12/05/2021
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মত চালু হতে যাচ্ছে মেট্রোরেল সেবা। এই মেট্রোরেল সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই পরিস্কার কোন ধারণা নেই এমনকি আমরা অনেকেই সাধারণ রেলের সাথে এই মেট্রোরেলকে গুলিয়ে ফেলছি।
এবার চলুন খুব শীঘ্রই চালু হতে যাওয়া এই মেট্রোরেল সম্পর্কে কিছু জানার চেষ্টা করি।
১. মেট্রোরেল জাপানের কাওয়াসাকি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ এ তৈরী ( JR মানের )
২. বাংলাদেশ রেলওয়ের সাথে এর কোন সম্পর্ক নাই । এটি সম্পূর্ন নতুন একটি প্রতিষ্ঠান । যার প্রকৌশলী থেকে শুরু করে কর্মচারী পর্যন্ত সবাই নতুন ভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত ।
৩. উদ্বোধনের পর থেকে ৫ বছর জাপানিজ ও দেশীয় প্রকৌশলীদের যৌথ তত্বাবধানে থাকবে ।
৪. Dedicated power supply থাকবে । যেটা সাধারণত গন ভবন বা বঙ্গভবন বা সেনা সদর এ থাকে । গুরুত্বপূর্ণ স্হাপনা বিধায় , এর Backup power supply এর জন নিজস্ব power supply রয়েছে ।
৫. স্বয়ংক্রিয় টিকেটিং ( Card System)ব্যবস্হা , বিধায় টাকা নাই ট্রেনে ফাও ওঠাও নাই । ঢুকতেই পারবেন না , কারণ টিকেট না কাটলে Entry দরজা খুলবে না ।
৬. বাংলাদেশের ট্রেনের ছাদে ওঠার স্বংস্কৃতিতে যারা বিশ্বাস করেন , তারা সাবধান ...11 KV হাই ভোল্টেজ এ মুরগী পোড়া হয়ে যাবেন ।
৭. ভাংচুর , সিট কাটা থেকে শিক্ষা নিয়ে , ট্রেনের সিট গুলো শক্ত প্লাস্টিকের তৈরী , যেগুলো হেভি টেম্পারড প্রযুক্তি গিয়ে তৈরী ।
৮. ট্রেনের সকল গ্লাস বুলেট প্রুফ ( JR standard ) | তাই ইট মারেন , হাতুড়ি পেটান 😉 সমস্যা নাই , ভাঙ্গবে না ।
৯. কোন প্রকার হকার এলাউড না । কারন নির্দিষ্ট সময় এর থেকে বেশী থাকলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে ভাড়া বেশী গুনতে হবে ।
১০. প্রতি বগীতে ছাদের সাথে ক্যামেরা আছে .. অতএব সাধু সাবধান .. প্রতি মুহুর্ত মনিটর করা হবে ...
আপনাদের যাত্রা শুভ হোক ...
©হাসান মাহিন
ছবি কালেক্টেড