আব্দুজ যাহের চৌধুরী

Directions Website

আব্দুজ যাহের চৌধুরী none

19/01/2025

কেম্নে কি !!

18/01/2025

কিছু না...

09/01/2025

আফসোস
ওরা বলে, "আমরা আলেমদের সাথে আছি"

অথচ সুদ্ধ তো হলো, আমাদের সাথে....
যেমনটি কুরআনে'র শব্দ চয়নে নবীর দাবী।
"নিশ্চয়ই আমাদের সাথে আল্লাহ আছেন"

অনুরূপ
আমাদের সাথে উম্মাহ দরদী "আলেমরা" আছেন।যারা আমাদের ব্যপারে কখনো গাফেল হন'না।
সব সময় আমাদের "তরক্কী ও নাপাকি" দূরীতে সজাগ ও ফিকির বান থাকেন।
যাঁরা সত্যিকারের "ওরাসাতুল আম্বিয়া" ওনাদের রেখে যাওয়া মীরাস বহনে জিম্মাদারি আদায়ে সদা সতর্ক।
যাঁরা সবসময় এক আমিরের এতায়াতে পাহাড়ের মত সুদৃঢ় "জামাত" বদ্বতায় মাশোয়ারার মাতায়াতে পুরো দুনিয়ায় নিরলস ভাবে নবীর সৈনিক হয়ে সাহাবাওয়ালা জাজবায় "জান মালের" কুরবানীতে উম্মতকে খাছারা মুক্ত আর "বি'হাবলিল্লাহে জামীয়া"র হুকুম বাস্তবায়নে সদা সচেষ্ট ....
মুসলমানদের
ইজতেমীয়তে জুড়িয়ে নিতে জমাটবদ্ধতায় "নব্বী দর্দ আর মুহাব্বতে লিল্লাহ্'য়" .....
এক মেহনত
এক আমীর
একি জিম্মাদারি...
রেসালতের পাকিজা সোচ সমস্ত উম্মতের দ্বীলে বীজ বপনের সুস্তিহীন প্রচেষ্টা, যা ওনারা খতমেনবুয়ার এতেবারে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের পক্ষ হতে "আজুমুশান গনিমত" জ্ঞানে
"পরম আজমত আর হেফাজতে" "জীবনের উদ্দেশ্য" করে নিয়েছে খুশি খুশি।
যে মেহনত
কোন রাষ্ট্রীয় নেজাম,মানচিত্রের সীমারেখা
ভাষা বা বধীরতা, কিম্বা ইলমের প্রশস্তায় মাজহাবী প্রতিবন্ধকতা
এমনকি ধনী-দরিদ্র, শিক্ষা-মূর্খতা গোত্রীয় প্রথার জাহেলী সীমাবদ্ধতা...
বৈরী-অনুকুল পরিস্থিতির আসমানী ইমতেহান...
না কোন কিছু ই কোন প্রভাব বিস্তার করতে পারেনা, পারেনি, পারবেনা কখনোই ... কেননা কুরআনের হেফাজত কারী সয়ং "আল্লাহ তায়ালা"।
আর কুরআনের ভাষ্যে
"ওয়ালতাকুম মিনকুম উম্মতি ইয়াদুনা ইলাল খায়ের.........মুফলেহুন।"
একিনী ভাবেই বলছি এ সেই জামাত।
যার বয়াণ করছেন খোদ আল্লাহ তায়ালা।

06/01/2025

"তবলিগ" বিষয়ে হেফাজতের পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক ভাই'রা দয়া করে
ওনাদের এ প্রশ্ন গুলো করবেন। .................-----------------------..................-------

যেহেতু সমস্যার শুরু দেওবন্দের ফতুয়ার দোহাই দিয়ে,তাই আমাদের জানতে চাওয়া...

১.দেওবন্দ বললো আমরা তবলিগের ভাগ হওয়া উভয় পক্ষ হতো সমান দূরত্ব রেখে চলেছি।
২.ওদের মেহনতের ময়দান ভিন্ন, আমাদের মেহনতের ময়দান ভিন্ন।
৩.এখতেলাফ কোন শরিয় বিষয় নয়,বরং এন্তজামি বা তাদের আভ্যন্তরিন ব্যপার।

এখন
প্রশ্নঃ ১.
আপনারা এক পক্ষ হলেন কেন ?

প্রশ্নঃ ২.
মেহনতের ময়দান ভিন্ন হলে
তবলিগের কাজতো আপনারা ওদের মত করে করেন না। করতে,জানতে বা বুঝেতেও চান না।
কিন্তু "বুঝি" বলে দাবি করেন কেন ?

প্রশ্নঃ ৩.
আর শরিয়া বিষয় বলে ওদের বাতেল বলছেন কেন ?
দেওবন্দ কি ওদের কে "বাতিল" বলে প্রতিহত করতে......৷
এরকম কথা বলেছে ?
আর বললে,কোথায়, কখন কে বলেছে ?

**
তবেকি,
এদেশে কি আপনারা সাধারণত মুসলমানদের নয়'ছয় বুঝিয়ে ধোঁকা দিয়ে দেওবন্দ এর নামে এসব তামাশা করছেন না...!
কিন্তু কেন ?

প্রশ্নঃ
**আপনারা তবলিগের কে ?
**গত সাত বছরে ইজতেমায়(জোবায়ের হুজুর) আপনাদের কারো কোন ওয়াজ বা বয়ান করতে দেয় নি কেন ?
আপনারা ইবা এর কোন প্রতিবাদ করেননি কেন ?
কেউ কেউ বলছে সেখানে ওয়াজ করলে টাকা পাওয়া যাবেনা, আর ওনাদের বাজারী ওয়াজ টংঙ্গীতে চলবেও না....
সত্যিই এ জন্য কি !?

আপনারা নিজেদের বড় আলেম দাবী করেন।
আবার ব্যপারটাকে "দ্বীনি" বিষয় বলে নিজেদেরকে নাক গলানোর অধিকারে সামিল করেন,আর ওদের সংশোধন এর নামে এসব ফাসাদ,ঝগড়া লাগিয়ে ১৭ সাল থেকে জিইয়ে রেখেছেন।
অথচ,
কুরআন সুরা বাকারায়১১/১২ আয়াতে পরিস্কার ভাবে সংশোধনের নামে ফাসাদ সৃষ্টি কারতে নিষেধ করেছে।
এবং যারা এ দাবি করে মূলতঃ "তারাই অপরাধী" বলেছে।
এ ব্যপারে আমাদের
প্রশ্নঃ
সরাসরি কুরআন অবমাননার দ্বারা আপনারা জাতিকে "ঠিক" কি বুঝাতে চাচ্ছেন ?

এভাবে আরো অনেক আয়াতের ব্যপারে আপনাদের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অভিযোগ আছে।

মসজিদ থেকে বের করে দেয়া(বাকারা ১১৪)
উভয়ের মধ্যে মিমাংসা করে দেয়া(..........)
দ্বীনকে খেল-তামাশার বস্তু না বানানোর ধমকি(....)
**
এসব কেন,কোন আয়াত ও হাদিসের আলোকে করছেন ?

বিঃদ্রঃ
সকলে শেয়ার, কপি করতে থাকি, যেন সাংবাদিকদের হতে চলে যায়।

27/12/2024

এবার ফাজায়েলে আমাল কিতাব বন্ধ ঘোষণা সময়ের অপেক্ষা মাত্র, জোবায়ের পন্থী হেফাজতের গায়ে আগুন ধরে যাচ্ছে, নজরে সানি মাওঃ জোবায়ের সাব ও মাওঃ রবিউল সাব,
------------------------------------------------------------------------------------
হযরত বুরাইদা রাঃ বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি মানুষের নিকট হতে খাওয়ার উদ্দেশ্যে কোরআন পড়ে কিয়ামতের দিন সে এমন অবস্থায় আসবে যে, তার চেহারায় শুধু মাত্র হাড্ডি থাকবে, যার উপর কোনো গোশত থাকবেনা। (বায়হাকী) (ফাযায়েলে আমলের ফাযায়েলে কোরআন এর ৭ নং হাদীস।

এরপর লেখেছেন, অর্থাৎ যারা দুনিয়া হাসিলের উদ্দেশ্যে কোরআন পড়ে আখেরাতে তাদের কোনো অংশ নেই। হুযুর সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমরা কোরআন শরীফ পড়ি, আমাদের মধ্যে আজমি ও আরবি সব ধরনের লোক আছে। যেভাবে পড়িতেছো পড়তে থাকো।
*অতি শীঘ্রই এমন লোকের আবির্ভাব ঘটবে যারা কোরআন শরীফের হরফগুলিকে এমন ভাবে সোজা করবে যেমন তীর সোজা করা হয়। অর্থাৎ খুবই সুন্দর করবে। ঘন্টার পর ঘন্টা একেকটি হরফ সহীশুদ্ধ করবে। মাখরাজ আদায়ে কৃত্রিমতার আশ্রয় নিবে। আর এই সবকিছু দুনিয়ার জন্য হবে। আখেরাতের সহিত তাদের কোনোই সম্পর্ক থাকবেনা।
উদ্দেশ্য হলো, সুন্দর সুরের কোনো মূল্য নেই যদি উহাতে কোনো এখলাস না থাকে। এটা শুধুই দুনিয়া কামানোর জন্য হবে।
*চেহারায় গোশত না থাকার অর্থ হলো, সে যখন সর্বোৎকৃষ্ট বস্তু কোরআনকে নিকৃষ্ট বস্তু কামানোর মাধ্যম বানিয়েছে তখন তার সর্বোৎকৃষ্ট অঙ্গ চেহারাকে সৌন্দর্য হতে বঞ্চিত করা হবে।

*হযরত ইমরান ইবনে হুসাইন রাঃ এক ওয়াজকারীর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে কোরআন তেলাওয়াতের পর মানুষের নিকট কিছু চাচ্ছিলো। এটা দেখে তিনি ইন্না-লিল্লাহ পড়লেন এবং বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি তেলাওয়াত করবে যা কিছু চাইবার সে যেনো আল্লাহ পাকের নিকট চায়। অতিসত্বর এমন লোক আসবে যারা কোরআন তেলাওয়াতের পর মানুষের নিকট ভিক্ষা চাবে।
*মশায়েখগণ হতে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি এলেমের দ্বারা দুনিয়া উপার্জন করে তার উদাহরণ হলো, নিজের জিহ্বা দ্বারা জুতা পরিস্কার করে। এতে সন্দেহ নেই যে, জুতা তো পরিস্কার হবে ঠিক, কিন্তু জিহ্বা দ্বারা জুতা পরিস্কার করা চরম নির্বুদ্ধিতা ও আহাম্মকীর কাজ হবে।
*এরূপ লোকদের সম্পর্কেই পবিত্র কোরআনে আয়াত নাযিল হয়েছে--

﴿أُولَٰئِكَ الَّذِينَ اشْتَرَوُا الضَّلَالَةَ بِالْهُدَىٰ فَمَا رَبِحَت تِّجَارَتُهُمْ وَمَا كَانُوا مُهْتَدِينَ﴾

অর্থাৎ এরাই ঐ সকল লোক যারা হেদায়েতের পরিবর্তে গোমরাহি খরিদ করে নিয়েছে। (সূরা বাকারা, আয়াত- ১৬)

সুতরাং না তাদের ব্যবসা লাভজনক, আর না তারা হেদায়েতপ্রাপ্ত।

**হযরত উবাই ইবনে কাব রাযিঃ বলেন, আমি এক ব্যক্তিকে কোরআন শরীফের এক সূরা শিখিয়েছিলাম। সে হাদিয়া হিসেবে আমাকে একটি ধনুক দিলো। আমি রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তা বললে তিনি আমাকে বললেন, তুমি জাহান্নামের একটি ধনুক নিয়েছো।
হযরত উবাদা ইবনে সামেত রাযিঃও তার নিজের সম্পর্কে অনুরূপ ঘটনা বর্ণনা করেছেন এবং হুযুর সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেছেন, তুমি জাহান্নামের একটি স্ফুলিঙ্গ আপন কাঁধে লটকিয়ে দিয়েছো। অন্য রেওয়ায়েতে আছে, তুমি যদি জাহান্নামের একটি বেড়ি গলায় পরিতে চাও তবে উহা কবূল করো।

এরপর ফাযায়েলে আমল কিতাবের লেখক শায়খুল হাদীস হযরত যাকারিয়্যা রহঃ বলেন,
***এখানে পৌঁছে আমি ঐ সকল হাফেজদের খেদমতে অত্যন্ত আদবের সহিত আরজ করতে চাই, যারা পয়সা কামাইয়ের উদ্দেশ্যেই মক্তবে কোরআন শরীফ শিক্ষা দিয়ে থাকেন, আল্লাহর ওয়াস্তে নিজেদের পদমর্যাদা ও জিম্মাদারীর প্রতি একটু লক্ষ করুন। যারা আপনাদের বদনিয়তের কারণে কালামে পাক পড়ানো বা হেফ্জ করানো বন্ধ করে দেয় তার আজাবে শুধু তারাই গ্রেফতার হবে না, বরং আপনাদেরকেও তার জন্য জবাবদিহি করতে হবে এবং আপনারাও কোরআনে পাক পড়া বন্ধ করনেওয়ালাদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।
(বেতন দিতে হয় বলে অনেকেই কোরআন পড়া বন্ধ করে দেয়)
*** আপনারা মনে করেন যে, আমরা কোরআন প্রচার করি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আপনারাই উহা প্রচারের পথে প্রতিবন্ধক। আপনাদের বদ স্বভাব ও বদ নিয়ত-ই মানুষকে কোরআনে পাক ছেড়ে দিতে বাধ্য করছে।
(এখানে বেতন নেওয়াটাই এক ধরনের বদ স্বভাব বলেছেন)
**ওলামায়ে কেরাম তালীমের বিনিময়ে বেতন নেওয়াকে এজন্য জায়েয বলেননি যে, আমরা এটাকেই উদ্দেশ্য বানিয়ে নিবো। প্রকৃতপক্ষে শিক্ষকদের আসল উদ্দেশ্য শুধু তালীম এবং কোরআনী এলেমের প্রচার-প্রসার। বেতন উহার বদলা নয় বরং জরুরত মিটানোর একটি উপায় মাত্র, যা একান্ত বাধ্য হয়ে এবং অপারগতার কারণেই এখতিয়ার করা হয়েছে।

এখানে এসে আমি চোট্ট একটা মন্তব্য করি, যারা ১ ঘন্টা ওয়াজ করে ৫০/৬০ হাজার টাকা নিচ্ছেন, সেটাও কি খেদমত?
আরেকটা বিষয় হলো,
হযরত মাওলানা সাদ সাহেবের ব্যাপারে যে বলা হয়, মাদরাসায় পড়িয়ে বেতন নেওয়ার ব্যাপারে উনি এই-সেই বলেছেন। আসলে কি শুধু উনিই বলেছেন? স্বয়ং রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাবধানমূলক কথা বলাও কি অন্যায়। এখানে মাওলানা যাকারিয়্যা রহঃও তো কড়া মন্তব্য করেছেন।

বরং হযরত মাওলানা সা'দ সাহেব তার বয়ানে

27/12/2024

টংঙ্গী ট্রাজেডি ...................

সীরাতে খোদ সাহাবায়ে কেরাম আপোষ নিজেদের মধ্যে ময়দানে মুখোমুখিতায় ভয়াবহ সংঘর্ষে.... (জংঙ্গে জামান ওসিফফিন)
৭০ হাজার থেকে লাখের কতল হওয়ার ঘটনা কিতাবে বিদ্যমান। (এখতেলাফি খতায়)

কিন্তু পরবর্তীতে কেউ কাউকে মুরতাদ,কাফের বলা আর দিনের পর দিন জাহেলি জামানার মত
ক্ষোভ,ঘৃণা লালনে একপেশে কিম্বা উভয় পক্ষ নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে লিপ্ত ছিলেন না।
বরং
নিজেদের ভুল বুঝাবুঝি অনুধাবণে উভয়ই আল্লাহর ক্ষমা পাওয়ায় ভয়ে সংযত হয়ে নিজেদের ফাটল মিটানোর চেষ্টা করেছেন নিরবতা ও আপন আপন আমলে মনোযোগী হয়ে।

আমাদের ওলামায়ে কেরামের ভূমিকা সীরাতের ঐ দিকনির্দেশনায় না আসলে আগামীর ভয়াবহতা কেউই রুখতে পারবেনা।
(কেননা শয়তান সবসময় সজাগ তার শপথে)

এখনই আমারা উস্কে দেওয়া নেফাকের ব্যপারে পুরো দেশের মুসলিম উম্মাহকে সতর্কতায় সাহাবাদের মতো নিরবতা ও আপন আপন আমলে তানাফুস বা প্রতিযোগিতা আল্লাহর দরবারে মকবুল হওয়ার তরগীবে সবরকমের সহিংসতা, ঘৃণা দোষচর্চার গীবত শেকায়েত অনলাইন-অফলাইনে এর নাপাকি থেকে ফিরানো প্রতিটি মিম্বর হতে দরদ মাখা জবানে আখেরাতের ভয়াবহতম আলোচনা করা।
অত্যান্ত জরুরি হয়ে আছে।

দ্বীল থেকে আশা করছি
আল্লাহর ওয়াস্তে ওলামায়ে উম্মত নিজেদের জিম্মাদারীতে উভয় পক্ষের বৈষম্য দূর করার ব্যপারে স্বক্রিয় ভূমিকায় নিজেদের ইলমী ও দ্বীনি সৌন্দর্যের স্বকীয়তায় বিশ্ববাসীর নিকট উম্মতের এতেবারে নববী ও সাহাবাদের আদর্শ উপস্থাপন করবেন।

ঈনশাআল্লাহ
এতে উম্মদ হয় "রাহমানুর রহিম" আল্লাহ তায়লা
পরবর্তীতে নিঃসন্দেহে আপনাদের "শান আর মর্যাদা" কে "দুনিয়া ও আখেরাতে" বুলন্দ করবেন।
আর আমাদের মত নালায়েক সাধারণ মুসলমানদের ক্ষমা হেদায়েত ও শন্তিময় পরিবেশ কায়েমে কবুল করে নিবেন।

Address

Feni
3943

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আব্দুজ যাহের চৌধুরী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category