26/03/2026
- একদা হযরত ঈসা (আঃ) একটি ক'বরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আল্লাহর হু'কুমে ক'বরের এক মৃ'ত ব্যক্তিকে জী'বিত করলেন। লোকটি ক'বরের মা'টি ঝে'ড়ে উঠে দাঁ'ড়াল।
(উল্লেখ্য, হযরত ঈসা (আ.)-এর অন্যতম প্রধান মুজেযা (অলৌকিক ক্ষমতা) ছিল, তিনি মহান আল্লাহর হুকুমে মৃ'ত ব্যক্তিকে জী'বিত করতে পারতেন। )
হযরত ঈসা (আঃ) তাকে জি'জ্ঞেস করলেন, "দুনিয়াতে তোমার কাজ কী ছিল❓️
লোকটি উত্তর দিল, "হে আল্লাহর নবী❗️আমি একজন কুলি ছিলাম। মানুষের বোঝা মা'থায় ব'হন করতাম এবং তা দিয়েই জী'বিকা নি'র্বাহ করতাম। আমার জীবনটি খুব সাধারণ ছিল।"
হযরত ঈসা (আ.) জি'জ্ঞেস করলেন, "তবে তোমার কবরের অ'বস্থা কী❓️তোমার হিসাব-নিকাশ কেমন চলছে?"
লোকটি কাঁ'দতে কাঁ"দতে বলল,
"একবার আমি এক ব্যক্তির এক বো'ঝা লা'কড়ি (জ্বা'লানি কা'ঠ) মা'থায় করে তার বা'ড়িতে পৌঁ'ছে দিচ্ছিলাম। প'থিমধ্যে আমার দাঁ'তের ফাঁ'কে কিছু একটা আ'টকে গিয়েছিল। আমি মালিকের অ'জান্তেই সেই লা'কড়ির বোঝা থেকে একটি ছোট্ট কা'ঠি (খিলাল হিসেবে ব্যবহারের জন্য) ভে'ঙে নিলাম এবং তা দিয়ে দাঁ'ত খিলাল করলাম।
এরপর যখন আমার মৃ'ত্যু হলো, আল্লাহ তা’আলা আমাকে বললেন, 'হে আমার বান্দা❗️ তুমি কি জানতে না যে আমি তোমাকে আজ এই হিসাবের কা'ঠগড়ায় দাঁ'ড় করাব❓️
অমুক ব্যক্তি তার টা'কা দিয়ে কা'ঠ কিনেছিল এবং তোমাকে ম'জুরি দিয়েছিল তা বয়ে নেওয়ার জন্য। তুমি সেই মালিকের অনু'মতি ছাড়া কেন একটি কা'ঠি ভে'ঙে নি'লে❓️
হে আল্লাহর নবী! আল্লাহর ক'সম, আমি আজ ৪০ বছর ধরে এই একটি মাত্র খ'ড়কুটোর হি'সাব দিয়ে যাচ্ছি কিন্তু আজও মু'ক্তি পাইনি❗️ দ'য়া করে আপনি আমার জন্য আল্লাহর কাছে সু'পারিশ করুন।"
আমরা অনেক সময় অ'ন্যের অতি ক্ষু'দ্র জিনিস অনুমতি ছাড়া ব্য'বহার করি। আমরা একে খুব তু"চ্ছ মনে করি।
কিন্তু মনে রাখতে হবে, আল্লাহর কাছে ‘আ'মানত’ অ'ত্যন্ত গু'রুতর বিষয়। অ'ন্যের হক যদি একটি খ'ড়কুটোর স'মপরিমাণও হয়, তবুও প'রকালে তার ক'ড়ায়-গ'ণ্ডায় হি'সাব দিতে হবে।
@シ シ