জমি ক্রয় বিক্রয় মিডিয়া খুলনা

  • Home
  • Bangladesh
  • Khulna
  • জমি ক্রয় বিক্রয় মিডিয়া খুলনা

জমি ক্রয় বিক্রয় মিডিয়া খুলনা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জমি ক্রয় বিক্রয় মিডিয়া খুলনা, Estate agent, 12/1goborchaka main Road, snadanga, Khulna.

✳️জরুরি জমি বিক্রয় হবে ৪ কাঠা।✳️প্রস্তাবিত নতুন সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ১০০% নিষ্কণ্টক জমি বিক্রয় হবে।✳️খুলনা টেক্সটাইল কল...
17/04/2025

✳️জরুরি জমি বিক্রয় হবে ৪ কাঠা।

✳️প্রস্তাবিত নতুন সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ১০০% নিষ্কণ্টক জমি বিক্রয় হবে।

✳️খুলনা টেক্সটাইল কলেজের সাথে।

✳️জমির পরিমান : ৪ কাঠা ( ৬.৬০ শতক )।

✳️ জমির ফেস চওড়া : ৮০ ফুট।

✳️চার পাশে বাউন্ডারি দিয়ে ঘেরা।

✳️রাস্তা : ১২ ফিট।

✳️আশেপাশে লোকালয় সহ বিভিন্ন সরকারী স্থাপনা ও উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা।

🛑 অনুগ্রহ করে কোন মিডিয়া নক করবেন না।

📲বিস্তারিত জানতে ফোনে যোগাযোগ করুন।

📞01401339911

14/02/2022

*****খুব গুরুত্বপূর্ণ জানা খুব জরুরী*****
পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০ টি শব্দের অর্থ
👉দলিলে লিখিত অনেক শব্দ আছে,যার সংক্ষিপ্ত রুপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এমনও কিছু শব্দ আছে যা খুব কম ব্যবহার হয়। যারা পুরাতন দলিলের ব্যবহৃত শব্দের অর্থ বোঝেন না,তাদের জন্য বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

১) মৌজা 👉 গ্রাম।

২) জে.এল নং 👉 মৌজা নং/গ্রাম নম্বর।

৩) ফর্দ 👉 দলিলের পাতা।

৪) খং 👉 খতিয়ান।

৫) সাবেক 👉 আগের/পূর্বের বুজায়

৬) হাল 👉 বর্তমান।

৭) বং 👉 বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লিখে।

৮) নিং 👉 নিরক্ষর।

৯) গং 👉 আরো অংশীদার আছে।

১০) সাং 👉 সাকিন/গ্রাম।

১১) তঞ্চকতা 👉 প্রতারণা।

১২) সনাক্তকারী 👉 যিনি বিক্রেতাকে চিনে।

১৩) এজমালী 👉 যৌথ।

১৪) মুসাবিদা 👉 দলিল লেখক।

১৫) পর্চা 👉 বুঝারতের সময় প্রাথমিক খতিয়ানের যে নকল দেওয়া হয় তাকে পর্চা বলে।

১৬) বাস্তু 👉 বসত ভিটা।

১৭) বাটোয়ারা 👉 বন্টন।

১৮) বায়া 👉 বিক্রেতা।

১৯) মং 👉 মবলগ/মোট

২০) মবলক 👉 মোট।

২১) এওয়াজ 👉 সমপরিমাণ কোন কিছু বদলে সমপরিমাণ কোন কিছু বদল করাকে এওয়াজ বলে।

২২) হিস্যা 👉 অংশ।

২৩) একুনে 👉 যোগফল।

২৪) জরিপ 👉 পরিমাণ।

২৫) এজমালী 👉 কোনো ভূমি বা জোতের একাধিক শরীক থাকিলে তাহাকে এজমালী সম্পত্তি বা এজমালী জোত বলে।

২৬) চৌহদ্দি 👉 সীমানা।

২৭) সিট 👉 নকশার অংশ বা মৌজার অংশের নকশাকে সিট বলে।

২৮) দাখিলা 👉 খাজনার রশিদ।

২৯) নক্সা 👉 ম্যাপ।

৩০) নল 👉 জমি পরিমাপের নিমিত্তে তৈরী অংশ দণ্ড।

৩১) নাল 👉 চাষাবাদের উপযোগী ভূমি।

৩২) পিং 👉 পিতা।

৩৩) জং 👉 স্বামী।

৩৪) দাগ নং 👉 জমির নম্বর।

৩৫) এতদ্বার্থে 👉 এতকিছুর পর।

৩৬) স্বজ্ঞানে 👉 নিজের বুঝ মতে।

৩৭) সমূদয় 👉 সব কিছু।

৩৮) ইয়াদিকৃত 👉 পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু করিলাম।

৩৯) পত্র মিদং 👉 পত্রের মাধ্যমে।



৪০) বিং 👉 বিস্তারিত।

৪১) দং 👉 দখলকার।

৪২) পত্তন 👉 সাময়িক বন্দোবস্ত।

৪৩) বদল সূত্র 👉 এক জমি দিয়া অন্য জমি গ্রহণ করা।

৪৪) মৌকুফ 👉 মাপ।

৪৫) দিশারী রেখা 👉 দিকনির্দেশনা।

৪৬) হেবা বিল এওয়াজ 👉 কোন জিনিসের পরিবর্তে ভূমি/জমি দান করাকে হেবা বিল এওয়াজ বলে।

৪৭) বাটা দাগ 👉 কাটা দাগ এটি ভগ্নাংশ আকারে থাকে, যার উপরের সংখ্যা আগের দাগ এবং নিচের সংখ্যা এই দাগের বাটা।

৪৮) অধুনা 👉 বর্তমান।

৪৯) রোক 👉 নগদ।

৫০) ভায়া 👉 বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল।

৫১) দান সূত্র 👉 কোনো ভূমি দলিল মূলে দান করিলে দান গ্রহণকারী দান সূত্রে ভূমির মালিক বলিয়া গন্য হয়।

৫২) দাখিল খারিজ 👉 কোনো জোতের ভূমি ও জমা হইতে কতেকাংশ ভূমির খরিদ্দার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যাক্তিকে পৃথকভাবে নাম জারি করিয়া দিলে তাহাকে দাখিল খারিজ বলে।

৫৩) তফসিল 👉 তালিকা, কোনো দলিলের নিম্নভাগে লিখিত সম্পত্তির তালিকাকে তফসিল বলে।

৫৪) খারিজ 👉 যখন কোনো সরকার বা জমিদার কোনো প্রজাকে তাহার অংশীদারের জমা হইতে পৃথকভাবে খাজনা দিবার অনুমতি দেন তখন তাহাকে খারিজ বলে।

৫৫) খতিয়ান 👉 প্রত্যেক মৌজার এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয় তাহাকে খাতিয়ান বলা হয়। খতিয়ানে তৌজি নম্বর, পরগনার নাম, জে.এল বা গ্রামের নাম, খতিয়ান নম্বর, স্বত্ত্বের বিবরণ মালিকের নাম, তাহার পিতা ও গ্রামের নাম, দাগ নম্বর, প্রত্যেক দাগের উত্তর সীমানা, ভূমির প্রকার অর্থাৎ (ডাঙ্গা, ধানী, ডোবা, পতিত, গর্ত, হালট, ইত্যাদি) দখলকারের নাম, ভূমির ষোল আনা পরিমাণ, হিস্যা ও হিস্যা মত পরিমাণ একর লিখিত থাকে।

৫৬) জরিপ 👉 সাধারণত কর নির্ধারণ ভিত্তিতেই এই সার্ভে করা হইয়া থাকে।

৫৭) এওয়াজ সূত্র 👉সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিসের বদলে সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিস প্রাপ্ত হইলে তাহাকে এওয়াজ সূত্রে প্রাপ্ত বলা হয় ইহাকে বদল সূত্রও বলে।

৫৮) অছিয়তনামা 👉 যদি কোনো ব্যাক্তি মৃত্যুর পূর্বে তাহার ওয়ারিশ বা আত্বীয় স্বজনকে তার স্থাবর- অস্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সম্পর্কে দলিল মূলে কোনো নির্দেশ দিয়া যান তবে তাহাকে অছিয়তনামা বলে। মৃত্যুর পর উক্ত অছিয়ত প্রবলের জন্য জেলা জজ সাহেব হইতে অনুমতি লইতে হয় হিন্দু ধর্মে উহাকে উইল বলে।

৫৯) তফসিল 👉 বিক্রিত জমির তালিকা।

৬০) নামজারী 👉 অন্যান্য অংশীদার থেকে নিজের নাম খতিয়ানে খোলাকে নামজারী বলে।

৬১) অধীনস্থ স্বত্ত্ব 👉 উপরিস্থিত স্বত্ব বা জমিদারী স্বত্বের অধীনে কোনো স্বত্ত্ব সৃষ্টি করিলে তাহাকে অধীনস্থ স্বত্ত্ব বা নীচস্থ স্বত্ত্ব বলে।

৬২) আলামত 👉 ম্যাপের মধ্যে গাছপালা, বাড়ীঘর, মন্দির, মসজিদ, গোরস্থান, জলভূমি, ইত্যাদি বুঝাইবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে আলামত বলে।

৬৩) আমলনামা 👉 কোনো ব্যক্তি অন্যের নিকট হইতে কোনো ভূমি নিলাম বা খোস – খরিদ করিয়া ভূমিতে দখল লওয়ার যে দলিল প্রাপ্ত হয় তাহাকে আমনামা বলে।

৬৪) আসলি 👉 মূল ভূমি।

৬৫) আধি 👉 উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক ভূমির মালিক, অর্ধেক প্রজায় রাখিলে তাহাকে আধি বা বর্গ বলে।

৬৬) ইজারা 👉 ঠিকা। নির্দিষ্ট খাজনায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তালুক বা মহলাদির বন্দোবস্ত দেওয়া বা নেওয়া।

৬৭) ইয়াদদন্ত 👉 স্মারকলিপি।

৬৮) ইন্তেহার 👉 ঘোষণাপত্র।

৬৯) এস্টেট 👉 ১৭৯৩ সালে সরকার বাহাদুর যে সমস্ত মহাল স্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দিয়াছেন তাহাদিগকে জমিদারী বা এস্টেট বলে।

৭০) ওয়াকফ 👉 ধর্মীয় কাজের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।

৭১) কিত্তা 👉 চারিটি আইন দ্বারা বেষ্টিত ভূমি খন্ডকে এক একটি কিত্তা বা পট বলে।

৭২) কিস্তোয়ার জরিপ 👉 গ্রামের অন্তর্গত জমিগুলো কিত্তা কিত্তা করে জরিপ করার নাম কিস্তোয়ার

৭৩) কিস্তি 👉 নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী টাকা দিবার অঙ্গীকার বা ব্যবস্থা।

৭৪) কায়েম স্বত্ত্ব 👉 চিরস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া ভূমিকে কায়েম স্বত্ত্ব বলে।

৭৫) কবুলিয়ত 👉 মালিকের বরাবরে স্বীকারোক্তি করিয়া কোনো দলিল দিলে তাহাকে বকুলিয়ত বলে। কবুলিয়াত নানা প্রকার। যথা- রায়তি, দর রায়তি, কোর্ফা ও আদি বর্গা কবুলিয়াত।

৭৬) কটকোবালা 👉 সুদের পরিবর্তে মহাজনের দখলে জমি দিয়া টাকা কর্জ করত: যে দলিল দেওয়া হয় তাহাকে কটকোবালা বল।

৭৭) কান্দা 👉 উচ্চ ভূমি। গোবামের সন্নিকটস্থ ভূমিকেও কান্দা বলে।

৭৮) কিসমত 👉 মৌজার অংশকে কিসমত বলে।

৭৯) কোলা ভূমি 👉 বসত বাড়ীর সংলগ্ন নাল জমিকে কোলা ভূমি বলে।

৮০) কোল 👉 নদীর কোনো ছোট অংশ তাহার প্রধান স্রোতের সহিত বা হইতে সংযুক্ত হইয়া গেলে তাহাকে কোল বলে।

৮১) খানাপুরী 👉 প্রাথমিক স্বত্ত্ব লিপি। ইহা রেকর্ড অব রাইটস তৈরির ধাপ। খসড়া ও খতিয়ানের কলাম বা ঘর পূরণ করাই ইহার কাজ।

৮২) খামার 👉 ভূম্যধিকারী খাস দখলীয় ভূমিকে খামার, খাস-খামার, নিজ জোত বা কমত বলে।

৮৩) খাইখন্দক 👉 ডোবগর্ত, খাল, নালা ইত্যাদি চাষের অযোগ্য ভূমিকে খাইখন্দক বলে।

৮৪) খিরাজ 👉 কর, খাজনা।

৮৫) খানে খোদাঃ মসজিদ।

৮৬) খসড়াঃ জমির মোটামুটি বর্ণনা।

৮৭) গর বন্দোবস্তিঃ যে জমির কোনো বন্দোবস্ত দেওয়া হয় নাই।

৮৮) গরলায়েক পতিতঃ খাল, নালা, তীরচর, ঝাড়, জঙ্গল ইত্যাদি অনাবাদি ভূমিকে গরলায়েক পতিত বলে।

৮৯) গির্বিঃ বন্ধক।

৯০) চক 👉 থক বসত ম্যাপের এক একটি পটকে চক বলে।

৯১) জমা বন্দী 👉 খাজনার তালিকা।

৯২) চাকরাণ 👉 জমিদার বাড়ীর কাজ-কর্ম নির্বাহ করণার্থে ভোগ-দখল করিবার নিমিত্তে যে জমি দেওয়া হয় তাহাকে চাকরাণ বলে।

৯৩) চাঁদা 👉 জরিপ কার্যে নির্দিষ্ট করা স্টেশনকে চাঁদা বলে।

৯৪) চটান 👉 বাড়ীর সন্নিকটস্থ উচ্চ পতিত স্থানকে চটান বলে।

৯৫) চালা 👉 উচ্চ আবাদি ভূমি (পুকুরের পাড় ইত্যাদি)

৯৬) চর 👉 পলিমাটি গঠিত ভূমি।

৯৭) জবর-দখল 👉 জোরপূর্বক দখল।

৯৮) জমা 👉 এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে খাজনা দেওয়া হয় তাহাকে এক একটি জমা বলে।

৯৯) জোত 👉 এক প্রকার প্রজাস্বত্ত্ব।

১০০) জজিরা 👉 নাব্য নদীতে যে দ্বীপ গঠিত হয় তাহাকে জজিরা বলে।

১০১) জায়সুদী 👉 হস্তান্তরকরণ ক্ষমতা ব্যতীত কিয়ং কালের জন্য বন্ধক। অর্থাৎ মহাজনের নিকট বন্ধক দিয়া যদি এই মর্মে টাকা কর্জ করা যায়, যে যতদিন পর্যন্ত আসল টাকা পরিশোধ না হইবে ততদিন পর্যন্ত মহাজন উক্ত জমি ভোগ-দখল করিতে থাকিবেন, তবে তাহাকে জায়সুরি বলে।

১০২) জালি 👉 এক প্রকার ধান যাহা জলাভূমিতে জন্মে।

১০৩) টেক 👉 নদী ভগ্নস্থান ভরাট হইয়া যে পয়স্তি উৎপন্ন হয় তাহাকে টেক বলে।

১০৪) টাভার্স 👉 ঘের জরিপ।

১০৫) ঠিকা রায়ত 👉 নির্দিষ্ট মেয়াদে সাময়িকভাবে দখলকারকে ঠিক রায়ত বলে অথবা যে রায়তের কোনো দখলি স্বত্ত্ব নেই।

১০৬) ঢোল সহরত 👉 কোনো ক্রোক, নিলাম ইস্তেহার বা দখলি পরওয়ানা সরজমিনে ঢোল পিটাইয়া জারি করাকে ঢোল সহরত বলে।

১০৭) তামিল 👉 আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন করা।

১০৮) তামাদি 👉 খাজনা আদায় করার নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম হইলে তাহাকে তামাদি বলে।

১০৯) তুদাবন্দী 👉 সীমানা নির্দেশ।

১১০) তহশিল 👉 খাজনাদি আয়ের নিমিত্ত নির্দিষ্ট এলাকাকে তহশিল বলে।

১১১) তলবানা 👉 সমন জারির সময় পিয়নকে প্রদত্ত ফিস।

১১২) তলববাকী 👉 বকেয়া খাজনা আদায়ের কিস্তি।

১১৩) তালুক 👉 নিম্নস্থ স্বত্ত্ব।

১১৪) তরমিমঃ শুদ্ধকরণ।

১১৫) তরতিব 👉 শৃংখলা।

১১৬) তৌজি 👉 ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয় ভূমির জন্য কালেক্টরীতে যে রেজিষ্ট্রী বই থাকে তাহাকে তৌজি বলে। প্রত্যেক তৌজির ক্রমিক নম্বর থাকে। জমিদারের অধীন প্রজার জোতকেও তৌজি বলা হয়।

🔸১১৭) দিয়ারা 👉 পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।

১১৮) দর পত্তনী 👉 পত্তনীর অধীন।

১১৯) দখলী স্বত্ত্ব বিশিষ্ট প্রজা 👉 দখলদার হিসেবে যে প্রজার স্বত্ত্ব আছে।

১২০) দশসালা বন্দোবস্ত 👉 দশ বৎসরের মেয়াদে বন্দোবস্ত দেওয়াকে দশসালা বন্দোবস্ত বলে।

১২১) দিয়ারা 👉 পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।

১২২) দাগ নম্বর 👉মৌজা নকশায় প্রত্যেক প্লটের যে সিরিয়াল নম্বর বসান হয়,তাহাকে দাগ নম্বর বলে।

১২৩) দরবস্ত 👉 সমুদয়।

১২৪) নথি 👉 রেকর্ড।

১২৫) দেবোত্তর 👉 দেবতাদিগকে প্রদত্ত নিষ্কর ভূমি।

১২৬) দেবিচর 👉 যে সকল বালুচর সাধারণ জোয়ারের পানিতে ডুবিয়া যায় তাহাদিগকে দেবিচর বলে।

১২৭) দিঘলি 👉 নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা আদায়কারী একপ্রকার প্রজা।

১২৮) নক্সা ভাওড়ন 👉 পূর্ব জরিপ অনুসারে গ্রামের সীমাগুলো এখন আর ঠিক মতো পাওয়া যায় না। ফলে সীমানা লইয়া প্রায়ই জমিদারের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। পূর্বের ফিল্ডবুক অনুসারে প্রত্যেক লাইনের মাপ ও বিয়ারিং লইয়া, লাইনটি প্রথমে যেখানে যেভাবে ছিল, তা চিহ্নিত করিয়া, কোন জমি কোন মৌজার অন্তর্গত,তাহা ঠিক করার নামই,নক্সা ভাওড়ান বা রিলেইং বাউন্ডারীজ।

১২৯) নামজারী 👉 ভূম্যধিকারী সরকারের সাবেক নামের পরিবর্তে খরিদ্দার অথবা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রী করাকে নামজারী বলে।

🔸১৩০) নাম খারিজ বা জমা খারিজ 👉 ১৬ আনা জোতার মোট জমা হইতে নামজারীকৃত ওয়ারিশ বা খরিদ্দারের দখলীয় জমির জমা ১৬ আনা জোতার জমার হার অনুসারে জাম ভাগ করিয়া দিয়া পৃথক জমা সৃষ্টি করাকে নাম খারিজ বা জাম খারিজ বলে।

🙏ভূল হলে ক্ষমা করবেন🙏

13/04/2021

সকলকে রমজান মাসের শুভেচ্ছা

26/08/2020

(বায়না দলিলের শর্তাবলি সম্পর্কে জানুন)

রেজিস্ট্রেশন (সংশোধন) আইন ২০০৪ এর ১৭-এ ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তি বিক্রির বায়না পত্র বা চুক্তি অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। যা সম্পাদনের তারিখ হতে ৩০ দিন এর মধ্যে হতে হবে।

বায়না দলিলের শর্তাবলিঃ
-------------------
১। প্রথম পক্ষ জমির দখল গ্রহন করতে এবং জমিতে সাইন বোর্ড লাগাতে পারবেন।................................................................
২। তামাদি (সংশোধন) আইন ২০০৪ এর বিধান অনুসারে বায়না দলিল রেজিস্ট্রির তারিখ হতে ১ বছরের মধ্যে রেজিস্ট্রির জন্য ‘বিক্রি দলিল’ সাব-রেজিস্টি অফিসে দাখিল করতে হবে।...............................................................
৩। বায়না দলিল রেজিস্ট্রির ১ বছরের মধ্যে প্রথম পক্ষ বায়না দলিলে উল্লিখিত অবশিষ্ট টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে দ্বিতীয় পক্ষ আদালতের মাধ্যমে বায়না চুক্তি বাতিলের মামলা করতে পারবেন। বায়না চুক্তি বাতিল হলে প্রথম পক্ষ কর্তৃক জমির কোনো উন্নয়ন করা হয়ে থাকলে তা দ্বিতীয় পক্ষের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে।................................................................
৪। বায়না দলিল রেজিস্ট্রির পর ১ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় পক্ষ বায়নাভূক্ত জমির বিক্রয় দলিল সম্পাদনে ব্যর্থ হলে প্রথম পক্ষ বায়না চুক্তিতে উল্লিখিত অবশিষ্ট টাকা আদালতে জমা দিয়ে বায়না চুক্তি ভঙ্গের মামলা করতে পারবেন।............................................................
৫। প্রথম পক্ষ জমিতে সাইট অফিস তৈরি ও জমির মাস্টার প্লান তৈরি করতে পারবেন।..............................................................
৬। প্রথম পক্ষ জমির উন্নয়ন করতে এবং প্লট আকারে বিভক্ত করতে পারবেন।

◾আপনার জমির খতিয়ান, দলিল, নকশা কোথায় পাবেন এবং কিভাবে পাবেন? ❖ আমাদের সকলের কমবেশি ভূমি বা জমি রয়েছে একটি জমির যে সকল...
12/05/2020

◾আপনার জমির খতিয়ান, দলিল, নকশা কোথায় পাবেন এবং কিভাবে পাবেন?

❖ আমাদের সকলের কমবেশি ভূমি বা জমি রয়েছে একটি জমির যে সকল ডকুমেন্ট থাকে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে 1) খতিয়ান বা পর্চা 2) দলিল 3) ম্যাপ বা নকশা

❖ অনেক সময় এই সমস্ত ডকুমেন্ট আমাদের সংগ্রহে থাকে না হারিয়ে যায়। চুরি হয়ে যায় অথবা নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু একটি নিষ্কণ্টক জমির জন্য এগুলো অপরিহার্য। এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয় করতে অথবা ব্যাংক হতে লোন নেওয়ার সময় ঝামেলায় পড়বেন। এছাড়াও স্থানীয় ভাবে হয়রানি বা ভোগান্তির সম্মুখীন হবেন।

◾প্রথমত জমির খতিয়ান কোথায় এবং কিভাবে পাবেন:
জমির খতিয়ান বা পর্চা মূলত চারটি অফিসে পাবেন।
1. ইউনিয়ন ভূমি অফিস
2. উপজেলা ভূমি অফিস
3.জেলা ডিসি অফিস
4. সেটেলমেন্ট অফিস

❖ 1.ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তফসিল অফিস:

এই অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি নিতে পারবেন না।
এই অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার না জানলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন।
জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।
❖ ২.উপজেলা ভূমি অফিস :
এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন।
যদিও এই অফিস এর মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা।

❖3.জেলা ডিসি অফিস :

এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে?

উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য মাত্র 20 টাকা বা কোর্ট ফি।
সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।


❖ ৪. সেটেলমেন্ট অফিস :
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।

◾দ্বিতীয়তঃ জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?

দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
1. উপজেলা সাব রেজিস্ট্রি অফিস ২. জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

❖ উপজেলা সাব রেজিস্ট্রি অফিস :

যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়।
কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

❖ জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম:

এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
যদি কোন দলিল সঠিকভাবে তল্লাশি করে না পাওয়া যায় তাহলে দ্বিতীয় আর কোন অফিস হতে সংগ্রহ করতে
পারবেন না।

❖ দলিল তুলতে কত টাকা খরচ হয়:

সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ওই স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।

◾সর্বশেষ জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন:

ম্যাপ বা নকশা মূলত দুইটি অফিসে পাবেন ১. জেলা ডিসি অফিস 2 ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।


❖ জেলা ডিসি অফিস:

এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম + 20 টাকার কোর্ট ফি এবং 500 টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডিসি আর আর বাবদ।

অর্থাৎ 520 টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।

❖ ২. জমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।

সারা বাংলাদেশের যেকোনো মৌজা ম্যাপ
সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ তুলতে পারবেন।

এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও বেশি।
সারা বাংলাদেশের যেকোনো ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায় ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডিসিআর মোট= 520টাকা।

20/12/2015
10/11/2015

ভুমির পরিমাপ

৪৩৫.৬০ বর্গফুট= ১ শতাংশ= ১০০ অযুতাংশ
৪৩৫৬০ বর্গফুট= ১ একর=১০০ শতাংশ=৩.০৩০৩০৩০৩...বিঘা
১৪৫২০ বর্গফুট= ১ বিঘা= ২০ কাঠা=৩৩ শতাংশ
৭২১.৪৬ বর্গফুট= ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ
১ একর=৪০৪৭ বর্গমিটার=৩ বিঘা ৮ ছটাক=৬০.৫ কাঠা
১হেক্টর=১০০০০ বর্গমিটার=২.৪৭ একর=৭.৪৭ বিঘা=১০০ এয়র
গান্টার শিকল(একর,শতক এবং মাইলস্টোন বসানোর জন্য)= ২০.৩১ মিটার(প্রায়) বা ৬৬ ফুট।

09/11/2015

ভূমি উন্নয়ন কর
Information
কৃষি জমির ভূমি উন্নয়ন কর
১৪০২ - ১৪২২(৩০.০৬.২০১৫ খ্রি: পর্যন্ত)

জমির পরিমাণ ভূমি উন্নয়ন করের হার
ক) ৮.২৫ একর পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হইবে না
খ) ৮.২৫ একরের উর্দ্ধ হইতে ১০.০০ একর পর্যন্ত প্রতি শতাংশ ০.৫০ টাকা হারে
গ) ১০.০০ একরের উর্দ্ধে প্রতি শতাংশ ১.০০ টাকা হারে
অকৃষি জমির ভূমি উন্নয়ন কর
১৪০২-১৪২২(৩০.০৬.২০১৫ খ্রি: পর্যন্ত)

শিল্প/বাণির্জিক কাজে ব্যবহৃত জমির করের হার আবাসিক অথবা অন্য কাজে ব্যবহৃত জমির করের হার
১। ঢাকা জেলার কোতয়ালী, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, সূত্রাপুর, লালবাগ, রমনা, ধানমন্ডি, তেজগাঁও, ডেমরা, মতিঝিল, সবুজবাগ (সাবেক) গুলশান, টংগী, কেরানীগঞ্জ, জয়দেবপুর, নারায়ণগঞ্জ, বন্দর, ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ ও লালবাগ থানা এলাকা। টাকা ১২৫.০০ (একশত পঁচিশ) টাকা প্রতি শতাংশ টাকা ২২.০০ (বাইশ) টাকা প্রতি শতাংশ
(খ) নারায়নগঞ্জ জেলার নারায়নগঞ্জ, বন্দর, ফতুল্লা ও সিদ্দিরগঞ্জ থানা এলাকা। -ঐ- -ঐ-
(গ) গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর থানা এলাকা -ঐ- -ঐ-
(ঘ) চট্টগ্রামের কোতয়ালী, পাঁচলাইশ, ডবলমুরিং, সীতাকুন্ড, বন্দর, হাটহাজারী ও রাংগুনিয়া থানা/উপজেলা এলাকা। -ঐ- -ঐ-
(ঙ) খুলনার কোতয়ালী, দৌলতপুর ও ফুলতলা থানা/উপজেলা এলাকা। -ঐ- -ঐ-
২। পুরাতন জেলা সদরের পৌরসভা এলাকা। ২২.০০ টাকা ৭.০০ টাকা
৩। উপরে উল্লেখিত থানা/উপজেলা/পৌরসভার বহির্ভূত অন্য যে কোন এলাকা। ১৭.০০ টাকা ও ১৫.০০ টাকা পাকা ভিটি ৬.০০ টাকা ও ৫.০০ টাকা পাকা ভিটি
ভূমি উন্নয়ন করের হার সময়োপযোগী ও ন্যায়ানুগ করার লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রণালয় ৩০/০৬/২০১৫ তারিখে একটি প্রজ্ঞাপন জারী করেছে যেটি ১ লা জুলাই ২০১৫ হতে কার্যকর বলে গণ্য হবে, সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হলো।

কৃষি জমির ভূমি উন্নয়ন করঃ
(ক) ব্যক্তি ও পরিবারভিত্তিক কৃষি জমির মোট পরিমান ৮.২৫ একর (২৫ বিঘা) পর্যন্ত হইলে কোন ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হইবে না। উক্ত মওকুফের আওতায় ইক্ষ ুআবাদ, লবন চাষের জমি এবং কৃষকের পুকুর (বানিজ্যিক মৎস্য চাষ ব্যতীত) অর্ন্তভূক্ত হইবে; তবে নিম্নের (খ) দফায় বর্নিত ভূমি অর্ন্তভূক্ত হইবে না।
(খ) ব্যক্তি ও পরিবার ভিত্তিক কৃষি জমির মোট পরিমান ৮.২৫ একরের (২৫ বিঘার) অধিক হইলে বা কোন সংস্থা কর্তৃক যে কোন পরিমান কৃষি জমি অধিকৃত হইলে, যে কোন মালিক কর্তৃক চা, কফি, রাবার, ফুল বা ফলের বাগান এবং বানিজ্যিকভাবে মৎস্য চাষ, চিংড়ী চাষ, হাঁস মুরগীর ও গবাদি পশুর খামার ইথ্যাদি বিশেষ

06/11/2015

জমির দলিল জাল কিনা কিভাবে পরিক্ষা করবেন জেনে রাখা ভালো
# সাবরেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের প্রকৃতি অনুযায়ী চারটি ভলিউম বা রেজিস্টার লেখা হয়ে থাকে। কোন দলিল নিয়ে সন্দেহ হলে রেজিষ্ট্রি অফিসে সংরক্ষণ করা দলিলের সাল মিলিয়ে দেখতে হবে।
# এক জমির একাধিক মালিকের নামে করা থাকলে ধরে নিতে হবে দলিলটি জাল হতে পারে। এক্ষেত্রে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে মূল মালিক কে? তা নির্ণয় করতে হবে।
# অনেক স্বাক্ষর জালিয়াতি করে দলিলদাতা বা গ্রহীতার সাজা হয়। এ ক্ষেত্রে স্বাক্ষর বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করা যেতে পারে।
# খেয়াল রাখতে হবে, অনেক আগের দলিলে আগের চিহ্নিত কিছু সীল ব্যবহার করাই থাকে। আগের দলিল সীল যদি নতুন হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে দলিলটি জাল হতে পারে।
# দলিল রেজিষ্ট্রির তারিখ কোন সরকারী বন্ধের দিন থাকলে সন্দেহের অবকাশ থাকবে।
# অনেক সময় অর্পিত সম্পত্তি বা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি জীবিত দেখিয়ে জাল করা হয়।
# সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস হতে নামজারী সম্পর্কে খোজ নিতে হবে। নামজারীতে ধারাবাহিকতা ঠিক আছে কি না তা যাচাই করতে হবে।
# সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, জরিপ খতিয়ানে জমির পরিমাণ পরবর্তী সময়ে যতবার বিক্রি হয়েছে, তার সঙ্গে জমির পরিমাণ মিল আছে কি না, তা যাচাই করে দেখা।
# দাগ নং ও ঠিকানা ঠিক আছে কি না যাচাই করতে হবে।
# ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) নিয়মিত পরিশোধ করা আছে কি না। রশিদের কপি সংগ্রহ করে সঠিক নামে ভুমি উন্নয়ন কর (খাজনা) দেয়া আছে কি না দেখতে হবে।
01915160842

05/11/2015

খতিয়ান জালিয়াতি হলে করণীয়
Information
ভূমি জরিপের ক্ষেত্রে ৩০ ও ৩১ ধারায় প্রয়োগ:
ভূমি জরিপের ক্ষেত্রে অনেকগুলো ধাপ পার হতে হয়। যেমন ট্রাভার্স সার্ভে, কিস্তোয়ার, খানাপুরি, বুঝারত, খানাপুরি কাম বুঝারত, তসদিক বা এটেস্টেশন, খসড়া রেকর্ড প্রকাশনা। খসড়া প্রকাশনার সময় রেকর্ডে কোন প্রকার ভুলভ্রান্তি থাকতে পারে। খসড়া পাবলিকেশন্স যাকে সংক্ষেপে ডিপি বলা হয়। এ পর্যায়ে কারও কোন অভিযোগ থাকলে তা উত্থাপনের সুযোগ থাকে। কোনো ভূমির জরিপ চলাকালে কারও কোন অভিযোগ থাকলে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

প্রজাস্বত্ব বিধিমালার ৩০ ও ৩১ বিধিতে আপত্তি ও আপিলের সুযোগ রয়েছে। কোন ভূমি জরিপের প্রকাশিত খসড়া খতিয়ান সম্পর্কে কারও কোন আপত্তি বা দাবি থাকলে সরকার নির্ধারিত ১০ টাকার কোর্ট ফি দিয়ে আপত্তি দায়ের করা যাবে। এটিই ৩০ বিধির আপত্তি। এই স্তরে সরকারী সেবা প্রদানে নিয়োজিত কর্মকর্তা হলেন সংশ্লিষ্ট আপত্তি অফিসার বা সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার বা উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসার। দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসরণে এটি একটি বিচারিক কার্যক্রম। পক্ষগণ নিজে অথবা প্রয়োজনে মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে নিজ নিজ দাবি আপত্তি অফিসারের কাছে উত্থাপন করতে পারেন। এই স্তরে দাখিলকৃত আপত্তি কেসগুলো নিস্পত্তির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার নোটিশের মাধ্যমে বাদী-বিবাদী পক্ষকে হাজির করে পক্ষ বিপক্ষের বত্তব্য শুনবেন ও বিশ্লেষণপূর্বক রায় প্রদান করবেন এবং অবশ্যই রায় মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন করবেন।

আপত্তি কেসের রায় দ্বারা কোন পক্ষ সংক্ষুদ্ধ হলে তিনি রায় প্রদানের ৩০ দিনের মধ্যে নির্ধারিত ফরমে ও নির্ধারিত ফি প্রদান করে সিনিয়র সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের কাছে ৩১ বিধিতে আপিল দায়ের করতে পারেন। আপিল অফিসার সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নোটিশ প্রদান করে এবং ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে শুনানীর সুযোগ প্রদান করে আপিল নিস্পত্তি করবেন। আপিল রায় মোতাবেক প্রয়োজনে খতিয়ান সংশোধন করা হবে।

মোবাইল নং 01915160842 ও 01401339911

05/11/2015

(((আসা করি আপনাদের অনেক উপকার হবে)))

বিলম্বে নামজারী করার ফলাফল:
১. ভূমি উন্নয়ন কর আদায় ও প্রদানে জটিলতার সৃষ্টি হয়।
২. বকেয়া ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের জন্য সার্টিফিকেট মামলা দায়ের হয়। সার্টিফিকেট মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নামজারি সম্ভব নয়। ফলে নামজারি আরো বিলম্ব হয়। সঠিকভাবে ভূমি সংক্রান্ত বিবরণ পাওয়া যায় না।
৩. জমি ক্রয় বিক্রয়ের জটিলতার সৃষ্টি হয়। সর্বোপরি মালিকানা বা দখল প্রমাণের ক্ষেত্রে নামজারি সংক্রান্ত কাগজাপত্রাদি গুরুত্বপূর্ন কাগজ হিসাবে বিবেচিত হয়ে থাকে।

উত্তরাধিকার মুলে মিউটেশনঃ
ভূমি মালিকের মৃত্যুতে বা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির মালিকানা পরিবর্তনের জন্য সরাসরি আবেদনের ক্ষেত্রে নামজারী রেজিস্টার ৯ এর ১ম খন্ড ব্যবহৃত হয়।

হস্তান্তর মুলে মিউটেশনঃ
ভূমি হস্তান্তর আইন এবং রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান অনুসারে স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়, দান বা ওয়াকফ ইত্যাদি জনিত কারণে হস্তান্তর দলিল রেজিস্ট্রি করতে হয় এবং এ হস্তান্তর দলিলের মাধ্যমে অথবা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের থেকে এল,টি নোটিশের প্রাপ্তি সাপেক্ষে নামজারীর রেজিস্ট্রার ৯ এর ২য় খন্ড ব্যবহৃত হয়।
(((আরো গুরুত্ত পূর্ন তথ্য জানতে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন)))

Address

12/1goborchaka Main Road, Snadanga
Khulna
9100

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801401339911

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জমি ক্রয় বিক্রয় মিডিয়া খুলনা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to জমি ক্রয় বিক্রয় মিডিয়া খুলনা:

Share

Category