচাও বাঁচাও😰

আবিরঃএই চুপ😡 আম্মুকে ডাকবি না।

মারিয়াঃতুই দেখবি আমি কী করি তুই আমাকে মার দিসিন না দেখ তুই আমি ওর চুল টেনে খাটে ফেলে দিলাম। তার পড়ে ওর বুকের উপারে কামরে🤢 দড়লাম এই মারিয়াকে কামর দেয়া মারিয়া কে।😡

আবিরঃ😭😭 এই কুত্তা ছাড় ব্যাথা পাইতেছি কিন্তু।

মারিয়াঃতোর আজ দেখিস কী করি।

আবিরঃবউ আমি সরি ছাড়ো😭😭 ওমা ওমা মরে গেলাম।

মারিয়াঃতোর আজ মেরেই ফেলমু তুই শুদু শুদু আমার সাথে কেনো জগড়া করলি।

আবিরঃআর করবো না প্লিজ ছেড়ে দাও😭😭

মারিয়াঃআজ আর ছাড়মু না এখন তোর বুকের ওইটা ও কামর দিমু আর এতো জোড়ে দিমু পুরো রক্ত বেড় করে ছাড়মু😡

আবিরঃআমি সরি তবুও আর দিও না ও সোনা বউ😭

মারিয়াঃছাইড়া দিলাম।

আবিরঃও ছাড়ার সাথে আমি উঠে বসে পরি বুকের উপারে একটা কামর পড়ে আছে প্রচুর ব্যাথা করতেছে কুত্তা তোরে আমি ছাড়বো না😭😭

মারিয়াঃআর লাগতে আসিস না আমার সাথে বুজলি

আবিরঃতুই জগড়াইটা তোর সাথে লাগবে না তো কার সাথে লাগবে একটা পাগল বিয়া করসি।

মারিয়াঃকী আমি পাগল।

আবিরঃহা রে আল্লাহ কী বললাম আবারও।

মারিয়াঃআমি ওর চুল আবাও টেনে দড়লাম।কী আমি আবার বলতো।

আবিরঃতুমি ভালো তোমার মতন বউ জানো সবার হয়😭😭 ছাড়ো।

মারিয়াঃআমি ওকে ছেড়ে দিলাম আমার না কী চুল ছিড়বি পারলে ছিড়িস 😡

আবিরঃআমি মনে মনে বলতেছি তোরে আমি ছাড়বো না আামর আজ মারসিস না মনে রাখিস বিড়াল ।

মারিয়াঃ😏😏😏😏

আবিরঃদেখ ভেংচি কাটবি না মুখ কিন্তু ফাঠাইয়া দিমু কিন্তু ।

মারিয়াঃতুই কী ফাঠাবি হ্যা পারলে ফাঠা😡 দেখ আর মারতে চাইনা তোকে😡 বুঝলি। এমনিতেই অনেক মারছি মনের আশা টা পুরান হইয়া গেছে☺️

আবিরঃআবার মারতে আসিস তোরেও দিমু দেখিস।

মারিয়াঃহ্যা কী যে করবি জানা আছে😡 আমার সাথে তুই কোনো দিনও পারবি না।

আবিরঃভাই রে😭 কোনো দিন প্রেম করে বিয়া করো না😭 এয় আমার খালি মারে😭 উঠতে বসতে চিমটি দিবে না হয় চুল টেনে দড়বে আমি একটু পাড়ি না ওর সাথে একটা যদি দী কোনো সময় আমারে ১০ টা দিবে তার পড়েও আরো মারবে। আমারে খালি মারে।

মারিয়াঃএই সোনা জামাই আমি গেলাম😒

আবিরঃও চলে গেলো আমি চুপ হয়ে শুয়ে পড়লাম কোন বউ যে জুটলো আমার কপালে😭 পারি না মারতে😭 শুদু শুদু মাইর খেয়েই যাই। কেনো যে বিয়া করলাম বিয়া কইরা যদি খালি বউয়ের হাতে মাইর খাই এমন বউ দিয়া কী করমু🥹

রাতের বেলা বউ দেখি বালিশ নিয়া কোথায় যাইতেছে

কী হলো কোথায় যাও হ্যা।

মারিয়াঃআমি ঘুমামু না তোমার সাথে সকাল বেলা শুদু শুদু মারছো আমাকে।

আবিরঃএয় কী বললা মারলা দী তুমি আমাকে।

মারিয়াঃমারতে চাইছো কেনো ছো আমি ঘুমামু না তোমার সাথে আমি উঠে অন্য রুমে যাবো এমন সময় ও আমাকে টেনে দড়লো। ছাড়তে বলছি কিন্তু ছাড়ো।

আবিরঃএখন যদি মারো তবুও ছাড়বো না।

মারিয়াঃআচ্চা তা হলে আবারও মারি 🙈🙈

আবিরঃএই না না প্লিজ😭😭বউ তুমি কেনো এমন করো আমার সাথে

মারিয়াঃএই একদম চুপ তুমি সব কিছু করো।

আবিরঃআমি কিছু করি না শুদু শুদু মারো আমাকে

মারিয়াঃআরো মারবো তাতে তোমার কী হুমম। তোমারে না খালি মারতে মন চায় সেটা কী আমার দোশ বলো।

আবিরঃ কী বললা🥹🥹দেখো না বুকের উপারে ওই জায়গাটা এখনো লাল হয়ে আছে।

মারিয়াঃও ইশ কী কিউট দেখতেছে ওইটা। ইশশ কী নরম কামর দিতে ভালো লাগে পুরো তোমার বুকের ওইটায় দাত বসাতে সেই লাগে 😑 ওই টাতে আবার কামর দিতে ইচ্চে করতেছে দিবো একটা প্লিজ দী একটা ।🙈🙈

আবিরঃআমি ওই জায়গা সাথে সাথে চেপে দড়লাম এবার দিলে মনে হয় আমি শেষ তাই। এমনিতেই ব্যাথা হয়ে আছে।

মারিয়াঃহি হি হি ভয় পেও না আমার জামাই ওটায় দিমো না অন্য একটা আছে না ওইটা দিবো🙈🙈

আবিরঃএই না তোমার সাথে আর জগড়া করবো না😭

মারিয়াঃপ্রমিচ করো।

আবিরঃপ্রমিচ😑 প্রমিচ এর মায়রে বাপ তোরে তো আজ কামর দিয়েই ছাড়বো এটা আমি মনে মনে বললাম।

মারিয়াঃঠিক আছে।

আবিরঃওই সোনা একটা পাপ্পি দী। খুব একটা পাপ্পি দিতে ইচ্ছে করতেছে

মারিয়াঃদাও।

আবিরঃ আমি ওকে জড়িয়ে দড়ে ওর ঠোঁট জোড়া আমার ঠোঁটের ভিতরে নিলাম কিছু খন রাখার পড়ে জোরে জোরে ২ টা কামর দিলাম ৩য় নাম্বার যে সময় কামর দিতে দিতে যাবো এমন সময়🥹🥹😭😭

মারিয়াঃউহহহহ😫 তুই কামর দিলি আজ তুই শেষ😡😡

আবিরঃ😭😭😭😭 এর পড়ে হয়েছিলো কী জানেন থাক বলবো না😭😭 আরে আমার জম্নের দেওয়া এই আদর না মাইর দিছিল😭 একটা দিলে তিনটা দেয় হ্যা এটাই আমার বউ 😭 আর কোনো দিন লাগতে যাবো না ওর সাথে এমন মারা মারছে পুরো শরিল আমার বিষ হয়ে আছে 😭 বেশি মারেও আবার প্রচুর ভালোবাসে আমাকে 😞 তবে বেশি ভাগ সময়ই মারে😭 আয়্যা 😭 আয়্যা😭 আয়্যা😭 কেমন লাগলো আমাদের মারামারি ভালো লাগলে একটা কমেন্ট করে যাবো😭

21/03/2024

❝ছোট বোন এর বান্ধুবি যখন বউ❞ →Romantic Love Story

Story No→2

লেখকঃআবির 🙂কলা বাবা

আজ ছোট বোনটার গায়ে হলুদ। ওর গায়ে হলুদ দেখতে ওর অনেক বান্ধুবি এসেছে।এর ওর একটা বান্দুবিকে আমার ভালো লেগেগেছে মেয়েটি দেখতে অনেক সুন্দারী। একটা শাড়ি হুলদ শাড়ি পড়ে এসেছে তাতে মেয়েটিকে হলদে পাখির মতো লাগতেছে।যেভাবে হক এই মেয়েকে আমার পটাতেই হবে। ওর যদি পটাতে পারি তাহলে আমি সার্থক হবো। বিয়ে বাড়িতেতো অনেক মজাই হয় দেখতে পেলাম মেয়েটি একপাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে তাই আমিওর কাছে চলে আসি।

আবির ঃ সবাইতো কতো মজা আনন্দ করতেছে আর তুমি কেনো এখানে।

মেয়ে ঃ আমার এসব ভালো লাগে না ওখানে গেলেই আমাকে রং ঝড়ি আবির মেখে দিবে তাই আমি ওখানে যাবো না।

আবির ঃ মনে মনে ভাবলাম তোমার রং আবির এর ভয় । আমিতো আজ তোমাকে আবির মেখেই দিবো দাড়াও। আমি যদি এখন তোমাকে আবির মেখেদেই তখন তুমি কী করবে।

মেয়ে ঃ যানি আপনি অনেক ভালো একটা ছেলে তাই এটা করবেন না।আর যদি করেন তা হলে আমি আপনাদের বাড়িথেকে চলে যাবো।

আবির ঃ তুৃমি গেলে আমি তোমাকে পটাবো কী ভাবে।

মেয়ে ঃ পটাবেন মানে কী আমিতো কিছুই ভুজতেছি না।

আবির ঃ দূর তেমন কিছু না। ওই শুনো তোমার গালে আমি কী একটু আবির দিতে পারি। তোমার গালে যদি একটু আবির দিয়েদেই তাতে তোমাকে অনেক সুন্দার লাগবে।

মেয়ে ঃ এই না আমি কিন্তু এসব একদম পছন্দ করি না।

আবির ঃবিয়ে বাড়িতে এসেছো একটুতো মাখতেই হবে।

মেয়ে ঃ আমি কিন্তু আপনার বোন কে ডাক দিবো।

আবির ঃ ও এখন বিজি ওর বিয়ে নিয়ে তোমার কথা শুনবে না। আমি ওর কাছে চলে আসি

মেয়ে ঃ আবির ভাইয়া কাছে আসবেন না। আমি কিন্তু আপনার আম্মুকে ডাক দিবে

আবির ঃ এখানে আর কেউ আসবে না।

মেয়ে ঃ আবির এসে আমি হাতদুটো জোড়ে দেয়ালের সাথে চেপে দড়লো। এই ছাড়নে না হয় আমি কিন্তু আপনার হাত পেচিয়ে কামর দিবো তার পরে রক্ত বেড় করে দিবো।

আবির ঃ আমি আর ওর কোনো কথা শুনলাম আবির দিয়ে ওর সুন্দার গালটা লাল করে দিলাম।এই যে নরো না তা হলে তোমার চোখেও লেগে যেতে পারে।

মেয়ে ঃ আপনাকে ভাবছি ভালো আপনিতো ফাজিল একটা ছেলে।আপনি আমাকে আবির দিছেন না আপনাকে আমি ছাড়বো না। পারলে একটু হাতটা ছুটিয়ে দিন।

আবির ঃ তাতো দিবো আমি আগে দৌড়ানোর জন্য রেডি হয়ে নী তার পরে।

মেয়ে ঃ কিছুখন পর আমার হাতটা ছাড়িয়ে দৌড়ে পালালো।শয়তান ছেমরা আমিতোকে ছাড়বো না আমাকে গালে আবির মাখানো। তোকে যদি আবির না খাওয়াতে পারি। তুই আবির তোকে আমি আবিরই খাওয়াবো।আমি আমার বান্দবির কাছে চলে আসি।

মিম ঃ কীরে তোর এই অবস্তা কী করে।

মেয়ে ঃ তোর ভাইএটা করেছে আমি ওকে ছাড়বো না।

মিম ঃ ও একটু ফাজলামো করেছে কিছু মনে করিস না।

মেয়ে ঃ তোর ভাইয়াকেও আমি এইগুলো খাইয়ে দিবো।

মিম ঃ যা পারিস করিস তবেও কিন্তু অনেক দুষ্টো।

মেয়ে ঃ কতছেলেকে আমি টাইট দিয়েছি সেটা তো তুই ভালো করেই যানিস। আর তো ভাই।আমি ওখানে আর দাড়লাম না আয়নার কাছে চলে আসি। এসে দেখি আয়নার ভিতরে একটা লাল ভুত পরে ভুজতে পারলাম এটাতো আমি। কী অবস্তা করেছে আমার সুন্দার চেহারাটার আমি আর আয়নার পাশে দাড়লাম না আবির কে খুজতে লাগলাম। কিছুখন পরে দেখতে পেলাম ও রুমে বসে গান শুনতেছে।আমার গালে আবির মাখানো তোকে আমি আবির খাইয়ে দিবো। আমি ওর কাছে চলে আসি।

আবির ঃ হা হা হা এইগুলো এখনো মুছো নী থাক আর মুছা লাগবে না। এমন ভাবেই অনেক সুন্দার লাগতেছে।

মেয়ে ঃ তোর দাত বেড় করা বেড় করতেছি।আমি গিয়ে আবির গালে মুখে আবির ছুড়ে মারলাম।

আবির ঃ চোখে পড়তেই সব কিছু ঝাপসা দেখতে আছি। আরে আল্লা আমি চোখে কিছু দেখতে পাইতেছি না মনে হয় কানা হয়ে গিয়েছি।

মেয়ে ঃ এই আপনার কী হয়েছে।সরি আমি ভুজতে পারি নী যেটা হবে।

আবির ঃ এখন আর সরি বলে মনে হয় আর কাজ হবে না আমি তো এখন কানা হয়ে গিয়েছি।

মেয়ে ঃ আমি তার মুখ থেকে শব কিছু শরাতে লাগলাম।এমন সময় আবির পিছন থেকে আমার গালে আবারও আবির দিতে যাবে এমন সময় আমি আর হাত দুটো দড়তে যাবো এমন সময়। আবির এশে আমার বুকের উপারে পরে যায়। দুজনে গালে আবির এর ভড়া তবুও দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে রয়েছি। এই উঠেন রুমে কেউ এসে পড়তে পাারে আর আসলে খারাপ কিছু মনে করতে পারে।

আবির ঃ ও বলা মাএই আমি উঠে পরি।আমি দেখতে পেলাম ও লজ্জা পেয়ে নিচের দিকে তাকিয়ে আছে।তাই আমি ওর হাতটা দড়লাম এমন সময় ও হাতটা সড়িয়ে নিলো। সরি এটা হবে ভুজতে পারি নী।

মেয়ে ঃ আমি চুপ হয়ে আছি এমন সময় আবির আবারও আমার হাতটা ওর হাতে মুঠো বন্দি করে রাখলো।আমি তার হাত থেকে আমার হাতটা শড়ানো জন্য চেষ্টা করতে আছি কিন্তু পারতেছিনা ।

আবির ঃ রাগ করো না প্লিস আমি যানতাম যে এটা হবে। এমনিতে তুমি যে আমার চোখে আবির মেখে দিয়েছো তাতে আমি কিছুই দেখতে পাই নী তাই হয়তো এটা হয়েছে।

মেয়ে ঃ আমি কোনো রাগ করি নী। যা হয়েছে হয়তো একটা accident।

আবির ঃ এটা বলে ও চলে গেলো মনে হয় আমার সাথে ও অনেক রাগ করেছে।দূর দোশটা তো আমার ছিলো না।যা হয়তো ও মানতে পারতেছে না। এখন আসুন পরিচয়টা দেয়া যাক আমি আবির। অনার্স ১ম বর্ষে পড়তেছি।আর একটু আগে যে আমার বুকের উপারে পরেছিলো সে হলো ফারজানা inter 2nd ইয়ারে পড়তেছে।ওর আশার কারন হলো আজ আমার ছোট বোনএর গায়ে হলুদ । আমার ছোট বোন এর একমাত্র বেস্ট বান্দবি।আমাদের বাড়িতেও কালকে পযন্ত আছে বিয়ের পরেই চলে যাবে।এর ভিতর আমাকে ওকে পটাতেই হবে। মেয়েটিকে আমার অনেক ভালো লাগছে। দুপুর বেলা খাওযা দাওযা পরে সবাই একসাথে বসে আছি এর ভিতরে আমি আমার ক্যামেরাটা নিয়ে আসলাম তার পরে ছবিতুলা শুরু করে দিলাম।

মেয়ে ঃ এই আপনি ক্যামেরা নিয়ে আরছেন কেনো।

আবির ঃ ক্যামেরা নিয়ে আরছি আমার ছোটবোনটার ছবি তুলবো তাই।

মেয়ে ঃ আপনিতো ঘুড়ে ফিরে আমার ছবি তুলছেন কেনো।

আবির ঃ আপনি আমার ক্যামের চেক করতে পারেন। তা হলে দেখতে পারবেন আপনার ছবি তুলেছি কী না।

মেয়ে ঃ দেন আমি দেখবো।

আবির ঃ তোমার হাতে কেনো ক্যামেরা দিবো হ্যায়। আমার ক্যামেরাটা বাশ দিতে।

মেয়ে ঃ আমি চালাতে পারি বুঝছেন আর আপনার চেয়ে ভালোই ভুজি।

আবির ঃ তবুও দেয়া যাবে না আমার এই ক্যামেরায় পারছোনল কিছু ছবি আছে তাই।

মেয়ে ঃআমি ওসব কিছুদেখবো না আমি আমার ছবিগুলো দেখবো।

আবির ঃ আমি তোমার কোনো ছবি তুলিনী।আর তোমার ছবি তুলে আমি কী করবো হুম।

মেয়ে ঃ না দিলে রাতের বেলা যেখানে ক্যামেরা রাখবেন সেখান থেকে নিয়ে ক্যামেরাটা নষ্ট করে দিবো।

আবির ঃ দেখা যাবে।এখন তুমি একটু আমার বোনটা পাশে দাঁড়াও তোমার একটা ছবি তুলি।

মেয়ে ঃ আমি দাড়াবো না।এটি বলে আমি রুমে চলে আসি বিকাল বেলা আমি একা একা একটু রাস্তায় বেড় হলাম এর ভিতরে দেখতে পেলাম আবির বাইক নিয়ে কোথায় যানো যাইতেছে।

মেয়ে ঃ কোথায় যাইতেছেন এতো সেজে।

আবির ঃ সাজলাম কই শুদুতো একটা লুজ্ঞি পড়লাম তাতেই সাজা হয়ে গিয়েছে।তোমরা মেয়েরা না সব কিছুই একটু বেশি বেশি ভুজো।

মেয়ে ঃ এত সব কথা বাদ।আপনার বাইকটা একটু আমি চালাবো দিবেন।

আবির ঃ হুম তোমাকেইতো চালাতে দিবো তার পরে একটা দুর্ঘটনা গটালে তোমার বড়লোক বাবা আমাকেতো শেষ করে ফেলবে।

মেয়ে ঃ আমি অনেক ভালোবাবে চালাতে পারি ভুঝছেন। এর আগেও মামার বাইক অনেক বাড় চালিয়েছি।

আবির ঃ না দেয়া যাবে না।

মেয়ে ঃ তাড়াতাড়ি আপনার বাইক নিয়ে এখন থেকে ফুটেন।

আবির ঃ এই নাও চালাও তবে আমি তোমার পিছনে থাকবো।

মেয়ে ঃ থাকবেন তবে আমার থেকে একটু দুরে আমার গায়ে যানো টাস না লাগে ওকে।

আবির ঃ ঠিক আছে।

মেয়ে ঃ আমি উঠে পরলাম আর আমার পিছনে আবির। আমার কেমন যানো ভয় ভয় করতেছে অনেক দিন পরে বাইক চালাইতেছি।

আবির ঃ এই আসতে চালাবা ওকে।আর রাস্তায় উঠবে না অনেক গাড়ি চলতেছে কিন্তু।

মেয়ে ঃ আমি মাটির রাস্তায় বাইক চালানো শুরু করে দিলাম দুজনে কথা বলতেছি।এমন সময় বাইক গিয়ে পুকুরে ভিতর পরে যায়। বাছাও বাছাও

আবির ঃ আমি লাফ দিয়ে ওকে পুকুর থেকে তুললাম। বলেছিলাম না তুমি চালাতে পারবে না।কোথাও কী ব্যাথা পেয়েছো।

মেয়ে ঃ (কান্না) পায়ে ব্যাথা পেয়েছি মনে হয় ভেংগে গেছে।এখনি কী করবো আপনার জন্য সব হয়েছে আপনি পিছন থেকে নরেছেন তাই এটা হয়েছে।

আবির ঃ বা বা সব দোশ এখন আমার। তোমাকে তো আমি আগেই বাইক চালাতে বাড়র করেছিলাম।

মেয়ে ঃ এখন তাড়াতাড়ি আমাকে বাড়িতে নিয়ে যান।

আবির ঃ কয়টা নিবো আমার বাইক নিবো না কী তোমাকে।

মেয়ে ঃ আমার চেয়ে বাইক বড়ো আপনার হ্যায়।তারাতাড়ি আমাকে নেবার ব্যাবস্তা করুন।

আবির ঃ আমি ওকে কোলে করে নিয়ে বাড়িতে চলে আসি।আশার সময় ফারজানা আমার মুখের দিকে তাকিয়ে রয়েছিলো কিছুখন পরে বাড়িতে এসে পৌছালাম। আমাদের দেখে সবাই ছুটে আসলো।

মিম ঃ ভাইয়া ফারজানার কী হয়েছে ওর এয় অবস্তা কেনো।

আবির ঃ তাতোর বান্দুবিকে জিজ্ঞেস কর।

মিম ঃ কী হয়েছে ফারজানা বল আমাকে।

মেয়ে ঃ আর বলিস না আমি বলেছি যে তোর ভাইএর ভাইক চালবো না তবুও আমাকে জোর করে চালাতে বলেছে তাই এটা হয়েছে।

আবির ঃ কথাটা শুনে রাগি ভাবেও ওর দিকে তাকিয়ে রয়ছি।এই মেয়ে আমাকে এই ভাবে ফাসিয়ে দিলো।কুত্তি ছাড়বো না তোকে।

মিম ঃতো তোর কী কোথাও লেগেছে।

মেয়ে ঃ না আমি ঠিক আছি।

আবির ঃ আমি আর দাড়ালাম না বাইক উঠাতে চলে আসি এই মেয়ে আমার বাইকটাও শেষ করে দিলো। ছাড়বো না তোকে আমি বাইক উঠিয়ে বাড়িতে চলে আসি রাতের বেলা আমি ওর রুমে চলে আসি। আমাকে দেখেই মেয়েটি শুদু করে দিলো।

মেয়ে ঃ ও মা ও মা পা টা শেষ হয়ে গেলো।

আবির ঃ আমাকে দেখেই ব্যাথা বেড়ে গেলো না কী।

মেয়ে ঃ আপনার জন্য এটা আমার হয়েছে। আমি ছাড়বো না আপনাকে।

আবির ঃযাইহোক তোমার এখন কেমন লাগতেছে।

মেয়ে ঃ এইতো একটু ভালো লাগতেছে কিছুখন পরে আবির এসে আমার পাশে বসলো।

আবির ঃ চলো না একটু ছাদথেকে আসি।

মেয়ে ঃ আমার পায়েতো ব্যাথা যাবো কী করে।

আবির ঃ হাত দড়লে কী আমার সাথে যেতে পারবো।

মেয়ে ঃ হুম পারবো আমি আমার হাত দড়ে ছাদে নিয়ে আসলো। দুজনে বসে বসে কথা বলতেছে। আর কথার ভিতরে আমি হাসতেছি এর ভিতর আমি যেটা বলেছে সেটা শুনে আমি চুপসো গেলাম।

আবির ঃফারজানা আমি তোামাকে ভালোবেসে ফেলেছি। প্রথম দেখাতেই তোমাকে আমার অনেক ভালো লেগে গেছে।আমি তোমার সাথে শারাটা জীবন দড়ে একসাথে বাছতে চাই।

মেয়ে ঃ আমি পারবো না আপানে ভালোবাসে কারন আমার boyfriend আছে এটা আপনার বোনও যানে যে আমার খালাতো ভাই এর সাথে এই পাঁচটা বছর দড়ে সম্পকো চলতেছে।

আবির ঃ ও সরি আসলে ভুল বসতো হয়তে বলে ফেলেছি।কিছু মনে করো না।আসলে আমার দাড়নাটা হয়তো ভুলছিলো।

মেয়ে ঃ এটা বলে আমি চলে গেলো আমি একা একা ছাদে বসে আছি।আর আবির এর কথা ভেবে মিটি মিটি হাসতেছি পাগল একটা আমিতো তোমাকে ভালোবাসি। তাইতো আসকে পায়ে ব্যাথা পেয়েছি এটার নাটক করেছিলাম।যাইহোক কালকে চলে যাবো সেই সময় বলে যাবো তোমার answer টা আমি আমার রুমে চলে আসি।তার পরে ঘুমিয়ে পড়লাম। পরের দিন আমার বান্দবির বিয়েটা হয়ে গেলো। আজ আবির একবারও আমার চোখের সামনে আসে নী।তার কারনটা তো আমি ভালো করেই ভুজতে পেরেছি।আমারও বাড়িতে যাবার সময় হয়ে গিয়ে তাই একটা চিঠি লিখলাম। তার পরে আবির কে পেয়ে চিঠিটা ওর হাতে দিয়ে দিলাম।

আবির ঃ কী আছে এতে।

মেয়ে ঃ আমি বাড়িতে চলে যাইতেছি তবে আপনার বাড়ি থেকে যে সময় চলে যাবো তখন এটা খুলবেন ওকে।

আবির ঃ এটা বলে ফারজানা চলে গেলো আমি চিঠিটা খুলা শুরু করে দিলাম খুলে প্রথমেই একটা নামবার দেখতে পেলাম।

ফারজানা চিঠি ঃ ভালোবাসি গো অনেক তবে তোমাকে বুজতে দেই নী। কালকে রাতে আমি যেটা বলেছি সেটা মিথ্যা আমি এই প্রথম কাউকে ভালোবেসেছি সেটা তুমি।আমি তোমার নামবার টা কালকেই নিয়ে নিয়েছি আর এইহলো আমার নামবার।

আবির ঃ চিঠিটা পরে আমার মনটা অনেক ভালো হয়েগিয়েছে।হঠাৎ ফোনটা বেজে উঠলো।

মেয়ে ঃ এখন তোমার মোনটা কী ভালো হয়ে গিয়েছি।

আবির ঃ হুম অনেক টা ভালো হয়েগিয়েছে এই তুমি এই বাড়িতে বসে বলোনী কেনো যে আমাকে ভালোবাসো।

মেয়ে ঃ আমার লজ্জা করতেছিলো তাই বলি নী।

আবির ঃ আমাদের বাড়িতে বসে যদি বলতে তা হলে একটু তোমাকে জড়িয়ে দড়তে পারতাম।

মেয়ে ঃ ইসস কতো শখ।একবার আমার বুকের উপারে পড়ে ছিলে সেটা কী তোমার মনে বড়ে নী হুমম।

আবির ঃ না মন বড়ে নী আর মনতো বড়ার জিনিষ না।

মেয়ে ঃ আচ্চা কালকে আমাদের এখানে পার্কে চলে এসো তা হলে তোমার মনটা বড়িয়ে দিবো নী।

আবির ঃ ঠিক আছে আমি আসবো।এটা বলে ফোনটা কেটে দিলাম।আহহ এতো খুশি যে আসকে আমি তা কাউকে বলে বুঝাতে পারবো না।এদিকে ছোট বোনকে পড়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছি তার জন্যও মনটা খারাপ হয়ে গিয়েছিলো তবে ফারজানা কথা শুনে এখন আমার মনটা অনেক ভালো হয়েগিয়েছে। এভাবে আমাদের প্রেম কাহিনী চলছিলো ৩ বছর দড়ে চাকরি পাওয়ার পরে ওকে বউকরে নিয়ে যাই আমাদের বাড়িতে এখন আমরা অনেক সুখে সংসার করতেছি।৷

20/03/2024

❝সিনিয়র বউ এর অভিমান❞→Romantic Love Story

Story No→01

লেখকঃআবির🙂🙂

সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে অফিসের জন্য রেডি হতেছি এমন সময় বউ জোড়ে বলে উঠলো

ফারজানা ঃ আবির আমি কিন্তু অফিসে যেতে বাড়ন করেছি।

আবির ঃ আমি তো যাবোই আর অনেক কাজ পড়ে আছে অফিসে।

ফারজানা ঃ কী বললি।

আবির ঃ এই কলার ছাড় আমার কিন্তু লাগতে আছে।

ফারজানা ঃ ছাড়বো না তোরে আমি যেতে বাড়ন করেছি না।

আবির ঃ ওই সোনা তুমি বোজো না কেনো অফিসে যাওয়াই লাগবে আমি না গেলে কেউই কাজই শুদু করতে পারবে না । তুমি একটু কুম বুঝো এমনিতেই তো তোমার মাথায় গোবর ভড়া

ফারজানা ঃ কী বললি আমি কিছু বুঝিনা আমার মাথায় গোবর ভড়া থাকবো না আর তোর বাড়িতে।

আবির ঃ দেখো আবারও শুদু শুদু রাগ করবা না।

ফারজানা ঃ আচ্ছ তুই অফিসে যা আমি তোকে বারন করবো না।

আবির ঃ আচ্ছ অফিসে যাবার পরে কথা হবে আমি অফিসের দিকে রহনা দিলাম একটু পর বউ বলে উঠলো।

ফারজানা ঃ আসকে আমি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিবো সত্যিই তুই আমার কথা শুনলি না আসকে আমাকে বাড়িতে এসে পাবি না দেখিস।

আবির ঃ তোমার খবর আমার ভালোই যানা আছে।

ফারজানা ঃ আমার খবর কী যানা তোর সাহস থাকলে পারলে দাড়া আমি তোকে কী করবো আমি নিজেও যানি না

আবির ঃ আমি আর সেইখানে দাড়ালাম না। গাড়িতে উঠে পড়ি তার আগে আমার পরিচয় টা দিতে চাই আমি আবির সবে মাএ চাকরি নিয়েছি আর তাড়পরেই বিয়ে করে নিয়েছি তাও আবার এই মেয়েকে ও হলো ফারজানা আমার সিনিয়র দুষ্ট রাগি বউ এই মেয়ে কথায় কথায় রাগ দেখায় আমরা বিয়ে কেরেছি এই ২ মাস আসকে রাগ করার কারন কী তা হলে শুনেন আমি নাকী ওকে একটুও ভালোবাসি না আর একটুও সময় দেই না। বলে এইগুলো শুনতে শুনতে আমি এখন শেষ ওকে সময় দিবো কী ভাবে বলেন। অফিসে অনেক কাজ নিজের কাজ গুলো সামলাতে হয়। ওকে অনেক বুঝিয়েছি কিন্তু ওতো আমার কোনো কথাই শুনে না। আমি অফিসে এসে পড়ি তার আগে ভাবছি ফারজানা কে একটা কল দিবো তাই ওকে কল দিতে লাগলাম কিন্তু দড়তেছে না এইরকম আমার সাথে করে যে দিন রাগ করবে সেই দিন কলই ধরবে না। কী আর করবো আমি কাজ করা শুধু করে দিলাম। অফিসের সব কাজ শেষ করে বাড়িতে চলে আসি এসে দেখি দরজায় ইয়ে বড় একটা তালা দেওয়া। আমি ভাবা শুরু করে দিলাম তা হলে ও গেলে কোথায় আমার কাছে আর একটা চাবি ছিলো সেটা দিয়ে দড়জা খুললাম খুলে লাইটা জালালাম আর ফারজানাকে খুঁজতে লাগললাম কিন্তু কোথায় পাচ্ছি না হঠাৎ একটা চিঠি দেখতে পেলাম সেটা আমি খুলতে লাগলাম।

ফারজানার চিঠি ঃ কুত্তা আমার মাথায় গোবর আসকে তুই আমাকে অনেক কথা বলছোস আমি শুদু মুখ বুজে সজ্জ করে নিয়েছি কিছুই বলি নী তাই আজ আমি বাপের বাড়িতে চলে এসেছি খবর দাড় এখানে আসবি না আর আমাকে কল ও দিবী না যদি কল দিস তা হলে তোর নাম্বার বোলক করে রাখবো আমাকে চিনতে ভুলকরছোস আমি আর তোর বাড়িতে আসবো না আর তোর সংসার ও করবো না ভালো থাকিস তুই।

আবির ঃ চিঠিটা পড়ে হাসবো না কী কাঁদবো কিছুই বুজতে আছি না। আব্বু আম্মু আমাকে এই কোন মেয়ের হাতে তুলে দিলো আমি ফারজানাকে কল দিতে লাগলাম দেখি ফোনটা দড়তেছে আছে না তাই আবারও কল দিলাম অনেক খন দেবার পড়ে রিসিপ করলো

ফারজানা ঃ এই যে আপনি কী চিঠি পড়েন নী আমাকে কল দিতে বাড়ন করেছি না।

আবির ঃওই বউ আমি এখন কী করবো বলো তুমি আমার সাথে এই রকম করতে পারলা

ফারজানা ঃ শুদুতো এই একটা করেছি ভাবছিলাম বাড়িটা ঝালিয়ে দিবো কিন্তু তা করলাম না আমার কথা শুনো না।

আবির ঃ এখন থেকে আমি তোমার সব কথা শুনবো।

ফারজানা ঃ এখন আর শোনা লাগবে না।

আবির ঃ আমি অনেক খিতে লেগেছে এখন খাবো কী বলো।

ফারজানা ঃ নিজে রান্না করে খান শুদু আসকে দিনটা চাইছিলাম আমাকে দেন নী অফিসে চলে গিয়েছেন আমার কী সেই কথা গুলো মনে থাকবে না

আবির ঃ তুমি একটু আমার কথা বুঝো আমি অফিসে ছুটি দেয় না।

ফারজানা ঃ আর মিথ্যা কথা বলা লাগবে না আচ্চা এখন রাখি।

আবির ঃ আমার কথাটা একটু শুনো।

ফারজানা ঃ কী কথা বলেন

আবির ঃ আমাকে ছাড়া কী তুমি ঘুমাতে পারবে তোমার কী একটুও কষ্ট হবে না।

ফারজানা ঃ জী না আমার কোনো কষ্ট হবে না।

আবির ঃ তুমি কী আর আসবা না।

ফারজানা ঃ আমি আর আসবো না আর সংসার ও করবো না আপনার। আপনি একা একা থাইকেন।

আবির ঃ আমি একা থাকবো না আমি নতুন একটা বিয়ে করবো।

ফারজানা ঃ রেগে গিয়ে) তুই একটা বিয়ে করবি না দশটা বিয়ে করবি তাতে আমার কী।

আবির ঃ এটা বলে বউ ফোনটা কেটে দিলো আমি কী আর করবো না খেয়েই শুয়ে পড়লাম। আসকে যে এত রাগ করেছে জীবনেও ভাবতে পারি নী এখন যে আমি কী করে ঘুমাবো আমার যে পাগলি টা কে ছাড়া চলেই না আমি শুয়ে পড়লাম হঠাৎ বউ এর কল

ফারজানা ঃ কী কিছু খেয়েছেন।

আবির ঃ না আমি কিছুই খাই নী।

ফারজানা ঃ কষ্ট করে একটু দোকান থেকে খেয়ে নীন।

আবির ঃ আমি খাবো না আচ্ছা এখন রাখি কালকে আবার আমার বিয়ে করতে যেতে হবে।

ফারজানা ঃ কী বললি তুই বিয়ে করবি পারলে করিস তা হলে তোকে যে কী করবো আমি নিজেও যানি না

আবির ঃ আমি তো বিয়ে করবোই এটা বলে আমি ফোন টা কেটে দিলাম তারপরে আমি মোবাইলটা বন্দ করে রাখলাম তার পরে শুয়ে পড়লাম সকালে উঠে দোকান থেকে কিছু খেয়ে নিলাম তারপরে অফিসে চলে আসি। ভাবছি আসকে তাড়াতাড়ি অফিস থেকে ছুটি এনে শড়ুর বাড়িতে যাবো কারন ওর ছাড়া আমারও যে ভালো লাগে না আমি বসএর কাছে ছুটি নিয়ে শড়ুর বাড়িতে রহনা দিলাম তিন ঘন্টা পড়ে শসুর বাড়ি এসে পড়ি আসতে আসতে রাত হয়ে গেলো আমাকে দেখে সবাই খুশি হলো কিন্তু মহারানিকে দেখতে পাচ্ছি না কিছুখন পড়ে আমার শালি আসলো।

শালি ঃ কী ভাইয়া কেমন আছেন।

আবির ঃ ভালো তুমি কেমন আছো।

শালী ঃ ভালো।

আবির ঃ তোমার আপু কোথায় তাকেতো দেখতে পাচ্ছি না।

শালি ঃ আপনার সাথে অনেক রাগ করেছে আপনি নাম্বার না কী বন্দ করে রেখেছেন আর কালকে থেকে এখন পযন্ত কিছুই খায় নী।

আবির ঃ তোমার আপু কে একটু ডাক দিয়ে দাও
ওকে দেখি না মনে হয় এই কত দিন দেখিনী।

শালি ঃ আপনি যান আপু তার রুমে আছে।

আবির ঃ আমি ফারজানার চলে আসি এসে দেখি মহারানি মন খারাপ করে বসে আসি আমাকে দেখার পড়েই রেগে মেগে আমার কলার দড়লো।

ফারজানা ঃ আমাদের বাড়িতে এসেছিস কেন তুই বলে বিয়ে করবি।

আবির ঃ না তোমাকে ছাড়া কী আমি আর কাউকে বিয়ে করতে পাড়ি তুৃমিইতো আমার সব।

ফারজানা ঃ একদম চুপ তুই আমার সাথে কথা বলবি না তুই তোর বাড়িতে চলে যা।

আবির ঃ না যাবো না আমার বউকে রেখে।

ফারজানা ঃ কে তোর বউ তোর বউ নেই।

আবির ঃ ওই বউ এইভাবে কথা বইলো না।

ফারজানা ঃ আমি চলে যেতে আছি তুই থাক এখানে আমি খাট থেকে উঠতে যাবো এমন সময় আবির আমাকে ঝড়িয়ে দড়লো।

আবির ঃ সরিতো তুবুও চলে যেও না।

ফারজানা ঃ ছাড় ছাড় তা না হলে তোকে কিন্তু মারবো।

আবির ঃ আমি ফারজানা আরো শক্ত করে ঝড়িয়ে দড়লাম এমন সময় শালি বলে উঠলো।

শালি ঃ এই যে ভাইয়া আমি কিন্তু সব দেখেছি।

ফারজানা ঃ আবির আমাকে ছেড়ে দিলো আমি বললাম ওই তোকে এখানে আসতে বলছে কে শুনী।

শালি ঃ কেনো সোয়ামী পেয়ে কী সব ভুলে গিয়েছিস হইছে আমি চলে যেতে আছি।

ফারজানা ঃ মিম চলে গেলো যাওয়ার সাথে আবির আমাকে আবার ও ঝড়িয়ে দড়লো…ওই দেখেছো সবাই দেখেছে সব কিছু।

আবির ঃ দেখলে দেখবে শুদু ঝড়িয়েতো দড়েছি আর তো কিছু করি নী।

ফারজানা ঃ হইছে আর কিছু বলা লাগবে আর ভালোবাসা লাগবে না।

আবির ঃ ওই বউ এখানে বসো তো তোমাকে কত দিন দেখি নী।

ফারজানা ঃ আর দেখা লাগবে না নিজের ব্যাগ নিয়ে ফুটেন।

আবির ঃ আমিতো যাবো না আমার বউএর কাছে থাকবো। আর তুমি একটু ভালোভাবে কথা বলোতো।

ফারজানা ঃ আমি ভালোবাবে কথা বলতে পারি না ও ভালো কথা আমি আপনার সাথে কথা বলি কেনো।

আবির ঃ সরি তো এখন থেকে তোমার কথা শুনবো।

ফারজানা ঃ আর তোমার কিছু বলা লাগবে না আমি তোমার খবর ভালো করেই যানি।

আবির ঃ সত্যি করে বলতেছি।

ফারজানা ঃ আর যদি না শুনো তা হলে তোমার খবর করে দিবো।

আবির ঃ শুনবো বলেছিতো এটি বলে ফারজানা গালে একটা চুমা দিলাম

ফারজানা ঃ একটু রাগি ভাব নিয়ে)না বলে চুমা দিলা কেনো।

আবির ঃ বউকেইতো দিয়েছি ওই শোনো এখন কিছু খেয়ে নাও তোমার সামিতো এসেছে তাই না।

ফারজানা ঃ আমি কিছুই খাবো না আমার খেতে ভালো লাগে না

আবির ঃ আমি খাইয়ে দিলে খাবা।

ফারজানা ঃ হুম আমি খাবার নিতে রুমে চলে আসি তাড়পরেই আবির আমাকে খাইয়ে দিলো আর ও খেয়ে নিলো।

আবির ঃ এখন খুশি হয়েছো।

ফারজানা ঃ হুম অনেক চলে দোলনায় গিয়ে বসি তার পড়ে তোমার সাথে কিছু কথা আছে।

আবির ঃ আমরা দুজনে দোলনায় চলে আসি এসে বসে পড়ি কিছুখনপর ফারজানা বললো।

ফারজানা ঃ কালকে রাত মোবাইল বন্দ করেছিলে কেনো।

আবির ঃ তোমার সাথে রাগ করে।

ফারজানা ঃ আমিও রাগ করে আমার মোবাইলটাও ভেংগে ফেলছি কালকে রাতে তোমার উপারে যা রাগ উড়ছিল না তোমাকে যদি হাতের কাছে পেতাম কাঁচা খেয়ে ফেলতাম একদম পানি ছাড়াই।

আবির ঃ কী মোবাইল ও ভাংছো আর শুনী তোমার এত রাগ আসে কোথা থেকে বলোতো।

ফারজানা ঃ তুমিতো আমার কোনো কথাই শুনো না তাইতো রাগ উঠে যায়।

আবির ঃ তুমি যা বলো সেটা করা হয়তো সম্বব না আমি যদি এত অফিস বন্দ দেই তা হলে আমাকে তো অফিস থেকে বেড় করে দিবে।

ফারজানা ঃ আমার একা একা বাড়িতে থাকতে ভালো লাগে না মন চায় শারা দিন তোমার পাশে বসে থাকি।

আবির ঃ একটু বুঝো না সোনা তুমি তো কিছুই ভুজতে চাও না।

ফারজানা ঃ হইছে এখন আমাকে একটু ঝড়িয়ে দড়ো না।

আবির ঃ এই বাড়িতে এসে দুই বাড় ঝড়িয়ে দড়লাম আবার ও দড়বো।

ফারজানা ঃ হইছে তোমাকে আর ঝড়িয়ে দড়া লাগবে না আর আমাকে কোনো দিন ঝড়িয়ে দড়বা না ওকে।

আবির ঃ এতো রাগ কেনো তোমার বলো তো এটা বলে আমি ফারজানা কে ঝড়িয়ে দড়লাম।

ফারজানা ঃ এখন আর দড়া লাগবে না তুমি আমাকে আগের মতো একটুও ভালোবাসো না।

আবির ঃ এই কথাটা শুনতে শুনতে আমি শেষ আর এইকথা বলো না প্লিজ।

ফারজানা ঃ তো কালকে তুমি এভাবে করলা কেনো।

আবির ঃ তোমার সাথে রাগ করে ওই চলো অনেক রাত হয়েছে রুমে যাবো।

ফারজানা ঃ এখন না আমি এখানে তোমাকে ঝড়িয়ে দড়ে ঘুমাবো

আবির ঃ আচ্ছ ঘুমাও আমি তোমার মাথায় হাত ভুলিয়ে দিতেছি।

ফারজানা ঃ আচ্চা আমি ঘুমাতেছি।

আবির ঃ কিছুখন পর ফারজানা আমাকে ঝড়িয়ে দড়ে ঘুমিয়ে পড়লো পাগলি টা কত সুন্দার আমাকে ঝড়িয়ে দড়ে আছে। মনে হয় আমাকে ছেড়ে দিলেই হারিয়ে যাবো আমি ফারজানা কে কোলে তুলে নিয়ে রুমে চলে আসি কিছুখন পর ফারজানা চোখ খুললো।

ফারজানা ঃ এত তাড়াতাড়ি রুমে নিয়ে আসলা কেনো।

আবির ঃতুমি ঘুমিয়ে পড়ছিলা তাই তো নিয়ে এসেছি এই বউ ঘুম তো ভেংগে গেছে শোনো না।

ফারজানা ঃ হুম বলো বাট কোনো দুষ্ট কথা বলবা না তা হলে খবর আছে।

আবির ঃ আমি ওর মুখে এই কথা শুনে চুপ হয়ে শুয়ে আছি।

ফারজানা ঃ কী হলো বলো না কেনো।

আবির ঃ বউ এটা দুষ্ট কথাই।

ফারজানা ঃ আচ্ছ তবুও বলো কী কথা।

আবির ঃ তুমি কালকে রাতে আমাকে আদর করো নি আসকে একটু আদর করো না

ফারজানা ঃ তাই এটা বলে আমি আবির কে ঝড়িয়ে দড়লাম

আবির ঃ শুদু এটা করলে হবে না পাপ্পিও দিতে হবে

ফারজানা ঃ দূর দুষ্ট। এক এটা বলে আবির এর গালে দুটো পাপ্পি দিলাম কিছু খন পড়ে ঠোঁট ঠোঁট রাখলাম আহহহ এয় জানো অমৃত থাক থাক আর শুনতে হবে না । আমাদের জন্য দোয়া করবেন এভাবে যানো শারা জীবন থাকতে পারি আর হ্য কেমন লাগলো অবশ্যই কমেন্ট করে জানিয়ে যাবেন।

Address

Barishal
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গঁল্পঁ লেঁখঁকঁ আঁবিঁরঁ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category