M/S Mehedi Enterprise

M/S Mehedi Enterprise Civil Engineers help page. Share all important thing for civil engineer. Like and share my page.

My robi apps a login korle 1gb bonus
05/03/2021

My robi apps a login korle 1gb bonus

Robi Axiata Limited, DBA Robi, is the second largest mobile network operator in Bangladesh. It is a joint venture between Axiata Group Berhad of Malaysia, Bharti Airtel Limited of India and NTT DoCoMo Inc. of Japan.

13/02/2021
28/06/2020

কনসীল বীম কি???
-------------------------------------------
ইঞ্জিনিয়ারিং এ কনসীল বীম বলে তেমন কিছু নেই। মূলত ফ্লাট স্লাবে যেভাবে কলাম টু কলাম বরাবর স্ট্রীপ ধরে এক্সট্রা Reinforcement দেওয়া হয় এটাকে অনুকরন করেই কনসীল বীম ধারনা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ২০০মি.মি এর কম Thickness এর ছাদে এই জিনিস যথা সম্ভব তা পরিহার করে চলা উচিত।

কনসিল বীম করার কারনেঃ
----------------------------------------------
#স্ট্রাকচার কলাম স্ট্রিপ এ দুর্বল হয়।

#ভুমিকম্পে স্যান্ডউইচ হবার আশঙ্কা থাকে।

#কনসীল বীমে Reinforcement টোটাল RCC এর ২% এর অধিক হয়ে পড়ে।

#কনসিল বীম স্ট্রাকচার Lateral Load নিতে পারে না।

Beam এর থেকে কনসীল বীম ১০% কম Axial Load নিতে পারে।

#কনসীল বীমে Vertical Displacement নরমাল বীমের থেকে ১০% বেশী হয় বলে তা তুলনা মূলক ভাবে দুর্বল হয়।

এর ২% এর বেশী হবার কারনে Concrete সব জায়গায় পৌছাতে পারে না। এতে হানিকম্ব তৈরী হয় ।

28/06/2020

বালি_নিয়ে_বিস্তারিত

ভালো বালির গুণাবলী:-
====================
নির্মাণ কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে বালি, যা সিলিকা থেকে তৈরি হয়। বেশির ভাগ সময় সমুদ্র বা নদীর উপক’লে, সমুদ্রের তলায়, নদীয় তলায় বালি পাওয়া যায়।
বালিকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়
* #পিট বালি
* #নদীর বালি
* #সমুদ্রের বালি
* #পিট বালি
মাটিতে গর্ত করে এই প্রকার বালি পাওয়া যায়। যা মসৃণ, কোণাকার এবং ক্ষতিকারক লবণ থেকে মুক্ত থাকে। এই প্রকার বালি সাধারণত মর্টারের কাজে ব্যবহৃত হয়।
* #নদীর বালি
এই প্রকার বালি নদীর উপকূলে পাওয়া যায়। যা চিকন ও গোলাকার হয়ে থাকে। এটা পিট বালি অপেক্ষা সূক্ষ্ম তাই প্লাষ্টারিং এর কাজ এই বালি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
* #সমুদ্র বালি
এই প্রকার বালি সমুদ্রের উপকূলে পাওয়া যায়। যা নদীর বালির মত চিকন ও গোলাকার হয়ে থাকে। তবে এই প্রকার বালিতে ক্ষতিকারক লবণ থাকে।
* #মোটা দানার বালি
এই প্রকার বালির দানা তুলনামূলক একটু বড় আকৃতির হয় তাই নির্মাণ কাজে ঢালাইয়ের সময় খুবই উপযোগী। কংক্রিট তৈরিতে সিলেট বালি সমান থাকে।

* #বালি ব্যবহারে সতর্কীকরণ

বালির সঙ্গে কোন প্রকার ময়লা, কাদামাটি থাকতে পারবে না। লবণাক্ত বালি ব্যবহার করা যাবে না এবং নির্মাণ কাজের পূর্বে বালি ভালভাবে ধুয়ে নিতে হবে যেন বালির সালে সংযুক্ত কাদা, লবণ, ময়লা, আগাছা, ডালপালা, নুড়ি বের হয়ে যায়।

* #বালি পরীক্ষা
বালির গুণাবলী পরীক্ষার জন্য নিম্নলিখিতপরীক্ষাগুলো করা প্রয়োজন

*কিছু বালি দুআঙ্গুলের ফাঁকে নিয়ে ঘষা দিতে হবে, যদি আঙ্গুলের সাথে ধুলা জাতীয় দ্রব্য লেগে থাকে, তবে বুঝতে হবে বালির সাথে ধুলা রয়েছে।

*একটি পরিষ্কার কাঁচের গ্লাসে পানি নিয়ে তার মাঝে কিছু বালি ছেড়ে দিতে হবে এবং কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। যদি বালিতে ধুলা থাকে তবে তার স্তর বালির উপরে হবে।
*কিছু পরিমাণ কষ্কিক সোডা ৩% একটি বোতলে নিয়ে তার সাথে অল্প কিছু বালি যোগ করে মুখ বন্ধ করে দিতে হবে এবং কিছুক্ষণ ঝাকাতে হবে এবং ২৪ ঘন্টা ঐ অবস্থায় রেখে দিতে হবে। যদি বোতলে রক্ষিত দ্রব্যের রং পরিবর্তন হয়ে বাদামী হয়, তবে বুঝতে হবে বালিতে রাসায়নিক পদার্থ বিদ্যমান।

*বালু তীক্ষ্ম নজর দিয়ে দেখলে যদি এতে পাথর, কয়লার টুকরা বা অন্য কোন নোংরা থাকে তাহলে ব্যবহারে না নেওয়াই ভালো। আরেকটা উপায় হল, একটা কাঁচের গ্লাসে আধা গ্লাস বালু নিয়ে বাকিটা পানি দিয়ে ভরে দিন এবং একটা চামচ দিয়ে ভাল করে নেড়ে নিন। বালুতে নোংরা থাকলে পানির রং ময়লা বা ঘোলা হয়ে যাবে। বালুটা নীচে বসে যাওয়ার পর দেখুন যদি বালুর ওপর মাটির স্তর বেশী মোটা হয় তাহলে এ বালু ব্যবহার করার দরকার নেই। যদি ভুল ক্রমে এমন বালু এসে যায় এবং পরীক্ষার পরে ব্যবহারযোগ্য মনে না হয় তাহলে ও চিন্তার কোন কারণ নেই, এমন বালুকে পরিস্কার করারও উপায় আছে।

*বালুকে ধুয়ে পরিস্কার করা যায়: বালুর গাদায় পানি ঢেলে দিন তাতে করে ময়লা মাটি নীচে বসে যাবে। এবার কোদাল দিয়ে বালুটাকে ভাল করে মিশিয়ে নিন তারপর চালনি দিয়ে ছেঁকে নিন। বালু পরিস্কার হয়ে যাবে।

*ভেজাল বালু ব্যবহারে অসুবিদা হতে পারে: শ্রমিকেরা মশলাতে বেশী পানি মেশানো পছন্দ করে। যদি প্রথম থেকেই বালুতে পানি বেশী থাকে তাহলে, সেই বালু ব্যবহারে নির্মাণ কমজোর হতে পারে। তাই যদি দেখেন বালু ভেজা তবে ঠিকাদারকে বলবেন ইঞ্জিনিয়ার এর পরামর্শ মতে পানি মেশাতে।

প্রচলিত ভাবে বালি তিন প্রকার:-
#ভিটি বালি: ভিটি বালু-র এফ এম ০.৫ থেকে ০.৭। ভরাট কাজে ব্যবহৃত হয়।

* #লোকাল বালি: এর এফ এম ১.২ থেকে ১.৮। গাঁথুনি, প্লাস্টারিং এর কাজে ব্যবহৃত হয়।

* #মোটা বালি: মোটা বালু সিলেটে অধিক পাওয়া যায়। এর এফ এম ২.৩ থেকে ২.৮। ঢালাই এর কাজে ব্যবহৃত হয়।

*গোলাকার বালু অপেক্ষা কোণাকার বালু ভাল । ঢালাইয়ের কাজে মোটা বালুই ভাল। বালুকে বলা হয় ফাইন এগ্রিগেট। বালু পরিস্কার ও কাদা মুক্ত হওয়া উচিত।

24/06/2020

পাইল ড্রাইভ করার পর পাইল তার ডিজাইন অনুযায়ী লোড বহনে সক্ষম কিনা তা জানার জন্য স্ট্যাটিক এ্যক্সিয়াল কম্প্রেসিভ পাইল লোড টেস্ট করা হয়।

ধরুন পাইলের সাইজ ১৬" * ১৬"।

#বিবরণ

১। পাইল ড্রাইভ করার পর পাইলের উপর থেকে ১ ফিট পর্যন্ত ভেঙে নতুন করে মাথা লেভেল করে ঢালাই করুন।
২। এবার পাইলের উপর হাইড্রলিক জ্যাক বসান।
৩। চিত্র অনুযায়ী জ্যাকের উপরে আই জয়েস্টের মাধ্যমে প্লাটফর্ম তৈরি করুন এবং বালুর বস্তা দিয়ে লোড চাপান।
৪। পাইলের যে পরিমাণ লোড বহন করার কথা তার ৩ গুন লোড বালির বস্তার মাধ্যমে দেন।
৫। ধরুন পাইলকে 700 KN লোড বহন করতে হবে তাহলে 2100 KN লোড দেন অর্থ্যাত ২১৪ টন লোড দেন।
৬। এবার জ্যাকের দুইপাশে ম্যাগনেট বসানোর জন্য স্টিল চ্যানেল দিয়ে ম্যাগনেটিক বেজ রেডি করুন।
৭। ম্যাগনেটিক বেজ দুটি অবস্যই ওয়াটার লেভেলে থাকবে।
৮। এবার ম্যাগনেট দুইটির সাথে দুইটি ডায়াল গেজ যুক্ত করুন।( ডায়াল গেজের সাহায্যে পাইলের বসনের পরিমাণ জানা যায়)
৯। এবার যে মেশিন দিয়ে হাওয়া দিয়ে হাইড্রলিক জ্যাক উঠা নামান করা হবে সেই পাম্প দেওয়া মেশিনের সাথে প্রেসার গেজ লাগান।
১০। প্রেসার গেজের সাহায্যে কি পরিমান প্রেসার আপনি পাইলে দিচ্ছেন এবং এই প্রেসারে কি পরিমান লোড পাইলে পড়ছে তা জানা যায়।
১১। এবার প্রেসার গেজের সাহায্যে ডিজাইন লোডের ২৫% লোড দিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন এবং ১০ মিনিট পর পর পাইলের কি পরিমাণ বসন হচ্ছে তা ডায়াল গেজ দিয়ে দেখে লিপিবদ্ধ করুন।
১২। ৩০ মিনিট পর আবার ডিজাইন লোডের ৫০% লোড দিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন এবং ১০ মিনিট পর পর রিডিং নিন।
১৩। ৩০ মিনিট পর এবার ৭৫% লোড দিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন।
১৪। ৩০ মিনিট পর এবার ডিজাইন লোডের ১০০% লোড দিন এবং ১ ঘণ্টা রাখুন এবং ১০ মিনিট পর পর রিডিং নিন।
১৫। ১ ঘণ্টা পর এবার লোড কমাতে হবে, মানে
পুনরায় ৭৫% লোড ৩০ মিনিট, ৫০% লোড ৩০ মিনিট, ২৫% লোড ৩০ মিনিট, ০% লোডে ৩০ মিনিট রেখে ১০ মিনিট পরপর রিডিং নিতে হবে।
১৬। লোড বারানোর ফলে পাইলের বসন হবে। যেমনঃ ২,২.৫,৩....৬ মিলি।
ঠিক তেমনি লোড কমাতে থাকলে মাটির ইলাস্টিসিটি গুনের কারনে পাইল পুনরায় উপরের দিকে উঠে আসবে।যেমনঃ ৬,৫....৩ মিলি।
১৭। এবার আবার লোড বারান,আবার ৫০%, ১০০%, ১২৫%, ১৫০%, ১৭৫%,২০০%, ২২৫% লোড দিয়ে যথাক্রমে ৩০ মিনিট করে রাখুন এবং ১০ মিনিট পরপর রিডিং নিয়ে তা লিপিবদ্ধ করুন।
১৮। এবার ডিজাইন লোডের ২৫০% লোড দিন এবং ১২ ঘণ্টা এই লোডে রাখুন। এই ১২ ঘন্টার ২ ঘন্টা ১০ মিনিট পর পর রিডিং নিবেন এবং বাকি ১০ ঘন্টা ৬০ মিনিট পরপর রিডিং নিন।
১৯। ১২ ঘন্টা অতিবাহিত হওয়ার পর পুনরায় লোড রিলিজ করুন।অর্থ্যাত,
১৭৫%, ১৫০%, ১২৫%, ১০০%, ৫০% লোডে ৩০ মিনিট করে রাখুন এবং ১০ মিনিট পরপর পাঠ নিন।
২০। এবার ০% লোডে ২ ঘন্টা রাখুন এবং ১০ মিনিট পরপর রিডিং নিন।
ফলাফলঃ এই পরীক্ষায় প্রাপ্ত রিডিং থেকে আমরা জানতে পারব আমাদের পাইল নিরাপদ আছে কিনা।
তবে ২৫০% লোডে পাইলের বসন ২০ মিলি পর্যন্ত গ্রহণীয় এবং ০% লোডে মাটির ইলাস্টিসিটির জন্য পাইলের পুনরায় ৩ মিলি এর জায়গায় ফিরে আসা গ্রহণীয়।

13/06/2020

বাড়ি তৈরি করার যাবতীয় হিসাব- নিকাশ সম্পর্কিত তথ্য:-

#সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রাথমিক হিসাব নিকাশ:-
---------------------------------------------------------------------
#এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন= ৪১০ টি

#এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন=১১.৭৬=১২ টি

#এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ৫০০ টি

#এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ১৪.২৮ টি

#এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের ফ্লাট সোলিং এর জন্য ইটের প্রয়োজন=৩১ টি

#এক বর্গমিটার সোলিং এ চিকন বালির প্রয়োজন=০.০১৫ ঘনমিটার

#এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের হেরিং বোন বন্ডের জন্য ইটের প্রয়োজন=৫২ টি

#এক বর্গমিটার হেরিং বোন বন্ডের জন্য চিকন বালির প্রয়োজন=০.০৩ ঘনমিটার

#ইটের গাঁথুনীর কাজে শুকনা মসল্লা এর পরিমাণ=৩৫%

#এক ঘনমিটার সিমেন্ট=৩০ ব্যাগ

#এক বর্গমিটার নীট সিমেন্ট ফিনিশিং এর জন্য(NCF) সিমেন্টের প্রয়োজন=২.৭-৩ কেজি

#ডিপিসি এ পাডলোর পরিমাণ সিমেন্টের ওজনের ৫% অর্থাৎ প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের জন্য ২.৫ কেজি

#এক ঘনমিটার এম,এস রডের ওজন =৭৮৫০ কেজি বা ৭৮.৫০ কুইন্টাল

#এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন=৫০ কেজি এবং আয়তন=০.০৩৪৭ ঘনমিটার

#এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন=৪০ কেজি

#আবাসিক দালানের জন্য বাসযোগ্য ক্ষেত্রফল প্লিন্থ ক্ষেত্রফলের ৫০%-৫৬% হওয়া উচিত

#১ রানিং মিটার দৈর্ঘে এন্ড এজিং এ ইটের পরিমাণ=১/.১২৭=৮ টি

#আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি মিটার এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র =d2/১৬২.২ কেজি

#এক ঘনমিটার ছোট সাইজের খোয়ার জন্য ইটের প্রয়োজন ৩২০ টি এবং বড় সাইজের খোয়ার জন্য ৩০০ টি

#আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি কেজি এম.এস.রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের সুত্র =১৬২.২/d2 মিটার

#নির্মাণ সামগ্রী বহনের জন্য চালনা দুরুত্ব ৩০ মিটার এবং উত্তোলন দুরুত্ব ১.৫ মিটার।

#কম্প্রেশন বারে হুক ছাড়া ল্যাপিং ২৪D এবং হুকসহ ৪৪D আবার, টেনশনে হুক ছাড়া ল্যাপিং ৩০D এবং হুকসহ ৬০D.

#জলছাদের কাজে খোয়া,চুন,সুরকির অনুপাত=৭:২:২

#সেপটিক ট্যাংক এর নুন্যতম প্রস্থ ৬০সেমি এবং তরলের নুন্যতম গভীরতা ১ মিটার

#সোক ওয়েলের নুন্যতম ব্যাস ৯০ সেমি এবং গভীরতা ইনভার্ট সমতল হতে ১.৫ মিটার

#কালভার্ট এর স্প্যান ৬ মিটারের কম এবং ব্রিজের স্প্যান ৬ মিটারের বেশি

#ব্রিজ এর স্ল্যাবকে ডেকস স্ল্যাব বলে।

#ঢেউটিনের প্রমাণ দৈর্ঘ্য: (১.৮০,২.২০,২.৫০,২.৮০,৩.২০)মিটার এবং প্রস্থ ০.৮০মিটার এবং ঢেউয়ের গভীরতা ১৮ মি.মি

#এক মিটার এম.এস অ্যাঙ্গেলের ওজন=০.০০৭৮৫A কেজি

#একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ২০ ব্যাগ

#একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় ইট বহন করে =333 টি

#একটি এক টনি ট্রাক কাঁচা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে= ১৩.৩৩ ব্যাগ।

13/06/2020

মেঝে ও ছাদ ঢালাই করার নিয়ম
---------------------------------------
আর সি সি কাজের জন্য কংক্রিট মিশ্রণ সাধারনত ১:২:৪ অনুপাতে হওয়া ভালো। ১ ভাগ সিমেষন্ট, ২ ভাগ বালু এবং ৪ ভাগ খোয়া ওজন হিসেবে মাপা হবে। এ রকম মিশ্রণ প্রতি বস্তার হিসেবে বানানো উচিত এবং পানি সর্বাধিক ২৫ লিটার হবে।

#মূলত: ওজন ভিত্তিক মাপ নেওয়া উচিত হলেও সাধারণ কাজের জন্য আয়তন হিসাবেও মাপা যায়। খোয়া অথবা বালুর জন্য কাঠের ফর্মা ব্যবহার করা উচিত।
এবার একবস্তা সিমেন্টে ১.৫ ফর্মা বালু এবং ৩ ফর্মা খোয়া ঢালুন। ১:৫:৩ মশলা হয়ে যাবে;।
যদি মিকচার মেশিন দিয়ে তৈরী করা হয় তাহলে কমপক্ষে ২ মিনিট মশলাটা মিশাতে হতে যতক্ষন পানির সাথে মশলা একেবারে মিশে না যায়।
যদি মিশ্রণ হাত দিয়ে তৈরী করা হয় তাহলে পাকা মেঝেতে সিমেন্ট বালুর মিশ্রণ ভাল করে তৈরী করে নিন, তারপর খোয়া মিশিয়ে পানি মিশিয়ে মশলা তৈরী করুন। যদিও এটি গুণগত মানসম্পন্ন কংক্রিট পাওয়ার ক্ষেত্রে বেশ ঝুঁকিপূর্ন।
সেটিং শুরু হওয়ার আগে ঢালাই হয়ে যাওয়া উচিত। আধা ঘন্টা থেকে ১ ঘন্টার মধ্যে ঢালাই হয়ে গেলে ভাল। দেরী হয়ে গেলে ঢালাই ব্যবহার উপযোগী বানাবার জন্য অতিরিক্ত পানি মেশানো এবং তারপর ব্যবহার করা ভুল। লক্ষ্য রাখা উচিত পিলারে ঢালাই ১.৫ মিটারের বেশী উপর থেকে ঢালা উচিত না, এতে সমস্ত সামগ্রী আলাদা হয়ে যাবে। ঢালাই করার পর তা নিরেট হওয়া উচিত যাতে ফাঁক ফোকর না থাকে। এজন্য নিডল ভাইব্রেটর অথবা লোহার রড দিয়ে ঠাসাই করা উচিত।

মেঝে ঢালাই:
------------------
মেঝে ভিটি বালু দিয়ে ভরাট করে ভাল করে দুরমুজ করতে হবে ও পানি দিতে হবে যাতে কোন অংশ দুর্বল না থাকে। এরপর ইট বিছিয়ে কংক্রিট ঢালাই করতে হবে, ঢালাই ৩ ইঞ্চি পুরু হবে।

ছাদ ঢালাই:
-------------
পুরো ছাদের সাটারিং একবারে করতে হবে। ১ ফুট পর পর মোটা বাঁশ দিয়ে ঢেকনা দিতে হবে যাতে ছাদ ও বীমের ফরমা যথেষ্ট মজবুত হয়। ফরমা সমতল হয়েছে কি না তা লেবেল দিয়ে যাচাই করে নিতে হবে।ষ রডের কাজ সম্পন্ন করে ঢালাই এক দিনে সম্পন্ন করতে পারলে ভালো। ছাদ ও বীমের ঢালাই এক সঙ্গে করা উচিত। ছাদ৪-৮ ইঞ্চি পুরু হতে পারে। ২১ দিন পর ফরমা খোলা যেতে পারে। ঢালাইর একদিন পরই ছাদের উপরিভাগে পানি ধরে রেখে কিউরিং করতে হবে।
ঢালাই এর জন্য কাঠের কাজ: সেন্টারিং এর জন্য এমন তক্তা অথবা প্লেট ব্যবহার হোক যেন তাতে কোন ছিদ্র না থাকে এবং তক্তার উপর ঢালাই এর আগে ডিজেল অথবা গ্রীজ লাগানো উচিত তাতে ঢালাইয়ের ফিনিশিং সুন্দর হবে। সবচেয়ে ভাল হয় পাতলা পলিথিন সিট ব্যবহার করা। ।

13/06/2020

পাইল লে-আউট
=================

বিল্ডিং লে-আউট করার পর আসে পাইল লে-আউট করা।

⏩5 ড্রয়িং অনুযায়ী পাইল পয়েন্ট সেট করতে হবে

⏩ পাইল পয়েন্ট ঠিক রাখার জন্য প্রতি পয়েন্ট এ রড দিয়ে মার্ক করতে হবে

⏩ মার্ক করার জন্য ৮/১০ মিমি রড ১ ফুট পুতে দিতে হবে

⏩ রডের ১/১.৫" বের করে রেখে গোড়ায় সামান্য ঢালাই দিতে হবে যেন মার্কিং পয়েন্ট সরে না যায়

⏩ বের করা রড এর মাথা ছোট রাখলে ভাল হয়, তা না হলে চলাচলে অসুবিধা হবে এবং রডের মাথায় সিমেন্টের খালি ব্যাগ দিয়ে রাখতে হবে সতর্কতার জন্যে।

⏩পাইল পয়েন্ট গুলির রেফারেন্স রাখতে হবে

09/06/2020

কলাম, বীম ও ছাদে রড দেয়ার নিয়মঃ
===========================
কলাম কিংবা বিমে ল্যাপিং কিভাবে দিতে হবে ,কতটুক দিতে হবে এসব বিষয় খুবই ইম্পরট্যান্ট এছাড়াও বিম কলামে এক্সট্রা টপ দেয়ার, রিং বাধা এবং রিং দেয়ার ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে। এছাড়া স্ল্যাবের ক্ষেত্রে ক্র্যাংক বার,এক্সট্রা টপ ইত্যাদি বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে .

প্র্যাকটিকাল কাজের বিভিন্ন ড্রয়িং এর আইডিয়া থেকে কলাম, বীম ও ছাদে রড দেয়ার কিছু নিয়ম শেয়ার কর হলো, তবে ড্রয়িং টু ড্রয়িং কিছু জিনিস ভিন্ন হতে পারে। যে জিনিস গুলো মোটামুটি একই থাকে সেগুলো তুলে ধরা হলো

♦কলামে রিং বাধার নিয়মঃ
======================
▶কলামের দুই পাশে রিং বা টাই বার দেওয়া হয় এবং তা ফ্লোর এবং ছাদ সংলগ্ন অংশ থেকে L/4 দূরত্বের ভিতরে বেশী ঘন হবে , ড্রয়িং অনুসারে তা খেয়াল করে মেন্টেইন করতে হবে।
স্পেসিং হতে পারে ৩/৪/৫ ইঞ্চি

▶কলামের মাঝের অংশে রিং বা টাই বার দেওয়া হয় এবং তা ফ্লোর এবং ছাদ সংলগ্ন অংশ থেকে L/4 দূরত্বের বাইরে কম ঘন ভাবে দিতে হবে , ড্রয়িং অনুসারে তা খেয়াল করে মেন্টেইন করতে হবে।
স্পেসিং হতে পারে ৬/৭/৮ ইঞ্চি

♦বিমে রিং বাধার নিয়মঃ
==================
▶বিমের দুই পাশে রিং বা টাই বার দেওয়া হয় এবং তা কলাম সংলগ্ন অংশ থেকে L/4 দূরত্বের ভিতরে বেশী ঘন হবে , ড্রয়িং অনুসারে তা খেয়াল করে মেন্টেইন করতে হবে।
স্পেসিং হতে পারে ৩/৪/৫ ইঞ্চি

▶বিমের মাঝের অংশে রিং বা টাই বার দেওয়া হয় এবং তা কলাম সংলগ্ন অংশ থেকে L/4 দূরত্বের বাইরে কম ঘন ভাবে দিতে হবে , ড্রয়িং অনুসারে তা খেয়াল করে মেন্টেইন করতে হবে।
স্পেসিং হতে পারে ৬/৭/৮ ইঞ্চি

♦বিমের ক্ষেত্রে এক্সট্রা টপঃ
=====================
▶বিমের প্রান্তে এক্সট্রা টপের পরিমান দেওয়া হয় L/4

▶বিমের মাঝের সাপোর্টের পাশে এক্সট্রা টপ এর পরিমান দেওয়া হয় L/3

▶বিমে এক্সট্রা বটম দেওয়া হয় কলাম থেকে L/7 বা L/8 দূরে

ছাদে রড দেওয়ার নিয়মঃ
==================
♦মেইন রড ও বাইন্ডার রডঃ
ছাদে মেইন রড দেওয়া হয় শর্ট ডিরেকশন বরাবর
ছাদে বাইন্ডার রড দেওয়া হয় লং ডিরেকশন বরাবর
মেইন রড খাচার বাইরে অর্থাৎ উপরে ও নিচে থাকে
বাইন্ডার রড খাচার ভিতরে থাকে

♦স্ল্যাবে এক্সট্রা টপঃ
স্ল্যাবের প্রান্তে এক্সট্রা টপ এর পরিমান দেওয়া হয় L/4 পর্যন্ত
স্ল্যাবের মাঝের সাপোর্টে এক্সট্রা টপ দেওয়া হয় L/3 পর্যন্ত

♦স্লাবে ক্র্যাংক বারঃ
স্লাবের প্রান্তে ক্র্যাংক এর পরিমান L/5
স্ল্যাবের মাঝের সাপোর্টে ক্র্যাংক এর পরিমান দেওয়া হয় L/4

☑ ☑ বিদ্রঃ এই ব্যাপার গুলো ডিজাইন অনুসারে হয়ে থাকে, তাই আপনাকে কাজ করতে হবে এস পার ড্রয়িং । তবে মোটামুটি উপরের নিয়মানুসারেই বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে ব্যাবহার করা হয়।

07/06/2020

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ এষ্টিমেট এর ইট, সিমেন্ট, রড সহ বিভিন্ন হিসাব
==================================================
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ এষ্টিমেট করার সময় কিছু সূত্র অনুসরণ করে আমাদের এষ্টিমেট করতে হয়, না হলে নির্ভুল এষ্টিমেট করা সম্ভব নয়। যারা প্রাথমিক লেভেলের আছেন তারা এই বিষয় গুলো ভালো করে জানার চেষ্টা করুন। তার পরে ১/২টি বিল্ডিং ভালো ভাবে এষ্টিমেট করুন। এবং সেই অনুযায়ী আপনার কাছে কাজের ডকুমেন্ট রাখুন।

নিচে কিছু এস্টিমেটের ক্যালকুলেশন করা নির্দিষ্ট মান দেয়া হলঃ

#ইটঃ
মসলা ছাড়া ১ টি ইটের মাপ =(৯ ১/২” x ৪ ১/২” x ২ ৩/৪”)
মসলাসহ = (১০” x ৫” x ৩”)

#খোয়ার হিসাবঃ-
১ টি ইটে = ০.১১ cft খোয়া হয়।
১০০ টি ইটে = ১১ cft খোয়া হয়।
১০০০ টি ইটে = ১১১.১১ cft খোয়া হয়।
১ m3 ছোট সাইজের খোয়ার জন্য ইটের প্রয়োজন 320 টি এবং বড় সাইজের খোয়ার জন্য 300 টি।
১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ওজন ১৯২০ কেজি।
ছলিং এর জন্য প্রতি 1sft এর জন্য 3 টি ইট প্রয়োজন।
1cft খোজার জন্য 9টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়।
10” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি 1sft গাথুনীতে 10 টি ইট লাগে।
5” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি 1sft গাথুনীতে 5 টি ইট লাগে।
1m3 ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন 410 টি।
1cft ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন 11.76 = 12 টি
1m3 ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন 500 টি।
1cft ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন 14.28 টি।
1m2 জায়গায় একস্তর ইটের ফ্লাট সোলিং এর জন্য ইটের প্রয়োজন 31 টি।
1m2 সোলিং এ চিকন বালির প্রয়োজন 0.015m3
1m2 জায়গায় একস্তর ইটের হেরিং বোন বন্ডের জন্য ইটের প্রয়োজন 52 টি।
1m2 হেরিং বোন বন্ডের জন্য চিকন বালির প্রয়োজন 0.03m3
1 Reining miter দৈর্ঘে এন্ড এজিং এ ইটের পরিমাণ=1/.127=8 টি।
ইটের গাঁথুনীর কাজে শুকনা মসল্লা এর পরিমাণ 35%

#বালিঃ
109 f = 12.25cft
100sft 5” গাথুনীতে 1:5 অনুপাতে সিমেন্ট লাগে 2 ব্যাগ।
* 100 sft 10” গাথুনীতে 1:5 অনুপাতে সিমেন্ট লাগে 4 ব্যাগ। বালু লাগে 24 cft।
গাথুনী এবং প্লাস্টারে 1 বস্তা সিমেন্টে 04 বস্তা বালি (সিমেন্টর বস্তায় হিসাব করতে হবে), তবে 05 বস্তাও দেওয়া যায়।
নির্মান কাজে বালির হিসাব cft ধরে করা হয়। গারি থেকে বালি নামানোর পূর্বে গাড়ির ডালা অর্থাৎ যেখানে বালি রাখাহয় তার চার পাশে ফিতা দিয়ে মাপ দিতে হবে। সে সময় ডালার উপরি অংশের বালি সমান করতে হবে।
কোন বালি দিয়ে কাজ করতে হবে সে বিষয় প্লানে উল্লেখ থাকবে।

#সিমেন্টঃ
1m3 সিমেন্ট 30 ব্যাগ
1m2 নীট সিমেন্ট ফিনিশিং এর জন্য(NCF) সিমেন্টের প্রয়োজন= 2.7 – 3 kg
DPC এ পাডলোর পরিমাণ সিমেন্টের ওজনের 5% অর্থাৎ প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের জন্য 2.5 কেজি।
1 ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন 40kg
এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন 50kg এবং আয়তন= 0.034 m3
1 ব্যাগ সিমেন্টে পানি লাগে 21 L.
100sft প্লাষ্টারে 1:4 অনুপাতে সিমেন্ট লাগে 2 ব্যাগ।
গাথুনীর প্লাষ্টারে 1:5 অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়। সিলিং প্লাষ্টারে 1:5 অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়।
প্রতি sft নিট ফিনিশিং করতে 0.0235 kg সিমেন্ট লাগে।

#রডঃ
এখনে অবশ্যই রডের ডায়া মিলি মিটারে উল্লেখ করতে হবে।

প্রতি মিটার এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র = d2/162.2 কেজি।
প্রতি ফুট এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র = d2/532 কেজি।
প্রতি কেজি এম.এস.রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের সুত্র = 162.2/d2 m.
প্রতি কেজি এম.এস.রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের সুত্র = 532/d2 ft
নিচে কিছু রডের কেজি/মিটার এবং কেজি/ফুট দেখান হলোঃ-
08 mm = 0.395 kg/m = 0.120 = 2.5 suta
10 mm = 0.616 kg/m = 0.188 = 3 suta
12 mm = 0.888 kg/m = 0.271 = 4 suta
16 mm = 1.579 kg/m = 0.482 = 5 suta
20 mm = 2.466 kg/m = 0.7518 = 6 suta
22 mm = 2.983 kg/m = 0.909 = 7 suta
25 mm = 3.854 kg/m = 1.175 = 8 suta

ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ।আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখুন . . . .
8 mm -7 feet -1 kg
10 mm -5 feet -1 kg
12 mm -3.75 feet – 1 kg
16 mm -2.15feet -1kg
20 mm -1.80feet -1kg
22mm -1.1feet -1kg
1m3 MS রডের ওজন = 7850 kg or 78.50 কুইন্টাল,
এক মিটার এম.এস অ্যাঙ্গেলের ওজন= 0.00785A কেজি,
কম্প্রেশন বারে হুক ছাড়া ল্যাপিং 24D এবং হুকসহ 44D আবার, টেনশনে হুক ছাড়া ল্যাপিং 30D এবং হুকসহ 60D.

#ট্রান্সপোর্টেশনঃ
নির্মাণ সামগ্রী বহনের জন্য চালনা দুরুত্ব 30m. এবং উত্তোলন দুরুত্ব 1.5m.
একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে 20 ব্যাগ
একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় ইট বহন করে 333 টি
একটি এক টনি ট্রাক কাঁচা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে 13.33 ব্যাগ।

#অন্যান্য বিষয়ঃ
গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।
দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে।কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়।
ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( 10” ÷12 =0.833)
ঢ়ালাই এর হিসাব
* 100 cft ঢ়ালাই এ 1:2:4 অনুপাতে সিমেন্ট 17 ব্যাগ, বালু 43 cft, খোয়া 86 cft লাগে।
* 1 cft ঢ়ালাই এ 1:2:4 অনুপাতে সিমেন্ট 0.17, বালু 0.43 cft, খোয়া 0.86 cft লাগে।
জলছাদের কাজে খোয়া,চুন,সুরকির অনুপাত =7:2:2
আবাসিক দালানের জন্য বাসযোগ্য ক্ষেত্রফল প্লিন্থ ক্ষেত্রফলের 50%-56% হওয়া উচিত।
সেপটিক ট্যাংক এর নুন্যতম প্রস্থ 60cm এবং তরলের নুন্যতম গভীরতা 1m.
সোক ওয়েলের নুন্যতম ব্যাস 90cm এবং গভীরতা ইনভার্ট সমতল হতে 1.5m.
কালভার্ট এর স্প্যান 6m. এর কম এবং ব্রিজের স্প্যান 6m. এর বেশি, ব্রিজ এর স্ল্যাবকে ডেকস স্ল্যাব বলে।
ঢেউটিনের প্রমাণ দৈর্ঘ্য: (1.80,2.20,2.50,2.80,3.20) m. এবং প্রস্থ 0.80m. এবং ঢেউয়ের গভীরতা 18m.m.

বিদ্রঃ প্র্যাকটিকেল কাজ থেকে কিছুটা ভ্যারিয়েশন হতে পারে বিভিন্ন ক্ষেত্রে

07/06/2020

100cft ও 100sft এর বিভিন্ন কাজের বিভিন্ন অনুপাতের জন্যে হিসাব :)
************************************************************
একটা সাধারন ধারনা থাকলে কাজ শুরুর আগে প্রাথমিক হিসাব ক্নেক সহজ হয় যায়, তাই এসব খুটি নাটি বিষ্য গুলা জানা থাকলে ভালো।
শেয়ার করে রাখতে পারেন......

*100cft casting materials..
1) 1:2:4 Ratio..
cement=18bag
sand=45cft
stone ships=90cft

2) 1:1.5:3 Ratio..
Cement=22bag
Sand=41.5cft
stone ships=83cft

**********************************************
*100cft 10" brick wall materials..
1) 1:4 Ratio Soil down material..
brick=1100nos
cement=6bag
Sand(1.25F.M)=40cft
2) 1:6 Ratio Soil up materials..
brick=110pnos
Cement=4bag
sand(1.25F.M)=36cft

**********************************************

*100sft 5" brick wall materials..
1) 1:4 Ratio..
brick=480nos
cement=2.6bag
sand(1.25F.M)=17cft
2) 1:6 Ratio..
brick=480nos
cement=1.75bag
sand(1.25F.M)=18cft

**********************************************

*100sft plaster work 12mm বা 0.5" tickness for materials..
1) 1:6 Ratio..
Cement=0.75bag
sand=6cft
2) 1:4 Ratio....
cement=1kg
sand=5cft

**********************************************
*100sft plaster work 6mm বা 0.24" tickness materials...

1) 1:6 Ratio..
cement=0.35bag
sand=2.57cft
2) 1:4 Ratio..
Cement=0.48bag
sand=2.4cft

**********************************************
*100sft wall tils 1:3 Ratio for materials...
1) cement=1.87bag
2) sand=7.03cft
3) White cement =3.60kg

**********************************************
*100sft floor or stair tils 1:4 Ratio for materials
1) cement=1.50bag
2)sand=7.50cft
3) White Cement=3.60kg

Address

Rangpur

Telephone

01838980092

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M/S Mehedi Enterprise posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category