BD DHAKA

BD  DHAKA Real Estate & Hosing Division Business

24/04/2025

টাকা তো ভিক্ষা করেও পাওয়া যায়।
কিন্তু সম্মান নয়।
ওটা কর্ম,ব্যাবহার, চরিত্রের, মাধ্যমে অর্জন করতে হয়।

31/12/2024
23/12/2024

জেনে রাখুন পরে কখনো কাজ দেবে....
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
=========================

১ একর = ১০০ শতাংশ।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।
১ একর = ৬০.৫ কাঠা।
=========================

১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।
=========================

১ শতাংশ =৪৩৫.৬ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
=========================

১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।
=========================
চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য নিচের হিসাবটা উপযোগী।
১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।
১ কানি = ৩৯ শতাংশ।
১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।
১ কানি = ২০ গন্ডা।
=========================

১ গন্ডা = ১৬৯৯০ বর্গফুট।
১ গন্ডা = ২ শতাংশ।
১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।
২০ গন্ডা = ১ কানি ।
=========================

কানিঃ
কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি
কাচ্চা কানি
: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।
সাই কানিঃ
এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।

কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা
২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট
বিঘা-কাঠার হিসাব
১ বিঘা = (৮০ হাত × ৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ ছটাক = ২০ গন্ডা

উপরোক্ত পরিমাপ পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি খুব সহজেই হিসাব করতে পারবেন আপনার ফ্ল্যাটটির পরিমাপ। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
* ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ বর্গফুট।
* ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ বর্গফুট।
* ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ বর্গফুট।
এই হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি ঠিক করুন আপনি আপনার জায়গায় কোন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, রাজউক ইমারত নির্মাণ আইনে মোট জমির এক তৃতীয়াংশ জায়

16/10/2024

বাড়ি নির্মাণ করছেন বা করবেন?
এই পোষ্ট অবশ্যয় টাইমলানে রেখে দিন নির্মাণ কাজে সহযোগী হবে
আপনার বাড়িটা যেন শুধু মাত্র মাথা গোজার স্থান না হয়। আপনার বাড়ি করতে হবে ভেবে চিন্তে প্রকৌশলীর পরামর্শে। বাড়ি করার পূর্বে মূল শর্ত হলো প্ল্যানিং। প্ল্যান করে বাড়ি করা হলে আপনি আপনার জমির সঠিক মূল্যায়ন করতে পারবেন ।

বাড়ি করার ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে।

* বিভিন্ন রুমের আদর্শ এবং সর্বনিম্ন মাপ
* রুমের অবস্থান
* সৌন্দর্য
* পর্যাপ্ত আলো বাতাস এর সুব্যাবস্থা
* নিরাপত্তা
* ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
* আপনার এলাকার নিয়ম অনুযায়ী কতটুকু জমি ছেড়ে বাড়ি করতে হবে , তার পরিমাণ ।
★★ রুমে মাপ এবং অবস্থানঃ

#বেড_রুম :
বেড রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত ১০ ফিট বাই ১২ ফিট।
~অবস্থান : যেদিকে সর্বোচ্চ ন্যাচারাল গিফট পাওয়া যাবে অর্থাৎ পর্যাপ্ত আলো বাতাস যেদিকে পাওয়া যায়। যেনো ব্যালকনি তে বসলেই ভেসে আসে দখিনা বাতাস । তবে সাধারণত একটা বিল্ডিং এর কর্ণার সাইডে বেড রুম দেওয়া হয় । এক বেড রুম থেকে আরেক বেড রুমের দূরত্ব বা অবস্থান এমন হবে যেন সম্পূর্ণ প্রাইভেসি বজায় থাকে। অর্থাৎ এক রুমের থেকে অন্য রুমের ভ্যান্তরীন দৃশ্য সহজেই দৃষ্টি-গোচর হবে না ।
#গেষ্ট_রুম :
গেস্ট রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই নয় ফিট
~অবস্থান : সিঁড়ির কাছাকাছি ।
#ডায়নিং :
ডায়নিং রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই দশ ফিট
~অবস্থান :রান্না ঘরের পাশে হলে ভাল হয় ।
#বাথরুম_টয়লেট :
বাথ রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত
ছয় ফিট বাই চার ফিট ।
~অবস্থান :
কমন বাথরুম হলে সবাই যাতে সহজেই ব্যাবহার করতে পারে এমন স্থানে ।
টয়লেটে অবশ্যই এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করবেন । এটা এয়ার ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে টয়লেটের দূর্গন্ধ দূর করার পাশাপাশি আপনার টয়লেট এর ফ্লোর শুকনা রাখবে ।
#কিচেন :
কিচেন রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই সাত ফিট
~অবস্থান :
কিচেনে রান্নার সময় রান্নার গ্যাস বা ধোয়া যেন অন্য রুমে প্রবেশ না করতে পারে ।
রান্না ঘরের পরিবেশ ফ্রেস রাখার জন্য, কিচেনেও এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করা উচিত ।
#ব্যালকনি :
চওড়া তিন ফিটের কম নয় ।!
#সিড়ি :
আট ফিট চওড়া হলে ভাল হয় অবস্থান : মেইন রাস্তার পাশে অথবা রাস্তা থেকে সর্বনিম্ন দূরত্বে।

বাড়ি করার ক্ষেত্রে অবশ্যই এক্সপার্ট, ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট এ

10/09/2024

প্রসঙ্গঃ "বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবর্তন।"

বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা' -- কেউ জোর করে চাপিয়ে দেয়নি,
মুক্তিযুদ্ধ - এর সময় এই গান তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মুখে মুখে ফিরত। আজকের ভাষায় 'ভাইরাল। ' সেই কারনেই স্বাধীন বাংলাদেশ গঠিত হওয়ার পর জনগণের ইচ্ছাকে মান্যতা দিতেই গানটির প্রথম দশ চরণ দেশের জাতীয় সংগীত হিসাবে গৃহীত হয়।

এখন শুনছি, জাতীয় সঙ্গীত নাকি পাল্টে যাবে। অবশ্য তাতে রবীন্দ্রনাথের কিছুই যায় আসে না!

কারণ রবিকবি সেই কবেই তো বলে গেছেন --

"যত বড়ো হও
তুমি তো মৃত্যুর চেয়ে
বড়ো নও
আমি মৃত্যু -চেয়ে বড়ো
এই শেষ কথা বলে
যাব আমি চলে"

এক মুঠো অশুভ মেঘ চিরায়ত
রবির বহ্নি কখনও নেভাতে পারে কি?

তাহলে শুধু হিন্দু বলেই কি আপনাদের এত এত ক্রোধ!
একটু ভেবে দেখবেন ....আমরাও চাই পরিবর্তন।

১। শুধু জাতীয় সংগীত নয় জাতীয় কবিও পরিবর্তন করা উচিত
[কাজী নজরুল ইসলাম ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জন্মেছেন। ]

২। জাতীয় পতাকা পরিবর্তন করা উচিত
[ এটি প্রথম নকশা করেছেন শিব নারায়ন দাশ ]

৩। সাত বারের নাম, বার মাসের নাম বর্জন করা উচিত
[ ওগুলো ভারতীয় জ্যোতির্বিদরা নামকরণ করেছেন বিভিন্ন গ্রহ তথা হিন্দুদের বিভিন্ন দেবতার নামে ]

৪। বাংলা ভাষাটাই বর্জন করা উচিত
[ কারণ বাংলা ভাষা এসেছে ভারতীয়' গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে ]

৫। আমাদের স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ
[ জনক ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর ]

৬। রাষ্ট্রভাষা বাংলার প্রথম ভাষা সৈনিক "ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত"।

৭। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বীরশ্রেষ্ঠ "জগৎজ্যোতি দাশ"। (সিভিলিয়ান হওয়ায় বীরবিক্রম উপাধি পান)

৮। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত "আমার সোনার বাংলা"র রচয়িতা ও সুরকার "রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর"।

কবিগুরুর কুঠিবাড়ি বাংলাদেশের কুষ্টিয়ার শিলাইদহ, রাজশাহীর পতিসর, পাবনার শাহজাদপুর। তাঁর আদি বাড়ি খুলনার রূপসা উপজেলার পিঠাভোগ গ্রামে। তিনিই তো অখন্ড বাংলা তথা বাংলাদেশের মানুষ। তাঁর শ্বশুরবাড়ি খুলনার দক্ষিণ ডিহী।

----- তাহলে একসাথে সব বদলে ফেলুন।

10/09/2024

তাই শুধু পোশাক নয়, চরিত্র পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয়া হোক-

লাল শাড়ী পরিয়ে মেয়েটাকে বিয়ে দিলাম মাত্র ১ সপ্তাহ। তারপর তালাক খেয়ে বাড়িতে চলে আসল। জামাইকে জিজ্ঞেস করলাম বাবা! ছেড়ে দিলা কেন? বলল, আপনার মেয়ে ভালোনা। মাথা নিচু করে নিলাম, কিছু বলতে পারলাম না।

৬মাস পর নতুন আরেক জায়গাতে বিয়ে দিলাম। জামাই অরেঞ্জ কালার শাড়ী দিয়ে বউ ঘরে তুলে নিল। ২০ দিনের মাথায় মেয়ে তালাক খেয়ে চলে আসল। জামাই বলল আপনার মেয়ে দেখতে সুন্দর হলেও ভালো মানুষ না। তাই রাখা সম্ভব না।

এবার ২বছর পর এক হুজুর ঠিক করে বিয়ের আয়োজন করলাম। হুজুর জামাই গোলাপি রংয়ের শাড়ী আনল। শাড়ীর উপরে পরিধানের জন্য বোরকাও আনল। মেয়েকে উঠিয়ে নিয়ে গেল। আমার মনটা খুব উৎফুল্ল ছিল। এবার মেয়েকে পর্দার সহিত নিয়ে গেছে। সংসার আর ভাঙ্গবেনা।

একদিন বিকেলে চা বিস্কুট খেতে বসেছি। অমনি হঠাৎ মেয়ে কান্না করতে করতে ঘরে ঢুকে বলল- বাবা! হুজুর আমাকে ৩ তালাক দিয়েছে। আমাকে নিয়ে আর সংসার করবেনা।

মহরের টাকা পরিশোধ করতে হুজুর জামাই আমার বাড়িতে আসল। টাকা দিয়ে গেল আর বলে গেল- আব্বাজান! একটা কথা বলি! বললাম- বলো। সে তখন বলল:

"লাল, অরেঞ্জ, গোলাপি আর বোরকা পরিয়ে মেয়েকে যত জনের কাছেই বিয়ে দেননা কেন সংসারে টিকবেনা। কারণ বউ আগেরটাই। স্বভাবও আগের মতই। শুদু শাড়ীটা পরিবর্তন। শাড়ী নয় স্বভাব বদলাতে বলেন সাংসারিক জীবনও বদলে যাবে।"

জামাইর কপালে চুমু দিয়ে বললাম- বাবা! এতদিন পর তুমি আমাকে সঠিক রাস্তাটা বলে দিলে। এবার মানুষ পরিবর্তনের ফিকির করবো আমি।

ফাও পেচালের শিক্ষাঃ
যে সকল পুলিশ ও প্রশাসনের স্বভাবই হল চাঁদাবাজি, ঘুষ, দুর্নীতি, জুলুম এবং হীন স্বার্থে মানুষ খুন করা সেসকল পুলিশ ও প্রশাসনের স্বভাব পরিবর্তনের জন্য কোনো উদ্যোগ না নিয়ে শুধু পোশাকের রং পরিবর্তন করার দ্বারা রাষ্ট্র পরিচালনার মত কাজে তারা বারবার অনৈতিকতা এবং অমানবিকতাই প্রকাশ করবে। সংসারের মত সমাজকে বারবার নষ্ট করবেই। তাই শুধু তাদের পোশাক নয়, চরিত্র পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয়া হোক ।

-সংগৃহীত।

কিছুক্ষন আগে খুব দামাদামি করলাম।।বাড়ি বিক্রি হবে ৩৬ কোটি টাকায়।।আমি ৩৪ কোটি পর্যন্ত বললাম।। উনি বললেন ভাই পরে কিন্তু আফস...
19/05/2024

কিছুক্ষন আগে খুব দামাদামি করলাম।।

বাড়ি বিক্রি হবে ৩৬ কোটি টাকায়।।

আমি ৩৪ কোটি পর্যন্ত বললাম।।

উনি বললেন ভাই পরে কিন্তু আফসোস করবেন। মাত্র ২ কোটির জন্য কিনলেন না! ৩৬ কোটি দারুন অফার ছিলো।।

আমি বললাম আপনিও ৩৪ কোটিতে বিক্রি না করে পরে আফসোস করবেন। দারুন অফার ছিলো! তাও পুরাই ক্যাশ।
ভাববেন লক্ষ্মী কাস্টমার হাতছাড়া হয়ে গেলো!

ব্যাটা কিছুক্ষন আগে থেকে ফোন করা শুরু করেছে।। সে রাজি।। আমি আর ফোন ধরি না।। থাকুক ব্যাটা টেনশনে।।

এদিকে ক্রেডিট কার্ডের দুই হাজার টাকা দিতে পারছি না দেখে ওরা ফোন দিচ্ছে।।

সে আরেক টেনশন।। আমার টেনশন আরেকজনকে ট্রান্সফার করে দিলাম।

আমার দুই হাজার টাকার টেনশন ঐ ব্যাটার ৩৪ কোটি টাকার টেনশন!😉😉

দুঃখ কাকে বলে এর প্রায় সবই কবিগুরু পেয়েছিলেন এক জীবনে। স্ত্রী মারা গেলেন কবির ৪১ বছর বয়সে। কবির ছিলো তিন মেয়ে, দুই ছেলে।...
02/03/2024

দুঃখ কাকে বলে এর প্রায় সবই কবিগুরু পেয়েছিলেন এক জীবনে। স্ত্রী মারা গেলেন কবির ৪১ বছর বয়সে। কবির ছিলো তিন মেয়ে, দুই ছেলে। রথীন্দ্রনাথ, শমীন্দ্রনাথ আর বেলা, রাণী ও অতশী।

স্ত্রী'র পর অসুস্থ হয়ে মারা গেলেন রাণী। এরপর কলেরায় মারা গেলো ছোট ছেলে শমী। পুত্রশোকে কবি লেখলেন-

"আজ জোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে।"

কবি'র মনে হলো এই জোৎস্নায় কবি বনে গেলে হবে না। বরং তাঁকে জেগে থাকতে হবে, যদি বাবার কথা মনে পড়ে শমী'র! যদি এসে কবিকে না পায়? তিনি লেখলেন-

"আমারে যে জাগতে হবে, কী জানি সে আসবে কবে
যদি আমায় পড়ে তাহার মনে।'

রাণীর জামাইকে পাঠিয়েছিলেন কবি বিলেতে ডাক্তারী পড়তে, না পড়েই ফেরত আসলো। বড় মেয়ের জামাইকে পাঠিয়েছিলেন বিলেতে, ব্যারিস্টারী পড়তে, না পড়েই ফেরেত আসলো। ছোট মেয়ে অতশীর জামাইকেও আমেরিকায় কৃষিবিদ্যার উপর পড়াশোনা করতে। লোভী এই লোক কবিকে বার বার টাকা চেয়ে চিঠি দিতো। কবি লেখলেন-

"জমিদারী থেকে যে টাকা পাই, সবটাই তোমাকে পাঠাই।"

দেশে ফেরার কিছুদিন পর ছোট মেয়েটাও মারা গেলো।

সবচাইতে কষ্টের মৃত্যু হয় বড় মেয়ের। বড় জামাই বিলেত থেকে ফেরার পর ছোট জামাইর সাথে ঝগড়া লেগে কবির বাড়ী ছেড়ে চলে যায়। মেয়ে বেলা হয়ে পড়েন অসুস্থ। অসুস্থ এই মেয়েকে দেখতে কবিগুরু প্রতিদিন গাড়ী করে মেয়ের বাড়ী যেতেন। কবিকে যত রকম অপমান করার এই জামাই করতেন। কবির সামনে টেবিলে পা তুলে সিগারেট খেতেন। তবু কবি প্রতিদিনই যেতেন মেয়েকে দেখতে। একদিন কবি যাচ্ছেন, মাঝপথেই শুনলেন বেলা মারা গেছে। কবি শেষ দেখা দেখতে আর গেলেন না। মাঝপথ থেকেই ফেরত চলে আসলেন। হৈমন্তীর গল্প যেন কবির মেয়েরই গল্প!

শোক কতটা গভীর হলে কবির কলম দিয়ে বের হলো -

"আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে।
তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে॥"

কবির মৃত্যু হলো অতিমাত্রায় কষ্ট সহ্য করে, প্রশ্রাবের প্রদাহে। কী কারনে যেন কবির বড় ছেলে রথীন্দ্রনাথের কাছ থেকে শেষ বিদায়টাও পাননি। দূর সম্পর্কের এক নাতনি ছিলো কবির শেষ বিদায়ের ক্ষণে।

কবি জমিদার ছিলেন এইসব গল্প সবাই জানে। কবি'র দুঃখের এই জীবনের কথা ক'জন জানেন?

প্রথম যৌবনে যে গান লেখলেন, এইটাই যেন কবির শেষ জীবনে সত্যি হয়ে গেলো-

"আমিই শুধু রইনু বাকি।
যা ছিল তা গেল চলে, রইল যা তা কেবল ফাঁকি॥"

কচ্ছপ আর খরগোশের গল্পটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা গল্পের শুধু প্রথম অংশটাই পড়েছি।এই গল্পের আরো ৩ টি অধ্য...
02/03/2024

কচ্ছপ আর খরগোশের গল্পটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা গল্পের শুধু প্রথম অংশটাই পড়েছি।
এই গল্পের আরো ৩ টি অধ্যায় আছে! যা হয়তো আমরা কেউ কেউ পড়েছি বা শুনেছি, কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই পড়িনি।

গল্পের বাকি অংশটুকু এবার জেনে নেই তাহলে🥰🥰

🔰১ম অংশ:
এই অংশটা আমরা ছোটবেলায় বইয়ে পড়ছি। এখানে খরগোশ ঘুমিয়ে যায়, আর কচ্ছপ জিতে যায়। প্রথমবার হেরে যাওয়ার পর খরগোশ বিশ্লেষণ করে দেখল তার পরাজয়ের মূল কারণ 'অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।' তারমানে অতি আত্মবিশ্বাস যে কারো জন্যই ক্ষতিকর। আর কচ্ছপ বুঝল, লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই!

🔰২য় অংশ:
হেরে যাওয়ার পর এবার খরগোশ আবারো কচ্ছপকে দৌড় প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ করল আর কচ্ছপও রাজী হল।

এবার খরগোশ না ঘুমিয়ে দৌড় শেষ করল এবং জয়ী হল। খরগোশ বুঝল, মন দিয়ে নিজের সামর্থের পুরোটা দিয়ে কাজ করলে দ্রুত সফল হওয়া যায়।

আর কচ্ছপ বুঝল, ধীর স্থির ভাবে চলা ভালো, তবে কাজে উপযুক্ত গতি না থাকলে প্রতিযোগীতা মূলক পরিবেশে জয়ী হওয়া অসম্ভব!

🔰৩য় অংশ:
কচ্ছপ এবার খরগোশকে আরেকবার দৌড় প্রতিযোগিতার আমন্ত্রন জানালো। খরগোশও নির্দিধায় রাজী হয়ে গেল। তখন কচ্ছপ বলল, "একই রাস্তায় আমারা ২ বার দৌড়েছি, এবার অন্য রাস্তায় হোক।" খরগোশও রাজী। অতএব নতুন রাস্তায় দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হল।

যথারীতি খরগোশ জোরে দৌড় শুরু করে দিল। কচ্ছপও তার পিছন পিছন আসতে শুরু করল। কচ্ছপ যখন খরগোশ এর কাছে পৌঁছাল, দেখল খরগোশ দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দৌড়ের শেষ সীমানায় যেতে পারেনি।

কারণ দৌড়ের শেষ সীমানার আগে একটি খাল আছে। কচ্ছপ খরগোশ এর দিকে একবার তাকালো, তারপর তার সামনে দিয়ে পানিতে নেমে খাল পার হয়ে দৌড়ের শেষ সীমানায় পৌছে প্রতিযোগিতা জিতে গেল।

খরগোশ বুঝল, শুধু নিজের শক্তির উপর নির্ভর করলেই হবে না, পরিস্থিতি আর বাস্তবতা অনুধাবন করাও ভীষণ প্রয়োজনীয়! আর কচ্ছপ বুঝল, প্রথমে প্রতিযোগীর দূর্বলতা খুজে বের করতে হবে, তারপর সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।

গল্প কিন্তু এখানেই শেষ নয়‼️

🔰চতুর্থ অংশ:
এবার খরগোশ কচ্ছপকে আরেকটি দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য আহবান জানালো এই একই রাস্তায়। কচ্ছপ ও রাজী। কিন্তু এবার তারা ঠিক করল, প্রতিযোগী হিসেবে নয়, বরংএবারের দৌড়টা তারা দৌড়াবে সহযোগী হিসেবে!

শুরু হল প্রতিযোগিতা। খরগোশ কচ্ছপকে পিঠে তুলে দৌড়ে খালের সামনে গিয়ে থামলো।এবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠ থেকখরগোশকে নিজের পিঠে নিয়ে খাল পার হল।তারপর আবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠে উঠে বাকী দৌড় শেষ করল আর এবার তার দু জনই একসাথে জয়ী হল।

📚এখান থেকে আমরা আসলে কি শিখলাম?

আমরা শিখলাম, ব্যক্তিগত দক্ষতা থাকা খুবই ভালো। কিন্তু দলবদ্ধ হয়ে একে অপরের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলেই আসে সত্যিকারের সাফল্য যেখানে সবাই বিজয়ীর হাসি হাসতে পারে।

Address

RAMPURA
Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BD DHAKA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BD DHAKA:

Share

Category