Titanic House

Titanic House Home of Dream

ইনারা Titanic House এর কোন ফ্ল্যাটে থাকেন জাতি জানতে চায় 😍 😈 💃
16/08/2016

ইনারা Titanic House এর কোন ফ্ল্যাটে থাকেন জাতি জানতে চায় 😍 😈 💃

20/07/2016

৩ মাসে একটা মেসে ১২ হাজার টাকা বিল সম্ভব?!!! টাইটানিক হাউস এইসব গুটিবাজির তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।

17/12/2015

তুমি মিশ্রিত লগ্ন মাধুরীর জলে ভেজা কবিতায়
তুমি বাঙ্গালীর গর্ব, বাঙ্গালীর প্রেম প্রথম ও শেষ ছোঁয়ায়......
তুমি বঙ্গবন্ধুর রক্তে আগুনে জ্বলা জ্বালাময়ী সে ভাষন......
তুমি ধানের শীষে মিশে থাকা শহীদ জিয়ার স্বপন........
তুমি একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে বেজে উঠ সুমধুর.....
তুমি রাগে অনুরাগে মুক্তি সংগ্রামের সোনা ঝরা সেই রোদ্দুর......
তুমি প্রতিটি পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধার অভিমানের সংসার......
তুমি ক্রন্দন, তুমি হাসি, তুমি জাগ্রত শহীদ মিনার......
আমার সোনার বাংলা....................

23/06/2015

বাঁশ বাগানের মাথার উপর চাঁদ
উঠেছে ওই,
মাগো আমার শোলক-বলা কাজলা
দিদি কই?
পুকুর ধারে লেবুর তলে থোকায় থোকায়
জোনাক জ্বলে
ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না একলা জেগে
রই-
মাগো আমার কোলের কাছে কাজলা
দিদি কই?
সেদিন হতে কেন মা আর দিদিরে না
ডাকো;-
দিদির কথায় আঁচল দিয়ে মুখটি কেন
ঢাকো?
খাবার খেতে আসি যখন, দিদি বলে
ডাকি তখন,
ওঘর থেকে কেন মা আর দিদি আসে
নাকো?
আমি ডাকি তুমি কেন চুপটি করে
থাকো?
বল মা দিদি কোথায় গেছে, আসবে
আবার কবে?
কাল যে আমার নতুন ঘরে পুতুল-বিয়ে
হবে!
দিদির মত ফাঁকি দিয়ে, আমিও যদি
লুকাই গিয়ে
তুমি তখন একলা ঘরে কেমন করে রবে,
আমিও নাই-দিদিও নাই- কেমন মজা
হবে।
ভুঁই চাপাতে ভরে গেছে শিউলি
গাছের তল,
মাড়াস্ নে মা পুকুর থেকে আনবি যখন
জল।
ডালিম গাছের ফাঁকে ফাঁকে
বুলবুলিটি লুকিয়ে থাকে,
উড়িয়ে তুমি দিও না মা, ছিঁড়তে
গিয়ে ফল,-
দিদি এসে শুনবে যখন, বলবি কি মা বল!
বাঁশ বাগানের মাথার উপর চাঁদ
উঠেছে ওই-
এমন সময় মাগো আমার কাজলা দিদি
কই?
লেবুর ধারে পুকুর পাড়ে ঝিঁঝিঁ ডাকে
ঝোপে ঝাড়ে’
ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, তাইতে
জেগে রই
রাত্রি হলো মাগো আমার কাজলা
দিদি কই?

14/10/2014

দশমাস দশদিন
তোরে গর্ভেধারন
কষ্টের তীব্রতায়
আমায় করেছে লালন
হঠাৎ কোথায় না বলে
হাড়িয়ে গেল
জন্মান্তরের বাধন
কোথা হাড়ালো
সবাই বলে ঐ আকাশে
লুকিয়ে আছে
খুঁজে দেখ পাবে
দূর নক্ষত্র মাঝে
রাতের তারা
আমায় কি তুই
বলতে পারিস
কোথায় আছে
কেমন আছে মা
ভোরের তারা রাতের তারা
মাকে জানিয়ে দিস
অনেক কেদেছি
আর কাঁদতে পারিনা...।
মায়ের কোলে শুয়ে হাড়ানো সে সুখ
অন্য মুখে খুঁজে ফিরি সেই প্রিয় মুখ
অনেক ঋনের
জালে মাগো বেধেছিলে তাই
বিষাদের অভয়ারন্যে ভয় তবু পাই
সবাই বলে ঐ আকাশে লুকিয়ে আছে
খুঁজে দেখ পাবে দূর নক্ষত্র মাঝে
রাতের তারা আমায় কি তুই
বলতে পারিস
কোথায় আছে কেমন আছে মা
ভোরের তারা রাতের
তারা মাকে জানিয়ে দিস
অনেক কেদেছি আর
কাঁদতে পারিনা...।

03/10/2014

আমায় একটু ভাব অন্য ভাবনা ছেড়ে তুমি আমায় একটু ডাক অন্য ডাকাডাকি ছেড়ে

23/09/2014

অনেকের মতে টাইটানিক হাউসের উপর একটা অভিশাপ আছে। এখানে থাকাকালীন কারো কখনো প্রেম হয়না। আগে প্রেম থাকলে তা টাইটানিকে ওঠা মাত্রই ভেঙে যায়। কিন্তু সম্প্রতি কিছু লোকজনের কল্যানে সেই অভিশাপ ভেঙে গেছে। সেই কৃতি সন্তানদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।

23/09/2014

কতো সহজে বদলায় মন,
নতুন বন্ধু পেলে......
আসল নকল দেখো তুমি,
চক্ষু দুটো মেলে...
কি যে হারালে............

27/05/2014

চলার পথে ক্লান্ত হলে
ছায়া হব তোমার
দুঃখসুখের দীর্ঘশ্বাসে
ছোঁব হ্রদয় তোমার
আলোকিত আমি আধারে তোমার
পারবে কি আমাকে
ফেরাতে তুমি

25/12/2013

রেললাইনের ঐ বস্তিতে
জন্মেছিল একটি ছেলে
মা তাঁর কাঁদে
ছেলেটি মরে গেছে

রেললাইনের ঐ বস্তিতে
জন্মেছিল একটি ছেলে
মা তাঁর কাঁদে
ছেলেটি মরে গেছে
হায়রে হায় বাংলাদেশ
বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ
বাংলাদেশ
বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ(২)

কত আশা ছিল তাঁর জীবনে
সব স্মৃতি রেখে গেল মরণে(২)
মা তাঁর পাশে চেয়ে বসে আছে
হায়রে হায় বাংলাদেশ
বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ

কত মার অশ্রু আজ নয়নে
কে তা মুছাবে বা কেমনে(২)
যে চলে যায় সে কি ফিরে আসে
হায়রে হায় বাংলাদেশ
বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ
বাংলাদেশ
বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ

10/12/2013

বাংলা ব্যান্ড মিউজিকের কিংবদন্তী ও সেরা লীড গিটারিস্ট। চট্রগ্রামের ছেলে এবি'র যাত্রা শুরু মূলতঃ ততকালীন সময়ের জনপ্রিয় ধারার ব্যান্ড সোলস দিয়ে, যার উত্থান চট্রগ্রাম থেকে। বাংলাদেশের মিউজিক ইন্ড্রাস্টীতে যদি একক ভাবে কোন ব্যান্ডকে সন্মাননা দেওয়া হয় তবে সেটা নির্ধিদ্বায় সোলসের ঝুড়িতে গিয়ে পড়বে। লুলু, নেওয়াজ, রনি, তাজুল ও সাজেদ যুদ্ধপরবর্তী বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে গড়ে তোলেন ব্যান্ড দল সোলস। এরপর একে একে জয়েন করেন নকীব খান, পিলু খান, আইয়ুব বাচ্চু, কুমার বিশ্বজিৎ, তপন চৌধুরী, নাসিম আলী খান এবং পার্থ বড়ুয়া। নকীব খান ও পিলু খান সোলস ছেড়ে গড়ে তোলেন বিকল্পধারার ব্যান্ড দল রেঁনেসা। তপন চৌধুরী (ভোকাল), কুমার বিশ্বজিৎ(ভোকাল) সোলস ছেড়ে গড়ে তোলেন সলো ক্যারিয়ার। কুমার বিশ্বজিৎ আজও ঠায় দাড়িয়ে আছেন এই বাংলা মিউজিকে। তপন চৌধুরী ততকালীন সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় সলো আর্টিস্ট অনেক অভিমান নিয়ে পড়ে আছে বিদেশে। নাসিম আলী খান ও পার্থ বড়ুয়া আজও সোলসের হাল টেনে চলছে। সোলসের জনপ্রিয় গানের অভাব নেই। লিখতে গেলে পুরো একটা পোষ্ট লিখতে হবে এই সোলসকে নিয়ে। তবুও কিছু গানের কথা উল্লেখ করার লোভ সামলাতে পারছিনা। মন শুধু মন ছুয়েছে, তোরে পুতুলের মত করে সাজিয়ে, আইছ্যা পাগল মনরে, নদী এসে পথ, এই মুখরিত জীবনের, সুখ পাখি এলো উড়িয়া, সাগর বেলায়, একটি ঝিনুক মালা, ভালবাসি এই সবুজ মেলা, সাগরের ঐ প্রান্তরে, কুহেলী জানে কি, এই এমনও পরিচয়, কেউ নেই করিডোরে, আজ দিন কাটুক গানে, নীরবে, ব্যস্ততা, কেন এই নিঃস্বঙ্গতা, এরই মাঝে, আইয়্যোনা আইয়্যোনা, ঐ দূর নীলে, যেতে যেতে পরিচয় সহ এমন আরো অনেক অনেক অনেক গান। সদ্য সোলস ছেড়ে আসা এবি নতুন উদ্দ্যম নিয়ে গড়ে তোলে ব্যান্ড দল এল.আর.বি। প্রথম ব্যান্ড অ্যালবামেই জানিয়ে দেয় "ঝরে পড়ার জন্য আসেনি। এসেছি তারুণ্যের উন্মদনা নিয়ে।" ১৯৯২ সালে এল.আর.বি প্রকাশ করে তাদের ব্যান্ডের প্রথম ডাবল অ্যালবাম "হকার" ও "ঘুম ভাঙ্গা শহরে"। এল.আর.বি-ই বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম ব্যান্ড যাদের ফার্স্ট অ্যালবাম ছিল ডাবল। এবং এল.আর.বি- ই প্রথম বাংলা ব্যান্ড যারা এ পর্যন্ত দুটি ডাবল অ্যালবাম প্রকাশ করে। দ্বিতীয় ডাবল অ্যালবামটি প্রকাশ পায় ১৯৯৮ সালে "আমাদের" ও "বিষ্ময়" শিরোনামে। "হকার" অ্যালবামের আড্ডা, হ্যাপি, হকার, স্মৃতি নিয়ে, পেনশান, রিটায়ার্ড ফাদার ও "ঘুম ভাঙ্গা শহরে" অ্যালবামে ঢাকার সন্ধ্যা, ফেরারী মন, ঘুম ভাঙ্গা শহরে, মাধবী, শেষ চিঠি সহ সর্বাধিক শ্রোতানন্দিত গান "সেই তুমি কেন এত অচেনা হলে"। এক একটি গান শুধু গান নয়, শুধু বাদ্য যন্ত্রের যান্ত্রিকতা নয়, নয় চিৎকার করে চেঁচিয়া যাওয়া। একটি গান কথা, সুর ও সঙ্গীতায়োজনে ছিল অনন্য। প্রতিটি গানের কথায় আবেগ খেলা করে, প্রতিটি গানের সুর বুকের ভিতরে গিয়ে আঘাত করে, প্রতিটি ইন্সট্রুমেন্ট বিভোরতায় মুগ্ধকরে।। আর গায়কী ! ! ! সে আপনাদের বিবেচ্য।

এরপর একে একে নিয়ে আসে "সুখ(১৯৯৩)", "ঘুমন্ত শহরে(১৯৯৪)", "ফেরারী মন(১৯৯৬)", "স্ক্রু-ড্রাইভার(১৯৯৬) with Feelings","ক্যাপসুল-৫০০mg(১৯৯৬) with Feelings","স্বপ্ন(১৯৯৬)","আমাদের(Second Double-1998)","বিষ্ময়(Second Double-1998)","মন চাইলে মন পাবে(২০০১)","অচেনা জীবন(২০০৩)","মনে আছে নাকি নাই(২০০৫)","স্পর্শ(২০০৮)"। প্রতিটি অ্যালবাম এক একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে বাংলা ব্যান্ড মিউজিকে। ময়না(১৯৮৬), কষ্ট(১৯৯৫), একা(১৯৯৯), সময়(১৯৯৯), প্রেম তুমি কি?(২০০০), দুটি মন(২০০২), কাফেলা(২০০২),প্রেম প্রেমের মত(২০০৩) সহ বেশ কিছু সলো অ্যালবাম উপহার দিয়েছেন।
অন্যদিকে বাংলা ব্যান্ড মিক্সড অ্যালবামের সূচনা লগ্ন থেকে ২০০৪ পর্যন্ত ম্যাক্সিমাম ব্যান্ড মিক্সড অ্যালবামের ফার্স্ট ট্র্যাক ছিল এবি'র করা। এমন মিক্সড অ্যালবামের সংখ্যা কম যেখানে এবি পারফর্ম করেনি। মিক্সড অ্যালবামে করা জনপ্রিয় গানগুলোর কিছু তুলে দিলামঃ "এখন অনেক রাত(অ্যালবাম-টুগেদার), তখনো জানতে বাকী(ঝড়), সারারাত তুমি(স্টার্স ২), ভাঙ্গা মন(ভাঙ্গা মন), সুখের পৃথিবী(সুখের পৃথিবী), কোথাও নেই আমি তুমিহীনা(তুমিহীনা সারাবেলা), ঈশারায় ডেকোনা(রাজকুমারী), রাজকুমারী(রাজকুমারী), সেই তারাভরা রাতে(তারা ভরা রাতে), পালাতে চাই(শক্তি),কার কাছে যাবো(ওরা ১১ জন), শেষ দেখা(শেষ দেখা), কতদিন দেখেনি দুচোখ(এখনো দু'চোখে বন্যা), বেলা শেষে(দাগ থেকে যায়), তুমি সেই মেয়ে(মিলেনিয়াম), মেয়ে(মেয়ে), ও আমার প্রেম(ও আমার প্রেম), কি করে বল্লে তুমি(বিতৃষ্ণা জীবন আমার), অভিমান নিয়ে(স্রোত), কোন অভিযোগ(আলোড়ন), ১২ মাস(১২ মাস), জানার কথা নয়(তারকা মেলা), তোমাকে ডেকে ডেকে(একটি গোলাপ), লোকজন কমে গেছে(ধুন), নীলাঞ্জনা(শুধু তোমারই কারণে), চিরদুঃখী(চিরদুঃখী), ফেরারী আমি তোমারই জন্য ফেরারী(চিরদুঃখী), হাসতে দেখ গাইতে দেখ(ক্যাপসুল ৫০০মিলিগ্রাম), নীল বেদনায়(ক্যাপসুল ৫০০মিলিগ্রাম), আহা ! জীবন(ক্যাপসুল ৫০০মিলিগ্রাম), জয়ন্ত(স্ক্রু-ড্রাইভার), নীরবে(স্ক্রু-ড্রাইভার), আমার ভালবাসা(স্ক্রু-ড্রাইভার), কিশোর কিশোরী(হারজিৎ), চোখের জলের কোন রং হয় না(মেহেদী রাঙ্গা হাত), আজ থেকে আর কখনো বলবো না ভালবাসি(দহন শুধু তোমার জন্য), বাড়ালে হাত বন্ধু সবাই হয় না(চিঠির উত্তর দিও), একা উদাসী মনে(একা উদাসী মনে), মন কেন যেতে চায় উড়ে(প্রেম), কেউ ভালবেসে কাছে টানে(টি & টি), সবুজ ঘর(টি & টি), একটায় মনে(অপরিচিতা), কিছু আশা ছিল(অপরিচিতা), অতশী(নীরবতা), যে রাতে রাত ছাড়া(ফিরে আয়), নীরবতা(নীরবতা), উদাসী মনে(নেই তুমি), দক্ষিণা বাতাস(দুঃখিনী মা), একটি নারী অবুঝ(একটি নারী অবুঝ) সহ এরকম শ-খানেক চরম শ্রোতানন্দিত গানের কথা বলা যাবে। এখানে উল্লেখ করা এক একটি গান এক একটি মাইলস্টোন। প্রতিটি গানের কথা নিয়ে আলাদা ভাবে গল্প তৈরী করা যাবে। এই গানগুলো যেমন ছিল। ঠিক তেমনই আছে। এই গানগুলোর স্থায়িত্ব কমে যায়নি। আবেদন কমে যায়নি। কমে যায়নি ভাললাগা। আমি চোখ বন্ধ করে বলে দিতে পারি এই গানগুলো আপনাকে সতেজ ভাললাগা দেবে। কোন কৃত্রিমতার ছোয়া নেই এই গানগুলোতে।।। প্রতিটি গানের কথা আপনাকে ভাবাবে।। প্রতিটি সুরে আপনি যত্ন ও আবেগের ছোয়া পাবেন। প্রতিটি গান আপনাকে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখবে।। কিছু কিছু গান আপনার বুকের ভেতরে জমিয়ে রাখা অব্যাক্ত কথা গুলো বলে যাবে গানে গানে কানে কানে। কিছু গান হয়তো আপনাকে চোখের বর্ষায় ভাসাবে। হয়তো এই বর্ষার জন্য-ই আপনি অপেক্ষায় ছিলেন।।।

20/10/2013

Address

Subid Bazar
Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 06:30 - 23:30
Tuesday 06:30 - 23:30
Wednesday 06:30 - 23:30
Thursday 06:30 - 23:30
Friday 06:30 - 23:30
Saturday 06:30 - 23:30
Sunday 06:30 - 23:30

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Titanic House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share