02/01/2025
১৪০০ হিজরীর পর যার ঘটনা ঘটবে তার সম্পর্কে ছোট্ট একটি হাদিস একদিন নবীজি হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম সকল সাহাবীকে নিয়ে গল্প করতেছে হঠাৎ হযরত ওমর সালামকে জিজ্ঞাসা করলেন তুমি সকল দিকে তাবলীগে যাও সকাল দিকে যুদ্ধ করতে যাও তুমি তো বাসাতেই থাকো না সপ্তাহে চারদিন যুদ্ধের ময়দানে থাকো আর বাকি সময় সফরে যাও চার টা দিকের মধ্য তুমি উত্তর দিকে যাও পূর্বে দিকে যাও পশ্চিম দিকে যাও কিন্তু তুমি দক্ষিণ দিকে যাব না সফরে। কিন্তু অনেকদিন পর হযরত ওমর আলাই সালাম এর মাথায় একটা চিন্তা আসে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম কেন আমাকে দক্ষিণ দিকে স পরে যাইতে নিষেধ করে হঠাৎ ওমর আলাইহিস সালাম মাথায় চিন্তা আসে আমি আজকে দক্ষিণ দিকে সফরে যাব। এক পা দুই পা করে দক্ষিণ দিকে যায় যাইতে যাইতে দেখতে পাই একটা কাঠুরে কাঠ কাটতেছে হযরত ওমর আলায়েসালাম তাকে জিজ্ঞাসা করে তুমি এত কার্ড কেটে কি করবে। কাঠুর হযরত ওমর আলাইহিস সালাম কে কোন উত্তর দেয় না ওমর আলা সালাম কাঠুর কে বলে আমি তোমার কার্ডগুলো বেঁধে তোমার মাথার উপরে উঠায়ে দেই হযরত অমর আলাইহিস সালাম একথা কাঠুর কে বললেন কাঠুরে কোন উত্তর না দিয়ে গোটা বন কেটে যাচ্ছে। এরপর আবার হযরত ওমর আলাই সালাম দক্ষিণ দিকে সফরে আবার যায় যাইতে যাইতে দেখতে পাই একই সাথে পরিষ্কার জায়গাতে তিনটি কুপ আছে দেখতে পাচ্ছে হযরত ওমর আঃ তখন চিন্তা করে একুর ভিতরে কি আছে ওকি দিয়া দেখে তিনটে কুয়াতে পানি আছে। প্রথম কুয়াতে বেশি পানি মধ্য কুয়াতে কোম্পানি তিন নম্বর কুয়াতে বেশি পানি যখন মাথা টান দিয়ে পিছনে আসে তখন দেখতে পাই দুই ধারের দুই কোয়ার পানি প্রথম কুয়ার পানি তৃতীয় কুয়াতে পড়তেছে তৃতীয় কূপের পানি প্রথম কুয়াতে পড়তেছে কিন্তু দ্বিতীয় কুয়েতে কোন পানি পড়তিসে না অনেক চিন্তিত। এরপরে হযরত ওমর আঃ কে আশ্চর্যজনক ঘটনা লাগে তারপরে ওখান থেকে আবার দক্ষিণ দিকে চলে যায় যাইতে যাইতে দেখে একটি ডালে খুব সুন্দর একটা পাখি বসে আছি। যখন হযরত ওমর আঃ পাখিটি দেখে পাখিটির গায়ে লেখা আছে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ। কিন্তু পাখিকে যখন নিচে পচা আবর্জনা খাচ্ছে তখন তার গায়ের লেখা মুছে যাচ্ছে এভাবে তিন চারবার দেখে তখন হযরত ওমর আঃ আশ্চর্য হয়ে ওখান থেকে আবার দক্ষিণ দিকে চলে যায় দক্ষিণ দিকে যায় দেখে অনেকক্ষণ হাঁটার পর দেখতে পায় একটি বেগুনের ক্ষেত অনেক সুন্দর সুন্দর বেগুন ধরে আছে যখন ওমর আলাই সালাম তাকিয়ে থাকে তখন দেখতে পায় চারপাশে যে বাড়া দেওয়া আছে এই বেড়াটা বেগুনকে গিলে খাচ্ছে এই দৃশ্য দেখার পর হযরত ওমর আলাই সালাম প্রচন্ড ঘেমে গেলেন হতবাক হয়ে গেলেন এরপরে আর দক্ষিণ দিকে সফরে যায় না বাসায় ফিরে আসে আসার পর তার বিবিকে জিজ্ঞাসা করে মা ফাতেমাকে তোমার আব্বা জান কোথায়। মা ফাতেমা তখন তাকে উত্তর দেয় অনেক সাহাবী নিয়ে গল্প গুজব করতেছে একথা শোনার পর হযরত ওমর আঃ হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এর কাছে যান যে দেখেন অনেক সাহাবী নিয়ে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম গল্প করতেছেন এরপরে ওমর আলাই সালাম হযরত মুহাম্মদ সাঃ কে সালাম দিয়ে নবীকে জিজ্ঞাসা করলেন হে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সালাম আপনি আমাকে বলছিলেন দক্ষিণ দিকে সফরে যাওয়া নিষেধ করছিলে কিন্তু আমি দক্ষিণ দিকে তো সফরে গিয়েছিলাম যাওয়ার। পরে যেসব দৃশ্য দেখতে পাইছি সেইসবের কোন উত্তর আমি এখনো পাইনি নবীজি ওমর আঃ কে বললেন তুমি কি প্রশ্নের উত্তর পাও নি আর কি প্রশ্নের উত্তর জানতে চাও তা আমাকে উপস্থাপন কর তখন ওমর আলাই সালাম । নবীজিকে একটা একটি করে প্রশ্ন করতে লাগলেন
প্রথম প্রশ্ন হল
আমি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম যাওয়ার পথে একটা বোন দেখতে পাই সে বনে একটি কাঠুরে কাঠ কাটতেছে আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম তুমি যতটুক গাছ কাটছো তুমি নিয়ে যাইতে পারবা না অথচ ওই ব্যক্তি আমার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বোনের কাট কাটতেছিল তখন হযরত মুহাম্মদ সাল্লাহু সাল্লাম মুচকি হাসি দিয়ে বললেন আচ্ছা ওমর তুমি কি সত্যই জানো না। ওমর আলাই সালাম বললেন না আমি এটার উত্তর জানি না। তখন হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম অমর কে উত্তর বলে দিলেন তুমি যা দেখছো সেটা ১৪00 হিজরীর পরে ঘটবে মানুষ মানুষের হিংসা বেশি করবে মানুষ চিন্তা ধারা ভুলে যাবে এবং মানুষ সব সময় চিন্তা করবে যতখানি দখল করতে পারব ততখানি আমার হবে এই হিসাব করে ওই লোকটি বোনের কার্ড কাটতেছিল আর দখল করার চেষ্টা করতেছিল
দ্বিতীয় প্রশ্ন
আমি রাস্তা দিয়ে আবার দক্ষিণ দিকে সফরে যাচ্ছিলাম যাইতে যাইতে দেখি একই সাথে তিনটি কুপ কিন্তু কুপ দেখার পরে মাথা টান দিলাম দেওয়ার পরে দেখি প্রথম কুপের পানি তৃতীয় কূপে পড়তেছে আবার তৃতীয় কূপের পানি প্রথম কুপেতে পড়তেছে কিন্তু মাঝখানে কোপে কোন পানি পড়তেছে না এটার কারণ কি তখন নবীজি আবার মুচকি হেসে বললেন এটার কারণ হচ্ছে ১৪০০ হিজরীর পরে ঘটবে বড়লোক বড়লোককে দাওয়াত দিবে বড়লোক বড়লোকের সাথে সম্পর্ক থাকবে বড়লোক মানুষেরা গরিব মানুষকে ভুলে যাবে গরিবের কথা মনে রাখবে না এই কারণেই প্রথম কূপের পানি তৃতীয় কূপে পড়ে তৃতীয় কূপের পানি প্রথম কুয়েতে পড়তেছে এটাই ঘটবে
তৃতীয়
আমি আবার দক্ষিণ দিকে সফরের দিকে রওনা দিলাম রওনা দিয়ে দেখলাম একটি সুন্দর পাখি গাছের ডালে বসে আছে পাখির গায়ে লেখা আছে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ কিন্তু পাখিটি যখন খাবার খাইতে নিচে নামতেছে পচা খাবার খাচ্ছে তখন আমি দেখলাম পাখির গায়ে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ লেখাটি মুছে যাচ্ছে আমি এক এক করে তিন বার লক্ষ্য করলাম। এটার কারণ কি তখন হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সালাম মুচকি হেসে বললেন এটাও ঘটবে চৌদ্দশো হিজরীর পরে কারণ দাড়ি টুপি সাদা ধবধবে পায়জামা পাঞ্জাবি পড়ে থাকবে এক কোয়ালিটির মানুষ মুখে থাকবে অনেক সুন্নত আল্লাহ নবীজির কথা বলবে মানুষের অনেক কিন্তু তারা গোপনে সুদ ঘুষ খাবার খাবে কিন্তু মানুষ বুঝতে পারবে না এটাই পাখির গায়ে লেখা তোমাকে বুঝাইছে এবং এটাই ঘটবে
চতুর্থ হচ্ছে
আমি আবার রাস্তা দিয়ে দক্ষিণে সফরে যাইতে ছিলাম যাইতে যাইতে দেখতে পেলাম একটা বেগুনের ক্ষেত এখন অনেক সুন্দর গাছে বেগুন ধরে আছে আমি হঠাৎ করে দেখলাম চারে করে যে বেড়া দেওয়া আছে এই বেড়া বেগুন ক্ষেতের বেগুন খেয়ে ফেলতেছে এটার কারণ কি। হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সালাম আবারো মুচকি হাসি দিয়ে বললেন এটা আরো কারণ ১৪০০ হিজরের পরে ঘটবে এটার কারণ হচ্ছে শেষ জামানায় অনেক সুন্দর সুন্দর মেয়ে অনেক সুন্দর সুন্দর বোরখা পড়ে থাকবে এবং বোরখা পরিধান করার পরে বিভিন্ন খারাপ কাজে লিপ্ত হবে এবং ওইসব মেয়ে ছেলেদেরকে তারাই নিয়ে বেড়াবে এই কারণে তুমি চোখের সামনে যেটা দেখছো বেড়ায় বেগুন খাইতেছে এটাই ঘটবে। সেস জমানাতে আমি আখেরি নবীআমি যেটা বর্ণনা করছি ১৪০০ হিজরীর পরে এই সবই ঘটবে আমি যা জানি ১৪০০ হিজরের পরে কি ঘটবে সেটা প্রকাশ করতে কিন্তু আমার উন্মদগণ অনেক উদাসীনতাই ভুক্ত তাই পরেকার কথা আর বর্ণনা করিনি আল হাদিস কোরান।