মি᭄স ᭄রুপন্তি

মি᭄স ᭄রুপন্তি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)

নদী যত নিঃশব্দ সেই নদীর বয়ে চলা ততোই বেশি গভীর।
29/11/2025

নদী যত নিঃশব্দ সেই নদীর বয়ে চলা ততোই বেশি গভীর।

স্রষ্টার পৃথিবীতে Imperfect বলে কিছু নেই, ভাঙা চাঁদও জোছনা বিলায়!
09/11/2025

স্রষ্টার পৃথিবীতে Imperfect বলে কিছু নেই, ভাঙা চাঁদও জোছনা বিলায়!

"সুযোগ তৈরি করো, অপেক্ষা নয়"... কারণ"সুযোগ কখনো'ই বাইরে থেকে আসে না। যারা অপেক্ষা করে, সময় তাদের পিছু ছাড়ে। নিজের স্ব...
24/10/2025

"সুযোগ তৈরি করো, অপেক্ষা নয়"... কারণ

"সুযোগ কখনো'ই বাইরে থেকে আসে না। যারা অপেক্ষা করে, সময় তাদের পিছু ছাড়ে। নিজের স্বপ্ন পূরণের দায়িত্ব শুধু তোমারই। সাহসী হও, উদ্যোগী হও, নিজের সম্ভাবনার প্রতি বিশ্বাস রাখো।

নিজের পথ নিজে তৈরি করো। নিজের চেষ্টা, নিজের দৃষ্টি, নিজের মনোবল—এই তিনটিই তোমাকে স্বপ্নের কাছাকাছি নিয়ে যাবে।

আজই শুরু করো, কারণ তোমার সফলতা তোমার হাতেই!"

বেশ কিছুদিন আগে থেকেই লিখতে চাচ্ছি। কিন্তু সমাজের কিছু সুশীলদের জন্যে লিখতে পারছি না। তারা আবার আমাকে রাজাকার দেশদ্রোহী ...
24/10/2025

বেশ কিছুদিন আগে থেকেই লিখতে চাচ্ছি। কিন্তু সমাজের কিছু সুশীলদের জন্যে লিখতে পারছি না। তারা আবার আমাকে রাজাকার দেশদ্রোহী বানিয়ে ছাড়বে। শেষে সম্মানিত শিক্ষকদের প্রতি আমার একটা অনুরোধ থাকবে। (বিঃদ্রঃ- সবটা পড়ার পর মন্তব্য করতে পারেন)

নিজ বাড়ি থেকেই কাজ করে যাদের বেতন মাত্র ১২,০০০ টাকা, অথচ বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা যোগ করলে চাকরির শুরু থেকেই অনেকেই বেশ ভালো অংকের আয় করে ফেলেন—তারা সরকারি ছুটির সব সুযোগ ভোগ করেন। বছরে প্রায় তিন মাস স্কুল ছুটি, সপ্তাহিক ছুটি তো আছেই; তাদের নিজের পশুপালন, জমিতে চাষাবাদ বা আলাদা ব্যবসা থাকলে ইচ্ছে হলে ছুটি নিয়ে নিজস্ব কাজ করতে পারেন। দেশের সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, কৃষক, শ্রমিক সবার টাকা দিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, উন্নয়ন প্রকল্প, রাস্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য—সব খরচ চালায়।

কৃষকরা প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা মাঠে পরিশ্রম করে, রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, কাদা-মাটিতে মিশে দেশের খাবারের যোগান যোগান দেন। ধান, পেঁয়াজ, আলু, শাকসবজি—সব কিছুর দাম বাজারে যখন কমে যায়, তখন কৃষক নীরবে কষ্ট সয়ে নেন; ন্যায্য দাম পান না, শোষিত হন। হাজার বছর ধরে তাদের অবহেলা, লাঞ্ছনা আর শোষণের গল্প চলেছে। তাদের কোনো সরকারি ছুটি নেই, উৎসব ভাতা নেই—তাদের প্রতিদিনই যুদ্ধ: মাঠ, মাটি ও জীবনের সঙ্গে।

তাঁরা আন্দোলন-সংগ্রামে এসে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারেন না। যদি শিক্ষকরা জাতি গড়ে, সৈনিকরা দেশ রক্ষা করে—তাহলে কৃষকই সেই মাটি গড়েন যার ওপর জাতি ও দেশ দাঁড়িয়ে আছে। তাদের অবমূল্যায়ন মানে দেশের মাটির প্রতি অন্যায় করা।

একইভাবে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, আনসার, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও কষ্ট করেন—তাদের বহু ক্ষেত্রে বেতন তেমন নয়; অনেকেই বাসা ভাড়া করে থাকে, ডিউটি কখনো থামেনা, জীবন ঝুঁকির মধ্যে থাকে। আমরা কাউকে ছোট করে বলছি না—শুধু বলতে চাই: যেভাবে শিক্ষক ও সেনাসদস্যদের কষ্ট-অধিকার নিয়ে কথা বলা হয়, ঠিক সেই মনোভাবটা যেন গরীব কৃষকের প্রাপ্য কষ্টের কথার ক্ষেত্রেও থাকে।

সর্বশেষে সম্মানিত শিক্ষকদের কাছে আমার অনুরোধ—আমি তাদের বিরুদ্ধে নই, আমি শুধু সকলের কষ্ট তুলে ধরছি। আমার ছোট কিছু প্রশ্ন থাকবে:
১) শিক্ষক মহোদয় ও মহোদয়েরা কি কৃষকদের অধিকার আদায়ে একটু হাতে সাহায্য করতে পারেন?
২) আপনাদের যেভাবে অধিকার আদায়ের শক্তি আছে, সেই শক্তি কি কৃষকদের কষ্টকে তুলে ধরতেও ব্যবহার করা যাবে?
৩) আমরা সবাই মিলেই যদি কৃষক—সেনা—শিক্ষক—সব শ্রেণির মানুষের মর্যাদা নিয়ে কথা বলি, তাহলে দেশের মাটির প্রতি বড় ন্যায় হবে না কি?

আমার কণ্ঠ ছোট—কিন্তু অভিপ্রায় বড়: দেশের প্রতিটি শ্রমিক, বিশেষ করে গরিব কৃষকের কষ্টও দেখুন, শুনুন এবং কেবল সমবেদনা নয়—কিছু করুন।

19/10/2024
♥️♥️♥️🥰🥰🥰♥️🥰♥️🥰♥️🥰
03/10/2024

♥️♥️♥️🥰🥰🥰♥️🥰♥️🥰♥️🥰

এক দফা এক দাবি
30/09/2024

এক দফা এক দাবি

নূহ আলাইহিস সালাম তাঁর কওমকে অনেক অনেক বছর দ্বীনের দাওয়াত দেন। কিন্তু অবাধ্য কওম তাঁর ডাকে কোনো সাড়াই দিতে চায় না। তারা ...
16/01/2023

নূহ আলাইহিস সালাম তাঁর কওমকে অনেক অনেক বছর দ্বীনের দাওয়াত দেন। কিন্তু অবাধ্য কওম তাঁর ডাকে কোনো সাড়াই দিতে চায় না। তারা আল্লাহর নবি নূহ আলাইহিস সালামকে অত্যাচার-নির্যাতন করে, তাঁর দাবিকে অস্বীকার করে এবং তাঁর নুবুওয়াতের ব্যাপারে যা খুশি তা বলতে থাকে। অবাধ্যতার চূড়ান্ত প্রকাশ যাকে বলে! তাদের সেই ক্রমাগত অত্যাচার-নির্যাতন, নিরন্তর অবাধ্যতা এবং সীমা লঙ্ঘনের কারণে তাদের ওপর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার আযাব আসাটা অবশ্যম্ভাবী হয়ে দাঁড়ায়।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা নূহ আলাইহিস সালামকে একটা নৌকা বানানোর আদেশ দিলেন। তাঁর চূড়ান্ত ফায়সালা—বানের পানিতে তিনি ডুবিয়ে মারবেন এই অবাধ্য জাতিটাকে!

নৌকা বানানোর কাজে লেগে পড়লেন নূহ আলাইহিস সালাম। কিন্তু এমন কড়কড়ে রৌদ্রকরোজ্জ্বল দিনে, এমন শুষ্ক আবহাওয়ার সময়ে বানের পানি থেকে বাঁচতে নৌকা বানাতে দেখে নূহ আলাইহিস সালামকে ঠাট্টা করতে শুরু করেছিলো কাফিরেরা।

وَيَصْنَعُ الْفُلْكَ وَكُلَّمَا مَرَّ عَلَيْهِ مَلَأٌ مِّنۡ قَوْمِهِ سَخِرُوۡا مِنْهُ ۚ

“নূহ নৌকা তৈরি করছিলো। আর যখনই তার জাতির প্রধান ব্যক্তিরা নূহের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো, তারা তাঁকে নিয়ে উপহাসে মেতে উঠছিলো।” (১)

তাদের মনে হয়তো এই ভাবনার উদয় হয়েছিলো যে—আরেহ! কী সুন্দর আবহাওয়া প্রকৃতিতে বিরাজ করছে, আর এই লোকটা এসেছে আমাদেরকে বানের জলের গল্প শোনাতে! পাগল নাকি!

তারা হয়তো আরও ভেবেছে—ধরে নিলাম অঝোর ধারার বৃষ্টি হবে। কিন্তু তাই বলে কী নৌকায় উঠে সেই বৃষ্টি থেকে বাঁচতে হবে আমাদের? আমাদের ঘরগুলো কি ডুবে যাবে নাকি? এমনটা হয়েছে কখনো? এমন ঘটনা না আমরা দেখেছি আর না আমাদের বাপ-দাদারা দেখেছে কোনোদিন!

ভাবনা মিথ্যে নয়। নূহ আলাইহিস সালামের কওম কেবল নয়, তাঁর আগের কোনো জাতিই এতো ভয়াবহতম বন্যা অবলোকন করেনি এবং কিয়ামতের আগে হয়তো আর কোনো জাতি সেটা অবলোকন করবে না। যেহেতু এমনকিছু যে ঘটতে পারে সেই অভিজ্ঞতা তাদের কাছে ছিলো না, তাই নূহ আলাইহিস সালামকে এমন কড়কড়ে রোদে কাল্পনিক বৃষ্টি আর বন্যার কথা ভেবে নৌকা বানাতে দেখে উপহাস করতে শুরু করে তারা।

তাফসীর থেকে জানা যায়—নূহ আলাইহিস সালাম গোটা একশ বছর ধরে সেই নৌকা বানিয়েছিলেন। অর্থাৎ—যেদিন থেকে নূহ আলাইহিস সালাম সেই নৌকা বানানো শুরু করেছিলেন, তার আরও একশ বছর পর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার আযাবের সেই বন্যা নূহ আলাইহিস সালামের কওমকে গ্রাস করেছিলো।

এই জায়গায় একটা চমৎকার ব্যাপার আমার মাথায় এলো। সেই নৌকাটা বানাতে যেহেতু নূহ আলাইহিস সালামের একশ বছর লেগেছিলো, তাহলে গোটা একটা শতাব্দী ধরে কাফিরদের ঠাট্টা-মশকারি, লাঞ্ছনা আর উপহাস তাঁকে কি সহ্য করে যেতে হয়নি? অবশ্যই হয়েছে। যদি রাতারাতি সেই আযাব চলে আসতো, যদি নূহ আলাইহিস সালাম নৌকা বানানোর কাজে হাত দেওয়া মাত্রই প্রকৃতিতে নেমে আসতো অঝোর ধারার বর্ষণ, তাহলেও নূহ আলাইহিস সালামের সতর্কবার্তাকে খানিকটা হলেও সত্য মনে করতো তারা। খুব বেশি উপহাস করতে পারতো না। কিন্তু গোটা একশ বছর যেখানে লেগে গেলো, এতো লম্বা একটা সময় ধরে যে উপহাস, বিদ্রুপ আর তিরস্কারের ভেতর দিয়ে নূহ আলাইহিস সালামকে যেতে হয়েছে তা কি কল্পনা করা যায়?

কিন্তু দেখুন—সেই লাঞ্ছনা, গঞ্জনা, উপহাস, বিদ্রুপ আর তিরস্কারের বিপরীতে কী সীমাহীন ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়ে গেলেন নূহ আলাইহিস সালাম! ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাওয়া বলে একটা কথা আছে। নূহ আলাইহিস সালামের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙা তো দূর, কখনো সেই বাঁধের একটা বালুকণাও নড়চড় করেনি।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার প্রতিশ্রুত আযাব আসতে এতো সুদীর্ঘ সময় লেগে গেলেও, তিনি কখনোই প্রশ্ন করে বসেননি যে—ইয়া আল্লাহ, আপনি তো বলেছেন এই কাফিরদের জন্য আযাব পাঠাবেন। কিন্তু এতোগুলো বছর হয়ে গেলো তবুও আপনার কোনো আযাব এদের ওপর আপতিত হলো না এখনো৷ এরা তো আমাকে নাস্তানাবুদ করে ছাড়ছে তাদের তিরস্কার আর বিদ্রুপে। মাবূদ, কবে পাঠাবেন আপনার সেই প্রতিশ্রুত আযাব?

কখনোই নয়! নূহ আলাইহিস সালাম একটাবারের জন্যও আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলাকে এভাবে জিজ্ঞাসার বাণে ফেলেননি। আল্লাহর প্রতিশ্রুত আযাব আসতে সুদীর্ঘ সময় লেগেছে ঠিক, এরই মধ্যে কাফিরেরা তাঁকে উপহাস, তিরস্কার আর বিদ্রুপে জর্জরিত করেছে সেটাও ঠিক, কিন্তু সবকিছু মুখ বুজে সহ্য করে তিনি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার ওপর ভরসা করে ছিলেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কখন সেই আযাব পাঠাবেন, সেই সময়ের দিকে চাতক পাখির মতো তাকিয়ে থেকেছেন।

জীবনে আমরাও আল্লাহর নিয়ামত লাভের জন্য চাতক পাখির মতো তাকিয়ে থাকি। আমরা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছে জীবনের দরকারে এটা-ওটা লাভের দুআ করি৷ কিন্তু যখনই আমাদের প্রত্যাশিত বস্তু লাভে আমরা ব্যর্থ হই কিংবা সেই বস্তু আমাদের হস্তগত হতে সময় লেগে যায়, আমরা তখন ব্যাকুল হয়ে উঠি। আমরা হাপিত্যেশ করে বলি, ‘আহা! আল্লাহ কেন যে আমার দুআ কবুল করেন না! কেন যে তিনি আমার ডাকে সাড়া দেন না!’

চিন্তা করে দেখুন—নূহ আলাইহিস সালামকে যে আযাবের প্রতিশ্রুতি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা দিয়েছেন তা পাঠিয়েছেন আরও একশ বছর পরে, কিন্তু কাফিরদের নিরন্তর উপহাস সত্ত্বেও এতে নূহ আলাইহিস সালামের কোনো হাপিত্যেশ কিংবা কোনো তাড়াহুড়ো ছিলো না। তিনি ধৈর্যের সাথে অপেক্ষা করে গেছেন। কিন্তু আমরা—আমাদের প্রত্যাশিত বস্তু আজকে চেয়ে কালকে না পেলে অস্থির হয়ে যাই৷ পেরেশানিতে ঘুমোতে পর্যন্ত পারি না। আল্লাহর সিদ্ধান্তের ওপর নূহ আলাইহিস সালামের যে সীমাহীন ভরসা ছিলো, আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সেই ভরসার ছিটেফোঁটা আছে কি?

রেফারেন্স:
১. সূরা হুদ, আয়াত-৩৮

'কুরআন থেকে নেওয়া জীবনের পাঠ' বই থেকে নেওয়া টুকরো অংশ। বইটা প্রকাশ পাবে একুশে বইমেলা-২০২৩ এ, ইন শা আল্লাহ। প্রকাশ করবে সত্যায়ন প্রকাশন।

15/01/2023

অল্প বয়সে বিয়ে করার উপকারিতা‍‌⁉️✅

১. লজ্জা স্থানের হেফাজত হয়।
২. বিবাহ চক্ষু নিচু করে।
৩. তাড়াতাড়ি ধনী হওয়া যায়।
৪. ইমান পরিপূর্ণ হয়
৫. অসুস্থতা দূর হয়।
৬. ইবাদতে মজা পাওয়া যায়।
৭. আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়।
৮. মানসিক তৃপ্তি পাওয়া যায়। (এমন তৃপ্তি যেটা শুধু নিজের বউয়ের কাছে পাবেন যিনা করতে গিয়েও তা পাবেন না।)
৯. মেজাজ ঠান্ডা থাকে। মাথা কখনো হট হবে না।
১০. যৌবনের ক্ষুদা নিবারণ হয়।
আরো অংসখ্য উপকারিতা আছে।

এখন আপনি বলতে পারেন যে, বিয়ে করে বউকে খাওয়াব কি? আমার তো ইনকাম নাই, আমি তো এখনো ছাত্র, এমন হাজারো প্রশ্নের উত্তরঃ
আল্লাহ বলেছেন,
وَأَنكِحُوا الْأَيَامَى مِنكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاء يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ

অর্থ: বিয়ে করো, তোমায় প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব আমি আল্লাহর। অভাবে আছো অভাব দূর করে দেব। আল্লাহ বলেন ধনী হতে চাও বিয়ে করো।

আবার রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,

ثَلَاثَةٌ حَقٌّ عَلَى اللَّهِ عَوْنُهُمْ: المُجَاهِدُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَالمُكَاتَبُ الَّذِي يُرِيدُ الأَدَاءَ، وَالنَّاكِحُ الَّذِي يُرِيدُ العَفَافَ

তিন ব্যক্তিকে সাহায্য করা আল্লাহ তায়ালার জন্য কর্তব্য হয়ে যায়।

১. আল্লাহ তায়ালার রাস্তায় জিহাদকারী।
২. চুক্তিবদ্ধ গোলাম যে তার মনিবকে চুক্তি অনুযায়ী সম্পদ আদায় করে মুক্ত হতে চায়।
৩. ওই বিবাহিত ব্যক্তি যে (বিবাহ করার মাধ্যমে) পবিত্র থাকতে চায়।

(তিরমিজি-১৬৫৫, নাসায়ি-৩২১৮, ৩১২০, সহিহ ইবনে হিব্বান-৪০৩০, বায়হাকি)

অল্প বয়সে বিয়ে করলে রোমান্টিকতার বহু সময় পাওয়া যায়। কেন এতো বিয়ে করতে দেরি করছেন,আল্লাহ তো অফার দিয়ে রাখছেন। আল্লাহ তোমাকে বড়লোক বানিয়ে দেওয়ার ওয়াদা দিয়েছেন।

শুধু খামাখা কেন দেরি করছেন, বিয়ে করুন। যৌবন শুরু হয়েছে, আল্লাহর দেয়া বিশাল অফার টাকে গ্রহণ করুন।

বিয়েকে সহজ করুন,দেখবেন সমাজ থেকে যিনা ব্যভিচার কমে যাবে....।।💐🌻🖤

সুবহানাল্লাহ....
18/10/2022

সুবহানাল্লাহ....

Address

Rangpur Dhaka
Rangpur

Telephone

+8801781030316

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মি᭄স ᭄রুপন্তি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to মি᭄স ᭄রুপন্তি:

Share

Category