Abdür Rãhmäñ Al Juhãny

Abdür Rãhmäñ Al Juhãny Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Abdür Rãhmäñ Al Juhãny, Real Estate, Ranisankail.

22/08/2023

'সামিআল্লা হুলিমান হামিদা' নাকি 'সামিআল্লাহ লিমান হামিদা' 🌿🌺🌿

কোনটি সঠিক...? কোনটি ভুল...? কেন ভুল...? বিস্তারিত আছে ভিডিওটিতে...🙂

25/06/2023

হজ্জের ফযীলতঃ🌺

আল্লাহ তা‘আলা মুসলিম মিল্লাতের উপর হজ্জ ফরয করেছেন... উদ্দেশ্য স্বীয় বান্দাদের ক্ষমা করে তাদেরকে জান্নাতের সুখময় স্থান দান করা...আর তিনি হজ্জের প্রতিটি কর্ম সম্পাদনের জন্য পৃথক পৃথক ফযীলতের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন... রাসূল (সাঃ) বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রশ্নের প্রেক্ষিতে হজ্জের ফযীলত ও মর্যাদা বর্ণনা করেছেন... সেগুলো নিম্নে পেশ করা হ’লঃ

হজ্জ পালনকারী নবজাতকের ন্যায় গুনাহমুক্তঃ

عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ رضى الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : مَنْ حَجَّ لِلَّهِ، فَلَمْ يَرْفُثْ وَلَمْ يَفْسُقْ، رَجَعَ كَمَا وَلَدَتْهُ أُمُّهُ-

আবু হুরায়রা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ্জ করেছে... যার মধ্যে সে অশ্লীল কথা বলেনি বা অশ্লীল কার্য করেনি, সে হজ্জ হ’তে ফিরবে সেদিনের ন্যায় (নিষ্পাপ অবস্থায়) যেদিন তার মা তাকে প্রসব করেছিলেন’...অর্থাৎ সে কাবীরা-সগীরা, প্রকাশ্য-গোপনীয় সকল গুনাহ থেকে ঐরূপ মুক্ত হয়ে ফিরে আসে... যেরূপ একজন শিশু গুনাহ মুক্ত হয়ে জন্মগ্রহণ করে...☝️🕋

কুরবানির পরিচয়ঃ ধন-সম্পদের মোহ ও মনের পাশবিকতা দূরীকরণের মহান শিক্ষা নিয়ে প্রতি বছর আসে পবিত্র কুরবানি...ইসলাম ধর্মে কুর...
25/06/2023

কুরবানির পরিচয়ঃ ধন-সম্পদের মোহ ও মনের পাশবিকতা দূরীকরণের মহান শিক্ষা নিয়ে প্রতি বছর আসে পবিত্র কুরবানি...ইসলাম ধর্মে কুরবানির দিনকে ঈদুল আজহাও বলা হয়...🌺

কুরবানি শব্দটি ‘কুরবুন’ মূল ধাতু থেকে এসেছে...অর্থ হলো নৈকট্য লাভ করা, সান্নিধ্য অর্জন করা, প্রিয় বস্তুকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য উৎসর্গ করা...

শরিয়তের পরিভাষায়-নির্দিষ্ট জন্তুকে একমাত্র আল্লাহ পাকের নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট সময়ে নির্ধারিত নিয়মে মহান আল্লাহ পাকের নামে জবেহ করাই হলো কুরবানি...☝️

কুরবানির গুরুত্ব ও ফজিলতঃ কুরবানি হলো ইসলামের একটি শি’য়ার বা মহান নিদর্শন... কুরআন মাজিদে আল্লাহতায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন-

فَصَلِّ لِرَبِّکَ وَ انۡحَرۡ ؕ﴿۲﴾فصل لربک و انحر ﴿۲﴾

অতএব তোমার রবের উদ্দেশ্যেই সালাত পড় এবং নহর (কুরবানি) কর...

-- [সূরা কাউসার, আয়াত-২] 🕋

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কুরবানি করে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের কাছে না আসে’...[ইবনে মাজাহ-৩১২৩ ] যারা কুরবানি পরিত্যাগ করে তাদের প্রতি এ হাদিস একটি সতর্কবাণী...☝️☝️

لَنۡ یَّنَالَ اللّٰهَ لُحُوۡمُهَا وَ لَا دِمَآؤُهَا وَ لٰکِنۡ یَّنَالُهُ التَّقۡوٰی مِنۡکُمۡ ؕ کَذٰلِکَ سَخَّرَهَا لَکُمۡ لِتُکَبِّرُوا اللّٰهَ عَلٰی مَا هَدٰىکُمۡ ؕ وَ بَشِّرِ الۡمُحۡسِنِیۡنَ ﴿۳۷﴾لن ینال الله لحومها و لا دماؤها و لکن یناله التقوی منکم کذلک سخرها لکم لتکبروا الله علی ما هدىکم و بشر المحسنین ﴿۳۷﴾

আল্লাহর কাছে পৌঁছে না এগুলোর গোশ্ত ও রক্ত; বরং তাঁর কাছে পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া... এভাবেই তিনি সে সবকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন, যাতে তোমরা আল্লাহর তাকবীর পাঠ করতে পার, এজন্য যে, তিনি তোমাদেরকে হিদায়াত দান করেছেন; সুতরাং তুমি সৎকর্মশীলদেরকে সুসংবাদ দাও...

-- [সূরা হাজ্জ, আয়াত-৩৭] 🕋

কুরবানিতে গরিব মানুষের অনেক উপকার হয়... যারা বছরে একবারও গোশত খেতে পারে না, তারাও গোশত খাবার সুযোগ পায়...কুরবানির চামড়ার টাকা গরিবের মাঝে বণ্টন করার মাধ্যমে তাদের অভাব ও দুঃখ মোচন হয়। অপরদিকে কুরবানির চামড়া অর্থনীতিতে একটি বিরাট ভূমিকা পালন করে থাকে...🌿

কুরবানির ইতিহাস ও প্রচলনঃ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম কুরবানি হলো মানবগোষ্ঠীর আদি পিতা হজরত আদম (আ.)-এর দুই পুত্রের মাঝে সংঘটিত হওয়া কুরবানি... এখান থেকেই কুরবানির প্রথম প্রচলন শুরু হয়। তবে পবিত্র ইসলামে আমরা হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর প্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-এর স্মরণে কুরবানি করে থাকি...🍁🍁

এ প্রসঙ্গে ইবনে মাজাহ শরিফে এসেছে,

بَاب ثَوَابِ الْأُضْحِيَّةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَلَفٍ الْعَسْقَلاَنِيُّ، حَدَّثَنَا آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسٍ، حَدَّثَنَا سَلاَّمُ بْنُ مِسْكِينٍ، حَدَّثَنَا عَائِذُ اللَّهِ، عَنْ أَبِي دَاوُدَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، قَالَ قَالَ أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا هَذِهِ الأَضَاحِيُّ قَالَ ‏"‏ سُنَّةُ أَبِيكُمْ إِبْرَاهِيمَ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا فَمَا لَنَا فِيهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ بِكُلِّ شَعَرَةٍ حَسَنَةٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا فَالصُّوفُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ بِكُلِّ شَعَرَةٍ مِنَ الصُّوفِ حَسَنَةٌ ‏"‏ ‏.‏
কোরবানীর সওয়াব

২/৩১২৭। যায়েদ ইবনে আরকাম (রাঃ) থেকে বর্ণিত... তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ...!! এই কোরবানী কী...?? তিনি বলেন, তোমাদের পিতা ইবরাহীম (আ) এর সুন্নাত (ঐতিহ্য)... তারা পুনরায় জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসূল...!! এতে আমাদের জন্য কী (সওয়াব) রয়েছে? তিনি বলেন, প্রতিটি পশমের পরিবর্তে পুন্য হবে (এদের পশম তো অনেক বেশি)? তিনি বলেন, লোমশ পশুর প্রতিটি পশমের বিনিময়েও একটি করে নেকী রয়েছে...🕋☝️

[ ইবনে মাজাহ-৩১২৭]

وَ نَادَیۡنٰهُ اَنۡ یّٰۤاِبۡرٰهِیۡمُ ﴿۱۰۴﴾ۙ
قَدۡ صَدَّقۡتَ الرُّءۡیَا ۚ اِنَّا کَذٰلِکَ نَجۡزِی الۡمُحۡسِنِیۡنَ ﴿۱۰۵﴾
اِنَّ هٰذَا لَهُوَ الۡبَلٰٓـؤُا الۡمُبِیۡنُ ﴿۱۰۶﴾
فَدَیۡنٰهُ بِذِبۡحٍ عَظِیۡمٍ ﴿۱۰۷﴾

কুরবানির গুরুত্বারোপ করে আল্লাহতায়ালা বলেন, হে ইবরাহিম! স্বপ্নে দেওয়া আদেশ তুমি সত্যে পরিণত করেই ছাড়লে.... এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদের প্রতিদান দিয়ে থাকি... অবশ্যই এটা ছিল একটি সুস্পষ্ট পরীক্ষা...আমি এক মহান কুরবানির বিনিময়ে তাকে মুক্ত করলাম...🌿🌿

[ সূরা সাফফাত, আয়াত নং ১০৪-১০৭ ]

শরিয়তে কুরবানির বিধান : ইমাম আবু হানিফা ও ইমাম আহমাদ (রহ.)-এর মতে কুরবানি ওয়াজিব। তাদের দলিল হলো-আল্লাহতায়ালা নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, ‘তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় কর ও পশু জবেহ কর।’ (সূরা কাউসার, আয়াত-২)।

সুতরাং আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নির্দেশ পালন সাধারণত ফরজ বা ওয়াজিব হয়ে থাকে। অপরদিকে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কুরবানি করে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের কাছে না আসে’...🍁

অত্র হাদিসের ভাষ্যেও কুরবানি ওয়াজিব প্রমাণিত হয়। তবে ইমাম মালেক ও ইমাম শাফেয়ি (রহ.)-এর মতে কুরবানি করা সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ....

কুরবানির নেসাব ও তার মেয়াদঃ কুরবানির নেসাব হলো হাজাতে আসলিয়া তথা খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা ও উপার্জনের উপকরণ ইত্যাদি ব্যতিরেকে যদি সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রৌপ্য কিংবা তার মূল্য বা সমমূল্যের সম্পদের মালিক হওয়া...

প্রকাশ থাকে যে, জাকাতের নেসাব যা, কুরবানির নেসাবও তা। তবে কুরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে একটু অতিরিক্ত বিষয় রয়েছে। তা হলো- অত্যাবশ্যকীয় আসবাবপত্র ব্যতীত অন্যান্য অতিরিক্ত আসবাবপত্র, সৌখিন মালপত্র, খোরাকি বাদে অতিরিক্ত জায়গা-জমি, খালিঘর বা ভাড়া ঘর (যার ভাড়ার ওপর জীবিকা নির্ভরশীল নয়) এসব কিছুর মূল্য কুরবানির নেসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে...

[ ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া-৫/২৯২] 🕋

জাকাত ও কুরবানির নেসাবের সময়সীমা নিয়েও পার্থক্য রয়েছে। আর তা হলো-জাকাতের নেসাব পূর্ণ এক বছর ঘুরে আসা শর্ত; কিন্তু কুরবানির নেসাব পূর্ণ এক বছর ঘুরে আসা শর্ত নয়। কেবল জিলহজ মাসের ১০, ১১, ১২ এই তিন দিনের যে কোনো একদিন নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হলেই কুরবানি ওয়াজিব হবে... [ফতোয়ায়ে শামি]

কুরবানির পশু ও তার বয়স : এমন পশু দ্বারা কুরবানি দিতে হবে যা শরিয়ত নির্ধারণ করে দিয়েছে; আর তা হলো ছয় ধরনের পশু....সেগুলো হলো- উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা...🐪🐑🐂🐃🐐🐏

শরিয়তের দৃষ্টিতে কুরবানির পশুর বয়সের দিকটা খেয়াল রাখা জরুরি...উট পাঁচ বছরের হতে হবে। গরু বা মহিষ দুই বছরের হতে হবে...ছাগল, ভেড়া, দুম্বা পূর্ণ এক বছরের হতে হবে...তবে যদি ছয় মাস বয়সের ভেড়া বা দুম্বা মোটাতাজায় এক বছরের মতো মনে হয়, তখন তা দিয়েও কুরবানি করা জায়েজ আছে... কিন্তু ছাগল যতই মোটাতাজা হোক, এক বছরের একদিন কম হলেও তা দিয়ে কুরবানি জায়েজ হবে না...🐪🐑🐂🐃🐐🐏

পশুর শরীয়াত নির্ধারিত বয়স হওয়া...আর তা হচ্ছে, উঁটের বয়স পাঁচ বছর সম্পূর্ণ হওয়া, গরুর বয়স দুই বছর সম্পূর্ণ হওয়া, ছাগলের বয়স এক বছর সম্পূর্ণ হওয়া, মেষ বা দুম্বার বয়স ছয় মাস পূর্ণ হওয়া... এর কম বয়সের হলে তা কুরবানীতে যথেষ্ট হবে না...এর দলীল নবী (সা.) এর হাদীসঃ

لَا تَذْبَحُوا إِلَّا مُسِنَّةً إِلَّا أَنْ يَعْسُرَ عَلَيْكُمْ فَتَذْبَحُوا جَذَعَةً مِنْ الضَّأْنِ

তোমরা দাঁতা পশু ব্যতীত অন্য কোন পশু (কুরবানীতে) যবহ করবে না...তবে যদি তোমাদের জন্য কষ্টকর হয়ে পড়ে তাহলে দুম্বা বা মেষের জায্’আ (যার বয়স ছয় মাস) জবহ্ করবে...🐑🐐🐪

--[ সহিহ মুসলিম-১৯৬৩] 🕋🌿

কুরআনের আলোকে হজ্জের গুরুত্বঃ 🕋🌺সলাত, সিয়াম ও যাকাতের মত হজ্জ পালন করা সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের উপর ফরয... আল্লাহ তা‘আলা ব...
10/06/2023

কুরআনের আলোকে হজ্জের গুরুত্বঃ 🕋🌺

সলাত, সিয়াম ও যাকাতের মত হজ্জ পালন করা সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের উপর ফরয... আল্লাহ তা‘আলা বলেন--

وَلِلَّهِ عَلَى النَّاسِ حِجُّ الْبَيْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلاً وَمَنْ كَفَرَ فَإِنَّ اللهَ غَنِيٌّ عَنِ الْعَالَمِينَ ‘

আর আল্লাহর উদ্দেশ্যে এ গৃহের হজ্জ করা ঐ ব্যক্তির উপর ফরয করা হ’ল, যার এখানে আসার সামর্থ্য রয়েছে... আর যে ব্যক্তি তা অস্বীকার করে (সে জেনে রাখুক যে,) আল্লাহ জগদ্বাসী থেকে মুখাপেক্ষীহীন’

-- [ সূরা আল ইমরান ৩/৯৭ ] 🕋🌺

এটিই হজ্জ ফরয হওয়ার মূল দলীল।[1] তিনি আরো বলেন--
وَأَتِمُّوا الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ لِلَّهِ فَإِنْ أُحْصِرْتُمْ فَمَا اسْتَيْسَرَ مِنَ الْهَدْيِ

‘আর তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ্জ ও ওমরাহ পূর্ণ কর... কিন্তু যদি তোমরা বাধাপ্রাপ্ত হও, তাহ’লে যা সহজলভ্য হয়, তাই কুরবানী কর’

-- [সূরা বাক্বারাহ ২/১৯৬] 🕋🌺

এ আয়াতটি হজ্জ ফরয হওয়ার পাশাপাশি ওমরাহ ফরয হওয়ারও দাবী রাখে, যে ব্যাপারে অধিকাংশ ছাহাবী ও ওলামায়ে কেরাম অভিমত ব্যক্ত করেছেন...অন্যত্র তিনি বলেন--

وَأَذِّنْ فِي النَّاسِ بِالْحَجِّ يَأْتُوكَ رِجَالاً وَعَلَى كُلِّ ضَامِرٍ يَأْتِينَ مِنْ كُلِّ فَجٍّ عَمِيقٍ، لِيَشْهَدُوا مَنَافِعَ لَهُمْ وَيَذْكُرُوا اسْمَ اللهِ فِي أَيَّامٍ مَعْلُومَاتٍ عَلَى مَا رَزَقَهُمْ مِنْ بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ-

‘আর তুমি মানুষের মাঝে হজ্জের ঘোষণা প্রচার করে দাও...তারা তোমার কাছে আসবে পায়ে হেঁটে এবং সকল প্রকার (পথশ্রান্ত) কৃশকায় উটের উপর সওয়ার হয়ে দূর-দূরান্ত হ’তে। যাতে তারা তাদের (দুনিয়া ও আখেরাতের) কল্যাণের জন্য সেখানে উপস্থিত হ’তে পারে এবং রিযিক হিসাবে তাদের দেওয়া গবাদিপশুসমূহ যবেহ করার সময় নির্দিষ্ট দিনগুলিতে তাদের উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করতে পারে’ (হজ্জ ২২/২৭-২৮)...অত্র আয়াতসমূহে হজ্জ ফরয হওয়ার বিষয়টি সুস্পষ্টরূপে প্রতিভাত হয়েছে...☝️🌺

31/05/2023

عن عبد الله بن عُمَرَ وأبي هُرَيْرَةَ وأبي ذر رضي الله عنهم عن النبي - صلى الله عليه وسلم - أنه قال: «إذا اشْتَدَّ الْحَرُّ فَأَبْرِدُوا بالصلاة. فإن شدة الْحَرِّ من فَيْحِ جَهَنَّمَ».
[صحيح] - [متفق عليه عن أبي هريرة وأبي ذر -رضي الله عنهما-، ورواه البخاري عن ابن عمر -رضي الله عنهما]

আব্দুল্লাহ ইবন উমার, আবূ হুরায়রাহ ও আবূ যার রাদিয়াল্লাহু আনহুম হতে বর্ণিত: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন গরমের প্রচণ্ডতা বৃদ্ধি পায়, তখন গরম কমলে সালাত আদায় করবে। কেননা, গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের নিঃশ্বাসের অংশ”...☝️

সহীহ - এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন 🕋

ব্যাখ্যাঃ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাহান্নামের তাপ থেকে উৎপন্ন শক্ত গরমের সময় যোহরের সালাতকে ঠাণ্ডা পর্যন্ত দেরী করে পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে গরম ও পেরেশানী মনোযোগ নষ্ট না করে...🌺

হ্যাঁ ঠিকি ভাবছেন আপনার জন্যই এটা...এক সময় আপনার দুঃখ-কষ্ট গুলো ঘুচে দিবে সবকিছুর মালিক...😍ইং শা আল্লাহ... মুছে যাক সকল ...
21/05/2023

হ্যাঁ ঠিকি ভাবছেন আপনার জন্যই এটা...এক সময় আপনার দুঃখ-কষ্ট গুলো ঘুচে দিবে সবকিছুর মালিক...😍

ইং শা আল্লাহ... মুছে যাক সকল দুঃখ-দুর্দশা,, ঘুচে যাক সব গ্লানি...😌

21/05/2023

সত্যকে মিথ্যা বলার কোন চান্স নাই,, সবকিছুই সম্মান আর অর্থের দাপট 🌿এই পৃথিবীটা ছলনাময়, ভোগ- বিলাস ব্যতীত আর কিছুই নয়...

আজ আমাদের আয়-উপায় এক প্রতিযোগিতায় রূপ নিয়েছে--কেউবা এনজিও থেকে ছোট-খাটো লোন নিয়ে মাথাচারা দিয়ে উঠেছে আবার সেই টাকাই অনেকেই জমি বন্ধক নিচ্ছে...কেউবা ঘুষ দিয়ে চাকুরী নিচ্ছে আবার কেউবা সুদের উপর টাকা বসাই চক্রবৃদ্ধি মুনাফা করছে...🌺🌺

আর যারা সুদী ব্যাংককে চাকুরী করে নিজেকে সফলতা ভাবছেন তারা যেন বোকার রাজ্যে বাস করছেন,,যারা ঘুষ দিয়ে এখন চাকুরী নেওয়ার জন্য চিন্তাভাবনায় আছেন আল্লাহ্ ওয়াস্তে সরে আসেন,,সুদ আর ঘুষ খাওয়া এবং দেওয়ার চেয়ে না খেয়ে মরে যাওয়া হাজার গুণে উত্তম... ক্ষণিকের ৬০বছরের হায়াতে ভোগ-বিলাস করে কোন লাভ নেই অনন্ত কাল অপেক্ষায় আছে ভয়ঙ্কর শাস্তি অপেক্ষায় আছে...আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের প্রতিনিয়ত অনেক সুযোগ দিচ্ছেন ... ☝️☝️

আপনারা ভাবছেন কে ভাবে এইসব কথা..?কে মানে এইসব কথা আর সস্তা জ্ঞান,, হ্যাঁ অবশ্যই আল্লাহ্ র কোন না কোন বান্দা মানছে আপনারে কোন কাছের কলিক বা কোন কাছের বন্ধু সব তওবা করে ফিরে আসছে, তার সম্মানকে বিসর্জন দিচ্ছে তার টাকাকে বিসর্জন দিচ্ছে...আল্লাহ্ কে ভয় করছে,,যেমন এই বক্তব্যের ভাই সবকিছু ত্যাগ করেছেন-- মহান রবের দরবারে এইতো প্রকৃতি মুমিন,, এইতো এই ভাইয়েই আপনার ধারণার সস্তা জ্ঞান মেনে আল্লাহ্ র পথে ফিরে এসেছে....☝️🕋

কিছু বলার নাই দুনিয়া কোন দিকে যাচ্ছে,,নবীজি বলেছেন কিছু না পারো আর কিছু করতে না পারো অন্তত হেদায়েতের দোয়া করো কারণ তারা অজ্ঞ আর হেদায়েতের বাণী পৌঁছাতে থাকো কারণ হেদায়েতের মালিক আল্লাহ্ তায়ালা...🥺🤲

20/05/2023

আগের পোষ্টটি থেকে একটু ভিন্ন তথ্যঃ 🥰

মুসলমানদের কেবলা পবিত্র কাবা শরীফ... প্রতিবছর লাখ-লাখ মুসলমান কাবাঘর তাওয়াফ করতে মক্কা গমন করেন... পৃথিবীতে সর্বপ্রথম মহান আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে ফেরেশতারা কাবাঘর নির্মাণ করেন... কাবাঘরকে কেন্দ্র করে মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনের সুরা আল-ইমরানের ৯৬ আয়াতে বলেন, ‘নিশ্চই সর্বপ্রথম ঘর যা মানুষের ইবাদত রূপে নিরূপিত হয়েছে, তা ঐ ঘর যা মক্কাতে অবস্থিত’...🕋

মসজিদ আল-হারামের ধারণক্ষমতা ৯,০০,০০০ মুসল্লি (হজ্জের সময় ৪০ লাখে উন্নীত হয়)...মিনার রয়েছে ৯টি... প্রতিটি মিনারের উচ্চতা ৮৯ মিটার (২৯২ ফুট)...

কাবাঘরটি আল্লাহ তায়ালার আরশে মুয়াল্লাহ’র ছায়াতলে সোজাসুজি বাইতুল মামুরের আকৃতি অনুসারে স্থাপন করেন... হযরত আদম (আ.) ও মা হাওয়া (আ.) উভয়ই আল্লাহ তায়ালার কাছে ইবাদতের জন্য একটি মসজিদের পার্থনা করেন...আল্লাহ তায়ালা তাদের দোয়া কবুল করেন এবং বাইতুল মামুরের আকৃতিতে পবিত্র কাবাঘর স্থাপন করেন...এখানে হযরত আদম (আঃ) সন্তুষ্টচিত্তে আল্লাহ তায়ালার ইবাদত করতে থাকেন (শোয়াব-উল-ঈমান, হাদিসগ্রন্থ) এর অনেক তফসিরবিদের মতে, মানব সৃষ্টির বহু আগে মহান আল্লাহ তায়ালা কাবাঘর সৃষ্টি করেন...🕋🍁

হযরত মজাহিদ (রহ) বলেন, ‘আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মুয়াল্লাহ’র স্থানকে সমগ্র ভুপৃষ্ঠ থেকে দু’হাজার বছর আগে সৃষ্টি করেন’...🌿🌺🌿

মুসলিম শরিফের একটি হাদিসে হযরত আবুযর গিফারী হতে বর্ণনা হয়েছে, রাসূল (সঃ) তার একটি প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলেন, ‘বিশ্বের সর্বপ্রথম মসজিদ হলো মসজিদে হারাম... এরপরের মসজিদ হলো মসজিদে আকসা... মসজিদে হারাম নির্মাণে ৪০ বছর পর মসজিদে আকসা নির্মিত হয়’...🕋

20/05/2023

ইয়া রব্বী!🌺
আপনার ঘরের কালো গিলাফ ধরে ডুকরে কাঁদার তাওফিক এই অধমদেরও মিলিয়ে দিন...পেয়ারা হাবীব (ﷺ) এর রওজায় স্ব-শরীরে সালাম জানানোর জন্য কবুল করে নিন আমাদেরকে...🤲

"হৃদয়ের রাজধানী,ঈমানের রাজধানী,ভালোবাসার রাজধানী পবিত্র কাবার মঞ্জিলে আমাদের সবাইকে কবুল করুন ইয়া রব"...😔

اللهمَّ ارْزُقْنَا حَجَّ بَيْتِكَ الحَرَام
আল্লাহুম্মার্ যুকনা হাজ্জা বাইতিকাল হারাম...
ইয়া আল্লাহ! আপনার পবিত্র ঘর জিয়ারতের তাওফিক নসীব করুন...🕋🤲

আমীন।

কোরআনে মাহরামের পরিচয়...🥰🌺 পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, حُرِّمَتْ عَلَيْكُمْ أُمَّهَاتُكُمْ وَبَنَاتُكُمْ وَأَخَو...
20/05/2023

কোরআনে মাহরামের পরিচয়...🥰🌺

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,

حُرِّمَتْ عَلَيْكُمْ أُمَّهَاتُكُمْ وَبَنَاتُكُمْ وَأَخَوَاتُكُمْ وَعَمَّاتُكُمْ وَخَالَاتُكُمْ وَبَنَاتُ الْأَخِ وَبَنَاتُ الْأُخْتِ وَأُمَّهَاتُكُمُ اللَّاتِي أَرْضَعْنَكُمْ وَأَخَوَاتُكُم مِّنَ الرَّضَاعَةِ وَأُمَّهَاتُ نِسَائِكُمْ وَرَبَائِبُكُمُ اللَّاتِي فِي حُجُورِكُم مِّن نِّسَائِكُمُ اللَّاتِي دَخَلْتُم بِهِنَّ فَإِن لَّمْ تَكُونُوا دَخَلْتُم بِهِنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ وَحَلَائِلُ أَبْنَائِكُمُ الَّذِينَ مِنْ أَصْلَابِكُمْ وَأَن تَجْمَعُوا بَيْنَ الْأُخْتَيْنِ إِلَّا مَا قَدْ سَلَفَ ۗ إِنَّ اللَّهَ كَانَ غَفُورًا رَّحِيمًا

‘তোমাদের প্রতি হারাম করা হয়েছে তোমাদের মা এবং মেয়ে, বোন, ফুফু, খালা, ভাইঝি, ভাগিনী, দুধ মা, দুধ বোন, শ্বাশুড়ি, তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যার সঙ্গে সঙ্গম হয়েছ তার পূর্ব স্বামীর ঔরসজাত মেয়ে যারা তোমাদের তত্ত্বাবধানে আছে, কিন্তু যদি তাদের সঙ্গে তোমরা সহবাস না করে থাক, তবে (তাদের বদলে তাদের মেয়েদেরকে বিয়ে করলে) তোমাদের প্রতি গুনাহ নেই এবং (তোমাদের প্রতি হারাম করা হয়েছে) তোমাদের ঔরসজাত পুত্রের স্ত্রী এবং এক সঙ্গে দু’ বোনকে (বিবাহ বন্ধনে) রাখা, পূর্বে যা হয়ে গেছে, হয়ে গেছে, নিশ্চয়ই আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, দয়ালু'...

-- [ সূরা নিসাঃ আয়াত ২৩ ] 🕋

কোরআনের বর্ণনা অনুযায়ী নারী-পুরুষদের জন্য এমন ব্যক্তি ১৪জন... এই মানুষদের সঙ্গে দেখা দেওয়া জায়েজ, পর্দা ফরজ নয়, তবে এদের বিয়ে করা যাবে না... এখানে তাদের পরিচয় তুলে ধরা হল--👇

পুরুষের জন্য মাহরাম ১৪ জন...☝️

তারা হলেন- মায়ের সমপর্যায়ের ৫ জন

১. মা 🕋

২. ফুফু (বাবার বোন)

৩. খালা (মায়ের বোন)

৪. শাশুড়ি ( স্ত্রী এর মা )

৫. দুধ-মা (যে মা ছোট বেলায় দুধ খাইয়ে ছিলেন)

বোনের সমপর্যায়ের ৫ জন

৬. নিজের বোন

৭. নানি (মায়ের মা)

৮. দাদি (বাবার মা)

৯. নাতনি (আপন ছেলে ও মেয়ের কন্যা)

১০. দুধ-বোন

মেয়ের সমপর্যায়ের ৪ জন 🌺🌿🌺

১১. মেয়ে

১২. ভাতিজি (আপন ভাই-এর মেয়ে)

১৩. ভাগ্নি (আপন বোনের মেয়ে)

১৪. ছেলের বউ

এসব ব্যক্তি ছাড়া পুরুষরা বাকি সবার সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে। তবে স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় স্ত্রীর আপন বোনকে বিয়ে করা যাবে না। আবার তার সঙ্গে দেখাও করা যাবে না।

নারীদের মাহরাম ১৪ জন...☝️

তারা হলেন- বাবার সমপর্যায়ের ৪ জন

১. বাবা

২. চাচা (আপন বাবার ভাই)

৩. মামা (আপন মায়ের ভাই)

৪. শ্বশুর

ভাইয়ের সমপর্যায়ের ৫ জন 🌺🌿🌺

৫. সহোদর ভাই

৬. নিজ দাদা

৭. নিজ নানা

৮. নিজ নাতি

৯. দুধ-ভাই

ছেলের সমপর্যায়ের ৫ জন 🌸🍁

১০. ছেলে

১১. নিজ ভাইয়ের ছেলে

১২. নিজ বোনের ছেলে

১৩. মেয়ের জামাই

১৪. দুধ-ছেলে

27/04/2023

amazing nasheed... 💗

🕋....হজ্জ....🕋হজ্জ (আরবিঃ حَجّ‎‎ হজ্জ) বা হজ হলো মুসলমানদের জন্য পবিত্রতম শহর সৌদি আরবের মক্কায় অনুষ্ঠিত একটি বার্ষিক ই...
27/04/2023

🕋....হজ্জ....🕋

হজ্জ (আরবিঃ حَجّ‎‎ হজ্জ) বা হজ হলো মুসলমানদের জন্য পবিত্রতম শহর সৌদি আরবের মক্কায় অনুষ্ঠিত একটি বার্ষিক ইসলামি তীর্থযাত্রা...হজ মুসলমানদের জন্য একটি বাধ্যতামূলক ধর্মীয় ইবাদত, যা এটি করতে শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম এবং তাদের অনুপস্থিতিতে ঘরে তাদের পরিবারকে ভরণপোষণ করতে পারে এমন সকল প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানদের তাদের জীবনে অন্তত একবার করতে হয়...☝️🕋

ইসলামি পরিভাষায়, হজ্জ হল সৌদি আরবের পবিত্র শহর মক্কায় অবস্থিত "আল্লাহর ঘর" কাবার উদ্দেশ্যে করা একটি তীর্থযাত্রা...এটি শাহাদাহ (আল্লাহর কাছে শপথ), সালাত (প্রার্থনা), যাকাত (দান) এবং সাওম (রমজানের রোজা) এর পাশাপাশি এটি ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি স্তম্ভ... হজ হলো মুসলিম জনগণের সংহতি এবং সৃষ্টিকর্তার (আল্লাহর) কাছে তাদের আত্মসমর্পণের একটি বাহ্যিক প্রকাশ... হজ শব্দের অর্থ হল "যাত্রায় যোগদান করা", যা যাত্রার বাহ্যিক কাজ এবং উদ্দেশ্যের অভ্যন্তরীণ কাজ উভয়কেই বোঝায়... তীর্থযাত্রাটির নিয়মগুলো পাঁচ থেকে ছয় দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়, যা ইসলামি বর্ষপঞ্জির শেষ মাস জিলহজ্জের ৮ থেকে ১২ বা ১৩ তারিখ পর্যন্ত বিস্তৃত... যেহেতু ইসলামি বর্ষপঞ্জি একটি চন্দ্র পঞ্জিকা এবং ইসলামি বছর গ্রেগরীয় বছরের তুলনায় প্রায় এগারো দিন ছোট, তাই হজ্জের গ্রেগরীয় তারিখ প্রতি বছর পরিবর্তন হয়...২০২৩ খ্রিস্টাব্দে (১৪৪৪ হিজরি), জিলহজ্জ মাস ১৯ জুন থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত বিস্তৃত...🌺💗

হজ্জ ৭ম শতাব্দীর ইসলামের নবি মুহাম্মাদের জীবনের সাথে জড়িত, তবে মক্কায় তীর্থযাত্রার অনুষ্ঠানটি ইব্রাহিমের সময় পর্যন্ত হাজার হাজার বছর পুরনো বলে মুসলমানেরা মনে করে থাকে... হজের সময়, তীর্থযাত্রী বা হাজিগণ লক্ষাধিক মানুষের পদযাত্রায় যোগ দেন, যারা একই সাথে হজের সপ্তাহের জন্য মক্কায় একত্রিত হন এবং একটি ধারাবাহিক অনুষ্ঠান সম্পাদন করেনঃ প্রত্যেক ব্যক্তি কাবার (একটি ঘনক আকৃতির ভবন এবং মুসলমানদের জন্য প্রার্থনার জন্য ক্বিবলা) চারপাশে সাতবার ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে হাঁটেন, সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝখানে সাতবার দ্রুত পায়ে হেঁটে যান, তারপর জমজম কূপ থেকে পান করেন, আরাফাত পাহাড়ের ময়দানে গিয়ে অবস্থান করেন, মুজদালিফার ময়দানে একটি রাত কাটান এবং তিনটি স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপ করে শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ করেন...একটি পশু কোরবানি করার পরে (যা একটি ভাউচার ব্যবহার করে সম্পন্ন করা যেতে পারে), হজযাত্রীদের তাদের মাথা ন্যাড়া করতে হয় বা চুল ছাঁটাই করতে হয় (পুরুষ হলে) বা তাদের চুলের প্রান্ত ছাঁটাই করতে হয় (মহিলা হলে)...এর পরে ঈদুল আযহার চারদিনব্যাপী বৈশ্বিক উৎসবের উদযাপন শুরু হয়...মুসলমানরা বছরের অন্য সময়ে মক্কায় ওমরাহ (আরবি: عُمرَة‎‎) বা "ছোট হজযাত্রা" করতে পারে...তবে, ওমরাহ হজের বিকল্প নয় এবং মুসলিমরা ওমরাহ করার পরেও তাদের জীবদ্দশায় অন্য কোনো সময়ে হজ পালন করতে বাধ্য যদি তাদের তা করার উপায় থাকে...☝️🕋🕋

Address

Ranisankail

Telephone

+8801717707838

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abdür Rãhmäñ Al Juhãny posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Abdür Rãhmäñ Al Juhãny:

Share

Category