পদ্মাসেতুকে কেন্দ্র করে সরকার মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। পদ্মার দু-পারে গড়ে উঠবে হংকং আর সিঙ্গাপুরের মত আধুনিক নগরী। ঢাকা – মাওয়া রোডে ফুটে উঠেছে সরকারের বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা।
ইতিমধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরিত হয়েছে। ফলে প্রতিদিনই সেখানে প্রায় ১০,০০০ লোকের ভিড় জমে উঠছে। বিপরীত পাশে রয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা। বদলে যাচ্ছে মানুষের অর্থনীতির চাকা।
স্বপ্নের পদ্মাসেতুর বাস্ত
বায়নের সাথে সাথে দক্ষিনাঞ্চলকে ঘিরে সরকার সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যেমন:- গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও ইন্ডাষ্ট্রিয়াল জোন তৈরী করা। রেল অবকাঠামো তৈরী করা ও দেশের দক্ষিণ – পশ্চিমাঞ্চলের বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, নড়াইল, শরিয়তপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর সহ ১৯টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
ইতিমধ্যে পায়রা সমুদ্র বন্দর উদ্ভোধন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আগামী ১০ বছরে পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ঢাকা-মাওয়া রোড হবে দেশের সর্ববৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল। অর্থাৎ সারা দেশে যে পরিমাণ বানিজ্যিক লেনদেন হবে শুধু মাত্র ঢাকা-মাওয়া রোডে এর চেয়ে বেশী পরিমানে বাণিজ্যিক লেনদেন হবে। ভাগ্যের চাকা ঘুরে যাবে দক্ষিনাঞ্চলের কয়েক কোটি মানুষের। আন্তর্জাতিক ক্রিয়া কমপ্লেক্স সহ অলিম্পিক ভিলেজ নির্মাণের ঘোষণা করেছে বর্তমান সরকার। গড়ে উঠবে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ প্রাণী জাদুঘর। গ্যাস সংযোগের সাথে সাথে শিল্প স্থাপনের ধুম পরে যাবে, বাড়বে কর্ম সংস্থান। প্রয়োজনীয়তা বাড়বে উন্নত আবাসনের।
আবাসন শিল্পের এক নবজাগরনের অঙ্গীকার নিয়ে এগিয়ে এসেছে “ধরিত্রী প্রপার্টিজ লিঃ” । উন্নত নাগরিক সুবিধা সহ পরিবেশ বাস্তব এক নতুন শহর “ধরিত্রী গার্ডেন সিটি” বাস্তবায়নের সুযোগ পেয়ে আমরা চির কৃতজ্ঞ! আলহামদুলিল্লাহ ..