15/05/2026
ট্রান্সফরমারের ওপর গুরুত্বপূর্ণ ২০০টি প্রশ্নোত্তরকে বিষয়ভিত্তিক ক্যাটাগরিতে সাজিয়ে দেওয়া হলো। এটি আপনার জবের ভাইবা বা লিখিত পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতিতে সাহায্য করবে।
১. মৌলিক ধারণা (Basics: ১-৩০)
১. ট্রান্সফরমার কী? — একটি স্থির ইলেকট্রিক্যাল ডিভাইস যা পাওয়ার ও ফ্রিকোয়েন্সি ঠিক রেখে ভোল্টেজ কম-বেশি করে।
২. এটি কোন ল-তে চলে? — ফ্যারাডের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন।
৩. মিউচুয়াল ইন্ডাকশন কী? — এক কয়েলের ফ্লাক্স দিয়ে অন্য কয়েলে ভোল্টেজ উৎপন্ন হওয়া।
৪. ডিসিতে চলে না কেন? — ডিসিতে ফ্লাক্সের পরিবর্তন হয় না, তাই ইন্ডাকশন ঘটে না।
৫. ডিসি দিলে কী হবে? — কয়েল পুড়ে যাবে।
৬. আইডিয়াল ট্রান্সফরমার কী? — যার কোনো লস নেই।
৭. আইডিয়াল ট্রান্সফরমারের দক্ষতা কত? — ১০০%।
৮. ট্রান্সফরমারের রেটিং কিসে হয়? — KVA তে।
৯. কেন KVA তে হয়? — কারণ এর লস ভোল্টেজ ও কারেন্টের ওপর নির্ভর করে, পাওয়ার ফ্যাক্টরের ওপর নয়।
১০. স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার কী? — যা ভোল্টেজ বাড়ায়।
১১. স্টেপ-ডাউন কী? — যা ভোল্টেজ কমায়।
১২. প্রাইমারি ওয়াইন্ডিং কী? — যেখানে ইনপুট দেওয়া হয়।
১৩. সেকেন্ডারি ওয়াইন্ডিং কী? — যেখান থেকে আউটপুট নেওয়া হয়।
১৪. ট্রান্সফরমেশন রেশিও কী? —(K = Vs / Vp)।
১৫. ফ্রিকোয়েন্সি কি পরিবর্তন হয়? — না।
১৬. কোর কী দিয়ে তৈরি? — সিলিকন স্টিল।
১৭. ল্যামিনেশন কেন করা হয়? — এডি কারেন্ট লস কমাতে।
১৮. উইন্ডো কী? — কোরের মাঝখানের ফাঁকা জায়গা।
১৯. লিম্ব (Limb) কী? — কোরের যে অংশে কয়েল থাকে।২০. ইয়োক (Yoke) কী? — কোরের ওপর ও নিচের অংশ যা লিম্বকে যুক্ত করে।
২১. ইনসুলেশন কেন দেওয়া হয়? — শর্ট সার্কিট রোধে।
২২. ট্রান্সফরমার অয়েল কী? — খনিজ তেল (Mineral oil)।
২৩. অয়েলের কাজ কী? — কুলিং ও ইনসুলেশন।
২৪. বুশিং কেন ব্যবহৃত হয়? — লাইন টার্মিনাল বের করার জন্য।
২৫. কনজারভেটর ট্যাংক কী? — অয়েলের প্রসারণের জায়গা দেয়।
২৬. ব্রেদার (Breather) কী? — বাতাস ঢোকার ও বের হওয়ার পথ।
২৭. সিলিকা জেল কেন থাকে? — বাতাস থেকে আর্দ্রতা শোষণের জন্য।
২৮. ভালো সিলিকা জেলের রং কী? — নীল।
২৯. আর্দ্রতা শোষণ করলে সিলিকা জেলের রং কেমন হয়? — গোলাপি।
৩০. ট্যাপ চেঞ্জার কী? — আউটপুট ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করার নব।
২. লস ও দক্ষতা (Loss & Efficiency: ৩১-৬০)
৩১. আয়রন লস কোথায় হয়? — কোরে।
৩২. কপার লস কোথায় হয়? — ওয়াইন্ডিংয়ে।
৩৩. হিস্টেরেসিস লস কী? — কোরের চুম্বককরণের কারণে লস।
৩৪. এডি কারেন্ট লস কী? — কোরে উৎপন্ন আবর্ত কারেন্টের কারণে লস।
৩৫. কপার লস কিসের ওপর নির্ভর করে? — লোড কারেন্টের ওপর (I^2R)।
৩৬. আয়রন লস কি স্থির? — হ্যাঁ।
৩৭. কখন দক্ষতা সর্বোচ্চ হয়? — যখন আয়রন লস = কপার লস।
৩৮. স্ট্রেই লস (Stray loss) কী? — লিকেজ ফ্লাক্সের কারণে লস।
৩৯. অল ডে ইফিসিয়েন্সি (All day efficiency) কী? — ২৪ ঘণ্টার মোট আউটপুট ও ইনপুট এনার্জির অনুপাত।৪০. হামিং সাউন্ড কেন হয়? — ম্যাগনেটোস্ট্রিকশন (Magnetostriction) এর কারণে।
৪১. ভোল্টেজ রেগুলেশন কী? — লোড ও নো-লোড ভোল্টেজের পার্থক্য।
৪২. জিরো রেগুলেশন কখন সম্ভব? — লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টরে।
৪৩. পজিটিভ রেগুলেশন কখন হয়? — ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টরে।
৪৪. নেগেটিভ রেগুলেশন কখন হয়? — লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টরে।৪৫. ট্রান্সফরমারের দক্ষতা সাধারণত কত? — ৯৫% থেকে ৯৯%।
৪৬. হামিং নয়েজ কি ক্ষতিকর? — হ্যাঁ, এটি ভাইব্রেশন তৈরি করে।
৪৭. ডাই-ইলেকট্রিক স্ট্রেংথ কী? — ইনসুলেটিং অয়েলের ভোল্টেজ সহ্য করার ক্ষমতা।
৪৮. অয়েলের বিডিভি (BDV) টেস্ট কী? — ব্রেকডাউন ভোল্টেজ টেস্ট।
৪৯. লোড বাড়লে কপার লস কত বাড়ে? — কারেন্টের বর্গের সমানুপাতে।
৫০. নো-লোড কারেন্ট কত থাকে? — ফুল লোড কারেন্টের ২-৫%।
৫১. নো-লোড পাওয়ার ফ্যাক্টর কেমন? — অনেক কম (০.২)।
৫২. হিস্টেরেসিস লস কমানোর উপায়? — সিলিকন স্টিল ব্যবহার।৫৩. এডি কারেন্ট লস কমানোর উপায়? — ল্যামিনেশন করা।
৫৪. ট্রান্সফরমার অয়েলের ফ্ল্যাশ পয়েন্ট কত? — প্রায় ১৬০° সে.।
৫৫. তেলের ঘনত্ব কেমন হওয়া উচিত? — কম।
৫৬. এসিডিং টেস্ট কেন করা হয়? — তেলের এসিডিটি মাপতে।
৫৭. শর্ট সার্কিট টেস্টে কোন লস পাওয়া যায়? — ফুল লোড কপার লস।
৫৮. ওপেন সার্কিট টেস্টে কোন লস পাওয়া যায়? — আয়রন লস।
৫৯. স্লাজ (Sludge) কী? — তেলের ময়লা বা তলানি।
৬০. স্লাজ কেন তৈরি হয়? — তেলের অক্সিডেশনের কারণে।
৩. প্রকারভেদ ও যন্ত্রাংশ (Types & Parts: ৬১-১০০)
৬১. পাওয়ার ট্রান্সফরমার কোথায় থাকে? — জেনারেটিং ও সাব-স্টেশনে।
৬২. ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমার কোথায় থাকে? — লোকাল এরিয়ায়।
৬৩. অটো ট্রান্সফরমার কী? — যাতে একটি মাত্র ওয়াইন্ডিং থাকে।
৬৪. ইনস্ট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার কয়টি? — দুইটি (CT এবং PT)।
৬৫. CT (Current Transformer) কী? — কারেন্ট মাপার জন্য।
৬৬. PT (Potential Transformer) কী? — ভোল্টেজ মাপার জন্য।
৬৭. CT-র সেকেন্ডারি কখনো ওপেন রাখতে হয় না কেন? — উচ্চ ভোল্টেজ তৈরি হয়ে ইনসুলেশন পুড়ে যেতে পারে।৬৮. থ্রি-ফেজ ট্রান্সফরমার কী? — যা থ্রি-ফেজ সিস্টেমে কাজ করে।
৬৯. স্টার কানেকশন কেন ব্যবহার হয়? — নিউট্রাল পাওয়ার জন্য।
৭০. ডেল্টা কানেকশন কোথায় লাগে? — যেখানে নিউট্রাল লাগে না।
৭১. ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমার সাধারণত কোন কানেকশনে থাকে? — ডেল্টা-স্টার।
৭২. বুখলজ রিলে কী? — ইন্টারনাল ফল্ট ডিটেক্টর।৭৩. এটি কোথায় বসানো থাকে? — মেইন ট্যাংক ও কনজারভেটরের মাঝে।
৭৪. এটি কি ডিসিতে কাজ করে? — না।
৭৫. অয়েল ন্যাচারাল এয়ার ন্যাচারাল (ONAN) কী? — প্রাকৃতিকভাবে তেল ও বাতাস দিয়ে ঠাণ্ডা করা।
৭৬. এয়ার ব্লাস্ট কুলিং কী? — ফ্যান দিয়ে বাতাস দেওয়া।
৭৭. আইসোলেশন ট্রান্সফরমার কেন ব্যবহার হয়? — দুটি সার্কিট আলাদা করতে (রেশিও ১:১)।
৭৮. অডিও ট্রান্সফরমার কোথায় থাকে? — এম্প্লিফায়ারে।৭৯. পালস ট্রান্সফরমার কী? — ডিজিটাল সার্কিটে ব্যবহৃত।
৮০. স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমারে টার্ন সংখ্যা কোথায় বেশি? — সেকেন্ডারিতে।
৮১. স্টেপ-ডাউনে কারেন্ট কোথায় বেশি? — সেকেন্ডারিতে।৮২. থার্মোমিটার পকেট কী? — তেল বা কোরের তাপমাত্রা মাপার ছিদ্র।
৮৩. এক্সপ্লোশন ভেন্ট (Explosion Vent) কী? — অতিরিক্ত চাপে তেল বের হওয়ার রাস্তা।
৮৪. বুখলজ রিলে কোন গ্যাসে চলে? — হাইড্রোজেন, কার্বন মনোক্সাইড ইত্যাদি।
৮৫. টেরশিয়ারি ওয়াইন্ডিং (Tertiary winding) কী? — ৩য় অতিরিক্ত ওয়াইন্ডিং।
৮৬. এয়ার কোর ট্রান্সফরমার কী? — যার কোর নেই (বাতাসই মাধ্যম)।
৮৭. এটি কোথায় ব্যবহার হয়? — রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি (RF) সার্কিটে।
৮৮. ফেরাইট কোর কী? — আয়রন অক্সাইড দিয়ে তৈরি কোর।
৮৯. শেল টাইপ ট্রান্সফরমার কী? — যেখানে কোরের বাইরে কয়েল থাকে।
৯০. কোর টাইপ ট্রান্সফরমার কী? — যেখানে কয়েলের ভেতরে কোর থাকে।
৯১. বেরি টাইপ ট্রান্সফরমার কী? — যার অনেকগুলো ম্যাগনেটিক পাথ থাকে।
৯২. হাই ভোল্টেজ ওয়াইন্ডিং সাধারণত কোথায় থাকে? — লো ভোল্টেজ ওয়াইন্ডিংয়ের ওপরে।
৯৩. স্যান্ডউইচ ওয়াইন্ডিং কোথায় হয়? — শেল টাইপ ট্রান্সফরমারে।
৯৪. কনসেন্ট্রিক ওয়াইন্ডিং কোথায় হয়? — কোর টাইপ ট্রান্সফরমারে।
৯৫. লিকেজ রিঅ্যাক্ট্যান্স (Leakage reactance) কী? — ফ্লাক্সের লিকেজের কারণে সৃষ্ট বাধা।
৯৬. লিকেজ ফ্লাক্স কমানোর উপায় কী? — কয়েলগুলো একে অপরের খুব কাছে রাখা।
৯৭. বুখলজ রিলের কয়টি ফ্লোট (Float) থাকে? — ২টি।
৯৮. অ্যালার্ম সার্কিট কখন বাজে? — ছোট কোনো ত্রুটি হলে।
৯৯. ট্রিপ সার্কিট কখন কাজ করে? — বড় কোনো শর্ট সার্কিট হলে।
১০০. জিরো ফেস সিকোয়েন্স ট্রান্সফরমার কী? — যা গ্রাউন্ড ফল্ট প্রোটেকশনে ব্যবহৃত হয়।
৪. প্যারালাল অপারেশন ও শর্তাবলী (১০১-১৩০)
১০১. প্যারালাল অপারেশন কেন করা হয়? — লোড শেয়ারিং এবং নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য।
১০২. প্যারালাল অপারেশনের প্রধান শর্ত কী? — ভোল্টেজ রেশিও সমান হতে হবে।
১০৩. পোলারিটি কেন একই হতে হবে? — ভিন্ন হলে ডেড শর্ট সার্কিট হবে।
১০৪. পার-ইউনিট ইম্পিডেন্স সমান না হলে কী হবে? — ট্রান্সফরমারগুলো তাদের ক্ষমতা অনুযায়ী লোড ভাগ করতে পারবে না।
১০৫. ফেজ ডিসপ্লেসমেন্ট কত হওয়া উচিত? — ০ ডিগ্রি (একই ফেজে থাকতে হবে)।
১০৬. ফেজ সিকোয়েন্স কী? — R-Y-B ক্রম যা প্যারালাল কানেকশনে এক হতে হয়।
১০৭. যদি একটি বড় ও একটি ছোট ট্রান্সফরমার প্যারালালে চলে? — ছোটটি ওভারলোড হয়ে যেতে পারে।১০৮. ভেক্টর গ্রুপ কী? — প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি ভোল্টেজের মধ্যবর্তী দশা পার্থক্য নির্দেশক।
১০৯. পোলারিটি টেস্ট কেন করা হয়? — ওয়াইন্ডিংয়ের শুরুর ও শেষের দিক নির্ধারণ করতে।
১১০. এডিটিভ পোলারিটি কী? — যখন (V = V1 + V2) হয়।
১১১. সাবট্রাক্টিভ পোলারিটি কী? — যখন (V = V1 - V2) হয়।
১১২. ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমারে সাধারণত কোন পোলারিটি থাকে? — সাবট্রাক্টিভ।
১১৩. সার্কুলেটিং কারেন্ট কী? — প্যারালাল অপারেশনে ভোল্টেজ রেশিও সমান না হলে যে কারেন্ট প্রবাহিত হয়।১১৪. সার্কুলেটিং কারেন্টের অসুবিধা কী? — এটি অকারণে কপার লস বাড়ায়।
১১৫. প্যারালালে থাকাকালীন একটি ট্রান্সফরমার বন্ধ করলে কী হয়? — অন্যটির ওপর সব লোড চলে আসে।১১৬. বাসবার ভোল্টেজ ও ট্রান্সফরমার ভোল্টেজ কি এক হতে হয়? — হ্যাঁ।
১১৭. পার-ইউনিট ইম্পিডেন্স কেন গুরুত্বপূর্ণ? — এটি লোড শেয়ারিং নিয়ন্ত্রণ করে।
১১৮. ডেল্টা-স্টার ও স্টার-ডেল্টা কি প্যারালাল করা যায়? — হ্যাঁ, যদি ভেক্টর গ্রুপ সঠিক থাকে।
১১৯. স্টার-স্টার ও ডেল্টা-ডেল্টা কি প্যারালাল সম্ভব? — হ্যাঁ।
১২০. জেনারেটর ট্রান্সফরমার কী? — যা জেনারেটরের ভোল্টেজকে গ্রিডে দেওয়ার জন্য বাড়ায়।
৫. থ্রি-ফেজ কানেকশন ও ভেক্টর গ্রুপ (১২১-১৫০)
১২১. থ্রি-ফেজ ট্রান্সফরমারে কয়টি লিগ থাকে? — সাধারণত ৩টি।
১২২. স্টার কানেকশনে লাইন ভোল্টেজ ও ফেজ ভোল্টেজের সম্পর্ক কী? — (VL =sqrt{3} Vph)।
১২৩. ডেল্টা কানেকশনে কারেন্টের সম্পর্ক কী? — (IL = sqrt{3}Iph)।
১২৪. স্টার কানেকশনে নিউট্রাল কেন দরকার? — আনব্যালেন্স লোড হ্যান্ডেল করার জন্য।
১২৫. ডেল্টা-স্টার কানেকশন কোথায় বেশি ব্যবহৃত হয়? — ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে।
১২৬. স্টার-ডেল্টা কোথায় ব্যবহৃত হয়? — সাব-স্টেশনে ভোল্টেজ কমাতে।
১২৭. ওপেন ডেল্টা বা V-V কানেকশন কী? — ৩টি ট্রান্সফরমারের বদলে ২টি দিয়ে ৩-ফেজ কাজ চালানো।১২৮. ওপেন ডেল্টায় ক্ষমতা কত কমে? — মোট ক্ষমতার ৫৮% হয়ে যায়।
১২৯. স্কট কানেকশন (Scott Connection) কেন ব্যবহৃত হয়? — ৩-ফেজ থেকে ২-ফেজ করার জন্য।
১৩০. টি-টি (T-T) কানেকশন কী? — স্কট কানেকশনের অন্য নাম।
১৩১. জিগ-জ্যাগ কানেকশন কেন ব্যবহার হয়? — নিউট্রাল পয়েন্ট তৈরি ও হারমোনিক্স কমাতে।
১৩২. হারমোনিক্স কী? — ভোল্টেজ বা কারেন্টের অনাকাঙ্ক্ষিত তরঙ্গ।
১৩৩. ৩য় হারমোনিক্স কেন ক্ষতিকর? — এটি নিউট্রাল দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত করে ও তাপমাত্রা বাড়ায়।
১৩৪. টারশিয়ারি ওয়াইন্ডিংয়ের কাজ কী? — ৩য় হারমোনিক্স দমন করা।
১৩৫. ডেল্টা কানেকশনে ৩য় হারমোনিক্সের কী হয়? — এটি ডেল্টা লুপের ভেতরেই ঘুরতে থাকে।
১৩৬. Dy11 ভেক্টর গ্রুপ মানে কী? — ডেল্টা-স্টার কানেকশন এবং ৩০ ডিগ্রি লিডিং।
১৩৭. Yd1 মানে কী? — স্টার-ডেল্টা এবং ৩০ ডিগ্রি ল্যাগিং।
১৩৮. ফ্লোটিং নিউট্রাল কী? — যখন স্টার পয়েন্ট গ্রাউন্ড করা থাকে না।
১৩৯. ট্রান্সফরমার ব্যাংকিং কী? — ৩টি সিঙ্গেল ফেজ ট্রান্সফরমার দিয়ে একটি ৩-ফেজ সিস্টেম বানানো।
১৪০. সিটি (CT) এর পোলারিটি চিহ্ন কী? — P1, P2 (প্রাইমারি) এবং S1, S2 (সেকেন্ডারি)।
৬. রক্ষণাবেক্ষণ ও সুরক্ষা (১৫১-১৮০)
১৪১. মেগার (Megger) কেন ব্যবহার করা হয়? — ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স মাপার জন্য।
১৪২. ট্রান্সফরমারের বডি কেন আর্থিং করা হয়? — শক থেকে বাঁচতে।
১৪৩. নিউট্রাল আর্থিং কেন করা হয়? — সিস্টেমের ভারসাম্য বজায় রাখতে।
১৪৪. ডিফারেনশিয়াল প্রোটেকশন কী? — ইনপুট ও আউটপুট কারেন্টের পার্থক্য দেখে ফল্ট ধরা।
১৪৫. এটি কোন ধরনের ট্রান্সফরমারে লাগে? — ৫ মেগাওয়াট (5MVA) এর ওপরের ট্রান্সফরমারে।১৪৬. ওভারফ্লাক্সিং কী? — ভোল্টেজ বাড়লে বা ফ্রিকোয়েন্সি কমলে কোর স্যাচুরেটেড হয়ে যাওয়া।
১৪৭. সার্কিট ব্রেকার কেন লাগে? — ত্রুটি দেখা দিলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে।
১৪৮. আইসোলেটর কী? — নো-লোড অবস্থায় লাইন বিচ্ছিন্ন করার সুইচ।
১৪৯. ড্রপ আউট (DO) ফিউজ কোথায় থাকে? — ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমারের এইচটি (HT) সাইডে।
১৫০. ট্রান্সফরমার অয়েলের জলীয় বাষ্প সরানোর প্রক্রিয়া কী? — ফিল্টারেশন বা সেন্ট্রিফিউজিং।
১৫১. এয়ার কোল্ড ট্রান্সফরমার কোথায় ব্যবহৃত হয়? — বাড়ির ভেতর বা ছোট ইলেকট্রনিক্সে।
১৫২. ট্রান্সফরমারের লাইফটাইম সাধারণত কত? — ২০ থেকে ৩০ বছর।
১৫৩. ইন্ট্রিনসিক সেফটি কী? — ট্রান্সফরমার যেন কোনোভাবেই স্পার্ক না করে।
১৫৪. তেলের কালার কেমন হলে বদলাতে হয়? — গাঢ় বাদামী বা কালো।
১৫৫. কোরের বোল্টগুলো কেন ইনসুলেটেড থাকে? — যাতে বোল্ট দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত না হয়।
১৫৬. নো-লোড টেস্টের সময় ভোল্টেজ কোথায় দেওয়া হয়? — লো ভোল্টেজ (LV) সাইডে।
১৫৭. শর্ট সার্কিট টেস্টে কারেন্ট কোথায় মাপা হয়? — হাই ভোল্টেজ (HV) সাইডে।
১৫৮. স্লাজ হওয়ার প্রধান কারণ কী? — তেলের সাথে অক্সিজেনের বিক্রিয়া।
১৫৯. ট্রান্সফরমার কি এমপ্লিফায়ার হিসেবে কাজ করে? — না, এটি পাওয়ার বাড়াতে পারে না।
১৬০. ট্রান্সফরমার কেন এসি জেনারেটরের চেয়ে দক্ষ? — কারণ এতে কোনো ঘূর্ণায়মান অংশ (Rotating part) নেই।
৭. বিবিধ ও টেকনিক্যাল টার্মস (১৬১-২০০)১৬১. পার-ইউনিট ইম্পিডেন্সের সূত্র কী? —
১৬২. অটো ট্রান্সফরমারে তামা কেন কম লাগে? — এক কয়েল কমন থাকে বলে।
১৬৩. অডিও ফ্রিকোয়েন্সি ট্রান্সফরমারের রেঞ্জ কত? — ২০ হার্টজ থেকে ২০ কিলোহার্টজ।
১৬৪. বেরি ট্রান্সফরমারে লিকেজ ফ্লাক্স কেমন? — খুবই কম।
১৬৫. স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমারে ইনপুট কারেন্ট কি আউটপুটের চেয়ে বেশি? — হ্যাঁ।
১৬৬. ট্রান্সফরমার কি ডিসি ভোল্টেজ স্টেপ আপ করতে পারে? — না।
১৬৭. আইসোলেশন ট্রান্সফরমারে টার্ন রেশিও কত? — ১:১।
১৬৮. ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমারে অল ডে এফিসিয়েন্সি কেন দেখা হয়? — কারণ এটি সবসময় লোডে থাকে না।১৬৯. কোরে সিলিকনের পরিমাণ কত থাকে? — ৩% থেকে ৪.৫%।
১৭০. বেশি সিলিকন দিলে কী হয়? — স্টিল ভঙ্গুর হয়ে যায়।
১৭১. কোল্ড রোলড গ্রেইন ওরিয়েন্টেড (CRGO) স্টিল কী? — কোরের জন্য শ্রেষ্ঠ মানের স্টিল।
১৭২. ট্রান্সফরমার কি পাওয়ার ফ্যাক্টর পরিবর্তন করতে পারে? — না।
১৭৩. নো-লোড কারেন্টের উপাদান কয়টি? — দুইটি (ম্যাগনেটাইজিং ও ওয়ার্কিং কম্পোনেন্ট)।
১৭৪. ইন্টার-টার্ন শর্ট সার্কিট কী? — কয়েলের এক প্যাঁচের সাথে অন্য প্যাঁচের শর্ট।
১৭৫. ট্রান্সফরমারে তেল কি কখনো কমে যায়? — হ্যাঁ, বাষ্পীভূত হয়ে বা লিকেজ দিয়ে।
১৭৬. ডাই-ইলেকট্রিক স্ট্রেংথের একক কী? — kV/mm।১৭৭. রেডিয়েটর কেন থাকে? — তেলকে বাতাস দিয়ে ঠাণ্ডা করার জন্য।
১৭৮. ইনস্ট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার কি পাওয়ার ট্রান্সমিট করে? — না, শুধু সিগন্যাল দেয়।
১৭৯. পিটি (PT) এর সেকেন্ডারি ভোল্টেজ সাধারণত কত হয়? — ১১০ ভোল্ট।
১৮০. সিটি (CT) এর সেকেন্ডারি কারেন্ট সাধারণত কত হয়? — ১ বা ৫ অ্যাম্পিয়ার।
১৮১. সাকশন কারেন্ট (Inrush current) কী? — চালুর শুরুতে যে উচ্চ কারেন্ট টানে।
১৮২. ইনরাশ কারেন্ট কত গুণ হতে পারে? — ফুল লোড কারেন্টের ৮-১০ গুণ।
১৮৩. এটি কেন হয়? — কোরের চৌম্বকীয় ফ্লাক্সের হঠাৎ পরিবর্তনের জন্য।
১৮৪. স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি কি মোটা তারের হয়? — না, সেকেন্ডারি মোটা হয়।
১৮৫. তারের পুরুত্ব কিসের ওপর নির্ভর করে? — প্রবাহিত কারেন্টের ওপর।
১৮৬. ফেরো-রেজোন্যান্স কী? — ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়ার এক বিশেষ অস্থির অবস্থা।
১৮৭. ট্রান্সফরমারের কোনো অংশটি সবচেয়ে বেশি উত্তপ্ত হয়? — ওয়াইন্ডিং।
১৮৮. কেন? — সেখানে রেজিস্ট্যান্সের কারণে কপার লস হয়।
১৮৯. ট্রান্সফরমারে কি আর্মেচার রিয়্যাকশন হয়? — না।১৯০. সেকেন্ডারি লোড বাড়লে প্রাইমারি কারেন্ট কি বাড়ে? — হ্যাঁ।
১৯১. কেন? — ফ্লাক্স ব্যালেন্স করার জন্য।১৯২. বুখলজ রিলে কি ছোট ট্রান্সফরমারে থাকে? — না, সাধারণত ৫০০ KVA-র ওপরে থাকে।
১৯৩. অটো ট্রান্সফরমারে কি ভোল্টেজ আইসোলেশন পাওয়া যায়? — না।
১৯৪. এটি কোথায় বেশি চলে? — ট্রেনের লাইনে এবং স্ট্যাবিলাইজারে।
১৯৫. রিয়্যাক্টিভ পাওয়ার ট্রান্সফরমার কি গ্রহণ করে? — হ্যাঁ, ম্যাগনেটাইজিং কারেন্টের জন্য।
১৯৬. হারমেটিক্যালি সিলড ট্রান্সফরমার কী? — যাতে বাইরের বাতাস ঢোকার পথ থাকে না।
১৯৭. ট্রান্সফরমার ডিজাইন কি ফ্রিকোয়েন্সির ওপর নির্ভর করে? — হ্যাঁ।
১৯৮. ফ্রিকোয়েন্সি বাড়লে ট্রান্সফরমারের সাইজ কি হবে? — ছোট হবে।
১৯৯. পোলারাইজেশন ইনডেক্স (PI) কী? — ইনসুলেশনের মান বোঝার অনুপাত।
২০০. একটি ট্রান্সফরমারের সর্বোচ্চ কর্মদক্ষতা কখন হয়? — যখন স্থির লস (Iron loss) এবং পরিবর্তনশীল লস (Copper loss) সমান হয়।
Collected: ইঞ্জিনিয়ারিং ভাইভা।