07/07/2024
যারা সৎ পথের অনুসারী, যারা মানুষকে দীনের পথে আহ্বান করে তাদের সাথে ঠাট্টা-বিদ্রুপমূলক কথা-বার্তা বলা যাবে না।
আল্লাহ বলেন,
বড় আফসোস (আমার) বান্দাদের জন্য! তাদের কাছে যে রসূলই আসত তার সাথেই তারা ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত।
তারা কি দেখেনি, আমি তাদের পূর্বে কত প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়েছি? তারা তো আর তাদের কাছে ফিরে আসবে না।
(তবে কেয়ামতে তাদের) সবাইকে আমার সামনে হাজির করা হবে।
(সূরা ইয়া-সীন ৩০,৩১,৩২)
✔ এ আয়াতসমূহে আল্লাহ তা‘আলা মানব জাতির জন্য আফসোস করে বলছেন, তাদের নিকট যখনই কোন রাসূল আগমন করেছে তখনই তারা তাঁদের সাথে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করেছে। আর এ কারণে তারা কিয়ামতের মাঠে কতই না লজ্জিত হবে। অথচ তারা এ কথা চিন্তা করে না যে, তাদের পূর্বে কত শক্তিশালী জনগোষ্ঠীকে আমি ধ্বংস করে দিয়েছি আর কোনদিন তাদের নিকট ফিরে আসবে না। তাদের সকলকে আমারই নিকট ফিরে আসতে হবে, আর আমিই তাদের এ ঠাট্টা-বিদ্রূপের শাস্তি প্রদান করব।
আল্লাহ তা‘আলা বাণী,
তাদের প্রত্যেককে তোমার প্রভু অবশ্যই যার যার কর্মের পুরোপুরি প্রতিদান দেবেন। তারা যা করে নিশ্চয়ই তিনি তার খবর রাখেন। (সূরা হুদ ১১ : ১১১)
তাদের এ সকল ঠাট্টা-বিদ্রূপের ফলে কিয়ামতের মাঠে তারা লজ্জিত হবে এবং বলবে, কেন আমরা রাসূলগণকে মিথ্যা মনে করেছিলাম এবং কেনইবা তাদের অবাধ্য হয়েছিলাম? কিন্তু তখন আর এ আফসোস করে কোনই লাভ হবে না।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন :
আর (স্মরণ কর) যেদিন অন্যায়কারী নিজের দুই হাত কামড়াবে আর বলবে, “হায়, আমি যদি রসূলের সাথে একটি পথ গ্রহণ করতাম!”
“হায়রে আমার দুর্ভাগ্য, আমি যদি অমুককে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম! (সূরা আল-ফুরকান ২৫ : ২৭,২৮)
সুতরাং রাসূলকে নিয়ে ঠাট্টা করা তাঁর জীবদ্দশায় অথবা মৃত্যুর পরেও হতে পারে। যেমন মৃত্যুর পর তাঁকে নিয়ে ব্যঙ্গ করা, অপমানজনক কথা বলা অথবা তাঁর হাদীসকে উপক্ষো করে চলা। আমাদের এসব থেকে সতর্ক হওয়া আবশ্যক। কেননা এসব কাজ ঈমান বিনষ্টের কারণ।
#সংগৃহীত