13/06/2026
সে একজন জাতীয় পর্যায়ে র হাফেজ ।
প্রতিযোগিতার জন্য সিলেক্ট হয়ে ও বাইরে যেতে পারছে না ভিসার কারণে।
রাষ্ট্রের নিকট পুনর্বিবেচনা করার অনুরোধ রইলো!
এটা হচ্ছে গতকাল বাইতুল মোকাররমে তার অবস্থা।
হামিদ খবরটা শুনার পর থেকে অঝোরে কান্না করেই যাচ্ছে। শরীর কিছুক্ষণ পরপর ছেড়ে দেয়। নিঃস্ব এ-দেহ আর কত চলবে! আবার ডুকরে কেদে উঠে।
হামিদুল ইসলাম মারুফ। কুরআন প্রতিযোগিতার সেক্টরে বর্তমান পরিচিত একটি নাম। তাঁর তিলাওয়াতের মাধুর্যতা ও ইয়াদের দক্ষতা দিয়ে এ পর্যন্ত চারটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য সিলেক্টেড হয়েছিলো। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস! একটি দেশেও তার যাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি।
কেনোটাতেই তার ত্রুটি ছিলোনা। করোনার কারনে তুরস্ক, ভিসা জটিলতায় আলজেরিয়া, ইরান-আমেরিকা যুদ্বের প্রভাবে জর্দান, সর্বশেষ বয়সের সামান্য তারতম্যের কারনে সৌদি আরব নিয়ে আশংকা দেখা দিলো।
প্রতিযোগিতার সাথে সম্পৃক্ত কারোই অজানা নয়, আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা গর্ব ও আকাঙ্ক্ষার বিষয়। সেই কাঙ্ক্ষিত বস্তু ১/২ বার হাতছাড়া হলেও এই অবুঝ মনকে দমানো যায়। কিন্তু তাই বলে পরপর চারবার ?? একটা মানুষের সহ্যক্ষমতা কতটুকুই বা।
শান্তনা দেয়ার ভাষাটুকু আমাদের নেই। এ কষ্টে পাশে দাড়ানোর সামর্থ্যও নেই আমাদের।গতকাল বায়তুল মোকাররমে তার সাথেই যাঁরা ছিলো তাঁরা পুরোটা সময়। নিশ্চুপ পাশে দাড়িয়ে থাকা ব্যতিত আর কিছু করার ছিলোনা তাদের।
এক্ষেত্রে,বিচারক ও কর্তৃপক্ষের সদয় বিবেচনা করা দরকার। বিডি স্পোর্টস হিস্টেরিতে এমন ঘটনা ডজনখানেক আছে, এক্ষেত্রে কেনো নয়!
আশা করবো দায়িত্বশীলরা এ বিষয়ে দৃষ্টিপাত করবেন। আমরা চাইনা আমাদের কোনো সহপাঠী ট্রমা নিয়ে জীবনটা অতিবাহিত করুক।
আল্লাহ আপনি একমাত্র তার সহায় হোন।