Mohin Islam

Mohin Islam حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ🤍

" আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই সর্বোত্তম কার্য সম্পাদনকারী। "
আল কুরআন [৩:১৭৩] ' 📖

08/08/2026

মুত্তাকী দের অহংকার তারা নিজেকে বড়ো মুত্তাকী ভাবে।

03/08/2026

আমাদের 'আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা' অত্যন্ত দয়াময় কিন্তু তিনি ন্যায় বিচারক। তার মানদন্ড থেকে কেউ পালিয়ে যেতে ও পারবেনা। যদি কেউ পলানোর চেষ্টা করে!

আল্লাহ বলেন। তোমরা যদি আকাশ ও পৃথিবীর সিমানা অতিক্রম করে পালিয়ে যেতে পারো তবে পালিয়ে দেখো পালাতে পারবেনা এজন্য বড়ো শক্তি প্রয়োজন। সুরা আর-রহমান। ৩৩

আর। যদি তোমরা পালানোর চেষ্টা করো তবে তোমাদের দিকে আগুনের সিকা ও ধোঁয়া ছেরে দেওয়া হবে যা তোমরা মোকাবেলা করতে পারবেনা। সুরা আর-রহমান। ৩৫

সমাজে এমনই কিছু মানুষ রয়েছে ' যারা বিভিন্ন ভঙ্গিতে ' বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে মানুষের গীবত করা ' গেপনে পাপে লিপ্ত হওয়া ' মানুষের নামে অন্যায় অপবাদ দেয় ' জুলুম করে ' অন্যের হক নষ্ট ' হিংসা অহংকার ইত্যাদি..। অপকর্মের সাথেই তারা সংযুক্ত।

এদের ব্যাপারে আল্লাহ বলেন। তাদের অধিকাংশের জন্য শাস্তির বিষয় অবধারিত হয়েছে, সুতরাং তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না। সুরা ইয়াসিন। ৭

আমার মতে। তারা মুলত সে তার নিজের আল্লাহর ব্যাপারে ভুলে যায় ' আল্লাহকে চেনেনা এবং তার রবকে জানার চেষ্টা করে না ' সে কোথায় ছিলো ' কে তাকে সৃষ্টি করেছেন ' কে তাকে দুনিয়াতে পাঠিয়েছে ' কেন পাঠানো হয়েছে ' এরা আল্লাহকে ছেড়ে সয়তানকে ইলাহা বনিয়ে নিয়েছে এবং তার দাসত্ব করে।

আল্লাহ বলেন। তারা আল্লাহর পরিবর্তে অনেক উপাস্য গ্রহণ করেছে যাতে তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হতে পারে। সুরা ইয়াসিন। ৭৪

তাদের ব্যাপারে। আল্লাহ বলেন। আমি তাদের গর্দানে চিবুক পর্যন্ত বেড়ি পরিয়েছি। ফলে তাদের মস্তক ঊর্ধ্বমুখী হয়ে গেছে। সুরা ইয়াসিন। ৮

আমাদের সবার সতর্ক হওয়া উচিত যারা আমরা 'আল্লাহর নিদর্শন সম্পর্কে' উদাসীন।

আপনি কেবল তাদেরই সতর্ক করতে পারেন, যারা উপদেশ অনুসরণ করে এবং দয়াময় আল্লাহকে না দেখে ভয় করে। অতএব আপনি তাদের সুসংবাদ দিয়ে দিন ক্ষমা ও সম্মানজনক পুরস্কারের। সুরা ইয়াসিন। ১১

আল্লাহকে ' যাদের পরিপূর্ণ বিশ্বাস করার Confidence নাই তারা কখনো মুমিন হতে পারবেনা।

আপনি যদি মুমিন হোন ' তাহলে আপনার অন্তরে 'আল্লাহ ও তার রাসুলুল্লাহ সাঃ' এর ভালোবাসায় চোখ থেকে ওশ্রু প্রবাহিত হবে। এবং অন্তরে এক আলাদা সান্ত্বনা ও আনন্দিত খুশি অনুভূতি হবে। সুবহানাল্লাহ।

আপনার অন্তর জাগরণ থাকবে ' মনে হবে আল্লাহ আপনাকে দেখছেন ' আপনি আল্লাহর ভয়ে পাপ কাজ থেকে বিরত থাকবেন।

যেমন......।

' আল ক্বহ্হার অর্থ: মহাশাস্তিদাতা ' মনে রাখবেন, যখন আপনি কাউকে অন্যায় ভাবে বিচার বা জুলুম করেন।

' আর রহমান,আর রহিম অর্থ: পরম করুনাময় অতি দয়ালু ' যখন কেউ আপনার কাছে সাহায্য কামনা করেন তাকে সমর্থ অনুযায়ী দান করুন, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য।

' আল ওয়াহ্হাব,অর্থ: মহাপুরস্কারদাতা ' ভালো কাজে উতসাহ দিন আল্লাহ আপনাকে পুরস্কৃত করবেন।

সুবহানাল্লাহ ' আলহামদুলিল্লাহ ' আল্লাহু আকবার ' ওয়া লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিউলআজিম ' আমিন!

20/07/2026

لِتُنۡذِرَ قَوۡمًا مَّاۤ اُنۡذِرَ اٰبَآؤُهُمۡ فَهُمۡ غٰفِلُوۡنَ‏ . ٦

তুমি সতর্ক করতে পার এমন এক সম্প্রদায়কে যাদের পিৃতপুরুষদেরকে সতর্ক করা হয়নি, কাজেই তারা (আল্লাহর নিদর্শন সম্পর্কে) উদাসীন।

سورة يس

20/04/2026

মহানবী সা. প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচার শুরুর পর তার ওপর অকথ্য নির্যাতন শুরু করে কুরাইশরা। কুরাইশদের নির্যাতনের সময় ঢাল হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন চাচা আবু তালিব ও নবীজির সহধর্মীনী হজরত খাদিজা রা.।

তারা মহানবী সা.-কে মানসিকভাবে অভয় ও আশ্বাস বাণী দিয়ে সহযোগিতা করেছেন সবসময়। তাদের ইন্তেকালের পর কুরাইশদের নির্যাতন বেড়ে যায়। এসময় রাসূল সা. মক্কা থেকে ৭৫ মাইল দূরে অবস্থিত তায়েফ গমন করেন।

তায়েফে ১০ দিন তিনি গোপনে, প্রকাশ্যে, একাকী ও সামগ্রিকভাবে দাওয়াত দেন। তিনি বাজারে দাঁড়িয়ে কোরআন তিলাওয়াত করেন এবং ইসলাম ও মুসলমানের পক্ষে তাদের সাহায্য-সহযোগিতা কামনা করেন।

কিন্তু তায়েফবাসী তাকে হতাশ করে এবং তারা চূড়ান্ত পর্যায়ের দুর্ব্যবহার ও অত্যাচার করে মহানবী সা.-এর ওপর।

রাসূল সা. তায়েফের নেত্রীস্থানীয়দের ইসলামের দাওয়াত দিলে তারা তা মানতে অস্বীকার করলো এবং তায়েফের সাধারণ মানুষদের মহানবী সা.-এর বিরুদ্ধে খেপিয়ে তুলল। (সিরাতে ইবনে হিশাম, পৃষ্ঠা ১০৮)

তারা মহানবী সা.-কে তায়েফ ত্যাগের নির্দেশ দিল। মহানবী সা. সেখান থেকে চলে যাওয়ার সময় উচ্ছৃঙ্খল বালকদের তার পেছনে লেলিয়ে দিল। তারা নবীজি সা.-এর দিকে পাথর নিক্ষেপ করে গালাগাল করতে শুরু করল।

তাদের পাথরের আঘাত ও অত্যাচারে মহানবী সা.-এর পুরো শরীরের রক্তাক্ত হয়ে যায়। রক্তে তার জুতা ভরে যায়।

এ সময় জায়িদ রা. অসামান্য আত্মত্যাগ স্বীকার করেন। তিনি মহানবী সা.-এর জন্য ঢাল হয়ে যান। যে দিক থেকে পাথর ছোড়া হচ্ছিল তিনি সেদিক থেকে তাঁকে আগলে রাখছিলেন। ফলে তার মাথার কয়েক জায়গায় কেটে যায়।

তাদের এই অত্যাচারে রাসূলুলুল্লাহ সা. মাটিতে বসে পড়তেন। তখন হতভাগারা তাঁর হাত ধরে উঠিয়ে দিত এবং সামনে চলতে বলত। আর সামনে পা বাড়ালেই পাথর নিক্ষেপ করত। (আর-রাহিকুল মাখতুম, পৃষ্ঠা ১৪৩; মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস : ১/৩৬২)

তায়েফ থেকে তিন মাইল দূরে অবস্থিত মক্কার উতবা, রাবিয়া ও শায়বাদের বাগানে আশ্রয় নেওয়া পর্যন্ত দুর্বৃত্তরা মহানবী সা.-এর পিছু নিয়েছিল। এখানে আশ্রয় নেওয়ার পর তিনি একটি দোয়া করেন। যা ‘দোয়ায়ে মুস্তাদয়িফিন’ (অসহায় মানুষের দোয়া) নামে পরিচিত।

তিনি তার দোয়ায় বলেন, ‘হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছেই ফরিয়াদ জানাই আমার দুর্বলতার, আমার নিঃস্বতার এবং মানুষের কাছে আমার মূল্যহীনতার। আপনি দয়ালুদের মধ্যে সর্বাধিক দয়ালু। অসহায় ও দুর্বলদের প্রতিপালক তো আপনিই! আমার প্রতিপালকও আপনি। আপনি কার হাতে আমাকে সোপর্দ করেছেন। অনাত্মীয় রুক্ষ চেহারাওয়ালাদের কাছে অথবা এমন শত্রুর কাছে আমাকে ঠেলে দিচ্ছেন, যারা আমার ও আমার কাজের ওপর প্রবল। আপনি যদি আমার ওপর অসন্তুষ্ট না হন তবে এর পরও আমি কোনো কিছুর পরোয়া করি না। তবে আপনার পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ও আফিয়াত আমার জন্য অধিক প্রশস্ত। হে আল্লাহ, আমি আপনার সত্তার নূরের আশ্রয় প্রার্থী, যা দিয়ে সমগ্র আঁধার আলোকিত হয়ে যায় এবং দ্বিন ও দুনিয়ার সব কিছু পরিশুদ্ধ হয়ে যায়। আপনি আমার ওপর কি অভিশাপ অবতীর্ণ করবেন বা ক্রোধান্বিত হবেন যে অবস্থায় আমি আপনার সন্তুষ্টি কামনা করি। সব শক্তি ও ক্ষমতা শুধু আপনারই। আপনার শক্তি ছাড়া কোনো শক্তি নেই।’

এ সময় আল্লাহ তায়েফের পাহাড়ের ফেরেশতাদের পাঠান। তারা মহানবী সা.-এর কাছে দুই পাহাড়ের মধ্যে অবস্থিত তায়েফের অধিবাসীদের পাহাড়ে পিষে ফেলার অনুমতি চাইল। কিন্তু মহানবী সা. তা দিতে অস্বীকার করেন এবং বলেন, আমি আশা করি, তাদের বংশধরদের মধ্যে এমন লোক জন্ম নেবে যারা এক আল্লাহর ইবাদত করবে এবং তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক করবে না। (নবীয়ে রহমত, পৃষ্ঠা ১৫৪)

17/04/2026

হাদিসে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, আল্লাহ তাআলা বলেছেন, "ইজ্জত-সম্মান আমার পোশাক এবং গর্ব-অহংকার আমার চাদর" যে ব্যক্তি এ দুয়ের কোনোটি নিয়ে টানাটানি (অহংকার) করবে, তাকে আমি জাহান্নামে নিক্ষেপ করব।" সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ' ২৬২০ [৬] ' অতীতে মানুষের কাপড় ছিল ময়লা , কিন্তু মন ছিল পরিষ্কার ' এই যুগে মানুষের কাপড় খুবই পরিষ্কার কিন্তু মনটা বড় নোংরা ও অপরিষ্কার, এটি শয়তানের স্বভাব এবং জাহান্নামে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ

"অহংকার সংক্রান্ত মূল বিষয়সমূহ:" হাদিসের বাণী: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "আল্লাহ বলেন, অহংকার আমার চাদর এবং শ্রেষ্ঠত্ব আমার লুঙ্গি স্বরূপ। যে ব্যক্তি এ দু’টি জিনিসে আমার শরীক হতে চায়, আমি তাকে দোজখে নিক্ষেপ করব"
পরিণাম: অহংকারী ব্যক্তির দিকে কিয়ামতের দিন আল্লাহ রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না, এবং তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি।
উদ্ধত আচরণ নিষিদ্ধ: মানুষের জন্য অহংকার বা দাম্ভিকতা প্রদর্শন করা, এমনকি গর্ব ভরে চলাও ইসলামে হারাম।

হে আল্লাহ, মহান রব্বুল ইজ্জত অল জালাল, আপনি তাদের মুখে সেই, মোহর নামক গজব নাজিল করেন যা আপনি ওয়াদা করেছেন, তাদের থেকে আপনার, এসকে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর আদর্শ বিনয়ী মুখে আপনি আপনার রহমতের চাদরে ঢেকে নিন, অতঃপর তাদের নিশানা সেই দিকে সামিল করুন তাদের নিয়ে আপনিই পরিকল্পনা করছেন।

09/03/2026

Mashallah, a very beautiful mosque.

Astana Grand Mosque!✨

08/03/2026

আমরা সবাই আদম হাওয়ার উত্তরসূরী আমাদের মধ্যে জেদ হিংসা অহংকার রাখা উচিত নয়।

08/03/2026

“لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍ”🌙
“লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।” (সূরা কদর: ৩)

Address

Khulna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohin Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category