veli of the future

veli of the future Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from veli of the future, Real Estate, Rajabari, Gazipur.

01/04/2026

রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনাহ!

১. সুদ (Riba):
যে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আল্লাহ নিজেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, সেখানে কখনো বারকাহ আসতে পারে না।
📖 রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারা ২৭৯ — “আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা।”

২. অকৃতজ্ঞতা:
যে রিযিককে তুমি তুচ্ছ করো, সেটাই ধীরে ধীরে তোমার হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
📖 রেফারেন্স: সূরা ইবরাহীম ৭ — “কৃতজ্ঞ হলে বাড়িয়ে দেব, অকৃতজ্ঞ হলে শাস্তি কঠিন।”

৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা:
রিযিকের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক সরাসরি যুক্ত। সম্পর্ক কেটে দিলে রিযিকের দরজা বন্ধ হয়।
📖 হাদিস: “যে রিযিক বাড়াতে চায়, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।”
— বুখারি ২৯৮৬

৪. অসততা:
ব্যবসায় মিথ্যা বললে সাময়িক লাভ হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে রিযিক নষ্ট হয়।

৫. প্রতারণা:
কারও হক মেরে খেলে প্রতিটি হা/রাম টাকা জীবনে অভাব ডেকে আনে।
📖 হাদিস: “যে প্রতারণা করে, সে আমার উম্মতের মধ্যে নয়।” — মুসলিম ১০২

৬. সালাত অবহেলা:
আজান–সালাত গুরুত্বহীন মনে করলে রিযিকের বারকাহ কমে যায়।
📖 হাদিস: “রিযিক সালাতে আছে।”
— সহিহ অর্থে বহু বর্ণনায় প্রমাণিত

৭. গীবত:
অন্যের পিঠ পেছনে খারাপ বলা তোমার নিজ জীবনের বারকাহ খেয়ে ফেলে।
📖 সূরা হুজুরাত ১২

৮. অহংকার:
রিযিক উপহার, প্রমাণ নয় যে তুমি শ্রেষ্ঠ।
অহংকার আসমানের দরজা বন্ধ করে দেয়।
📖 হাদিস: “যার অন্তরে অহংকারের অণু পরিমাণ থাকে, সে জান্নাতে যাবে না।”
— মুসলিম ৯১

৯. যাকাত আটকে রাখা:
যাকাত না দিলে সম্পদ অপবিত্র হয়ে যায় এবং ধ্বং/স হতে থাকে।
📖 সূরা তাওবা ৩৪-৩৫

১০. কর্মচারীদের ওপর জুলুম:
যাদের তোমার ওপর কিছুটা অধিকার আছে, তাদের হক না দিলে রিযিক শুকিয়ে যায়।
📖 হাদিস: “মজদুরের মজুরি ঘাম শুকানোর আগেই পরিশোধ করো।”
— ইবন মাজাহ ২৪৪৩

১১. বেচাকেনায় প্রতারণা বা জিনিসের দোষ লুকানো:
এতে সম্পদের বারকাহ সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়।

১২. লোভ:
যে শুধু আরও আরও চায় কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ বলে না—সে শেষ পর্যন্ত কম পায়।
📖 হাদিস: “মানুষের মন যদি দুই পাহাড় ভরা সম্পদ পায়, তবুও সে তৃতীয়টি চাইবে।”
— বুখারি ৬৪৩৯

১৩. বাবা–মাকে অবহেলা:
তোমার রিযিক তাদের দোয়া বা অভিশাপের সাথে জড়িত।
📖 হাদিস: “রিযিক ও আয়ু বাড়ে বাবা-মাকে সন্তুষ্ট রাখলে।”
— মুসলিম (হাসান সনদে বহু রেওয়ায়েতে প্রমাণিত)

১৪. জুলুম করে সম্পদ অর্জন:
জুলুমের সম্পদে কোনো বারকাহ নেই, বরং ধ্বং/স ডেকে আনে।

১৫. সদকা অবহেলা:
সদকা কখনো সম্পদ কমায় না, বরং বাড়ায়।
📖 হাদিস: “সদকা সম্পদ কমায় না।”
— মুসলিম ২৫৮৮

১৬. হিংসা:
অন্যের রিযিক দেখে মন খারাপ করা নিজের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।

১৭. নারীদের ও বাচ্চাদের প্রতি জুলুম:
যাদের যত্নের অধিকার সবচেয়ে বেশি, তাদের প্রতি অন্যায় করলে রিযিক উঠে যায়।

১৮. মিথ্যা কসম খাওয়া:
টাকা বা ব্যবসার জন্য মিথ্যা শপথ বারকাহ পুড়িয়ে ফেলে।
📖 বুখারি ২০৮৭

১৯. অলসতা:
রিযিক চেষ্টা করা মানুষের কাছে আসে।
যারা চেষ্টা করে না, ভাগ্যও দরজা খোলে না।

২০. তাকদির নিয়ে অসন্তুষ্টি:
আল্লাহর সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযোগ করা ভবিষ্যতের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।

📖 হাদিস: “আল্লাহ্‌র সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকলে সে হৃদয়কে পরিপূর্ণ করেন।”
— তিরমিজি ২৫১০

05/03/2026

স্ত্রী অসুস্থ…

ঘরের কোণে শুয়ে আছে সে।
যে মেয়ে একদিন বাবার ঘর থেকে কাঁদতে কাঁদতে আপনার ঘরে এসেছিল—
আজ তার চোখে আবার সেই অসহায় জল।

প্রশ্নটা খুব কঠিন—
তার চিকিৎসার দায়িত্ব কার?
বাবার…
নাকি স্বামীর?

বিয়ের দিন কন্যাদান মানে শুধু বিদায় নয়, দায়িত্বের হস্তান্তর।
বাবা তখন বুকের ভেতর রক্তক্ষরণ লুকিয়ে বলেন—
“এবার আমার মেয়ের ভরসা তুমি।”

ইসলাম এই দায়িত্বকে স্পষ্ট করেছে।

কুরআনুল কারীম-এ আল্লাহ বলেন:

"الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ"
অর্থ: পুরুষরা নারীদের দায়িত্বশীল ও অভিভাবক।
(সূরা আন-নিসা ৪:৩৪)

‘কাওয়াম’ মানে শুধু ঘরের কর্তা নয়—
রোগে, শোকে, কষ্টে, বিপদে ঢাল হয়ে দাঁড়ানো মানুষ।

আবার আল্লাহ বলেন—

"وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ"
অর্থ: তাদের সাথে সদ্ব্যবহার করো।
(সূরা আন-নিসা ৪:১৯)

সদ্ব্যবহার কি শুধু হাসিমুখ?
না।
সদ্ব্যবহার মানে—
জ্বরের রাতে তার কপালে পানি দেওয়া।
ডাক্তারের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা।
নিজের ক্লান্তি ভুলে তার হাত ধরা।

হুজুর (ﷺ.) বলেছেন:
“তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল, এবং প্রত্যেকেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।”
(সহিহ বুখারি)

স্বামীর ভরণপোষণের দায়িত্বের মধ্যে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান—
এমনকি প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও অন্তর্ভুক্ত।

সে যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে,
তখন তাকে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে বলা—
“ওদের দায়িত্ব”—
এটা কেমন ভালোবাসা?

বাবা আজও মেয়েকে ভালোবাসেন।
কিন্তু শরিয়তের বিধান অনুযায়ী
বিয়ের পর তার ভরণপোষণের মূল দায়িত্ব স্বামীর কাঁধেই।

হ্যাঁ, স্বামী যদি সম্পূর্ণ অক্ষম হয়,
তখন পরিবার সহানুভূতি দেখাতে পারে।
কিন্তু সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া—
এটা জুলুম।

ভাবুন…

যে নারী আপনার সন্তানের মা,
আপনার ঘরের আমানত,
আপনার জীবনের সঙ্গী—
সে যদি চিকিৎসার অভাবে কাঁদে,
তাহলে সেই কান্না আকাশে উঠে যায়।

স্ত্রীকে চিকিৎসা করানো শুধু দায়িত্ব নয়—
এটা ঈমানের পরীক্ষা।

আপনি তার অসুখে পাশে থাকলে
আল্লাহ আপনার পাশে থাকবেন।

কারণ দাম্পত্য শুধু ভালো দিনে ছবি তোলা নয়—
খারাপ দিনে কাঁধ হয়ে দাঁড়ানো।

মনে রাখবেন—
স্ত্রী আপনার বোঝা নয়,
আপনার আমানত।

তার চিকিৎসা আপনার দায়িত্ব।
আর এই দায়িত্ব পালনের মাঝেই
লুকিয়ে আছে জান্নাতের দরজা।
----
আপনার একটা শেয়ারে
হয়তো কোন কঠোর দিলওয়ালা
হেদায়েত পাবে ইনশাআল্লাহ!

আমরা হয়তো মাঝেমধ্যে এমনটা ভেবে বসি যে নির্দিষ্ট কোনো ইবাদত বা মানত করলেই হয়তো আমার কপালে যা নেই তা বদলে যাবে কিংবা আমার ...
31/01/2026

আমরা হয়তো মাঝেমধ্যে এমনটা ভেবে বসি যে নির্দিষ্ট কোনো ইবাদত বা মানত করলেই হয়তো আমার কপালে যা নেই তা বদলে যাবে কিংবা আমার যা ক্ষতি হওয়ার কথা ছিল তা থেমে যাবে। অথচ দয়ালু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের শিখিয়েছেন যেন আমরা মানত না করি কারণ মানত কখনোই ভাগ্যকে পরিবর্তন করতে পারে না। এটি কেবল কৃপণ মানুষের সম্পদ বের করে নেওয়ার একটা উছিলা মাত্র। ভেবে দেখলে আমাদের মনের এক অদ্ভুত দীনতা এখানে প্রকাশ পায় যে আমরা যখন খুশি মনে মহান আল্লাহর রাস্তায় কোনো কিছু উৎসর্গ করতে পারি না তখনই কেবল মানত করে বসি যেন কোনো কিছু পাওয়ার বদলে আমরা কিছু দান করব। অথচ আমাদের তো হওয়া উচিত ছিল এমন যে আমরা যা কিছুই পাই না কেন কিংবা যেই বিপদের সম্মুখীন হই না কেন তাতেই যেন আমাদের রবের ওপর অগাধ আস্থা থাকে। মানত করে ভাগ্য বদলানোর যে বৃথা চেষ্টা আমরা করি তার চেয়ে বেশি প্রশান্তি লুকিয়ে আছে তাকদীরের ওপর পূর্ণ ভরসা রাখার মাঝে। যখন আমরা মন থেকে মেনে নেব যে যা হওয়ার তা হবেই এবং যা হওয়ার নয় তা শত চেষ্টাতেও হবে না তখন আমাদের জীবনটা অনেক বেশি সহজ হয়ে যায়। আমাদের রবের প্রতি ভালোবাসাটা যেন লেনদেনের না হয়ে কেবলই নিঃস্বার্থ আনুগত্যের হয় কারণ দিনশেষে প্রশান্তি কেবল তার ওপর পূর্ণ সমর্পণের মাঝেই নিহিত রয়েছে।🤲
Munia Bassar……✍🏻

30/01/2026

সদকার জন্য কিছু সুন্দর টিপস-

১. একটি জায়নামাজ কিনে মসজিদে রেখে দিন, যে ব্যক্তি তাতে নামাজ আদায় করবে, ইনশাআল্লাহ আপনি সেই আমলের জন্য পুরস্কৃত হবেন।

২. একটি বাটি বা গ্লাসে কিছু পানি আপনার জানালায় রেখে দিন পাখিদের জন্য, এটাও এক ধরনের সদকা। এটিকে অভ্যাসে পরিণত করুন। আপনি পুরস্কৃত হবেন।

৩. আপনার পুরাতন অথবা ব্যবহার হচ্ছে না এমন পোশাক গরিবকে দান করুন।

৪. আপনার রুমে একটি বক্স রাখুন এবং যখনই আপনি মনে করবেন যে আপনি কোন অন্যায় করেছেন, তখনি তাতে সাধ্যমতো পয়সা রাখুন। মাস শেষে তা খুলে দেখুন এবং তা দান করে দিন। এতে নিজের ভুলগুলোর পরিমাণ বুঝতে পারবেন এবং অনুতপ্ত হয়ে নিজেকে সংশোধনের জন্য এটা সুন্দর একটি পন্থা।

৫. বাড়িতে ঢুকার ও বের হবার পথে দোয়া লিখে রাখুন একটি কাগজে। যে এই দোয়াগুলো দেখতে পেয়ে পাঠ করবে, ইনশাআল্লাহ আপনি সেজন্য পুরস্কৃত হবেন। একইভাবে ঘরের এমন কোন স্থানে দোয়া লিখে রাখতে পারেন যেটা সবার নজরে আসে।
৬. আপনার হাত খরচের টাকা দিয়ে একজন এতিমকে সহায়তা করুন আপনার সাধ্যমতো।

৭. আপনার বাড়ির আশপাশে যদি কোন নির্মাণ কাজ চলে কিংবা শ্রমিকেরা কাজ করে, তবে কিছু ঠাণ্ডা পানি বা খাবার তাদেরকে দিতে পারেন। ইনশাআল্লাহ আপনি পুরস্কৃত হবেন।

63

৮. কোন মসজিদে কোরআন শরীফ দিন, যে কোন ব্যক্তি যখন অন্তত একটি অক্ষর পাঠ করবে সেটার জন্য ১০ গুন সওয়াব লিখিত হবে আপনার আমলে।

৯. আপনি পান করা গ্লাসে পানি অবশিষ্ট থেকে গেলে তা একটি ফুলদানির পাত্রে রেখে দিন, অপচয় করবেন না।

১০. আপনার মুসলমান ভাই বোনদের উৎসাহ দিন, দুর্দিনে সাহায্য করুন, সহানুভূতিশীল হোন যখন তারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকবেন।

১১. অসুস্থ আত্মীয় কিংবা পরিচিতদের দেখে আসুন। একটু হাসুন, কথা বলুন। এটাও সাদকা। মৃদু হাসি বিনিময় করাও সদকা।

১২. ততক্ষণ পর্যন্ত ঘুমাবেন না যতক্ষণ পর্যন্ত আপনাকে যারা কষ্ট দিয়েছে তাদের ক্ষমা করেছেন।
১৩. কাউকে এক অক্ষর হলেও দীন শিক্ষা দিন। সেই ব্যক্তি যখন তার সন্তানসন্ততি, বন্ধুবান্ধব কিংবা তার সন্তানদের মাধ্যমে তার পরের প্রজন্ম এই দীন অর্জন করবে, সে সকল সওয়াব মৃত্যুর পরেও আপনার কবরে পৌঁছাবে।

১৪. সামর্থ্য থাকলে মসজিদ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল স্থাপনে সহায়তা করুন। গাছ লাগান, টিউবওয়েল বা পান করার পানির ব্যবস্থা করুন। আপনার মৃত্যুর পরেও মদজিদ মাদ্রাসা দীন শিক্ষা দিতে থাকবে, হাসপাতালে রোগী সেবা পেতে থাকবে, গাছ থেকে মানুষ অক্সিজেন এবং খাবার পাবে, পান করার পানি পান করতে পারবে আপনার ব্যবস্থা করে দেয়া পানির উৎস থেকে। এসকল কিছু সদকায়ে জারিয়া। এগুলো মৃত্যুর পরেও আপনাকে পরকালের জন্য ধনী করতে থাকবে।

১৫. সন্তানদের উত্তম সন্তান হিসেবে গড়ে তুলুন। দীন এবং মানবতা শিক্ষা দিন। এদের দোয়া কবর পর্যন্ত পৌঁছাবে, আপনার থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা এদের সঠিক মানুষ হতে সাহায্য করবে।

১৬. এই সদকার পন্থাগুলো মানুষের সাথে শেয়ার করুন, তাদের শিক্ষা দিন। এটিও সদকায়ে জারিয়ার অন্তর্ভুক্ত।

পোস্টটি ভালো লাগলে সদকার নিয়তে শেয়ার করে দিয়েন🥰❤️

14/12/2025

সহজে সাওয়াব পাওয়ার উপায় জানতে পড়ার অনুরোধ থাকবে।

নিয়ত শুদ্ধ করা অত্যন্ত জরুরি একটি আমল। বর্তমানে নারীদেরকে নিয়ত শুদ্ধ করার বিষয়ে কোনো কিছু শিক্ষা দেওয়া হয় না।
মনে রাখবেন, নিয়ত বিশুদ্ধ থাকলেই সওয়াব পাবেন। অন্যথায় পাবেন না। যেহেতু নিয়ত শুদ্ধ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়–এজন্য একটা উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করছি।

ওলামায়ে কেরাম লিখেছেন, এক ব্যক্তি ঘর বানিয়েছে এবং ঘরের জানালা লাগিয়েছে আর নিয়ত করেছে– এই জানালা দিয়ে আলো আসবে, বাতাস আসবে। এই ব্যক্তি আলো-বাতাস তো পাবে কিন্তু কোনো সওয়াব পাবে না। আরেক ব্যক্তি ঘর বানিয়েছে, জানালা লাগিয়েছে। কিন্তু সে এই নিয়ত করেছে যে, এ জানলা দিয়ে আযানের আওয়াজ ভেসে আসবে। এতে সময় মত নামাজ পড়তে সুবিধা হবে। এই নিয়ত করার কারণে সে সাওয়াব পাবে, আলো-বাতাসও পাবে।

এক মহিলা তরকারি রান্না করছে। তরকারি রান্নার সময় একটু পানি বেশি দিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে এই নিয়ত করে নিল যে, মেহমান আসলে যেন তাকে মেহমানদারি করানো যায়। প্রয়োজন হলে প্রতিবেশীকে সহযোগিতা করা যায়। মেহমান বা প্রতিবেশীর নিয়ত করে পানি বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে এই মহিলা মেহমান বা প্রতিবেশীকে খাওয়ানোর সাওয়াব পেয়ে যাবে।
এবার বলুন, এমন কোন মহিলা আছে যে এই সওয়াব নিতে পারবে না? সবাই তো নিতে পারবেন। কিন্তু দীনি ইলম না থাকার কারণে তারা এসব থেকে বঞ্চিত হয়।

এজন্য নবীজি ﷺ বলেছেন,

طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِم ومسلمة
‘প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর দীনি ইলম তলব করা ফরজ।’

এর অর্থ হলো, দীনি ইলমশিক্ষা করা মহিলাদের জন্যও ফরজ। কিন্তু বাস্তবতা হল, মহিলারা দীনি ইলম থেকে এমনভাবে দুরে থাকে যে, গোসলটা পর্যন্ত করা জানে না। মাসআলা জানা তো অনেক দূরের কথা।

কোন নিয়তে ঘরদোর পরিস্কার করবেন?

নারীরা সাধারণত এই নিয়তে ঘরদোর পরিষ্কার করে যে, ঘর নোংরা দেখলে মানুষ কি বলবে।
প্রিয় বোনেরা আমার! মানুষ কি বলবে না বলবে সে দিকে তাকাবেন না; বরং ঘরদোর পরিষ্কার করার সময় আল্লাহর এই বাণীর কথা মনে রাখবেন, আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِينَ ‘
'নিশ্চয়ই আল্লাহ অধিক তওবাকারীদেরকে এবং অধিক পবিত্রতা অর্জনকারীদেরকে ভালোবাসেন।’

এ কথার অর্থ কি? এ কথার অর্থ হল, তাওবার মাধ্যমে ভিতরটা পরিস্কার হয়। ঘরদোর পরিষ্কার করার দ্বারা বাইরের দিকটা পরিষ্কার হয়।
এর অর্থ, যে ব্যক্তি বহিরাঙ্গন পরিষ্কার রাখবে আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট এবং যে ব্যক্তি ভেতরটা অর্থাৎ অন্তর্জগৎ পরিষ্কার রাখবে আল্লাহ তার প্রতিও সন্তুষ্ট।
এজন্য নারীদের উচিত ঘরদোর পরিষ্কার করার সময় নিয়ত করা যে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাকে আল্লাহ ভালবাসেন।
আর শরীয়তের নির্দেশ الطَّهُورُ شَطْرُ الْإِيمَانِ
‘পবিত্রতা-পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অর্ধেক।’
সুতরাং আপনি এই নিয়ত করুন রাসুলুল্লাহ ﷺ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা ঈমানের অর্ধেক বলেছেন। যে ব্যক্তি পরিচ্ছন্ন থাকে আল্লাহ তাকে ভালবাসেন, তাই আমি পরিষ্কার করছি।

প্রিয় বোনেরা আমার! আপনি যদি ঘরদোর এই নিয়তে পরিষ্কার করেন, ফার্নিচার তৈরি করেন, জামা-কাপড় ইস্ত্রি করে রাখেন তাহলে প্রতিটি কাজের বিনিময়ে আল্লাহ তাআলা আপনাকে সাওয়াব ও প্রতিদান দান করবেন।
কারণ আপনার নিয়ত পরিশুদ্ধ হয়েছে। কাজটি আপনি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের হুকুম মাফিক করেছেন। তাদেরকে সন্তুষ্ট করার জন্য করেছেন তাই আপনি আপনার প্রতিটি কাজের প্রতিদান পেতে থাকবেন।

- মাওলানা জুলফিকার আহমাদ নকশবন্দী রহ:

13/12/2025

বসে খাওয়া সম্পর্কে
সংক্ষেপে খাওয়ার ৭টি আদব (সহিহ সূত্রে)
১. হালাল ও পবিত্র খাবার খাওয়া (আল-বাকারা ১৬৮)
২. খাওয়ার আগে ‘বিসমিল্লাহ’ বলা (আবু দাউদ ৩৭৬৭)
৩. ডান হাতে খাওয়া (মুসলিম ২০২০)
৪. নিজের সামনে থেকে খাওয়া (বুখারী ৫৩৭৬)
৫. অপচয় না করা (আল-ইসরা ২৭)
৬. খাওয়ার পর শুকরিয়া আদায় করা (তিরমিজি ৩৪৫৮)
৭. অহংকার বা বিলাসিতা পরিহার করা (আবু দাউদ ৪১৭৬)
রাসুল ﷺ এর অভ্যাস:
নবী করিম ﷺ সাধারণত মাটিতে বা নিচু স্থানে বসে খেতেন, অহংকারহীনভাবে।
— সহিহ বুখারী, আদবুল মুফরাদ ৫৪৪; ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৩২৫১

তবে “বিছানায় বসে খাওয়া হারাম বা বিপদ ডেকে আনে”— এ রকম কোনো সহিহ হাদীস নেই।

💬 বসে খাওয়া মানে হচ্ছে নম্র ও শান্তভাবে খাওয়া — সেটা মাটিতে, চেয়ারে বা বিছানায় হোক, যদি অহংকার বা অপচয় না থাকে তাহলে কোনো গুনাহ
সামনে থেকে খাওয়া

হাদিস:
“হে ছেলে! আল্লাহর নাম নাও, ডান হাতে খাও এবং তোমার সামনে থেকে খাও।”
— সহিহ বুখারী, হাদিস: ৫৩৭৬; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২০২২

🔹 ৪. খাবার শেষে হাত ধোয়া ও শুকরিয়া আদায়

হাদিস:
“যে ব্যক্তি খেয়ে বলবে,
‘الْـحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِي أَطْعَمَنِي هَذَا وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلَا قُوَّةٍ’
(সব প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাকে এ খাদ্য খেতে দিয়েছেন এবং আমার প্রচেষ্টা ছাড়া রিযিক দিয়েছেন),
তার আগের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।”
— তিরমিজি, হাদিস: ৩৪৫৮; সহিহ হিসেবে গ্রহনযোগ্য

🚫 মনগড়া বা মিথ্যা হাদীস চালানো সম্পর্কে সতর্কবাণী

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি আমার নামে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বলে, সে যেন জাহান্নামে নিজের স্থান গ্রহণ করে।”
— সহিহ বুখারী, হাদিস: ১০৭; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৩

🔸 অর্থাৎ — “রাসুল বলেছেন” বলে যে কোনো কথা চালানোর আগে নিশ্চিত হতে হবে সেটা সহিহ সূত্রে আছে কি না।

🔖 উপসংহার:
👉 “বিছানায় বসে খাওয়া বিপদ ডেকে আনে” — এমন কোনো সহিহ হাদিস নেই।
রাসুল ﷺ খাওয়ার সময় বিনয়, পরিচ্ছন্নতা ও আল্লাহর স্মরণকে গুরুত্ব দিয়েছেন, বসার জায়গা নয়।

01/03/2025

রোজার মাসের একটা টিপস শেয়ার করি আপনাদের সাথে, আমরা যদি রোজার মাসে প্রতিদিন সন্ধ্যার সময় ১০০ টাকা করে দান করি, তাহলে ৩০ দিনে সর্বমোট ৩০০০ টাকা দান করা হবে। কিন্তু এই দানের পরিমান বেড়ে ৫১ লাখ টাকা হয়ে যেতে পারে, কিভাবে?

আল্লাহ এই দান কে সর্বনিম্ন ১০ গুন থেকে ৭০০ গুন বৃদ্ধি করে দিবেন এই রোজার মাসে, তাহলে ৩০ দিন এ হয়ে গেলো সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা থেকে ২১ লক্ষ টাকা সমপরিমাণ।

আর এর মধ্যে একদিন আমরা পেয়ে যাবো লাইলাতুল কদর এর রাত, যেখানে আমরা ১০০০ মাস প্রতিদিন ১০০ টাকা দান করার সওয়াব পেয়ে যেতে পারি।

তাহলে লাইলাতুল কদর এ আমরা পেয়ে গেলাম ৩০ লক্ষ টাকার সমপরিমাণ দানের সওয়াব।

তাহলে ৩০ দিন প্রতিদিন ১০০ টাকা হয়ে গেলো ৫১ লাখ টাকা দান করার সমপরিমাণ সওয়াব।

আর আল্লাহ চাইলে এই দানকে উনি নিজ থেকে আরো বাড়িয়ে দিতে পারেন। তাহলে যারা যারা এই সওয়াব পেতে চান, আজ রাত থেকে শুরু করে দিতে পারেন দান করা। আর আপনারা যদি এই কথা শেয়ার করে দেন এবং আপনার কথা শুনে যদি কেউ এই কাজ করে, তাহলে তার সমপরিমাণ সওয়াব আপনারা পেয়ে যেতে পারেন। এজন্য এইটা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। (আপনারা চাইলে পোস্ট টি কপি পেস্ট করতে পারেন অথবা শেয়ার করতে পারেন, কোনো সমস্যা নেই।)

হাদিসের আলোকে পুরস্কারের পরিমাণ:

- নবী মুহাম্মদ ﷺ বলেছেন:
"মানব সন্তানের প্রতিটি সৎকাজের সওয়াব দশগুণ থেকে শুরু করে সাতশো গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। আল্লাহ বলেন, ‘কিন্তু রোযা ব্যতিক্রম, কারণ এটি আমার জন্য, এবং আমি নিজে এর প্রতিদান দেব।’"
(সহিহ মুসলিম ১১৫১)

- নবী ﷺ রমজানে সবচেয়ে বেশি দানশীল হতেন।
রমজানে দান করলে অনেক বেশি সওয়াব মেলে।
ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন: “নবী ﷺ ছিলেন সর্বাধিক দানশীল ব্যক্তি, এবং তিনি রমজান মাসে সবচেয়ে বেশি দান করতেন।” (সহিহ বুখারী ৬)
লাইলাতুল কদরের ফজিলত:

- রমজানের শেষ দশকের অন্যতম রাত লাইলাতুল কদর।
এই রাতে করা প্রতিটি ইবাদত ৮৩ বছর ৪ মাস (১০০০ মাস) ইবাদত করার সমান সওয়াব দেয়! (সূরা কদর ৯৭:৩)

- রামাদান মোবারাক সবাইকে ❤️

01/03/2025

৩০ দিন রোজা রাখার পর যদি জানতে পারেন আপনার একটা রোজাও কবুল হয়নি!

প্রতিদিন ১৩ ঘণ্টার বেশি না খেয়ে রোজা রাখলেন। লুকিয়েও কিছু খাননি। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে কষ্ট করেছেন, তবুও রোজা ভাঙ্গেননি।

কিন্তু, মাস শেষে যদি জানার সুযোগ থাকতো, আর আপনি জানতে পারলেন আপনার একটা রোজাও হয়নি, তখন কেমন লাগবে? রোজা রেখেছেন, সওয়াব পাননি। বিনিময়ে শুধু ক্ষুধার্তই থেকেছেন! আমাদের সমাজের অনেকেরই এমন হয়!

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: “কত রোজাদার আছে যাদের রোজার বিনিময়ে ক্ষুধা ছাড়া আর কিছুই জোটে না!” [সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৬৯০]

তারা কারা? রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: “যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন করেনি, তাঁর এ পানাহার পরিত্যাগ করায় আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।” [সহিহ বুখারী: ১৯০৩]

অর্থাৎ, রমাদান মাস শুধুমাত্র উপোষ থাকার মাস না। কেবল না খেয়ে থাকলেই রোজা হবে না। রোজার সওয়াব পেতে হলে আপনাকে চরিত্রবান হতে হবে। মিথ্যা বলা ত্যাগ করতে হবে, আমানত রক্ষা করতে হবে, কাউকে গালি দেয়া যাবে না, গীবত করা যাবে না।
অথচ আমরা অহরহই এমন করি।

বাইরে কাজকর্ম করে বাসায় এসে কোনো কিছু এলোমেলো দেখলে স্বামী রাগারাগি করে, স্ত্রীকে বকা দেয়, গালি দেয়। রিক্সা ভাড়া ঠিক না করে রিক্সায় চড়ে নামার সময় ঝগড়া করে। সময় কাটানোর জন্য বন্ধুদের সাথে বসে বসে গীবত করে। রোজা রেখে মিথ্যা বলে, ঘুষ খায়।

আপনি হয়তো ভাবছেন রোজা রাখছেন। কিন্তু, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলছেন- এগুলো রোজা না, এমন রোজার আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। আল্লাহ এমন রোজা কবুল করেন না। তাহলে কীভাবে পরিপূর্ণভাবে রোজার সওয়াব পাওয়া যাবে? নিজের চরিত্রকে উন্নত করা। সচ্চরিত্রবান হওয়া।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: “যে ব্যক্তি তার চরিত্রকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছে, আমি তার জন্য জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে একটি ঘরের জিম্মাদার।” [সুনানে আবু দাউদ: ৪৮০০]

©

04/09/2024

Address

Rajabari
Gazipur
1700

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when veli of the future posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category