Freedom Builders

Freedom Builders স্বপ ছাড়া স্বপ্নের নীড় তৈরি হয় না। আমর

ফানুস উড়ানো ও আতশবাজির ফুটিয়ে  বিকট শব্দে আনন্দের প্রকাশ করা বর্বরতা। ফানুস উড়ানো ও আতশবাজি হাজারো প্রাণের মৃর্ত্যুর কার...
31/12/2023

ফানুস উড়ানো ও আতশবাজির ফুটিয়ে বিকট শব্দে আনন্দের প্রকাশ করা বর্বরতা। ফানুস উড়ানো ও আতশবাজি হাজারো প্রাণের মৃর্ত্যুর কারণ। তাই দয়া করে থার্টি ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি না ফোটানোর এবং ফানুস না উড়াবেন না।

ফায়ার সার্ভিসের তথ্য মতে, ২০২২ সালের থার্টি ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস ওড়ানোর কারণে প্রায় ১০০টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। যাতে আনুমানিক ১৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ক্ষতি হয়। এছাড়াও আতশবাজির উচ্চশব্দে প্রতিবছর অসংখ্য পাখি মারা যায়।
২০২১ সালে ১৬টি অগ্নিকাণ্ডে প্রায় চার লাখ পাঁচ হাজার টাকার ক্ষতি হয় এবং আতশবাজির উচ্চশব্দে তানজিম উমায়ের ওরফে মাহমুদুল হাসান নামের এক শিশুর দুই বছরের শিশুর মৃত্যু হয়।
২০২০ সালে ৫০টি অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। ২০১৯ সালে ৭২টি অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে ৪২টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ৫৬ লাখ ছয় হাজার টাকার ক্ষতি সাধিত হয়। এসব অগ্নিকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে ফায়ার সার্ভিস তিন কোটি ৬৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকার সম্পদ উদ্ধার করে।
#নভেম #ডাইরি

simply best😍
09/11/2023

simply best😍

 #হিসাবগুলো জেনে রাখুন, জীবনে চলার পথে কাজে লাগবে ।1 ফুট = 12 ইঞ্চি1 গজ = 3 ফুট1 মাইল = ১৭৬০ গজ1 মাইল ≈ 1.61 কিলোমিটার1 ...
08/01/2021

#হিসাবগুলো জেনে রাখুন, জীবনে চলার পথে কাজে লাগবে ।

1 ফুট = 12 ইঞ্চি
1 গজ = 3 ফুট
1 মাইল = ১৭৬০ গজ
1 মাইল ≈ 1.61 কিলোমিটার
1 ইঞ্চি = 2.54 সেন্টিমিটার
1 ফুট = 0.3048 মিটার
1 মিটার = 1,000 মিলিমিটার
1 মিটার = 100 সেন্টিমিটার
1 কিলোমিটার = 1,000 মিটার
1 কিলোমিটার ≈ 0.62 মাইল
# ক্ষেত্রঃ
1 বর্গ ফুট = 144 বর্গ ইঞ্চি
1 বর্গ গজ = 9 বর্গ ফুট
1 একর = 43560 বর্গ ফুট
# আয়তনঃ
1 লিটার ≈ 0.264 গ্যালন
1 ঘন ফুট = 1.728 ঘন ইঞ্চি
1 ঘন গজ = 27 ঘন ফুট
# ওজনঃ
1 আউন্স ≈ 28.350 গ্রাম
1 cvDÛ= 16 আউন্স
1 cvDÛ ≈ 453.592 গ্রাম
1 এক গ্রামের এর্কসহস্রাংশ = 0.001
গ্রাম
1 কিলোগ্রাম = 1,000 গ্রাম
1 কিলোগ্রাম ≈ 2.2 পাউন্ড
1 টন = 2,200 পাউন্ডের
===========================
# যারা মিলিয়ন, বিলিয়ন, ট্রিলিয়ন হিসাব জানেন না।:-
১ মিলিয়ন=১০ লক্ষ
১০ মিলিয়ন=১ কোটি
১০০ মিলিয়ন=১০ কোটি
১,০০০ মিলিয়ন=১০০ কোটি
আবার,
১,০০০ মিলিয়ন= ১ বিলিয়ন
১ বিলিয়ন=১০০ কোটি
১০ বিলিয়ন=১,০০০ কোটি
১০০ বিলিয়ন=১০,০০০ কোটি
১,০০০ বিলিয়ন=১ লক্ষ কোটি
আবার,
১,০০০ বিলিয়ন=১ ট্রিলিয়ন
১ ট্রিলিয়ন=১ লক্ষ কোটি
১০ ট্রিলিয়ন=১০ লক্ষ কোটি
১০০ ট্রিলিয়ন=১০০ লক্ষ কোটি
১,০০০ ট্রিলিয়ন=১,০০০ লক্ষ কোটি।
===========================
১ কুড়ি = ২০টি
১ রিম = ২০ দিস্তা = ৫০০ তা
১ ভরি = ১৬ আনা ;
১ আনা = ৬ রতি
১ গজ = ৩ ফুট = ২ হাত
১ কেজি = ১০০০ গ্রাম
১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি
১ মেট্রিক টন = ১০ কুইন্টাল = ১০০০ কেজি ১ লিটার = ১০০০ সিসি
১ মণ = ৪০ সের
১ বিঘা = ২০ কাঠা( ৩৩ শতাংশ) ;
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট (৮০ বর্গ গজ) 1 মিলিয়ন = 10 লক্ষ
1 মাইল = 1.61 কি.মি ;
1 কি.মি. = 0..62
1 ইঞ্চি = 2.54 সে..মি ;
1 মিটার = 39.37 ইঞ্চি
1 কে.জি = 2.20 পাউন্ড ;
1 সের = 0.93 কিলোগ্রাম
1 মে. টন = 1000 কিলোগ্রাম ;
1 পাউন্ড = 16 আউন্স
1 গজ= 3 ফুট ;
1 একর = 100 শতক
1 বর্গ কি.মি.= 247 একর
===========================

29/09/2020

A Dream Model House🏣

বাড়ি নির্মাণে খরচ“আমি একটি বাড়ি নির্মাণ করতে চাই। বলতে পারেন কেমন খরচ পড়বে?” এই প্রশ্নটি নির্মাণকাজের সাথে সংশ্লিষ্ট প্র...
15/05/2020

বাড়ি নির্মাণে খরচ

“আমি একটি বাড়ি নির্মাণ করতে চাই। বলতে পারেন কেমন খরচ পড়বে?” এই প্রশ্নটি নির্মাণকাজের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেককে প্রায় প্রতিদিনই শুনতে হয়। একটি বাড়ি তৈরিতে খরচ কত হবে এ সম্পর্কে সরাসরি একটি উত্তর দেয়া সবসময়ই কঠিন। কারণ, ভবন নির্মাণ একটি শিল্প যেখানে অনেক বিষয়ই একসাথে কাজ করে। জমির মাপ, ভবনের নকশা, স্কয়ার ফিট, সাইটের অবস্থা ও অবস্থান, উপকরণের সহজলভ্যতা ও পরিবহন ব্যবস্থা ইত্যাদি নানা কারণে খরচ পরিবর্তন হতে পারে।

তবে ভবন তৈরি করতে হলে আপনাকে সকল দরকারিরী জমিসংক্রান্ত কাগজ ও সার্ভেসহ প্রথমে যেতে হবে স্থপতির বা স্থাপত্য ফার্ম-এর কাছে। তারা আপনাকে নকশা ও খরচের প্রাথমিক হিসাব প্রদান করবেন। সেখান থেকে প্রাপ্ত ও সরকার অনুমোদিত নকশা নিয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বা ফার্ম থেকে পুরকৌশল সংক্রান্ত নকশা ও বাজেট নির্ধারণ শেষে আপনি নির্মাণে হাত দিতে পারবেন। এখন স্থপতি ও প্রকৌশলীর ফি এবং অনুমোদনের ফি প্রদানের পর আপনি নির্মাণ বাজেটকে বিভিন্ন খাতে ভাগ করতে পারেন। এই খাত এর আনুপাতিক হার সম্পর্কে ধারণা দেয়া সম্ভব।

বিভিন্ন খাত অনুসারে আপনার নির্মাণ বাজেট খরচের শতকরা হিসাব
১. ভিত্তি ও কাঠামো = ৩৫%

২. ইটের কাজ = ৬%

৩. ফ্রেম ও কাঠের কাজ = ৫%

৪. ধাতব কাজ = ২%

৫. পয়নিষ্কাশন ও পানি সরবরাহ সংক্রান্ত কাজ = ৬%

৬. বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি = ৭%

৭. প্লাস্টার = ৪%

৮. টাইলস ও ফ্লোর সংক্রান্ত কাজ = ৬%

৯. স্নানঘর ও টয়লেট এর সাজসজ্জা = ৩%

১০. অ্যালুমিনিয়াম ও জানালার ফ্রেমিং এর সাজসজ্জা = ৪%

১১. কেন্দ্রীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি (লিফট, জেনারেটর ও সাবস্টেশান)= ১০%

১২. রঙ এর কাজ = ৩%

১৩. সব ধরনের বিবিধ পুরকৌশলজনিত কাজ = ৬%

১৪. নির্মাণকালীন সব ধরনের সংযোগ ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার বিল = ৩%
___________________________________________________________

মোট খরচ = ১০০%

এখন যদি আমরা প্রতিটি খাতে, বাংলাদেশের সাধারণ নির্মাণ সংস্কৃতিতে একটি ছয়তলা বাড়ির কথা চিন্তা করি (যা ৩, ৫ বা ৭ কাঠা জায়গার উপর নির্মিত হবে) তাহলে এর বিভিন্ন খাতকে আরো বিস্তারিতভাবে খরচ সাপেক্ষে নিরুপণ করা যায়। সেটা অনেকটা এরকম-

ভিত্তি ও কাঠামোগত খরচ

– ফুটিং ও কলামের ভিত্তিমূলের কাজ = ২০%

– গ্রেড বীম ও ভূগর্ভস্থ পানির ট্যাংকের উপরের স্ল্যাব = ৫%

– বেজমেন্ট এর কলাম ও স্ল্যাব = ৪%

– ১ম ফ্লোরের স্ল্যাব = ৯%

– সাধারণ ফ্লোরের কলাম (৫x৩%) = ১৫%

– দ্বিতীয় তলা থেকে বাকি ফ্লোর সহ ছাদের স্ল্যাব (৫x৮) = ৪০%

– ছাদের কাঠামোগত খরচ = ৭%
____________________________________

ভিত্তি ও কাঠামোর জন্য মোট খরচ = ১০০% (পুরো নির্মাণ বাজেট এর ৩৫% যেভাবে খরচ হবে।)

ইটের কাজে খরচ
– বেজমেন্ট এ ইটের কাজ = ৬%
– প্রথম ফ্লোরে ইটের কাজ= ১৮%
– দ্বিতীয় ফ্লোরে ইটের কাজ= ১৮%
– তৃতীয় ফ্লোরে ইটের কাজ= ১৮%
– চতুর্থ ফ্লোরে ইটের কাজ= ১৮%
– পঞ্চম ফ্লোরে ইটের কাজ = ১৮%
– ছাদে ইটের কাজ= ৪%
____________________________________

ইটের কাজে মোট খরচ = ১০০% (পুরো নির্মাণ বাজেট এর ৬% যেভাবে খরচ হবে।)

কাঠের কাজ বাবদ খরচ
– দরজার ফ্রেম = ৪০%
– মূল দরজার শাটার = ১৫%
– পারটেক্স এর দরজার শাটার= ৩৫%
– পোষ্য দরজা এবং অন্যান্য সরঞ্জামাদি = ১০%
____________________________________

দরজার কাজে মোট খরচ = ১০০% (পুরো নির্মাণ বাজেট এর ৫% যেভাবে হবে।)

ধাতব কাজ বাবদ খরচ
– জানালার গ্রিল = ৫৫%

– বারান্দের রেলিং = ২০%
– সিড়ির রেলিং = ১০%
– মূল ফটক ও সকল ধরনের সেফটি গ্রিল = ১৫%
____________________________________

ধাতব কাজে পুরো খরচ = ১০০% (পুরো নির্মাণ বাজেট এর ২% যেভাবে খরচ হবে।)

পয়নিষ্কাশন ও পানি সরবরাহ সংক্রান্ত কাজ বাবদ খরচ
– উলম্ব পিভিসি লাইন ও সকল ডাক্ট এর খরচ = ২৫%
– জি আই লাইনের কাজ = ৩০%
– ফিক্সচার ও ফিটিং = ৪০%
– নিচতলার ফ্লোর এর পয়ঃনিষ্কাশনের আলাদা খরচ = ৫%
____________________________________

পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের খরচ = ১০০% ( পুরো নির্মাণ কাজের ৬% যেভাবে হবে।)

বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি বাবদ খরচ
– স্ল্যাবের ভেতর দিয়ে লাইন বহনের খরচ = ১০%
– দেয়াল ও বৈদ্যুতিক বক্স এর ভেতর লাইন বহনের খরচ = ১৫%
– তার সংক্রান্ত কাজ = ৫৫%
– সুইচ ও সকেট বাবদ খরচ = ২০%
____________________________________

বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এর মোট খরচ = ১০০% (পুরো নির্মাণ বাজেট এর ৭% যেভাবে খরচ হবে।)

প্লাস্টার বাবদ খরচ
– সিলিং এর প্লাস্টার = ২০%
– ভেতরের দেয়ালের প্লাস্টার = ৫০%
– বাইরের দেয়ালের প্লাস্টার বা ইটের ফেসিং ও পয়েন্টিং = ৩০%
____________________________________

প্লাস্টার বাবদ পুরো খরচ = ১০০% (পুরো নির্মাণ বাজেট এর ৪% যেভাবে খরচ হবে।)

টাইলস ও ফ্লোর সংক্রান্ত কাজ
– সাধারণ ফ্লোর ও বারান্দার টাইলস = ৭৫%
– সিড়ি, লিফটকোর এর দেয়াল ও লবির টাইলস = ২০%
– বেজমেন্ট এর লিফটের লবি, দেয়াল এবং লবির টাইলস = ৫%

____________________________________

টাইলস ও ফ্লোর সংক্রান্ত কাজে মোট খরচ = ১০০% (পুরো নির্মাণ বাজেট এর ৬% যেভাবে খরচ হবে।)

স্নানঘর ও টয়লেট এর সাজসজ্জা সংক্রান্ত খরচ
– স্নানঘরের দেয়াল = ৬০%
– রান্নাঘরের দেয়াল = ২০%
– স্নানঘরের মেঝে = ৯%
– স্নানঘরের কাউন্টার টপ= ৪%
– রান্নাঘরের দেয়াল = ৩%
– কিচেন কাউন্টার এর টপ =৪%

____________________________________

সাজসজ্জা বিষয়ে মোট খরচ = ১০০% (পুরো নির্মাণ বাজেট এর ৩% যেভাবে খরচ হবে।)



অ্যালুমিনিয়াম সংক্রান্ত কাজ বাবদ খরচ
– স্লাইডিং জানালার বাইরের দিকের ফ্রেম = ৪০%
– গ্লাসের শাটার ও স্লাইড করার ফ্রেম = ৩০%
– বারান্দার স্লাইডিং উপকরণ = ২০%
– টয়লেটের উঁচু জানালা = ৫%
– সাধারণ এরিয়া এর উপকরণ = ৫%
____________________________________

অ্যালুমিনিয়াম সংক্রান্ত মোট খরচ = ১০০% (পুরো নির্মাণ বাজেট এর ৪% যেভাবে খরচ হবে।)

কেন্দ্রীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি বাবদ খরচ
– লিফট = ৫০%
– জেনারেটর =২৫%
– বৈদ্যুতিক সাবস্টেশান = ২০%
– অগ্নি নির্বাপক সরঞ্জামাদি ও ইন্টারকম সংযোগ = ৫%
____________________________________

কেন্দ্রীয় সরঞ্জামাদি বাবদ খরচ = ১০০% (পুরো নির্মাণ বাজেট এর ১০% যেভাবে খরচ হবে।)

রং এর কাজ বাবদ খরচ
– পুটি লাগানো পর্যন্ত খরচ = ৪০%
– ভেতরের দেয়াল ও সিলিং এ প্রথম আস্তর = ২০%
– ভেতরের দেয়াল ও সিলিং এ পরের আস্তর= ১৫%
– বাইরের রঙ ও মোমের কোটিং = ২৫%
____________________________________

রং বাবদ মোট খরচ = ১০০% (পুরো নির্মাণ বাজেট এর ৩% যেভাবে খরচ হবে।)

বিবিধ পুরকৌশল সংক্রান্ত কাজ
– সীমানার দেয়াল সংক্রান্ত খরচ = ৩০%
– টেরাস ও ছাদের পেভিং সংক্রান্ত খরচ= ১৫%
– ছাদে বাগান, ডেভেলপারের ব্যবসায়িক অলংকরন = ৪%
– বেজমেন্ট লেভেলের বিবিসি = ১৪%
– বেজমেন্ট এর পেভমেন্ট ও জমির ভেতর ফুটপাথ সংক্রান্ত কাজ = ১০%
– লিন্টেল, ড্রপ স্ল্যাব, এফ স্ল্যাব ইত্যাদি= ২০%

– তারের ট্রে = ১%

– ডাক্ট ও সিলিং এ তারের উপরে কাভার ও তার লুকানোর খরচ= ৪%

– অভ্যর্থনা ডেস্ক ও চিঠির বাক্স = ২%
____________________________________

বিবিধ খরচ = ১০০% (পুরো নির্মাণ বাজেট এর ৬% যেভাবে খরচ হবে।)



নির্মাণকালীন সব ধরনের সংযোগ ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার বিল



– বিদ্যুৎ বিল (ডেসা ও ডেসকোর রেট অনুসারে) = ৩৫%
– গ্যাসের বিল (তিতাস এর রেট অনুসার) = ২০%
– পানির বিল (ওয়াসা এর রেট অনুসারে) = ১৫%
– অন্যান্য বিল = ৩০%
____________________________________

সম্পূর্ণ = ১০০% (পুরো নির্মাণ বাজেট এর ৩% যেভাবে খরচ হবে।)



সাধারণত ঢাকায় অঞ্চলভেদে প্রতি স্কয়ার ফুট নির্মাণ কাজে আবাসিক ভবনে সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা প্রতি স্কয়ার ফুটে নির্মাণ খরচ হয়ে থাকে। তবে নকশা ও এর খুঁটিনাটি অনুসারে এটি অনেক ওঠানামা করতে পারে। বাড়ি নির্মাণ একটি দীর্ঘ ও সময় সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। এজন্য খরচের হিসাব সম্পর্কে শুরুতেই পরিষ্কার ধারণা নিন। আপনার স্থপতিকে শুরুতেই আপনার বাজেট সম্পর্কে ধারণা দিন ও চাহিদার কথা পরিষ্কারভাবে জানান। শুধুমাত্র এভাবেই আপনি নির্ধারিত বাজেটে আপনার পছন্দের বাড়ী পেতে পারেন।

 #সয়েল টেস্ট কী, কেন, কীভাবে   Test’ কথাটির আভিধানিক অর্থ হলো ‘মাটি পরীক্ষা’। নিজের জমিতে যেকোনো ধরনের স্থাপনার কাজে যখন...
09/05/2020

#সয়েল টেস্ট কী, কেন, কীভাবে

Test’ কথাটির আভিধানিক অর্থ হলো ‘মাটি পরীক্ষা’। নিজের জমিতে যেকোনো ধরনের স্থাপনার কাজে যখন যাবেন, একজন প্রশিক্ষিত স্থপতি এবং প্রকৌশলী আপনার কাছে প্রথমেই দুটি জিনিস চাইবেন। এর একটি হচ্ছে জমির ডিজিটাল সার্ভে। আর দ্বিতীয়টি হলো এই ‘সয়েল টেস্ট’।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিভাষায় একে কখনো বলা হয় Soil Test আবার কখনো বলা হয় Sub Soil Investigation। যেকোনো ধরনের স্থাপনার কাজের আগে জমির সয়েল টেস্ট বা মাটি পরীক্ষা করে নেওয়া বাধ্যতামূলক। শুধুমাত্র ভবন তৈরিই নয়, ব্রিজ বা কালভার্ট, হাইওয়ে বা দুই লেন বা তার চেয়ে বেশি চওড়া পাকা রাস্তা, রেলপথসহ সব ধরনের কাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও মাটি পরীক্ষা অপরিহার্য। যেকোনো স্থপতিই আপনাকে জানাবেন যে নকশার কাজে হাত দেবার পূর্বে অবশ্যই সয়েল টেস্ট করাতে হবে। কিন্তু কেন এই পরীক্ষণ এতটা গুরুত্বপূর্ণ?

প্রথমত, মাটির Bearing Capacity বা ভার বহনের ক্ষমতা নকশার আগেই বুঝে নিতে হয়। এই Soil Test এর মাধ্যমেই এই ক্ষমতা সম্পর্কে সুক্ষাতিসুক্ষ ধারণা পাওয়া সম্ভব।
দ্বিতীয়ত, ভবনে ঠিক কী ধরনের ফাউন্ডেশন ব্যবহার করা হবে সে ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নেয়া যায় জমির মাটি পরীক্ষার ফলাফল থেকেই। মাটির ক্ষমতা বেশি হলে অনেক ক্ষেত্রে অগভীর ফাউন্ডেশন ব্যবহার করা হয়। যদি ক্ষমতা কম হয় সেক্ষেত্রে পাইলিংয়ের মতো গভীর ফাউন্ডেশন ব্যাবহার করা হতে পারে।

Bearing Capacity এবং Foundation type দুটিই ফলাফলে উল্লেখ করা থাকে। এর সাথে SPT, মাটির ধরন, মাটির বিভিন্ন স্তরের বিবরণ, মাটিতে উপাদানের উপস্থিতিসহ বোরিং পয়েন্ট লে-আউট ও উল্লেখ থাকে এই ফলাফলে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, এই পরীক্ষণ না করলে ফাউন্ডেশনের নকশা করা প্রায় সম্ভব। সঠিক ফাউন্ডেশনের অভাবে ভবনের নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে:

স্থাপনা মাটিতে দেবে যাবার সম্ভাবনা।
ফাউন্ডেশন দেবে বা বেকে যাওয়ার ফলে বা অতিরিক্ত চাপের কারণে ফাটল তৈরি হতে পারে।
ভূমিকম্পের প্রভাবে মাটি সরে যাওয়া সম্পর্কে ধারণা বা জ্ঞান এর অভাব রয়ে যেতে পারে।
বন্যার সম্ভাবনা ও মাটিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি সম্পর্কেও জ্ঞান না থাকতে পারে।
বাংলাদেশে সাধারণভাবে মাটির ভার বহন ক্ষমতা প্রতি বর্গমিটারে ৯-১০ টন হয়ে থাকে। অনেকে ছোট ভবনের ক্ষেত্রে মাটি পরীক্ষা না করেই ভবন তৈরি করতে চাইতে পারেন, কারণ, ভবনের ভার এর চেয়ে বেশি হওয়া প্রায় অসম্ভব। তবে ভবিষ্যৎ নির্মাণ এর সম্ভাবনা ও নিরাপত্তার স্বার্থে অবশ্যই এই পরীক্ষণ করানো উচিত। একটি Soil testing set এ এই পরীক্ষাগুলি সাধারণত পাওয়া যায়:

Soil classification,
Particle size distribution
Moisture content determination
Specific gravity
Liquid limit and plastic limit test
Moisture content
particle size and specific gravity tests
সাধারণত Soil Testing এর জন্য আলাদা কোম্পানি থাকে। অনেক ক্ষেত্রে জমির সার্ভে কোম্পানি লাইসেন্স থাকা সাপেক্ষে এটি করতে পারেন। আপনি আপনার জমির নকশায় নিযুক্ত স্থপতি ও প্রকৌশলীর কাছ থেকে এরকম দক্ষ কোম্পানির সন্ধান পেতে পারেন। বাংলাদেশে জমির মাটি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তার নাম ‘ওয়াশ বোরিং’ পদ্ধতি। এখানে যা যা করা হয় তা অনেকটা এরকম:

পানির সাহায্যে দুই ইঞ্চি ব্যাসের একটি নলকে চাপ প্রয়োগ করে মাটিতে প্রবেশ করানো হয়।
প্রতি পাঁচ ফিট বা দেড় মিটার পর পর ঘাত সংখ্যা ও মাটির নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
প্রতি পাঁচ ফিট পর পরবর্তী দেড় ফিট পাইপ মাটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করাতে যে পরিমাণ আঘাত করতে হয় তা সাধারণত বিবেচনায় নেয়া হয় না। এর পরের ১২ ইঞ্চি মাটির ভিতরে পাইপ প্রবেশ করাতে প্রয়োজনীয় আঘাত এর সংখ্যাকেই বলা হয় N এর মান।
সাধারণত N এর মান ১৫ এর কম হয়ে থাকে। তবে ১৫ এর বেশি হলে মাটি শক্ত বলে বিবেচনা করা হয়। N এর মান অনুসারে মাটির ভার বহন ক্ষমতা অনেকটা এরকম
N এর মান মাটি সম্পর্কে মন্তব্য মাটির ভার বহন ক্ষমতা
২ বা কম খুবই নরম ২-৫ টন/প্রতি বর্গ মিটারে
৫-৯ মাঝারি ৫-১০ টন/প্রতি বর্গ মিটারে
৯-১৭ শক্ত মাটি ১০-২০ টন/প্রতি বর্গ মিটারে
১৭-৩৩ খুবই শক্ত মাটি ২০-৪০ টন/প্রতি বর্গ মিটারে
৩৩ বা উপরে কঠিন মাটি ৪০ টন/প্রতি বর্গ মিটারে বা বেশি
জমির মালিক হিসাবে সচেতন থাকা উচিত যেন জমির মাপ অনুসারে সুষমভাবে সঠিক সংখ্যায় বোরিং হোল করার মাধ্যমে soil test এর মান নিয়ন্ত্রন করা হয়। জমির মাপ অনুসারে বোরিং হোলের সংখ্যা হবে
জমির মাপ বোরিং হোল এর সংখ্যা
তিন কাঠা পর্যন্ত ৩টি
তিন থেকে পাঁচ কাঠার মধ্যে ৫টি
পাঁচ থেকে ১০ কাঠার মধ্যে ৮টি
১০ কাঠার উপরে ১২টি
স্বাভাবিকভাবে কিছু বিষয় Soil Tester বা Surveyor খেয়াল রাখছেন কিনা তাও নিশ্চিত হয়ে নিন:

চাপ প্রয়োগকারী হাতুড়ির ওজন ৬৩.৫ কেজি হতে হবে।
কমপক্ষে ৩০ ইঞ্চি উচ্চতা থেকে এটিকে আঘাতের সময় নামিয়ে আনতে হবে।
প্রতি ৫ ফিট পর পর আলাদা নমুনা সংগ্রহ করতে হবে এবং তাদের আলাদা আলাদা প্যাকেটে সংরক্ষণ করতে হবে।
প্রতিটি ক্ষেত্রে N এর মান আলাদাভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
মাটি ভাল থাকলেও কমপক্ষে ৬০ ফিট পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করতে হবে।

খরচপাতি
বাড়তি খরচের ভয়ে অনেক জমির মালিকই Soil Test করতে চান না। অথচ মোট নির্মাণ ব্যয় এর তুলনায় Soil Testing এর খরচ প্রায় নগণ্য। ধরে নিন আপনার ৫ কাঠা জমি রয়েছে ও আপনি FAR বা MGC মেনে যদি একটি ছয় তলা বাড়ি তৈরি করতে চেষ্টা করেন আপনার নির্মাণ ব্যয় হতে পারে চার থেকে সাড়ে চার কোটি টাকার মতো। অথচ বাংলাদেশে খুব ভালো মানের কোম্পানির মাধ্যমে Soil test করাতে আপনার খরচ হতে পারে সর্বোচ্চ ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা। এই খরচের কারণেই নিশ্চিত হতে পারে আপনার ভবনের নিরাপদ ভবিষ্যৎ ও সঠিক ফাউন্ডেশনের যাচাই ও বাছাইয়ে প্রকৌশলীর যথাযথ আস্থা।

"রাজউক বিধিমালা: যা কিছু জানতে হবে"রাজউক বা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজধানী ঢাকার সকল উন্নয়ন পরিকল্পনার দেখভালের দায়িত্...
07/05/2020

"রাজউক বিধিমালা: যা কিছু জানতে হবে"

রাজউক বা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজধানী ঢাকার সকল উন্নয়ন পরিকল্পনার দেখভালের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারী প্রতিষ্ঠান। বর্তমান রাজউক গঠিত হয় ৩০ এপ্রিল ১৯৮৭ সালে। তবে পাকিস্তান আমল থেকে DIT বা Dhaka Improvement Task নামে সংস্থাটি কাজ করে আসছিল। গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত প্রতিষ্ঠানটির একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে ভবন নকশার অনুমোদন দেওয়া। তাই যেকোনো ভবন নির্মাণের আগে তার নকশা রাজউক-এ জমা দিতে হয় ও অনুমোদন নিতে হয়। এ কারণে ভবন নির্মাণের আগে তার নকশাও রাজউক এর বিধিমালা অনুসারে তৈরি হওয়া আবশ্যক।

নির্মাণের অনুমোদন পেতে, যেকোনো ভবনের নকশা মূলত দুইটি আলাদা বিধানের কোনো অংশের সাথে সাংঘর্ষিক না হওয়া অত্যাবশ্যক।

১। Bangladesh National Building Code (বাংলাদেশের ভেতরে যেকোনো স্থানে ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে)

২। রাজউক ইমারত নির্মাণ বিধিমালা (ঢাকা শহরের ভিতরে, BNBC এর পাশাপাশি এই নিয়মগুলিও মানতে হবে)

BNBC
এই অঞ্চলে ইমারত নির্মাণের জন্য Public works department প্রথম বিধিমালা চালু করে ১৯৫২ সালে। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর সেই বিধিমালার আলোকেই BNBC প্রণয়ন করা হয় ও এটি সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হচ্ছে। এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি গেজেটেড আইন এবং বাংলাদেশ ভূখণ্ডের ভেতরে ভবন নির্মাণের প্রশ্নে এর প্রতিটি ধারার সাথে ভবনের নির্মাণ সামঞ্জস্যতাপূর্ণ হওয়া আবশ্যক। এই বিধিমালা বাংলাদেশ গেজেট এর অন্তর্ভূক্ত ও পুস্তিকা আকারে কিনতে পাওয়া যায়।

রাজউক ইমারত নির্মাণ বিধিমালা
রাজধানী ঢাকার দুইটি সিটি কর্পোরেশানের অধীনে ভবন করতে এই অঞ্চলের জন্য আলাদা বিধিমালা রয়েছে এখানে। ঢাকার বাইরে অন্য সিটি কর্পোরেশনের জন্য, প্রতিটি পৌরসভার জন্য আলাদা আলাদা ভবন নির্মাণের বিধিমালা রয়েছে একইভাবে। জমির এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে রাজউক, অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা হতে এই বিধিমালা সংগ্রহ করা যায়।

মনে রাখতে হবে, ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে এই দুই ধরণের বিধিমালা ভঙ্গ করে কোন ভবন বা অংশবিশেষ নির্মাণ করা হলে বাংলাদেশের আইনে সেই ভবন বা অংশবিশেষ অবৈধ বলে বিবেচিত হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে যে কোন সময় inspection করতে পারেন এবং ত্রুটি পাওয়া বা অননুমোদিত নকশার উপর ভিত্তি করে বা অনুমোদিত নকশা ভঙ্গ করে নির্মাণ করা অংশ নোটিশ প্রদান সাপেক্ষে ভেঙে ফেলতে পারেন।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে রাজউকে, সিটি কর্পোরেশানে বা পৌরসভায় অনুমোদনের ব্যাপারে করণীয় কী?
প্রথমত চাই একটি পূর্নাঙ্গ নকশা। ভবনের নকশা করবার জন্য একজন প্রশিক্ষিত স্থপতির (Architect) নিকট থেকে নির্ধারিত ফির বিনিময়ে নকশা করিয়ে নিন। মনে রাখবেন একজন স্বল্প প্রশিক্ষিত অথবা প্রশিক্ষণবিহীন মানুষ (ড্রাফটসম্যান, ডিপ্লোমাধারী, এমনকি প্রকৌশলীও) এসকল নকশাগত বিধিমালা সম্পর্কে সবক্ষেত্রে সচেতন নন। এছাড়া ভবনের নকশা অনুমোদন করতেও নকশায় স্থপতির সাক্ষর থাকা আবশ্যক। নিশ্চিত হয়ে নিন আপনার ভবনের নকশা করা স্থপতির Institute of Architects Bangladesh-এর সদস্যপদ রয়েছে কী না। শুধুমাত্র সদস্যপদ সহ স্থপতিই আপনার ভবনের নকশা করতে আইনগতভাবে অনুমোদিত।

অনেকক্ষেত্রে স্থপতি বা স্থাপত্যকাজে নিয়োজিত ফার্মই আপনার নকশার অনুমোদনের কাজটিও করে দিতে আপনাকে সাহায্য করবেন। তবে আপনি চাইলে নিজেও এই কাজগুলি করতে পারেন।

রাজউকে অনুমোদনের ক্ষেত্রে আপনাকে যা যা করতে হবে তা হলো:
১। রাজউক নির্ধারিত ব্যাংক হতে নির্মাণ অনুমোদনপত্র নকশা অনুমোদনের আবেদন ফরম নং-৪০১ সংগ্রহ করতে হবে।

২। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে নকশা অনুমোদন শাখা কর্তৃক নির্ধারিত ফি জমা প্রদান করে ব্যাংক রশিদ সংগ্রহ করতে হবে।

৩। দলিল, নামজারী, ভূমি উন্নয়ন কর, ডিসিআর, পর্চা ইত্যাদির কাগজপত্রের সত্যায়িত কপি প্রস্তাবিত ভূমিতে আবেদনকারীর বৈধ মালিকানার স্বপক্ষে দাখিল করতে হবে।

৪। নির্দিষ্ট ভূমি ব্যবহারের জন্য রাজউক নির্ধারিত ছাড়পত্র, সার্ভিস চার্জ পরিশোধের রশিদ ও ১ কপি প্রস্তাবিত নকশা জমা দিতে হবে। ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ছাড়পত্র বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন-

নগর পরিকল্পনা শাখার ছাড়পত্র– ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ক্ষেত্রে
এস্টেট শাখার ছাড়পত্র– রাজউক প্লট অথবা জমির ক্ষেত্রে
সংশ্লিষ্ট অফিসের ছাড়পত্র– অন্যান্য সরকারী জমি/প্লটের ক্ষেত্রে
বিশেষ প্রকল্প ছাড়পত্র– বৃহদায়তন বা বিশেষ ধরণের প্রকল্পের জন্য (প্রযোজ্য হলে)
নির্মাণ অনুমোদন পত্র
বসবাস ও ব্যবহার ছাড়পত্র।
উন্নয়ন অনুমতি পত্র (প্রযোজ্য হলে)।
এখানে উল্লেখ্য যে, রাজউকে সাধারণত তিন ধরনের ভূমি চিহ্ন করা হয়-

রাজউক প্লট
রাজউক অনুমোদিত আবাসিক প্রকল্প-এর প্লট এবং
ব্যক্তিমালিকানাধীন প্লট
রাজউক প্লটে বাড়ি নির্মাণ করার জন্য আবেদন করতে রাজউকের এস্টেট শাখা থেকে ছাড়পত্র নিতে হবে। রাজউক প্লট অনুমোদিত বেসরকারি আবাসিক প্রকল্প এর প্লট হলে রাজউক নগর পরিকল্পনা শাখার প্রত্যয়নপত্র নিতে হবে। ব্যক্তিমালিকানাধীন প্লট হলে রাজউক নগর পরিকল্পনা বিভাগ থেকে ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র নিতে হবে।

৫। ৮ কপি স্থাপত্য নকশা (প্রণয়নকারী স্থপতি বা প্রকৌশলী, মালিক বা ডেভলপারের নাম, পেশাজীবি প্রতিষ্ঠানের সদস্য নিবন্ধন নম্বর, ঠিকানা ও ফোন নম্বরসহ) নির্ধারিত মাপের কাগজে (A0 সাইজ এর) এমোনিয়া প্রিন্ট করে জমা দিতে হবে।

৬। সাইট প্লান, লে-আউট প্লান, ফ্লোর প্লান, পার্কিং প্লান, লম্বা লম্বি ও আড়া আড়ি ২টি সেকশন ও উন্নতি (Elevation) এই ড্রয়িং গুলি জমা প্রদানকরা নকশার মধ্যে থাকা আবশ্যক। তবে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন সাপেক্ষে আরো ড্রয়িং দেখতে চাইতে পারেন।

৭। এছাড়া নকশার সাথে রাজউকের DAP (Detailed Area Plan) অনুসারে নির্ধারিত কিছু অংশের জন্য Soil Test এর রিপোর্ট ও জমা দিতে হয়।

রাজউক বিধিমালাতে জমির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, শহরের ঘনত্ব, প্রতিবেশী হিসাবে ভূমির এলাকাভিত্তির অধিকারসমূহ, অগ্নিনির্বাপণ ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিস্তারিত বিধিবিধান রয়েছে। একটি বৈধ, কার্যকরী, বসবাসযোগ্য ও সুষম ভবন তৈরি করতে এটি মেনে চলার কোন বিকল্প নেই। অনেকেই মনে করেন ভূমির সেটব্যাক বা green space ছেড়ে দেবার কারণে জমি হারানো হচ্ছে। অথচ এই নিয়মনীতি না মেনে চলার কারণে ঢাকা শহরের বসবাসযোগ্য পরিবেশের ক্ষতি সাধন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। একটি সুন্দর বাড়ি যেমন আপনার স্বপ্ন, একটি সুন্দর বসবাসযোগ্য পরিবেশও সকলের অধিকার। এই আইনগুলি মেনে চলার মাধ্যমে সেটি নিশ্চিত করা আমাদের সবার কর্তব্য।

কেন, কিভাবে ও কেন মাস্ক পরবেন!!নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্ক ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে। বিষয়টি জনপরিসরে ছড়িয়ে পড়...
21/03/2020

কেন, কিভাবে ও কেন মাস্ক পরবেন!!

নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্ক ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে। বিষয়টি জনপরিসরে ছড়িয়ে পড়লে শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলেই মাস্কের সংকট দেখা দিয়েছিল। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর দামও অত্যধিক বেড়ে গিয়েছিল। আসুন জেনে নিই মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কী বলছে?

কখন ও কেন মাস্ক ব্যবহার করবেন
* নিজে সুস্থ থাকলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বা সন্দেহ করা হচ্ছে—এমন ব্যক্তির শুশ্রূষা করার সময়ই শুধু আপনার মাস্ক পরার প্রয়োজন রয়েছে।
* হাঁচি বা কাশি থাকলে মাস্ক ব্যবহার করুন, যেন আপনার শরীরে করোনাভাইরাস থাকলে তা অন্যদের মধ্যে না ছড়ায়।
* মাস্ক ব্যবহার তখনই কার্যকর, যখন আপনি অ্যালকোহলভিত্তিক হ্যান্ড রাব (বাজারে থাকা সাধারণ হেক্সিসল বা অনুরূপ পণ্য) বা সাবান-পানি দিয়ে ঘন ঘন হাত পরিষ্কার করেন।
* মাস্ক ব্যবহার করতে হলে এর ব্যবহারবিধি জেনেই করা উচিত।
* কাপরের মাস্ক না পড়াই উত্তম, পড়তে হলে ববলিন কাপড় দিয়ে বানানো তিনস্তর বিশিষ্ট মাস্ক পরতে হবে।

কীভাবে ব্যবহার করবেন
* মাস্ক পরার আগে হাত (সাবান-পানি দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড বা হ্যান্ড রাব দিয়ে) পরিষ্কার করে নিন।
* মাস্ক পরার সময় এর সামনের অংশ ধরবেন না।
* নাক ও মুখ মাস্ক দিয়ে ঢেকে ফেলুন এবং মনে রাখবেন, মুখ ও মাস্কের মধ্যে যেন কোনো ফাঁকা স্থান না থাকে।
* ব্যবহারের সময় মাস্ক স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। আর যদি স্পর্শ করেন, তবে হাত (সাবান-পানি দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড বা হ্যান্ড রাব দিয়ে) পরিষ্কার করে নিন।
* ব্যবহৃত মাস্কটি আর্দ্র বা ভেজা বা স্যাঁতসেঁতে মনে হওয়ামাত্রই তা বদলে ফেলুন। ডিসপোজিবল বা একবার ব্যবহারের জন্য তৈরি মাস্ক বারবার ব্যবহার করবেন না।
* মাস্ক অপসারণের সময় এর সামনের অংশ স্পর্শ করবেন না। মাস্ক খুলে ফেলার সঙ্গে সঙ্গে তা ঢাকনা দেওয়া ময়লার বাক্সে ফেলুন।
* মাস্ক অপসারণের পর হাত পরিষ্কার করে নিন।

--জনসচেতনতায়
ফ্রিডম বিল্ডার্স

মাটি পরীক্ষা হয়ে গেছে। মাটির মান ভালো। এখন চলছে নকশার কাজ। আশা করি খুব সুন্দরভাবে সব কিছু হবে। স্বপ্ন ছাড়া স্বপ্নের নীড় ...
27/01/2018

মাটি পরীক্ষা হয়ে গেছে। মাটির মান ভালো। এখন চলছে নকশার কাজ। আশা করি খুব সুন্দরভাবে সব কিছু হবে।

স্বপ্ন ছাড়া স্বপ্নের নীড় তৈরি করা যায় না🏡। ভেজালমুক্ত আপনার স্বপ্নের ফ্ল্যাট বা দোকান বুকিং দিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। ফোন: 01717558085 , ০৩/এ্যা-লেক রোড, হাজিনগর(ষ্ট্যাফ কোয়াটার মোড়), ডেমরা, ঢাকা।
আমাদের সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ☺️🏡
বিস্তারিত আরো আসছে.....

27/01/2018

স্বপ্ন ছাড়া স্বপ্নের নীড় তৈরি করা যায় না🏡। ভেজালমুক্ত আপনার স্বপ্নের ফ্ল্যাট বা দোকান বুকিং দিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। বিস্তারিত আসছে.....
আমাদের সাথেই থাকুন☺️🏡

Address

03/A Lake Road, Hazinogor(Staff Quater), Demra
Dhaka
1361

Telephone

8801911148494

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Freedom Builders posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category