N R K

N R K আল্লাহ সর্বশক্তিমান❤️

 রামিসার লা`শ।কাঁদতে আসি নি, ফাঁ`সির দাবি নিয়ে এসেছি।
20/05/2026


রামিসার লা`শ।
কাঁদতে আসি নি, ফাঁ`সির দাবি নিয়ে এসেছি।

❤️‍🩹❤️‍🩹
14/05/2026

❤️‍🩹❤️‍🩹

ইনশাআল্লাহ
28/04/2026

ইনশাআল্লাহ

18/03/2026

জীবনে বারবার ব্যর্থতা, হতাশা, অভাব, সমস্যা বা দুঃখের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন? এটা অনেকের জীবনেই ঘটে। কিন্তু ইসলামে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়ার সবচেয়ে সহজ ও শক্তিশালী মাধ্যম হলো সূরা ফাতিহা। এটি কুরআনের সারাংশ, নামাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং শিফা (আরোগ্য), বরকত ও দোয়া কবুলের সূরা।

রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর হাদিসে সূরা ফাতিহাকে "শিফার সূরা" বলা হয়েছে (সহীহ বুখারি)। অনেক আলেম ও বুজুর্গদের (যেমন হজরত জাফর সাদেক রহ.) বর্ণনায় এর বিভিন্ন আমল আছে, যা বিপদ, রোগ, অভাব, ব্যর্থতা দূর করে সফলতা ও রিজিক বাড়ায়। এগুলো সহীহ হাদিসভিত্তিক নয় সবসময়, বরং অনেকটা অভিজ্ঞতাভিত্তিক ও আলেমদের উপদেশ। তবে বিশ্বাস ও ইখলাসের সাথে করলে আল্লাহ কবুল করেন।

সবচেয়ে জনপ্রিয় ও পরীক্ষিত আমলগুলো (ব্যর্থতা-সমস্যা দূর করার জন্য)

১. সূরা ফাতিহা ৪১ বার পড়ার আমল (সবচেয়ে বেশি উল্লেখিত)

▪️অজু করে নিন।

▪️কোনো শান্ত জায়গায় বসুন।

▪️প্রথমে ৩-১১ বার দরূদ শরীফ পড়ুন (যেমন: আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ...)।

▪️তারপর সূরা ফাতিহা ৪১ বার পড়ুন (সঠিক তাজবিদে)।

▪️শেষে আবার ৩-১১ বার দরূদ পড়ুন।

▪️তারপর আল্লাহর কাছে দোয়া করুন: ব্যর্থতা দূর হওয়া, সফলতা, রিজিক, মনের শান্তি, যা চান তা বলুন।

▪️সময়: ফজরের পর, মাগরিব-এশার পর বা রাতের শেষ প্রহরে (তাহাজ্জুদের সময়) করলে বেশি ফজিলত।

▪️মেয়াদ: ৭, ১১, ২১ বা ৪১ দিন পর্যন্ত নিয়মিত করুন।

▪️উপকার: অনেকে বলেন—রিজিক বাড়ে, ব্যর্থতার চক্র ভাঙে, মনের অস্থিরতা কমে, দোয়া কবুল হয়।

২. সূরা ফাতিহার ৫ম আয়াত ভিত্তিক আমল (ইয়্যাকা না’বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাস্তা’ঈন)

▪️এ আয়াতটি পড়ুন: إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
(অর্থ: আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি এবং শুধু তোমারই সাহায্য চাই।)

▪️২১ বা ৪১ বার পড়ুন (বা পুরো সূরা ফাতিহা ২১/৪১ বার)।

▪️এতে আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখার তাকিদ আছে, যা ব্যর্থতার মূল কারণ (নিজের উপর বেশি ভরসা) দূর করে।

▪️২১-৪১ দিন করুন।

৩. সহজ দৈনিক আমল (দোয়া কবুলের জন্য)

▪️দরূদ ৩ বার।

▪️সূরা ফাতিহা ৭ বার।

▪️সূরা ইখলাস ৯ বার (বা ৩ বার)।

▪️শেষে দোয়া করুন।

▪️এটা অনেকে ব্যর্থতা, অভাব দূর করতে করে।

৪. গুরুত্বপূর্ণ কথা

▪️ইখলাস ও বিশ্বাস সবচেয়ে বড়। শুধু সংখ্যা নয়, আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখুন।

▪️আমল করার সময় দোয়া করবেন: "ইয়া আল্লাহ! আমার জীবনের ব্যর্থতাগুলো দূর করে দাও, আমাকে সঠিক পথে রাখো, রিজিক বাড়িয়ে দাও, হতাশা দূর করো।"

▪️নিয়মিত নামাজ, ইস্তিগফার (আস্তাগফিরুল্লাহ ১০০ বার), দরূদ পড়া চালিয়ে যান—এগুলো ব্যর্থতা ভাঙার সবচেয়ে বড় অস্ত্র।

▪️যদি সমস্যা খুব গভীর হয় (যাদু-বান-নজর লাগা মনে হয়), তাহলে সূরা ফাতিহা + আয়াতুল কুরসি + মুয়াওয়িযাতাইন (ফালাক-নাস) দিয়ে রুকইয়া করুন।

আল্লাহ আপনার সব ব্যর্থতা দূর করে সফলতার রাস্তা খুলে দিন। আমীন 🤲

একটা আপু এই রেসিপিটা বানিয়েছে আমি কিছু বললাম না বাকিটা আপনাদের উপর ছেড়ে  দিলাম😜😜😜
27/02/2026

একটা আপু এই রেসিপিটা বানিয়েছে আমি কিছু বললাম না বাকিটা আপনাদের উপর ছেড়ে দিলাম😜😜😜

18/02/2026

ধুলোমাখা পথেই সুখের আসল ঠিকানা 🌳🌳

02/12/2025

👍

স্কলার্সহোম শাহীঈদগাহ শাখার স্টুডেন্ট আজমান। (Hsc 26 batch section -Bokul) ।সে Hsc Pre-Test exam এ 5 টি বিষয়ে ফেল করে ।...
19/09/2025

স্কলার্সহোম শাহীঈদগাহ শাখার স্টুডেন্ট আজমান।

(Hsc 26 batch section -Bokul) ।সে Hsc Pre-Test exam এ 5 টি বিষয়ে ফেল করে । রেজাল্ট প্রকাশের পর ক্লাস teacher তাকে গার্ডিয়ান নিয়ে এসে ভাইস প্রিন্সিপাল এর সাথে দেখা করতে বলেন আসার পর তার গার্ডিয়ান কে বাধ্য করা হয় কলেজে থেকে TC নিতে ৩-৪ ঘন্টা আজমান এর গার্ডিয়ান ক্লাস টিচার এর নিকট request করতে থাকেন যাতে তাকে আরেকটা চান্স দেয়া হয় কিন্তু কর্তৃপক্ষ কিছুতেই রাজি হন নাই ।প্রতিনিয়ত মানসিক চাপ এবং তার এবং তার অবিভাবকের প্রতি তাদের ন্যাক্কারজনক আচরণের মাধ্যমে আজমানকে এইভাবে মৃত্যুর কোলে ঠেলে দেয়া হয়েছে। আজমানকে দিনের পর দিন মানসিক চাপ দিয়ে অপমান করে ক্লাস থেকে বের করে দেন। কারণ স্কলার্সহোম এ কিছু সংখ্যক টিচার ছাড়া বাকিরা স্টুডেন্ট এবং গার্ডিয়ান কে মানুষ হিসাবে বিবেচনা করেন না । পরিশেষে আজমান আর আমাদের মধ্যে নেই সে সুইসাইড করে । একজন স্টুডেন্ট এর উপর কতটা মেন্টাল প্রেসার পড়লে সে এইরকম একটা কাজ করতে পারে । একটা সার্টিফিকেট জীবনের সব নয় একটি সার্টিফিকেট মানুষের মনুষত্ব পরিবর্তন করতে পারে না । পরীক্ষার ফলাফল দিয়ে কখনো কোন স্টুডেন্ট কে বিবেচনা করা ঠিক নয় । স্কলার্সহোমের টিচারা কি ঘুরার আন্ডা নিয়ে এসে শিক্ষকতা করছে।

স্কলারহুমেরশিক্ষকদের মন মানসিকতা কেন পরিবর্তন করতে পারল না সেই সার্টিফিকেট?

এখন এই দায় কী Scholarshome কর্তৃপক্ষ নিবে ।

একজন স্ত্রী যখন তার স্বামীকে ভালোবেসে জীবনটা ভাগ করে নেয়, তখন তার মনে কিছু চাওয়া থাকে— স্নেহ, সাপোর্ট, ভালোবাসা, আর নিরা...
08/08/2025

একজন স্ত্রী যখন তার স্বামীকে ভালোবেসে জীবনটা ভাগ করে নেয়, তখন তার মনে কিছু চাওয়া থাকে— স্নেহ, সাপোর্ট, ভালোবাসা, আর নিরাপত্তা। কিন্তু যখন একজন পুরুষ এই মৌলিক চাহিদাগুলোও পূরণ করে না, তখন সে শুধু দায়িত্বহীন নয়, বরং সে একজন নারীর মনের ভিতরে ধ্বংস ডেকে আনে।
-

🖤 স্ত্রীর প্রয়োজন উপেক্ষা করা একজন দায়িত্বহীন স্বামী নিয়ে কিছু কথা:

1.
"আমি তার স্ত্রী হয়েও, তার কাছে ভিক্ষুকের মতো চাই—
একটু সময়, একটু মনোযোগ, একটু অনুভব।
কিন্তু সে যেন শুধু আমার অস্তিত্বটাকেই অস্বীকার করে বাঁচে।"

2.
"আমার প্রয়োজন সে কখনো বুঝে না।
আমি অসুস্থ হলেও তার মন পড়ে থাকে নিজের আরাম আয়েশে।
সে ভাবে, বিয়ে মানে শুধু একটা নাম—
কিন্তু আমি তো মানুষ, আমি তো অনুভব করতে পারি!"

3.
"সে যখন আমার প্রয়োজনীয় কিছু আনতে ভুলে যায়,
তখন আমি বুঝি— আমি তার জীবনে অগ্রাধিকার না।
আমি যেন এক চাকরানী, যে শুধু সংসার চালায়,
নিজের কোনো প্রয়োজন বলারও অধিকার নেই।"

4.
"একটা সময় ছিল, আমি অপেক্ষা করতাম সে কিছু বুঝবে,
আজকাল আমি আর কিছু বলি না—
কারণ আমি জানি, সে শুনবে না।
সে শুধু নিজেরটুকুই বোঝে, আমার কষ্ট নয়।"

5.
"একজন স্ত্রী যখন তার স্বামীর কাছে ছোট ছোট প্রয়োজনের কথা বলে,
সেটা চাহিদা নয়— সেটা ভালোবাসার আকুতি।
আর যে স্বামী সেটা পূরণ না করে মুখ ফিরিয়ে নেয়,
সে আসলে ভালোবাসতে জানে না, দায়িত্ব নিতে জানে না।"

6.
"সে তার পরিবারের জন্য সবকিছু করতে পারে,
তাদের জন্য টাকা, সময়, ভালোবাসা উজাড় করে দেয়।
আর আমি? আমি শুধু তার সংসারের ছায়া—
চাওয়া-পাওয়ার অধিকার যেন আমার নেই!"

7.
"আমি তার স্ত্রী হয়েও সবচেয়ে পিছনের কাতারে থাকি।
তার মা-বাবা, ভাইবোন— সবার আগে।
কিন্তু আমি?
আমার কষ্টটা সে কখনো অনুভবই করে না।"

8.
"সে তার মা’র হালকা সর্দির জন্য ছুটে যায়,
কিন্তু আমি জ্বরে কাঁপলেও বলে— ‘ও তো কিছু না’।
আমি বুঝি, আমি তার পরিবারের সদস্য নই,
আমি শুধু একজন দায়িত্বপালনের নামমাত্র মানুষ।"

9.
"বিয়ের সময় বলেছিল, সবকিছুর আগে আমাকে রাখবে।
কিন্তু আজ সে শুধু তার পরিবারের প্রয়োজনেই ব্যস্ত,
আমার প্রয়োজন যেন তার কাছে বোঝা হয়ে গেছে।"

10.
"আমি কখনো তার ভাই-বোনের বিরুদ্ধে কিছু বলিনি,
কখনো তার পরিবার থেকে টানিনি—
তবুও সে আমাকে ভালোবাসার স্থান দেয় না।
কারণ, আমি তার 'পরিবার' নই— আমি শুধু তার স্ত্রী!"
---

🌸 ইসলাম কী বলে:

রাসূল (সা.) বলেছেন:
"তোমাদের মধ্যে উত্তম সেই, যে তার স্ত্রীর প্রতি উত্তম আচরণ করে।"
(তিরমিজি ৩৮৯৫)

আর আল্লাহ বলেন:
"পুরুষরা নারীদের উপর দায়িত্বশীল, কারণ আল্লাহ তাদের একের উপর অন্যকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন এবং তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে।"
(সূরা নিসা: ৩৪)

একজন স্বামীর উচিত তার স্ত্রীকে ভালোবাসা, সম্মান ও যত্ন দিয়ে এমনভাবে রাখবে—
যেন সে কখনো মনে না করে, সে এ ঘরের ‘বহিরাগত’।

🥀🤲 আল্লাহ বুঝার তৌফিক দান করুক আমিন 🤲🤲

এইভাবে তোমার বুকের ভেতর গিয়ে দেখতে ইচ্ছে হয় আমি ছাড়া আর কেউ আছে কিনা 🥰🥰😍
27/07/2025

এইভাবে তোমার বুকের ভেতর গিয়ে দেখতে ইচ্ছে হয় আমি ছাড়া আর কেউ আছে কিনা 🥰🥰😍

মূসা আলাইহিসসালাম ছিলেন কালিমুল্লাহ। তিনি আল্লাহর সাথে সরাসরি কথা বলতে পারতেন। একদিন এক মহিলা মূসা আলাইহিসসালাম এর কাছে ...
09/07/2025

মূসা আলাইহিসসালাম ছিলেন কালিমুল্লাহ। তিনি আল্লাহর সাথে সরাসরি কথা বলতে পারতেন।

একদিন এক মহিলা মূসা আলাইহিসসালাম এর কাছে এসে অনুরোধ করলো, যাতে তিনি আল্লাহর কাছে তার ব্যাপারে ফরিয়াদ করেন। ওই মহিলা নিঃসন্তান ছিলেন। তিনি চাচ্ছিলেন মূসা আলাইহিসসালাম যাতে আল্লাহকে অনুরোধ করেন আর আল্লাহ তাকে সন্তান দান করেন।

মহিলাটি বিবাহের পর অনেকদিন হয়ে গিয়েছিল, মনেপ্রাণে তিনি মা হতে চাচ্ছিলেন। মূসা আলাইহিসসালাম আল্লাহর কাছে চাইলেন। আল্লাহ জবাব দিলেন- সেই মহিলা বন্ধ্যা, সে সন্তান জন্মদানে অক্ষম। মূসা আলাইহিসসালাম মহিলাকে এ কথা জানালে সে চলে গেলো।

আমি বা আপনি যদি আল্লাহর কাছ থেকে এব্যাপারে জানতে পারতাম, আমরা হয়তো থেমেই যেতাম। আমরা অনেকে তো কিছুদিন দু'আ করেই হতাশ হয়ে যাই আর নালিশ জানাই। অনুযোগ করে বলে ফেলি- আল্লাহ কখনোই আমার দু'আ শুনেন না। কিন্তু ওই মহিলা ক্রমাগত আল্লাহর কাছে দু'আ করে যাচ্ছিলো। সে অকাতরে, বিনীত ও বিনম্রভাবে আল্লাহর কাছে চাইতে থাকলো। কখনো দু'আ করা বাদ দিলোনা।

এরপর একদিন তিনি দ্বিতীয়বার মূসা আলাইহিসসালাম এর কাছে গিয়ে বললেন, "আপনার প্রভুকে বলুন, হে মূসা!"

মূসা আলাইহিসসালাম জানালেন- আল্লাহ একই জবাব দিয়েছেন, আপনি বন্ধ্যা।

এভাবে তিনি তিনবার মূসা আলাইহিসসালাম এর কাছে অনুরোধ জানিয়ে প্রত্যাখ্যান হলেন। প্রতিবারই একই উত্তর পেলেন- তিনি বন্ধ্যা, সন্তান জন্মদানে অক্ষম।

তিনি চতুর্থবার মূসা আলাইহিসসালাম এর সাথে দেখা করলেন। কিন্তু, এবার তার কোলে একটি ফুটফুটে শিশু ছিলো। তার হাত ধরে নারছিলো আরেকটি শিশু। তিনি বললেন, "দেখুন মূসা! আল্লাহ আমাকে দুটো সন্তান দান করেছেন।"

মূসা আলাইহিসসালাম বিব্রতবোধ করলেন। আল্লাহকে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, "হে আল্লাহ! আপনি তিনবার আমাকে জানালেন যে, সে বন্ধ্যা, তার সন্তান হবেনা। কিন্তু তারপর আপনি তাকে সন্তান দান করলেন!"

আল্লাহ জবাব দিলেন, "প্রত্যেকবার যখন আমি লিখে রাখি যে সে বন্ধ্যা, তখনই সে দু'আ করছিলো আর বলছিলো: 'হে দয়াময়! হে দয়াময়!"

আল্লাহ বলেন- হে মূসা, তখন আমার দয়া তার জন্য নির্ধারিত তাক্বদীরকে পরিবর্তন করে দিয়েছে।

শিক্ষা: ক্রমাগত দুয়া তাকদীরকে উত্তম কিছু দ্বারা পরিবির্তন করে দিতে পারে।

Address

Shantiegonz
Sunamganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when N R K posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category