25/03/2024
একটি খবর নাড়িয়ে দিতে পারে অনেক কিছু। চমকপ্রদ হেড লাইনে দর্শকের আগ্রহ বাড়ে,আর সে সুযোগটাকে কাজে লাগাচ্ছে বেশ কিছু পত্রিকা।
শিরোনামে লেখা মন্দিরের জমিতে তৈরি হচ্ছে মসজিদ?
দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের জন্য এমন শিরোনামে যথেষ্ট। কারণ এমবি খরচ করে ভিতরে কি আছে তা পড়ার মতো আগ্রহ খুব কম জনের আছে।
টেপা নদীর উপরেই একটি মুসলিম গ্রাম।
বাড়ির সংখ্যা প্রায় ২৫০ সব মিলিয়ে প্রায় ১৫০০ লোকের বাস।
এলাকার সবচেয়ে মুরব্বি লোকটি জানান, ১৯৪৯ সালে দেশ ভাগের সময় তারা ভারত থেকে এসে বসতি গড়েন।
তখন থেকে এই মসজিদে নামাজ পড়ে আসছেন বিভিন্ন সময় তারা প্রয়োজনে মসজিদটি সংস্কার করেন।
জনসংখ্যা বেড়েছে ছোট মসজিদে জায়গা হয় না,তাই তারা সম্বলিত উদ্যোগে মসজিদ দ্বিতল করার জন্য কাজ শুরু করেন।
এখানেই বিপত্তি বাধে, পরবর্তীতে সেটা পত্রিকা মারফত জাতীয় পর্যায়ে আলোচনায় আসে।
পত্রিকার হিডিং এর সাথে বাস্তবতার অনেক অমিল,
মসজিদ নির্মাণ নয় সময়ের প্রয়োজনে পুনঃনির্মাণ হচ্ছে। এটাই বাস্তবতা।
রং মাখিয়ে এসব খবরে কিছুটা কাটতি পাবেন হয়তো, কিন্তু আলোচনার সমাধানের রাস্তায় উসকে দিয়ে নয়।
কান্তজি মন্দিরের সবচেয়ে নিকটতম গ্রাম এটি,আশপাশ থেকে বেশ কিছুটা দূরে হিন্দু গ্রাম।
গ্রামবাসী জানালেন,বাবরী মসজিদ ভাঙার সময় আমরা মুসুলমানরা রাত জেগে এই মন্দির পাহারা দিয়েছি।
এতদিনে কোন অবস্থায় আমাদের সম্পর্কের অবনতি হয়নি।
এই মন্দিরের পরিচয়ে আমরা গর্ববোধ করি।
গর্বের সাথে বলি আমাদের বাড়ি কান্তজি মন্দিরের পাশে।
সম্প্রিতীর বন্ধন অটুট থাকুক 💝
শান্তিময় জেলাটাকে উসকে দেবেন না প্লিজ।