আবাসন মেলা

আবাসন মেলা Free Ad post about Property and Building materials in Dhaka, Bangladesh. https://abasonmela.com

20/09/2026
Walid Eco Resortসরাসরি ফার্মের মুরগী/গরু/ছাগেলের মাংস রান্না করে খাওয়া ঠিক নয়, ক্রোমিয়াম ও এন্টিবায়োটিক দেয়া থাকে। তাই ক...
19/09/2026

Walid Eco Resort
সরাসরি ফার্মের মুরগী/গরু/ছাগেলের মাংস রান্না করে খাওয়া ঠিক নয়, ক্রোমিয়াম ও এন্টিবায়োটিক দেয়া থাকে। তাই কিছুদিন পালন করে নিজ হাতে জবাই করে খাওয়া চাই। তাতে শরীরে এন্টি এন্টিবায়োটিক তৈরী হয় না। এন্টি এন্টিবায়োটিক দেহে তৈরী হলে মানুষের দেহে ঔষধ ও এন্টিবায়োটিক কাজ করতে পারে না। এজন্য সুস্থ থাকলে চাইলে ফ্রেশ ও পিওর খাবার খেতে হবে। তাই এ মহৎ উদ্যোগ। তবু কারো বুঝে আসে না। আল্লাহ পাক সকলকে সহিহ বুঝ, সুস্থতা ও নেক হায়াত দান করুন।

এছাড়াও নদীর মাছও পলিথিন খাচ্ছে, মুরগীও খাবারের ও টীকার সাথে এন্টি এন্টিবায়োটিক নিয়ে বাজারের সকল কক, সোনালী, লেয়ার, ব্রয়লার ও দেশি মুরগীর মাংস নিরাপদ নয়। এমাজন জঙ্গলের মানুষ ওরগানিক খাবার খায়, তাই সেখানে হসপিটাল নেই। আমার স্বপ্র ইনশাল্লাহম ওয়ালী ইকো রিসোর্ট বাস্তবায়ন হলে সকল খাদ্য, শস্য, ঔষধী গাছ, ও শাক-সবজি-ফল-মূল অরগানিক জৈব সারের মাধ্যমে তৈরী করে নিজেরা খাইবো এবং আত্মীয়-স্বজনের ঘরে ঘরে পৌছে দেয়ার ব্যবস্থা করবো। এজন্য সকলের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। শেষ বয়সে আমার মত সচেতন হলেও পরবর্তী বংশধরগন স্বাস্থ্যকর খাবারে অভ্যস্থ্য হবে হয়তো! = Walid Eco Resort
প্রধান ৭ টি সুবিধা:
১) ৫ বছরে জমির মূল্য বাড়তে পারে ১০গুন কারন হেমায়েতপুরে মেট্রোরেলের কাজ চলমান।
২) মেয়াদান্তে কটেজে নিজ পরিবার নিয়ে পালাক্রমে বেড়ানোর সুবিধা।
৩) মেয়াদান্তে কটেজ পালাক্রমে ভাড়া হতে আয়ের সুবিধা।
৪) মেয়াদান্তে কটেজের আসে পাশে টাকটা সবজি-ফল ভোগ ও বিক্রিতে আয়ের সুবিধা পাচ্ছেন।
৫) কিস্তি চলাকালীন জমির মূল্য বৃদ্ধি পেলেই যে কোন মাসে, কোম্পানিকে ১০% হস্তান্তর ফি জমা দিয়ে নিজ জমি বিক্রির স্বাধীনতা থাকবে।
৬) দাজ্জাল প্রতি শহরে অত্যাচার করবে, গ্রামে নয়। পরমানু বোমা শহরে নিক্ষেপ হয়, তখন গ্রামে নিজ জমিতে আশ্রয় নেয়া নিরাপদ।
৭) তেল আসা বন্ধ মানে সবকিছুর তথা পরিবহন, খাদ্য-শস্য-দ্রব্য-পথ্য ও বিভিন্ন নিত্য জরুরী সামগ্রীর মূল্য শতগুন বৃদ্ধি পেলে নিজ জমিতে চাষাবাদ ও খামার করে স্বয়ং সম্পূর্ণ বেঁচে থাকার উপায় হতে পারে। শহরে তো অভাবের কারণে ঘরে ঘরে চুরি/ছিনতাই/ডাকাতি হচ্ছে ও হবে। এজন্যই ঢাকা সিটির ২৫+ কি:মি: দূরে গ্রামে ৫ হাজার টাকার কিস্তিতে ১ শতক জমি ক্রয় করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

বিক্রিতে দ্বিগুন নিশ্চিত মুনাফাঃ
আপনি কিস্তিতে জমি রাখতে পারেন। ভালো সঞ্চয় হবে। কিস্তি পরিশোধের শেষ হলে, পেমেন্ট পরিশোধের পরদিন হতে ৫ বছরের মেয়াদে, আমারই দ্বিগুন মূল্যে ক্রয় করে নিব। চাইলে ডিড অব এগ্রিমেন্ট দলিল এবং চেক দেয়া হবে। যদি আপনি বিক্রি করতে চান। অন্যত্রও বিক্রি করতে পারবেন। https://walibazar.com/product/walid-eco-resort/

কটেজে কি কি থাকবে:
ক) প্রতি ৮ শতাংশের রাস্তা ব্যতিত নীট থাকবে ৬ শতাংশ । উক্ত ৬ শতাংশের এক শতাংশে বা ৪৩৫.৬ বর্গফুটের কটেজটি কোম্পানী তৈরী করে দিবেন ফ্রি।
খ) ৮ শতাংশের প্রতিটি কটেজ ১ জন বা ৮ জন নিতে পারবেন। প্রতি ৮ শতাংশের রাস্তা ব্যতিত নীট ৬ শতাংশ। উক্ত ৬ শতাংশের এক শতাংশে বা ৪৩৫.৬ বর্গফুটের কটেজের বিবরনঃ=
=> ঘর ২টি তৈরী হবে, কাঠ ও বাঁশের তৈরী ২টি ঘর, ছাদ হবে, কাঠ, ফলস সিলিং ও প্লাস্টিক টিন দিয়ে তৈরী, বাঁশ বা গাছের বাউন্ডারী থাকবে, রুম-টয়লেট-কিচেনে সিরামিক টাইলস, ফুলের বাগানসহ কটেজে থাকবে ২ বেড রুম, টয়লেট, কিচেন, বেলকনি, ছোট সিড়ি। বিদ্যুত ও পানির লাইন ও ফিটিংসহ বসবাস উপযোগী ব্যবস্থা থাকবে। জরুরী কাঠের ফার্নিচার সমূহ থাকবে। ৮ জনের ব্যবহার যোগ্য: বিছানা, চাদর, বালিশ, মশারী, অতি জরুরী টয়লেট টুলস ও রান্নার আসবাবপত্র ও টুলস সামগ্রী থাকবে।
=> কটেজটিতে পরিবারসহ পালাক্রমে ৪ জন থাকতে পারবেন বা যেীথভাবে ভাড়া দিয়ে আয় নিজেরা বন্টন করতে পারবেন।
গ) থাকা ও ভাড়ার আয় ব্যতিত জমির মূল্য বৃদ্ধি পাবে ৫ বছরে ১০ গুনের বেশি কারন নিকটেরই হেমায়েত পুরে হচ্ছে মেট্রো রেল। যাতে পুরো ঢাকা সিটিতে ২০ মিনিটে যাতায়াত করতে পারবেন।
ঘ) কটেজটির ৮ জনের প্রতি শতাংশের ৭৫% জমির কিছু অংশে ১টি কটেজ ও বাগানের জন্য বরাদ্দ থাকবে বাকি ২৫% জমি রাস্তা ও সংযোগ রাস্তার জন্য কোম্পানীর কাছে থাকবে। অর্থ্যাৎ প্রতি ১ শতাংশের ৭৫ অযুতাংশ জমি সাফ কবলা দলিল করা হয়। এবং প্রতি ৮ শতাংশে একটি কটেজ তৈরী হবে, যা ১২ মাসের আয় ৮ জন ক্রেতাগন সমহারে বন্টন করে নিবেন, থাকবেন, ও পরিচালনা করবেন।
ঙ) লোকেশন: https://walibazar.com/go/south-ulail-dholla/
ঢাকা গাবতলী হতে ২০ কি:মি: দূরত্বে হেমায়েতপুর হয়ে সিঙ্গাইর ধল্লা ইউনিয়নের সন্নিকটে দক্ষিন উলাইল এলাকায় ১০ হতে ১২ ফুট রাস্তাসহ সকল কটেজ দিয়ে কারে চলাচল সুবিধা থাকবে।
চ) রিসোর্টর আসে পাশে নাগরিক সুবিধা সমূহ বর্তমানে সেখানে বিদ্যবান ও নির্মানাধীন রয়েছে। এছাড়াও সম্পুর্ণ রিসোর্ট পরিচালনার জন্য কোম্পানীর মালিকািধীন সাইট অফিস ও কিছু শপ থাকবে।
উল্লেখ্য যে, কিস্তি পরিশোধের পর ইউটিলিটি ও উন্নয়ন বিল কটেজ বুঝে পাওয়ার পূর্বে এককালীন শতাংশপ্রতি ১ লাখ টাকা করে অতিরিক্ত পরিশোধ করতে হবে। যাতে সকল কটেজের জন্য বিদ্যুৎ লাইন ও মিটার সংযোগ, বিশুদ্ পানির পাম্প বসিয়ে পাইপের মাধ্যমে প্রতি কটেজে পানি পরিবহন ও পয়ঃনিষ্কাষনের ব্যবস্থা করা হবে, রাস্তাগুলো সলিং বা টালি দিয়ে বেস্টিত করা হবে, রাস্তার দুই পাশে গাছ রোপন করা হবে, সকল কটেজে ইন্টারকম টেলি-যোগাযোগ, ইন্টানেট লাইন ও গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলার ব্যবস্থা করা হবে। তবে সাইট কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন ভাতা, মোড়ে মোড়ে সিসি ক্যামেরা, একাধিক সিঃগার্ড এবং রাস্তা ও রিসোর্ট উন্নয়ন ও লাইটিং খরচ বাবদ শতাংশ প্রতি ১০০ টাকা মাসিক ফি প্রদান করতে বাধ্য থাকবেন, এ খরচ কটেজের আয় হতে নিয়মিত কেটে রাখা হবে। তবে কোম্পানী এককভাবে সকল উন্নয়ন মূলক কাজ পরিচালনা, কাজের ফল এবং অতিরিক্ত সম্পদ, বাগান, খামার, দোকান, ফার্ম, পুকুর ও ফসলের মালিকানা এককভাবে = ওয়ালী মুহাম্মাদ ফাউন্ডেশন লিঃ থাকবে।
ছ) জীবনটা ক্ষনস্থায়ী, তাই দুষনমুক্ত নিরিবিলি পরিবেশে থাকুন, ফ্রেশ খাবার খান, সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন।

মূল্য তালিকাঃ (সীমিত সময়ের জন্য-For Oct-2026)
শতাংশ প্রতি মাত্র ৫০,০০০ টাকা বুকিংমানি হিসেবে গন্য হবে, শতাংশ প্রতি মাত্র ১০,০০০ টাকার ৬০টি কিস্তিতে ৬,০০,০০০ টাকা পরিশোধযোগ্য। ৮/৪/২/১ জন যদি ৮ শতাংশের ১টি প্লট নিলে কটেজ ফ্রি পাচ্ছেন। অতএব কিস্তিতে শতাংশ প্রতি মোট মূল্য ৬,৫০,০০০ টাকা মাত্র। নগদে ক্রয়ে ২০% ছাড়ে ৫,২০,০০০ টাকা। যা ৮/৪/২ জন শেয়ার একটি প্লট ক্রয় করতে পারবেন অথবা এক শতাংশ নিলেও আমরা ৮ জনের গ্রুপ তৈরী করে দিব। ৫০% মূল্য পরিশোধের পূর্ব পর্যন্ত জমাকৃত টাকা করজ বা জমা হিসেবে গন্য হবে। ৫০% মুল্য পরিশোধের সাথে সাথে জমির সাফ কবলা দলিল পাচ্ছেন । অতঃপর প্রতি ৮ শতাংশে নীচের বিবরনীর কটেজ-বাগান তৈরী করে হস্তান্তর করা হয়। এজন্য শতাংশপ্রতি ইউটিলিটি ও উন্নয়ন খরচ প্রদান করতে হবে।

নির্মানকারী প্রতিষ্ঠানঃ ওয়ালী মুহাম্মাদ ফাউন্ডেশন লিমিটেড। মোঃপুর, ঢাকা।
Call: +8801975030501 +8801841224924, +8801752078091 or +8801752078094 & +8801752078095 (Office) WhatsApp- Number : +8801752078099

Walid Eco Resortসরাসরি ফার্মের মুরগী/গরু/ছাগেলের মাংস রান্না করে খাওয়া ঠিক নয়, ক্রোমিয়াম ও এন্টিবায়োটিক দেয়া থাকে। তাই ক...
15/09/2026

Walid Eco Resort
সরাসরি ফার্মের মুরগী/গরু/ছাগেলের মাংস রান্না করে খাওয়া ঠিক নয়, ক্রোমিয়াম ও এন্টিবায়োটিক দেয়া থাকে। তাই কিছুদিন পালন করে নিজ হাতে জবাই করে খাওয়া চাই। তাতে শরীরে এন্টি এন্টিবায়োটিক তৈরী হয় না। এন্টি এন্টিবায়োটিক দেহে তৈরী হলে মানুষের দেহে ঔষধ ও এন্টিবায়োটিক কাজ করতে পারে না। এজন্য সুস্থ থাকলে চাইলে ফ্রেশ ও পিওর খাবার খেতে হবে। তাই এ মহৎ উদ্যোগ। তবু কারো বুঝে আসে না। আল্লাহ পাক সকলকে সহিহ বুঝ, সুস্থতা ও নেক হায়াত দান করুন।

এছাড়াও নদীর মাছও পলিথিন খাচ্ছে, মুরগীও খাবারের ও টীকার সাথে এন্টি এন্টিবায়োটিক নিয়ে বাজারের সকল কক, সোনালী, লেয়ার, ব্রয়লার ও দেশি মুরগীর মাংস নিরাপদ নয়। এমাজন জঙ্গলের মানুষ ওরগানিক খাবার খায়, তাই সেখানে হসপিটাল নেই। আমার স্বপ্র ইনশাল্লাহম ওয়ালী ইকো রিসোর্ট বাস্তবায়ন হলে সকল খাদ্য, শস্য, ঔষধী গাছ, ও শাক-সবজি-ফল-মূল অরগানিক জৈব সারের মাধ্যমে তৈরী করে নিজেরা খাইবো এবং আত্মীয়-স্বজনের ঘরে ঘরে পৌছে দেয়ার ব্যবস্থা করবো। এজন্য সকলের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। শেষ বয়সে আমার মত সচেতন হলেও পরবর্তী বংশধরগন স্বাস্থ্যকর খাবারে অভ্যস্থ্য হবে হয়তো! = Walid Eco Resort
প্রধান ৭ টি সুবিধা:
১) ৫ বছরে জমির মূল্য বাড়তে পারে ১০গুন কারন হেমায়েতপুরে মেট্রোরেলের কাজ চলমান।
২) মেয়াদান্তে কটেজে নিজ পরিবার নিয়ে পালাক্রমে বেড়ানোর সুবিধা।
৩) মেয়াদান্তে কটেজ পালাক্রমে ভাড়া হতে আয়ের সুবিধা।
৪) মেয়াদান্তে কটেজের আসে পাশে টাকটা সবজি-ফল ভোগ ও বিক্রিতে আয়ের সুবিধা পাচ্ছেন।
৫) কিস্তি চলাকালীন জমির মূল্য বৃদ্ধি পেলেই যে কোন মাসে, কোম্পানিকে ১০% হস্তান্তর ফি জমা দিয়ে নিজ জমি বিক্রির স্বাধীনতা থাকবে।
৬) দাজ্জাল প্রতি শহরে অত্যাচার করবে, গ্রামে নয়। পরমানু বোমা শহরে নিক্ষেপ হয়, তখন গ্রামে নিজ জমিতে আশ্রয় নেয়া নিরাপদ।
৭) তেল আসা বন্ধ মানে সবকিছুর তথা পরিবহন, খাদ্য-শস্য-দ্রব্য-পথ্য ও বিভিন্ন নিত্য জরুরী সামগ্রীর মূল্য শতগুন বৃদ্ধি পেলে নিজ জমিতে চাষাবাদ ও খামার করে স্বয়ং সম্পূর্ণ বেঁচে থাকার উপায় হতে পারে। শহরে তো অভাবের কারণে ঘরে ঘরে চুরি/ছিনতাই/ডাকাতি হচ্ছে ও হবে। এজন্যই ঢাকা সিটির ২৫+ কি:মি: দূরে গ্রামে ৫ হাজার টাকার কিস্তিতে ১ শতক জমি ক্রয় করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

বিক্রিতে দ্বিগুন নিশ্চিত মুনাফাঃ
আপনি কিস্তিতে জমি রাখতে পারেন। ভালো সঞ্চয় হবে। কিস্তি পরিশোধের শেষ হলে, পেমেন্ট পরিশোধের পরদিন হতে ৫ বছরের মেয়াদে, আমারই দ্বিগুন মূল্যে ক্রয় করে নিব। চাইলে ডিড অব এগ্রিমেন্ট দলিল এবং চেক দেয়া হবে। যদি আপনি বিক্রি করতে চান। অন্যত্রও বিক্রি করতে পারবেন। https://walibazar.com/product/walid-eco-resort/

কটেজে কি কি থাকবে:
ক) প্রতি ৮ শতাংশের রাস্তা ব্যতিত নীট থাকবে ৬ শতাংশ । উক্ত ৬ শতাংশের এক শতাংশে বা ৪৩৫.৬ বর্গফুটের কটেজটি কোম্পানী তৈরী করে দিবেন ফ্রি।
খ) ৮ শতাংশের প্রতিটি কটেজ ১ জন বা ৮ জন নিতে পারবেন। প্রতি ৮ শতাংশের রাস্তা ব্যতিত নীট ৬ শতাংশ। উক্ত ৬ শতাংশের এক শতাংশে বা ৪৩৫.৬ বর্গফুটের কটেজের বিবরনঃ=
=> ঘর ২টি তৈরী হবে, কাঠ ও বাঁশের তৈরী ২টি ঘর, ছাদ হবে, কাঠ, ফলস সিলিং ও প্লাস্টিক টিন দিয়ে তৈরী, বাঁশ বা গাছের বাউন্ডারী থাকবে, রুম-টয়লেট-কিচেনে সিরামিক টাইলস, ফুলের বাগানসহ কটেজে থাকবে ২ বেড রুম, টয়লেট, কিচেন, বেলকনি, ছোট সিড়ি। বিদ্যুত ও পানির লাইন ও ফিটিংসহ বসবাস উপযোগী ব্যবস্থা থাকবে। জরুরী কাঠের ফার্নিচার সমূহ থাকবে। ৮ জনের ব্যবহার যোগ্য: বিছানা, চাদর, বালিশ, মশারী, অতি জরুরী টয়লেট টুলস ও রান্নার আসবাবপত্র ও টুলস সামগ্রী থাকবে।
=> কটেজটিতে পরিবারসহ পালাক্রমে ৪ জন থাকতে পারবেন বা যেীথভাবে ভাড়া দিয়ে আয় নিজেরা বন্টন করতে পারবেন।
গ) থাকা ও ভাড়ার আয় ব্যতিত জমির মূল্য বৃদ্ধি পাবে ৫ বছরে ১০ গুনের বেশি কারন নিকটেরই হেমায়েত পুরে হচ্ছে মেট্রো রেল। যাতে পুরো ঢাকা সিটিতে ২০ মিনিটে যাতায়াত করতে পারবেন।
ঘ) কটেজটির ৮ জনের প্রতি শতাংশের ৭৫% জমির কিছু অংশে ১টি কটেজ ও বাগানের জন্য বরাদ্দ থাকবে বাকি ২৫% জমি রাস্তা ও সংযোগ রাস্তার জন্য কোম্পানীর কাছে থাকবে। অর্থ্যাৎ প্রতি ১ শতাংশের ৭৫ অযুতাংশ জমি সাফ কবলা দলিল করা হয়। এবং প্রতি ৮ শতাংশে একটি কটেজ তৈরী হবে, যা ১২ মাসের আয় ৮ জন ক্রেতাগন সমহারে বন্টন করে নিবেন, থাকবেন, ও পরিচালনা করবেন।
ঙ) লোকেশন: https://walibazar.com/go/south-ulail-dholla/
ঢাকা গাবতলী হতে ২০ কি:মি: দূরত্বে হেমায়েতপুর হয়ে সিঙ্গাইর ধল্লা ইউনিয়নের সন্নিকটে দক্ষিন উলাইল এলাকায় ১০ হতে ১২ ফুট রাস্তাসহ সকল কটেজ দিয়ে কারে চলাচল সুবিধা থাকবে।
চ) রিসোর্টর আসে পাশে নাগরিক সুবিধা সমূহ বর্তমানে সেখানে বিদ্যবান ও নির্মানাধীন রয়েছে। এছাড়াও সম্পুর্ণ রিসোর্ট পরিচালনার জন্য কোম্পানীর মালিকািধীন সাইট অফিস ও কিছু শপ থাকবে।
উল্লেখ্য যে, কিস্তি পরিশোধের পর ইউটিলিটি ও উন্নয়ন বিল কটেজ বুঝে পাওয়ার পূর্বে এককালীন শতাংশপ্রতি ১ লাখ টাকা করে অতিরিক্ত পরিশোধ করতে হবে। যাতে সকল কটেজের জন্য বিদ্যুৎ লাইন ও মিটার সংযোগ, বিশুদ্ পানির পাম্প বসিয়ে পাইপের মাধ্যমে প্রতি কটেজে পানি পরিবহন ও পয়ঃনিষ্কাষনের ব্যবস্থা করা হবে, রাস্তাগুলো সলিং বা টালি দিয়ে বেস্টিত করা হবে, রাস্তার দুই পাশে গাছ রোপন করা হবে, সকল কটেজে ইন্টারকম টেলি-যোগাযোগ, ইন্টানেট লাইন ও গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলার ব্যবস্থা করা হবে। তবে সাইট কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন ভাতা, মোড়ে মোড়ে সিসি ক্যামেরা, একাধিক সিঃগার্ড এবং রাস্তা ও রিসোর্ট উন্নয়ন ও লাইটিং খরচ বাবদ শতাংশ প্রতি ১০০ টাকা মাসিক ফি প্রদান করতে বাধ্য থাকবেন, এ খরচ কটেজের আয় হতে নিয়মিত কেটে রাখা হবে। তবে কোম্পানী এককভাবে সকল উন্নয়ন মূলক কাজ পরিচালনা, কাজের ফল এবং অতিরিক্ত সম্পদ, বাগান, খামার, দোকান, ফার্ম, পুকুর ও ফসলের মালিকানা এককভাবে = ওয়ালী মুহাম্মাদ ফাউন্ডেশন লিঃ থাকবে।
ছ) জীবনটা ক্ষনস্থায়ী, তাই দুষনমুক্ত নিরিবিলি পরিবেশে থাকুন, ফ্রেশ খাবার খান, সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন।

মূল্য তালিকাঃ (সীমিত সময়ের জন্য-For Oct-2026)
শতাংশ প্রতি মাত্র ৫০,০০০ টাকা বুকিংমানি হিসেবে গন্য হবে, শতাংশ প্রতি মাত্র ১০,০০০ টাকার ৬০টি কিস্তিতে ৬,০০,০০০ টাকা পরিশোধযোগ্য। ৮/৪/২/১ জন যদি ৮ শতাংশের ১টি প্লট নিলে কটেজ ফ্রি পাচ্ছেন। অতএব কিস্তিতে শতাংশ প্রতি মোট মূল্য ৬,৫০,০০০ টাকা মাত্র। নগদে ক্রয়ে ২০% ছাড়ে ৫,২০,০০০ টাকা। যা ৮/৪/২ জন শেয়ার একটি প্লট ক্রয় করতে পারবেন অথবা এক শতাংশ নিলেও আমরা ৮ জনের গ্রুপ তৈরী করে দিব। ৫০% মূল্য পরিশোধের পূর্ব পর্যন্ত জমাকৃত টাকা করজ বা জমা হিসেবে গন্য হবে। ৫০% মুল্য পরিশোধের সাথে সাথে জমির সাফ কবলা দলিল পাচ্ছেন । অতঃপর প্রতি ৮ শতাংশে নীচের বিবরনীর কটেজ-বাগান তৈরী করে হস্তান্তর করা হয়। এজন্য শতাংশপ্রতি ইউটিলিটি ও উন্নয়ন খরচ প্রদান করতে হবে।

নির্মানকারী প্রতিষ্ঠানঃ ওয়ালী মুহাম্মাদ ফাউন্ডেশন লিমিটেড। মোঃপুর, ঢাকা।
Call: +8801975030501 +8801841224924, +8801752078091 or +8801752078094 & +8801752078095 (Office) WhatsApp- Number : +8801752078099

To Let in Mohammadpur মোঃপুরে ভাড়াঃ (মেস/অফিস বা ফ্যামেলী ভাড়া) ১ লা অক্টবর/২০২৬ইং হতে বাড়ি নং ৫/১, কাটাসুর,  মো:পুর বাস...
12/09/2026

To Let in Mohammadpur
মোঃপুরে ভাড়াঃ (মেস/অফিস বা ফ্যামেলী ভাড়া) ১ লা অক্টবর/২০২৬ইং হতে বাড়ি নং ৫/১, কাটাসুর, মো:পুর বাসষ্ট্যান হতে দক্ষিনেই ১৬ তলা টাওয়ার গলিতে, ওয়ালীজ আঞ্জমান ভিলায়, নীচ তলায় ফ্ল্যাট ভাড়া হবে, ২ বেড, ১ ডাইনিং রুম এবং ১ টয়লেট ও ১ কিচেনসহ দক্ষিনমুখী ফ্ল্যাট ভাড়া হবে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস ভাড়াটিয়াকে ভরে নিতে হবে । কমন বিদুৎ, পানি, রাতের দারওয়ান ও বিবিধ বিলসহ ভাড়া ১৪,০০০ টাকা == > উপরের বিবরন = লিংক=> https://youtube.com/shorts/mSNsYvdoyqc?si=uvMgPnu2OrGRwKjc
ফোনঃ +8801848348524 +8801752078096 and (whatsapp মেসেজ) -> +8801752078099
লোকেশন: https://walibazar.com/go/room/

Walid Eco Resortমাছও নদীর পলিথিন খাচ্ছে, মুরগীও খাবারের ও টীকার সাথে এন্টি এন্টিবায়োটিক নিয়ে বাজারের সকল কক, সোনালী, লেয়...
11/09/2026

Walid Eco Resort

মাছও নদীর পলিথিন খাচ্ছে, মুরগীও খাবারের ও টীকার সাথে এন্টি এন্টিবায়োটিক নিয়ে বাজারের সকল কক, সোনালী, লেয়ার, ব্রয়লার ও দেশি মুরগীর মাংস নিরাপদ নয়। এমাজন জঙ্গলের মানুষ ওরগানিক খাবার খায়, তাই সেখানে হসপিটাল নেই। আমার স্বপ্র ইনশাল্লাহম ওয়ালী ইকো রিসোর্ট বাস্তবায়ন হলে সকল খাদ্য, শস্য, ঔষধী গাছ, ও শাক-সবজি-ফল-মূল অরগানিক জৈব সারের মাধ্যমে তৈরী করে নিজেরা খাইবো এবং আত্মীয়-স্বজনের ঘরে ঘরে পৌছে দেয়ার ব্যবস্থা করবো। এজন্য সকলের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। শেষ বয়সে আমার মত সচেতন হলেও পরবর্তী বংশধরগন স্বাস্থ্যকর খাবারে অভ্যস্থ্য হবে হয়তো!

শতাংশ প্রতি মাত্র ৫০,০০০ টাকা বুকিংমানি হিসেবে গন্য হবে, শতাংশ প্রতি মাত্র ৫০০০ টাকার ৬০টি কিস্তিতে ৮ শতাংশের প্লট নিলে কটেজ ফ্রি পাচ্ছেন। অতএব কিস্তিতে শতাংশ প্রতি মূল্য ৩.৫০,০০০ টাকা মাত্র নগদে ক্রয়ে ২০% ছাড়ে ২,৮০,০০০ টাকা। ৮ জন শেয়ার একটি প্লট ক্রয় করতে পারবেন অথবা এক শতাংশ নিলেও আমরা ৮ জনের গ্রুপ তৈরী করে দিব। ৫০% মূল্য পরিশোধের পূর্ব পর্যন্ত জমাকৃত টাকা করজ বা জমা হিসেবে গন্য হবে। ৫০% মুল্য পরিশোধের সাথে সাথে জমির সাফ কবলা দলিল পাচ্ছেন । অতঃপর প্রতি ৮ শতাংশে নীচের বিবরনীর কটেজ-বাগান তৈরী করে হস্তান্তর করা হয়। যারা ৫০,০০০ টাকা বুকিং দিতে পারবেন না, তারা মাসিক ১০,০০০ টাকার ৫০টি কিস্তিতে এক শতাংশ জমির মোট মূল্য ৫ লাখ টাকা পরিশোধ করতে পারবেন।

প্রধান ৬টি সুবিধা:

১) ৫ বছরে জমির মূল্য বাড়তে পারে ১০গুন কারন হেমায়েতপুরে মেট্রোরেলের কাজ চলমান।

২) মেয়াদান্তে কটেজে নিজ পরিবার নিয়ে পালাক্রমে বেড়ানোর সুবিধা।

৩) মেয়াদান্তে কটেজ পালাক্রমে ভাড়া হতে আয়ের সুবিধা।

৪) মেয়াদান্তে কটেজের আসে পাশে টাকটা সবজি-ফল ভোগ ও বিক্রিতে আয়ের সুবিধা পাচ্ছেন।

৫) কিস্তি চলাকালীন জমির মূল্য বৃদ্ধি পেলেই যে কোন মাসে, কোম্পানিকে ১০% হস্তান্তর ফি জমা দিয়ে নিজ জমি বিক্রির স্বাধীনতা থাকবে। => https://walibazar.com/product/walid-eco-resort-for-sale/

Address

Mohammadpur
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আবাসন মেলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share