Abdul Hakim Properties - আব্দুল হেকিম প্রপার্টিজ

  • Home
  • Bangladesh
  • Gazipur
  • Abdul Hakim Properties - আব্দুল হেকিম প্রপার্টিজ

Abdul Hakim Properties - আব্দুল হেকিম প্রপার্টিজ We'll shape your own dream.

# Hakim Properties.

আপনি কি কোনো কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার?কোম্পানির ভেতরের নিয়মকানুন কি কোম্পানি যখন-তখন বদলে ফেলতে পারে?ধরুন, একটি কোম্পানি ত...
15/09/2026

আপনি কি কোনো কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার?
কোম্পানির ভেতরের নিয়মকানুন কি কোম্পানি যখন-তখন বদলে ফেলতে পারে?

ধরুন, একটি কোম্পানি তার Articles of Association-এ এমন একটি নিয়ম পরিবর্তন করল, যার ফলে সদস্যদের অধিকার বা কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন চলে এলো।

এখন প্রশ্ন হলো—
কোম্পানি কি ইচ্ছেমতো Articles পরিবর্তন করতে পারে?
আর কোম্পানির সঙ্গে লেনদেন করা একজন বাইরের মানুষ কীভাবে বুঝবেন যে কোম্পানির ভেতরের সব নিয়ম ঠিকভাবে মানা হয়েছে কি না?

এই দুটি প্রশ্নের উত্তর বুঝতে হলে Company Law-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানতে হবে—
“Constructive Notice” এবং “Indoor Management”।

- প্রথমে বুঝুন, Articles of Association কী?

সহজ ভাষায়, একটি কোম্পানি কীভাবে পরিচালিত হবে—তার অনেক অভ্যন্তরীণ নিয়ম Articles of Association-এ থাকে।

অন্যদিকে Memorandum of Association কোম্পানির মৌলিক উদ্দেশ্য ও ক্ষমতার সীমা নির্ধারণ করে।

তাই সহজভাবে বলা যায়—

MOA বলে, কোম্পানি কী করতে পারে।

AOA বলে, কোম্পানি কীভাবে কাজ করবে।

- কোম্পানি কি Articles পরিবর্তন করতে পারে?

হ্যাঁ, পারে।

তবে ইচ্ছেমতো নয়।

আইনের নির্ধারিত পদ্ধতি মেনে Special Resolution-এর মাধ্যমে Articles পরিবর্তন করতে হয়।

আবার সেই পরিবর্তন Companies Act, Memorandum বা অন্য কোনো বাধ্যতামূলক আইনি বিধানের সঙ্গে অসঙ্গত হতে পারবে না।

অর্থাৎ কোম্পানির হাতে পরিবর্তনের ক্ষমতা আছে, কিন্তু সেই ক্ষমতারও সীমা আছে।

- তাহলে Articles পরিবর্তনেরও কি সীমাবদ্ধতা আছে?

অবশ্যই।

Articles পরিবর্তন করে—

Companies Act-এর বিরুদ্ধে যাওয়া যাবে না।

Memorandum-এর সঙ্গে অসঙ্গত কোনো নিয়ম তৈরি করা যাবে না।

আইনবিরোধী কোনো ব্যবস্থা বৈধ করা যাবে না।

সদস্যদের ওপর ইচ্ছেমতো অতিরিক্ত দায় চাপানো যাবে না।

Majority তাদের ক্ষমতা ব্যবহার করে minority shareholders-এর প্রতি অন্যায় করতে পারবে না।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
পরিবর্তনটি কোম্পানির সামগ্রিক স্বার্থে bona fide হতে হবে।

- এবার আসি এমন একটি বিষয়ে, যা সাধারণ মানুষের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ—Constructive Notice

কোম্পানির Memorandum ও Articles সাধারণত public documents।

তাই কোম্পানির সঙ্গে লেনদেন করা একজন outsider-কে ধরে নেওয়া হয় যে তিনি এসব public documents-এর বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানেন।

অর্থাৎ পরে শুধু “আমি Articles-এ কী লেখা আছে জানতাম না”—এমন কথা সবসময় বলে দায় এড়ানো যায় না।

এটাই Constructive Notice-এর মূল ধারণা।

- কিন্তু একজন outsider কি কোম্পানির ভেতরের সবকিছু পরীক্ষা করবেন?

ধরুন, আপনি একটি কোম্পানির সঙ্গে ব্যবসায়িক চুক্তি করলেন।

কোম্পানির Articles-এ বলা আছে, নির্দিষ্ট ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে Board বা General Meeting-এর অনুমোদন প্রয়োজন।

আপনি কি এখন কোম্পানির অফিসে গিয়ে প্রতিটি meeting হয়েছে কি না, প্রতিটি resolution নেওয়া হয়েছে কি না—সবকিছু পরীক্ষা করবেন?

বাস্তবে এটি করা কঠিন।

আর এখানেই আসে—

Doctrine of Indoor Management।

- Indoor Management কী?

সহজ ভাষায়—

বাইরের একজন ব্যক্তি কোম্পানির প্রকাশ্য নিয়ম সম্পর্কে জানেন বলে ধরা হবে।

কিন্তু কোম্পানির ভেতরের প্রতিটি procedure ঠিকভাবে অনুসরণ হয়েছে কি না, তা প্রতিবার গিয়ে পরীক্ষা করা তার দায়িত্ব নয়।

অর্থাৎ outsider সাধারণভাবে ধরে নিতে পারেন যে কোম্পানির internal formalities যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

- Royal British Bank v. Turquand

এই ধারণাটি বোঝার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ case হলো—

Royal British Bank v. Turquand।

এই মামলায় কোম্পানির Articles অনুযায়ী নির্দিষ্ট internal approval প্রয়োজন ছিল।

কিন্তু সেই internal procedure যথাযথভাবে সম্পন্ন না করেই কোম্পানির directors একটি borrowing transaction করেছিলেন।

আদালত মূলত outsider-এর স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে বলেন, বাইরের ব্যক্তিকে কোম্পানির প্রতিটি অভ্যন্তরীণ procedure পরীক্ষা করতে বাধ্য করা যায় না।

এটাই পরবর্তীতে “Turquand Rule” বা Doctrine of Indoor Management নামে পরিচিত হয়।

- তাহলে Constructive Notice আর Indoor Management-এর পার্থক্য কী?

খুব সহজভাবে মনে রাখুন—

Constructive Notice বলে—

“কোম্পানির public documents আপনি জানেন বলে ধরে নেওয়া হবে।”

Indoor Management বলে—

“কোম্পানির ভেতরের সব procedure আপনি গিয়ে পরীক্ষা করতে বাধ্য নন।”

অর্থাৎ একজন outsider-এর জন্য—

Public documents জানা → দায়িত্ব।

Internal procedure তদন্ত করা → সাধারণভাবে বাধ্যতামূলক নয়।

- তবে Indoor Management মানেই সবসময় সুরক্ষা নয়

যদি outsider নিজেই জানেন যে কোম্পানির internal procedure ঠিকভাবে মানা হয়নি, তাহলে তিনি সবসময় এই doctrine-এর সুবিধা নিতে পারবেন না।

আবার পরিস্থিতি যদি এতটাই সন্দেহজনক হয় যে বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করা প্রয়োজন ছিল, সেক্ষেত্রেও protection সীমিত হতে পারে।

অর্থাৎ Indoor Management-এর অর্থ হলো না যে outsider চোখ বন্ধ করে যেকোনো transaction করতে পারবেন।

- সবশেষে সহজ করে মনে রাখুন

MOA
→ কোম্পানির মৌলিক উদ্দেশ্য ও ক্ষমতার সীমা।

AOA
→ কোম্পানির অভ্যন্তরীণ পরিচালনার নিয়ম।

Constructive Notice
→ Public documents সম্পর্কে outsider জানেন বলে ধরে নেওয়া হয়।

Indoor Management
→ কোম্পানির ভেতরের প্রতিটি procedure outsider-কে তদন্ত করতে হয় না।

আর Indoor Management-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ case—

Royal British Bank v. Turquand।

এই একটি উদাহরণ মনে রাখলেই পুরো বিষয়টি অনেক সহজ হয়ে যাবে।









#বাংলাদেশআইন

এজমালি সম্পত্তির মালিকদের জন্য সুখবর, খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) প্রদানের বিষয়ে গতকাল ভূমি মন্ত্রণালয় একটি পরিপত্র জারি করেছ...
10/09/2026

এজমালি সম্পত্তির মালিকদের জন্য সুখবর, খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) প্রদানের বিষয়ে গতকাল ভূমি মন্ত্রণালয় একটি পরিপত্র জারি করেছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী....

১) বন্টননামা দলিল রেজিস্ট্রি করতে এজমালি খতিয়ানের কোনো খাজনা পরিশোধ করতে হবেনা।

২) রেজিস্ট্রিকৃত বন্টননামা দলিল দিয়ে অথবা বাটোয়ারা মামলা করে সম্পত্তি আলাদা করার পর নামজারি আবেদনের সময়ও এজমালি খতিয়ানের খাজনা পরিশোধের কোনো রশিদ লাগবে না।

৩) পৃথক নামজারি করার পর নিজ মালিকানার নামজারি খতিয়ানের ওপর খাজনা প্রদান করতে হবে।

৪) পৃথক নামজারি খতিয়ানের খাজনা পরিশোধের সময় পূর্বের বকেয়া খাজনা থাকলে সেটিও যার যতটুকু হিস্যা ততটুকুর বকেয়া প্রদান করতে হবে। এজমালি খতিয়ানের সম্পূর্ণ সম্পত্তির ওপর বকেয়া খাজনা দিতে হবেনা।

৫) এজমালি সম্পত্তি বন্টননামা করার পর খাজনা রশিদ ছাড়াই পৃথক নামজারি করার অপশন অনলাইন সিস্টেমে যুক্ত করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

05/09/2026

গিয়েছিলাম জমির শ্রেনী পরিবর্তন বিষয়ক তদন্তে। জমির মালিকের জমি বিদ্যালয় হিসেবে রেকর্ডকৃত। কিন্তু তার এসএ ডিপি পর্চায় শ্রেণী ডাংগা। সরেজমিনেও কোথাও স্কুল নাই। চলুন জেনে নেই জমির শ্রেণী ভুল হলে কিভাবে সংশোধন করবেন। ✅

জমির শ্রেনী পরিবর্তনের পদ্ধতিঃ

জমির শ্রেণী পরিবর্তন বলতে বোঝায় যে জমি এক ধরনের হিসেবে রেকর্ডে আছে (যেমন কৃষি জমি), সেটিকে অন্য শ্রেণীতে (যেমন বসতবাড়ি/বাণিজ্যিক) পরিবর্তন করা। বাংলাদেশে এটি একটি আইনগত প্রক্রিয়া, এবং নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে করতে হয়।

নিচে ধাপে ধাপে সহজভাবে পুরো পদ্ধতি দেওয়া হলো 👇

🔹 জমির শ্রেণী পরিবর্তনের পদ্ধতিঃ
১. আবেদন প্রস্তুত করা-
প্রথমে আপনাকে লিখিত আবেদন করতে হবে। আবেদনটি করতে হয়:

সহকারী কমিশনার (ভূমি) (AC Land) বরাবর অথবা জেলা প্রশাসক (DC) মহোদয় বরাবর।

📄 আবেদনে উল্লেখ করতে হবে:

-জমির দাগ, খতিয়ান নম্বর

-বর্তমান শ্রেণী (যেমন: কৃষি)

-পরিবর্তন করতে চান কোন শ্রেণীতে (যেমন: বসতবাড়ি)

-পরিবর্তনের কারণ

২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করা
আবেদনের সাথে সাধারণত যা লাগে:

(ক) খতিয়ান (CS/SA/RS/BS) কপি

(খ) পর্চা/খাজনার রশিদ

(গ) দলিল (সাব-রেজিস্ট্রি)

(ঘ) জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)

(ঙ) হালনাগাদ নামজারি (মিউটেশন) কপি

(চ) জমির ম্যাপ ইত্যাদি।

৩. তদন্ত ও সরেজমিন পরিদর্শনঃ

আবেদনটি AC Land অফিসে আসার পরে তদন্তের জন্য দ্বায়িত্ব দেবেন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে। তিনি তদন্ত করে দেখবেন জমি বাস্তবে কী কাজে ব্যবহার হচ্ছে ও একটি তদন্ত প্রতিবেদন দিবেন।

৪. রিপোর্ট ও সুপারিশ তদন্ত শেষেঃ

তদন্ত রিপোর্ট যাচাই করে AC Land সুপারিশসহ জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠান।

৫. অনুমোদন (Approval)

জেলা প্রশাসক (DC) মহোদয় সব কিছু যাচাই বাছাই করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেন।
অনুমোদন পেলে জমির শ্রেণী পরিবর্তন বৈধ হয়।

৬. রেকর্ড সংশোধন করা হয় অনুমোদনের পর:

ভূমি অফিস রেকর্ড (খতিয়ান/রেকর্ড) আপডেট করে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী, রেকর্ডের এই ১৩ টি ভুল সংশোধন করতে আদালতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। এসিল্যান্ড অফিস বা উপজেল...
18/08/2026

ভূমি মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী, রেকর্ডের এই ১৩ টি ভুল সংশোধন করতে আদালতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। এসিল্যান্ড অফিস বা উপজেলা ভূমি অফিসে সংশোধন করা যাবে।

রেকর্ডের এই ভুলগুলো উপজেলা ভূমি অফিসে সংশোধন করা গেলে জনগণ স্বল্প সময়ে সহজেই রেকর্ড সংশোধন করতে পারবে ও দেওয়ানি আদালতের রেকর্ড সংশোধনের মামলা ৮০% কমে যাবে বলে মনে করি।

বাংলাদেশে আর এস  জরিপের সাল।
08/08/2026

বাংলাদেশে আর এস জরিপের সাল।

উত্তরা সংলগ্ন বিরুলিয়া তে নামমাত্র মুল্যে  জমির শেয়ার বিক্রি হবে। জমির পরিমাণ : ৮.৫৪ শতাংশ। শেয়ার সংখ্যা :  ২১ টি।ফ্ল্...
05/08/2026

উত্তরা সংলগ্ন বিরুলিয়া তে নামমাত্র মুল্যে জমির শেয়ার বিক্রি হবে।
জমির পরিমাণ : ৮.৫৪ শতাংশ।
শেয়ার সংখ্যা : ২১ টি।
ফ্ল্যাট সাইজ : ১১৫০ স্কয়ার ফিট।
শেয়ার দাম : ৭ লাখ টাকা।

জমির ১ কি.মি এর মধ্যে ড্যাফোডিল, ব্রাক, সিটি সহ মোট ১০ টি ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাস অবস্থিত। এবং পাঁচ মিনিটের হাটা দূরত্বে আশুলিয়া মডেল টাউন অবস্থিত।

যোগাযোগ : ০১৭১১-০২৩০৮৯

31/07/2026

গাজীপুরের মাওনা তে ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় ৫ কাঠা জমি বিক্রি হবে। ৩০ ফিট পাকা রাস্তার পাশে।
জমিটির পাশে অসংখ্য ইন্ডাস্ট্রি অবস্থিত। কমার্শিয়াল বা বাসা ভাড়ার জন্য উপযুক্ত জমি।
জমির গুগল লোকেশন :https://maps.app.goo.gl/WcgefttGpEqEYnKPA

আগ্রহী ব্যক্তিদের যোগাযোগের জন্য অনুরোধ রইলো।

যোগাযোগ : ০১৭১১-০২৩০৮৯

অবশেষে NBR উৎসে আয়কর ও দানকর আদায় সম্পর্কে স্পষ্টীকরণ পত্র জারি করেছে। স্পষ্টীকরণসমূহ:১) দানপত্র দলিলে দানকর আদায় করতে হ...
08/07/2026

অবশেষে NBR উৎসে আয়কর ও দানকর আদায় সম্পর্কে স্পষ্টীকরণ পত্র জারি করেছে।

স্পষ্টীকরণসমূহ:
১) দানপত্র দলিলে দানকর আদায় করতে হবে;
২) কবলা দলিলে উৎসে আয়কর আদায় করতে হবে;
৩) দানপত্র দলিলে উৎসে আয়কর ও দানকর একসাথে আদায় করা যাবে না;
৪) পিতা-মাতা:সন্তান, স্বামী:স্ত্রী, ভাই:বোন এই সম্পর্কের বাইরে হেবার ঘোষণা দলিলে দানকর প্রযোজ্য হবে।

দানপত্র বা হেবার ঘোষণা দলিল যদি পুত্র, কন্যা, পিতা, মাতা, স্বামী, স্ত্রী, আপন ভাই অথবা আপন বোন ব্যতিত অন্য কাউকে করা হয়...
01/07/2026

দানপত্র বা হেবার ঘোষণা দলিল যদি পুত্র, কন্যা, পিতা, মাতা, স্বামী, স্ত্রী, আপন ভাই অথবা আপন বোন ব্যতিত অন্য কাউকে করা হয় তাহলে নিম্নলিখিত হারে দান কর হবে....

এছাড়া-
নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে কোন ব্যক্তির কৃত দানের উপর এই আইনের অধীন কোন দানকর আরোপযোগ্য হইবে না, যথা :-
১. দানকৃত সম্পত্তি যদি বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত হয়;
২. দান যদি সরকার বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে করা হয়;
৩. দান যদি দাতব্য উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত নিম্নবর্ণিত কোন তহবিল বা প্রতিষ্ঠানকে করা হয়, যথা :-


(অ) বাংলাদেশে প্রচলিত কোন আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত কোন বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষা বোর্ডের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত অথবা সরকার কর্তৃক স্বীকৃত বা পরিচালিত কোন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটসহ যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান;


(আ) সরকার বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত বা পরিচালিত অথবা সরকার বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে সাহায্যপ্রাপ্ত কোন হাসপাতাল;


(ই) সরকার কর্তৃক গঠিত বা অনুমোদিত কোন বন্যা বা দুর্যোগ মোকাবিলা তহবিল;


(ঈ) সাধারণ জনগণের কল্যাণার্থে পরিচালিত নয় এমন কোন ব্যক্তিগত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ব্যতীত, ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত ও সরকার কর্তৃক অনুমোদিত বা ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত ও প্রচলিত আইনে নিবন্ধিত কোন প্রতিষ্ঠানকে করদাতা কর্তৃক সংশ্লিষ্ট কর বত্সরের নিরুপিত মোট আয়ের ২০ শতাংশ বা ১ লক্ষ টাকা, এই উভয়ের মধ্যে যাহা কম হয়;]


(ঘ) দান যদি ভরণপোষণের জন্য তাঁহার উপর নির্ভরশীল কোন আত্মীয়ের বিবাহকালে সর্বোচ্চ বিশ হাজার টাকার মূল্য পর্যন্ত করা হয়;


(ঙ) দান যদি পত্নী ব্যতীত, ভরণপোষণের জন্য তাঁহার উপর নির্ভরশীল কোন আত্মীয়কে সর্বোচ্চ বিশ হাজার টাকা মূল্য পর্যন্ত বীমা বা বার্ষিক বৃত্তির পলিসি দ্বারা করা হয়;


(চ) দান যদি উইলমূলে করা হয়;


(ছ) দান যদি মৃত্যু চিন্তায় করা হয়;


(জ) দান যদি পুত্র, কন্যা, পিতা, মাতা, স্বামী, স্ত্রী, আপন ভাই অথবা আপন বোনকে করা হয়৷


(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অব্যাহতি ছাড়াও, কোন ব্যক্তি কর্তৃক কোন আর্থিক বত্সরে কৃত বিশ হাজার টাকা মূল্যের দানের উপর এই আইনের অধীন কোন দানকর ধার্য হইবে না৷


(৩) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে কোন শ্রেণীর দান অথবা যে কোন শ্রেণীর ব্যক্তিকে এই আইনের অধীন প্রদেয় কর হইতে অব্যাহতি দিতে পারিবে।

22/06/2026

মুসলিম ফারায়েজ নীতিতে নারীর ৮ অবস্থাঃ

১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যাক্তির সন্তান না থাকলে ১/৪,
( খ) আর থাকলে ১/৮ অংশ পাইবে।

২। কন্যার তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র কন্যা থাকলে ১/২ ,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) পুত্র কন্যা একসাথে থাকলে ২:১ অনুপাতে পাইবে।

৩। মায়ের তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির যদি কোন সন্তান না থাকে বা ভাইবোন ২ জনের কম থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে,
(গ) স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা মাতা উভয়ে থাকলে , মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ দেয়ার পর বাকি সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাইবে।

৪। বৈপিত্রীয় ভাইবোনদের তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র বৈপিত্রীয় ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ,
(খ) একাধিক থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে
(গ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র,পিতা বা দাদা থাকলে বঞ্ছিত হইবে।

৫। পৌত্রীগনের ছয় অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র পৌত্রী থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যক্তির পৌত্রী ও পৌত্র একই সাথে থাকলে অংশীদার হইবে,
(চ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির পুত্র থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে।

৬। সহোদরা বোনদের পাঁচ অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) সহোদরা বোনের সাথে সহোদরা ভাই থাকলে আসাবা হইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা বা পৌত্রী থাকে তাহলে সহোদরা বোনগন ১/৬ অংশ পাইবে। একাধিক কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে অংশীদার হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুরুষ শ্রেনীর ওয়ারিশ থাকলে সহোদরা বোনগন বঞ্ছিত হইবে।

৭। বৈমাত্রিয় বোনদের সাত অবস্থাঃ
(ক) যদি মৃত্যু ব্যাক্তির সহোদরা বোন না থাকে ও একজন মাত্র বৈমাত্রিয় বোন থাকলে ১/২,
(খ)একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোনগণ বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ)যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে এবং বৈমাত্রিয় বোনের সাথে বৈমাত্রিয় ভাই থাকলে একএে অংশীদার হইবে।
(চ) মৃত্যু ব্যাক্তির কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগণ অবশিষ্ট অংশ পাইবে,
(ছ) মৃত্যু ব্যক্তির পুরুষ ওয়ারিশ থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগন বঞ্ছিত হইবে।

৮ । দাদী নানীর ২ অবস্থাঃ
(ক) পিতৃ বা মাতৃ সম্পর্কের এক বা একাধিক যাহাই হোক ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকলে বঞ্ছিত হইবে। তবে পিতা জীবিত থাকলে দাদী বঞ্ছিত

Address

Gazipur

Telephone

+8801712776400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abdul Hakim Properties - আব্দুল হেকিম প্রপার্টিজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share