16/08/2022
বর্তমান সময়ে মানুষের ঈমান হাসতে হাসতেই চলে যায়,টেরই পাওয়া যায় না।তেমনি এমনই কিছু কাজ বর্তমানে এতটাই প্রকাশনা পাচ্ছে যে আমরা হাসির চলেই এটাকে ব্যাবহার করি এবং ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করি।যদিও এটা হাসাহাসি মাত্র কিংবা মন থেকে এটাকে বিশ্বাস নাইবা করি।কিন্তু সবাইত আর একরকম সমচেতনা সম্পন্ন মানুষ হয় না,তাই কিছু কিছু মানুষ সমাজে সত্যিই আছে যারা কিনা এটাকে বিশ্বাস করেই ফেলে।আর এসব কার্যক্রমকে বিশ্বাস করার ফলে তাদের ইমানের ক্ষতি সাধন হচ্ছে। মানুষের ভবিষ্যতে কি হবে না হবে সবি একমাত্র আল্লাহই ভলো জানেন, কারন আল্লাহ হলেন গাইবের মালিক,সর্বজ্ঞ যিনি সবকিছু ভালো জানেন।
সামান্য একটি অ্যাপস কিংবা গেম কিভাবে জানবে আপনার ভবিষ্যত অবস্থান?
ঠিক তদ্রুপ কয়েকটি ফেইসবুক গেমিং আছে যেগুলোর মাধ্যমে নিজের আগামীর ভবিষ্যত চেহারা,কিংবা বাড়ি গাড়ি বিলাসিতা সম্পর্কে সাধারন মৌলিক ধারনা বাহির করা যায়।যেমন Face app,WOW, OMG,HAHA swap,Brain Test,iQuiz, BAM ইত্যাদি।
এই গেমিং গুলোর মাঝে আবার হিসেবও হয় যে কতজন ফেসবুক ইউজার এই গুলো ব্যাবহার করা হয়েছে।
এসব অ্যাপস কিংবা গেমিং তৈরীর করার পিছনেও একটা মারাত্মক ষড়যন্ত্রের জাল বোনা রয়েছে।
আর এ ষড়যন্ত্রটি হলো মুসলমানদের ঈমান ধংস্ব করা।
অপরদিকে ফেসবুক প্রতিষ্ঠাকারী মার্ক জুকারবার্গও হলেন একজন খ্রিষ্ঠান পাদ্রী। আর বেধর্মীদের জিবনের একটি চরম শপথ হলো তারা মুসলমানদের ভিতরে শত্রুতা,বিভিন্ন দলে দলে বিভক্ত করানো এবং তাদের ঈমানকে ধংস্ব করানো।ঠিক তদ্রূপ তাদের প্রতিটি সাহায্য কিংবা আবিস্কারের মাঝেও মুসলমানদের নেক সূরতে বেশিরভাগ ধোকার জাল বোনা থাকে।যা হয়ত আমরা সূক্ষ্মভাবে বুঝতে পারিনা।
বর্তমান সময়ে অনেক ইসলামি ভাই বোন আমরা অনেকেই এসব ঘটনার শিকার খুব প্রতিনিয়তই হচ্ছি।কিন্তু আমাদের বুঝার উচিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাদের কোন কাজ করা এবং কোন কাজ বর্জনীয়।
আসুন আমরা এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকি,যার মাধ্যমে আমাদের মহা মূল্যবান ঈমানটাই আমানত রাখতে পারি।