Diagnosis and solution of cattle disease

Diagnosis and solution of cattle disease গবাদি পশু পালন করি ও আর্থিক ভাবে লাভবান হই ।

হাত বদল হবে,আগ্রহী যারা যোগাযোগ করতে পারেন মোবাইল :০১৭৫৪৬০৯৩২০
24/04/2024

হাত বদল হবে,
আগ্রহী যারা যোগাযোগ করতে পারেন
মোবাইল :০১৭৫৪৬০৯৩২০

বাংলাদেশের বর্তমান পেক্ষাপটে গরু মোটাতাজাকরণ অবশ্য একটি লাভজনক প্রকল্পঃগরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্প গ্রহণ ও খামারি ভাই-বোনদের...
14/02/2022

বাংলাদেশের বর্তমান পেক্ষাপটে গরু মোটাতাজাকরণ অবশ্য একটি লাভজনক প্রকল্পঃ

গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্প গ্রহণ ও খামারি ভাই-বোনদের করনীয়ঃ

• কেন গরু মোটাতাজা করা হয়

1) আমিষের চাহিদা পূরণ।
2) শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান ।
3) বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্য চামড়াশিল্পের সমৃদ্ধি।
4) জৈব সার এর সহজলভ্যতা।
5) বায়োগ্যাসের মাধ্যমে জ্বালানি সমস্যার সমাধান ।
6) জাতীয় আয় বৃদ্ধি।

খমারের স্থান নির্ধারণ ও গরুর থাকার ঘর প্রস্তুতকরণঃ
1) গরু থাকার পদ্ধতি অনুযায়ী ঘর সাধারণত দুই প্রকারের হয়ঃ অন্তর্মূখী সারি বিশিষ্ট ঘর ও বহির্মুখী বিশিষ্ট ঘর । যে পদ্ধতিতে গরু পালন করুন না কেন গরুর ঘরের সাধারণ মাপ সব ক্ষেত্রে একই রকম হবে নিচে তা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো ।
2) খামারের জন্য মুক্ত বাতাসের প্রবাহ আছে এমন স্থান নির্ধারণ করা ভালো ।
3) পূর্ব-পশ্চিমে লম্বায় ও উত্তর -দক্ষিণে প্রস্থ করে ঘর তৈরি করা ভালো।
4) ঘরে পানী ও আলোর ব্যবস্থা থাকতে হবে ।
5) ঘরের মেঝে পাকা হলে ভালো হয় তবে মেজে যেন পিচ্ছিল না হয় এবং শুকনো থাকে।
6) মেঝে এক দিকে উঁচু এবং ধীরে ধীরে তার ঢালু হবে যেন কোন পানি আটকে না থাকে।
7) ঘরের দৈর্ঘ্য গরুর সংখ্যানুপাতে প্রতি গরুর জন্য ৩.৫-৪ ফুট।
8) ঘরের প্রস্থঃ এক সারি বিশিষ্ঠ হলে প্রস্থে ১১-১২ ফুট ; দুই সারি বিশিষ্ঠ হলে প্রস্থে ২০ ফুট।
9) ঘরের উচ্চতাঃ দোচালা ঘরের ১৪ ফুট; দোচালা ঘরের ঢালু অংশের উচ্চতা ৭ ফুট ; এবং চোলের ছাচ ২ ফুট।
10) খাদ্য প্রদানের স্থানঃ ২ ফুট প্রশস্থ।
11) ড্রেন বা নালা ১ ফুট প্রশস্থ।

Joint il The cause of the disease:The main cause of this disease is a type of bacterium called Streptococcus. Symptoms o...
05/11/2021

Joint il The cause of the disease:The main cause of this disease is a type of bacterium called Streptococcus. Symptoms of the disease: Infected calves have a high fever of 105 degrees to 106 degrees Fahrenheit and the navel swells. The front or back or four legs of a sick calf are swollen. Infected animals are lame and have difficulty walking....

Joint il The cause of the disease:The main cause of this disease is a type of bacterium called Streptococcus. Symptoms of the disease: Infected calves have a high fever of 105 degrees to 106 degree…

গিরা রোগরোগের কারণ ষ্ট্রেপটোকক্কাস নামক এক প্রকার জীবানু এ রোগের প্রধান কারণ।রোগের লক্ষণসমূহঃ আক্রান্ত বাছুরের প্রচন্ড জ...
04/11/2021

গিরা রোগ

রোগের কারণ
ষ্ট্রেপটোকক্কাস নামক এক প্রকার জীবানু এ রোগের প্রধান কারণ।

রোগের লক্ষণসমূহঃ

আক্রান্ত বাছুরের প্রচন্ড জ্বর হয় 105 ডিগ্রি থেকে 106 ডিগ্রি ফারেনহাইট এবং নাভি ফুলে পেকে যায় ।
রুগ্ন বাছুরের সামনের বা পিছনের অথবা চার পায়ের গিরা ফুলে যায় ।
আক্রান্ত প্রাণী খুঁড়িয়ে হাঁটে এবং হাঁটতে কষ্ট হয় ।
গিরা রোগ অনেক ক্ষেত্রে ধনুষ্টংকারে রূপ নিতে পারে ।

প্রতিরোধ ব্যবস্থাঃ

গরু,মহিষ, ছাগল ,ভেড়া ,ঘোড়া এসব প্রাণির প্রসব পরিচ্ছন্ন স্থানে করাতে হবে ।
জন্মের পর শাবকের নাভী নাড়ীকে শক্ত করে বেঁধে দেওয়া উচিত এবং জীবাণুনাশক ঔষধ প্রয়োগ করা উচিত ।
গর্ভফুল যেন বাছুরের সংস্পর্শে না আসে এবং গাভী বাছুরের নাভী না চাটে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে ।

পা পঁচা রোগ

রোগের কারণ :
ফিউসোব্যাক্টেরিয়াম নেকরোফোরাম নামক এক প্রকার জীবানু এ রোগের জন্য দায়ী।

রোগের লক্ষণ:

পায়ের গিরা ফুলে যায় এবং আক্রান্ত পশু খুঁড়িয়ে হাঁটে।
অস্থিসন্ধি সহ অস্থির বিভিন্ন স্থান ফুলে ওঠে এবং পশু দাড়িয়ে থাকতে পারে না ফলে শুয়ে পরে।
অনেক সময় আক্রান্ত পশুর পায়ের ক্ষত স্থানে পুজ হয় এবং দুর্গন্ধ তৈরি হয়।
যথা সময়ে চিকিৎসা না হলে ক্ষুর খসে পড়ে এবং স্থায়ী ভাবে খোড়া হয়ে যায়।
দেহের তাপমাত্রা যথেষ্ট পরিমাণ বৃদ্ধি পায় 100 থেকে 104 ডিগ্রি ফারেনহাইট।

প্রতিরোধ ব্যবস্থা

পশুর পায়ে যেন ক্ষতের সৃষ্টি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
জীবানুনাশক পানিতে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরী করে প্রতিদিন দুবার ব্যবহারে এ রোগের প্রাদুর্ভাব রোধ করা যায় ।

Many times the animal is constantly coughing, this is basically tuberculosis or tuberculosis. "Mycobacterium tuberculosi...
29/10/2021

Many times the animal is constantly coughing, this is basically tuberculosis or tuberculosis. "Mycobacterium tuberculosis"The disease is caused by a type of germ. Tuberculosis Symptoms: Infected animals dry up day by day Infected animals become lazy by taking whimsical food and come under control easily. Body temperature tends to decrease. Endless cough with pulmonary tuberculosis Endless thin stool with intestinal tuberculosis Olan tuberculosis…...

Many times the animal is constantly coughing, this is basically tuberculosis or tuberculosis. “Mycobacterium tuberculosis”The disease is caused by a type of germ. Tuberculosis Symptoms:…

যক্ষা বা ক্ষয়রোগঃঅনেক সময় পশু অবিরাম কাশতে থাকে এটিই মুলত যক্ষা বা ক্ষয়রোগ । “মাইকোব্যাক্টেরিয়াম টিউবারকিলোসিস” নামক এক ...
28/10/2021

যক্ষা বা ক্ষয়রোগঃ

অনেক সময় পশু অবিরাম কাশতে থাকে এটিই মুলত যক্ষা বা ক্ষয়রোগ । “মাইকোব্যাক্টেরিয়াম টিউবারকিলোসিস” নামক
এক প্রকার জীবানু দ্বারা এ রোগ হয়।

রোগের লক্ষণ সমূহ :

আক্রান্ত পশু দিন দিন শুকিয়ে যায়
আক্রান্ত পশু খামখেয়ালি খাদ্য গ্রহণ করে অলস হয় এবং সহজে নিয়ন্ত্রণে আসে ।
দেহের তাপমাত্রা হ্রাস পেতে থাকে।
ফুসফুসের যক্ষায় অবিরাম কাশি অন্ত্রের যক্ষায় অবিরাম পাতলা পায়খানা ওলানের যক্ষায়
ব্যথাহীন ওলা স্ফীতি লসিকা গ্রন্থি রক্ষায় লসিকা গ্রন্থি ফুলে যায় এবং শেষ পর্যায়ে ফেটে রস বের হয়।

রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা

স্বাস্থ্যসম্মত পালন ব্যবস্থা যেমন খাদ্য ও পানির পাত্র পরিষ্কার করে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
বাসুকে যক্ষা রোগ আক্রান্ত গাভীর দুধ খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
ফার্মের সকল প্রাপ্তবয়স্ক পশুর মল ছয় মাস অন্তর পরীক্ষা করে আক্রান্ত পশু ও তার শাবক এর চিকিৎসা করা উচিত।
যেহেতু মলের মধ্যে এ রোগ ছড়ায় তাই আক্রান্ত পশুর মল দ্বারা যেন পশুর খাদ্য ও পানি দূষিত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে ।

গলা ফোলা

রোগের কারণ
পাস্তুরেলা বোভিসেপটিকা মাল্টোসিডা নামক এক প্রকার জীবাণুর কারণে এই রোগ হয়
রোগের লক্ষণসমূহ :
প্রধানত গরু ও মহিষের রোগ। জ্বর অত্যন্ত বেশি হয় ১০৫ ডিগ্রি থেকে ১০৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট এবং গলা ফুলে থলথলে হয়ে যায় ।
ফোলা স্থানে হাত দিলে গরম অনুভূত হয় টেবিলে বসে যায় এবং ব্যাথা অনুভব করে
ফোলা ক্রমশঃ গলা হতে বুক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
জিহ্বা লাল হয়ে যায় ।
শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হয় তাই জিহ্বা বের করে শ্বাস নেয় এবং প্রতিবার শ্বাস ফেলার সময় আওয়াজ হয় ।
গলার ভেতর হতে ঘরঘর শব্দ বের হয় অনেকদূর হতেই তা শোনা যায়
তীব্র পেটব্যথা পাতলা ও রক্ত মেশানো পায়খানা হয় আক্রান্ত পশুর 48 ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু ঘটে মাঝে মাঝে ৩ থেকে ৬ দিন পর্যন্ত জীবিত থাকে
মরার সঙ্গে সঙ্গে পেট খুব ফুলে ওঠে এবং নাক ও মুখ দিয়ে তরল পদার্থ বের হতে থাকে

প্রতিরোধের উপায়

যেহেতু আমাদের দেশে এই রোগের প্রাদুর্ভাব বর্ষার শুরুতে এবং শেষে হয় তাই ওই সময়ে পশুর খাদ্যের প্রতি নজর রাখতে হয়
হঠাৎ আবহাওয়া পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পশুর পরিচর্যার উপযুক্ত ব্যবস্থা করতে হবে
প্রাণীকে শুষ্ক ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন অবস্থায় পালন করতে হবে
রোগাক্রান্ত পশুকে সুস্থ পশুর থেকে পৃথক করে অসুস্থ পশুর চিকিৎসা এবং সুস্থ পশুর টিকা দান করা উচিত

https://cattlediseasre.wordpress.com/about/
20/10/2021

https://cattlediseasre.wordpress.com/about/

Features of ideal habitat for cattle Ideal habitat and characteristics of cattle 1. The soil of the designated place for cattle housing needs to be dry and elevated from the surrounding land. 2. Ra…

Black Quarter is a deadly disease that causes high mortality in animals. The cause of the disease is a type of bacterium...
11/10/2021

Black Quarter is a deadly disease that causes high mortality in animals. The cause of the disease is a type of bacterium called Clostridium sovii. Symptoms of the disease: Black quarter • At first there is a high fever (105 - 106 degrees Fahrenheit) and the hair follicles become erect. Swelling of the shoulders and waist of the infected animal....

Black Quarter is a deadly disease that causes high mortality in animals. The cause of the disease is a type of bacterium called Clostridium sovii. Symptoms of the disease: Black quarter • At first …

বাদলা রোগ বাদলা ব্যাকটেরিয়া একটি মারাত্বক রোগ এ রোগে পশুর উচ্চ মৃত্যহার দেখা যায়। ক্লসট্রিডিয়াম সোভিয়্যাই নামক এক প্রকার...
11/10/2021

বাদলা রোগ

বাদলা ব্যাকটেরিয়া একটি মারাত্বক রোগ এ রোগে পশুর উচ্চ মৃত্যহার দেখা যায়। ক্লসট্রিডিয়াম সোভিয়্যাই নামক এক প্রকার জীবানু এ রোগের কারণ।

রোগের লক্ষণসমূহঃ

• প্রথমত খুব জ্বর হয় (১০৫ – ১০৭ ডিগ্রী ফাঃ) এবং
গায়ের লোম খাড়া হয়ে যায়।
• আক্রান্ত পশুর কাঁধ ও কোমরের কিছু অংশ ফুলে
যায়।
• ফোলা ধীরে ধীরে বাড়ে এবং প্রথম অবস্থায় ফোলা স্থান
গরম ও বেদনাদায়ক হয় ।
• তারপর আস্তে ফোলা অংশের ভিতর পঁচন শুরু হয়
এবং চাপ দিলে পচপচ শব্দ হয় কিন্তু ব্যাথা অনুভূত হয়
না।
• ফোলা স্থান অবশ হয়ে যায় এবং অপেক্ষাকৃত কালো
দেখায়।
• ফোলা স্থান কাটলে টক গন্ধ যুক্ত বাতাস ও ফেনাযুক্ত
রস বের হয়।
• আক্রান্ত পশুর কোষ্টকাঠিণের ফলে পেট ফেপে থাকে
এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।
• ফোলা বাড়ার সাথে সাথে রোগ বাড়তে থাকে এবং
রোগ ১-৪ দিন স্থায়ী হয়।

প্রতিরোধ ব্যবস্থাঃ

• ৬ মাস থেকে ২ বৎসর বয়সের পশু এই রোগে বেশি
আক্রান্ত হয়,তাই এই ধরণের পশু পালনে বিশেষ
সাবধানতা নিতে হবে।
• প্রয়োজনে এই রোগের প্রতিশেধক হিসাবে টিকা দিতে
হবে।
• নীচু, জলাভূমি যুক্ত স্যাঁসস্যাঁতে স্থানে এই রোগের
প্রকোপ বেশী দেখা যায় বলে পশুর থাকার ঘর শুস্ক ও
পরিস্কার পরিছন্ন রাখতে হবে।
• এটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ তাই আক্রান্ত পশুকে
সাথে সাথে পৃথক করতে হবে।
• মৃত পশুকে মাটিতে পুতে ফেলতে হবে।

Address

Mohadebpur
Hat Naogaon
6530

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Diagnosis and solution of cattle disease posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Diagnosis and solution of cattle disease:

Share

Category