Zason Mohammad

Zason Mohammad ☞ আমি একজন ইনফ্লুয়েন্সার, উদ্দোক্তা ও দার্শনিক।
☞ সত্য লুকায়িত, আপনাকে খুজে বের করতে হবে গবেষণা ও জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে।

Creativity of corruption
19/05/2026

Creativity of corruption

বড় আশা নিয়ে চীনে গিয়েছিল, হয়েছে পুরোই হতাশ
16/05/2026

বড় আশা নিয়ে চীনে গিয়েছিল, হয়েছে পুরোই হতাশ

Dog started biting dogs 🤣😜
14/05/2026

Dog started biting dogs 🤣😜

প্রায় ১ বছর পর নতুন ফ্লাগশিপ ফোন (Sony Xperia 1 VIII) নিয়ে হাজির। ক্যামেরা হাই কোয়ালিটি।
13/05/2026

প্রায় ১ বছর পর নতুন ফ্লাগশিপ ফোন (Sony Xperia 1 VIII) নিয়ে হাজির। ক্যামেরা হাই কোয়ালিটি।

এই ঘটনার জন্য সবাই হয়ত দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নেতা ও সংশ্লিষ্ট সরকারি ব্যক্তিদের দ্বায়ী করবেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এখান...
12/05/2026

এই ঘটনার জন্য সবাই হয়ত দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নেতা ও সংশ্লিষ্ট সরকারি ব্যক্তিদের দ্বায়ী করবেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এখানে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নেতা বা সরকারি চাকুরিজীবীরা দ্বায়ী নয়।

এর জন্য দ্বায়ী বাংলাদেশের সংবিধান, আইন-কানুন ও বিচারব্যবস্থা। কারণ একজন বিচারক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেও ন্যায়বিচার করতে পারে না সংবিধান ও আইনকানুনের কারণে। আর এটাকেই আমরা আইনের ফাক বলে চিনি।

কিছুদিন পূর্বে একজন পুলিশের OC কষ্ট নিয়ে বলছিল যে, টাকা খরচ করে অনেক অভিযান চালিয়ে আমি বেশকিছু বড় অপরাধীদের আটক করেছিলাম, আর আদালত তাকে জামিন দিয়ে দিয়েছে। আমার তো আদালতের ওপর ক্ষমতা নেই।

তাহলে বুঝতেই পারছেন, প্রকৃত সমস্যাটা কোথায়।

Ai এর কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বড় টেক কোম্পানির সবচেয়ে দক্ষ ইঞ্জিনিয়াররা এবার চাকরি হাড়াচ্ছে।
12/05/2026

Ai এর কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বড় টেক কোম্পানির সবচেয়ে দক্ষ ইঞ্জিনিয়াররা এবার চাকরি হাড়াচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গের ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই প্রতিবেদনটি সাবেক বাংলাদেশি ছিটমহলবাসীদের জীবন, নাগরিকত্ব এবং...
07/05/2026

পশ্চিমবঙ্গের ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই প্রতিবেদনটি সাবেক বাংলাদেশি ছিটমহলবাসীদের জীবন, নাগরিকত্ব এবং দলীয় রাজনীতিতে তাদের জড়িয়ে পড়ার কাহিনি তুলে ধরেছে।

২০১৫ সালের স্থলসীমা চুক্তির মাধ্যমে ভারতীয় ভূখণ্ডের ভেতরে থাকা ৫১টি বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশের ভেতরে থাকা ১১১টি ভারতীয় ছিটমহল পরস্পরের সঙ্গে বিনিময় হয়। এর ফলে পোয়াতুরকুঠি ও মধ্য মশালডাঙ্গার মতো এলাকাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয় এবং সেখানকার বাসিন্দারা প্রথমবারের মতো পূর্ণ নাগরিক অধিকার পান। এর আগে তারা বিদ্যুৎ, স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল এমনকি ভোটাধিকার থেকেও বঞ্চিত ছিলেন। ভারতীয় সুবিধা পেতে অনেককে ভুয়া পরিচয়ে ভোটার কার্ড বানাতে হতো। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন থেকেই তারা প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান, যদিও এর আগে বিশেষ ব্যবস্থায় একবার বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা তাদের ছিল।

প্রতিবেদনে মনসুর আলি, ওসমান গনি, জিহাদ হোসেইন ওবামা, রহমান আলি ও জয়নাল আবেদিনদের ব্যক্তিগত গল্পের মাধ্যমে উঠে আসে কীভাবে তারা ব্রিটিশ ভারত, পূর্ব পাকিস্তান ও বাংলাদেশ পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত ভারতের নাগরিক হয়েছেন এবং কী কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নাগরিক স্বীকৃতি ও স্বাস্থ্যসেবা আদায় করেছেন। জিহাদ ওবামার জন্মের সময় তার বাবা-মা দিনহাটা হাসপাতালে জোর করে ছিটমহলের আসল ঠিকানা ব্যবহার করেন। এর ফলে প্রথমবারের মতো একটি শিশুর জন্ম ভারতে সঠিক পরিচয়ে নথিভুক্ত হয়। এর আগ পর্যন্ত সবাইকে আত্মীয়ের ভুয়া পরিচয় দেখিয়ে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হতেন।

ছিটমহল বিনিময়ের পর গ্রামগুলোতে বিদ্যুৎ, পাকা রাস্তা, স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও কমিউনিটি হল গড়ে উঠেছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিশ্রুত সুবিধার অনেক কিছুই এখনো মেলেনি। জমির দলিল হস্তান্তর সম্পূর্ণ হয়নি, সব পরিকল্পিত স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রও চালু হয়নি। একসময় ছিটমহল বিনিময়ের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনকারীরা এখন তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি ও বাম শিবিরে ভাগ হয়ে পড়েছেন। কেউ ব্যক্তিস্বার্থে, কেউবা চাপে পড়ে দলে যোগ দিয়েছেন। এতে পুরোনো বন্ধুত্ব টিকে থাকলেও রাজনৈতিক বিভাজন ক্রমশ গভীর হচ্ছে এবং অনেকের মনে হতাশা জন্ম নিয়েছে যে, একজোট থাকলে দাবি আদায় অনেক সহজ হতো।

ছিটমহল বিনিময় আন্দোলনের অন্যতম নেতা দীপ্তিমান সেনগুপ্ত পরে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় ভেতরে ভেতরে নতুন টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। তিনি অবশ্য মনে করেন, এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই মানুষ বুঝতে পারছে দলীয় রাজনীতি কীভাবে ঐক্যকে ভেঙে দিতে পারে। তবু জয়নাল আবেদিনের মতো অনেকে বলছেন, রাজনৈতিক মতবিরোধ সত্ত্বেও ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব এখনো অটুট। দলীয় বিভাজনের মাঝেও সামাজিক সম্পর্ক টিকে থাকাটাই হয়তো এই মানুষগুলোর সবচেয়ে বড় শক্তি।

বিজ্ঞানীরা পুরুষদের জন্য একটি ইনজেকশনযোগ্য জন্মনিরোধক তৈরি করেছেন যা দুই বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে এবং এটি সম্পূর্ণ...
06/05/2026

বিজ্ঞানীরা পুরুষদের জন্য একটি ইনজেকশনযোগ্য জন্মনিরোধক তৈরি করেছেন যা দুই বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে এবং এটি সম্পূর্ণ পরিবর্তনযোগ্য বা রিভার্সিবল। বর্তমানে এটি মানবদেহে পরীক্ষার দ্বিতীয় ধাপে (Phase 2 trials) রয়েছে।

এই পদ্ধতিটি হরমোনের মাত্রায় কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে সাময়িকভাবে শুক্রাণু চলাচলের পথ আটকে দেয়, যার ফলে নিষেক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। প্রচলিত পদ্ধতিগুলোর মতো এটি প্রতিদিন গ্রহণ করার প্রয়োজন হয় না।

প্রাথমিক পরীক্ষাগুলো থেকে দেখা গেছে যে, এই প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সহজ এবং চিকিৎসা শেষ হওয়ার পর প্রজনন ক্ষমতা আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

এই উদ্ভাবনটি পরিবার পরিকল্পনার ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে এবং জন্মনিরোধক ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিদ্যমান পদ্ধতিগুলোর বাইরে পুরুষদের জন্য পছন্দের সুযোগ আরও বাড়িয়ে দেবে।

তবে ব্যাপকভাবে ব্যবহারের আগে এর দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে আরও পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। যদি এটি সফল হয়, তবে প্রজনন স্বাস্থ্য এবং জন্মনিরোধকের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের ভারসাম্যে এটি বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।



Writer: Zason Mohammad

একটি নতুন বই ও তদন্তে দাবি করা হয়েছে যে, বসনিয়ার সারায়েভো অবরোধ চলাকালে তথাকথিত ‘হিউম্যান সাফারি’ বা মানুষের ওপর শিকার অ...
06/05/2026

একটি নতুন বই ও তদন্তে দাবি করা হয়েছে যে, বসনিয়ার সারায়েভো অবরোধ চলাকালে তথাকথিত ‘হিউম্যান সাফারি’ বা মানুষের ওপর শিকার অভিযানে এক ইউরোপিয়ান রাজপরিবারের সদস্যও অংশ নিয়েছিলেন। সাংবাদিক ডোমাগয় মারগেটিচের লেখা Pay and Shoot বইয়ে বলা হয়, ধনী ইতালিয়ানসহ ইউরোপের কিছু নাগরিক সার্বীয় স্নাইপারদের সঙ্গে মিলে সাধারণ মানুষকে টার্গেট করার জন্য বিপুল অর্থ দিতেন।

মারগেটিচ দাবি করেন, তিনি বসনিয়ান গোয়েন্দা কর্মকর্তা নেজাদ উগলজেনের কাছ থেকে গোপন নথি পেয়েছিলেন; উগলজেনকে ১৯৯৬ সালে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই নথি অনুযায়ী, শিকারিদের কাছ থেকে মধ্যবয়সী নারী–পুরুষকে গুলি করার জন্য ৮০ হাজার মার্ক, তরুণীকে গুলি করতে ৯৫ হাজার মার্ক, আর গর্ভবতী নারীকে হত্যা করতে ১১০ হাজার মার্ক নেওয়া হতো।

অভিযোগ রয়েছে, বিদেশি এসব ‘স্নাইপার ট্যুরিস্ট’রা সারায়েভোর কুখ্যাত ‘স্নাইপার অ্যালি’–র উপর থেকে সাধারণ মানুষকে গুলি করত এবং তারা ‘সবচেয়ে সুন্দর’ নারীকে হত্যা করার প্রতিযোগিতায় নামত।
মারগেটিচ বলেন, কয়েকজন সার্ব–বসনিয়ান মিলিশিয়ার সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পারেন, এক ইউরোপিয়ান রাজপরিবারের সদস্য হেলিকপ্টারে করে এসে শিশুদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে চাইতেন।

তিনি আরও জানান, ক্রোয়েশিয়ান নাগরিক জভোনকো হোরভাতিনচিচ, যিনি আগে যুগোশ্লাভ গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে কাজ করতেন, ধনী বিদেশিদের জন্য আগে পশু শিকার ট্যুর আয়োজন করতেন এবং পরে যুদ্ধ শুরু হলে সারায়েভোতে মানুষের ওপর শিকার আয়োজনের প্রশ্ন আসে।

প্রতিবেদনটিতে একটি টাইমলাইনও দেওয়া হয়েছে, যেখানে ১৯৯০–এর দশকের মাঝামাঝি প্রথম অভিযোগ ওঠা থেকে শুরু করে ২০২২ সালের ডকুমেন্টারি Sarajevo Safari এবং ২০২৫ সালে মিলান প্রসিকিউশন কর্তৃপক্ষের তদন্ত পর্যন্ত পুরো বিষয়টি কীভাবে সামনে এসেছে তা তুলে ধরা হয়েছে।

বর্তমানে এক ৮০ বছর বয়সী ইতালিয়ান ট্রাকচালককে এসব অভিযোগের অংশ হিসেবে তদন্তের মুখোমুখি করা হয়েছে, যেখানে তার বিরুদ্ধে ‘অ্যাগ্রাভেটেড মার্ডার’ বা গুরুতর হত্যার মামলা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত 'রেলোস' সামরিক লজিস্টিকস চুক্তির ফলে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ এশিয়ায় সরাসরি রুশ...
06/05/2026

ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত 'রেলোস' সামরিক লজিস্টিকস চুক্তির ফলে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ এশিয়ায় সরাসরি রুশ সেনা, যুদ্ধজাহাজ ও সামরিক বিমান মোতায়েনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর মাধ্যমে রাশিয়া ভারত মহাসাগরে স্থায়ী উপস্থিতির পথ পেয়েছে এবং ওয়াশিংটন ও পশ্চিমা জোটের একক প্রভাবকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছে।

'রিসিপ্রোকাল এক্সচেঞ্জ অব লজিস্টিকস সাপোর্ট' বা সংক্ষেপে রেলোসের অধীনে রাশিয়ার নৌবহর, বিমান ও সেনারা ভারতীয় ঘাঁটি ও বন্দর ব্যবহার করে জ্বালানি, রসদ ও মেরামত সুবিধা পাবে। একইভাবে ভারতও রাশিয়ার আর্কটিক ও দূরপ্রাচ্যের ঘাঁটি ব্যবহার করতে পারবে। চুক্তি অনুযায়ী উভয় দেশ একে অপরের ভূখণ্ডে সর্বোচ্চ তিন হাজার সেনা, পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ ও দশটি সামরিক বিমান মোতায়েন করতে পারবে। পাঁচ বছরের জন্য কার্যকর এই চুক্তি পরবর্তীতে নবায়নযোগ্য।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চুক্তি তিনটি বড় কৌশলগত বার্তা দিচ্ছে। প্রথমত, ভারত মহাসাগরে নতুন শক্তির ভারসাম্য তৈরি হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাশিয়া যে একা নয়, তা প্রমাণ হচ্ছে। তৃতীয়ত, ভারত কোনো নির্দিষ্ট জোটে না গিয়ে বহুমুখী কূটনীতি চালিয়ে যাচ্ছে। শীতল যুদ্ধকাল থেকেই ভারতের সামরিক শক্তির বড় অংশ রুশ অস্ত্রনির্ভর। ১৯৭১ সালে মার্কিন সপ্তম নৌবহরের মোকাবিলায় সোভিয়েত নৌবহর পাঠানো থেকে এই আস্থার ভিত্তি তৈরি হয়েছিল। রেলোসকে সেই পুরনো বন্ধুত্বের আধুনিক রূপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

রাশিয়ার জন্য এশিয়া এখন জ্বালানি রপ্তানির প্রধান বাজার। ভারতের মতো বড় ক্রেতাকে পাশে রেখে তারা ভারত মহাসাগরে নৌশক্তি স্থায়ীভাবে বাড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে এবং প্রমাণ করতে পারছে যে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা তাদের বৈশ্বিক উপস্থিতি ঠেকাতে পারেনি। ভারতের জন্য লাভ হলো আর্কটিক ও নতুন সামুদ্রিক রুটে প্রবেশাধিকার এবং চীনের নৌ-আধিপত্য মোকাবিলায় রুশ সহযোগিতা ব্যবহারের সুযোগ।

যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে 'কোয়াড' ও 'ইন্দো-প্যাসিফিক' কৌশলের কেন্দ্রীয় অংশীদার বানাতে চাইলেও দিল্লি একদিকে মার্কিন 'লেমোয়া' চুক্তি ও প্রযুক্তি গ্রহণ করছে, অন্যদিকে রাশিয়ার এস-৪০০ কিনে ও রেলোস স্বাক্ষর করে এক ধরনের দ্বিমুখী কৌশল অনুসরণ করছে। পাকিস্তানকে যেভাবে সহজে নিয়ন্ত্রণ করা গেছে, ভারতের ক্ষেত্রে সেই সূত্র কাজ করছে না — এটাই ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বড় অস্বস্তির কারণ।

সবশেষে বলা যায়, ভারত-রাশিয়ার এই ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা এবং ভারত মহাসাগরে রুশ যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি এই অঞ্চলকে নতুন ধরনের স্নায়ুযুদ্ধের প্রতিযোগিতার দিকে ঠেলে দিতে পারে এবং ভবিষ্যতে আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকিও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

#ভারতরাশিয়া #সামরিকচুক্তি

Writer: Zason Mohammad

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন চীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে যে, তারা নিয়মিত ইরানি তেল কেনার মাধ্যমে বিশ্বের বৃহত্তম ‘সন্ত্রাসবাদ...
06/05/2026

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন চীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে যে, তারা নিয়মিত ইরানি তেল কেনার মাধ্যমে বিশ্বের বৃহত্তম ‘সন্ত্রাসবাদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে পরিচিত দেশটিকে অর্থায়ন করছে। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, ইরান তাদের তেলের বড় অংশই চীনের কাছে বিক্রি করে।

এই আয়ের টাকা ইরান ড্রোন ও মিসাইল তৈরি এবং বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অর্থায়নে ব্যবহার করছে, যারা কি না আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল এবং মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।

​মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরান নিষেধাজ্ঞার জাল এড়াতে চীনা শোধনাগার, ডলারের পরিবর্তে ভিন্ন মুদ্রা এবং গোপন ব্যাংকিং ব্যবস্থা ব্যবহার করে তেলের ব্যবসার টাকা সচল রাখছে। এই পরিস্থিতিতে সামনে ট্রাম্প এবং শি জিনপিংয়ের সম্ভাব্য বৈঠককে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে, যার মধ্যে চীনা ব্যাংকগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তবে চীন এই অভিযোগগুলোকে ‘অর্থনৈতিক জবরদস্তি’ হিসেবে উল্লেখ করে তা প্রত্যাখ্যান করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই উত্তেজনা মূলত জ্বালানি, নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার গভীর দ্বন্দ্বেরই বহিঃপ্রকাশ।

Address

Natore
6400

Website

https://youtube.com/@zasonmohammad?si=Zx72tUIcXkjwPtpS, https://www.facebook.com/sha

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zason Mohammad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share