সিলেট আবাসন ক্রয়-বিক্রয়.কম Sylhet Abason Croy-Bikroy.Com

  • Home
  • Bangladesh
  • Sylhet
  • সিলেট আবাসন ক্রয়-বিক্রয়.কম Sylhet Abason Croy-Bikroy.Com

সিলেট আবাসন ক্রয়-বিক্রয়.কম Sylhet Abason Croy-Bikroy.Com বিশ্বস্ততা এর সাথে নির্ভেজাল জমি, বিল্ডিং, ফ্লাট ও প্লট ক্রয়-বিক্রয় এর জন্য যোগাযোগ করুন।
±880 1715-504818
+880 1675-286614
+880 1969-637253

30/09/2025

উপশহর ই ব্লক ৫ কাটার প্লট ৮. ডেসিমেল ২৫ পয়েন্ট পাঁচ তলা ফাউন্ডেশন ডুপ্লেক্স দুই তলা কমপ্লিট তিনতলা এবং চার তলায় আংশিক কাজ বাকি আছে দাম ৪ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা মাত্র।

আপনি কি জমি,বাসা,বিল্ডিং, ফ্ল্যাট, প্লট ও কমার্শিয়াল স্পেইস বিক্রি করবেন?
আপনি কিনতে আগ্রহী?

তবে কল করুন!!!

বিশ্বস্ততা এর সাথে নির্ভেজাল জমি, বিল্ডিং, ফ্লাট ও প্লট ক্রয়-বিক্রয় এর জন্য যোগাযোগ করুন!
+880 1715-504818
+880 1675-286614
+880 1969-637253
+880 1726-786029
+880 1713-814862
+880 1716-969482
+880 1601-030139
+880 1719-802365

আপনি কি জমি,বাসা,বিল্ডিং, ফ্ল্যাট, প্লট ও কমার্শিয়াল স্পেইস বিক্রি করবেন?আপনি কিনতে আগ্রহী?তবে কল করুন!!!বিশ্বস্ততা এর স...
11/08/2025

আপনি কি জমি,বাসা,বিল্ডিং, ফ্ল্যাট, প্লট ও কমার্শিয়াল স্পেইস বিক্রি করবেন?
আপনি কিনতে আগ্রহী?

তবে কল করুন!!!

বিশ্বস্ততা এর সাথে নির্ভেজাল জমি, বিল্ডিং, ফ্লাট ও প্লট ক্রয়-বিক্রয় এর জন্য যোগাযোগ করুন!
+880 1715-504818
+880 1675-286614
+880 1969-637253
+880 1726-786029
+880 1713-814862
+880 1716-969482
+880 1601-030139
+880 1719-802365

11/08/2025

চৌকিদেকি জায়গার পরিমান ৫ শতক মেইনরোড এর পাশে ৩ তলা ফাউন্ডেশন ১ তলা কমপ্লিট দাম ১ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা

🔷  খরচ কমিয়ে বাড়ি করার কিছু পরামর্শ**************************************✔ বাড়ির সীমানা নিয়ে জটিলতা থাকলে সবার আগে তা মি...
08/08/2025

🔷 খরচ কমিয়ে বাড়ি করার কিছু পরামর্শ
**************************************

✔ বাড়ির সীমানা নিয়ে জটিলতা থাকলে সবার আগে তা মিটিয়ে ফেলুন। কাজ চলাকালীন প্রতিবেশি কিংবা আত্নীয়দের মধ্যে সীমানা নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে সেই কাজটুকুই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

✔ আপনি কি করতে চাইছেন তা পরিবারের সবার সাথে আলোচনা করে ঠিক করুন। ফেসবুক বা ইউটিউবে একটা বাড়ির ডিজাইন দেখেছেন, সেই বাড়িটি পছন্দ হয়েছে সেটাই করতে হবে এগুলো ভুলে যান, আরেকজনের বাড়ি দেখে নিজের বাড়ি হয়না। তিনি আপনার চাহিদা ও বাজেট অনুযায়ী ডিজাইন করে রাখেনি। আপনার বাড়ি হবে আপনার চাহিদা ও বাজেট অনুযায়ী।

✔ কয়টা রুম, টয়লেট, রান্নাঘর, ড্রইং ডাইনিং হবে কিনা, আরও কি কি বাড়িতে থাকতে পারে এগুলো নিজেরা বসে ঠিক করুন। কাজ চলাকালীন অনেকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন, একারণেই তখন অপরিকল্পিতভাবে বাড়ি হয় এবং এর জন্য কাজের খরচ বৃদ্ধি পায়।

✔ বাড়ির ডিজাইন করার আগেই আপনার সর্বোচ্চ বাজেট নির্ধারণ করুন। ঋণ করলেও কতটা সঠিক ঋণ করতে পারবেন সে ব্যাপারে ১০০% নিশ্চিত হয়েই তারপর নিজের চাহিদা ঠিক করুন। মিস্ত্রি, ঠিকাদার, ইঞ্জিনিয়ার কি বলছে কিংবা অন্য কারো সাথে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে দেনার সাগরে ডুবতে যাবেন না। শুরু করলে শেষ হয়ে যাবে, এসব চিন্তা থেকে সরে আসুন।

✔ সামর্থ্য যদি থাকে সেমিপাকা টিনশেড বাড়ি করার, তাহলে তাই করুন। আবেগ এবং বাস্তবতা ভিন্ন জিনিস।

✔ এবার আপনি কতটুকু জায়গা নিয়ে বাড়ি করবেন, কত তলা বাড়ি করবেন, কয়টা রুম ও আর কি কি থাকবে, আপনার বাজেট ইত্যাদি একজন আর্কিটেক্টকে বুঝিয়ে বলুন। আর্কিটেক্ট আপনার চাহিদা অনুযায়ী আপনার বাড়ির ফ্লোর প্লান এবং আউটলুক ডিজাইন করবেন।

✔ কোন রুম কোথায় বসবে, টয়লেট, কিচেন কোথায় বসবে এই সিদ্ধান্ত আর্কিটেক্ট নিবেন, আপনি নন। প্রাইভেসি, স্ট্রাকচারাল বিষয়, আলো বাতাসের চলাচল, খরচ কমানো ইত্যাদি অনেক বিষয় এসবের সাথে জড়িত থাকে।

✔ অতিরিক্ত ফাউন্ডেশন দিয়ে মাটির নিচে টাকা ফেলে রাখবেন না। আমরা এমনও দেখেছি, ৫ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে কাজ শুরু করলেও ১ তলা বাড়ির লিন্টেল পর্যন্ত কাজ করার পর টাকার অভাবে আর কোন কাজ করতে পারেননি। সন্তানদের জন্য চিন্তা করে অতিরিক্ত ফাউন্ডেশন দিয়ে বাড়ি করা থেকে বিরত থাকুন। সন্তানকে মানুষ করুন, সে তার ব্যবস্থা করে নিতে পারবে। একদিন আপনার স্থান এই বাড়িতে থাকবে নাকি বৃদ্ধাশ্রমে হবে তা আপনি জানেন না। আপনার সন্তান বড় হতে হতেই দেখবেন বাড়িটি পুরাতন হয়ে গেছে।

✔ আর্কিটেক্ট এর ফ্লোর প্লান অনুযায়ী একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার আপনার বাড়ির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন (ফাউন্ডেশন, কলাম, বীম, ছাদ, সিড়ি ইত্যাদি) করবেন। আপনার বাড়ির মোট ওজন কত হবে সে অনুযায়ী একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার / স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার ফাউন্ডেশন, কলাম সংখ্যা, বীমের সাইজ, রডের সংখ্যা ও রডের সাইজ নির্ধারণ করবেন। এই ব্যাপারগুলো ইঞ্জিনিয়ারের কাজ, আপনার নয়। এই ব্যাপারে আপনার নাক গলানো উচিৎ নয়। একজন অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার সঠিকভাবে ডিজাইন করলে অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো বাদ দিয়ে এখানেই বাড়তি খরচ কমাতে পারেন।

✔ এবার একজন ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ইলেক্ট্রিক্যাল ও প্লাম্বিং ডিজাইন করবেন। আপনার কয়টা রুমে এসি, গীজার ব্যবহার হতে পারে, ওয়াশিং মেশিন, রাইস কুকার, ফ্রিজ, ডিপ ফ্রিজ, ইন্ডাকশয়ান কুকার, ব্লেন্ডার মেশিন সহ আর কোন কোন ইলেকট্রিক্যাল মালামাল ব্যবহার হতে পারে সেগুলো বিস্তারিত ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারকে বলুন। তিনি আপনার এসব নিয়ে বাড়িটির ইলেকট্রিক্যাল লোড হিসাব করে কোথায় কোন ধরনের তার ও অন্যান্য সামগ্রী ব্যবহার হবে সে অনুযায়ী ডিজাইন করবেন। ইলেকট্রিক্যাল ও স্যানিটারি মিস্ত্রি এভাবে হিসাব করেনা। তাদের হিসাব অনেকটাই অনুমানের উপর হয় বলেই এই কাজগুলো অনিরাপদ এবং খরচ বেড়ে যায়।

✔ একটা সঠিক ডিজাইনই পারে খরচ কমাতে। ডিজাইন চার্জ বাঁচাতে মিস্ত্রি, নিজে, অনভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট দিয়ে ডিজাইন করা থেকে বিরত থাকুন। আমাদের দেশে ফেসবুকে যারা ডিজাইন করে দেয় তাদের ৮০% কোম্পানিই একজনই সব ধরনের ডিজাইন করে থাকে। অর্থাৎ যিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, তিনিই আর্কিটেক্ট, আবার তিনিই ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার সেজে কাজ করেন। এইসব কোম্পানি বা কেউ ২/৫/১০/১৫ হাজারেও ২/৫ তলা বাড়ির ডিজাইন করে দেয়। একজন মানুষ কি একসাথে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হতে পারে? একজন শিক্ষক কি ইংরেজি, অংক, বাংলা ইত্যাদি বিষয়ে অভিজ্ঞ হতে পারে? কোনমতে কাজ চালানোর মতো হতে পারে। কিন্তু যার যে পেশা সে সেই পেশাতেই অভিজ্ঞ।

✔ নেট তো ব্যবহার করেনই। তাহলে ভালো মালামাল কিভাবে চিনতে হয় সেগুলো নেটে ঘাটুন এবং অভিজ্ঞ কারো সাহায্য নিয়ে ইট বালু সিমেন্ট সহ অন্যান্য সবকিছু কিনুন।

✔ বাকিতে মালামাল কিনলে খরচ বাড়ে।

✔ রড সিমেন্ট সরাসরি কোম্পানির কাছ থেকে কিনলে অনেক খরচ কমানো যায়।

✔ মিস্ত্রির কাজ মাপতে শিখুন। সিএফটি, এসএফটি কিভাবে বের করতে হয় তা শিখুন। তাহলে মিস্ত্রি বা ঠিকাদার ঠকাতে পারবেনা।

✔ খোয়া কেনা থেকে বিরত থাকুন। ইট কিনে ভাঙ্গিয়ে নিন।

✔ রাজমিস্ত্রি, ইলেকট্রিক্যাল মিস্ত্রি, স্যানিটারি মিস্ত্রি, টাইলস মিস্ত্রির সাথে কাজের আগে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তি করে নিন। ডিজাইনের বাইরে কোন কাজ করা থেকে মিস্ত্রিকে বিরত রাখুন, তাহলেই খরচ কমে যাবে। কাজ বাড়িয়ে মজুরি নেয়াটা অনেক মিস্ত্রি ও ঠিকাদারের অভ্যাস। তাদের বিভিন্ন কথায় এসব প্রলোভনে পা দিবেন না।

✔ মালামাল কিনে এনে কোথায় রাখবেন সেই জায়গাটি আগে থেকে ঠিক করে রাখুন। কিভাবে তা রাখবেন তা ঠিক করুন, যেনো অপচয় নাহয় তা মাথায় রাখুন।

✔ বাজেট কম থাকলে অযথা বাড়তি বা ভুংভাং ডিজাইন করা থেকে বিরত থাকুন। ভবিষ্যতে টাকা হলে করবেন। আগে মাথা গোজার ব্যবস্থা করুন।

✔ টাইলস ছাড়াও বাড়ি হয়। থাই গ্লাস ছাড়াও বাড়ি হয়। বাজেট কম, এগুলো বাদ দিন।

✔ দেয়ালে প্লাস্টার রঙ না করেও বাড়ি হয়। ইটের গায়ে পয়েন্টিং করেও করা যায়। দেয়ালে চুন টেনেও রঙের কাজ হয়।

✔ বিকল্প মালামাল ব্যবহার করে খরচ কমানো যায়।

✔ বর্তমান বাজারে একটা বাড়ি করতে যদি ২০ লক্ষ টাকা খরচ হয়। দুনিয়াতে এমন কোন ইঞ্জিনিয়ার, মিস্ত্রি, ঠিকাদার নেই যে সেই বাড়িটি সেইসব মালামাল দিয়ে ১০ লক্ষ টাকায় করে দিবে। তাহলে তিনি নোবেল পুরষ্কার পেয়ে যেতেন!

✔ সস্তা ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট, অটোক্যাড ডিজাইনার দিয়ে খরচ কমেনা। কারন তিনি এইসব বিষয় জানেন না। তিনি জানেন আরেকটা ডিজাইন দেখে কিভাবে কপি করে বাড়ি করতে হয়।

✔ ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট দিয়ে নির্মাণ কাজ চলাকালীন তদারকি করান, কাজ চলাকালীন সময়ে তাদের পরামর্শ নিন। ২ টাকা বাঁচাতে অনেক ভুল থেকেও বাঁচা যায়। যার ফলে খরচ কমে।

✔ এগুলো ছাড়াও আরও কিছু টেকনিক্যাল ব্যাপার আছে যা ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্টদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, মেধা ও দক্ষতার উপর নির্ভর করে। সস্তা ডিজাইনারদের এসব কিছু থাকেনা। তারা কপি ডিজাইন করে।

ইঞ্জি. মোঃ মেহেদী হাসান
বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার ( সিভিল)
বিল্ডিং কনসালটেন্ট, ডিজাইনার ও সুপারভিশন
MIEB, RDA Enlisted
01971-989584 (Call / WhatsApp)
Mehedi Building Design & Construction

🛑 যাদের দলিল আছে, কিন্তু রেকর্ড নাই – তারা কি নতুন জরিপে নিজের নামে রেকর্ড নিতে পারবেন?হ্যাঁ, পারবেন!কিন্তু শুধু দলিল থা...
08/08/2025

🛑 যাদের দলিল আছে, কিন্তু রেকর্ড নাই – তারা কি নতুন জরিপে নিজের নামে রেকর্ড নিতে পারবেন?
হ্যাঁ, পারবেন!
কিন্তু শুধু দলিল থাকলেই হবে না। মালিকানা আইনি প্রমাণ দিয়ে জরিপ টিমকে বোঝাতে হবে।
--- ১. দলিল থাকা মানে কী?
দলিল (বিক্রয়/উপহার/দান দলিল) হলো আপনার জমি কেনা বা পাওয়া প্রমাণ।
👉 কিন্তু এই দলিল যদি খতিয়ানে (রেকর্ডে) আপডেট না হয়, তাহলে সরকারী নথিতে আপনি মালিক হিসেবে স্বীকৃত নন।
তাই রেকর্ড (খতিয়ান) সংশোধন বা নতুন নামে এন্ট্রি করানো জরুরি।
--- ২. নতুন জরিপে রেকর্ড কিভাবে হবে?
নতুন জরিপে (BDRS – Bangladesh Digital Survey) মাঠে জরিপকারী আসবে।
তখন যা করতে হবে:
- অরিজিনাল দলিল ও সার্টিফায়েড কপি দেখাতে হবে।
- খাজনার রসিদ, নামজারি কপি (যদি থাকে), দখলের প্রমাণ (যেমন চাষাবাদ, বসতবাড়ি, সীমানা) দেখাতে হবে।
- উত্তরাধিকার সূত্রে মালিক হলে – উত্তরাধিকার সনদ ও বণ্টননামা রাখতে হবে।
--- ৩. কি কি করতে হবে? (Step by Step)
ধাপ ১: দলিল যাচাই করান
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে সার্টিফায়েড কপি নিয়ে নিন। এতে প্রমাণ হবে দলিল আসল।
ধাপ ২: খাজনা (ভূমি কর) আপডেট করুন
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে খাজনা জমা দিন।
👉 খাজনার রসিদ জরিপে বড় প্রমাণ হিসেবে ধরা হয়।
ধাপ ৩: নামজারি (Mutation) আবেদন করুন।
যদি এখনো নামজারি না হয়ে থাকে,
AC Land অফিসে নামজারি আবেদন করুন।
দলিল, খাজনা রসিদ, মালিকানার ইতিহাস দিয়ে নামজারি করান।
ধাপ ৪: জরিপ টিমকে প্রমাণ দিন
জরিপকারী আসলে দলিল, খাজনা রসিদ, নামজারি আবেদন/অর্ডার দেখান।
প্রয়োজনে পাড়া-প্রতিবেশী সাক্ষী রাখুন।
--- ৪. যদি আপত্তি ওঠে?
কেউ যদি আপত্তি দেয় (যেমন: জমি তার বলে দাবি করে):
জরিপের আপত্তি মামলার (Objection Case) মাধ্যমে শুনানিতে অংশ নিন।
প্রমাণ দেখিয়ে নিজের পক্ষে মালিকানা দাবি প্রতিষ্ঠা করুন।
--- ৫. আদালতের আশ্রয়
যদি জরিপে নাম না আসে বা বিরোধ মেটাতে না পারেন—
👉 জেলা জজ আদালতে Title Declaration Suit করে মালিকানা ঘোষণা নিতে পারেন।
--- ৬. কেন এখনই করাবেন?
ডিজিটাল রেকর্ড (BDRS) হয়ে গেলে পরবর্তীতে পরিবর্তন করা কঠিন হবে।
সঠিক সময়ে দলিল, খাজনা, নামজারি আপডেট না করলে জমির মালিকানা নিয়ে সমস্যা তৈরি হতে পারে।
--- সহজ ভাষায়:
> দলিল আছে, কিন্তু রেকর্ড নাই?
জরিপে প্রমাণ (দলিল + খাজনা + নামজারি আবেদন + দখল) দিয়ে দেখাতে হবে।
তাহলেই নতুন জরিপে আপনার নামে রেকর্ড হবে।
#দলিল #নতুনজরিপ

আপনি কি জমি,বাসা,বিল্ডিং, ফ্ল্যাট, প্লট ও কমার্শিয়াল স্পেইস বিক্রি করবেন?আপনি কিনতে আগ্রহী?তবে কল করুন!!!বিশ্বস্ততা এর স...
05/08/2025

আপনি কি জমি,বাসা,বিল্ডিং, ফ্ল্যাট, প্লট ও কমার্শিয়াল স্পেইস বিক্রি করবেন?
আপনি কিনতে আগ্রহী?

তবে কল করুন!!!

বিশ্বস্ততা এর সাথে নির্ভেজাল জমি, বিল্ডিং, ফ্লাট ও প্লট ক্রয়-বিক্রয় এর জন্য যোগাযোগ করুন!
+880 1715-504818
+880 1675-286614
+880 1969-637253
+880 1726-786029
+880 1713-814862
+880 1716-969482
+880 1601-030139

জমি জমার পরিমাপ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যসবারই কম বেশি জায়গা জমি রয়েছে। তাই সবারই জানা থাকা উচিত জমি জমার পরিমাপ সম্পর্কে...
05/08/2025

জমি জমার পরিমাপ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য
সবারই কম বেশি জায়গা জমি রয়েছে। তাই সবারই জানা থাকা উচিত জমি জমার পরিমাপ সম্পর্কে। একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, সব জায়গায় একই পদ্ধতিতে জমির পরিমাপ করা হয় না। তাই এখানে একটি পরিমাপকে বিভিন্ন এককে তুলে ধরা হয়েছে। আসুন তাহলে দেখে নিই জমির পরিমাপ পদ্ধতিটি।

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
=========================
১ একর = ১০০ শতাংশ।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।
১ একর = ৬০.৫ কাঠা।
=========================
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।

=========================
১ শতাংশ =৪৩৫ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
১০ শতাংশ = ৬ কাঠা। = ৪৩৫৬ বর্গফুট ।
=========================
১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।
=========================

চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য নিচের হিসাবটা উপযোগী।
১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।
১ কানি = ৩৯ শতাংশ।
১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।
১ কানি = ২০ গন্ডা।
=========================
১ গন্ডা = ৮৭১ বর্গফুট।
১ গন্ডা = ২ শতাংশ।
১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।
২০ গন্ডা = ১ কানি ।
=========================

কানিঃ
কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি

কাচ্চা কানি
: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।
সাই কানিঃ
এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।

কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা

২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট

বিঘা-কাঠার হিসাব

১ বিঘা = (৮০ হাত×৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ ছটাক = ২০ গন্ডা

উপরোক্ত পরিমাপ পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি খুব সহজেই হিসাব করতে পারবেন আপনার ফ্ল্যাটটির পরিমাপ। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হলো।

* ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ স্কয়ার বর্গফুট।
* ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ স্কয়ার বর্গফুট।
* ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ স্কয়ার বর্গফুট।
এই হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি ঠিক করুন আপনি আপনার জায়গায় কোন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, রাজউক ইমারত নির্মাণ আইনে মোট জমির এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রাখতে হয় রাস্তা, ড্রেন ও আলো বাতাসের জন্য।

আর যারা রেডি ফ্ল্যাট কিনবেন তারা এই হিসাবটি জেনে রাখুন। কেননা ফ্ল্যাট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ছাড়াও সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামনে, পিছনে, সাইডের খালি জায়গাও ফ্লাটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে। যেমন –
* আপনি যদি ৯০০ স্কয়ার বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনেন তাহলে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৬০০ থেকে ৬৫০ স্কয়ার বর্গফুট।
* আর যদি ১২০০ স্কয়ার বর্গফুট হয় সেক্ষেত্রে ৭৮০ থেকে ৮৫০ বর্গফুট হবে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন।
* ১৬০০ স্কয়ার বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সব কিছু বাদ দিয়ে মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ১২০০ থেকে ১২৫০ স্কয়ার বর্গফুট।

জমি ক্রয় এবং রেজিষ্ট্রেশনের সময় যে বিষয় লক্ষ্য  করা আবশ্যকঃ* জরিপের মাধ্যমে প্রণীত রেকর্ড অর্থাত্‍ খতিয়ান ও নকশা যাচাই ক...
05/08/2025

জমি ক্রয় এবং রেজিষ্ট্রেশনের সময় যে বিষয় লক্ষ্য করা আবশ্যকঃ
* জরিপের মাধ্যমে প্রণীত রেকর্ড অর্থাত্‍ খতিয়ান ও নকশা যাচাই করে নিতে হবে।
* জমির তফসিল অর্থাত্‍ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ও উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ যাচাই করে নিতে হবে।
* জমি ক্রয় করার পূর্বে উক্ত জমির সি.এস রেকর্ড, এস.এ রেকর্ড; আর.এস রেকর্ড এবং মাঠ পর্চাগুলি ভালোভাবে দেখে নিতে হবে।
* বিক্রেতা যদি জমিটির মালিক ক্রয় সূত্রে হয়ে থাকেন তাহলে তার ক্রয়ের দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা সঠিক আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে।
* জমির বিক্রেতা উত্তরাধিকারসূত্রে জমিটি পেয়ে থাকলে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ানে তার নাম আছে কিনা তা ভালোভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। যদি সর্বশেষ খতিয়ানে বিক্রেতার নাম না থাকে তাহলে তিনি যার কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে জমিটি পেয়েছেন তা মূল মালিকের সংঙ্গে বিক্রেতার নামের যোগসূত্র কিংবা রক্তের সম্পর্ক আছে কিনা বিষয়টি ভালোভাবে দেখতে হবে।
* জরিপ চলমান এলাকায় বিক্রেতার নিকট রক্ষিত মাঠ পর্চা সঠিক আছে কিনা তা যাচাই করে দেখতে হবে। উল্লেখ্য যে, যদি মাঠ পর্চার মন্তব্য কলামে কিছু লিখা থাকে যেমনঃ তাহলে বুঝতে হবে উক্ত খতিয়ানের বিরুদ্ধে তসদিক বা সত্যায়ন বা শুদ্ধতা বা Attestation পর্যায়ে আপত্তি রয়েছে, সেক্ষেত্রে জমি ক্রয়ের আগে জরিপ অফিসে/ক্যাম্পে গিয়ে জমিটির সর্বশেষ অবস্থা জেনে নিতে হবে। তবে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রেতার শরিকদের সঙ্গে জমি বিক্রেতার সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টন নামা বা ফারায়েজ দেখে নিতে হবে।
* জমি বিক্রেতার নিকট থেকে সংগৃহীত দলিল, বায়না দলিল, খতিয়ান, মাঠ পর্চা ইত্যাদি কাগজ পত্র সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে তলবকারী বা স্বত্বলিপি রেজিস্ট্রারের কাছে গিয়ে কাগজপত্রের সঠিকতা যাচাই করে নিতে হবে।
* সর্বশেষ নামজারী মাঠ পর্চা, ডিসিআর, খাজনার দাখিলা বা রশিদ যাচাই করে দেখতে হবে। জমির খাজনা বকেয়া থাকলে এবং বকেয়া খাজনা সহ জমি ক্রয় করলে বকেয়া খাজনা পরিশোধের দায়-দায়িত্ব ক্রেতাকেই নিতে হবে।
* ক্রেতা যে জমিটি ক্রয় করতে যাচ্ছে সেই জমিটি সার্টিফিকেট মকদ্দমা ভুক্ত কিনা, কিংবা জমিটি নিলাম হয়েছে কিনা তা তহসীল অফিস/উপজেলা ভূমি অফিস হতে জেনে নিতে হবে। তবে অবশ্যই ক্রেতাকে মনে রাখতে হবে যে, ১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা/দাবী আদায় আইনের ৭ ধারায় বলা আছে সার্টিফিকেট মামলাভুক্ত সম্পত্তি বিক্রয় যোগ্য নয়।
* বিবেচ্য জমিটি খাস, পরিত্যক্ত/অর্পিত, অধিগ্রহণকৃত বা অধিগ্রহণের জন্য নোটিশকৃত কিনা তা তহসিল অফিস বা উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসক (ডি.সি অফিস) এর কার্যালয়ের L.A (এল.এ) শাখা থেকে জেনে নিতে হবে।
* ক্রেতা যে জমিটি কিনতে যাচ্ছে সেই জমিটি নিয়ে কোনো আদালতে মামলা রুজু আছে কিনা তা অবশ্যই খতিয়ে দেখতে হবে। তবে মামলাভুক্ত কোনো জমি ক্রয় করা উচিত নয়।
* বিক্রেতা তার জমির নকশা দেখিয়ে ক্রেতার নিকট জমি বিক্রয় করতে চাইতে পারে (যেমনঃ বিভিন্ন প্রকল্পের জমি নকশা/ছবির বিজ্ঞাপন দিয়ে বিক্রি হয়) সেক্ষেত্রে ক্রেতাকে উক্ত নকশার সাথে সঠিকভাবে মিল আছে কিনা বিক্রেতার দখল ও মালিকানা আছে কিনা তা সরেজমিনে গিয়ে দতন্ত করে আসতে হবে।
* যে জমিটি বিক্রি হতে যাচ্ছে সেই জমিটি ঋণের দায়ে ব্যাংকে দায়বদ্ধ কিনা সেই বিষয়টি খোঁজ নিতে হবে।
* প্রস্তাবিত জমিতে যাতায়াতের রাস্তা আছে কিনা সেই বিষয়টিও সরেজমিনে তদন্ত করে জেনে নিয়ে জমি ক্রয় করতে হবে।

আপনি কি জমি,বাসা,বিল্ডিং, ফ্ল্যাট, প্লট ও কমার্শিয়াল স্পেইস বিক্রি করবেন?আপনি কিনতে আগ্রহী?তবে কল করুন!!!বিশ্বস্ততা এর স...
02/08/2025

আপনি কি জমি,বাসা,বিল্ডিং, ফ্ল্যাট, প্লট ও কমার্শিয়াল স্পেইস বিক্রি করবেন?
আপনি কিনতে আগ্রহী?
তবে কল করুন!!!
বিশ্বস্ততা এর সাথে নির্ভেজাল জমি, বিল্ডিং, ফ্লাট ও প্লট ক্রয়-বিক্রয় এর জন্য যোগাযোগ করুন!
+880 1715-504818
+880 1675-286614
+880 1969-637253
+880 1726-786029
+880 1713-814862
+880 1716-969482
+880 1601-030139

আপনি কি জমি,বিল্ডিং, ফ্ল্যাট, প্লট ও কমার্শিয়াল স্পেইস বিক্রি করবেন?আপনি কিনতে আগ্রহী?তবে কল করুন!!!বিশ্বস্ততা এর সাথে ন...
01/08/2025

আপনি কি জমি,বিল্ডিং, ফ্ল্যাট, প্লট ও কমার্শিয়াল স্পেইস বিক্রি করবেন?
আপনি কিনতে আগ্রহী?
তবে কল করুন!!!
বিশ্বস্ততা এর সাথে নির্ভেজাল জমি, বিল্ডিং, ফ্লাট ও প্লট ক্রয়-বিক্রয় এর জন্য যোগাযোগ করুন!
+880 1715-504818
+880 1675-286614
+880 1969-637253
+880 1726-786029
+880 1713-814862
+880 1716-969482
+880 1601-030139

বিশ্বস্ততা এর সাথে নির্ভেজাল জমি, বিল্ডিং, ফ্লাট ও প্লট ক্রয়-বিক্রয় এর জন্য যোগাযোগ করুন! +880 1715-504818+880 1675-2866...
01/08/2025

বিশ্বস্ততা এর সাথে নির্ভেজাল জমি, বিল্ডিং, ফ্লাট ও প্লট ক্রয়-বিক্রয় এর জন্য যোগাযোগ করুন!
+880 1715-504818
+880 1675-286614
+880 1969-637253
+880 1726-786029
+880 1713-814862
+880 1716-969482
+880 1601-030139

Address

Sylhet

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সিলেট আবাসন ক্রয়-বিক্রয়.কম Sylhet Abason Croy-Bikroy.Com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category