Deed writer Rupganj and Purbachal

Deed writer Rupganj and Purbachal আমরা পূর্বাচলের প্লট রেজিস্ট্রি প্লট বা জমি রেজিস্ট্রি কৃত যেকোনো তথ্য দিয়ে থাকি

24/12/2024

Flat Sale Lalmatia. Dhanmondi 3 bed Apt
Block E
Flat size 1680.sf
One car parking
Gas line
Lift 3
Hand over year 2004
Asking price 2.30 core

24/12/2024

বসুন্ধরা ব্লক N
৩ কাঠা ৩ কাঠা একসাথে দুটি প্লট বিক্রি হবে।
Asking price 82 kore

Land sale Bosundhara Block N2713 & 2714 plote noTotal land 6 kata North Facing Asking price 80.lac per kata
24/12/2024

Land sale Bosundhara Block N
2713 & 2714 plote no
Total land 6 kata
North Facing
Asking price 80.lac per kata

24/12/2024

রূপগঞ্জ উপজেলার আয়তন এর ভিতর যেকোনো ধরনের জায়গা জমি রেজিস্ট্রি জন্য অথবা পূর্বাচলের যেকোনো প্লট ক্রয় বিক্রয় বা রেজিস্ট্রি করতে সরকারি লাইসেন্স প্রাপ্ত দলিল লেখক দ্বারা রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে।

আমরা আপনার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুবিধা দিয়ে থাকি।
১।আপনার প্রয়োজনে আপনার সব কাজ আপনার বাসা থেকে করিয়ে নিতে পারবেন, তাতে আপনার আমাদের কাছে আসার কোন প্রয়োজন নেই।

২।আপনাদের সুবিধার্থে আমরা email, whatapp,imo, messenger‌ সব ধরনের অনলাইন যোগাযোগ মাধ্যম গুলো ব্যবহার করে থাকি।

৩। যদি আপনার জমি সংক্রান্ত কোন তথ্য জানার হয়ে থাকে। তাহলে আপনি যেকোন সময় আমাদের কাছে আসতে পারবেন অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

জমি সংক্রান্ত তথ্যের কারণে আমরা কোন প্রকার টাকা নিয়ে থাকি না বা জমির সব কাগজ দেখেও আমরা কোন টাকা নিয়ে থাকিনা

৪। আপনারা চাইলে আমাদের কাছে এসেও কাগজ দেখাতে পারেন বা জমি সংক্রান্ত যেকোন ধরনের পরামর্শ নিতে পারেন।

সেক্টর নাম্বার :09রোড নাম্বার :314প্লোট নাম্বার:042প্লোট এর পরিমাণ : ৩ কাঠাক্যাটাগরি :Adibasi মূল্য: inbox plz
05/12/2023

সেক্টর নাম্বার :09
রোড নাম্বার :314
প্লোট নাম্বার:042
প্লোট এর পরিমাণ : ৩ কাঠা
ক্যাটাগরি :Adibasi
মূল্য: inbox plz

★জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারনা১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার১ কাঠা = ১.৬৫ শত...
30/11/2023

★জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারনা
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা = ১৪৮২০ কাঠা = ১০৬৭০৪০০ বর্গফুট = ৯৯১৬৭২ বর্গমিটার = ১ বর্গকিলোমিটার =
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা = ১৪৮.২কাঠা = ১০৬৭০৪ বর্গফুট = ৯৯১৩ বর্গমিটার = ১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
জেনে নিন
খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ = ৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ = ১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ হেক্টর = ৭.৪১ বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২ কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার = ৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।

12/10/2023

★ভূমি সংক্রান্ত মামলা ১৮০ কর্ম দিবসের মধ্যে বিচারকাজ শেষ করতে হবে

★ব্যক্তি পর্যায়ে ৬০ বিঘার বেশি কৃষি

জমির মালিক হতে পারবেনা ৷

*ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ জামিন অযোগ্য।

বলেছেন ভূমি মন্ত্রী

06/09/2023

জাল দলিল চেনার উপায়

১। বালাম বই তল্লাসি দিয়ে না পেলে।

২। টিপ ছাপ পরিক্ষা করে।

৩। দলিল নাম্বারে চেয়ে আঙ্গুলের টিপ ছাপ নাম্বার কম হলে।

৪। দলিলের ক্রমিক নাম্বার ও দলিল নাম্বার এক হলে। বিশেষ নমুনাঃ * প্রথমেই দেখতে হবে জমি রেজিষ্ট্রেশনের বাংলা তারিখের সাথে ইংরেজি তারিখ মিল আছে কিনা। যদি মিল না থাকে তাহলে জাল।

■ ষ্ট্যাম্প আইন ঠিক আছে কিনা? মানে ষ্টাম্প ভেলুয়েশন ঠিক আছে কিনা? * যদি কোন দলিল একই জেলার পৃথক উপজেলায় রেজিষ্ট্রেশন হয় সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত 'এম (এ)- ফি এবং পৃথক জেলার সম্পত্তির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত 'এম (বি)'- ফি পরিশোধ করা হয়েছে কিনা? পরিশোধ করা না হলে জাল।

IT বন্ধের দিন কমিশন গঠন না করে দলিল করলে।

দলিল যদি পৃথক জেলায় অবস্থিত হবে, এবং রেজিষ্ট্রেশন হয় সেক্ষেত্রে সাব-রেধি

দলিলটির রেজিস্ট্রেশন সম্পর্কিত স্মারকলিপি রেজিস্ট্রেশন আইনের ৬৫ ধারা অনুসাে

জেলার জেলা রেজিস্ট্রার এর নিকট প্রেরণ করেছে কিনা? করে না থাকে তাহলে জাল।

* এল টি নোটিশ পাওয়া গেছে কিনা?

* যে সাব রেজিস্ট্রার অফিসে দলিল হয়েছে সেই সালে সেই সাব রেজিস্ট্রার অফিস স্থাপিত

হয়েছে কিনা ।

যে সাব রেজিস্ট্রার অফিসে দলিল হয়েছে সেই সালে সেই উপজেলা অফিস স্থাপিত ছে কিনা এবং সাব রেজিস্ট্রার অফিস অনুমোদন ছিল কিনা? কারন থানা না হলে সাব রেজিস্টার হয়

না। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম দেখা যায়। সেদিন সরকারী বন্ধের দিন ছিল কিনা?

[ প্রয়োজনে উইকিপিডিয়া দেখতে পারেন।

সংখ্যাগরিষ্ঠ পুড়ে যাওয়া সাব রেজিস্ট্রার অফিসের দলিল জাল।

সার্টিফাইড কপি মূলত বেশি জাল হয়।

" রেজিষ্ট্রেশনের পরে কোন স্ট্যাম্প যদি সি,এ করা অথবা চালান দেখানো হয় সেটা জাল। যেমন আপনার দলিলের রেজিষ্ট্রেশন ৫/১১/১৯৬৫ কিন্তু ৭৬৫ নং স্ট্যাম্প দেখানো হলো ৬/১৫ তাহলে জাল। কারন স্ট্যাম্প ভেন্ডারের কাছ থেকে মানুষ কিনে রেজিষ্ট্রেশনের আগে অ লान দেয় রেজিষ্ট্রেশনের আগে পরে না।

05/09/2023

["জমি বে-দখলের আশঙ্কা থাকলে ১৪৪ ধারা?""""\ud83d\udc49নিষেধাজ্ঞা জারী","১৪৪ ধারা কি বা কেন এই নিয়ে অনেকের মনে আছে নানান প্রশ্ন। আপনার পৈত্রিকসূত্রে কিংবা ক্রয়সূত্রে প্রাপ্ত জমি বর্তমানে আপনার দখলে আছে, কিন্তু কিছু স্বার্থলোভী মানুষ কিংবা ভূমিদস্যু ব্যক্তিরা আপনার জমিটি দখল করে নেওয়ার পায়তারা করছে। আপনি যেকোনভাবে খবরটি পেলে প্রথমে আপনি কি করবেন? যেহেতু জোর-জবরদস্তি করে আপনার জমিটি দখলে নেওয়ার পায়তার করছে সেহেতু আপনার প্রথম করণীয় হবে তাদেরকে আইনীভাবে ঠেকিয়ে দেওয়া। এজন্য যেকোন প্রকার দখল ঠেকাতে এবং মারামারি রোধে আপনি চাইলে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৫ ধারা অনুযায়ী জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট এর কাছে একটি ফৌজদারী দরখাস্ত করতে পারেন।''"'"'"'"'\ud83d\udc49১৪৫ ধারায় কি বলা হয়েছে?""এই ধারার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো যদি জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে সেক্ষেত্রে কি করা যায় সে সম্পর্কে। যদি জেলা ম্যজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোর্ট বা অন্যকোনভাবে খবর পান যে তার অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা এর সীমানা সম্পর্কে বিবাদ চলমান যা এলাকার শান্তিভঙ্গ হতে পারে তাহলে তিনি তার দ্বারা নির্ধারিত একটি সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহকে আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিবেন।'''''''জমি বেদখল হওয়ার সম্ভাবনাথাকলে আপনি নিজে অথবা কোন আইনজীবীর মাধ্যমে জেলা ম্যজিষ্ট্রেট বরাবর দরখাস্ত দিয়ে তাকে জানাতে হবে। 'এরূপ সংবাদ পাওয়ার পর এই ধারায় বলা হয়েছে ম্যজিষ্ট্রেট দখল সম্পর্কে যথাযথ অনুসন্ধান করবেন। তাছাড়া তিনি যদি উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ দ্বারা দেখেন যে, একপক্ষ বর্তমানে দখলে আছে এবং বিরোধীয় সম্পত্তিতে আইন অনুসারে যথাযথভাবে উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত উক্ত পক্ষের দখলে থাকা উচিৎ তাহলে তিনি এই মর্মে ঘোষণা করবেন যে, এরূপ উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত সকল প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলো। সহজ কথায় আপনার দরখাস্ত মঞ্জুর হলে তিনি উভয় পক্ষকে শুনানী করার জন্য একটি দিন ধার্য্য করবেন। এবং উক্ত দিনে শুনানীর পর তিনি আইন অনুসারে উক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।''''''''\ud83d\udc49১৪৪ ধারা এবং আদেশ''''''''১৪৫ ধারা মতে আবেদনের প্রেক্ষিতে যদি ম্যজিষ্ট্রেট সন্তুষ্ট হন সেক্ষেত্রে ১৪৪ ধারায় জেলা ম্যজিষ্ট্রেট পরবর্তী ধার্য্য তারিখ পর্যন্ত স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দিবেন। সাধারণত এরূপ আদেশ প্রদানের সাথে সাথে দখল অনুসন্ধান এবং শান্তি বজায় রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট অধিক্ষেত্রের থানা এবং সহকারী কমিশনার ভূমিকে আদেশের অনুলিপি প্রেরণ করা হয়। সহকারী কমিশনার পরবর্তী ধার্য্য তারিখের আগে সরজমিনে তদন্ত করে একটি রিপোর্ট আদালতের কাছে প্রেরণ করেন। এরমধ্যে ফৌঃকাঃ ১৩৪ ধারা মতে বিবাদিদের কাছ"]

05/09/2023

#জমি_ক্রয়_এবং_রেজিষ্ট্রেশনের_সময়_যে_বিষয় ল ক্ষ্য_করা_আবশ্যকঃ

* জরিপের মাধ্যমে প্রণীত রেকর্ড অর্থাৎ খতিয়ান ও নকশা যাচাই করে নিতে হবে।

* জমির তফসিল অর্থাৎ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ও উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ যাচাই করে নিতে হবে।

* জমি ক্রয় করার পূর্বে উক্ত জমির সি.এস রেকর্ড, এস.এ রেকর্ড; আর.এস রেকর্ড এবং মাঠ পর্চাগুলি ভালোভাবে দেখে নিতে হবে।

* বিক্রেতা যদি জমিটির মালিক ক্রয় সূত্রে হয়ে থাকেন তাহলে তার ক্রয়ের দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা সঠিক আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে।

* জমির বিক্রেতা উত্তরাধিকারসূত্রে জমিটি পেয়ে থাকলে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ানে তার নাম আছে

কিনা তা ভালোভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। যদি সর্বশেষ খতিয়ানে বিক্রেতার নাম না থাকে তাহলে তিনি যার কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে জমিটি পেয়েছেন তা মূল মালিকের সংঙ্গে বিক্রেতার নামের যোগসূত্র কিংবা রক্তের সম্পর্ক আছে কিনা বিষয়টি ভালোভাবে দেখতে হবে।

* জরিপ চলমান এলাকায় বিক্রেতার নিকট রক্ষিত মাঠ পর্চা সঠিক আছে কিনা তা যাচাই করে দেখতে হবে। উল্লেখ্য যে, যদি মাঠ পর্চার মন্তব্য কলামে কিছু লিখা থাকে যেমনঃ তাহলে বুঝতে হবে উক্তকিছু লিখা থাকে যেমনঃ তাহলে বুঝতে হবে উক্ত খতিয়ানের বিরুদ্ধে তসদিক বা সত্যায়ন বা শুদ্ধতা বা Attestation পর্যায়ে আপত্তি রয়েছে, সেক্ষেত্রে জমি ক্রয়ের আগে জরিপ অফিসে/ক্যাম্পে গিয়ে জমিটির সর্বশেষ অবস্থা জেনে নিতে হবে। তবে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রেতার শরিকদের সঙ্গে জমি বিক্রেতার সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টন নামা বা ফারায়েজ দেখে নিতে হবে।

* জমি বিক্রেতার নিকট থেকে সংগৃহীত দলিল, বায়না দলিল, খতিয়ান, মাঠ পর্চা ইত্যাদি কাগজ পত্র সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে তলবকারী বা স্বত্বলিপি রেজিস্ট্রারের কাছে গিয়ে কাগজপত্রের সঠিকতা যাচাই করে নিতে হবে।

* সর্বশেষ নামজারী মাঠ পর্চা, ডিসিআর, খাজনার দাখিলা বা রশিদ যাচাই করে দেখতে হবে। জমির খাজনা বকেয়া থাকলে এবং বকেয়া খাজনা সহ জমি ক্রয় করলে বকেয়া খাজনা পরিশোধের দায়-দায়িত্ব ক্রেতাকেই নিতে হবে।

* ক্রেতা যে জমিটি ক্রয় করতে যাচ্ছে সেই জমিটি সার্টিফিকেট মকদ্দমা ভুক্ত কিনা, কিংবা জমিটি নিলাম হয়েছে কিনা তা তহসীল অফিস/উপজেলা ভূমি অফিস হতে জেনে নিতে হবে। তবে অবশ্যই ক্রেতাকে মনে রাখতে হবে যে, ১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা/দাবী আদায় আইনের ৭ ধারায় বলা আছে সার্টিফিকেট মামলাভুক্ত সম্পত্তি বিক্ৰয় যোগ্য নয়।* বিবেচ্য জমিটি খাস, পরিত্যক্ত/অর্পিত, অধিগ্রহণকৃত বা অধিগ্রহণের জন্য নোটিশকৃত কিনা তা তহসিল অফিস বা উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসক (ডি.সি অফিস) এর কার্যালয়ের L.A (এল.এ) শাখা থেকে জেনে নিতে হবে । * ক্রেতা যে জমিটি

05/09/2023

["বাংলাদেশ ভূমি আইন অনুযায়ি জমির দলিল মোট ৯ প্রকার। যথাঃ-""(১) সাফ-কবলা দলিল; (২) দানপত্র দলিল;""(৩) হেবা দলিল;""(৪) হেবা বিল এওয়াজ দলিল;""(৫) এওয়াজ দলিল;""(৬) বন্টন নামা দলিল;""(৭) অছিয়তনামা দলিল;""(৮) উইল দলিল; ও","(৯) নাদাবি দলিলবা মুক্তি নামা দলিল।'''''''১) সাফ-কবলা দলিল","কোন ব্যক্তি তাহার সম্পত্তি অন্যের নিকট বিক্রয় করে যে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্টারী করে দেন তাকে সাফ-কবালা বা বিক্রয় কবলা বা খরিদা কবলা বলা হয়। এই কবলা নির্ধারিত দলিল ষ্ট্যাম্পে লিখার পর দলিল দাতা অর্থাৎ বিক্রেতা সাবরেজিষ্টারী অফিসে উপস্থিত হয়ে দলিল সহি সম্পাদন করে গ্রহিতা অর্থাৎ খরিদ্দারের বরাবরে রেজিষ্টারী করে দিবেন। এই দলিল রেজিষ্টারী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলিলের তফছিলে লিখিত অর্থাৎ বিক্রিত ভূমির যাবতীয় স্বত্ব দলিল দাতা হতে বিলুপ্ত হয়ে দলিল গ্রহিতাতে অর্থাৎ খরিদ্দারের উপর অর্পিত হলো। দলিলদাতা ময় ওয়ারিশানক্রমে উক্ত জমি হতে নিঃস্বত্ববান হলেন।'''''''২) দানপত্র দলিল","যে কোন সম্প্রদায়ের যে কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি দান করতে পারেন। এই দানপত্র দলিলে শর্তবিহীন অবস্থায় সকল প্রকার ক্ষমতা প্রদানের দান করতে হবে। স্বত্ব সম্পন্ধে দাতার কোন প্রকার দাবী থাকলে দানপত্র শুদ্ধ হবে না।''''''৩) হেবা দলিল'''মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এই হেবা অর্থাৎ দানপত্র দলিল,এই দলিল কোনকিছুর বিনিময়ে নয়, কেবলমাত্র সন্তুষ্ট হয়ে এইরূপ দান করা হয়। কিন্তু এই হেবা সর্তবিহীন অবস্থায় দান বিক্রয়, কট রেহান ও রূপান্তর ইত্যাদি সকল ক্ষমতা প্রদানে দান বা হেবা করতে হবে। স্বত্ব সম্বন্ধে দাতার কোনরূপ দাবী থাকলে সেই দান বা হেবা শুদ্ধ হবে না এবং তা যে কোন সময় বাতিলযোগ্য। এরূপ দানপত্রে দাতার কোন স্বার্থ সংরক্ষিত থাকবে না।'''''''৪) হেবা বিল এওয়াজ","এই হেবা বিল এওয়াজ মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি দানপত্র দলিল এই দানও সন্তুষ্ট হয়ে করা হয় বটে। কিন্তু ইহা কোন কিছুর বিনিময়ে হয়ে থাকে, যেমন- পবিত্র কোরআন, জায়নামাজ, তছবিহ, মোহরানার টাকা, এমন কি যে কোন জিনিষের বিনিময়ে ও হতে পারে, যেমন আংটি ইত্যাদি। এই হেবা বিল এওয়াজ দলিল সম্পূর্ণ শর্তবিহীন অবস্থায় গ্রহিতা যাবতীয় হস্তান্তর ও রূপান্তরের সকল প্রকার ক্ষমতার অধিকারী হবে এবং দাতার যাবতীয় স্বত্ব গ্রহিতাতে অর্পিত হবে। দাতার স্বার্থে কোন প্রকার স্বত্ব দাতার জন্য সংরক্ষিত থাকলে দলিল শুদ্ধ হবে না। এই হেবা বিল এওয়াজ অবশ্যই রেজিষ্টারী হতে হবে। এই হেবা বিল এওয়াজ যদি টাকা বিনিময়ে হয় এবং ক্রমিক ওয়ারিশী সূত্রে আগে পরে তিন ধাপের পরের ব্যক্তিকে বা তৃতীয় ব্যক্তিকে হেবা বিল এওয়াজ মুলে দান করে থাকে তা হলে শরীক কর্তৃক জানার তারিখহতে ৪ মাসের মধ্যে প্রিয়েমশান করতে পারে।'"'"'""৫) এওয়াজ দলিল""যে কোন সম্প্রদায়ের "]

06/10/2022

sector -18
Road - 402B
Plot - 06
ketagori- freedom fighter
Land- 05 kata
All documents ok
Price - Inbox plz

Address

Purbachol
Narayanganj
1460

Telephone

+8801716938681

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Deed writer Rupganj and Purbachal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Deed writer Rupganj and Purbachal:

Share

Category