Chaklader real estate ltd

Chaklader real estate ltd Chaklader real estate ltd being one of the prominent real estate developer companies of this country

ফেয়ার ফেস কংক্রিট এর বিস্তারিতঃ------------------------------------------------------------------------ফেয়ার ফেস কংক্রিট...
18/11/2024

ফেয়ার ফেস কংক্রিট এর বিস্তারিতঃ-
-----------------------------------------------------------------------
ফেয়ার ফেস কংক্রিট বলতে ঐ কংক্রিট কে বুঝানো হয় যেটার ফর্মওয়ার্ক খুলে ফেলার পর সরফেসটা এতটাই মসৃণ হয় যে সেটাকে নতুন করে ফিনিশিং করার জন্য প্লাস্টারের প্রয়োজন পরে না।

সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে ইন্টেরিয়র এবং এক্সটেরিয়র উভয় ডিজাইনেই সৌন্দর্য ও দীর্ঘস্থায়িত্বের কথা বিবেচনা করে ম্যাটেরিয়ালসের নানান পরিবর্তন-পরিবর্ধন, সংযোজন-বিয়োজন ও নতুনত্ব যোগ হচ্ছে। তেমনি একটি ম্যাটেরিয়ালস ‘ফেয়ার ফেস প্লাস্টার’। ফেয়ার ফেস প্লাস্টার ইন্টেরিয়র ও এক্সটেরিয়র উভয় স্থানেই ব্যবহার করা যায়। ফেয়ার ফেস প্লাস্টার ব্যবহার করলে আর নতুন করে পেইন্ট করতে হয় না। এটি দেখতে সুন্দর এবং দীর্ঘস্থায়ী।

ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কিভাবে তৈরি হয়ঃ-.....................................................................
ফেয়ার ফেস হচ্ছে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সিমেন্ট বেইজ এক ধরনের প্লাস্টার। এটি মূলত ৬০ শতাংশ সাদা সিমেন্ট ও ৪০ শতাংশ গ্রে সিমেন্ট এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্টোন চিপসের সমন্বয়।

ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কাজঃ-.....................................................................
ইটের শুকনো দেয়ালে ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের আস্তর লাগাতে হয়। সাধারণ বালু সিমেন্টের আস্তর করার মতোই ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের আস্তর করতে হয়। সাধারণ প্লাস্টার করার পরও ফেয়ার ফেস প্লাস্টার করা যায়। সে ক্ষেত্রে সাধারণ প্লাস্টারকে রাফ করে নিতে হয়।

স্থায়িত্বঃ-.....................................................................
ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের পুরুত্ব ৮ মিলিমিটার। ফেয়ার ফেস প্লাস্টার দেখতে উজ্জ্বল ছাই রঙা ধরনের। সিমেন্ট বেইজ হওয়ায় এটি অত্যন্ত মসৃণ ও গ্লসি হয়ে থাকে। একবার ব্যবহার করলে সারাজীবন চলে। সাধারণত ২০-৩০ বছরের স্থায়িত্বের গ্যারান্টিতে ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কাজ করা হয়।

গ্রুভঃ-.....................................................................
ইন্টেরিয়র এবং এক্সটেরিয়র উভয় স্থানেই ব্যবহার করা গেলেও এক্সটেরিয়েরই ব্যবহার করা হয় বেশি। ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কাজ করার সময় ইচ্ছে অনুযায়ী গ্রুভ ব্যবহার করা যায়। সাধারণত প্রতি ২ ফিট পর পর ১-২ ইঞ্চি গ্রুভ ব্যবহার করা হয়। ইচ্ছে করলে এর কম-বেশিও করা যায়।

কিউরিংঃ.....................................................................
ফেয়ার ফেস প্লাস্টার কাজ করার পর তিন থেকে সাত দিন কিউরিং করলে ভালো হয়। আস্তরে চুল ছেঁড়া দাগ হয় না।

বাংলাদেশে কোথায় পাবেন?.....................................................................
বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি দেশের ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের প্রিমিক্স পাউডার পাওয়া যায়।
যেগুলো হচ্ছে দুবাইয়ের কনমিক্স, জার্মানির বিএসএফ, ভারতের ড. ফিক্সিট ও ফসরক।
তবে দুবাইয়ের কনমিক্স কোম্পানি বেশ সুনামের সাথে তাদের কনস্ট্রাকশন কেমিক্যাল বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মার্কেটিং করে আসছে।
টাইলসের বড় শোরুমগুলোতে খোঁজ করলেও ফেয়ার ফেস প্লাস্টার পাওয়া যাবে।

মূল্যঃ.....................................................................
সাধারণত প্রতিবর্গ ফুট ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা মূল্যে কাজ করা যায়। তবে হাইরাইজ বিল্ডিংয়ের বাইরে কাজ করতে স্ক্যাফোল্ডিং(মাচা) তৈরি করতে হয়। মাচা বাবদ আরো পাঁচ টাকা লাগতে পারে।

দেখতে অত্যন্ত মসৃণ, আভিজাত্য ও অনন্য সুন্দর হওয়ায় বাংলাদেশে এর চাহিদা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। ঢাকা শহরের অভিজাত এলাকায় অনেক বিল্ডিংয়েই ব্যবহৃত ফেয়ার ফেস প্লাস্টার আপনার নজর কাড়বে। এটি দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি চলে যুগের পর যুগ।


চাকলাদার রিয়েল এস্টেট

🔴  সাহায্যঃ বন্যা দুর্গতদের সাহায্য করতে সাহায্য পাঠাতে পারেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের তহবিলে। 🔴  বন্যাদুর্গত কারো নৌকা স্...
22/08/2024

🔴 সাহায্যঃ বন্যা দুর্গতদের সাহায্য করতে সাহায্য পাঠাতে পারেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের তহবিলে।

🔴 বন্যাদুর্গত কারো নৌকা স্পিড বোড প্রয়োজন হলে যোগাযোগ করুন। এছাড়া কোথাও উদ্ধারের প্রয়োজন হলেও তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন।

🔴 জরুরি প্রয়োজনে কল করুন (স্পিড বোড বা অন্য প্রয়োজনে )
★UNO PARSHURAM- 01713187316
★UNO FULGAZI- 01713186315
★SENA BAHINI- 01769335461, 01769335434
★RESCUE TEAM ARFAT- 01836-889812
★স্পিড বোট, ছাগলনাইয়া - ০১৬৩৭১১৯৩৯০(ফয়সাল)
★JASHED- 01818521000
★JOYNAL- 01818746542
★SHOWRAB- 01843-720516
★MIZAN- 01609430285
★SAIKAT- 01831588759
ছাগলনাইয়া- 01644364349
ছাগলনাইয়া- 01615414520
মোঃ ফোরকান- 01818738984
আরাফাত হোসেন- 01829260044
নাদের চৌধুরী- 01690-028474
মীর হোসাইন হৃদয়- 01875-149204
মাহেদী হাসান- 01766-046785
জিয়াউর রহমান ফারুকী 01820746314 (ফুলগাজী)
আবদুর রহমান -01887954818 (ফুলগাজী)
আসাদুল ইসলাম -01402933308 (পরশুরাম)
ওমর ফারুক -01822789872 (ছাগলনাইয়া)
মেহেদী হাসান -01865445795 (ছাগলনাইয়া)
(রাসেল ভাইয়ের ওয়াল থেকে)

ওয়ারিশ সম্পত্তি নামজারী করতে গিয়ে সাধারণ জনগন কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। কারণ, এসি ল্যান্ড অফিস বন্টননামা দলিল ছাড়া ও...
22/01/2024

ওয়ারিশ সম্পত্তি নামজারী করতে গিয়ে সাধারণ জনগন কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। কারণ, এসি ল্যান্ড অফিস বন্টননামা দলিল ছাড়া ওয়ারিশ সম্পত্তি নামজারী দিচ্ছেন না।

কি কি সমস্যা দেখে নিন এক পলকেঃ

#সমস্যা নং-১ঃ ওয়ারিশদের মধ্যে রেজিষ্ট্রি বন্টননামা দলিল নাই। নামজারী হবে না।

#সমস্যা নং-২ঃ এক বা একাধিক ওয়ারিশ দেশের বাহিরে থাকেন সেকারণে বন্টননামা দলিল করা যাচ্ছে না। অতএব, অন্যদেরও নামজারী হবে না।

#সমস্যা নং-৩
একাধিক ওয়ারিশদের মধ্যে একজন দাগে দাগে হিস্যানুসারে নামজারী চাইলে নামজারী হচ্ছে না। কারণ নির্দিষ্ট কোন দাগে দখল সেটা এসি ল্যান্ড অফিস নির্ধারণ করতে পারছেন না।

#সমস্যা নং-৪
কোন একজন ওয়ারিশ কয়েকটি খতিয়ানের প্রাপ্য জমি কিন্তু সে একটি নির্দিষ্ট খতিয়ান থেকে তার প্রাপ্য অংশ বিক্রি করে ফেলেছেন। এখন তার বন্টননামা দলিল করার সুযোগ নাই। অতএব অন্য ওয়ারিশরা নামজারী করতে পারছেন না।

#সমস্যা নং-৫
দখল সূত্রে কোন ওয়ারিশ দামী জমিতে দখলে আছেন। অতএব সে এখন বন্টননামা করবেন না। একারণে অন্য ওয়ারিশরাও নামজারী করতে পারছেন না।

এসব সমস্যার কারণে আদালতে বন্টন মামলা বেড়েই চলছে। অতএব মামলা মোকদ্দমা এড়িয়ে চলুল। নিজেদের সমস্যা নিজেরাই সমাধান করুন।

👉👉 জমি ক্রয়ের পর করনীয়👇👇যে কোন দলিলের মাধ্যমে জমি প্রাপ্তির পর আপনার মালিকানা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য নিম্নলিখিত কাজগুলো ...
31/10/2022

👉👉 জমি ক্রয়ের পর করনীয়👇👇

যে কোন দলিলের মাধ্যমে জমি প্রাপ্তির পর আপনার মালিকানা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য নিম্নলিখিত কাজগুলো করতে হবেঃ
👁️‍🗨️👁️‍🗨️👁️‍👁️‍🗨️👇👇👇👇👇🔽🔽
১) দলিল রেজিস্ট্রির পর আমিন দ্বারা জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ করে পূর্বের মালিকের কাছ থেকে দখল বুঝে নিতে হবে।

২) জমিতে আপনার দখল প্রতিষ্ঠার জন্য জমির প্রকৃত ব্যবহার তথা চাষাবাদ, গাছপালা রোপন, ঘরবাড়ি নির্মাণ ইত্যাদি করতে হবে।

৩) রেজিস্ট্রি অফিস থেকে মূল দলিল পেতে দেরি হলে মুল দলিলের নকল বা সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করতে হবে।

৪) দলিলের নকল প্রাপ্তির পর দ্রুত সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে আবেদন করে নিজ নামে নামজারি (মিউটেশন) করতে হবে, কারন দখল এবং নামজারি করতে দেরি করলে অসাধু বিক্রেতা আপনার ক্রয়কৃত জমি অন্যত্র বিক্রয় করতে পারে।

৫) সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে নামজারি হলে, নামজারি খতিয়ান এবং ডি,সি,আর, সংগ্রহ করতে হবে এবং নতুন হোল্ডিং এ ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করে দাখিলার কপি সংগ্রহপূর্বক সংরক্ষণ করতে হবে।

#জায়গা #নামজারী #উন্নয়ন #ভূমি #টেক্স #জমি #জমি_রেজিস্ট্রেশন #সম্পদ #উত্তরাধীকার

https://www.facebook.com/100065241108530/posts/445312414320125/
31/10/2022

https://www.facebook.com/100065241108530/posts/445312414320125/

জমি ক্রয়ের পূর্বে যা ভালভাবে জানা দরকার

জমি ক্রয়ের পুর্বে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যাচাই করুনঃ

১। বিক্রেতার সঠিক মালিকানা ও হস্তান্তরের বৈধ অধিকার আছে কি-না।

২। প্রস্তাবিত সম্পত্তির সর্বশেষ খতিয়ান দাতার নিজ নামে কিংবা পুর্ব পুরুষের সম্পত্তি হলে প্রস্তাবিত সম্পত্তির সর্বশেষ খতিয়ান পুর্ব পুরুষের নামে আছে কি-না।

৩। হাল সন পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ আছে কি-না।

৪। প্রস্তাবিত সম্পত্তির বিক্রেতার দখলে আছে কি-না।

৫। সম্পত্তিটি খাস কিংবা সরকারি নয়।

৬। অন্য কোন পক্ষের সাথে বিক্রয় চুক্তি বা বায়না পত্র রেজিস্ট্রি করা নাই।

৭। ব্যাংক বা কোন আর্থিক প্রতিষ্টানের নিকট দায়বদ্ধ নয়।

৮। নাবালকের সম্পত্তি হলে বৈধ অভিভাবক অথবা আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অভিভাবকের বিক্রয়ের ক্ষমতা আছে কি-না

৯। হস্তান্তরের জন্য প্রস্তাবিত সম্পত্তি বাংলাদেশ দালাল (বিশেষ ট্রাইবুনাল) আদেশ ১৯৭২এর অধীন ক্রোকের আওতাধীন নয়।

১০। বাংলাদেশ পরিত্যক্ত সম্পত্তি (নিয়ন্ত্রন,ব্যবস্হাপনা ও নিষ্পত্তি) আদেশ ১৯৭২,এর অর্থানুযায়ী পরিত্যক্ত নয়।

১১। হস্তান্তরের জন্য প্রস্তাবিত সম্পত্তি সরকারেরঅনুকুলে বাজেয়াপ্ত নয়।

১২। প্রস্তাবিত হস্তান্তর আপাততঃ বলবত অন্য কোন আইনের কোন বিধানের সহিত সাংঘর্ষিক নয়।

১৩। জমি বিক্রয়ের জন্য অ্যাটর্ণি নিয়োগ করা আছে কি-না।

#জমি #জমি_নিবন্ধন

27/08/2019

পোড়া মাটির ইট, রড ও ভারি লোহা ব্যবহার ছাড়াও বহুতল ভবন নির্মাণ, সীমানা দেয়ালসহ পাকা স্থাপনা নির্ম....

24/06/2019

সম্মানিত হজযাত্রীদের মেডিক্যাল সার্টিফিকেট সংগ্রহ প্রসঙ্গে :

সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, হজযাত্রীগনের ভ্যাকসিন গ্রহণের পর সার্টিফিকেট জেনারেট করার পর সিস্টেম হতে হজযাত্রী নিজেই তার প্রোফাইল হতে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট ডাউনলোড করে প্রিন্ট করতে পারবেন। এ জন্য Bangladesh Haj Management Portal এর সাইটে (লিংক কমেন্টে) “হজযাত্রী অনুসন্ধান” গিয়ে ট্র্যাকিং নং দিয়ে সার্চ করার পর সকাল ১০ টার আগে বা বিকাল ৫ টার পর মেডিক্যাল সার্টিফিকেট প্রিন্ট করার জন্য সম্মানিত হজযাত্রীদের অনুরোধ করা হলো।

Barir model.gulo kamn
23/11/2016

Barir model.gulo kamn

আমাদের প্রজেক্ট এর সকল আপডেট এখন ওয়েব সাইটে পাওয়া যাবে।http://goldensoilbd.com
22/02/2016

আমাদের প্রজেক্ট এর সকল আপডেট এখন ওয়েব সাইটে পাওয়া যাবে।
http://goldensoilbd.com

Best Bangladeshi Property Developer

ভুমিকম্প কেন হয়?
05/01/2016

ভুমিকম্প কেন হয়?

ভুমিকম্প কেন হয়?

আবু হুরাইরা (রা.) কতৃক বর্ণিত, আল্লাহর নবি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যখন অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জিত হবে, কাউকে বিশ্বাস করে সম্পদ গচ্ছিত রাখা হবে কিন্তু তার খিয়ানত করা হবে (অর্থাৎ যার সম্পদ সে আর ফেরত পাবে না), জাকাতকে দেখা হবে জরিমানা হিসেবে, ধর্মীয় শিক্ষা ব্যতীত বিদ্যা অর্জন করা হবে, একজন পুরুষ তার স্ত্রীর আনুগত্য করবে কিন্তু তার মায়ের সাথে বিরূপ আচরণ করবে, বন্ধুকে কাছে টেনে নিবে আর পিতাকে দূরে সরিয়ে দিবে, মসজিদে উচ্চস্বরে শোরগোল (কথাবার্ত) হবে, জাতির সবচেয়ে দূর্বল ব্যক্তিটি সমাজের শাসক রুপে আবির্ভূত হবে, সবচেয়ে নিকৃষ্ট ব্যক্তি জনগণের নেতা হবে, একজন মানুষ যে খারাপ কাজ করে খ্যাতি অর্জন করবে তাকে তার খারাপ কাজের ভয়ে সম্মান প্রদর্শন করা হবে, বাদ্যযন্ত্র এবং নারী শিল্পীর ব্যাপক প্রচলন হয়ে যাবে, মদ পান করা হবে (বিভিন্ন নামে মদ ছড়িয়ে পড়বে), শেষ বংশের লোকজন তাদের পূর্ববর্তী মানুষগুলোকে অভিশাপ দিবে, এমন সময় আসবে যখন তীব্র বাতাস প্রবাহিত হবে তখন একটি ভূমিকম্প সেই ভূমিকে তলিয়ে দিবে (ধ্বংস স্তুপে পরিণত হবে বা পৃথিবীর অভ্যন্তরে ঢুকে যাবে)। [তিরমিযি কতৃক বর্ণিত, হাদিস নং – ১৪৪৭] এই হাদিসের মাঝে বিস্তারিতভাবে বলা হয়েছে যে আল্লাহ মহানের পক্ষ থেকে জমিনে কখন ভুমিকম্পের আজাব প্রদান করা হয় এবং কেন প্রদান করা হয়।

আল্লামা ইবনুল কাইয়ুম (রহ.) বলেন, মহান আল্লাহ মাঝে মাঝে পৃথিবীকে জীবন্ত হয়ে উঠার অনুমতি দেন, যার ফলে তখন বড় ধরণের ভূমিকম্প অনুষ্ঠিত হয়। তখন এই ভূমিকম্প মানুষকে ভীত করে। তারা মহান আল্লাহর নিকট তাওবা করে, পাপ কর্ম ছেড়ে দেয়, আল্লাহর প্রতি ধাবিত হয় এবং তাদের কৃত পাপ কর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়ে মুনাজাত করে। আগেকার যুগে যখন ভূমিকম্প হত, তখন সঠিক পথে পরিচালিত সৎকর্মশীল লোকেরা বলত, ‘মহান আল্লাহ আমাদেরকে সতর্ক করেছেন।’
বিজ্ঞান কী বলে?
ভূতত্ত্ব বিজ্ঞানের আলোকে ভূপৃষ্ঠের নীচে একটি নির্দিষ্ট গভীরতায় রয়েছে কঠিন ভূত্বক। ভূত্বকের নীচে প্রায় ১০০ কি.মি. পূরু একটি শীতল কঠিন পদার্থের স্তর রয়েছে। একে লিথোস্ফেয়ার (Lithosphere) বা কঠিন শিলাত্বক নামে অভিহিত করা হয়। আমাদের পৃথিবী নামের এই গ্রহের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যে, কঠিন শিলাত্বক (লিথোস্ফেয়ার)সহ এর ভূপৃষ্ঠ বেশ কিছু সংখ্যক শক্ত শিলাত্বকের প্লেট (Plate) এর মধ্যে খন্ড খন্ড অবস্থায় অবস্থান করছে। ভূতত্ত্ব বিজ্ঞানের আলোকে এই প্লেটের চ্যুতি বা নড়া-চড়ার দরুণ ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।
ভুমিকম্প বিষয়ক কোরানতত্ত্ব
ভূমিকম্প বিষয়ে পবিত্র কোরানে সূরায়ে ‘যিলযাল’ নামে একটি সূরাই নাযিল করা হয়েছে। মানুষ শুধু কোন ঘটনা ঘটার কার্যকারণ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয় এবং ভূতত্ত্ববিজ্ঞানও এই কার্যকারণ সম্পর্কেই আলোচনা করে থাকে। কিন্তু কুরআনুল কারীম একই সাথে কোন ঘটনা ঘটার কার্যকারণ বর্ণনার পাশাপাশি উক্ত ঘটনা থেকে শিক্ষনীয় বিষয় কি এবং এই ঘটনা থেকে অন্য আরো বড় কোন ঘটনা ঘটার সংশয়হীনতার প্রতি ইংগিত করে। ভূমিকম্প বিষয়ে কুরআনুল কারীমে দু’টি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। একটি হল ‘যিলযাল’, যার অর্থ হল একটি বস্তুর নড়াচড়ায় অন্য আরেকটি বস্তু নড়ে ওঠা। দ্বিতীয় শব্দটি হল ‘দাক্কা’, এর অর্থ হল প্রচন্ড কোন শব্দ বা আওয়াজের কারণে কোন কিছু নড়ে ওঠা বা ঝাঁকুনি খাওয়া। পৃথিবীতে বর্তমানে যেসব ভূমিকম্প ঘটছে, তা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে কঠিন শিলাত্বকে চ্যুতি বা স্থানান্তরের কারণে। কিয়ামতের দিন আরেকটি ভূমিকম্পে পৃথিবী টুকরো টুকরো হয়ে ধুলিকনায় পরিণত হবে এবং তা হবে ফেরেশেতা হযরত ইসরাফিলের ( আ.) সিঙ্গায় ফুৎকারের কারণে, যাকে বলা হয় ‘দাক্কা’। যা হবে এক প্রচন্ড আওয়াজ।
পৃথিবীতে মাঝে মাঝে কঠিন শিলাত্বকের স্থানান্তরের কারণে ঘটে যাওয়া ভূমিকম্প আমাদেরকে এ কথার প্রতি ইংগিত করে যে, একদিন ওই ‘দাক্কা’ সংঘটিত হবে, যার নাম কেয়ামত। তখন এই চাকচিক্যময় দুনিয়ার সবকিছুই ধ্বংসস্তুপে পরিণত হবে। মানুষ যেন কিয়ামতকে ভুলে না যায়, দুনিয়াকেই তার আসল ঠিকানা মনে না করে, তাই মাঝে মাঝে মহান আল্লাহ ভূমিকম্পসহ আরো অন্যান্য প্রাকৃতিক দূর্যোগ দিয়ে মানুষকে সতর্ক করে থাকেন।
ভুমিকম্প একটি আজাব
আল্লাহ মহান পবিত্র কোরানে ইরশাদ করেছেন, বল, আল্লাহ তাআলা তোমাদের উপর, তোমাদের উপর থেকে (আসমান থেকে) অথবা তোমাদের পায়ের নীচ থেকে আজাব পাঠাতে সক্ষম, অথবা তিনি তোমাদের দল-উপদলে বিভক্ত করে একদলকে আরেক দলের শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করাতেও সম্পূর্ণরূপে সক্ষম।” (সূরা আল আনআম : ৬৫)
আল-বুখারি তার সহিহ বর্ণনায় জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যখন তোমদের উপর থেকে (আসমান থেকে) নাজিল হলো তখন রাসূল (স) বললেন, আমি তোমার সম্মূখ হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, অথবা যখন, অথবা তোমাদের পায়ের নীচ থেকে আজাব নাযিল হলো, তখন তিনি (সা.) বললেন, আমি তোমার সম্মূখ হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। (সহিহ বুখারি, ৫/১৯৩)
আবূল-শায়খ আল-ইস্পাহানি এই আয়াতের তাফসিরে বর্ণনা করেন, “বল, আল্লাহ তায়ালা তোমাদের উপর, তোমাদের উপর থেকে (আসমান থেকে)- যার ব্যাখ্যা হলো, তীব্র শব্দ, পাথর অথবা ঝড়ো হাওয়া; আর অথবা তোমাদের পায়ের নীচ থেকে আজাব পাঠাতে সক্ষম- যার ব্যাখ্যা হলো, ভুমিকম্প এবং ভূমি ধ্বসের মাধ্যমে পৃথিবীর অভ্যন্তরে ঢুকে যাওয়া।)
বান্দার ওপর আজাব কেন আসে?
হজরত আলী [রা.] হতে বর্ণত রসুল [সা.] ইরশাদ করছেন, যখন আমার উম্মত যখন ১৫ টি কাজে লিপ্ত হতে শুরু করবে তখন তাদের প্রতি বালা মসীবত আপাতিতি হতে আরম্ভ করবে।কাজগুলো হল
১. গণীমতের মাল ব্যাক্তিগত সম্পদে পরিণিত হবে।
২. আমানতের সম্পদ পরিনত হবে গনীমতের মালে।
৩. জাকাত আদায় করাকে মনে করবে জরিমানা আদায়ের ন্যায়।
৪. স্বামী স্ত্রীর বাধ্য হবে।
৫. সন্তান মায়ের অবাধ্য হবে।
৬. বন্ধু-বান্ধবের সাথে স্বদব্যাবহার করা হবে।
৭. পিতার সাথে করা হবে জুলুম।
৮. মসজিদে উচ্চস্বরে হট্টোগোল হবে
৯. অসাম্মানী ব্যাক্তিকে জাতির নেতা মনে করা হবে।
১০. ব্যাক্তিকে সম্মান করা হবে তার অনিষ্ট থেকে বাচার জন্য।
১১. প্রকাশ্যে মদপান করা হবে।
১২. পুরুষ রেশমী পোষাক পরবে।
১৩. গায়িকা তৈরি করা হবে।
১৪. বাদ্যযন্ত্র তৈরি করা হবে।
১৫.পুর্ববর্তী উম্মতদের (সাহাব, তাবে, তাবেঈন) প্রতি অভিসমাপ্ত করবে পরবর্তীরা।
এই কাজগুলি যখন পৃথিবীতে হতে শুরু হবে তখন অগ্নীবর্ষী প্রবল ঝড়, ভুমিকম্প ও কদাকৃতিতে রূপ নেয়ার অপেক্ষা করবে। এখন একটু চিন্তা করা উচিত যে আমরা এগুলোর মাঝেই লিপ্ত রয়েছি। আর যখন আমাদের উপর মুসীবত আসে তখন প্রকৃতির বা মানুষের বা অন্যান্য জিনিসের দোষ দেই। আল্লাহ তায়ালা প্রদত্ত যে সব প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মুখীন আমরা হই তা আসলে আমাদের গুনাহের কারনেই এত আযাব।
ভুমিকম্প হলে করনীয় কি?
যখন কোথাও ভূমিকম্প সংগঠিত হয় অথবা সূর্যগ্রহণ হয়, ঝড়ো বাতাস বা বন্যা হয়, তখন মানুষদের উচিত মহান আল্লাহর নিকট অতি দ্রুত তওবা করা, তাঁর নিকট নিরাপত্তার জন্য দোয়া করা এবং মহান আল্লাহকে অধিকহারে স্মরণ করা এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা যেভাবে রাসূল (সা.) সূর্য গ্রহণ দেখলে বলতেন, যদি তুমি এরকম কিছু দেখে থাক, তখন দ্রুততার সাথে মহান আল্লাহকে স্মরণ কর, তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর। [বুখারি ২/৩০ এবং মুসলিম ২/৬২৮]
বর্ণিত আছে যে, যখন কোন ভূমিকম্প সংগঠিত হতো, উমর ইবনে আব্দুল আযিয (রহ) তার গভর্ণরদের দান করার কথা লিখে চিঠি লিখতেন।
ভুমিকম্প একটি কেয়ামতের আলামত
আবূল ইয়ামান (রহ.) আবূ হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবি [সা.] বলেছেন, কিয়ামত কায়েম হবে না, যে পর্যন্ত না ইল্‌ম উঠিয়ে নেওয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভুমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে এবং হারজ বৃদ্ধি পাবে। (হারজ অর্থ খুনখারাবী) তোমাদের সম্পদ এত বৃদ্ধি পাবে যে, উপচে পড়বে। [সহিহ বুখারি, অধ্যায় : ১৫/ বৃষ্টির জন্য দুআ, হাদিস নাম্বার : ৯৭৯]
পবিত্র কোরানের একাধিক আয়াতে বলা হয়েছে যে, জলে স্থলে যে বিপর্যয় সৃষ্টি হয় তা মানুষেরই কৃতকর্মের ফল। আল্লাহপাক মানুষের অবাধ্যতার অনেক কিছুই মাফ করে দেন। তারপরও প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়। কোরান নাজিল হওয়ার পূর্বেকার অবাধ্য জাতি সমূহকে আল্লাহপাক গজব দিয়ে ধ্বংস করেছেন। সে সবের অধিকাংশ গজবই ছিল ভুমিকম্প। ভুমিকম্প এমনই একটা দুর্যোগ যা নিবারন করার মতো কোন প্রযুক্তি মানুষ আবিষ্কার করতে পারে নাই। এর পূর্বাভাষ পাওয়ার মতো কোন প্রযুক্তিও মানুষ আজ পর্যন্ত আবিষ্কার করতে পারেনাই। হাদিস শরীফেও একাধিকবার বলা হয়েছে যে, মানুষের দুষ্কর্মের জন্যই ভুমিকম্পের মতো মহা দুর্যোগ ডেকে আনে। কুরআন এবং হাদিসে আদ, সামুদ, কওমে লুত এবং আইকার অধিবাসীদের ভুমিকম্পের দ্বারা ধ্বংস করার কাহিনী বিভিন্ন আঙ্গিকে বর্ণনা করা হয়েছে।
একটু ভাবুন তো…
সামান্য এই ভূমিকম্পেই সম্পদের মায়া ছেড়ে আমরা রাস্তায় নামছি। এটা যখন আরো বাড়বে, তখন সম্পর্কের মায়াও ছেড়ে দেবো আমরা। নিজেকে বাচানোর চেষ্ঠায় ব্রতী হবো সবাই। যখন তা রচাইতেও আরো বাড়বে তখন যেই মা দুধ খাওয়াচ্ছেন তিনিও তার বাচ্চাকে ছুড়ে ফেলে দেবেন, গর্ভের শিশুকেও বের করে দেবেন। ভূমিকম্পের সময় কে কি বস্থায় ছিলাম, কে টের পেয়েছে, কে টের পায়নি, চেয়ার টেবিল নড়ছিলো কিনা, ফ্যান দুলছিলো কিনা- এই সব গবেষণা পরে করলেও হবে। আগে করা দরকার তওবা, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া। সবচেয়ে বড় কথা হল, এটি আল্লাহ কর্তৃক একটি নিদর্শন। যাতে করে মানুষ স্বীয় অপরাধ বুঝতে সক্ষম হয়। ফিরে আসে আল্লাহর পথে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে আন্তরিকতার সাথে খাটি তওবা করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

ভাল ইটের যে সকল বৈশিষ্ট থাকে !একটি ভবন নির্মাণে ইটের অপরিহার্যতার বিষয়টি আমাদের সবারই জানা । কিন্তু ইটের কাজ করতে গিয়ে স...
14/08/2015

ভাল ইটের যে সকল বৈশিষ্ট থাকে !

একটি ভবন নির্মাণে ইটের অপরিহার্যতার বিষয়টি আমাদের সবারই জানা । কিন্তু ইটের কাজ করতে গিয়ে স্থপতি ও মিস্তীদের বেশ কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হয় । যার মধ্যে ইটের লে-আউট, লেয়ার ডিটেইল, সাইজ ও উপাদান অন্যতম । নিন্মে পাঠকের জ্ঞানার্থে ভাল মানের ইটের যে সকল বৈশিষ্ট থাকে তা তুলে ধরা হল :
ক) অতিরিক্ত পানি শোষণ করে না,
খ) নখের আঁচড় বসে না,
গ) ধারগুলো সমান ও একই ধরনের হয়,
ঘ) পর্যাপ্ত পরিমাণ সরন্ধ্র থাকে মসলা ধরার জন্য,
ঙ) বার বহন ক্ষমতা ৪০০০ পি এস আই এর বেশি থাকে,
চ) পানিতে ৩ ঘণ্টার বেশি চুবিয়ে রাখলেও গলে না,
জ) হাতুড়ি দিয়ে আঘাত দিলে ধাতব্য শব্দ উৎপন্ন করবে,
ঝ) টকটকে বা ঝাঝালো রঙের হবে,
জ) আকার স্বাভাবিক সাইজের হবে (৯.৫” X ৪.৫” X ২.৭৫”),
ঝ) দুটো ইটকে ইংরেজি “T” এর মতো করে ধরে ৪-৫ ফিট উপরে তুলে নিচে ছেড়ে দিলে পড়ে ভেঙ্গে যাবে না।

14/08/2015

ইমারত নির্মাণ অনুমোদনের জন্য যা যা করণীয় !

আমরা অনেকেই ভবন নির্মাণ নিয়ে মাথা ঘামাই কিন্তু হয়তোবা জানিনা প্রয়োজনীয় নিয়ম-কানুন অথবা কি কি কাগজপএ রাজউকে জমা দিতে হবে । কিংবা কি কি আমাদের করণীয় ভবন নির্মাণের অনুমোদন পাবার ক্ষেএে । নিম্নে ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী নকশা অনুমোদনের নিয়মাবলীর উল্লেখযোগ্য অংশ তুলে ধরা হল :ইমারত নির্মাণ অনুমোদনের জন্য যা যা করণীয় Inside A
১) ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র (নিম্নবর্ণিত ছাড়পত্রের মধ্যে যেটি প্রযোজ্য এবং সার্ভিস চার্জ পরিশোধের রশিদ, ১ কপি প্রস্তাবিত নকশা জমা দিতে হবে ছাড় পএ গ্রহনের ক্ষেএে)
ক) নগর পরিকল্পনা শাখার ছাড়পত্র ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ক্ষেত্রে,
খ) এষ্টেট শাখার ছাড়পত্র রাজউক প্লট/ জমির ক্ষেত্রে,
গ) সংশ্লিষ্ট অফিসের ছাড়পত্র অন্যান্য সরকারী জমি/প্লটের ক্ষেত্রে,
ঘ) বিহদায়তন বা বিশেষ ধরণের প্রকল্পের জন্য বিশেষ প্রকল্প ছাড়পএ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
ঙ) নির্মাণ অনুমোদন পএ
চ) বসবাস ও ব্যবহার ছাড়পএ ।
২) উন্নয়ন অনুমতি পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
৩) রাজউক নির্ধারিত ব্যাংক হতে নির্মাণ অনুমোদনপত্র নকশা অনুমোদনের আবেদন ফরম নং-৪০১ (মূল্য টাকা ৩০০) সংগ্রহ করতে হবে ,
৪) দলিল, নামজারী, ভূমি উন্নয়ন কর, ডিসিআর, পর্চা ইত্যাদির কাগজপত্রের সত্যায়িত কপি প্রস্তাবিত ভূমিতে আবেদনকারীর বৈধ মালিকানার স্বপক্ষে দাখিল করতে হবে।ইমারত নির্মাণ অনুমোদনের জন্য যা যা করণীয় Inside B
৫)প্রস্তাবিত নকশায় Floor area ratio(FAR) এর হিসাব উল্লেখ করতে হবে।
৬) সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে নকশা অনুমোদন শাখা কর্তৃক নির্ধারিত ফি জমা প্রদান করে ব্যাংক রশিদ সংগ্রহ করতে হবে।
৭) ৮ কপি স্থাপত্য নক্সা (প্রণয়নকারী প্রকৌশলী/স্থপতি, মালিক/ডেভলপারের নাম, পেশাজীবি প্রতিষ্ঠানের সদস্য/ নিবন্ধন নম্বর,ঠিকানা ও ফোন নম্বর) উল্লেখ করতে হবে।
৮) ৮ প্রস্থ করে সাইট প্লান, লে-আউট প্লান, ফ্লোর প্লান, পার্কিং প্লান, লম্বা লম্বি ও আড়া আড়ি ২টি সেকশন ও উন্নতি (Elevation)
৯) প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সয়েল টেস্ট রিপোর্ট ।

Address

271 Jila Parishad Market East Aganagar
Dhaka
1310

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chaklader real estate ltd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Chaklader real estate ltd:

Share