20/10/2022
দুবাই সফর - ২
এবারে উত্তরা থেকে আমার বন্ধু মাওঃ মোস্তফা ভাই তার গাড়ি দিয়ে এয়ারপোর্ট নামিয়ে দিয়ে গেলেন, যেহেতু আমার লাগেজ ছিল ছোট তাই ট্রলি প্রয়োজন পড়েনি , লাগেজ টেনে নিয়ে স্ক্যানিং সেরে বর্ডিং এর সিরিয়ালে দারিয়ে গেলাম, যদিও ইতিপূর্বে অনেক দেশ সফর হয়েছে দুবাই ছিল প্রথম এবং ই পাসপোর্ট এর প্রথম সফর, আবার ই ভিসায় বর্ডিং এর সময় অনেক প্রশ্ন!! এই প্রথম যাচ্ছেন বার বার ভিসার দিকে তাকায় আবার আমার দিকে তাকায়, মনে হচ্ছিল এই বুঝি না করে দেয়।যাইহোক সবশেষে বডিং পেয়েই গেলাম, লাগেজ বুক করে এবার আনন্দে ইমিগ্রেসন এর দিকে
অগ্রসর হয়ে ইমিগ্রেসন অফিসারস এর সামনে যেতেই নতুন অভিগ্যতা
বলে ফেললেন পাসপোর্ট স্ক্যান করেছেন? স্ক্যান করে আসেন, অন্য অফিসারের সাহায্যে নিয়ে নিজে নিজেই স্ক্যান করে তারপর ইমিগ্রেসন কাজ সম্পন্ন করে ভিতরে চলে গেলাম এবার আর কোন চিন্তা নেই, সেখানে হটাৎই নজরে আসে ব্যাংকের মানিচেঞ্জার শোনালি, অগ্রণী, রুপালী বিভিন্ন ব্যাংকের বুথ, যদিও আমি ডলার নিয়ে নিছিলাম, দেখি এখানে রেট কত?? জিগ্যেস করতেই খেলাম ধাক্কা!!!!! আমি নিলাম ১১২/- করে আর এখানে নাকি ১০৭/- আফসোস করে লাভ নেই বাংলাদেশ, আমাদের দেশ, শোনার দেশ বলে কথা।এবার বিমানে উঠার পুর্বে লাস্ট চেকিং যেয়ে দেখি লম্বা লাইন, চিন্তা করলাম আসর নামজ পড়ে নেই, নামাজ সেরে চেকিং এর সময় নজরে আসলো একজন মিস্টির পেকেট হাতে ভিতরে যাচ্ছে, আমিও মিস্টি নিয়ে লাগেজে দিয়েছি হাতে নেওয়া যায় জানা ছিলনা। এবারে বিমান এর অপেক্ষা হটাৎ এসে বলল নামেন নামেন, নিচে নেমে ইউ এস বাংলা বাসে বসে বসে অপেক্ষা,🙂 ১০ মিনিট পর কর্মকর্তা গন এসে বললেন নামেন নামেন বিমান ৩০ মিনিট লেট উপরে গিয়ে অপেহ্মা করেন, কিছু করার নেই, কিন্তু প্রচন্ড পানি পিপাসা লেগেছে কি করা আনছার পুলিশ কে বললাম পানি, বড় একটা বতল দেখিয়ে বলল এখান থেকে খান একটু খেয়ে পিপাসা মিটেনি। তাই কর্মকর্তা দের বলে বাহিরে যেয়ে পানি হালকা নাস্তা করলাম মাঝে একটু বলে রাখি যাওয়ার সময় বডিং রেখে দিয়েছিল নাস্তার মাঝে কিছু ফোন এসে যায়, তাই নাস্তা সারতে দেরি হয়ে যায় এর মাঝে শুনতে পাই আমার নাম ধরে এলাউন্স হচ্ছে, তাড়াতাড়ি দৌড়ে চলে আসি বিমান সুধু আমার জন্য অপেহ্মা করছে নিচে আমার জন্য ইউ এস বাংলা টেক্সি দড়িয়ে আছে আমাকে বিমানে পৌছে টেক্সি চলে আাসলো আমি বিমানে উঠে গেলাম বাংলাদেশকে বিদায় জানালাম কয়েক দিনের জন্য।