Nandanik Development

Nandanik Development Our handpicke

Serving the clients with commitments, ensuring safety and value-added products, having "leadership with excellence" by upholding and maintaining reputation for quality, integrity and honesty, to the full satisfaction of our valued customers.

06/03/2025

اَللّٰهُمَّ لَا سَهْلَ إِلَّا ‌مَا ‌جَعَلْتَهُ ‌سَهْلًا، وَأَنْتَ تَجْعَلُ الْحَزْنَ سَهْلًا إِذَا شِئْتَ


উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা, লা- সাহলা ইল্লা- মা- জা‘আলতাহূ সাহলান। ওয়া আনতা তাজ্‘আলুল হাযনা সাহ্‌লান ইযা শি’তা।


অর্থ: হে আল্লাহ আপনি যা সহজ করেন তা ছাড়া কিছুই সহজ নয়। আর আপনি ইচ্ছা করলে সুকঠিনকে সহজ করেন।

10/11/2018

নতুন বাড়িতে গ্যাসের লাইন নেওয়ার প্রসেস

নতুন বিল্ডিং এ গ্যাসের লাইন নেওয়াটা খুব ঝামেলার কাজ। প্রসেসটা ও বেশ সময় সাপেক্ষ। তাই আগে থেকে এই ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করতে হয়। বিল্ডিং বানানোর পর গ্যাসের লাইন নেওয়ার চেষ্টা করলে আরও দেরি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই জন্য যা যা করতে হবে তা নিন্মরূপঃ

গ্যাসের লাইন নেওয়ার প্রসেস
গ্যাস সংযোগ নেওয়ার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবেঃ

আপনার কাছাকাছি কোন গ্যাস কর্তৃপক্ষের অফিস থেকে আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করুন ।

অফিসে এনলিস্টেড কনট্র্যাকটর পাওয়া যাবে। তাদেও একজনের সাথে যোগাযোগ করুন ।

ফর্ম সঠিক ভাবে পূরণ করে জমা দিন।

ফর্মে কনট্র্যাকটরের নাম উল্লেখ করতে ভুলবেন না ।

ফর্মের সাথে আপনার জমির দলিল, খতিয়ান আর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিন ।

এই ধাপগুলো সঠিকভাবে শেষ হলে কনট্র্যাকটর আপনার বাড়িতে গ্যাস সংযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন ।

09/11/2018

প্লাম্বিং এর সময় বিবেচ্য

প্লাম্বিং এর সময় বিবেচ্য বিষয়সমূহ
পানি সরবরাহ, ড্রেনেজ, স্যানিটেশন ইত্যাদি প্লাম্বিং সার্ভিস নামে পরিচিত। প্লাম্বিং এর কাজ করার সময় বিবেচ্য –

রাজউক বা সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা এর নিয়ম কানুন সম্পর্কে ধারণা
একজন ভাল প্লাম্বার নিয়োগ, যিনি পানি সরবরাহ, ডিস্ট্রিবিউশন পাইপ, স্টোরেজ ট্যাংক, ওয়াশ বেসিন, ওয়াটার ক্লোজেট, ইউরিনাল, ট্যাপ, ভেন্ট পাইপ, সেপটিক ট্যাংক ইত্যাদি সম্পর্কে ভাল ধারণা রাখেন।
লাইনগুলো ভালভাবে বসছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
লাইনের কোথাও লিকেজ থাকতে পারবে না।

08/11/2018

নতুন বাড়িতে পানির লাইন নেওয়ার প্রসেস

পানির লাইন নেওয়ার প্রসেস একটু সময় সাপেক্ষ হয়ে থাকে। এই জন্য সময় বেশি লাগতে পারে। তাই আমাদের পরামর্শ হচ্ছে- বাড়ি নির্মাণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার একটু আগে থেকেই পানির লাইন নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করে দিন। এই জন্য যা করতে হবে তা নিচে দেওয়া হলো ঃ

বাড়িতে পানি সংযোগ নিতে হলে আপনার যা যা করতে হবে ঃ
ওয়াসা অফিস থেকে পানি সংযোগের ফর্ম সংগ্রহ করুন। ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সাথে জমা দিন। যে কাগজপত্র লাগবে সেগুলো হচ্ছে –

আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
জমির খতিয়ানের কপি
যেখানে সংযোগ দেওয়া হবে, মানে আপনার বাড়িটি, যেন সহজে খুঁজে পাওয়া যায় সেজন্য লোকেশন ম্যাপ (হাতে আঁকা হলেও চলবে)

অন্যান্য ফর্ম আর কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর ওয়াসা সেগুলো প্রসেস করতে কিছু সময় নেবে। প্রসেসিং শেষে আপনার নামে ডিমান্ড নোট ইস্যু করা হবে, ডিমান্ড নোট অনুসারে নির্ধারিত ফি ব্যাংকে জমা দিন।

পানি সংযোগের জন্য রাস্তায় খনন কাজের প্রয়োজন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আপনার রাজউক বা সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে।

কি ধরণের পাইপ ব্যবহার করা উচিত ?

মেইন লাইন থেকে বাড়ির ভেতরে পানির লাইন নেওয়ার সময় ভালো ও মজবুত পাইপ কেনা উচিত।কারণ, যদি কোন কারণে পাইপ ফেটে যায় ,তাহলে মেরামতের জন্য রাস্তা কাঁটতে হয়। যার অনুমতি ও কার্য সম্পন্ন করা কষ্টকর ও ব্যয়সাধ্য।

07/11/2018

সিঁড়ি নির্মাণ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য

সিঁড়ি নির্মাণ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য
July 1, 2018HBC Info Deskবাড়ি নির্মাণের ধাপগুলোNo Comments
সিঁড়ি বিল্ডিং এর এমন অংশ যা ফ্লোর বা ছাদ পরিবর্তনের মাধ্যম। অনেকেই ভেবে থাকেন যে একটা ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে সিঁড়ি নির্মাণ সম্ভবত সহজ কাজগুলোর মধ্যে একটি। আসলে তা নয়। ভবনের সিঁড়ি নির্মাণ সবচেয়ে ঝমেলাপূর্ণ কাজগুলোর মধ্যে একটি। তাই সিঁড়ি নির্মাণের সময় যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। এর বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হয়ছে। তবে শুরুতেই আসুন জেনে নেওয়া যাক সিঁড়ির বিভিন্ন অংশ কি কিঃ

সিঁড়ির বিভিন্ন অংশ-
ট্রেড
রাইজ
ল্যান্ডিং
নোজিং
ফ্লাইট
হ্যান্ড রেইল
ওয়েন্ট স্ল্যাব
ল্যান্ডিং বীম
ফ্লোর বীম
নিউওয়েল পোস্ট
সেফটি
ওয়ান্ডার
কাটেইল স্টেপ
ফ্লায়ার

সিঁড়ির প্রকারভেদ-
কাঠের
স্টিলের
কংক্রিটের

সিঁড়ির অবস্থান-
পাবলিক বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে প্রধান প্রবেশদ্বারের কাছাকাছি।
বাড়ির ক্ষেত্রে সিঁড়ি এমন অবস্থানে হতে হবে যেন সবগুলো ঘর বা কক্ষ থেকে সহজে বের হওয়া যায়।
বাড়িতে গোপনীয়তা বজায় থাকে।
পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশ করে।

সিঁড়ির প্রশস্ততা-
ফ্লাইট দৈর্ঘ্য সাধারণত ৩ স্টেপ থেকে ১২ স্টেপ পর্যন্ত হতে পারে
পিচ কোন সর্বনিম্ন ২৫০-সর্বোচ্চ ৪০০
রাইজ ৬-৭ ইঞ্চি
ট্রেড ১০-১২ ইঞ্চি

06/11/2018

প্লাস্টার

প্লাস্টার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ঃ
প্লাস্টার কখনও ৪ সুতা বা আধা ইঞ্চি এর বেশি হওয়া উচিত নয়।

প্লাস্টার বেশি পুরু করতে হলে হালকা করে দুই বা তিন স্তরে প্লাস্টার লাগানো উচিত।

প্লাস্টার করার পর বালি ঝরে ( অর্থাৎ ১ ঘন্টা পর ) গেলে সেটা ব্যবহার করা যাবে না।

প্লাস্টার করার পূর্বে ইটগুলোর গা থেকে ময়লা পরিষ্কার করে নিতে হবে।
সিলিং ভালো করে চিপিং করতে হবে।
শুকনা দেয়ালে প্লাস্টার করলে তা ফেটে যায়।

ইটের দেয়াল পানি দিয়ে সম্পূর্ণরূপে ভিজিয়ে নিতে হবে যাতে দেয়াল প্লাস্টার থেকে পানি শোষণ করতে না পারে।

প্লাস্টার লাগানোর ১৮ ঘন্টা নিয়মিত ভাবে এক সপ্তাহ পর্যন্ত পানি ছিটিয়ে কিউরিং করতে হবে।

ইটের গাঁথুনির কাজ প্লাস্টারের জন্য সাধারনত ১ ভাগ সিমেন্ট ও ৬ ভাগ বালি এবং কংক্রিটের প্লাস্টারের জন্য সাধারণত ১ ভাগ সিমেন্ট ও ৪ ভাগ বালি মিশ্রিত করে মশলা বা মর্টার তৈরি করা হয়।

05/11/2018

দেয়াল নির্মাণ ও প্লাস্টার করার প্রক্রিয়া

দেয়াল নির্মাণ
দেয়াল নির্মাণ বা গাঁথুনির কাজ ফ্রেমড স্ট্রাকচারে ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, যতটা ভারবহনকারী দেয়ালের ক্ষেত্রে। বীম-কলাম-স্ল্যাব বিল্ডিং এ ইটের দেয়াল পার্টিশন ওয়াল হিসাবে কাজ করে আর Load Bearing Wall এ ইটের দেয়াল বিল্ডিং এর ভার বহন করে। তবে উভয় ক্ষেত্রেই নিচের বিষয়গুলোর দিকে কঠোর মনোযোগ দিতে হবে যাতে রাজমিস্ত্রিরা এ ধরণের ভুলগুলো না করতে পারে-
দুই ইটের মধ্যে এবং চারপাশে মসলার পরিমাণ ২ থেকে ৩ সুতা এর চেয়ে বেশি হবে না। মনে রাখতে হবে মসলার (মর্টার- সিমেন্ট : স্যান্ড) চেয়ে ইট অনেক বেশি শক্ত। অতএব, দেয়ালে মসলার চেয়ে ইটের সংখ্যা যত বেশি হবে দেয়াল তত শক্তিশালী হবে।
ইটের মার্কা উপরের দিকে থাকবে।
একবারে সাড়ে ৪ ফুটের বেশি গাঁথুনি করা উচিত নয়। কারণ, ইট যত বেশি হবে তত নিচের ইটগুলোর উপর চাপ বাড়বে এবং উপরের ইট গুলোর ওজনে নিচের জয়েন্ট গুলোর মসলা থেকে পানি বেরিয়ে যাবে ও জোড়াগুলো দূর্বল করে দেবে।
দেয়াল যেন নিচে এবং উপরে এক সমান্তরালে থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
দুই ইটের মাঝখানে পরিপূর্ণভাবে মসলা দিতে হবে।
ইটগুলো ভালভাবে ভিজিয়ে নিতে হবে যাতে তা মসলার পানি শোষণ না করে।

04/11/2018

পাইলিং কি ? পাইলিং করার সময় বিবেচ্য বিষয়

পাইলিং হচ্ছে বিল্ডিং বা স্থাপনার এক ধরনের ফাউন্ডেশন যা স্থাপনার নিচে মাটির গভীরে লোড স্থানান্তর করে স্থাপনাকে দৃঢ় ভিত্তি প্রদান করে। এটা সাধারণত করা হয়ে থাকে যে সব জমিতে মাটির ভারবহন ক্ষমতা কম কিন্তু স্থাপনাটি বহুতলভিত্তিক। এটাকে স্থাপনার কলামের সাথে তুলনা করা যায় যা মাটির গভীরে স্থাপিত হয়।

পাইলিং কয়েক ধরনের হতে পারে,যেমন-
কাস্ট-ইন-সিটু পাইল
স্যান্ড পাইল
প্রি-কাস্ট পাইল
শোর পাইল
টিম্বার পাইল
পাইলিং করার সময় বিবেচ্য বিষয়গুলো নিম্নে দেওয়া হল-
পাইলিং করার আগে মাটির ধরণ অনুযায়ী স্ট্রাকচারাল ডিজাইন ঠিক আছে কিনা দেখতে হবে,

নির্মাণ কাজের জায়গার মাটির ধরণ অনুযায়ী সঠিক পাইলিং করার ধরণ দেওয়া হয়েছে কিনা,

যে পাইলিংটি করা হবে তার জন্য প্রযোজনীয় যন্ত্রপাতি সাইটে মজুত আছে কিনা,

যে ডায়ার পাইলিং করা হবে তার সঠিক মাপের চিসেল নেওয়া হয়েছে কিনা,

যে পাইপ দিয়ে ঢালায় হবে অর্থাৎ ট্রিমি পাইপ এর সাইজ, সেফ ও বেশী পুরাতন কিনা দেখা,

কমপক্ষে আধাঘন্টা বা যতক্ষণ পানিতে কাঁদা আসে ততক্ষণ বোরিং ওয়াস করতে হবে,

পাইল করার সময় একটি পাইল হতে আরেকটি পাইলের ডিসট্যান্স মিনিমাম ৬ ফুট হতে হবে, বেশি হলে আরও ভাল হয়,

পাইলিং এর মাটির নিচের রডের মাথা সমান রাখার জন্য প্রজেক্টে সুবিধামত জায়গায় ২ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট একটি লেভেলিং পিলার তৈরি করতে হবে, এর ভিত্তিতে ওয়াটার পাইপ বা লেভেলিং মেশিনের সাহায্যে কাসিং পাইপের মাথায় লেভেল দিতে হবে। পাইলিং রডের খাচার মধ্যে একটি ১০ মিমি ব্যাসের রডের হুক লাগিয়ে লেভেলের পরিমাণ মত একটি রড ক্যাসিং পাইপের মাথায় হুক করে লাগাতে হবে।
একটি মেশিনে এক দিনে ৫০ ফুটের উপর হলে ২ টি এবং নিচে হলে ৩ টি পাইলিং করা উচিত।

কাস্টিং করার পর কাট অপ মাথা ভেঙ্গে ফেলা হয়, সে জন্য এই অংশটুকু কম রেশিওতে ঢালাই করতে হবে।
পাইলিং করা জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ম্যাটেরিয়ালস সাইটে রাখা।

03/11/2018

মাটি পরীক্ষা বা সয়েল টেস্ট কি? কেন করবেন? কীভাবে করবেন?

সঠিক ফাউন্ডেশন ডিজাইন এবং সঠিক ব্যয় বা খরচ নির্ধারণে মাটি পরীক্ষা (সয়েল টেস্ট) অত্যাবশ্যক। এখানে জেনে রাখা দরকার যে, নির্মাণ সাইটে মাটি পরীক্ষা ব্যতীত বাড়ির ফাউন্ডেশন ডিজাইন সম্ভব নয়। কোন নিচু জায়গা কিংবা ভরাট মাটির জায়গায় নির্মাণ কাজে অবশ্যই মাটি পরীক্ষা করতে হবে।

সাইটে মাটি পরীক্ষার (সয়েল টেস্টের) পদ্ধতিসমূহঃ

১. সাইট বা প্লট পরিদর্শন ও জরিপ করা।
২. ফিল্ডের অবস্থা অনুযায়ী বোরিং সংখ্যা ও স্থান নির্বাচন করা এবং সেই অনুযায়ী বোরিং কাজ সম্পন্ন করা।
৩. প্রয়োজন অনুযায়ী বোরিং গভীরতা নির্ধারণ করা।
৪. প্রত্যেক বোরিং স্থানে মাটির অক্ষত এবং বিক্ষত নমুনা সংগ্রহ করা এবং ল্যাবরেটরীতে পরীক্ষা করা।
৫. বোরিং বা ড্রিলিং-এর সাহায্যে ৫ ফুট অন্তর মাটির এস.পি.টি (S.P.T) ভ্যালু নির্ণয় করা এবং মাটির নিরাপদ ভারবহন ক্ষমতা (সেফ বিয়ারিং ক্যাপাসিটি) বাহির করা।
৬. ফিল্ড টেস্ট এবং ল্যাব টেস্টেও ফলাফল বাহির করা।
৭. অবশেষে মাটি পরীক্ষার চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরী করা এবং সেই অনুযায়ী বাড়ির ফাউন্ডেশন সম্পর্কে মন্তব্য করা।

বোরিং স্থান নির্ধারণ (বোরিং সংখ্যা ও দূরত্ব অনুযায়ী)

বি:দ্র: সাধারণ নিয়মঅনুযায়ী প্রতি তলা বিল্ডিং-এর জন্য ৩ মিটার বোরিং করতে হবে।

বিল্ডিং-এর প্রস্থ বা পার্শ্ব দিক অনুযায়ী বোরিং গভীরতা নিম্নরূপঃ

মাটি পরীক্ষার টেস্ট সাধারণত দুই প্রকার
১. মাটির ফিল্ড টেস্ট
ক. প্লেট লোড বেয়ারিং টেস্টঃ ইহা সাধারণ যন্ত্র পরিচালিত পদ্ধতি যাহা দ্বারা মাটির যে কোন স্তরে চূড়ান্ত বেয়ারিং ক্যাপাসিটি এবং মাটির সংকোচন মাপা যায় বা নির্ণয় করা যায়। অধিকিন্তু এই টেস্ট দ্বারা নির্ণীত ফলাফল তুলনা এবং সত্যতা যাচাই করা যায়।

খ. এস.পি.টি (S.P.T ) টেস্টঃ এস.পি.টি ( S.P.T = Standard Pe*******on Test) – এর মাধ্যমে মাটির এন (ঘ) ভ্যালু Value () যেমন নির্ণয় করা যায় তেমনি সংগৃহীত মাটির নমুনা Soil (Sample)

ল্যাবরেটরীতে টেস্ট করা হয়। ফিল্ডে প্রতিটি বোরিং ৫ ফুট পর পর এন ঘ) (ভ্যালু Value) (নির্ণয় করা হয়, যাহা মাটির ভারবহন ক্ষমতা সরাসরি দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকে।

বি:দ্র: এস.টি পি (S.T.P) ভ্যালুর সাহায্যে ফিল্ডে সরাসরি মাটির ভারবহন ক্ষমতা (বেয়ারিং ক্যাপাসিটি) নির্ণয় এবং পরীক্ষা করা যায়।

২. মাটির ল্যাব টেস্টঃ
ASTM – অনুযায়ী মাটির ল্যাব টেস্টসমূহ সাধারণত নিম্নরুপঃ
ক) ময়েশ্চার কনটেন্ট টেস্ট
খ) প্লাস্টিসিটি টেস্ট
গ) আপেক্ষিক গুরুত্ব টেস্ট
ঘ) ঘনত্ব টেস্ট
ঙ) কনসোলিডেশন টেস্ট
চ) ডাইরেক্ট শেয়ার টেস্ট, ইত্যাদি।

বি:দ্র: উপরোক্ত টেস্টের ফলাফলের মাধ্যমে মাটি পরীক্ষার চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরী এবং মন্তব্য করা হয়।

02/11/2018

বাড়ি বানানোর আগে যা যা করবেনঃ

ক না বাণিজ্যিক এলাকার অন্তর্ভূক্ত সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে । কেননা, আবাসিক বা বাণিজ্যিক এলাকার কর ও অন্যান্য খরচ একেক রকম।

৪. বাড়ি নির্মাণের জন্য নির্বাচিত জায়গাটি কি আবাসিক না বাণিজ্যিক এলাকার অন্তর্ভূক্ত সে দিকে ও লক্ষ্য রাখা উচিত। কারণ, ইলেকট্রিক লাইনের (Unit Cost) এলাকাভেদে ভিন্ন রকম হয়ে থাকে।

৫. Home Building Finance এর প্রয়োজন আছে কিনা সে দিকটা বিবেচনায় রাখতে হবে। যদি Home Building Finance এর প্রয়োজন হয় ,তাহলে কোথায় কি রেট চলছে এবং এর Terms and Condition সম্পর্কে জানতে হবে।

৬. CS , RS এবং Mutation এর কাগজ নামজারি ও খাজনা হালনাগাদ করা আছে কি না সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

৭. বাড়ি নির্মাণের পূর্বে বাড়ির ডিজাইন জমা দেওয়া পূর্বক অবশ্যই Fire Service থেকে অনুমতি নিতে হবে।

31/10/2018

Warm and heartfelt wishes this Diwali

মোড়কের ধাঁধায় একটু মান যাচাই গুরুত্বপূর্ণ
29/10/2018

মোড়কের ধাঁধায় একটু মান যাচাই গুরুত্বপূর্ণ

#বাড়ি_তৈরি #বাড়ি_বানানোর_নকশা বাড়ি বানানোর নকশা তৈরি করার আগে জেনে রাখুন কাজে দেবে। ভালো সিমেন্ট চেনার উপায়: ভ.....

Address

Dhaka
1000

Telephone

+8801711016207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nandanik Development posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nandanik Development:

Share

Category