The Civil Engineer's Corner

The Civil Engineer's Corner Your hub for civil engineering education and inspiration. Let's build together!

02/05/2025
The Great Danger to Human Civilization !বিশাল বড় এক ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে পৃথিবীতে, ঘটতে পারে তিনশ’ বছর আগের পুনরাবৃত...
01/08/2024

The Great Danger to Human Civilization !
বিশাল বড় এক ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে পৃথিবীতে, ঘটতে পারে তিনশ’ বছর আগের পুনরাবৃত্তি। কিন্তু কী হয়েছিল ৩শ’ বছর আগে? আর আশংকা সত্য হলেই বা পরিণতি কী হবে?
প্রায় ৩শ' বছর আগে 'বড়' এক ভূমিকম্পের কারণে কীভাবে সারা বিশ্ব প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল, তার একটি প্রতিরূপ দেখিয়েছে মহাসাগর ও আবহাওয়া বিষয়ক মার্কিন রাষ্ট্রীয় দপ্তর।

১৭৭০ সালের ২৭ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলে ৯.২ মাত্রার একটি ভূকম্পন অনুভূত হয়। এটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, এর ফলে সুনামি সৃষ্টি হয়। ওই সুনামি গিয়ে আঘাত হানে জাপান উপকূলে।
প্রায় প্রতি ৪শ’ থেকে ৬শ’ বছরের মধ্যে এমন একটি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়ে থাকে। আর যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে
এমন আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা- জানিয়েছে স্কাই নিউজ। আর যদি তাই হয়, এর ফলে মারা যেতে পারে সহস্রাধিক মানুষ।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনওএএ)-এর তৈরি প্রতিরূপে দেখানো হয়, সুনামির বিস্তার ক্যাসক্যাডিয়া সাবডাকশন জোন উপকেন্দ্র থেকে হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যে তটরেখার কিছু অংশ লাল রঙ ধারণ করে, যার মানে হচ্ছে এখানে ঢেউগুলো তিন মিটার উচুঁ।
পনের ঘন্টা পর জাপানের পূর্ব তটরেখা, ফিলিপাইন্স, পাপুয়া নিউ গিনি আর ইন্দোনেশিয়ায় একই উচ্চতার ঢেউ দেখা যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, এই সুনামির আঘাত প্রায় ৪৮ ঘন্টা পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল।
ওই ভূমিকম্পের সমমাত্রার একটি ভূমিকম্প আবার আঘাত হানলে, জনবহুল অঞ্চলগুলোতে বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হবে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও হবে ব্যাপক।
কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা যায়, এর ফলে ১৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে, আর বাস্তুচ্যুত হতে পারেন প্রায় দশ লাখ মানুষ।
সে সময় ডুবে যাওয়া গাছ আর জমে থাকা কাঁদা দেখে, ভূমিকম্পটির ধরন আর তারিখ শনাক্ত করা হয়। আর জাপানের ঐতিহাসিক রেকর্ডগুলো থেকে কোথায় কোথায় বিশাল ঢেউগুলো আঘাত হানে তা বের করা হয়।
ইতোমধ্যে সম্ভাব্য ‘বড়’ এই ভূমিকম্পের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা করে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্কাই নিউজ।
সুত্র: বিডিনিউজ২৪

31/07/2024

সাইট ভিজিটিং : ছাদের রড চেকিং
স্থান :১.ভুগরোইল,আমচত্ত্বর, ২.পেট্রোল পাম্প.।

30/07/2024

Gread Beam , Stair Case Visit.
Place: Site Visiting Shilpipara,Physical College.

Site Visiting
29/07/2024

Site Visiting

29/07/2024

সাইট পরিদর্শন: গ্রেডবিম
স্থান :বটগাছি,পবা,রাজশাহী।

সাম্প্রতিক সময়ে কারখানার নির্মানে ষ্টীলের ব্যবহার বেশ বেড়ে গেছে। ষ্টীলের জনপ্রিয়তার পেছনে বেশ কিছু কারন রয়েছে ।তবে ষ্টীল...
01/07/2024

সাম্প্রতিক সময়ে কারখানার নির্মানে ষ্টীলের ব্যবহার বেশ বেড়ে গেছে। ষ্টীলের জনপ্রিয়তার পেছনে বেশ কিছু কারন রয়েছে ।তবে ষ্টীল বিল্ডিংয়ের বেশ কিছু অসুবিধা্ও আছে যেগুলো অনেকের মাথায় থাকেনা যার দরুণ পরবর্তীতে বেশ সমস্যায় পড়তে হয়।

অসুবিধা উল্লেখ করার আগে বিভিন্ন আলোচনায় স্টিল স্ট্রাকচারের যে সুবিধাগুলো পা্ওয়া যায় তার মধ্যে একটি হচ্ছে সময় কম লাগে এবং ষ্টীল ফ্রেম যেহেতু কারখানায় তৈরী করে যায়গায় এসে সাজানো হয় সে কারনে ঝামেলাও কম হয়। ষ্টীল স্ট্রাকচারে কলাম থেকে কলামের দূরত্ব বেশি নেয়া যায় অর্থাৎ যায়গার কার্যকর
ব্যবহার বেশি। বিল্ডিং তুলনামুলক হালকা তাই ফাউন্ডেশনে সুবিধা হয় এবং নমনীয় ধরনের হবার কারনে ভূমিকম্পের ঝুকি তুলনামুলক কম। চাইলে ষ্টীল ফ্রেম খুলে অন্যত্র বসানো যায় এটা্ও একটি সুবিধা বটে। এসব বিবেচনায় বর্তমান সময়ে বহুতল ভবন সির্মানে ষ্টীলের ব্যবহার বেশ বেড়ে গেছে। তবে অভিজ্ঞ নির্মাতা ও প্রকৌশলীদের চোখে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা এখন ধীরে ধীরে আলোচনায় আসছে।

প্রথমত, ষ্টীল ভবনে আগুন একটি বড় সমস্যা। সকল ষ্টীল ফ্রেমে আগুন প্রতিরোধী যে ব্যবস্থা নেয়া দরকার, অত্যাধিক ব্যায় সাপেক্ষ বিধায় সেই ব্যবস্থা নেয়া হয়না।

দ্বিতীয়ত, ষ্টীল ভবনে নড়াচড়া করার অপশন রেখেই নির্মান করা হয় এবং একারনে প্রায়শই এবং অল্পদিনেই দেয়ালে ফাটল আসে। ফলে নির্মাতা এবং মালিকপক্ষ উভয়েই অস্বস্তিতে পড়ে যান।

তুতীয়ত, সময় বাঁচানোর জন্য অনেকে ষ্টীল ভবনের চিন্তা করলেও যথাযথ নির্মান ব্যবস্থাপনা এবং ফান্ড ফ্লো না থাকলে ঠিকই প্রচুর সময় লেগে যায়। অথচ বহুতল ভবনের ক্ষেত্রে খরচ অনেক সময় কনক্রিট ভবনের চেয়ে তুলনামুলক বেশি পড়ে যায়।

চর্তুথত, ষ্টীল ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের পুরুত্ব কম থাকে। ফলে একদম উপরের ছাদে তাপমাত্রা সহনীয় রাখা এবং সংকোচন প্রসারন নিয়ন্ত্রনে রাখতে কিছু বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হয় অন্যথায় ছাদে ফাটল দেখা দেয়ার সম্ভাবনা থাকে। আমাদের দেশে খরচ বিবেচনা করে অনেকেই আর সেদিকে মনোযোগ দেননা। পরবর্তীতে এজন্য যথেস্ট ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

ফ্যাস্টরী ব্যবস্থাপকরা সচেতন না হলে যেমন অল্পদিনেই মরিচা পড়ে যাওয়া, ওয়ার্কারদের হাতে ষ্টীলের যেখানে সেখানে ছিদ্র হওয়া, এ ধরনের আরো কিছু সমস্যা হতে পারে যা ষ্টীল স্ট্রাকচারের জন্য অনেক সময় বড় ক্ষতির কারন হয়ে যেতে পারে।

History of the civil engineering professionমানব সভ্যতার শুরু থেকে প্রকৌশল জীবন ব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। খ্রিষ্টপূর...
28/03/2024

History of the civil engineering profession

মানব সভ্যতার শুরু থেকে প্রকৌশল জীবন ব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০০ এবং ২০০০ সালে প্রচীন মিশরীয় সভ্যতা ও মেসোপটেমিয়ার সভ্যতা (প্রচীন ইরাক) থেকে পুরকৌশলের যাত্রা শুরু বলে ধারনা করা হয়, ঠিক যখন থেকে মানুষ তাদের বসবাসের জন্য আবাস নির্মানের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। সেই সময়ে চাকা এবং পাল আবিস্কার হবার ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব দারুনভাবে বৃদ্ধি পায়।
বেশ কিছুদিন আগ পর্যন্তও পুরকৌশল এবং স্থাপত্যবিদ্যার মধ্যে কোন সুস্পষ্ট পার্থক্য
ছিল না এবং প্রকৌশলী ও স্থপতি শব্দ দ্বারা ভৌগলিক স্থানভেদে, মূলত একই ব্যাক্তিকে বোঝান হত।মিশরের পিরামিডকে (খ্রিস্ট পূর্ব ২৭০০-২৫০০) বিশ্বের ইতিহাসে বড় কাঠামো নির্মাণের প্রথম দৃষ্টান্ত বিবেচনা করা হয়। অন্যান্য পুরকৌশল নির্মাণকাজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে কানাত পানি ব্যাবস্থাপনা কৌশল (সবচেয়ে পুরানোটি ৩০০০ বছর পূর্বের ও প্রায় ৭১ কিলোমিটার লম্বা,দ্যা অ্যাপেইন ওয়ে, চীনের গ্রেট ওয়াল ইত্যাদি। রোমানরা, তাদের সাম্রাজ্যজুড়ে নালা পোতাশ্রয়, সেতু বাঁধ, রাস্তাসহ অসংখ্য বেসামরিক স্থাপনা গড়ে তোলে।

১৮শ শতাব্দীতে পুরকৌশল শব্দটিকে সামরিক প্রকৌশলবিদ্যার বিপরীত হিসেবে ব্যবহার করা হত। বিশ্বের প্রথম স্বঘোষিত সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন জন স্মিয়াথন যিনি এডিস্টোন লাইটহাউস তৈরি করেছিলেন। ১৭৭১ সালে স্মিয়াথন ও তার কয়েকজন সহকর্মী মিলে স্মিয়াথন সোসাইটি অফ সিভিল ইঞ্জিনিয়ার নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। যদিও তাদের কারিগরি বিষয় নিয়ে কিছু বৈঠক হয় তথাপিও এটি একটি সামাজিক সংগঠনের চেয়ে বেশি কিছু ছিল না।

১৮১৮ সালে লন্ডনে ইন্সিটিউট অফ সিভিল ইঞ্জিনিয়ার প্রতিষ্ঠিত হয়, ১৯২০ সালে থমাস টেলফোর্ড এর প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৮২৮ সালে প্রতিষ্ঠানটি রাজকীয় সনদ গ্রহণ করে যা পুরকৌশলকে একটি পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রে নরউইচ ইউনিভার্সিটিতে প্রথম বেসরকারি কলেজ হিসেবে পুরকৌশল পড়ান শুরু করা হয়, ১৮১৯ সালে।যুক্তরাষ্ট্রে ১৮৩৫ সালে রেন্সিলেয়ার পলিটেকনিক ইন্সিটিউট থেকে পুরকৌশলে সর্বপ্রথম ডিগ্রি প্রদান করা শুরু হয়। ১৯০৫ সালে প্রথম নারী হিসেবে পুরকৌশলে সেই ডিগ্রী পান নোরা স্ট্যান্টোন ব্লাচ কর্নেল ইউনিভার্সিটি থেকে।

History of Brick and Brick Calculationইঁট, ইট বা ইষ্টক (ইংরেজি: Brick) ইমারত তৈরির একটি অতি আবশ্যকীয় ও মৌলিক উপাদানবিশে...
27/03/2024

History of Brick and Brick Calculation

ইঁট, ইট বা ইষ্টক (ইংরেজি: Brick) ইমারত তৈরির একটি অতি আবশ্যকীয় ও মৌলিক উপাদানবিশেষ। মাটিকে আয়তঘনক আকারের ছাঁচে ঢেলে ভিজিয়ে কাঁচা ইঁট তৈরি হয, তারপর এক রোদে শুকানো হয়। কাঁচা ইঁটকে আগুনে পোড়ালে পাকা ইঁট তৈরি হ্য়। বহু প্রাচীনকাল থেকেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রোদে শুকানো বা আগুনে পোড়ানো ইট ব্যবহার হয়ে আসছে। যদিও ইট পাথরের মত দীর্ঘস্থায়ী এবং মজবুত নয়; তারপরও সহজলভ্যতা, অল্প খরচ এবং স্বল্প ওজনের জন্য এর জনপ্রিয়তা এবং ব্যবহার সর্বাধিক। ইঁট বানানোর সময় কিছু ইঁট বেশী পুড়ে যায় ও কেকের মত ফুলে উঠে এক ফোপা শক্ত কালচে খয়েরী
আঁকা-বাঁকা আকৃতির ইঁট তৈরি করে, যাকে বলে ঝামা বা ঝামা ইট। ঝামা শক্ত ও এবরোখেবড়ো বলে ঘষামাজার কাজে ব্যবহৃত হয়।

ইতিহাস
খ্রীষ্ট-পূর্ব ৭,৫০০ বছর পূর্বে সবচেয়ে প্রাচীনতম ইটের সন্ধান পাওয়া গেছে। এ ইট দক্ষিণ-পূর্ব আনাতোলিয়ার নিকটবর্তী দিয়াবাকির কাছাকাছি তাইগ্রিস এলাকা থেকে সংগৃহীত হয়েছে। এরচেয়ে অল্প প্রাচীন ইট খ্রীষ্ট-পূর্ব ৭,০০০ থেকে ৬,৩৯৫ সালের মধ্যে জেরিকো এবং কাতাল হাইয়ূক এলাকায় দেখা গেছে। তবে ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হয় যে, মধ্যপ্রাচ্যে খ্রীষ্ট-পূর্ব তৃতীয় শতকে আগুনে পোড়া ইট তৈরী করা হয়েছিল। আগুনে পোড়ানো ইট ঠাণ্ডা এবং আর্দ্র আবহাওয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে ও বেশ মজবুত প্রকৃতির হয়ে থাকে।
1. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন= ৪১০ টি।
2. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন=১১.৭৬=১২ টি
3. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ৫০০ টি।
4. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ১৪.২৮ টি।
5. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের ফ্লাট সোলিং এর জন্য ইটের প্রয়োজন=৩১ টি।
6. এক বর্গমিটার সোলিং এ চিকন বালির প্রয়োজন=০.০১৫ ঘনমিটার
7. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের হেরিং বোন বন্ডের জন্য ইটের প্রয়োজন=৫২ টি।
8. এক বর্গমিটার হেরিং বোন বন্ডের জন্য চিকন বালির প্রয়োজন=০.০৩ ঘনমিটার
9. ইটের গাঁথুনীর কাজে শুকনা মসল্লা এর পরিমাণ=৩৫%
10. এক ঘনমিটার সিমেন্ট=৩০ ব্যাগ….
11. এক বর্গমিটার নীট সিমেন্ট ফিনিশিং এর জন্য(NCF) সিমেন্টের প্রয়োজন=২.৭-৩ কেজি
12. ডিপিসি এ পাডলোর পরিমাণ সিমেন্টের ওজনের ৫% অর্থাৎ প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের জন্য ২.৫ কেজি।
13. এক ঘনমিটার এম,এস রডের ওজন =৭৮৫০ কেজি বা ৭৮.৫০ কুইন্টাল
14. এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন=৫০ কেজি এবং আয়তন=০.০৩৪৭ ঘনমিটার
15. এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন=৪০ কেজি
16. আবাসিক দালানের জন্য বাসযোগ্য ক্ষেত্রফল প্লিন্থ ক্ষেত্রফলের ৫০%-৫৬% হওয়া উচিত।
17. ১ রানিং মিটার দৈর্ঘে এন্ড এজিং এ ইটের পরিমাণ=১/.১২৭=৮ টি।
18. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি মিটার এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র =d2/১৬২.২ কেজি।
19. এক ঘনমিটার ছোট সাইজের খোয়ার জন্য ইটের প্রয়োজন ৩২০ টি এবং বড় সাইজের খোয়ার জন্য ৩০০ টি।
20. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি কেজি এম.এস.রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের সুত্র =১৬২.২/d2 মিটার
21. নির্মাণ সামগ্রী বহনের জন্য চালনা দুরুত্ব ৩০ মিটার এবং উত্তোলন দুরুত্ব ১.৫ মিটার।
22. কম্প্রেশন বারে হুক ছাড়া ল্যাপিং ২৪D এবং হুকসহ ৪৪D আবার, টেনশনে হুক ছাড়া ল্যাপিং ৩০D এবং হুকসহ ৬০D.
23. জলছাদের কাজে খোয়া,চুন,সুরকির অনুপাত=৭:২:২
24. সেপটিক ট্যাংক এর নুন্যতম প্রস্থ ৬০সেমি এবং তরলের নুন্যতম গভীরতা ১ মিটার।
25. সোক ওয়েলের নুন্যতম ব্যাস ৯০ সেমি এবং গভীরতা ইনভার্ট সমতল হতে ১.৫ মিটার।
26. কালভার্ট এর স্প্যান ৬ মিটারের কম এবং ব্রিজের স্প্যান ৬ মিটারের বেশি
27. ব্রিজ এর স্ল্যাবকে ডেকস স্ল্যাব বলে।
28. ঢেউটিনের প্রমাণ দৈর্ঘ্য: (১.৮০,২.২০,২.৫০,২.৮০,৩.২০)মিটার এবং প্রস্থ ০.৮০মিটার এবং ঢেউয়ের গভীরতা ১৮ মি.মি
29. এক মিটার এম.এস অ্যাঙ্গেলের ওজন=০.০০৭৮৫A কেজি
30. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ২০ ব্যাগ
31. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় ইট বহন করে 333 টি
32. একটি এক টনি ট্রাক কাঁচা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ১৩.৩৩ ব্যাগ।

১। আমেরিকান রেডক্রসের পরামর্শ অনুযায়ী- ভূমিকম্পের সময় সবচেয়ে উত্তম পন্থা হল ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ বা ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি।...
17/03/2024

১। আমেরিকান রেডক্রসের পরামর্শ অনুযায়ী- ভূমিকম্পের সময় সবচেয়ে উত্তম পন্থা হল ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ বা ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি। অর্থাৎ কম্পন শুরু হলে মেঝেতে বসে পড়ুন, তারপর কোন শক্ত টেবিল বা ডেস্কের নীচে ঢুকে কাভার নিন, এমন ডেস্ক বেছে নিন বা এমনভাবে কাভার নিন যেন প্রয়োজনে আপনি কাভারসহ মুভ করতে পারেন। তাদের মতে, ভূমিকম্পে আমেরিকার খুব কম

বিল্ডিংই কলাপস করে; যেটা হয় তা হল আশেপাশের বিভিন্ন জিনিষ বা ফার্নিচার গায়ের উপর পড়ে নেক-হেড-চেস্ট ইনজুরি বেশি হয়। তাই এগুলো থেকে রক্ষার জন্য কোন শক্ত ডেস্ক বা এরকম কিছুর নীচে ঢুকে কাভার নেয়া বেশি জরুরী। auto অপরদিকে সেই উদ্ধার কর্মীর মতে বিল্ডিং কলাপস করলে ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি একটি মরণ-ফাঁদ হবে। সেটা না করে
কোন বড় অবজেক্ট যেটা কম কম্পপ্যাক্ট করবে যেমন সোফা ইত্যাদির পাশে আশ্রয় নিলে যে void তৈরী হবে, তাতে বাঁচার সম্ভাবনা বেশী থাকবে। এখন রেড ক্রস কিন্তু এই ভয়েড বা ‘Triangle of life’-এর ব্যাপারটা অস্বীকার করে নি। কিন্তু যেহেতু আমেরিকায় বিল্ডিং কলাপ্স হবার সম্ভাবনা কম, তাই তাদের ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ পদ্ধতিই বিভিন্ন বস্তুর আঘাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য সবচেয়ে উত্তম। দু’টো ব্যাপারই তাই মাথায় রাখুন।

২। রাতে বিছানায় থাকার সময় ভূমিকম্প হলে উদ্ধার কর্মী বলছে গড়িয়ে ফ্লোরে নেমে পড়তে- এটা বিল্ডিং ধ্বসার পার্সপেক্টিভেই। রেড ক্রস বলছে বিছানায় থেকে বালিশ দিয়ে কাভার নিতে, কারণ সিলিং ধসবে না, কিন্তু ফ্লোরে নামলে অন্যান্য কম্পনরত বস্তু থেকে আঘাত আসতে পারে।

৩। দরজায় আশ্রয় নেবার ব্যাপারে উদ্ধার কর্মী এবং রেডক্রস উভয়েই নেতিবাচক। রেড ক্রস বলছে প্রায় এক দশক আগে থেকেই তারা এ পরামর্শ বন্ধ করেছে। (The American Red Cross has not recommended use of a doorway for earthquake protection for more than a decade)

৪। সিঁড়িতে আশ্রয় নেয়া উচিত না- এ ব্যাপারেও নিশ্চিত। এক বিশেষজ্ঞ যিনি ঐ উদ্ধারকর্মীর সবগুলো পরামর্শেরই সমালোচনা করেছেন, তিনিও বলেছেন একমাত্র এ পরামর্শটিই সবচেয়ে যৌক্তিক। এছাড়া ভূমিকম্পের সময় এলিভেটর/লিফট ব্যবহারও উচিত না।

৫। ভূমিকম্পের সময় ভেতরের দিকে না থেকে বাইরের দিকে ওয়ালের কাছে আশ্রয় নেয়া উচিত- এটা নিয়ে কোন বিরোধ পাই নি। যেটা পেয়েছি তা হল এর কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই এবং এর উলটো হাইপোথিসিসও নাকি আছে যে ভেতরের দিকে থাকাই ভালো।

ভূমিকম্পের সময় বাইরের ওয়ালের কাছে আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ মূলত বিল্ডিং ধ্বসে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বলা। ভূমিকম্পে যদি দালান ধ্বসে পড়ে তবে বাইরের দিকের ওয়ালের কাছে থাকলে ধ্বংসস্তুপ থেকে তাড়াতাড়ি উদ্ধার পাবার সম্ভাবনা বেশি। অন্যদিকেFEMA-র পরামর্শ হচ্ছে এসময় ভেতরের দিকে আশ্রয় নেয়া অর্থাৎ জানালা, কাঁচ, বাইরের ওয়াল, দরজা সবকিছু থেকে দূরে থাকা। এটা মূলত আমেরিকানদের জন্য পরামর্শ, যেখানে তারা ধরে নিয়েছে ভূমিকম্পে এখানকার বিল্ডিং ধ্বসে পড়বে না, কিন্তু বাইরের ওয়াল ধ্বসে বা জানালা, কাঁচ ইত্যাদি থেকে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে অনেকে হতাহত হতে পারে। কাজেই বাংলাদেশের জন্য সমাধান হতে পারে- আপনি যদি নতুন, মজবুত কোন দালানে থাকেন, তবে FEMA-পরামর্শ অনুযায়ী ভেতরের দিকেই থাকেন- জানালা, কাঁচ, বাইরের ওয়াল সবকিছু থেকে দূরে; আর যদি পুরান ঢাকার বাড়িগুলোর মত ঝরঝরে কোন দালানে থাকেন তবে বাইরের ওয়ালের কাছে আশ্রয় নিন, দালান ধ্বসে পড়লে যেন কম জিনিসের মধ্যে চাপা পড়েন।

৬। উদ্ধার কর্মীর যেসব পরামর্শ রয়েছে তার মধ্যে একমাত্র গাড়ীরটাই সরাসরি বাদ দেয়া যায়। তিনি বলছেন ভূমিকম্পের সময় গাড়ী বন্ধ করে গাড়ী থেকে বের হয়ে বসে বা শুয়ে পড়তে। রেড ক্রস বলছে গাড়ী বন্ধ করে গাড়ীর ভিতরেই বসে থাকতে। গাড়ীর বাইরে থাকলে আহত হবার সম্ভাবনা বেশি। রেড ক্রসের এই পরামর্শ যথেষ্ট বৈজ্ঞানিক গবেষণার ভিত্তিতে দেয়া এবং এটা সব দেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হতে পারে।

৭। ভূমিকম্পের সময় কোন ফ্লোর নিরাপদ, কিভাবে দালান ভেঙ্গে পড়ে- কাত হয়ে নাকি এক তলার উপর আরেকটা?
এটা ঐ জায়গার মাটির গঠন, বিল্ডিং কিভাবে তৈরী- এটার ওপরই অনেকাংশে নির্ভর করে। সাধারণত ভূমিকম্পের সময় চারভাবে ফ্লোর বা দালান ধ্বসে পড়তে পারে । এগুলো হল-
top, middle and bottom floors এবং total building failure .
দালানের কোন তলা বেশি নিরাপদ- এক্ষেত্রে বেশিরভাগ মতামত হল ভূমিকম্পের সময় উপরের দিকের তলাগুলোতে দুলুনি হবে বেশি, নিচের তলায় কম। কিন্তু দালান যদি উলম্ব বরাবর নিচের দিকে ধ্বসে পড়ে, তবে নিচ তলায় হতাহত হবে বেশি, কারণ উপরের সব ফ্লোরের ওজন তখন নিচে এসে পড়বে। ১৯৮৯ সালে সানফ্রান্সিসকো এলাকায় এক ভূমিকম্পে এরকমভাবে অনেক দালান নিচের দিকে কলাপ্স করেছিল এবং তাতে নিচের ফ্লোর পুরো ধ্বসে গিয়েছিল উপরের তলাগুলোর চাপে। এছাড়া এ ভূমিকম্পে দেখা গিয়েছিল ব্লকের কর্ণারের বাড়িগুলোতে শক বেশি হয়েছিল ব্লকের মাঝামাঝি অবস্থানে থাকা বাড়িগুলোর চেয়ে।
৮। তবে যে ফ্লোরেই থাকুন- ভূমিকম্পের সময় বেশি নড়াচড়া, বাইরে বের হবার চেষ্টা করা, জানালা দিয়ে লাফ দেবার চেষ্টা ইত্যাদি না করাই উত্তম। একটা সাধারণ নিয়ম হল- এসময় যত বেশি মুভমেন্ট করবেন, তত বেশি আহত হবার সম্ভাবনা থাকবে। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে অফ দ্য রেকর্ড একটা কথা- যদি গ্রাউন্ড ফ্লোরে একেবারে দরজার কাছে থাকেন, তবে এক দৌড়ে বাইরে কোন খোলা জায়গায় চলে যান। সিঁড়ি-টিঁড়ি পার হয়ে যেতে হলে না যাওয়াই ভালো।
৯। সব বড় ভূমিকম্পের পরপরই আরেকটা ছোট ভূমিকম্প হয় যেটাকে ‘আফটার শক’ বলে। এটার জন্যও সতর্ক থাকুন, না হলে পচা শামুকেই শেষমেষ পা কাটতে পারে।
১০। প্রথম ভূমিকম্পের পর ইউটিলিটি লাইনগুলো (গ্যাস, বিদ্যুত ইত্যাদি) একনজর দেখে নিন। কোথাও কোন লিক বা ড্যামেজ দেখলে মেইন সুইচ বন্ধ করে দিন।
যা আগেই করণীয়ঃ
• পরিবারের সবার সাথে বসে এ ধরণের জরুরী অবস্থায় কি করতে হবে, কোথায় আশ্রয় নিতে হবে- মোট কথা আপনার পরিবারের ইমার্জেন্সি প্ল্যান কী সেটা ঠিক করে সব সদস্যদের জানিয়ে রাখুন।
• বড় বড় এবং লম্বা ফার্নিচারগুলোকে যেমন- শেলফ ইত্যাদি দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখুন যেন কম্পনের সময় গায়ের উপর পড়ে না যায়। আর টিভি, ক্যাসেট প্লেয়ার ইতাদি ভারী জিনিষগুলো মাটিতে নামিয়ে রাখুন।
• বিছানার পাশে সবসময় টর্চলাইট, ব্যাটারী এবং জুতো রাখুন।
• রেট্রোফিট, রেট্রোফিট আবারো বলছি রেট্রোফিটিং-এর ব্যবস্থা এখনই করুন।
ধ্বংসস্তুপে আটকে পড়লে করণীয়-
১। ধুলাবালি থেকে বাঁচার জন্য আগেই সাথে রুমাল বা তোয়ালে বা চাদরের ব্যবস্থা করে রাখুন
২। ম্যাচ জ্বালাবেন না। দালান ধ্বসে পড়লে গ্যাস লিক হয়ে থাকতে পারে।

৩। চিৎকার করে ডাকাডাকি শেষ অপশন হিসেবে বিবেচনা করুন। কারণ, চিৎকারের সময় মুখে ক্ষতিকারক ধুলাবালি ঢুকে যেতে পারে। পাইপে বা ওয়ালে বাড়ি দিয়ে বা মুখে শিস বাজিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করতে পারেন। তবে ভাল হয় সাথে যদি একটা রেফারির বাঁশি বা হুইসেল থাকে, তার প্রিপারেশন নিয়ে রাখুন আগেই।

Address

Bondhoget Greter Road
Rajshahi
G.P.O.6000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Civil Engineer's Corner posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category