09/12/2025
সৈয়দপুর বিমানবন্দর: আত্মত্যাগ, রক্ত আর গৌরবের এক অবিচ্ছেদ্য ইতিহাস
এই বিমানবন্দর শুধু ইট-পাথরের স্থাপনা নয়—এটা গড়ে উঠেছে *আমাদের পূর্বপুরুষদের রক্ত, ঘাম ও প্রাণের বিনিময়ে।
স্বাধীনতা পূর্ব সময়ে পাক হানাদারদের বর্বর নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন সৈয়দপুরের অসংখ্য মানুষ।
সকাল হলেই টেনে হিচড়ে নিয়ে যাওয়া হতো আমাদের মুরুব্বীদের শ্রমিক বানিয়ে , চলত চাবুকের আঘাত, লাথি, কিল-ঘুষি—না খেয়ে, না ঘুমিয়ে কাজ করতে হতো।
এই নির্মম ইতিহাসের মধ্য দিয়েই গড়ে উঠেছে আমাদের গর্ব, আমাদের সৈয়দপুর বিমানবন্দর*।
আজ দুঃখের সঙ্গে দেখতে হচ্ছে—একদল ষড়যন্ত্রকারী বলছে, এই বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করতে হবে!
প্রশ্ন জাগে— কেন?
➡️ বিমানবন্দরটি সৈয়দপুর শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত। তাই বিমানবন্দরের নাম সৈয়দপুর বিমানবন্দর যেহেতু এটি সৈয়দপুরে অবস্থিত তাই সৈয়দপুর লেখা হয়েছে। নিলফামারীর হবে কেন বিমানবন্দরটি নীলফামারীতে তো অবস্থিত নয়।
➡️ সৈয়দপুরবাসীর রক্ত ও শ্রমে এই স্থাপনাটি গড়ে উঠেছে।
➡️ বহু দশক ধরে এটি “সৈয়দপুর বিমানবন্দর” নামে পরিচিত দেশব্যাপী।
তাহলে এখন হঠাৎ করে এর নাম পাশে অন্য নাম দিতে বলেন বা দেওয়ার কথা কেন?
ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না। গৌরবের নাম পরিবর্তন করে কেউ নিজেদের ইতিহাস লিখতে পারে না। তা হলে তো ঔ সময় যখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধন করে তখনই লিখতেন সৈয়দপুর বিমানবন্দর রংপুর।
এই বিমানবন্দর *সৈয়দপুরে*, তাই এর নাম *সৈয়দপুর বিমানবন্দরই সৈয়দপুরে থাকবে—গর্বের সাথে, মর্যাদার সাথে।