Dreams Eye Home Project

Dreams Eye Home Project This is a House development sector of Dreams Eye Company. We will describe soon InshaAllah.

প্রিয় আবুল খায়ের এর এই বিজ্ঞাপনের কথা কারো মনে আছে?— সব গাছ কাইটা ফালাইতাসে। আমি ঔষধ বানামু কি দিয়া?* কিগো কবিরাজ, কি খো...
02/05/2023

প্রিয় আবুল খায়ের এর এই বিজ্ঞাপনের কথা কারো মনে আছে?

— সব গাছ কাইটা ফালাইতাসে। আমি ঔষধ বানামু কি দিয়া?
* কিগো কবিরাজ, কি খোঁজতাসেন?
-- আইচ্চা, এইখানে একটা অর্জুন গাছ আছিলো না?
* আছিলো, কাইট্টা ফালাইছে।
-- এইখানে একটা শিশু গাছ আর ঐ মাথায় একটা হরতকী গাছ?
* আছিলো, কাইট্টা ফালাইছি।
-- আপনের গাছ?
* হ, টেকার দরকার পড়ছে তাই বিক্রি করছি।
-- গাছ লাগাইছিলো কে?
* আমার বাবায়।
-- আপনি কী লাগাইছেন?
-- আমি কী লাগাইছি?
* হ, ভবিষ্যতে আপনার পোলারও টেকার দরকার হইতে পারে.........

আবুল খায়েরের শেষ কথাটি ছিল: "এক একটা গাছ, এক একটা অক্সিজেনের ফ্যাক্টরী।"

জনস্বার্থে বিজ্ঞাপনটি আবারো প্রচার করা হোক।
©️

একদিন গাধা বাঘকে বলল — "ঘাসের রং নীল। "বাঘ উত্তর দিল — "না, ঘাসের রং সবুজ। "কিছুক্ষনের মধ্যেই দু'জনের আলোচনা তুমুল তর্কে...
28/08/2022

একদিন গাধা বাঘকে বলল — "ঘাসের রং নীল। "

বাঘ উত্তর দিল — "না, ঘাসের রং সবুজ। "

কিছুক্ষনের মধ্যেই দু'জনের আলোচনা তুমুল তর্কে পরিণত হলে, তারা জঙ্গলের রাজা সিংহের কাছে বিচারের জন্য উপস্থিত হল।

রাজদরবারে সিংহের কাছে পৌঁছানোর আগেই গাধা ডাক ছাড়তে শুরু করে দিল — " মহারাজ, আপনিই বলুন ঘাসের রং নীল কি না?"

সিংহ উত্তর দিল -- " হ্যাঁ, ঘাসের রং নীল।"

গাধা তাড়াতাড়ি সিংহের কাছে পৌঁছালো এবং বলতে থাকল —" বাঘ আমার কথা মানছে না, তর্ক করছে এবং আমাকে বিরক্ত করছে। ওকে শাস্তি দিন।"

সিংহ তখন ঘোষণা করল --" বাঘকে ৫ বছরের জন্য মৌন থাকার শাস্তি দেওয়া হল।"

গাধা খুশিতে লাফাতে লাগল এবং বলতে বলতে চলে গেল — " ঘাসের রং নীল, ঘাসের রং নীল।"

বাঘ শাস্তি মেনে নিল, কিন্তু সিংহকে জিজ্ঞাসা করল —" মহারাজ, আপনি আমায় শাস্তি দিলেন কেন যখন ঘাসের রং সত্যিই সবুজ।"

সিংহ বলল —" ঠিক, ঘাসের রং সবুজ।"

বাঘ জিজ্ঞাসা করল —" তাহলে আপনি আমায় শাস্তি দিলেন কেন?"

সিংহ উত্তর দিল —" তোমাকে শাস্তি দেওয়ার সাথে ঘাসের রং সবুজ না নীল, সেই প্রশ্নের কোনো সম্পর্ক নেই। তোমাকে শাস্তি দিয়েছি কারণ তোমার মত সাহসী, বুদ্ধিমান প্রাণী একটা গাধার সাথে তর্ক করে সময় নষ্ট করেছ এবং এইরকম একটা বাজে কারণে আমার কাছে এসে আমার সময় নষ্ট করেছ।"

শিক্ষাঃ মুর্খের সাথে কখনো তর্কে যেওনা।

বিষয়টি এমন নয় যে , লোকটি হাতিটিকে পিঠে ধাক্কা দিয়ে ট্রাকের মধ্যে উঠিয়ে দিবে , বরং এখানে ব্যাপারটি হল লোকটি পিঠে হাত ...
06/03/2022

বিষয়টি এমন নয় যে , লোকটি হাতিটিকে পিঠে ধাক্কা দিয়ে ট্রাকের মধ্যে উঠিয়ে দিবে , বরং এখানে ব্যাপারটি হল লোকটি পিঠে হাত রাখলে হাতি বোঝবে যে তাকে সমর্থন করার জন্য কেউ আছে এবং সে সহজেই নিজেকে ট্রাকের দিকে টেনে নিয়ে যাবে ।

"প্রেরণার এটি এক চমৎকার উদাহরণ " আমাদের মধ্যে অনেক লোক এমন আছেন , যারা ব্যর্থ হয়েছেন কারণ তাদের সমর্থন বা উৎসাহ দেওয়ার মতো কেউ নেই , অথচ উঠে দাঁড়ানোর মতো তাদের সবই ছিল ।

অন্যকে আমরা পুরোপুরি সাহায্য - সহযোগীতা করতে সক্ষম নাও হতে পারি , তবে তার কঠিন সময়ে আমরা তার পাশে থেকে উৎসাহ দিতে পারি । ভালবাসা ও ইতিবাচক সহযোগিতার মাধ্যমে যদি কেউ উঠে দাঁড়াতে পারে , কারো জীবন পরিবর্তন হতে পারে তাহলে এর চাইতে উত্তম কাজ আর কী হতে পারে ?
(সংগৃহীত)

'টাকার পাহাড়'তিনি এতটাই ধনী ছিল যে ব্রিটিশ সরকারকে প্রয়োজনে ঋণ নেওয়ার জন্য তাঁর দরজায় যেতে হয়েছিল। তিনি নিজের বিশাল ...
19/11/2021

'টাকার পাহাড়'

তিনি এতটাই ধনী ছিল যে ব্রিটিশ সরকারকে প্রয়োজনে ঋণ নেওয়ার জন্য তাঁর দরজায় যেতে হয়েছিল। তিনি নিজের বিশাল ধনকে তাঁর বিশাল প্রাসাদে গোপন কোণে রেখেছিলেন। ধনভান্ডারের জ্ঞান তিনি ছাড়া রাজবাড়ির অন্য কারও জানা ছিল না।

একদিন তিনি তার কোষাগারে প্রবেশ করলেন, কোষাগারের চাবিটি নিতে ভুলে গেলেন, কোষাগারের দরজা তাঁর উপর বন্ধ হয়ে গেল, তখন মোবাইল প্রযুক্তির কোনও যুগ ছিল না। তিনি চিৎকার করতে থাকলেন কিন্তু তাঁর কণ্ঠ কারও কাছে পৌঁছেনি।

প্রাসাদের বাইরে কর্মচারীরা ভেবেছিলেন যে তিনি সম্ভবত কোথাও বেড়াতে গিয়েছেন, কারণ তিনি প্রায়শই কাউকে কিছু না বলে দিন এবং সপ্তাহ এমনকি মাস ধরে ভ্রমণ করতেন।
তাঁর সামনে সোনার গহনা ও হীরা জহরত ছিল কিন্তু তিনি ক্ষুধা ও পিপাসায় ভুগছিলেন।

আর মারা যাওয়ার আগে তিনি নিজের আঙুলকে সোনার ইট দিয়ে আঘাত করেছিলেন এবং তাঁর রক্ত ​​দিয়ে দেওয়ালে একটি বাক্য লিখেছিলেনঃ-'বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় মারা যান।'

শিক্ষনীয় বিষয়:
এটি ছিল বিখ্যাত ব্রিটিশ বিলিয়নেয়ার রথসচাইল্ড'র অন্তিম মূহুর্তের ঘটনা। তার সম্পদ তাকে এই দুনিয়াতেও সাহায্য করতে পারেনি।

©️গোপাল বর্মন

কুকুর কেন মানুষের চেয়ে কম বাঁচে!!!একটি ৬ বছরের শিশুর উত্তর আমাকে সত্যিই অবাক করেছিলো।আমি পশুচিকিৎসক হওয়ায় বেলকার নামে...
29/09/2021

কুকুর কেন মানুষের চেয়ে কম বাঁচে!!!

একটি ৬ বছরের শিশুর উত্তর আমাকে সত্যিই অবাক করেছিলো।

আমি পশুচিকিৎসক হওয়ায় বেলকার নামে দশ বছর বয়সী একটি আইরিশ উলফহাউন্ড জাতের বৃদ্ধ কুকুরকে পরীক্ষা করার জন্য আমাকে ডাকা হয়েছিল। কুকুরের মালিক রন, তার স্ত্রী লিসা, এবং তাদের ছোট্ট ছেলে শেন। সবাই বেলকারের সাথে খুবই অন্তরঙ্গ ছিল এবং তারা বেলকারের জন্য ভালো কিছু আশা করছিল যা হয়তো কিছুটা হলেও অলৌকিক হওয়া লাগতো।

আমি বেলকারকে পরীক্ষা করে দেখলাম সে মারা যাচ্ছে, ক্যান্সারে। আমি ওদেরকে বললাম যে আমরা বেলকারের জন্য কিছুই করতে পারছি না। আমি তাদের বাড়িতে বৃদ্ধ কুকুরটির জন্য ইথানাসিয়া পদ্ধতি প্রয়োগ করার প্রস্তাব দিয়েছিলাম।এটা আসলে ইচ্ছাকৃতভাবে যন্ত্রণা ও ভোগান্তি থেকে চিরদিনের জন্য মুক্তি দেয়ার একটা উপায়।

যখন আমরা এর জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুর ব্যবস্থা করছিলাম, রন এবং লিসা আমাকে বলেছিল যে তারা চায় যে তাদের ৬ বছর বয়সী শেন এইসময় তাদের সাথে থাক। তাদের মনে হয়েছিল শেনের এই অভিজ্ঞতাটা নেয়া দরকার, এই ঘটনা থেকে সে যেন কিছু শিখতে পারে।

পরের দিন, আমি আমার সেই পরিচিত অনুভূতি আবার অনুভব করলাম। বেলকারের পরিবার তাকে ঘিরে বসে আছে। শেন খুব শান্তই ছিল, শেষবারের মতো বুড়ো কুকুরটির গায়ে হাত বুলাচ্ছিল এবং সে বুঝতে পারছিল যে কী হচ্ছে। কয়েক মিনিটের মধ্যে, শান্তিপূর্ণভাবে বেলকারের সব যন্ত্রণার অবসান হলো।

ছোট্ট ছেলেটি কোন আতঙ্ক বা বিভ্রান্তি ছাড়াই তার প্রিয় কুকুরটির চলে যাওয়াকে গ্রহণ করেছিল বলেই মনে হয়েছিল। বেলকারের মৃত্যুর পরে আমরা কিছুক্ষণ একসাথে চুপচাপ বসেছিলাম, তারপর নিজেদের মধ্যেই আলাপ করছিলাম, কুকুর নিয়েই। শেন চুপচাপ বসে মনোযোগ দিয়ে সব শুনছিলো। যখন কথায় কথায় আসলো যে "কুকুরের জীবন মানুষের তুলনায় এতো ছোট কেন?", শেন সাথে সাথে বলে উঠলো, "আমি জানি কেন।"

চমকে উঠে আমরা সবাই ওর দিকে তাকালাম। সে যা বলল তা আমাদের আরও অবাক করে দিলো। এর চেয়ে ভালো ব্যাখ্যা আমি কখনো শুনিনি।

সে বলেছিল, "মানুষকে জন্মের পর থেকে সারাক্ষণ শিখতে হয় যে কিভাবে সুন্দর জীবনযাপন করতে হয় - যেমন সবাইকে ভালোবাসা এবং ভালো থাকা, তাই না?" শেন বলে চলল,
"ঠিক আছে, কিন্তু কুকুররা ইতোমধ্যেই এগুলো সবই জানে, তাই তাদের ততদিন বাঁচা লাগে না যতদিন আমাদের লাগে।"

খুব সাধারন ভাবে বাঁচা,
উদারভাবে ভালবাসা,
গভীরভাবে কেয়ার করা,
বিনয়ী এবং দয়াশীল আচরণ করা।

একটি কুকুর যদি আমাদের শিক্ষক হয় তাহলে আমরা যা যা শিখব:

• প্রিয়জন বাড়িতে ফিরলে, দৌড়ে গিয়ে তাদের অভিবাদন জানানো
• ভ্রমণে যাওয়ার সুযোগ কখনই হাতছাড়া না করা
• প্রতিদিন তাজা বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়া
• পর্যাপ্ত ঘুম
• ভোরে ঘুম থেকে ওঠা
• ব্যায়াম,দৌড়ঝাঁপ, এবং প্রতিদিন কিছুসময় খেলাধুলা করা
• গভীর মনোযোগ দেয়া
• অন্যের সংস্পর্শে আসা
• সাধারণ গর্জন করলে যেখানে কাজ হয় সেখানে কামড়ানো থেকে বিরত থাকা
• ঘাসের উপর পিঠ দিয়ে শুয়ে থাকা
• গরমের দিনে প্রচুর পানি পান করা, গাছের ছায়ায় খানিকটা শুয়ে থাকা
• খুশি হলে, পাশের মানুষকে বুঝতে দেয়া, কৃতজ্ঞতা জানানো
• বিশ্বস্ততা
• মিথ্যা ভান না করা
• কারো খারাপ সময়ে চুপচাপ পাশে থাকা, কাছাকাছি বসা, আলতো করে স্পর্শ করা

একটি ভালো কুকুরের কাছ থেকে আমরা এই সুখের রহস্যগুলো শিখে নিতে পারি।

(একটি ইংরেজি পোস্ট থেকে অনুবাদ)

Copied

Inspired Story no 7এক বোতল পানির মূল্য সাধারণ দোকানে ১৫ টাকা।ফাইভ ষ্টার হোটেলে ২০০ টাকা এবং এয়ারপোর্টের ভিতরে ৩০০ টাকা। ...
21/09/2021

Inspired Story no 7

এক বোতল পানির মূল্য সাধারণ দোকানে ১৫ টাকা।

ফাইভ ষ্টার হোটেলে ২০০ টাকা এবং এয়ারপোর্টের ভিতরে ৩০০ টাকা।

একই বোতল এবং একই ব্রান্ড। পরিবর্তন শুধু স্থানের। ভিন্ন ভিন্ন জায়গা সেই একই জিনিষের দাম পরিবর্তন করে দিয়েছে।

নিজেকে যদি কখনো মূল্যহীন মনে হয় তবে একই স্থানে না থেকে জায়গা পরিবর্তন করে দেখুন।

সাহস যোগাড় করে নিজের গন্ডি পরিবর্তন করে এমন স্থানে যান যেখানে মানুষ আপনাকে গুরুত্ব প্রদান করে।

নিজেকে এমন কিছু মানুষের মাঝে নিয়ে যান যারা আপনার মুল্য বুঝে আপনার কাজে উ‍ৎসাহ প্রদান করে।

মনে রাখবেন জীবনটা আপনার ডিসিশনটা আপনাকে নিতে হবে!
Cp

Inspired Story no 6সাথে আমাদের ওয়েবসাইট লিংকভিজিট করবেন প্লীজ 👇🏻www.dreamseye.netKodak কোম্পানিকে মনে আছে? ১৯৯৮ সালে কো...
02/09/2021

Inspired Story no 6
সাথে আমাদের ওয়েবসাইট লিংক
ভিজিট করবেন প্লীজ 👇🏻

www.dreamseye.net

Kodak কোম্পানিকে মনে আছে? ১৯৯৮ সালে কোড্যাক কোম্পানিতে প্রায় ১লক্ষ ৭০ হাজার কর্মচারী কাজ করতেন।
এবং বিশ্বে ছবি তোলার প্রায় ৮৫% ই কোড্যাক ক্যামেরায় তোলা হত। গত কয়েক বছরে মোবাইল ক্যামেরার বাড়বাড়ন্ত হওয়ায় এমন অবস্থা হয় যে Kodak ক্যামেরার কোম্পানীটাই উঠে যায়। এমনকি Kodak সম্পুর্ন দেউলিয়া হয়ে পড়ে এবং এদের সমস্ত কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক ছাঁটাই করা হয়।

ওই একই সময়ে আরো কতগুলি বিখ্যাত কোম্পানি তাদের ঝাঁপ পাকাপাকি বন্ধ করতে বাধ্য হয়। যেমন-

HMT (ঘড়ি)
BAJAJ (স্কুটার)
DYANORA (TV)
MURPHY (radio)
NOKIA (Mobile)
RAJDOOT (bike)
AMBASSADOR (গাড়ি)

এই উপরের কোম্পানিগুলোর মধ্যে কারুরই কোয়ালিটি খারাপ ছিল না। তবুও এই কোম্পানি গুলো উঠে গেল কেন? কারণ এরা সময়ের সাথে নিজেকে বদলাতে পারেনি।

এখনকার সময়ে দাঁড়িয়ে আপনি হয়তো ভাবতেও পারছেন না যে সামনের 10 বছরে দুনিয়া কতটা পাল্টে যেতে পারে! এবং আজকের 70%-90% চাকরিই সামনের 10 বছরে সম্পুর্নভাবে বিলুপ্ত হতে চলেছে। আমরা ধীরে ধীরে ঢুকে পড়েছি "চতুর্থ শিল্প বিপ্লব"-এর যুগে।

আজকের বিখ্যাত কোম্পানিগুলোর দিকে তাকান-

UBER কেবলমাত্র একটি software-এর নাম। না, এদের নিজস্ব কোন গাড়ি নেই। তবু আজ বিশ্বের বৃহত্তম ট্যাক্সি-ভাড়ার কোম্পানি হল UBER.

Airbnb হল আজকে দুনিয়ার সবথেকে বড় হোটেল কোম্পানি। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, পৃথিবীর একটি হোটেলও তাদের মালিকানায় নেই।

একইভাবে Paytm, ওলা ক্যাব, Oyo rooms ইত্যাদি অসংখ্য কোম্পানির উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে।

আজকে আমেরিকায় নতুন উকিলদের জন্য কোন কাজ নেই, কারণ IBM Watson নামে একটি আইনি software যে কোন নতুন উকিলের থেকে অনেক ভাল ওকালতি করতে পারে। এইভাবে পরের 10 বছরে প্রায় 90% আমেরিকানদের আর কোন চাকরি থাকবে না। বেঁচে থাকবে খালি বাকি 10%। এই 10% হবে বিশেষ বিশেষজ্ঞ।

নতুন ডাক্তারদেরও চাকরি যেতে বসেছে। Watson নামের software মানুষের থেকেও 4 গুন নিখুঁত ভাবে ক্যানসার এবং অন্যান্য রোগ শনাক্ত করতে পারে। 2030 সালের মধ্যে কম্পিউটারের বুদ্ধি মানুষের বুদ্ধিকে ছাপিয়ে যাবে।

সামনের 20 বছরে আজকের 90% গাড়িই আর রাস্তায় দেখা যাবে না। বেঁচে থাকা গাড়িগুলো হয় ইলেক্ট্রিকে চলবে অথবা হাইব্রিড গাড়ি হবে। রাস্তাগুলো ক্রমশঃ ফাঁকা হতে থাকবে। পেট্রোলের ব্যবহার কমবে এবং পেট্রোল উৎপাদনকারী আরব দেশগুলি ক্রমশঃ দেউলিয়া হয়ে আসবে।

তখন গাড়ি লাগলে, উবারের মত কোন software-এর কাছেই গাড়ি চাইতে হবে। আর গাড়ি চাইবার কিছুক্ষনের মধ্যেই সম্পূর্ণ চালক-বিহীন একটা গাড়ি আপনার দরজার সামনে এসে দাঁড়াবে। আপনি যদি অনেকের সাথে ওই একই গাড়িতে যাত্রা করেন, তাহলে মাথাপিছু গাড়িভাড়া বাইকের থেকেও কম হবে।

গাড়িগুলো চালকবিহীন হবার ফলে 99% দুর্ঘটনা কমে যাবে। এবং সেই কারণেই গাড়ি-বীমা করানো বন্ধ হবে এবং গাড়ি-বিমার কোম্পানি গুলো সব উঠে যাবে।

গাড়ি চালানোর মত কাজগুলো আর পৃথিবীতে বেঁচে থাকবে না। 90% গাড়িই যখন রাস্তা থেকে উধাও হয়ে যাবে, তখন ট্রাফিক পুলিশ এবং পার্কিং-এর কর্মী-দেরও কোন প্রয়োজন থাকবে না।

ভেবে দেখুন, আজ থেকে 10 বছর আগেও রাস্তার মোড়ে মোড়ে STD বুথ ছিল। দেশে মোবাইল বিপ্লব আসার পর, এই সবকটা STD বুথই কিন্তু পাততাড়ি গুটাতে বাধ্য হল। যেগুলো টিকে রইল, তারা মোবাইল রিচার্জের দোকান হয়ে গেল। এরপর মোবাইল রিচার্জেও অনলাইন বিপ্লব এল। ঘরে বসেই অনলাইনে লোকে মোবাইল রিচার্জ করা শুরু করল। এই রিচার্জের দোকান গুলোকে তখন আবার বদল আনতে হল। এরা এখন কেবল মোবাইল ফোন কেনা-বেচা এবং সারাইয়ের দোকান হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সেটাও বদলাবে খুব শিগগিরই। Amazon, Flipkart থেকে সরাসরি মোবাইল ফোন বিক্রি বাড়ছে।

টাকার সংজ্ঞাও পাল্টাচ্ছে। একসময়ের নগদ টাকা আজকের যুগে "প্লাস্টিক টাকায়" পরিণত হয়েছে। ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ডের যুগ ছিল কদিন আগেও। এখন সেটাও বদলে গিয়ে হয়ে যাচ্ছে মোবাইল ওয়ালেট-এর যুগ। Paytm-এর রমরমা বাজার, মোবাইলের এক টিপে টাকা এপার-ওপার।

যারা যুগের সাথে বদলাতে পারে না, যুগ তাদের পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়। তাই ক্রমাগত যুগের সাথে বদলাতে থাকুন।

সাফল্যকে সাথে রাখুন, সময়ের সাথে থাকুন।

-Collected

20/07/2021

Address

Borobari, Joy Bangla Road
Gazipur
1704

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dreams Eye Home Project posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category